‘আমি বাংলায় গান গাই’ শিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায় মারা গেছেন

 চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  মারা গেছেন ‘আমি বাংলায় গান গাই’ খ্যাত ভারতীয় শিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়। শনিবার সকাল ১০টার দিকে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান এই শিল্পী। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতার সঙ্গে ভুগছিলেন প্রতুল, ছিলেন আইসিইউতে। জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন শিল্পী। এর মধ্যে প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের শরীরে একটি অস্ত্রোপচার হয়। এরপর তার হার্ট অ্যাটাকও হয় এবং তিনি আক্রান্ত হন নিউমোনিয়াতেও। এরপর গত দুই সপ্তাহ হাসপাতালের আইসিইউতেই চিকিৎসাধীন ছিলেন বরেণ্য এ শিল্পী; শেষমেশ না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন।
প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থার অবনতির কথা শোনার পর গত বুধবার সন্ধ্য়ায় এসএসকেএম হাসপাতালে শিল্পীকে দেখতে যান পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। এর আগে গত ১৫ জানুয়ারিও হাসপাতালে দেখতে যান তিনি। সে সময় হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে প্রতুল মুখার্জী ‘আমি বাংলায় গান গাই’ গেয়ে শোনান মমতাকে।

অবিভক্ত পূর্ববঙ্গে জন্ম, পরবর্তীতে পশ্চিমবঙ্গে চলে যান প্রতুল। কিন্তু বাঙালিয়ানা আদ্যোপান্ত জড়িয়েছিল তার সঙ্গে। তার কণ্ঠে ‘আমি বাংলায় গান গাই’ আজও মুখে মুখে ফেরে। পাশাপাশি, ‘ডিঙা ভাসাও সাগরে’ও অত্যন্ত পছন্দ অনুরাগীদের।

প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের জন্ম ১৯৪২ সালে বরিশালে। তার আলোচিত অ্যালবামগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘পাথরে পাথরে নাচে আগুন’ (১৯৮৮), ‘যেতে হবে’ (১৯৯৪), ‘ওঠো হে (১৯৯৪), ‘কুট্টুস কাট্টুস’ (১৯৯৭), ‘স্বপ্নের ফেরিওয়ালা’ (২০০০), ‘তোমাকে দেখেছিলাম’ (২০০০), ‘স্বপনপুরে’ (২০০২), ‘অনেক নতুন বন্ধু হোক’ (২০০৪), ‘হযবরল’ (২০০৪), ‘দুই কানুর উপাখ্যান’ (২০০৫), ‘আঁধার নামে’ (২০০৭)। বাংলাদেশে বেঙ্গল ফাউন্ডেশন থেকে প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের সর্বশেষ অ্যালবাম প্রকাশিত হয় ২০১১ সালের মার্চে।



আজ ভালোবাসার দিন, হৃদয়ের কথা বলার দিন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : ভালোবাসা কখনও ক্যালেন্ডারের পাতায় বন্দি নয়, তবু ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি একদিন যেন অনুভূতিগুলো একটু বেশিই রঙিন হয়ে ওঠে। বসন্তের স্নিগ্ধতায় ভালোবাসা দিবস আসে সম্পর্কের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে দিতে। এই দিনটি শুধু প্রেমিক-প্রেমিকার নয়, বরং বন্ধুত্ব ও পরিবারের প্রতিও ভালোবাসা প্রকাশের বিশেষ সুযোগ। তবে সময়ের স্রোতে বদলেছে ভালোবাসার ভাষা, পাল্টেছে উদযাপনের ধরন। একসময় যা ছিল সংকোচের, আজ তা প্রকাশ্য। ভালোবাসা দিবস তাই শুধু উদযাপনের নয়, সম্পর্কের মূল্য বুঝে সংযম ও আন্তরিকতার সঙ্গে ভালোবাসার সত্যিকার অর্থ খুঁজে পাওয়ারও দিন। এ এক চিরন্তন আবেগের উৎসব।




অনিরাপদ বোধ করছি: পরীমনি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি পেশাগত জীবনের চেয়ে তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েই বেশি আলোচনায় থাকেন। বিভিন্ন সময় বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগও ওঠে এই অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে। এমনকি এসব কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে মামলার পর জেলও খেটেছেন তিনি।

পরীমনি বিভিন্ন ইস্যুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের মতামত শেয়ার করতেও পিছিয়ে থাকেন না। এসব পোস্টও বিভিন্ন সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা-সমালোচনার ঝড় তোলে।

সম্প্রতি বিবিসি বাংলায় এক অডিও বার্তায় ‘অনিরাপদ বোধ’ করছেন দাবি করে পরীমণি বলেন, অসহায় বোধের পাশাপাশি অবশ্যই অনিরাপদ বোধ করছি। শো-রুম উদ্বোধন থেকে শুরু করে জনসাধারণের সম্পৃক্ততা- যে কোনো অনুষ্ঠানই হোক সেটা তো আমার কাজ।

এ অভিনেত্রী বলেন, আমাকে তো এত বছর কেউ বাধা দেয়নি, তাহলে এখন কেন বাধা আসবে। আমরা স্বাধীনভাবে নিজেদের কাজটা করতে চাই। সেখানে বাধা হয়ে দাঁড়াবে খুব অল্পসংখ্যক লোকজন এবং তাদেরকে আমরা ভয় পাবো, পিছপা হবো। আমাদের সৃজনশীল কাজে বাধা আসবে। আমি অন্তত সেটা কোনোভাবে মেনে নিতে পারি না।

পরীমনি আরও বলেন, যখন কথা বললাম তখন নানা ধরনের হেনস্তা করা হলো। এখানে কী আবার ধর্মবিরোধী? ধর্মের ওপরে কী আঘাত হচ্ছে- আমি স্পষ্টভাবে জানি না। আমি এটা জানতে চাচ্ছি যে, এরা আসলে কারা।

নতুন বাংলাদেশে স্বাধীনতা উপভোগ করতে পারছেন না জানিয়ে পরীমনি বলেন, এই স্বাধীনতা আমরা যদি এনে দেওয়ার জন্য একটু হলেও ভূমিকা রাখি তাহলে কেন স্বাধীনতা উপভোগ করতে পারছি না। এই স্বাধীনতা কারা উপভোগ করছে?




কনটেন্ট ক্রিয়েটর কাফির বাড়িতে আগুন দেয়ার ঘটনায় থানায় মামলা

আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর নুরুজ্জামান কাফির বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে কাফি নিজে বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কলাপাড়া থানায় মামলা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তদন্ত মোস্তাফিজুর রহমান।

কাফি তার মামলায় উল্লেখ করেছেন, জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক বাড়ি ধ্বংসের নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে পরিকল্পিতভাবে তার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে দুর্বৃত্তরা এ হামলা চালিয়েছে।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে দুর্বৃত্তরা বাইরে থেকে দরজা আটকে কাফির বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় বলে দাবি করেন তার বাবা এবিএম হাবিবুর রহমান। তবে আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ার আগেই পরিবারের ছয় সদস্য দরজা ভেঙে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন। এতে প্রাণহানি না ঘটলেও নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এ ঘটনায় থানায় মামলা হওয়ার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। কলাপাড়া থানার ওসি (তদন্ত) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ঘটনার পেছনে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




নুরুজ্জামান কাফির ঘরে আগুন, দায়ীদের গ্রেপ্তারের আল্টিমেটাম

পটুয়াখালীর কলাপাড়ার জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর নুরুজ্জামান কাফির গ্রামের বাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তিনি দাবি করেছেন, এটি পরিকল্পিত এবং প্রতিশোধমূলক হামলা।

বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার রজপাড়া গ্রামে পোড়া ঘরের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ তোলেন। বক্তব্য দিতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন কাফি।

তিনি বলেন, “স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্যই আমাকে টার্গেট করা হয়েছে। ধানমন্ডি ৩২ পোড়ানোর প্রতিশোধ নিতেই আমার ঘর প্রথমে পোড়ানো হলো।”

কাফি আরও জানান, “আমার বাবা ও ভাই দু’বার কেঁদেছেন— একবার জুলাই আন্দোলনের সময়, যখন আমি আত্মগোপনে ছিলাম, আর দ্বিতীয়বার আজ, যখন আমাদের বাড়ি আগুনে পুড়লো। বাবার সন্তান হিসেবে আজ আমি লজ্জিত!”

তিনি সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “সাত দিনের মধ্যে আমার ঘর পুনর্নির্মাণ ও দোষীদের গ্রেপ্তার করা না হলে আমি একাই এই পোড়া বাড়ির সামনে দাঁড়াবো। বিপ্লবী ছাত্রজনতা আমার সঙ্গে আছে। প্রয়োজন হলে আমি বিপ্লবী সরকারের ডাক দেবো।”

কাফির দাবি, “দেশের ৬০ শতাংশ মানুষ ইতোমধ্যে সরকারের ওপর থেকে আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। আমরা কখনো সুবিধা চাইনি, উপদেষ্টা হতে চাইনি। শুধু দেশের মানুষের নিরাপত্তা চেয়েছি, নিজের নিরাপত্তা চেয়েছি। অথচ আজ আমার নিজের ঘরই নেই!”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “এই আগুন হাসিনা দেননি, তবে এখানকার স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ এর সঙ্গে জড়িত। দেশে এখনও ৭০ শতাংশ আওয়ামী লীগ এক্টিভ আছে, এই ফ্যাসিস্টদের বিষদাঁত উপড়ে ফেলতে হবে।”

সংবাদ সম্মেলনে কাফির বাবা এবিএম হাবিবুর রহমান ও বড় ভাই নুরুল্লাহ আল মামুন উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয়দের অনেকেই মনে করছেন, এই অগ্নিকাণ্ডের পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র থাকতে পারে, যা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকাশ্যে আসতে পারে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পটুয়াখালীতে কনটেন্ট ক্রিয়েটর নুরুজ্জামান কাফির বাড়িতে অগ্নিসংযোগ

পটুয়াখালীর কলাপাড়ার জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর নুরুজ্জামান কাফির গ্রামের বাড়ি দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে পুড়ে গেছে। মঙ্গলবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে তিনি এ অভিযোগ করেন।

স্ট্যাটাসে কাফি লেখেন, “মধ্যরাতে আমার বাড়ির ঘর, রান্না-ঘর সম্পূর্ণ পুড়িয়ে দিয়েছে। কোন দেশের জন্য, কাদের জন্য কথা বলছিলাম? যুদ্ধ করেছিলাম এবং করছি। কিন্তু নিরাপত্তা পাইনি।”

কলাপাড়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মো. ইলিয়াস হোসাইন জানান, “রাত সোয়া ২টার দিকে আমাদের মোবাইলে কল আসে নুরুজ্জামান কাফির বাসায় আগুন লেগেছে। আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। তবে ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। আশপাশের এলাকায় আগুন ছড়াতে দেইনি। কেউ হতাহত হয়নি।”

২০১৯ সাল থেকে কনটেন্ট তৈরি শুরু করেন কাফি। বরিশালের আঞ্চলিক ভাষায় ভিডিও বানিয়ে দেশের বিভিন্ন সমস্যা, দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যঙ্গাত্মক প্রতিবাদ জানান তিনি।

সম্প্রতি বইমেলায় তার লেখা বই প্রকাশিত হয়, যা নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এক ভিডিওতে এ প্রসঙ্গে দুঃখ প্রকাশ করে কাফি বলেন, “আমার সঙ্গে অন্যায় করা হচ্ছে। যেকোনো কিছু নিয়ে সমালোচনা করা হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “একটি নাটকের ক্লিপ থেকে স্ক্রিনশট নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে। বইমেলায় বান্ধবীর হাত ধরা নিয়েও বিতর্ক করা হচ্ছে। আমি ভুল বুঝতে পেরে সরিও বলেছি।”

এ ঘটনার পরপরই তার বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটায় নেটিজেনদের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




সৌমিন আফরিনের পোশাকে মৌ যেন অপ্সরী

বাংলাদেশের মডেল ও নৃত্যশিল্পী সাদিয়া ইসলাম মৌ নতুন করে পরিচিতি পাওয়ার প্রয়োজনীয়তা নেই। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি দেশের ফ্যাশন ও নৃত্য দুনিয়ার আইকন হিসেবে পরিচিত। যদিও তিনি এখন অল্প কাজ করেন, কিন্তু তার প্রতিটি কাজ ভক্তদের মনে স্থায়ী জায়গা করে নেয়। সম্প্রতি, ৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানী ঢাকার অভিজাত আলোকি সেন্টারে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ ফ্যাশন লেগেসি ২০২৫’ শোতে নিজের সশক্ত উপস্থিতি জানান দেন এই লাস্যময়ী তারকা।

সেই দিন, তিনি পরেছিলেন জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ‘হুর’-এর এক্সক্লুসিভ কালেকশনের নতুন ফ্যাশন লাইন ‘সৌমিন আফরিন হট কুটর’-এর হলুদ-সী গ্রীন লেহেঙ্গা। এই পোশাকে মৌ র‌্যাম্পে সত্যিই যেন এক আলো ঝলমলে অপ্সরী হয়ে উঠেছিলেন। তার ক্যাটওয়াক, কনফিডেন্স, মেকআপ, স্টাইলিং সবই ছিলো অত্যন্ত নান্দনিক এবং দর্শকদের প্রশংসা অর্জন করে।

মৌয়ের পোশাকের স্টাইল ছিলো বিশেষ। তার চুল ছিলো রাবীন্দ্রিক স্টাইলে বাঁধা, ক্ল্যাসিক স্মোকি আই লুকের সঙ্গে তাজা ফুল এবং সিঁথি ও কানে কুন্দনের টিকলি-দুল তাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছিল। হাতভর্তি হলদে গোলাপী রেশমী চুড়ি তার রূপের অনুপ্রেরণা বাড়িয়ে দেয়।

‘বাংলাদেশ ফ্যাশন লেগেসি ২০২৫’ শোতে ডিজাইনার সৌমিন আফরিনের সঙ্গে শো স্টপার হিসেবে মৌ ছিলেন। সৌমিন আফরিন, যিনি ‘হুর’-এর স্বত্বাধিকারী, তিনি জানান, “সব ডিজাইনারের স্বপ্ন থাকে সাদিয়া ইসলাম মৌকে তাদের পোশাক পরানোর। আমি খুব কম কাজ করি, তবে মৌ আপুর সঙ্গে কাজটি করতে পেরে আমি আনন্দিত। তবে, এই কাজটি করতে আমাকে প্রচুর পরিশ্রম করতে হয়েছে। শোতে আমন্ত্রণ পাওয়ার পর মাত্র ১০ দিনে প্রায় দুই ডজন ভিন্ন ভিন্ন পোশাক প্রস্তুত করতে হয়েছে, যা সহজ ছিল না।”

সৌমিন আরও বলেন, “আমি বরাবরই দেশীয় ঐতিহ্যকে কাজে লাগিয়ে ডিজাইন করি। এবারও আমার পোশাকের থিম ছিল জামদানি এবং কাতান কাপড়ের মিশ্রণ। শো স্টপার হিসেবে মৌ যে পোশাকটি পরেছিলেন, সেটিও কাতান কাপড়ের এবং এর মধ্যে ছিল কালার কন্ট্রাস্ট, জারদৌসি, ফ্রিলসহ নানা ধরনের কাজ। এটি গায়ে হলুদের জন্য এক আদর্শ পোশাক।”

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




পরীমণি-সাদীর প্রেমের গুঞ্জন অবশেষে সত্যি হলো!

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : সম্প্রতি এক মামলায় ঢাকাই চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়, তখন আদালতে নায়িকার জামিনদার হিসেবে দেখা যায় এক তরুণকে। এরপর নায়িকা পরীমণির সঙ্গে নিয়মিতই দেখা মিলত তার। প্রশ্ন ওঠে, পরীমণির সাথে থাকা সেই তরুণের পরিচয় নিয়ে।

পরে জানা যায়, পেশায় সংগীতশিল্পী সেই তরুণ। নাম শেখ সাদী। মূলত পরীমণির জামিনদার হয়ে আলোচনায় আসেন তিনি। শুধু কি তাই? নিয়মিত পরীর সঙ্গে সাদীর দেখা মেলায় তাদের নিয়ে ওঠে প্রেম গুঞ্জন! যদিও এসব অস্বীকার করেছেন দুইজনই।




‘পরী’ নিয়ে শেখ সাদীর ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট!

তরুণ সংগীতশিল্পী শেখ সাদী আবারও তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনায় এসেছেন। সম্প্রতি তিনি ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন, যা নিয়ে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। পোস্টে তিনি লেখেন, *“I don’t like girls anymore. I deserve Pori.”*

এই স্ট্যাটাসের পর ভক্তরা ধারণা করছেন, সাদী ‘Pori’ বলতে সম্ভবত অভিনেত্রী পরীমণিকেই উদ্দেশ্য করেছেন। তবে কিছু লোকের মতে, এখানে ‘Pori’ শব্দটি আদর্শ প্রেমিকার দিকে ইঙ্গিত করতে পারে। কমেন্ট সেকশনে অনেকেই সরাসরি পরীমণির নাম উল্লেখ করেছেন, এবং তাদের সম্পর্ক নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলেছেন।

সাদী যদিও এসব গুঞ্জনকে একাধিকবার অস্বীকার করেছেন। ২৯ জানুয়ারি তিনি এক ভিডিও বার্তায় সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ জানান, ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে ভুল খবর প্রকাশ না করতে। তিনি আরও বলেন, “পরীমণির সঙ্গে আমার পরিচয় পেশাগত কারণে, আর এর বেশি কিছু নেই।”

এই পোস্টের পর সাদী এবং পরীমণির সম্পর্ক নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে আলোচনা তুঙ্গে উঠেছে, তবে এখনও কেউই সঠিকভাবে বিষয়টি ব্যাখ্যা করেনি।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




অভ্র’র জন‍্য দলগতভাবে একুশে পদক: ফারুকী

বাংলাদেশ সরকার ২০২৫ সালের একুশে পদকের জন্য বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ১৪ জন বিশিষ্ট নাগরিক এবং বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলকে মনোনীত করেছে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে গত বৃহস্পতিবার। এর মধ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শাখায় মেহেদী হাসান খানকে (অভ্র ফন্ট তৈরির জন্য) এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে, তবে তিনি এই পুরস্কার নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে, বর্তমান সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা এবং প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী আজ (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল পৌণে ছয়টায় ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। তিনি জানান, মেহেদী হাসান খানের চাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার একই কাজের জন্য যৌথভাবে পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ফারুকী ফেসবুকে লিখেছেন, “আজকে খুলেই বলা যায়, আমরা জানতাম মেহেদী হাসান খান পুরস্কার গ্রহণে আগ্রহী নন। এর আগেও তাকে অ্যাপ্রোচ করা হয়েছিলো। তিনি পুরস্কার না নিতে পারেন জেনেও আমাদের ক্যাবিনেট থেকে আমরা পুরস্কার ঘোষণা করতে সম্মত হই। এর মাধ্যমে আমরা বার্তা দিতে চেয়েছি আমরা কাদের সেলিব্রেট করবো।”

তিনি আরও লেখেন, “কালকে তার সাথে যখন কথা হয়, তিনি অসম্মতই ছিলেন। তবে ফাইনালি তিনি পুরস্কার নিতে সম্মত হন, কিন্তু তিনি একা এই কৃতিত্ব নিতে চাননি। তার আরও তিন বন্ধু- রিফাত নবী, তানবিন ইসলাম সিয়াম এবং শাবাব মুস্তাফা, যারা অভ্র তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন, তাদের ছাড়া তিনি পুরস্কার নিতে চাননি। আমরা আনন্দের সাথে জানাচ্ছি, স্রোতের বিপরীতে এগিয়ে যাওয়া এই চার গুণীকেই অভ্র’র জন্য দলগতভাবে একুশে পদক প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।”

ফারুকী তার স্ট্যাটাসে শেষ করেন, “তারা চার বন্ধু পৃথিবীর ভিন্ন ভিন্ন প্রান্ত থেকে বাংলাদেশে আসছেন পুরস্কার গ্রহণ করতে। ক্যান্ট ওয়েট টু ওয়েলকাম ইউ অল। আই অ্যাম শিওর দিজ ইজ গোয়িং টু ইনসপায়ার আ লট অফ ইয়াং পিপল টু মুভ ফরওয়ার্ড নো ম্যাটার হোয়াট। বাংলাদেশ, অনওয়ার্ডস অ্যান্ড আপওয়ার্ডস।”

প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের একুশে পদকের জন্য অন্যান্য মনোনীত ব্যক্তিরা হলেন:

  • চলচ্চিত্রে আজিজুর রহমান (মরণোত্তর),
  • সংগীতে ওস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা,
  • আলোকচিত্রে নাসির আলী মামুন,
  • চিত্রকলায় রোকেয়া সুলতানা,
  • সাংবাদিকতায় মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর),
  • সাংবাদিকতা ও মানবাধিকারে মাহমুদুর রহমান,
  • সংস্কৃতি ও শিক্ষায় শহীদুল আলম,
  • শিক্ষায় নিয়াজ জামান,
  • সমাজসেবায় মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর),
  • ভাষা ও সাহিত্যে হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর) ও শহীদুল জহির (মরণোত্তর),
  • গবেষণায় মঈদুল হাসান,
  • ক্রীড়ায় একুশে পদকের জন্য মনোনীত করা হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলকে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম