অভিনেত্রী মেঘনা আলম কারাগারে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : জননিরাপত্তা, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে মিস আর্থ বাংলাদেশ বিজয়ী অভিনেত্রী মেঘনা আলমকে ডিটেনশন আইনে ৩০ দিনের জন্য কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) রাতে ডিবি পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ এ আদেশ দেন।

আদেশে বলা হয়, ১৯৭৪ সনের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২ (এফ) ধারার জননিরাপত্তা ও আইন শৃঙ্খলা পরিপন্থি ক্ষতিকর কার্য থেকে নিবৃত্ত করার জন্য এবং আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে আবশ্যক অনুভূত হওয়ায় ১৯৭৪ সনের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৩(১) ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে মেঘনা আলমকে কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এই আটকাদেশ স্বাক্ষরের তারিখ থেকে ৩০ দিন কারাগারে আটক রাখার আদেশ প্রদান করা হয়েছে। পরবর্তীতে তাকে কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়।




সালমান-ঐশ্বরিয়ার প্রেম ভাঙার কারণ ?

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  সালমান খান ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন।সালমান-ঐশ্বরিয়ার সম্পর্ক বহুদূর গড়িয়েছিল, এমনকি তাঁদের বিয়েও হওয়ার কথা ছিল। কেন ভেঙে যায় এই তারকার প্রেম? চলতি শতকের শুরুর দিকে তাঁদের প্রেম ছিল অন্যতম চর্চিত বিষয়।  ‘হাম দিল দে চুকে সনম’ ছবির শুটিং থেকে প্রেম শুরু সালমান ও ঐশ্বরিয়ার। সেই প্রেম নিয়ে চর্চাও হয়েছিল বিস্তর। ঐশ্বরিয়ার প্রেমে নাকি সেই সময়ে ডুবে ছিলেন সালমান। কিন্তু সে সময় সালমানের সম্পর্ক ছিল সোমি আলির সঙ্গে। কিন্তু ঐশ্বরিয়া ও সালমানের বারবার সাক্ষাৎ, সময় কাটানো কিছুতেই মেনে নিতে পারেননি সোমি। তাঁদের ব্রেক আপ হয়ে যায়। সোমিও বিদেশে চলে যান।

অন্যদিকে ঐশ্বরিয়া ও সালমানও আরও কাছাকাছি আসার সুযোগ পেয়ে যান। সালমানের দুই বোন আলভিরা ও অর্পিতার সঙ্গেও বেশ ভালো সম্পর্ক হয়ে যায় অ্যাশের। মিডিয়া তখন তাঁদের প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে প্রতিদিনই খবরের শিরোনাম করছে। সালমানও বলিউডে ঐশ্বরিযার পায়ের তলায় মাটি শক্ত করতে উঠে পড়ে লাগেন। তিনি কার সঙ্গে কাজ করবেন, কোন ছবি নেবেন, সে ব্যাপারেও পরামর্শ দিতে শুরু করেন সালমান।

‘হাম দিল দে চুকে সনম’ সিনেমায় সালমান ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন

ঠিক এমনই সময় ঐশ্বরিয়ার কাছে সুভাষ ঘাই পরিচালিত ‘তাল’ ছবির প্রস্তাব আসে। কিন্তু সুভাষ ঘাইয়ের তাঁর নায়িকাদের সঙ্গে নানা গসিপ আগে থেকেই চালু থাকায় এই ছবিতে ঐশ্বরিয়াকে কাজ করতে বারণ করেন সালমান, কিন্তু অ্যাশও ছাড়ার পাত্রী নন। তিনি অভিনয় করেন এবং সেই ছবিও বক্স অফিসে সুপারহিট হয়। কিন্তু ছবির এক প্রিমিয়ার পার্টিতে ঐশ্বরিয়া সম্পর্কে খারাপ কথা বললে সুভাষকে চড় মেরে বসেন ‘ভাইজান’।

