সততাই আমার শক্তি: আজমেরী হক বাঁধন

শোবিজ অঙ্গনে খ্যাতি আর আলোচনার ভিড়ে খুব অল্প কিছু তারকা আছেন, যারা অভিনয়ের বাইরে নিজের চিন্তা, অবস্থান ও জীবনদর্শনের মাধ্যমে মানুষের কাছে অনুপ্রেরণায় পরিণত হন। সেই তালিকায় আজমেরী হক বাঁধনের নাম আলাদাভাবে উচ্চারিত হয়। তিনি কখনোই নিজের মতামত লুকিয়ে রাখেননি। সামাজিক ইস্যু, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা কিংবা জীবনসংগ্রাম—সব ক্ষেত্রেই ছিলেন স্পষ্ট ও সাহসী।

সম্প্রতি একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে নিজের জীবন, ভাবনা ও মানসিক শক্তির উৎস নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন এই অভিনেত্রী। কথোপকথনের শুরুতেই সঞ্চালক জানান, বাঁধনের সঙ্গে কথা বললে তিনি ভেতর থেকে শক্তি পান। জবাবে বাঁধন বলেন, তার আশপাশের অনেক মানুষই তার চিন্তাভাবনা ও দৃষ্টিভঙ্গি থেকে অনুপ্রাণিত হন বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

নিজের শক্তির উৎস ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বাঁধন বলেন, সততাই একজন মানুষকে সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী করে তোলে। কাজের জায়গা হোক কিংবা ব্যক্তিগত জীবন—সবখানেই সৎ থাকার চেষ্টা তাকে মানসিকভাবে দৃঢ় করেছে। তার মতে, এই সততার জায়গাটাই তাকে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে টিকে থাকার সাহস জুগিয়েছে।

সব বিষয়ে স্পষ্ট কথা বলার কারণে জীবনের বিভিন্ন সময়ে তিক্ত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়েছে বলেও স্বীকার করেন তিনি। তবে এসব বিষয় তাকে ভেঙে দেয়নি। বরং নেতিবাচক পরিস্থিতিতে তিনি নীরব থাকাকেই সবচেয়ে শক্তিশালী উত্তর মনে করেন। অপ্রয়োজনীয় বিতর্কে জড়িয়ে নিজেকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে নিজের অবস্থানে অটল থাকাই তার কৌশল।

বাঁধন জানান, একসময় তার চারপাশের মানুষজন প্রায়ই বলত, তিনি যা করছেন সবই ভুল। কারণ তিনি বরাবরই প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেই সময় যেসব কাজকে ভুল বলা হয়েছিল, সময়ের ব্যবধানে সেগুলোর জন্যই পরে প্রশংসা পেয়েছেন তিনি। তার বিশ্বাস, সময়ই শেষ পর্যন্ত সঠিক ও ভুলের পার্থক্য দেখিয়ে দেয়।

অভিনয়, পুরস্কার বা জনপ্রিয়তার চেয়েও মানুষের জীবনে নিজের কাজ ও চিন্তার প্রভাব ফেলতে পারাকেই তিনি সবচেয়ে বড় সাফল্য মনে করেন। তিনি কখনো চাননি মানুষ তাকে ধরাছোঁয়ার বাইরে কোনো তারকা হিসেবে দেখুক। বরং সাধারণ একজন নারীর মতো জীবনযাপন করেই সমাজের অন্য নারীদের সঙ্গে নিজের জীবনের মিল খুঁজে পাওয়ার সুযোগ করে দিতে চেয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় স্পষ্ট অবস্থানের কারণে বাঁধনকে প্রায়ই সমালোচনার মুখে পড়তে হয়। এ বিষয়ে তিনি বলেন, জীবনে এত ভাঙা-গড়ার মধ্য দিয়ে গেছেন যে এখন আর এসব সমালোচনা তাকে মানসিকভাবে নড়াতে পারে না। কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াই করেই তিনি মানসিকভাবে শক্ত হয়েছেন।

নিজের জীবনের এই শক্ত হয়ে ওঠার পেছনে প্রাক্তন স্বামীদের ভূমিকার কথাও অকপটে স্বীকার করেন বাঁধন। তার ভাষায়, জীবনের কঠিন অভিজ্ঞতাগুলোই তাকে বাস্তবের সঙ্গে লড়াই করার প্রশিক্ষণ দিয়েছে। সেই অভিজ্ঞতার কারণেই আজ তিনি যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতি সামাল দিতে সক্ষম।

উল্লেখ্য, মাত্র ১৯ বছর বয়সে প্রথম বিয়ের পর দাম্পত্য জীবনে নির্যাতনের শিকার হয়ে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিতে হয় বাঁধনকে। পরে ২০১০ সালে মাশরুর সিদ্দিকী সনেটকে বিয়ে করেন তিনি। চার বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটে ২০১৪ সালে। তাদের সংসারে একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।

আজমেরী হক বাঁধনের জীবনগল্প শুধু একজন অভিনেত্রীর গল্প নয়, এটি একজন নারীর সাহস, সততা ও আত্মসম্মানের লড়াইয়ের গল্প—যা এখনও অনেককে নতুন করে ভাবতে শেখাচ্ছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




দ্বিতীয় বিয়ে বিতর্কে নীরবতা ভাঙলেন ডা. এশা

উপস্থাপক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাফসান সাবাবের দ্বিতীয় বিয়ে ঘিরে যখন সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা, ঠিক সেই সময় দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন তার প্রাক্তন স্ত্রী সানিয়া শামসুন এশা। শুক্রবার ১৫ জানুয়ারি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে নিজের ভাবনার কথা তুলে ধরেন তিনি।

স্ট্যাটাসের শুরুতেই এশা ইঙ্গিত দেন, চলমান ঘটনাপ্রবাহ ও বাস্তবতা দেশের মানুষের অজানা নয়। এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যায় না গিয়ে তিনি জানান, নিজের জীবনের এই পর্যায়ে এসে আর কারো ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে ভাবতে বা হস্তক্ষেপ করতে চান না।

নিজের জীবনের কঠিন সময়গুলোর কথা স্মরণ করে এশা লেখেন, তিনি দীর্ঘ সময় ধরে মানসিক চাপ, কষ্ট ও গভীর আঘাতের মধ্য দিয়ে গেছেন। সেই পরিস্থিতি পেরিয়ে আজ নিজের জায়গা তৈরি করতে তাকে অক্লান্ত পরিশ্রম করতে হয়েছে। জীবনের নানা বাধা পেরিয়ে তিনি যে অবস্থানে পৌঁছেছেন, তা সহজ ছিল না বলেও উল্লেখ করেন।

সংগ্রামের পুরো পথচলায় যারা পাশে ছিলেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এশা। কাছের মানুষদের পাশাপাশি অনেক অচেনা মানুষের কাছ থেকেও যে ভালোবাসা ও সমর্থন তিনি পেয়েছেন, সেটিই তাকে সামনে এগিয়ে যেতে শক্তি জুগিয়েছে বলে জানান। প্রতিটি শুভকামনা ও সাহচর্যের জন্য তিনি আজীবন কৃতজ্ঞ থাকবেন বলেও লেখেন।

বর্তমান জীবনের লক্ষ্য নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এশা স্পষ্ট করেন, এখন তার সম্পূর্ণ মনোযোগ নিজের ক্যারিয়ার গড়ার দিকে। তিনি এমন কিছু অর্জন করতে চান, যা জীবনের যেকোনো কঠিন সময়ে তাকে শক্ত করে দাঁড়াতে সাহায্য করবে এবং কোনো পরিস্থিতিতেই তাকে অসহায় করবে না।

স্ট্যাটাসের শেষ অংশে এসে নিজের পরিচয় নিয়েও স্পষ্ট অবস্থান জানান তিনি। অতীতের কোনো সম্পর্ক বা পরিচয়ের সঙ্গে নিজেকে আর জড়াতে চান না বলে উল্লেখ করে এশা লেখেন, তিনি চান মানুষ তাকে একটাই পরিচয়ে চিনুক—‘ডা. এশা’। একটি নাম, একটি পরিচয়, যার পাশে তিনি আত্মবিশ্বাস ও গর্ব নিয়ে দাঁড়াতে পারেন।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের শেষ দিকে চিকিৎসক সানিয়া শামসুন এশার সঙ্গে রাফসান সাবাবের তিন বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটে। বিচ্ছেদের পর থেকেই গায়িকা জেফারের সঙ্গে রাফসানের সম্পর্ক নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়। যদিও শুরুতে দুজনেই বিষয়টিকে বন্ধুত্ব হিসেবে ব্যাখ্যা করেছিলেন।

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বুধবার ১৪ জানুয়ারি নিজের ফেসবুক পোস্টে জেফারের সঙ্গে বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাফসান। এর পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে ঘিরে সমালোচনা ও আলোচনা আরও তীব্র হয়ে ওঠে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




তাহসানের দ্বিতীয় সংসারে ইতি!

জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান খানের ব্যক্তিগত জীবন আবারও আলোচনায়। মাত্র এক বছর না যেতেই তার দ্বিতীয় দাম্পত্য জীবন ভাঙনের পথে—এ তথ্য এখন বিনোদন অঙ্গনে সবচেয়ে বেশি চর্চিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

জানা গেছে, ২০২৫ সালের শুরুতে মেকআপ আর্টিস্ট রোজা আহমেদের সঙ্গে বিয়ের মাধ্যমে নতুন অধ্যায় শুরু করেছিলেন তাহসান। সম্পর্কের শুরুতে দুজনকে ঘিরে ছিল আনন্দ, প্রত্যাশা আর নতুন জীবনের স্বপ্ন। তবে সময়ের সঙ্গে সেই সম্পর্ক আর টেকেনি। দীর্ঘ কয়েক মাস ধরেই তারা আলাদা থাকছেন বলে নিশ্চিত করেছেন তাহসান নিজেই।

গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তাহসান বলেন, বিষয়টি সত্য এবং তারা ২০২৫ সালের জুলাই মাসের শেষ দিক থেকেই আলাদা বসবাস করছেন। তিনি জানান, ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে তিনি আগ্রহী নন। কিন্তু বিবাহবার্ষিকী ঘিরে কিছু বিভ্রান্তিকর ও ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় বিষয়টি স্পষ্ট করা প্রয়োজন হয়ে পড়ে।

তাহসানের ভাষায়, নির্দিষ্ট সময় এলে তিনি বিস্তারিত কথা বলবেন। আপাতত এটুকুই জানাতে চান যে তারা আর একসঙ্গে নেই। এই বক্তব্যের পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে নানা আলোচনা, ভক্তদের মাঝেও তৈরি হয়েছে কৌতূহল।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৪ জানুয়ারি মাত্র কয়েক মাসের পরিচয়ের পর রোজা আহমেদকে বিয়ে করেন তাহসান খান। রোজা একজন পেশাদার মেকআপ আর্টিস্ট। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘদিন ধরে ব্রাইডাল মেকআপ নিয়ে কাজ করছেন তিনি। নিউইয়র্কে তার নিজস্ব একটি মেকআপ প্রতিষ্ঠানও রয়েছে।

এর আগে তাহসানের প্রথম বিয়ে হয়েছিল ২০০৬ সালে অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলার সঙ্গে। সেই সংসার দীর্ঘ ১১ বছর স্থায়ী হয়। ২০১৭ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে, যদিও বিচ্ছেদের আগেই তারা আলাদা ছিলেন। সেই সংসারে তাহসানের একমাত্র কন্যা আইরা তাহরিম খান রয়েছে, যাকে ঘিরে এখনো আবেগী সম্পর্ক বজায় রেখেছেন তিনি।

একজন সফল শিল্পী হিসেবে ক্যারিয়ারে নিয়মিত আলোচনায় থাকলেও ব্যক্তিগত জীবনের এই ভাঙন তাহসানের ভক্তদের জন্য নতুন করে ভাবনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামনে এ নিয়ে আরও কী বলেন তাহসান, সেদিকেই এখন নজর বিনোদনপ্রেমীদের।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




নতুন সিনেমায় ভাবনা | ওজন বাড়ালেন

ছোটপর্দা ও বড়পর্দা—দুই মাধ্যমেই নিজেকে আলাদা করে চিনিয়েছেন আশনা হাবিব ভাবনা। অভিনয়ে সাহসী পছন্দ আর চরিত্রের ভেতরে ঢুকে যাওয়ার দক্ষতার জন্য দর্শকদের কাছে তিনি বরাবরই আলোচনায়। বাস্তব জীবনেও তিনি স্পষ্টভাষী এবং নিজের মতামত প্রকাশে দ্বিধাহীন, যা তাকে আরও আলাদা করে তুলে ধরে।

এখন নতুন এক থ্রিলারধর্মী ওয়েব ফিল্মে কাজ করছেন ভাবনা। নির্মাতা সুমন ধরের পরিচালনায় ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে চলছে এই প্রকল্পের শুটিং। এখনো নাম চূড়ান্ত না হওয়া এই ওয়েব ফিল্মে ভাবনার সঙ্গে অভিনয় করছেন ইরফান সাজ্জাদ, প্রার্থনা ফারদিন দীঘিসহ আরও কয়েকজন পরিচিত মুখ। গল্পনির্ভর এই থ্রিলারে চরিত্র ও আবহকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

নির্মাতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ওয়েব ফিল্মটি প্রস্তুত করা হচ্ছে। কোন ওটিটি প্ল্যাটফর্মে এটি মুক্তি পাবে, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও শুটিং শেষের পরপরই নাম ও মুক্তির বিস্তারিত জানানো হবে।

শুধু ওয়েব ফিল্ম নয়, বড়পর্দাতেও ব্যস্ত সময় পার করছেন ভাবনা। আসিফ ইসলাম পরিচালিত ‘ল্যান্ড অব দ্য প্রিন্সেস’ সিনেমায় তিনি অভিনয় করছেন কেন্দ্রীয় চরিত্রে। এখানে তাকে দেখা যাবে এক যাত্রাপালার নায়িকার ভূমিকায়, যা তার আগের কাজের চেয়ে একেবারেই ভিন্ন। চরিত্রের বাস্তবতা ধরে রাখতে শরীরী ভাষা থেকে শুরু করে লুক পর্যন্ত নিজেকে বদলে ফেলেছেন তিনি।

এই চরিত্রের জন্য প্রায় ৯ কেজি ওজন বাড়িয়েছেন ভাবনা। বিষয়টি নিয়ে তিনি বেশ আত্মবিশ্বাসী। তার মতে, চরিত্রের প্রয়োজনে এমন পরিবর্তন একজন অভিনেত্রীর জন্য স্বাভাবিক, বরং এতে অভিনয়ের গভীরতা আরও বাড়ে। দর্শকরাও এখন অপেক্ষায় আছেন—নতুন রূপে ভাবনাকে বড়পর্দায় দেখার জন্য।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




শীতেও দিনে তিনবার গোসল, চাষী আলমের অভ্যাসে চমক

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ চলছে। কনকনে ঠান্ডায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশেই শীতের দাপটে অনেকেই গোসল কমিয়ে দিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে জনপ্রিয় অভিনেতা চাষী আলমের একটি মন্তব্য নেটদুনিয়ায় নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছেে ।

ছোট পর্দার বহুল পরিচিত মুখ চাষী আলম, যিনি ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ নাটকের হাবু চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছেন, বাস্তব জীবনে শীতকে একেবারেই আমলে নেন না। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, শীত বা গরম কোনো কিছুই তার দৈনন্দিন অভ্যাসে প্রভাব ফেলে না। তার ভাষায়, তিনি দিনে নিয়মিত তিনবার গোসল করেন।

চাষী আলম বলেন, শীতকাল এলেই গোসল বন্ধ করে দেওয়া বা কমিয়ে দেওয়া তার স্বভাবের মধ্যে পড়ে না। বরং গোসল তার কাছে এক ধরনের স্বস্তি ও ভালো লাগার বিষয়। তিনি জানান, দিনের শুরু, মাঝামাঝি সময় এবং দিনের শেষে গোসল করাটা তার দীর্ঘদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।

দিনে তিনবার গোসল করার কারণ জানতে চাইলে অভিনেতা খুব সাধারণভাবে উত্তর দেন। তিনি বলেন, এটা তার ব্যক্তিগত পছন্দ। গোসল করতে তিনি খুব বেশি সময় নেন না। সাধারণত পাঁচ থেকে সাত মিনিটের মধ্যেই কাজ শেষ করেন। তার কাছে গোসল মানেই শরীর ও মনকে সতেজ রাখা।

চাষী আলমের এই মন্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়ে যায়। নেটিজেনদের একাংশ বিষয়টিকে মজার হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ কেউ অভিনেতার এই অভ্যাসের সঙ্গে নিজেদের মিল খুঁজে পাচ্ছেন। অনেক ভক্ত মন্তব্যে লিখেছেন, শীতের মধ্যেও এমন অভ্যাস সত্যিই ব্যতিক্রমী।

অভিনেতার ব্যক্তিগত এই অভ্যাস নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি আবারও উঠে এসেছে ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ নাটকের প্রসঙ্গ। কাজল আরিফিন অমি পরিচালিত এই টিভি সিরিয়াল ২০১৯ সালের শেষ দিকে প্রথম প্রচার শুরু করে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই নাটকটি দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে।

দর্শকপ্রিয়তার কারণে ইতোমধ্যে চারটি সিজন শেষ হয়েছে এবং বর্তমানে পঞ্চম সিজনের প্রচার চলছে। প্রতিটি সিজনেই নাটকটি নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ কমেনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিতই ভক্তরা তাদের মুগ্ধতার কথা প্রকাশ করছেন।

এই ধারাবাহিকের জনপ্রিয় চরিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে কাবিলা, পাশা, হাবু, শুভ, শিমুল, বজরা বাজারের জাকির, রোকেয়া, অন্তরা ও লামিয়া। কাবিলা চরিত্রে অভিনয় করছেন জিয়াউল হক পলাশ। পাশা চরিত্রে মারজুক রাসেল, হাবু চরিত্রে চাষী আলম, শুভ চরিত্রে মিশু সাব্বির এবং শিমুল চরিত্রে অভিনয় করছেন শিমুল শর্মা।

সব মিলিয়ে, চাষী আলমের দিনে তিনবার গোসলের অভ্যাস যেমন দর্শকদের কৌতূহলী করেছে, তেমনি আবারও তাকে আলোচনার কেন্দ্রে এনে দিয়েছে। শীতের মধ্যেও তার এই রুটিন অনেকের কাছেই রীতিমতো বিস্ময়ের।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




চা খাচ্ছে জয়ার সঙ্গী মন্টু, নেটদুনিয়ায় ভাইরাল মুহূর্ত

অভিনয়ের গণ্ডি পেরিয়ে প্রাণীপ্রেমী হিসেবেও জয়া আহসানের আলাদা একটি পরিচিতি রয়েছে। প্রাণীদের প্রতি তার গভীর মমত্ববোধ ও স্নেহভরা আচরণ বারবারই ভক্তদের মন ছুঁয়ে যায়। জয়া নিজেই বিভিন্ন সময় বলেছেন, প্রাণীদের তিনি সন্তানের মতোই দেখেন। এবার সেই ভালোবাসার আরও একটি মানবিক দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।

শনিবার নিজের ফেসবুক পেজে ধূসর-সাদা রঙের একটি তোতাপাখির সঙ্গে কাটানো এক মিষ্টি মুহূর্তের ভিডিও শেয়ার করেন জয়া আহসান। ভিডিওটির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘চা প্রেমী তোতাপাখি।’ পোস্টটি প্রকাশের পরপরই তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ভক্তদের প্রশংসায় ভরে ওঠে মন্তব্যের ঘর।

ভিডিওতে দেখা যায়, জয়া চা পান করছেন আর ঠিক তখনই তার পাশে এসে হাজির হয় তোতাপাখিটি। যেন বহুদিনের পরিচয়, এমন স্বাভাবিক ভঙ্গিতে পাখিটি বারবার চায়ের কাপ মুখ দিয়ে ধরার চেষ্টা করতে থাকে। সেই দৃশ্য দেখে জয়া মৃদু হেসে আদরমাখা কণ্ঠে পাখিটিকে জিজ্ঞেস করেন, সে চা খাবে কি না।

এই সময় জয়া তোতাপাখিটির সঙ্গে ভক্তদের পরিচয় করিয়ে দেন। জানান, পাখিটির নাম মন্টু। মজা করে বলেন, মন্টু নাকি তার সঙ্গে বেশ দুষ্টুমি করছে। এরপর শুরু হয় জয়া আর মন্টুর মধ্যে একেবারে আপনজনের মতো কথোপকথন, যা ভিডিওটিকে আরও হৃদয়ছোঁয়া করে তোলে।

সবচেয়ে অবাক করা মুহূর্ত আসে যখন জয়া চায়ের কাপ এগিয়ে দিলে মন্টু সত্যিই চায়ের কাপে চুমুক দেয়। এই দৃশ্য দেখে অনেকেই বিস্মিত হন। যেহেতু জয়া গ্রিন টি পান করছিলেন, তাই ভক্তদের কেউ কেউ মন্তব্যে তোতাপাখিটিকে ‘স্বাস্থ্যসচেতন’ বলেও আখ্যা দেন।

এরপর ঘটে আরও মজার ঘটনা। মন্টু চায়ের কাপ ঠোঁট দিয়ে আঁকড়ে ধরতে চাইলে জয়া হাসতে হাসতে বলেন, সে তার মতো করে চা খেতে পারবে না, তাকে আলাদা ভাবে খেতে হবে। গরম চায়ে মুখ লাগিয়ে মন্টু একটু থেমে গেলে জয়া স্নেহভরা কণ্ঠে বলেন, চা ঠান্ডা করে খেতে।

চা খাওয়ার ফাঁকেই মন্টুকে জয়ার হাতে আদর করতে দেখা যায়। পুরো ভিডিও জুড়ে তাদের মধ্যে এক ধরনের অদ্ভুত কিন্তু সুন্দর বন্ধন ফুটে ওঠে। জয়া কখনো হাসছেন, কখনো কথা বলছেন, আর মন্টু তার কথায় সাড়া দিচ্ছে নিজের মতো করে। এক পর্যায়ে জয়া বলেন, আগে চা শেষ করতে, তারপর বন্ধুত্ব হবে।

এই ভিডিও প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। ভক্তরা জয়ার এই মানবিক দিক দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করেন। কেউ লেখেন, বাহ্যিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি জয়ার মনও সমান সুন্দর। আবার কেউ মন্তব্য করেন, তোতাপাখির চা খাওয়ার দৃশ্য সত্যিই বিরল ও আনন্দদায়ক।

সব মিলিয়ে, জয়া আহসান ও তার তোতাপাখি মন্টুর এই ছোট্ট মুহূর্ত আবারও প্রমাণ করেছে, প্রাণীর প্রতি ভালোবাসা কতটা সহজে মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যেতে পারে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ঢাকায় শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রের মহাযজ্ঞ

‘নান্দনিক চলচ্চিত্র, মননশীল দর্শক, আলোকিত সমাজ’—এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে শুরু হতে যাচ্ছে দেশের সবচেয়ে বড় ও মর্যাদাপূর্ণ চলচ্চিত্র আয়োজন চতুর্বিংশ ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক উৎসব শনিবার শুরু হয়ে চলবে আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত।

শনিবার বিকাল ৪টায় বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে উৎসবের উদ্বোধন করা হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। উৎসবের প্রথম প্রদর্শনীতে দেখানো হবে চীনা নির্মাতা চেন শিয়াং পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘উ জিন ঝি লু’, যা দর্শকদের আন্তর্জাতিক সিনেমার ভিন্ন স্বাদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবে।

নয় দিনব্যাপী এই উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে ১৮ জানুয়ারি। সমাপনী দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। আয়োজকরা জানিয়েছেন, এবারের উৎসব শুধু চলচ্চিত্র প্রদর্শনেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং চলচ্চিত্র নিয়ে চিন্তা, আলোচনা ও সৃজনশীল আদান-প্রদানের একটি বড় পরিসর তৈরি করবে।

উৎসব পরিচালক আহমেদ মুজতবা জামাল জানান, আন্তর্জাতিক মানের সিনেমা প্রদর্শনের পাশাপাশি মাস্টারক্লাস, চলচ্চিত্র বিষয়ক আলোচনা ও শিল্পকলা প্রদর্শনীর মাধ্যমে দেশের চলচ্চিত্র সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ করাই এই আয়োজনের প্রধান লক্ষ্য। নতুন নির্মাতা, গবেষক ও দর্শকদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মিলনমেলা হয়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এবারের ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৯১টি দেশের মোট ২৪৬টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। এর মধ্যে রয়েছে পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র। প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনী মিলিয়ে বিভিন্ন বিভাগে সাজানো হয়েছে এবারের আয়োজন, যা উৎসবকে আরও বহুমাত্রিক করেছে।

উৎসবে এশিয়ান ফিল্ম কম্পিটিশন, বাংলাদেশ প্যানোরামা, রেট্রোস্পেকটিভ, ওয়াইড অ্যাঙ্গেল, সিনেমা অফ দ্য ওয়ার্ল্ড, উইমেন ফিল্মমেকার, শর্ট অ্যান্ড ইন্ডিপেনডেন্ট ফিল্মস, স্পিরিচুয়াল ফিল্মস এবং চিলড্রেন ফিল্ম সেশনসহ নানা বিভাগে চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। এসব বিভাগে ভিন্ন ভিন্ন দেশ, ভাষা ও সংস্কৃতির চলচ্চিত্র একসঙ্গে উপভোগ করার সুযোগ পাবেন দর্শকরা।

বাংলাদেশ প্যানোরামা বিভাগে এবার জায়গা করে নিয়েছে ৯টি দেশীয় চলচ্চিত্র। সিনেমাগুলো হলো—‘নয়া মানুষ’, ‘উড়াল’, ‘ধামের গান’, ‘নয়া নোট’, ‘আগন্তুক’, ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’, ‘দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল’, ‘দ্য স্টোরি অব আ রক’ এবং ‘উৎসব’। এসব চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সমসাময়িক বাংলাদেশি সমাজ, রাজনীতি ও মানবিক গল্প তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।

এবারের উৎসবের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে ‘চায়নিজ ফিল্ম উইক’। এই আয়োজনের মাধ্যমে উদযাপন করা হবে চীনা চলচ্চিত্রের ১২০ বছর পূর্তি। পাশাপাশি দর্শকদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা হিসেবে যুক্ত হয়েছে ওপেন এয়ার স্ক্রিনিং। কক্সবাজারের লাবণী বিচ পয়েন্টে ‘ওপেন থিয়েটার বায়োস্কোপ’ নামে খোলা আকাশের নিচে চলচ্চিত্র প্রদর্শনের আয়োজন করা হয়েছে, যা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, এবারের ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব চলচ্চিত্রপ্রেমীদের জন্য এক অনন্য মিলনমেলায় পরিণত হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও শক্ত অবস্থানে নিয়ে যাবে এই আয়োজন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




১০২ মিনিটে মোশাররফ করিমের অজানা গল্প

দেশের জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিম ছোট্ট গ্রাম থেকে উঠে এসে চলচ্চিত্র ও নাটকে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। স্কুলজীবন থেকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া, শিশুশিল্পী হিসেবে যাত্রাপালায় অভিনয়—এসবই তাঁর অভিনয় জীবনের প্রারম্ভ। ঢাকায় এসে থিয়েটারে নিয়মিত চর্চা, কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠা তাঁকে শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে আলোচিত পডকাস্ট ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’–এর বিশেষ পর্বে মোশাররফ করিম জীবনের অজানা অধ্যায় ও সংগ্রামের গল্প বলেছেন। মাছরাঙা টেলিভিশন ও রেডিও ৯৩.৬ এফএমে রাত ৮টায় প্রচারিত হবে ১০২ মিনিটের এই পর্ব।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নিয়ে মতামত:
২০১৮ সালে ‘কমলা রকেট’ চলচ্চিত্রে ‘মফিজুর’ চরিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ কৌতুক অভিনেতা হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা হয়েছিল। তবে মোশাররফ করিম প্রধান চরিত্রে অভিনয় করলেও কৌতুক অভিনেতা ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়ে তা গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নেন। এই প্রসঙ্গে তিনি পডকাস্টে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

রান্নার দক্ষতা:
হালকা মেজাজে অভিনেতা জানান, তিনি রান্নায় শুধু ডিম ভাজতে পারেন। ভাপে ডিম রান্না শিখলেও দুইদিন পর ভুলে গেছেন।

শৈশব ও থিয়েটার জীবন:
স্কুলজীবনে জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত প্রতি বৃহস্পতিবার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিতেন মোশাররফ করিম। অল্প বয়সে যাত্রাপালায় অভিনয়ও করেছেন। ঢাকায় এসে থিয়েটারে যুক্ত হয়ে গুরুদের কাছ থেকে শেখেন—“শিল্পী হতে চাইলে আগে সৎ মানুষ হতে হবে।”

সোশ্যাল মিডিয়া ও দায়িত্বশীলতা:
সোশ্যাল মিডিয়ায় দায়িত্বহীন আচরণ নিয়ে তিনি বলেন, “অনেকে যাচাই না করে অনেক কিছু লিখে ফেলেন। পরে দেখা যায়, সেগুলোর অনেকটাই ভুল।”

পুরো ১০২ মিনিটের এই পর্বে জীবনের নানা অধ্যায়, চিন্তা ও অনুভূতি অকপটে তুলে ধরেছেন মোশাররফ করিম।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫

 




জেমস ক্যামেরনের অ্যাভাটারে গোবিন্দ?

জেমস ক্যামেরনের বিশ্ববিখ্যাত ‘অ্যাভাটার’ ফ্র্যাঞ্চাইজি সবসময়ই দর্শকদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে একটি ভিডিও, যেখানে দেখা যায় নীল রঙের শরীরে লম্বা চুল নিয়ে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা গোবিন্দ

ভিডিওটি দেখে অনেকে ভেবে বসেছেন, ‘হিরো নম্বর ওয়ান’ কি সত্যিই আসন্ন ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ ছবিতে অভিনয় করছেন? কিন্তু অনুসন্ধানে জানা গেছে, ভাইরাল ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে তৈরি করা। বাস্তবের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। জেমস ক্যামেরনের আসন্ন ছবিতে গোবিন্দের অভিনয়ের খবরও শুধু গুজব।

ভিডিও তৈরির পেছনে মজার কারণ হলো, ২০১৯ সালে একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে গোবিন্দ উল্লেখ করেছিলেন যে, ২০০৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম ‘অ্যাভাটার’ ছবিতে তার অভিনয়ের প্রস্তাব এসেছে। অভিনেতা জানিয়েছিলেন, জেমস ক্যামেরন নিজেই তাকে ছবির নাম প্রস্তাব করেছিলেন। এই কথাকে ভিত্তি করে অনেকে AI ব্যবহার করে মজার ভিডিও বানিয়েছে, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়েছে।

এভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই গুজব ছড়ায়, যা দর্শক ও ভক্তদের বিভ্রান্ত করে। তাই ভাইরাল কনটেন্টের সত্যতা যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




প্রেমের প্রস্তাবের জবাবে স্টাম্প দিয়ে পিটিয়েছিলেন ঐশী!

মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী সম্প্রতি এক টিভি টক-শোতে নিজের স্কুলজীবনের এক মজার ও অবাক করা ঘটনা শেয়ার করেছেন।

ঐশী জানিয়েছেন, দশম শ্রেণিতে পড়ার সময় এক তরুণ তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে রোমান্টিক কোনো ঘটনা ঘটার বদলে ঐশী ছিলেন ‘মারমুখী’। তিনি বলেন, প্রেমের প্রস্তাব দেওয়ার উত্তরে তিনি ক্রিকেট স্টাম্প দিয়ে ওই তরুণকে পিটিয়েছিলেন

সাক্ষাৎকারে ঐশী হেসে বলেন, তখন তিনি ছোট ছিলেন এবং বিষয়টি বোঝার মতো পরিপক্বতা তার ছিল না। ক্যামেরার সামনে তিনি সেই তরুণের কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন, বলেছেন, “সরি, আমি তখন ইমম্যাচিউর ছিলাম। আই অ্যাম সরি।”

শুনে অনুষ্ঠানের সঞ্চালকও অবাক হয়ে যান। ঐশী স্কুল জীবনের এই মজার এবং কিছুটা তেতো অভিজ্ঞতা ফাঁস করার সময় পুরোপুরি ফুরফুরে মেজাজে ছিলেন। বর্তমানে ঢাকাই চলচ্চিত্রের ব্যস্ত এই নায়িকা নিয়মিত ছোট ও বড় পর্দায় দর্শকের সামনে উপস্থিত হচ্ছেন।

“এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫”