চলচ্চিত্রের আলাদা মন্ত্রণালয় হওয়া উচিত : ফারুকী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বুধবার অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ফিল্ম স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে এক জাতীয় চলচ্চিত্র সম্মেলনে বক্তৃতা দেন সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। তিনি বলেন, “চলচ্চিত্রের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় হওয়া উচিত। ভিন্ন ভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে চলচ্চিত্রের উন্নতি সম্ভব নয়।” সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সিনেমা সংশ্লিষ্ট নানা ব্যক্তিত্ব, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ প্রায় চার শতাধিক প্রতিনিধি।

ফারুকী তার বক্তব্যে আরো বলেন, চলচ্চিত্রের উন্নতির জন্য একটি সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা এবং কর্মশালার আয়োজনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি যোগ করেন, “চলচ্চিত্র সংস্কারে পদক্ষেপ নিতে হলে, আমাদেরকে আন্দোলন করতে হবে। দাবি আদায়ে রাস্তায় নামুন, আমাদের ঘেরাও করুন, তারপর আমরা কাজ করতে বাধ্য হব।”

এছাড়া, চলচ্চিত্রের স্বতন্ত্র মন্ত্রণালয়ের দাবির বিষয়ে ফারুকী বলেন, “স্বতন্ত্র মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন সম্ভব না হলেও, আমরা সংস্কৃতি বিষয়ক সবকিছু এক ছাতার নিচে একত্রিত করে সুপারিশ পেশ করব, যাতে ভবিষ্যতে সঠিকভাবে কাজ করা যায়।”

ফারুকী চলচ্চিত্র শিল্পের সংকটের সমাধানে শিল্পী ও কলাকুশলীদের সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান এবং বলেন, “এখন পর্যন্ত চলচ্চিত্র জগতে যা হচ্ছে, তা ব্যক্তিগত উদ্যোগে হচ্ছে। রাষ্ট্র কখনো কিছু দিতে পারেনি।” তিনি চলচ্চিত্রের সংকট সমাধানে অংশীজনদের এক হয়ে আন্দোলন করার তাগিদ দেন, যা ছাড়া কোনো সমাধান সম্ভব নয়।

এ সম্মেলনে চলচ্চিত্র অনুদান কমিটির সদস্য আকরাম খান, জনপ্রিয় গীতিকার লতিফুল ইসলাম শিবলী, নির্মাতা রায়হান রাফী, প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিল, অভিনেতা ইমতিয়াজ বর্ষণসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, সিনেমা নিউজ ২৪ ডট কম

 




রেস্টুরেন্ট উদ্বোধনে বাধার মুখে অপু, পরীমণি বললেন— ‘মজা মজা’

মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকা, কামরাঙ্গীচরে একটি রেস্তোরাঁ উদ্বোধনের জন্য প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল বাংলাদেশি চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসের। তবে স্থানীয় মুসল্লিরা বিষয়টি জানার পর প্রতিবাদ জানিয়ে কামরাঙ্গীচর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এর ফলে থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে অপু বিশ্বাস ছাড়াই রেস্তোরাঁর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

এটি তারকা অভিনেত্রীদের মাঝে নতুন একটি বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এর আগে, গত বছরের শেষের দিকে চট্টগ্রামে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী বাধার সম্মুখীন হন এবং কয়েকদিন আগে চিত্রনায়িকা পরীমণি একটি শো-রুম উদ্বোধনে বাধা পেয়েছিলেন। এরই মাঝে অপু বিশ্বাসের এই ঘটনা নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে এবং এটি সোশ্যাল মিডিয়াতে আলোচনার ঝড় তুলেছে।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের পর পরীমণি তার ফেসবুকে অপু বিশ্বাসের বিষয়ে শেয়ার করেছেন। তিনি লিখেছেন, “মজা না? মজা মজা!” পরীমণির এই পোস্টটি নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

অন্যদিকে, চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি অপু বিশ্বাসের প্রতি সহানুভূতি জানিয়ে ফেসবুকে একটি ফটোকার্ড শেয়ার করেন। এতে তিনি লিখেছেন, “দুঃখিত অপুদি। আমাদের শিল্পীদের মধ্যে ইউনিটি কম থাকার কারণে তোমাকেও এভাবে অপমানিত হতে হলো। তা নাহলে মেহজাবীন, পরীমণির পর কোনো শিল্পীদের এভাবে অপমান করার আগে ৫ হাজার বার ভাবতে হতো।”

গত বছর ২ নভেম্বর চট্টগ্রামে শো-রুম উদ্বোধন করতে গিয়ে মেহজাবীন চৌধুরীও তাওহীদি জনতার বাধার মুখে ফিরে আসেন। একইভাবে, গত ২৫ জানুয়ারি টাঙ্গাইলে একটি শো-রুম উদ্বোধন করার সময় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আপত্তির কারণে পরীমণি সেখানে যেতে পারেননি।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




মৌসুমী ও ওমর সানী: দীর্ঘ সময় পর আমেরিকায় স্থায়ী বসবাসের গুঞ্জন

বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের ‘প্রিয়দর্শিনী’ অভিনেত্রী মৌসুমী, যিনি ক্যারিয়ারে অসংখ্য জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করে সবার মন জয় করেছেন, বর্তমানে আমেরিকায় অবস্থান করছেন। চলচ্চিত্রের মাধ্যমে একাধিক জাতীয় পুরস্কার জয়ী মৌসুমী এখনো সেখানে বিভিন্ন শুটিং ও শো-এ অংশ নিচ্ছেন, আর সেখানে তার মা, বোন এবং দুই সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন।

২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে মৌসুমী মার্কিন মুলুকে পাড়ি জমিয়েছিলেন এবং এখনো সেখানে রয়েছেন, যদিও অতীতে আমেরিকায় যাওয়ার পর তিনি দ্রুতই দেশে ফিরে এসেছিলেন। তবে, এবার দীর্ঘ সময় ধরে দেশ থেকে দূরে আছেন।

এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে গুঞ্জন উঠেছে, মৌসুমী হয়তো সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য গ্রিনকার্ডের আবেদন করেছেন। যদিও এই ব্যাপারে মৌসুমী কিংবা তার স্বামী, জনপ্রিয় অভিনেতা ওমর সানী, কিছু বলেননি।

মৌসুমীর দেশে ফেরার বিষয়ে একটি গণমাধ্যমে প্রশ্ন করা হলে, চিত্রনায়ক ওমর সানী বলেন, “সে (মৌসুমী) তো দেশে কোনো সিনেমা সাইন করে যায়নি কিংবা কাউকে ফাঁসিয়ে যায়নি যে, তার দেশে ফেরার চিন্তা সবাইকে করতে হবে।” তিনি আরো বলেন, “এখন তো আমাদের পরিবারকে (ছেলে-মেয়ে) সময় দেওয়া উচিত, মৌসুমীও তাই করছে। সেখানে ভালো আছে; আমিও হয়তো শিগগিরই যাব।”

মৌসুমী ও ওমর সানী একে অপরকে ভালোবেসে বিয়ে করেন ১৯৯৫ সালের ৪ মার্চ। এই বিয়ের খবর প্রথমে জানানো হয়নি, তবে পরে জানা যায় যে, মৌসুমী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর তাদের বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ পায়। তাদের প্রথম সন্তান ফারদীন গর্ভে আসার চার মাস পর ৩ আগস্ট, ১৯৯৫ সালে রাওয়া ক্লাবে একটি বিশেষ বৌ-ভাতের আয়োজন করা হয়।

এদিকে, এই দম্পতি এখন নিজেদের পরিবার এবং ক্যারিয়ার নিয়ে সন্তুষ্ট জীবন কাটাচ্ছেন এবং নতুন পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত রয়েছেন।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




সাফল্য আসবে যাবে, এটা চিরস্থায়ী নয়’

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : দক্ষিণী অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা বিভিন্ন কারণে সংবাদের শিরোনাম হয়ে থাকেন। কখনও সিনেমার কারণে কখনও আবার তার বহুচর্চিত বয়ফ্রেন্ডকে নিয়ে। যা নিয়ে নেটিজেনরা বেশ আলোচনা-সমালোচনা করে থাকেন।

এক সাক্ষাৎকারে এবার প্রেম জীবন নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি জানিয়েছেন, তার জীবনেও একজন সঙ্গী রয়েছেন। রশ্মিকা বলেন, ‘নিজের বাড়ি, আমার জীবনে সবচেয়ে আনন্দের জায়গা। আমি সেখানে শান্তি খুঁজে পাই। মনে হয়, শিকড়ের সঙ্গে জুড়ে আছি।’

‘আসলে সাফল্য আসবে, যাবে। এটা চিরস্থায়ী নয়। কিন্তু, বাড়িতে এক অন্য শান্তি। আমার জীবনেও অনেক কাছের মানুষ আছেন। আমিও কারও বোন, কারও মেয়ে, কারও আবার সঙ্গী। জনপ্রিয়তা যার যার নিজের জায়গায়। আমি আসলে এই জীবনকে খুব উপভোগ করি।’




শেখ সাদী জামিনদার, পরীমণিকে ঘিরে উঠল নতুন গুঞ্জন!

পরীমণির সঙ্গে তারকা গায়ক শেখ সাদীর সাম্প্রতিক ঘনিষ্ঠতা শোবিজে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গুঞ্জনের কেন্দ্রবিন্দুতে এসে আরও আলোচনায় জড়িয়েছে সাদী যখন গতকাল ঢাকার আদালতে চিত্রনায়িকা পরীমণির জামিনদার হিসেবে নাম লেখান।

সকাল ১০টা ২৭ মিনিটে আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন চিত্রনায়িকা পরীমণি। তার আইনজীবীরা জামিননামা লেখার সময় পাশে বসা তরুণ সঙ্গীতশিল্পী শেখ সাদী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পরীমণির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত জানান, “জামিন প্রক্রিয়ায় আমার পাশাপাশি শেখ সাদী স্থানীয় জামিনদার হিসেবে সহযোগিতা করেছেন।”

শেখ সাদী গণমাধ্যমে বলেন, “পরীমণি আমার সহকর্মী। তার বিপদে পাশে দাঁড়ানো নৈতিক দায়িত্ব মনে করেছি।” তিনি আরও জানান, তাদের পেশাগত সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং পরীমণির ইতিবাচক মানসিকতার কথা উল্লেখ করেন। পরীমণির সোশ্যাল মিডিয়ায় শেখ সাদীর উপস্থিতি নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনার সূত্রপাত। সম্প্রতি পরীর শেয়ার করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, শেখ সাদী পরীমণির ছেলে রাজ্যের সঙ্গে খেলায় মত্ত। এমন পোস্ট থেকেই তাদের সম্পর্ক নিয়ে নানা গুঞ্জনের জন্ম হয়েছে।

কিন্তু সম্পর্কের বিষয়ে সাদী ধোঁয়াশা রেখে বলেছেন, “মানুষ যতভাবে ভাবতে চাইবে, ততভাবেই গুঞ্জন উঠবে। তবে পরীমণি আমার শুভাকাঙ্ক্ষী এবং আমরা একে অপরকে সম্মান করি।”গণমাধ্যমে পরীমণি বলেন, “আমি খুব অসুস্থ থাকায় পরিস্থিতি কিছুটা কঠিন ছিল। সাদী আমাকে সাহস দিয়েছে। তিনি শুধু সহকর্মীই নন, একজন ভালো মনের মানুষ।” চিত্রনায়িকা পরীমণির জীবনে নানা ঘটনার রেশ ধরে গণমাধ্যমে আলোচনার অভাব নেই। ‘গুণিন’ সিনেমার সময় তার প্রথম স্বামী রাজের সঙ্গে প্রণয়, পরে বিবাহবিচ্ছেদ এবং সন্তান রাজ্য নিয়ে একক মাতৃত্বের পরিধি সবসময় তার অনুরাগীদের নজরে।

পরীমণি বর্তমানে ব্যবসায়ী নাসির ইউ মাহমুদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার মামলায় সাক্ষ্য প্রদান করছেন। পাশাপাশি, তার বিরুদ্ধেও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়ার খবর দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বড় আলোচনায় রূপ নিয়েছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




পরিণতি ভোগ করছেন শুভ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ঢাকাই সিনেমার নায়ক আরিফিন শুভ। সর্বশেষ তাকে শেখ মুজিবের বায়োপিক ‘মুজিব : একটি জাতির রুপকার’ সিনেমায় দেখা গেছে। এরপর তাকে আর কোনো সিনেমার খবরে পাওয়া যায়নি। দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর একেবারেই আড়ালে চলে যান এ নায়ক।

৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলে, ঘরবন্দী হয়ে পড়েন শুভ। মুজিব সিনেমায় বিনাপারিশ্রমিকে অভিনয় করেছিলেন তিনি। তবে এর জন্য হাসিনার আশীর্বাদস্বরুপ পুর্বাচলে প্লটও পান। বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার সেটা বাতিলও করে। বর্তমানে শুভর সময় খুব একটা ভালো যাচ্ছে না

আওয়ামী সরকারের আমলে সুবিধা নেয়া শিল্পী হিসাবে এখন পরিণতি ভোগ করছেন তিনি। সমালোচিত নানা ইস্যুতে প্রায়ই গণমাধ্যমের খবরের শিরোনাম হচ্ছেন। এরমধ্যে তার ব্যক্তিগত জীবনেও ঝড় বয়ে যাচ্ছে। সংসার জীবনে বিচ্ছেদ, মায়ের প্রয়াণ এসবের সঙ্গে কাজহীন অলস সময় অভিনেতাকে মানসিক ভাবে যন্ত্রণা দিচ্ছে। সম্প্রতি এক ফেসবুক পোস্ট দিয়ে ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে সেই দুঃখ ভাগাভাগি করলেন এ অভিনেতা।

এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে কাজের ব্যাপারে সুবিধা করতে না পেরে শুভ নজর দেন কলকাতায়। গত ৮ নভেম্বর গোপনে কলকাতায় একটি শুটিংয়ে অংশ নেন শুভ। জানা গেছে, ‘জ্যাজ সিটি’ সিরিজটিতে অভিনয় করেছেন তিনি। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট নিয়ে এর গল্প, তবে বাংলাদেশে সিরিজটির কোনো শুটিং হবে না। এতে শুভর বিপরীতে কাজ করেছেন কলকাতার অভিনেত্রী সৌরসেনী মিত্র। এর আগে এ অভিনেতা পশ্চিমবঙ্গে আরও কাজ করেছেন। এরমধ্যে রয়েছে অরিন্দম শীল পরিচালিত ‘উনিশে এপ্রিল’ ও রাহুল মুখার্জির ‘লহু’।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে শুভ অভিনীত সিনেমা ‘নীলচক্র’। এটিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন মন্দিরা চক্রবর্তী। পরিচালনা করেছেন মিঠু খান। এছাড়াও ‘নূর’ নামে আরও একটি সিনেমা মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখন জানা গেছে, সিনেমাটির কিছু দৃশ্য পরিবর্তন আনার প্রয়োজন মনে করছেন পরিচালক রায়হান রাফি। তাই পুনরায় শুটিং করবেন বলে জানান তিনি।




মিলল না আঙুলের ছাপ, সাইফকাণ্ডে শরিফুলকে ফাঁসানো হচ্ছে?

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  সাইফ আলি খানের বাড়িতে ঢুকে গৃহকর্তার উপর হামলার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে শরিফুল ইসলাম শেহজাদকে। ৩১ বছর বয়সী ওই যুবককে বাংলাদেশের নাগরিক বলে দাবি করেছে মুম্বাই পুলিশ।

কিন্তু প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, সে রাতে বান্দ্রার অভিজাত আবাসনে ঢুকে পড়া ব্যক্তি কি আদৌ শরিফুল? ইতোমধ্যেই বাংলাদেশ থেকে শরিফুলের বাবা দাবি করেছেন, পুলিশের প্রকাশ করা সিসিটিভি ফুটেজে যে ব্যক্তিকে দেখা যাচ্ছে, সেটা তার ছেলে শরিফুল নন। তিনি বাংলাদেশ সরকারের কাছে ইতোমধ্যে ছেলেকে ফেরত আনার জন্য আবেদনও করেছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর, তার এমন দাবির পর এবার সাইফের বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা নমুনার সঙ্গেও মিলল না শরিফুলের হাতের ছাপও।

গত ১৬ জানুয়ারি ভোরে রক্তাক্ত অবস্থায় মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় সাইফকে। দাবি করা হয়, আগের রাতে কোনও দুষ্কৃতী ঢুকে পড়ে তার বাড়িতে। ডাকাতিতে বাধা পেয়েই গৃহকর্তার উপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে চড়াও হয়।

তদন্তে নেমে গত ১৮ জানুয়ারি মুম্বাই পুলিশের অপরাধ দমন শাখার সদস্যরা ঠাণে এলাকার এক শ্রমিক বসতি থেকে গ্রেপ্তার করে শরিফুলকে। এরপর দাবি করা হয়, অভিনেতার ওপর হামলার ঘটনায় তিনিই মূল অভিযুক্ত।

জানা গেছে, ধৃত শরিফুল ইসলাম শেহজাদের ১০টি আঙুলের ছাপ পাঠানো হয়েছিল ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য। মহারাষ্ট্র সিআইডি-র ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশেষজ্ঞরা যে রিপোর্ট দিয়েছেন তাতে জানা যাচ্ছে, সাইফের বাড়ি থেকে পাওয়া ১৯টি নমুনার একটিও মিলছে না শরিফুলের সঙ্গে।

প্রশ্ন উঠছে, আদৌ শরিফুলই সাইফের বাড়িতে হামলা চালিয়েছিলেন তো? নাকি শরিফুলের বাবার সন্দেহই ঠিক। তাকে আসলে ফাঁসানো হচ্ছে সাইফকাণ্ডে!




ব্যবসায়ী নাসিরের মামলায় পরীমণির জামিন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির এক দিনের মাথায় জামিন পেয়েছেন নায়িকা পরীমণি। এদিন আদালতে আত্মসমর্পণ জামিন চাইলে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।

সোমবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে ঢাকার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আসেন তিনি।

তার পক্ষে অ্যাডভোকেট নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী জামিন চেয়ে আবেদন করেন।শুনানি শেষে ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুনাইদের আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে গতকাল আসামি পরীমণি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে এ মামলায় বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

গত বছর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পরীমনি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিমের বিরুদ্ধে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করেন। তবে আরেক আসামি ফাতেমা তুজ জান্নাত বনির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি।

পরবর্তীতে ১৮ এপ্রিল ঢাকার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এম সাইফুল ইসলামের আদালত পিবিআইয়ের দেয়া তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করেন আদালত। একইসাথে পরীমনি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিমকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন। এরপর তারা ২৫ জুন ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিন পান।

এর আগে ২০২১ সালের ৬ জুলাই ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব হাসানের আদালতে বোট ক্লাবের সভাপতি ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ বাদী হয়ে পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন।

এ মামলার অন্য দুই আসামি হলেন- পরীমনির সহযোগী ফাতেমা তুজ জান্নাত বনি ও জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিম।

মামলায় নাসিরউদ্দিন উল্লেখ করেন, পরীমনি ও তার সহযোগীরা অ্যালকোহল সেবনে অভ্যস্ত। তারা সুযোগ বুঝে বিভিন্ন নামীদামি ক্লাবে ঢুকে অ্যালকোহল পান করেন এবং পার্সেল নিয়ে মূল্য পরিশোধ করেন না। পরীমনি তার পরিচিত পুলিশ কর্মকর্তাদের দিয়ে মিথ্যা মামলা করিয়ে হয়রানির ভয় দেখান। ২০২১ সালের ৯ জুন রাত ১২টার পর আসামিরা সাভারের বোট ক্লাবে ঢোকেন এবং দ্বিতীয় তলার ওয়াশরুম ব্যবহার করেন। পরে তারা ক্লাবের ভেতরে বসে অ্যালকোহল পান করেন।

এতে আরও বলা হয়, বাদী (নাসির উদ্দিন মাহমুদ) ও তার সহযোগী শাহ শহিদুল আলম রাত ১টা ১৫ মিনিটে যখন ক্লাব ত্যাগ করছিলেন, তখন পরীমনি উদ্দেশ্যমূলকভাবে নাসিরকে ডাক দেন। তাদের সঙ্গে কিছু সময় বসারও অনুরোধ করেন। এক পর্যায়ে পরীমনি অশ্লীল অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে নাসিরকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং একটি ব্লু লেবেল অ্যালকোহলের বোতল বিনামূল্যে পার্সেল দেওয়ার জন্য চাপ দেন। নাসির উদ্দিন এতে রাজি না হওয়ায় পরীমনি তাকে গালমন্দ করেন। নাসির এবং আসামিদের মধ্যে বাদানুবাদের এক পর্যায়ে পরীমনি বাদীর দিকে একটি সারভিং গ্লাস ছুড়ে মারেন এবং হাতে থাকা মোবাইল ফোনও ছুড়ে মারেন। এতে নাসির মাথায় এবং বুকে আঘাতপ্রাপ্ত হন।

বাদী মামলায় আরও উল্লেখ করেন, পরীমনি ও তার সহযোগীরা তাকে (নাসির উদ্দিনকে) মারধর ও হত্যার হুমকি দিয়েছেন ও বোট ক্লাবে ভাঙচুর করেছেন। এ ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য পরীমনি সাভার থানায় বাদী নাসির উদ্দিনসহ দুজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ তুলে মামলা করেন।




পরীমণির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের দায়ের করা মারধর, ভাঙচুর এবং ভয়ভীতি দেখানোর মামলায় আদালত চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

রবিবার (২৬ জানুয়ারি) ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সময় আবেদন নামঞ্জুর করে এ পরোয়ানা জারি করেন। পরীমণির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার মামলাটি ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এম সাইফুল ইসলামের আদালতে শুনানি হয়। বাদীপক্ষের আইনজীবী আবুল কালাম মোহাম্মদ সোহেল আদালতে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আদেশ পরে দেবেন বলে জানালেও রবিবার পরোয়ানা জারি করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এতে পরীমণি এবং তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে আরেক আসামি ফাতেমা তুজ জান্নাত বনির বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

২০২২ সালের ৬ জুলাই ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ মামলাটি দায়ের করেন। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, পরীমণি ও তার সহযোগীরা বিভিন্ন ক্লাবে অ্যালকোহল পান করে বিল পরিশোধ না করেই চলে যান। ২০২১ সালের ৯ জুন রাতে সাভারের একটি বোট ক্লাবে পরীমণি ও তার সহযোগীরা ব্লু লেবেল অ্যালকোহল পার্সেল দেওয়ার জন্য নাসির উদ্দিনকে চাপ দেন। তিনি রাজি না হওয়ায় পরীমণি তাকে গালমন্দ এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন।

মামলার এজাহারে আরও বলা হয়, পরীমণি ক্লাবে থাকা গ্লাস ও মোবাইল ফোন নাসির উদ্দিনের দিকে ছুড়ে মারেন, যার ফলে তিনি আহত হন। এছাড়া তাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়।

এদিকে, পরীমণি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, “এত চুপ করে থাকা যায় নাকি! শিল্পীদের এত বাধা কেন আসবে!? অনিরাপদ অনুভব করছি! এ দেশে সিনেমা/ বিনোদন বন্ধ করে দেওয়া হোক।”

পরীমণি এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




এ দেশে সিনেমা-বিনোদন সব বন্ধ করে দেয়া হোক: পরীমণি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমণি তার ফেসবুক টাইমলাইনে এক আবেগঘন পোস্টে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

শনিবার (২৫ জানুয়ারি) রাতে ফেসবুক টাইমলাইনে তিনি লিখেছেন, “এতো চুপ করে থাকা যায় নাকি! পরাধীন মনে হচ্ছে। শিল্পীদের এতো বাধা কেন আসবে!? Insecure feel হচ্ছে! এমন স্বাধীন দেশে নিরাপদ নই কেন আমরা!”

পরীমণি তার পোস্টে উল্লেখ করেছেন যে, তার আগে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং কণ্ঠশিল্পী পরশীও এমন হেনস্থার শিকার হয়েছেন। ধর্মের দোহাই দিয়ে এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কি প্রমাণ করার চেষ্টা করা হচ্ছে, সে প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।

অভিনেত্রী আরও লেখেন, “কি বলার আছে আর… এ দেশে সিনেমা/বিনোদন সব বন্ধ করে দেয়া হোক তাহলে! এই দায়ভার কিন্তু আমাদের সবার নিতে হবে।”

পরীমণির এই মন্তব্যে বিনোদন জগতে কাজ করা শিল্পী এবং দর্শকদের মধ্যে আলোচনার ঝড় উঠেছে।