ঐশ্বরিয়ার জীবন যেন আবর্তিত হতো সালমানের হাতেই। এদিকে সালমান ভাবতেন, এ তো তাঁর অধিকার। ঠিক এমন সময়েই হরিণ শিকার–কাণ্ডে নাম জড়ায় সালমানের। শুধু তা–ই নয়, শোনা যায়, এ সময় নাকি তাঁর সাবেক সোমি আলির সঙ্গেও সালমানের আবার কথাবার্তা শুরু হয়। তাঁর বাবার চিকিৎসার জন্য টাকাও পাঠান সালমান। কিন্তু সবটাই ঐশ্বরিয়াকে না জানিয়ে।

এদিকে পাল্লা দিয়ে চলছিল সালমানের মদের প্রতি আসক্তি আর ঐশ্বরিয়ার প্রতি অপরিসীম অধিকার ফলানো। একবার নাকি ঐশ্বরিয়ার বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে তিনি পাগলের মতো দরজা খোলার জন্য চিৎকার করতে থাকেন। সে সময় এই ঘটনা শিরোনাম দখল করেছিল অনেক সংবাদমাধ্যমের। ঐশ্বরিয়া দরজা না খুললে তিনি নিজেকে শেষ করে দেওয়ার হুমকিও দিতে থাকেন।

ঐশ্বরিয়ার বাড়ি থেকেও কিছুতেই এই সম্পর্ক মেনে নিতে চাইছিলেন না তাঁর মা–বাবা, সে কথা পরবর্তীকালে নিজেই বলেছিলেন সালমান। একবার এক অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে চোখে সানগ্লাস পরে পুরস্কার নিতেও ওঠেন ঐশ্বরিয়া। মনে খটকা লাগে উপস্থিত দর্শকদের। ঐশ্বরিয়া বলেছিলেন, চোখে ইনফেকশন হয়েছে। কিন্তু ইন্ডাস্ট্রির অন্দর বলছিল অন্য কথা।

অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া। ইনস্টাগ্রাম থেকে

সালমান নাকি গায়ে হাত তুলেছিলেন তাঁর। প্রথমে স্বীকার না করলেও পরবর্তী সময় সে কথা মেনে নিয়েছিলেন ‘মিস ওয়ার্ল্ড’। তিনি বলেছিলেন, একবার নয়, বহুবার তাঁকে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে সালমানের কাছে। যদিও ‘ভাইজান’ কখনোই এই অভিযোগ মানেননি। তাঁর কথায়, ‘আমি ইমোশনাল, নিজেকে বহুবার আঘাত করেছি। কিন্তু সুভাষ ঘাই ছাড়া জীবনে কখনো কারও গায়ে হাত তুলিনি।’

একবার এক সাক্ষাৎকারে ঐশ্বরিয়ার নাম না করে সালমান বলেছিলেন ‘ওর বাবা কৃষ্ণরাজ রাই আমাকে পছন্দ করতেন না। আমার সাবেক সম্পর্কগুলোর জন্য ওর বাবা আমাকে মেনে নিতে পারেননি। ওর পরিবারের সঙ্গেও আমার ঝামেলা বেঁধেছিল ওর বাবার জন্যই।’
সে কারণেই কয়েক বছর আগে কৃষ্ণরাজ প্রয়াত হওয়ার পর ভাইজান প্রকাশ্যে কোনো প্রতিক্রিয়া দেননি বলে মনে করা হয়। কৃষ্ণরাজের স্মরণসভায় বি-টাউনের প্রথম সারির তারকারা উপস্থিত ছিলেন, কিন্তু সালমান আসেননি। এ বিষয়ে মুখও খোলেননি। যদিও সে সময় ঐশ্বরিয়া বলেছিলেন, ‘আমি মদ্যপ সালমান, বেহিসেবি সালমানের পাশে থেকেছি। কিন্তু ও কেবল আমাকে অত্যাচার করেছে। আমি সম্মান নিয়ে বেরিয়ে এসেছি।’

‘আত্মসম্মান ভূলুণ্ঠিত হচ্ছিল’, এই বলেই অবশেষে সম্পর্ক থেকে সরে আসেন ঐশ্বরিয়া। কিন্তু ব্রেকআপ–পরবর্তী ট্রমা থেকে কিছুতেই বের হতে পারছিলেন না সালমান। সালমানের পর বিবেক ওবেরয়ের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ালেও তাঁকে হুমকি দিয়েছিলেন ‘সল্লু ভাই’, এমনটাই শোনা যায় বলিপাড়ায় কান পাতলে।

এই সম্পর্ক থেকে অব্যাহতি চাইছিলেন ঐশ্বরিয়া নিজেও। ‘কুছ না কহো’ ছবিতে তাঁর বিপরীতে ছিলেন অভিষেক বচ্চন। শোনা যায়, সালমান নাকি সেই ছবির শুটে গিয়েও ঝামেলা করেছিলেন। ভেঙে দিয়েছিলেন ঐশ্বরিয়ার গাড়ি। অভিষেক থেকে শাহরুখ, প্রায় সব সহ–অভিনেতাকে নিয়েই প্রবল সন্দেহ করতেন সালমান।

অনেক পরে এক সাক্ষাৎকার ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া নিয়ে কথা বলেছিলেন সালমানের ভাই আরবাজ খান। তাঁর ভাষ্যে, বিয়ের জন্য নাকি একেবারেই প্রস্তুত ছিলেন না ঐশ্বরিয়া। সেই কারণেই নাকি সালমানের সঙ্গে সম্পর্কে চিড় ধরে। নব্বইয়ের দশকে বিশ্বসুন্দরীর খেতাব জেতার পরে পরপর ছবিতে অভিনয় করছিলেন ঐশ্বরিয়া। সেই সময়ে অভিনেত্রীর সৌন্দর্যে মুগ্ধ ছিলেন দর্শক। তাঁর ক্যারিয়ারও ছিল ঊর্ধ্বমুখী। তাই তখনই বিয়ে করতে চাননি ঐশ্বরিয়া। অন্যদিকে সালমান বিয়ে করে থিতু হতে চেয়েছিলেন।
তবে এরপর বহু বছর পেরিয়ে গেলেও সালমানের আর বিয়ে করা হয়নি। অন্যদিকে অভিষেক বচ্চনকে বিয়ে করে ঐশ্বরিয়া এখন এক সন্তানের মা।




আবারও গ্রেফতার হলেন শমী কায়সার

নব্বই দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শমী কায়সার আবারও গ্রেফতার হয়েছেন। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে হত্যাচেষ্টা মামলায়, যা সম্প্রতি রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে উত্থিত হয়েছে। জানা গেছে, শমী কায়সারসহ বেশ কয়েকজন শিল্পী বিভিন্ন সময় আদালতের মোকাবিলা করেছেন, এবং তার বিরুদ্ধে বারবার অভিযোগ উঠছে। এটি তার দ্বিতীয় গ্রেফতার।

আজ (৯ এপ্রিল) ঢাকার সিএমএম আদালত শমী কায়সারকে গ্রেফতার করার আদেশ দেন। ঘটনার সূত্রপাত হয় গত বছর, যখন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ঢাকার উত্তরা এলাকার টঙ্গী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী জুবায়ের হাসান ইউসুফকে হত্যাচেষ্টা করা হয়। ওই ঘটনায় শমী কায়সারকে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

এদিন আদালতে উপস্থিত থাকাকালীন শমী কায়সারকে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ভোলার এমপি জ্যাকবের সঙ্গে আলাপচারিতায় মেতে থাকতে দেখা যায়। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পূর্ব থানার উপপরিদর্শক সাদিকুজ্জামান তার গ্রেফতারের আবেদন করলে বিচারক তা মঞ্জুর করেন।

এই মামলার সূত্রে জানা গেছে, ৪ আগস্ট টঙ্গী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী জুবায়ের হাসান ইউসুফ আন্দোলনে অংশ নিলে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়া হয়, যার ফলে সে গুরুতর আহত হয়। হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে তিনি সুস্থ হয়ে উঠলেও, এই ঘটনায় শমী কায়সারের নাম উঠে আসে।

এর আগে, ৫ নভেম্বর রাতে উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে এবং পরবর্তী সময়ে আদালত তাকে রিমান্ডে পাঠায়। কিছুদিন পর, ৮ ডিসেম্বর তিনি হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করেন এবং ৩ মাসের জামিন পান। তবে ১২ ডিসেম্বর আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত তার জামিন স্থগিত করেন।

এস এল টি “বিনোদন ডেস্ক, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




কোরবানির ঈদে বড়পর্দায় আসছেন সাদিয়া আয়মান

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান এবার নতুন ছবিতে অভিনয় করতে যাচ্ছেন। তিনি নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গত বছর গীয়াসউদ্দিন সেলিমের ‘কাজলরেখা’ সিনেমায় নাম ভূমিকায় অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে সাদিয়ার, যা দর্শকদের কাছে প্রশংসিত হয়েছিল।

এই নতুন ছবির শুটিং শুরু হবে আগামী ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকার বাইরে। তবে ছবিটির নাম, পরিচালক কিংবা সহশিল্পীদের বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে অনিচ্ছুক সাদিয়া। তিনি জানান, এটি একটি সম্পূর্ণ কমার্শিয়াল সিনেমা, যা কোরবানির ঈদে মুক্তি পাবে। সিনেমাটি পরিবারের সঙ্গে দেখা যাবে এমন একটি গল্প নিয়ে নির্মিত হবে।

সাদিয়া এও জানান, তিনি শাকিব খানের সিনেমা ‘তাণ্ডব’-এ অভিনয় করছেন না। তবে তার নতুন ছবির সহশিল্পীরা সবাই জনপ্রিয় এবং অভিজ্ঞ, যারা এন্টারটেইনিং সিনেমার জন্য অনেক আলোচিত।

এখন পর্যন্ত প্রযোজক কিংবা পরিচালক কোনো ঘোষণা না দিলেও, সাদিয়া তার ভক্তদের নতুন ছবির জন্য আশাবাদী।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




মধ্যপ্রাচ্যে নিষিদ্ধ ভারতীয় ছবি, মর্মাহত নায়ক




ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ‘দাগি’ সিনেমার বিশেষ প্রদর্শনী

রাজধানীর একটি আধুনিক প্রেক্ষাগৃহে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘দাগি’ সিনেমার বিশেষ প্রদর্শনী, যেখানে ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের চালানো গণহত্যার প্রতিবাদে একত্রিত হয়েছেন দেশের শীর্ষ শিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা। ৭ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ‘গ্লোবাল স্ট্রাইক’ কর্মসূচির সমর্থনে আয়োজিত এই প্রদর্শনীতে উপস্থিত সবাই এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।

এতে অংশ নিয়েছিলেন সিনেমার প্রযোজক, পরিচালক, অভিনয়শিল্পী, সংগীতশিল্পী এবং সাংবাদিকরা। উপস্থিত ছিলেন ‘দাগি’ সিনেমার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এসভিএফ আলফা আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান মহেন্দ্র সোনি, ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার শাকিল, সহ-প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান চরকির সিইও রেদওয়ান রনি, পরিচালক শিহাব শাহীন, নায়ক আফরান নিশো, নায়িকা তমা মির্জা, সাহিত্যিক সাজ্জাদ শরিফ এবং সাংবাদিক আনিসুল হকসহ আরো অনেকে।

সিনেমার প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী সবাই ‘দাগি’ সিনেমার প্রশংসা করেছেন। সংগীতশিল্পী মাশা ইসলাম জানান, “গল্পের সাথে গানের সংযোজন খুবই সুন্দরভাবে হয়েছে। গানগুলোর ব্যবহার গল্পের সাথে পুরোপুরি মিলে গেছে।” সিনেমার দর্শকরা এবং শিল্পীরা একে একটি অসাধারণ নির্মাণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, বিশেষ করে আফরান নিশোর অভিনয়ের প্রশংসা করেছেন অনেকেই।

শহীদুজ্জামান সেলিম, রোজী সিদ্দিকী, গাজী রাকায়েত, সুমন আনোয়ার, সুষমা সরকারসহ আরও অনেক শিল্পী এই বিশেষ প্রদর্শনীতে উপস্থিত ছিলেন। সিনেমার প্রযোজক মহেন্দ্র সোনি এবং পরিচালক শিহাব শাহীন তাদের মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতে আরও ভাল কিছু দর্শকদের উপহার দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

রাজধানীসহ দেশের অন্যান্য প্রেক্ষাগৃহে চলছে ‘দাগি’ সিনেমার প্রদর্শনী, যেখানে দর্শকরা ব্যাপক সাড়া দিয়েছেন। বিশেষ প্রদর্শনী শেষে শিহাব শাহীন জানান, “এই সিনেমা দর্শকদের মাঝে এক গভীর প্রভাব ফেলেছে, এবং আমরা আশা করছি, ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজ করতে পারব।”

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




মান্নাত ছেড়ে সপরিবারে ভাড়া বাসায় উঠলেন শাহরুখ




পরীমণির ঘটনায় ক্ষোভ উগরে দিলেন শেখ সাদী




পরীমণিকে নিয়ে মুখ খুললেন শেখ সাদী: ‘আমার পরিবার এটা ডিজার্ভ করে না’

আলোচনা-সমালোচনা, বিতর্ক ও প্রশংসার মাঝখানে দীর্ঘ এক দশক পার করেছেন ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমণি। বারবার চর্চার কেন্দ্রে আসা এই তারকাকে নিয়ে এবার ফের আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ, তার বাসার গৃহকর্মী পিংকি আক্তারের অভিযোগ—যেখানে বলা হয়েছে, পরীমণি তাকে মারধর করেছেন এবং তার উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাপনের নানা অভিযোগও তোলেন। বিশেষ করে, উঠতি গায়ক শেখ সাদীর সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য করেন পিংকি।

তিনি একাধিক সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, শেখ সাদী প্রায়ই পরীমণির বাসায় আসেন এবং এক বিছানায় থাকেন। এই অভিযোগ সামনে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয় ব্যাপক নিন্দা, সমালোচনা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মাঝরাতে ফেসবুক লাইভে এসে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন পরীমণি। তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, এটি তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।

পরীমণির এই অবস্থানে সমর্থন জানাতে শুরু করেন তারকাদের একাংশ। তবে যাঁর নাম সরাসরি এসব আলোচনায় এসেছে, সেই শেখ সাদী এতদিন ছিলেন নীরব। অবশেষে তিনিও মুখ খুলেছেন এবং একটি বিস্তারিত ফেসবুক স্ট্যাটাসে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন।

সাদী লেখেন, “একটু ভাবেন তো, অনলাইনে আপনার ছবি পোস্ট করে কেউ জানালো আপনি একজন ধর্ষক! কোনো প্রমাণ নেই, ঘটনাটাও অবাস্তব। তারপরও আপনার পরিবার, আত্মীয়স্বজন, এমনকি পাশের বাসার লোকজনও আপনাকে নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে। অথচ আপনার কিছুই করার নেই। এটা কতটা ভয়ানক হতে পারে, বুঝতে পারছেন?”

তিনি অভিযোগ করেন, মিডিয়ার একটি অংশ শুধু ভিউ বাড়ানোর জন্য সত্য যাচাই না করেই সংবাদ প্রকাশ করছে। তার কথায়, “একজন অপরিচিত নারী যা খুশি বলে যাচ্ছে, অথচ যাচাই না করেই মিডিয়ায় তা ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এটা কি দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা?”

সবশেষে সাদী বলেন, “পরী আপনাদের ভালোবাসায় আজকের পরীমণি। কিন্তু ব্যক্তিজীবন নিয়ে যেভাবে তাকে বারবার হেয় করা হচ্ছে, তা মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমি, আমার পরিবার—আমরা এটা ডিজার্ভ করি না। পরী একজন অভিনেত্রী হলেও সে একজন নারী, একজন মা, একজন মানুষ। তাকে সেই সম্মানটুকু দেওয়া উচিত।”

এই স্ট্যাটাসের পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্ক নতুন মোড় নেয়। অনেকেই সাদীর পক্ষ নিয়েছেন, আবার কেউ কেউ তার বক্তব্যকে কৌশলী আত্মরক্ষা হিসেবে দেখছেন। তবে একথা অনস্বীকার্য যে, পরীমণিকে ঘিরে চলমান বিতর্ক আবারও দেশের বিনোদন জগতে আলোচনার ঝড় তুলেছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




গাজার নৃশংসতায় কাঁদলেন জয়া আহসান

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের বোমা হামলার বিভীষিকা প্রতিদিনই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। একের পর এক প্রাণ ঝরছে নিরীহ মানুষের, ধ্বংস হচ্ছে ঘরবাড়ি, হাসপাতাল, এমনকি সাংবাদিকরাও রক্ষা পাচ্ছেন না এই নৃশংসতার হাত থেকে। সর্বশেষ হামলায় গাজার দক্ষিণাঞ্চল খান ইউনিসে প্রাণ হারিয়েছেন এক সাংবাদিকসহ বহু ফিলিস্তিনি।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর বেপরোয়া হামলায় কমপক্ষে ৮৬ জন ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন, আহত হয়েছেন অন্তত ২৮০ জন। এ যেন রক্ত আর ধ্বংসের উপত্যকায় পরিণত হয়েছে গাজা।

এই নির্মমতার বিরুদ্ধে সারা বিশ্বের বিবেকবান মানুষ সোচ্চার হলেও, যাদের হাতে এই যুদ্ধ বন্ধের ক্ষমতা রয়েছে, তাদের নীরবতা যেন সব কিছুকে ছাপিয়ে যাচ্ছে। সেই নীরবতাকে ভেদ করে এবার কণ্ঠ তুললেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান।

মানবিক ও সচেতনতার প্রতীক হিসেবে পরিচিত জয়া আহসান আগেও পশুপাখি থেকে শুরু করে সমাজের অবহেলিত মানুষের পক্ষে সরব হয়েছেন। এবারও গাজার নিষ্ঠুর বাস্তবতায় তিনি আর চুপ থাকতে পারেননি। কিছুক্ষণ আগে নিজের ফেসবুক পেজে দুটি হৃদয়বিদারক ছবি শেয়ার করে, তিনি লিখেছেন গাজা নিয়ে নিজের গভীর উদ্বেগের কথা।

তিনি জানান, ‘দক্ষিণ গাজায় ইসরায়েলি সেনারা ১৫ জন জরুরি চিকিৎসাকর্মীকে হত্যা করেছে। গাজায় যে নিষ্ঠুর আর হৃদয়হীন গণহত্যা ইসরায়েল চালিয়ে আসছে, এটা তারই অংশ। পৃথিবীকে তারা ফিলিস্তিনিশূন্য করার নিয়ত নিয়ে নেমেছে।’

তার ক্ষোভ ও কষ্টের প্রকাশ ঘটেছে এই প্রশ্নের মাধ্যমে— ‘বিশ্ববাসীর প্রতিবাদে ইসরায়েল ভ্রূক্ষেপ করবে না, সেটা জানি। কিন্তু বাকি বিশ্ব? বিশ্বের বড় বড় নেতারা? এভাবে বেশুমার শিশুহত্যা, নারীহত্যা, গণহত্যা সবার চোখের সামনে চলতে থাকবে?’

জয়া আহসান আশা প্রকাশ করে লেখেন, ‘মানুষের হৃদয়ের ওপর থেকে পর্দা সরুক। ফিলিস্তিনিরা মানুষের মতো বাঁচার সুযোগ পাক।’

এই লেখায় প্রতিফলিত হয়েছে শুধু একজন শিল্পীর ব্যথা নয়, একজন মানবিক মানুষের অন্তরের তীব্র কষ্ট ও প্রতিবাদ। গাজার অসহায় মানুষের পক্ষে তার কণ্ঠ সোচ্চার হওয়ায় সমাজের আরও অনেকে এবার হয়তো ভাববেন— এখনো কিছু বলার সময় আছে, নীরবতার নয়।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম