জারিন খানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

চন্দ্রদ্বীপ বিনোদন ডেস্ক:  আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে সালমান খানের নায়িকা জারিন খানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, অগ্রিম ১২ লাখ টাকা নিয়েও পূজা উদ্বোধন করতে যাননি নায়িকা।

এ ঘটনায় ২০১৮ সালে জারিনের বিরুদ্ধে মামলা করে কলকাতার এক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান। সেই মামলাতেই তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।

পুলিশ সূত্রে খবর, ২০১৮ সালে উত্তর ২৪ পরগনার বারাসত ও কলকাতার ছয়টি কালীপূজার উদ্বোধন করার চুক্তি করে এক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ১২ লাখ টাকা নিয়েছিলেন জারিন খান। কিন্তু কথা রাখেননি তিনি। জানা যায়, যে দিন কলকাতায় যাওয়ার কথা ছিল, সেদিন একের পর এক প্লেন বাতিল করে শিডিউল পেছাতে থাকেন।

ইভেন্ট প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ফোনেই জারিন খান হুমকি দেন, ‘তোমাদের সংস্থা মুম্বাইয়ে কী করে কাজ পায় দেখে নেব।’ এ ঘটনার পর মুম্বাইয়ে কাজ পেতেও বাধার মুখে পড়ে ওই প্রতিষ্ঠানটি। এরপরই তারা নায়িকার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ করে নারকেলডাঙা থানায়।




আবারও একসঙ্গে শরিফুল রাজ এবং পরীমণি ! নতুন ছবিতে সই করলেন দম্পতি?

চন্দ্রদ্বীপ বিনোদন ডেস্ক: পরীমণি এবং শরিফুল রাজ— বাংলাদেশের দুই চর্চিত নাম। ব্যক্তিগত কারণেই বার বার বিতর্কে জড়িয়েছে তাঁদের নাম। ‘গুণিন’ সিনেমায় একসঙ্গে তাঁদের দেখেছেন দর্শক। সেই ছবিতে অভিনয় করতে গিয়েই সম্পর্কে জড়ান পরী এবং রাজ। তার পর প্রেম পর্ব কাটিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন নায়ক নায়িকা। তাঁদের একটি ছেলে আছে। নাম রাজ্য। ছেলের জন্মের বেশ কিছু দিন পর থেকেই সমস্যা তৈরি হয় রাজ্য এবং পরীর মধ্যে। তাঁদের দাম্পত্যকলহ রীতিমতো প্রকাশ্যেও এসেছে বার বার। তবে এত কিছুর পরেও বড় পর্দায় তাঁদের দেখার অপেক্ষায় দর্শক। অনেকেই ভেবেছিলেন আর একসঙ্গে অভিনয় করবেন না হয়তো তাঁরা। কিন্তু তেমনটা হচ্ছে না।  সংবাদমাধ্যম এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সব ঝামেলা মিটিয়ে আবারও নাকি একসঙ্গে সিনেমা করছেন তাঁরা। সন্তান হওয়ার জন্য বেশ অনেক দিন নতুন সিনেমা করেননি নায়িকা।



আবারও কি একসঙ্গে দেখা যাবে কারিনা-শাহিদকে?

চন্দ্রদ্বীপ বিনোদন ডেস্ক: বলিউডের প্রেমের ছবির তালিকায় উপরের দিকেই স্থান করে নিয়েছে জব উই মেট। সিনেমাটির মূখ্য ভূমিকায় ছিলেন কারিনা কাপুর খান ও শাহিদ কাপুর। অবশ্য কারিনা কাপুর তখনও কারিনা কাপুর খান হননি। সাইফ ঘরণী হওয়ার অনেক আগের কথা। ২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি বলিউড দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছিল দ্রুতই। শাহিদ-কারিনার অনবদ্য অভিনয়ে মুগ্ধ হয়েছিলেন দর্শক।

এবার অনুরাগীদের জন্য সুখবর। আসতে চলেছে ‘জব উই মেট’ সিনেমার সিক্যুয়েল। ভারতের একাধিক জাতীয়স্তরের বিনোদন সংস্থা মারফত খবর, জব উই মেট-২ তৈরির প্রস্তুতি চলছে। এ খবর শুনতেই অনেকের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে, তাহলে কি আবার একবার জুটি বাঁধবেন কারিনা-শাহিদ?

অষ্টবিনায়ক-এর স্বত্বাধিকারী রাজ মেহতা জব উই মেট-২ এর প্রযোজনা করবেন, গান্ধার ফিল্মস- এর ব্যানারের অধীনে। তেল শোধনাগারের ক্ষেত্রে দীর্ঘ ৩০ বছরের ইতিহাস রয়েছে গান্ধার গ্রুপের, ২০২১ সালে গান্ধার ফিল্মস অ্যান্ড স্টুডিও প্রাইভেট লিমিটেড প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বিনোদন শিল্পে পা রাখে তারা। খবরে জানা গেছে, প্রথম ছবির পরিচালক ইমতিয়াজ আলিই সিক্যুয়েলের পরিচালনা করবেন।

যদিও জব উই মেট নির্মাতাদের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি এখনও। তবে জল্পনা অন্য জায়গায়। প্রাক্তন প্রেমিক-প্রেমিকা শাহিদ কাপুর ও কারিনা কাপুর খানই ফের মুখ্য চরিত্রে ফিরবেন কি না, এই প্রশ্ন অনেকের মনে। কারণ গীত ও আদিত্যর চরিত্রে তারা দু’জনই যে এত বছর ধরে দর্শকের মনে গেঁথে রয়েছেন!

২০০৭ সালে মুক্তি পায় জব উই মেট। তারপর কেটে গেছে ১৬টি বসন্ত। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে শাহিদ কাপুর বলেন, ‘ জব উই মেট-এর সিক্যুয়াল হবে কি না তা পুরোটাই নির্ভর করছে চিত্রনাট্যের গুণমানের ওপর। যদি এমন কোনও স্ক্রিপ্ট থেকে থাকে যার সিক্যুয়েল হওয়া উচিত এবং যদি আমার সেই চিত্রনাট্য পড়েই মনে হয় যে তা আরও বেশি দুর্দান্ত হবে, তাহলে সেই সিনেমা করবো। কিন্তু যদি আমার এমন মনে না হয় এবং প্রথম সিনেমার ব্র্যান্ড ভ্যালু ব্যবহার করে দ্বিতীয় সিনেমা করতে চাইলে সেখান থেকে পিছিয়ে আসতে পারি’। সেই সাক্ষাৎকারে ৪২ বছর বয়সী অভিনেতা প্রশংসা করেছিলেন জব উই মেট- এর সহ-অভিনেত্রী ও প্রাক্তন প্রেমিকা কারিনা কাপুরের। শাহিদ বলেন, ‘অন্য কোনো অভিনেত্রী গীতের চরিত্রকে কারিনার মতো করে ফুটিয়ে তুলতে পারতেন না’।




সালমান-সংগীতার বিয়ে নিয়ে সোমির বিস্ফোরক মন্তব্য

চন্দ্রদ্বীপ বিনোদন ডেস্ক:  সালমান খানের সঙ্গে দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক ছিল অভিনেত্রী সোমি আলির। বর্তমানে তিনি অভিনেত্রী থেকে সমাজকর্মী হয়েছেন। কিছুদিন আগেই তিনি দাবি করেছিলেন যে সালমান খান তাকে মারধর করতেন এবার অন্য বোমা ফাটালেন সোমি আলি।

সম্প্রতি এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন সোমি। তিনি বলেন সালমান খান তার সাবেক প্রেমিকা সংগীতা বিজলানির সঙ্গে প্রায় বিয়ে করেই ফেলেছিলেন, কিন্তু একটি বিশেষ কারণে ভেঙে যায় সেই বিয়ে।

সম্প্রতি এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সোমি জানিয়েছেন, সালমান সেই সময় সংগীতাকে ঠকিয়ে ছিলেন আর সংগীতা সালমানের সেই প্রতারণা হাতে নাতে ধরে ফেলেছিলেন।

সোমি আরও জানান, সালমানের প্রতি তার ক্রাশ ছিল এবং বলিউডে ভাগ্য পরীক্ষা করার পাশাপাশি অভিনেতাকে বিয়ে করার জন্য মুম্বাই এসেছিলেন।

তবে তিনি দাবি করেন, ‘ভালবাসা ও যত্ন’ দেখানোর অজুহাতে সালমান তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতে থাকেন। শোনা যায়, নব্বইয়ের দশকে সালমান ও সোমির মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। যদিও জনসমক্ষে তাদের সম্পর্ক খুব অল্প সময়ের জন্য ছিল। তবে সোমি প্রায়ই বলেন, আট বছর ধরে তারা প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন।




পাঁচ মাসে ১৮ কেজি ওজন কমিয়েছেন সারিকা সাবাহ

চন্দ্রদ্বীপ বিনোদন ডেস্ক:  ছোট পর্দার বর্তমান সময়ের অভিনেত্রী সারিকা সাবাহ। বেশ কিছু নাটক ও ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন তিনি। কিন্তু সম্প্রতি পর্দায় একটু কমই দেখা মিলছিল তার।

মূলত থাইরয়েডের সমস্যা থাকায় ওজন বেড়ে গিয়েছিল এই অভিনেত্রীর। এরপর নিজ চেষ্টাতে মাত্র পাঁচ মাসে ১৮ কেজি ওজন কমিয়েছেন সারিকা। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ছোট পর্দার এই তারকার ওজন ছিল ৬৬ কেজি, যা এখন দাঁড়িয়েছে ৪৮ কেজিতে!

সারিকা বলেন, ‘সত্যি বলতে কি, প্রতিদিনই ওজন বাড়ছিল। একটা সময় নিজের কাছেই ভালো লাগল না। তাই চিন্তা করলাম, আমাক

ওজন কমাতে হবে। ফলে শুরুতেই আমি খাবারের তালিকা থেকে সব ধরনের বাইরের খাবার ও জাঙ্ক ফুড বাদ দিই। এরপর নিয়ম মেনে স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ ও শরীরচর্চা শুরু করি।’

ওজন কমানোর জন্য সাধারণ কিছু নিয়ম মেনেছেন সারিকা। শুরুর দিকে ২৫ মিনিট সময় নিয়ে ব্যায়াম করতেন। এরপর সময় বাড়িয়ে ৪০ মিনিটে আনেন। বেলা তিনটার মধ্যে দুপুরের খাবার খেতেন। রাতের খাবার শেষ করতেন নয়টার মধ্যে। খাবারের তালিকায় প্রোটিনের পরিমাণ ছিল বেশি। আর প্রতিদিন পান করতেন তিন লিটার পানি। সব খাবার রান্না করতেন অল্প পরিমাণে অলিভ অয়েলে।

এতেই পেয়েছেন কার্যকরী ফল। মাত্র ৫ মাসেই ১৮ কেজি ওজন কমিয়ে ফেলেছেন। নিজেকে ফিরে পেয়েছেন নতুন ভাবেই।

 




১০০০ কোটি রুপির দুর্নীতিতে নাম জড়ালো নায়ক গোবিন্দর

চন্দ্রদ্বীপ  বিনোদন ডেক্স:  বলিউডের নব্বইয়ের দশকের অন্যতম জনপ্রিয় নায়ক গোবিন্দ। দীর্ঘদিন ধরে তাকে সিনেমায় দেখা যাচ্ছে না। এবার হঠাৎ তিনি সংবাদের শিরোনাম হয়েছেন।

১০০০ হাজার কোটির চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে তিনি আলোচনায় এসেছেন গোবিন্দ। ওডিশা আর্থিক দুর্নীতিদমন শাখার পক্ষ থেকে থেকে জানানো হয় যে খুব শিগগির জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০০০ কোটির প্যান ইন্ডিয়া চিটফান্ড কেলেঙ্কারি কান্ডে অভিনেতাকে ডাকা হবে।

এ প্রসঙ্গে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, সোলার টেকনো অ্যালায়েন্স নামে একটি কোম্পানি বেশ কয়েকটি দেশে অনলাইনে ক্রিপ্টো বিনিয়োগের আড়ালে যে অবৈধভাবে আর্থিক লেনদেন পরিচালনা করে।

অনলাইন চিটফান্ডের সেই কেলেঙ্কারিতে ওডিশা আর্থিক দুর্নীতিদমন শাখার পক্ষ থেকে তলব করা হবে গোবিন্দকে- এমনটাই ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদে জানা গেছে।

বেশ কয়েকটি প্রচারণামূলক ভিডিওতে এ কোম্পানির কার্যকলাপ প্রচার করতে দেখা গেছে গোবিন্দকে। ওডিশা আর্থিক দুর্নীতিদমন শাখার ইনস্পেকটর জেনারেল জে এন পঙ্কজ বলেন, ‘গোবিন্দকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে আমরা খুব শিগগির আমাদের টিম পাঠাব মুম্বাইয়ে। গত জুলাইয়ে গোয়ায় এসটিএ -এর গ্র্যান্ড ফাংশানে দেখা গিয়এছিল তাকে, এমনকী কিছু প্রোমোশনাল ভিডিওতেও দেখা যায় তাকে।’

তবে ওডিশা আর্থিক দুর্নীতিদমন শাখার পক্ষ জানানো হয় যে, এই মামলায় গোবিন্দ অভিযুক্ত বা সন্দেহভাজন নন, তিনি এ মামলার সাক্ষী। তদন্তের পরই তার সঠিক ভূমিকা জানা যাবে। ‘যদি আমরা দেখতে পাই যে তার ভূমিকা শুধুমাত্র তাদের ব্যবসায়িক চুক্তি অনুযায়ী পণ্যের অনুমোদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, তাহলে আমরা তাকে আমাদের মামলায় একজন সাক্ষী করব।’-এমনটাই জানালে এই মামলার পরিচালনাকারী এক অফিসার।




‘ছায়াবাজ’ সিনেমা: ক্ষেপে কলকাতায় চলে গেলেন সায়ন্তিকা


চন্দ্রদ্বীপ  বিনোদন ডেস্ক:  সম্প্রতি ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত নায়ক জায়েদ খানের সঙ্গে জুটি বেঁধে ‘ছায়াবাজ’ সিনেমায় কাজ করতে বাংলাদেশে আসেন ওপার বাংলার অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ঢাকায় পা রেখেই জায়েদকে সঙ্গে নিয়ে কক্সবাজারে উড়াল দেন তিনি। সেখানে শুটিংয়ে অংশ নেন দুই তারকা। কিন্তু সিনেমার শুটিং পুরোপুরি শেষ হওয়ার আগেই হঠাৎ কলকাতায় ফিরে গেছেন সায়ন্তিকা।

খোঁজ জানা গেছে, নৃত্য পরিচালকের সঙ্গে দ্বন্দ্বের জেরে শুটিং ছেড়েছেন তিনি। এতে অনিশ্চয়তার মুখে পরেছে ‘ছায়াবাজ’।

সায়ন্তিকার দাবি, এই সিনেমার নৃত্য পরিচালক মাইকেলকে পরিবর্তন করতে হবে। তাকে পরিবর্তন না করলেন ‘ছায়াবাজ’-এ আর কাজ করবেন না তিনি। কিন্তু হঠাৎ কেন এই নৃত্য পরিচালকের উপর ক্ষেপলেন অভিনেত্রী?

এ বিষয়ে মাইকেল বলেন, ‘নাচের স্টেপ দেখানোর জন্য সায়ন্তিকার হাত ধরতেই তিনি বলেন, হাত ধোরো না, মুখে বুঝিয়ে দাও। কথা না বাড়িয়ে সেভাবেই তাকে বুঝিয়ে দিয়েছি। এই নিয়ে আমার সঙ্গে তার কোনো তর্ক-বিতর্কও হয়নি। কিন্ত কাজ শেষে পরিচালক ও প্রযোজককে সায়ন্তিকা জানান, আমি থাকলে তিনি কাজ করবেন না। ঘটনা শুনে পরিচালক ও প্রযোজক আমার সঙ্গেই কাজ শেষ করার সিদ্ধান্ত নিলে সায়ন্তিকা চলে যান। আমার সঙ্গে সায়ন্তিকার কী সমস্যা বুঝতে পারছি না।’

এ ঘটনায় সিনেমার প্রযোজক মনিরুল ইসলাম মাইকেলকে দিয়েই কাজ শেষ করতে মনঃস্থির করেছেন এবং এখন পর্যন্ত এই সিদ্ধান্তেই অটল রয়েছেন। তাই শুটিং না করার সিদ্ধান্ত জানিয়ে কলকাতায় ফিরে গেছেন সায়ন্তিকা।




শাহরুখ খানকে পেছনে ফেলে শীর্ষে নয়নতারা

চন্দ্রদ্বীপ বিনোদন ডেক্স:  বলিউড বাদশাহ শাহরুখ। তার সঙ্গেই প্রথমবারের মতো জুটি বেঁধে পর্দায় অভিনয় করেছেন দক্ষিণী লেডি সুপারস্টার নয়নতারা। ‘জওয়ান’ সিনেমায় এই দক্ষিণী তারকার ভূমিকা প্রশংসা কুড়িয়েছে সকলের।

আর তাই কি না, বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ রেটিং সাইট আইএমডিবির মতে, নয়নতারা এ সপ্তাহে সবচেয়ে জনপ্রিয় ভারতীয় তারকা। শীর্ষ স্থানে উঠে আসতে তিনি পিছনে ফেলেন শাহরুখকেও।

আইএমডিবি ওয়েবসাইটটি প্রায় ২০০ মিলিয়ন ভিজিট এবং প্রতি সপ্তাহে প্রাপ্ত ডাটার ভিত্তিতে তালিকা তৈরি করে। যেখানে শীর্ষে অবস্থান করছেন এই অভিনেত্রী। তারপরেই রয়েছেন শাহরুখ। এ দু’জন ছাড়াও  ‘জওয়ান’ চলচ্চিত্রের পরিচালক অ্যাটলি কুমার জাতীয় স্তরের স্টারডমের দিকে এগিয়ে আছেন। তালিকা অনুসারে তিনি বর্তমানে তৃতীয় সর্বাধিক জনপ্রিয় ভারতীয় তারকা।

চতুর্থ অবস্থানে রয়েছেন ‘জওয়ান’ অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। সিনেমাটিতে একটি বর্ধিত ক্যামিও রোলে অভিনয় করেছেন দীপিকা। এ তালিকায় ‘জওয়ান’-এর অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে রয়েছেন বিজয় সেতুপাতি, যার ইতিমধ্যে প্যান-ইন্ডিয়া ফ্যান ফলোয়িং রয়েছে। তিনি তালিকায় নবম স্থান দখল করছেন। এ ছাড়াও প্রিয়ামণি ও সানিয়া মালহোত্রা যথাক্রমে ১১ ও ২৪তম স্থান দখল করেছেন।

গত ৭ সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাপী ‘জওয়ান’ মুক্তির পর একাধিক রেকর্ড ভেঙেছে, গড়েছে। এখনও ঘোড়ার গতিতে ছুটেই চলেছে সিনেমাটির বক্স অফিস কালেকশন। চলতি বছরের মুক্তিপ্রাপ্ত ছবিগুলোর মধ্যে ‘জওয়ান’ ছাড়িয়ে যাবে সবাইকে। সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস




স্ত্রীর কবরের পাশেই শায়িত হলেন পরিচালক সোহান

চন্দ্রদ্বীপ বিনোদন ডেক্স:  টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থানে স্ত্রীর কবরের পাশেই শায়িত হলেন খ্যাতিমান পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান। স্ত্রী ও তার (সোহানুর রহমান) ইচ্ছে ছিল মৃত্যুর পর তাদের দুইজনকে যেন পাশাপাশি দাফন করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় টাঙ্গাইল পুরাতন বাসস্ট্যান্ড জামে মসজিদে জানাজা শেষে সেই ইচ্ছে পূরণে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় কবরস্থানে স্ত্রীর কবরের পাশেই তাকে দাফন করা হয়েছে।

তার জানাজার নামাজে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত পরিচালক রিয়াজুল রিজু, চলচ্চিত্র লেখক আবু সাঈদ চৌধুরী, শ্যালক শাহী, আত্মীয় স্বজনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ব্রেইন স্ট্রোকে মারা যান তার স্ত্রী প্রিয়া রহমান। পরদিন বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন খ্যাতিমান পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান।

মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দুইজনের মৃত্যুতে শোকে পাথর হয়ে আছেন স্বজন ও এলাকাবাসী।




শুরু হচ্ছে সাড়া জাগানো তুর্কি ধারাবাহিক শিকারি

এ নাটকের প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন বারিস আরদুস ও বুরজু বিরিচিক। আরও অভিনয় করেছেন সেথার তানরোয়েন, হাতিজে আসলান, লেভান্ত ইলগ্যান, বুরাক উইয়ানাক, জান্যার শাহিন, আয়তেক সায়াল, আহস্যান অ্যারোলু, ইপেক আরদ্যাম, দ্যারিয়া ব্যাজার্কা, হানদে দিলান হানজে, ইথ চ্যাকির, সুবুরজু দুশকুন, মেতেহান পারিলতি প্রমুখ। বাংলায় ডাব করেছেন রাজু, নাদিরা আঞ্জুম মিমি, আহসান, তুতিয়া ইয়াসমিন পাপিয়া, শেকানুল ইসলাম শাহি, তোফায়েল আহমেদ, অভিক সাহা, পর্ণা মিটিন্ডা কস্তা, ইরা রহমান, অনু, তানিয়া, শাকিল, নাদিয়া ও জারিন ফাতেমা।

ধারাবাহিকের কাহিনী গড়ে উঠেছে রাস্তাঘাটে বেড়ে ওঠা রুদ্র নামে এক শিশুর কাহিনীকে ঘিরে। অথচ এই শিশুটির জীবন এমন ছিল না। সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্ম তার। মা বাবাকে নিয়ে সুখেই চলছিল তার জীবন। অকস্মাৎ একটি ঘটনা তাদের জীবন বদলে দেয়। তছনছ হয়ে যায় সুখের সংসার। শিশু বয়সেই তার চোখের সামনে ঘটতে থাকে একের পর এক খুন। রুদ্রর বয়স তখন আট বছর। তাদের পরিবারে অন্ধকার নেমে আসে, যখন তার বাবাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়। এরপর কেটে যায় ২০ বছর। ২০ বছর ধরে ক্ষুধা কষ্ট আর একাকিত্ব নিয়ে রাস্তায় বেড়ে ওঠা রুদ্র নিজেকে প্রস্তুত করে চরম প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য। এদিকে মিথ্যা মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া রুদ্রের বাবা কারাগারেই মারা যান। যারা তার বাবাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে ছিল তারাও খুঁজতে থাকে ছোট্ট শিশু রুদ্রকে।

প্রতিশোধের নেশায় সে উন্মত্ত। তার এই প্রতিশোধের খেলায় হঠাৎই সামনে এসে দাঁড়ায় তার শৈশবের খেলার সাথী প্রিয়তমা দিলা। দিলা তার শত্রু রিফাতের মেয়ে। রুদ্র দিলাকে ব্যবহার করে রিফাতের গ্যাংস্টার গ্রুপে প্রবেশ করতে। খুব দ্রুতই সফল হতে শুরু করে। কিন্তু সমস্যা হয় যখন দিলা এসবের সামনে দেয়াল হয়ে দাঁড়ায়। রুদ্রই দিলার জীবনের সবকিছু। দিলা সেই সত্য বুকের মধ্যে লুকিয়ে রেখে আজও বেঁচে আছে, যা তাকে কুরে কুরে খাচ্ছে প্রতিনিয়ত। রুদ্র এটা জেনেও দিলার প্রতি তার অনুভূতি উপেক্ষা করার চেষ্টা করে, মাঝেমধ্যে যদিও পুরোনো সম্পর্কের ব্যথাটা চিনচিন করে ওঠে বুকের ভেতরে।

এই অদম্য ভালোবাসা কি পারবে তার ভেতরে লুকিয়ে থাকা প্রতিশোধের তৃষ্ণা মেটাতে? কারণ তাদের এই অসম্ভব প্রেম রুদ্র আর দিলাকে নিয়ে যায় এক ভয়ংকর পরিণতির দিকে। প্রেম আর প্রতিশোধের আগুন তাদের রূপান্তরিত করে ভিন্ন মানুষে। নাটকের কাহিনী এগিয়ে চলে এভাবেই।