দুই বছর ধরে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ, বিস্ফোরক বার্তায় আলোচনায় ফারিন খান

চিত্রনায়িকা ফারিন খান বড় পর্দার পাশাপাশি ছোটপর্দায় নিয়মিত অভিনয়ের মাধ্যমে নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন। তবে অভিনয়ের কাজ নয়, সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একাধিক পোস্টের কারণে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন তিনি। ফেসবুকে ধারাবাহিক স্ট্যাটাসে ফারিন দাবি করেছেন, গত দুই বছর ধরে তিনি একজন প্রভাবশালী ব্যক্তির দ্বারা মানসিক নির্যাতন ও প্রতারণার শিকার হয়ে আসছেন।

যদিও এসব পোস্টে তিনি কারও নাম সরাসরি উল্লেখ করেননি, তবে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন অভিযুক্ত ব্যক্তি মিডিয়া অঙ্গনেরই একজন প্রভাবশালী কর্মী। পাশাপাশি তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি এ বিষয়ে সব তথ্য ও প্রমাণ প্রকাশ্যে আনবেন।

গত ৩১ জানুয়ারি গভীর রাতে দেওয়া এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে ফারিন খান লেখেন, দীর্ঘ সময় ধরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন তিনি এবং নিয়মিত নির্যাতনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। ওই পোস্টে তিনি ইঙ্গিত দেন, আর নীরব থাকবেন না এবং নির্দিষ্ট একটি তারিখে সবকিছু প্রকাশ করবেন।

এরপর বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ভোররাতে দেওয়া আরেকটি পোস্টে ফারিন খান বিষয়টিকে আরও গভীরভাবে তুলে ধরেন। সেখানে তিনি ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রসঙ্গ টেনে প্রশ্ন তোলেন—জুলুম, অত্যাচার, মিথ্যাচার ও প্রতারণা বড় পাপ, নাকি বিশ্বাস করা ও ভালোবাসাই বড় অপরাধ। তার এই বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, ধর্মীয় পরিচয় বা ভাবমূর্তির আড়ালে থাকা কোনো ব্যক্তি তাকে দীর্ঘদিন ধরে মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন।

একই দিনের বিকেলে দেওয়া আরেকটি স্ট্যাটাসে ফারিন খান আরও স্পষ্ট অবস্থান নেন। এবার তিনি সরাসরি উল্লেখ করেন, যিনি তার ওপর নির্যাতন চালিয়েছেন, তিনি একজন মিডিয়াকর্মী। পোস্টে ফারিন লেখেন, একজন মিডিয়াকর্মী হয়েও ওই ব্যক্তি কতটা নির্মম ও অন্যায়কারী, তার প্রমাণ তিনি নির্ধারিত তারিখে সামনে আনবেন।

ফারিন খানের এমন একের পর এক বক্তব্যে শোবিজ অঙ্গনে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও জল্পনা। কে সেই অভিযুক্ত ব্যক্তি, কী ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন অভিনেত্রী—এসব প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে দর্শক, সহকর্মী ও নেটিজেনদের মধ্যে। অনেকেই ফারিনের সাহসিকতাকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন, আবার অনেকে অপেক্ষায় আছেন ১৫ ফেব্রুয়ারির, যখন তিনি সবকিছু প্রকাশ্যে আনার ঘোষণা দিয়েছেন।

এই ঘটনায় শোবিজ অঙ্গনে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, মানসিক নির্যাতন ও ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, ফারিন খানের ঘোষণার পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয় এবং বিষয়টি কোন দিকে গড়ায়।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ফের কন্যাসন্তানের বাবা হলেন অভিনেতা পলাশ

জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর কাবিলা চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে পরিচিত অভিনেতা ও নির্মাতা জিয়াউল হক পলাশ আবারও বাবা হয়েছেন। তার স্ত্রী নাফিসা সুস্থ একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছেন। নতুন অতিথির আগমনে পলাশের পরিবারজুড়ে বইছে আনন্দের আমেজ।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে রাজধানীর পান্থপথের একটি বেসরকারি হাসপাতালে কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। হাসপাতাল থেকেই আনন্দের খবরটি নিশ্চিত করেন পলাশ। তিনি জানান, আল্লাহর অশেষ রহমতে মা ও সন্তান দুজনেই ভালো আছেন। আপাতত তারা সবাই হাসপাতালে রয়েছেন।

পলাশ বলেন, ছেলে ও মেয়েকে যেন সুস্থভাবে বড় করতে পারেন, সে জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেন তিনি। পরিবারের এই নতুন সদস্যকে ঘিরে আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের শুভেচ্ছায় ভাসছে তাদের ঘর।

টেলিভিশন পর্দায় জিয়াউল হক পলাশের জনপ্রিয়তা মূলত কাজল আরেফিন অমি পরিচালিত ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে। কাবিলা চরিত্রে তার স্বতঃস্ফূর্ত অভিনয় দর্শকদের কাছে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পায় এবং দেশ-বিদেশে তার পরিচিতি ছড়িয়ে দেয়। এই চরিত্রই তাকে অভিনয়জগতে শক্ত অবস্থানে পৌঁছে দেয়।

ব্যক্তিগত জীবনে ২০২২ সালে পারিবারিকভাবে নাফিসার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন পলাশ। এর পর ২০২৩ সালের জুলাইয়ে তাদের প্রথম পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। সন্তানের নাম রাখা হয় মোহাইমিনুল হক আহান। এবার পরিবারে যুক্ত হলো আরেকটি নতুন মুখ, কন্যাসন্তান।

ক্যারিয়ার শুরুর দিকে ২০১৩ সালে ‘ছবিয়াল’-এর সঙ্গে কাজের মাধ্যমে মিডিয়ায় পথচলা শুরু করেন পলাশ। এরপর দীর্ঘ সময় নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সহকারী হিসেবে কাজ করেন। পাশাপাশি ইশতিয়াক আহমেদ রোমেলের সহকারী পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ২০১৭ সালে কাজল আরেফিন অমির সঙ্গে সহযোগী পরিচালক হিসেবে যুক্ত হওয়ার পর তার ক্যারিয়ারে নতুন গতি আসে।

পরবর্তীতে অভিনয়ে বেশি মনোযোগী হয়ে ওঠেন পলাশ। অভিনয়ের পাশাপাশি নাটক ও টিভিসি নির্মাণেও নিয়মিত কাজ করছেন এই অভিনেতা-নির্মাতা। নতুন সন্তানের আগমনে ব্যক্তিগত জীবনের এই সুখের মুহূর্তকে তিনি ক্যারিয়ারের প্রেরণা হিসেবেই দেখছেন বলে জানিয়েছেন ঘনিষ্ঠজনরা।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




স্বস্তিকা মুখার্জির প্রেম নিয়ে সরাসরি মন্তব্য, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল

অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখার্জি ব্যক্তিগত বা সামাজিক কোনো বিষয়ে সরল ও স্পষ্ট বক্তব্য রাখতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। সম্প্রতি তিন-চারজন প্রেম করা উচিত—এমন অকপট মন্তব্যের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে সমালোচনা। নেটিজেনদের কটূক্তি ও আপত্তিকর মন্তব্যের জবাব দিতে নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন তিনি।

স্বস্তিকা বলেন, “হ্যাঁ, বলেছি, বেশ করেছি। প্রেম নিয়ে যতবার মিডিয়া জিজ্ঞেস করবে, আমি এরকম বা আরও হরেকরকম উত্তর দেব। আপনারা এটা মহর্ষি কৃষ্ণ দ্বৈপায়নের মতো ভাববেন না। পড়াশোনা না করে সারাদিন কে কী বলল, কে কী খেল, কে কার সঙ্গে—এই নিয়েই চর্বো।”

অভিনেত্রী স্পষ্ট করেছেন, কাউকে খুশি করার জন্য কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে নারাজ। তিনি বলেন, “সমাজে কবে প্রেম এত গুরুতর অন্যায় হয়ে গেল, যা নিয়ে সারাক্ষণ চাটনি পাকাতে হবে জানি না। প্রশ্ন করলে উত্তর দেবই—পছন্দ না হলে তা মাথায় রাখুন।”

হাতে সময় থাকলে তিন-চারটি প্রেম করা উচিত বলে মত দিয়েছেন স্বস্তিকা। তার ভাষায়, “এটা নিয়ে প্রেম করাই উচিত—নাহলে অন্য কোনো কাজেই সময় চলে যাবে। নিজের ভালো থাকার রাস্তা খুঁজে নিন, ফেসবুক সেটা দেবে না।”

স্বস্তিকা অভিনীত নতুন সিরিজ ‘কালিপটকা’-তে শ্রীমা চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। ভবিষ্যতে প্রশ্ন এলে শ্রীমার ভাষায়ই উত্তর দেবেন বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




আরশ–সুনেরাহের বন্ধুত্বের মধুর মুহূর্ত সোশ্যাল মিডিয়ায়

এই সময়ের আলোচিত তারকা জুটি আরশ খান ও সুনেরাহ বিনতে কামাল। মঞ্চ ও টেলিভিশনে একাধিক কাজের সুবাদে দীর্ঘদিন ধরে তাদের পেশাদার বন্ধুত্বের গল্প শোনা যায়। যদিও গুঞ্জন উঠেছিল, তারা ব্যক্তিগত জীবনে প্রেমের সম্পর্কেও জড়িত—এ দাবি উড়িয়ে দিয়ে যুগল জানিয়েছেন, “আমরা শুধুই সহকর্মী ও বন্ধু।”

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) আরশ খানের জন্মদিনে সুনেরাহ তার ফেসবুকে একটি ছবি পোস্ট করেন। ছবিতে দেখা যায়, গাড়ির পেছনের সিটে বসে সেলফি তুলেছেন তারা। ছবির ক্যাপশনে সুনেরাহ লিখেছেন, “শুভ জন্মদিন, স্বপ্নবাজ। তোমার দিনটি যেন তোমার মতোই বিশেষ হয়। এমন একজন মানুষকে পেয়ে আমি নিজেকে ধন্য মনে করি, তিনি ভালোবাসতে জানেন, যত্ন নিতে জানেন এবং সবাইকে গুরুত্বপূর্ণ বলে অনুভব করাতে পারেন।”

আরশের জন্য শুভকামনা জানাতে গিয়ে তিনি আরও লিখেছেন, “তোমার সব পরিশ্রম ও নিষ্ঠা যেন তোমার প্রতিই বিশ্বস্ত থাকে। ভালোবাসা ও আশীর্বাদ রইল। সামনে আসা বছরটি তোমার জন্য সুন্দর ও সফল হোক।” এই ক্যাপশন সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হওয়ার পর নেটিজেনদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। কেউ লিখেছেন, “দুজনকে বেশ মানিয়েছে,” কেউ আবার মন্তব্য করেছেন, “অটুট থাকুক এই ভালোবাসা।”

আরশ খান মঞ্চ ও টেলিভিশনে এক যুগের বেশি সময় ধরে কাজ করছেন। এই সময় বিভিন্ন অভিনেত্রীর সঙ্গে জুটি বেঁধে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। তবে গত এক বছরে সুনেরাহর সঙ্গে তাদের জুটি সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে। কাজের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা বন্ধুত্ব এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন রূপ পেয়েছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




গ্র্যামির রেড কার্পেটে সংক্ষিপ্ত পোষাকে গায়িকা সমালোচনার ঝড়

চন্দ্রদ্বীপ ডেক্স : সংগীত দুনিয়ার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আসর  গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড । যার ৬৮তম আসর অনুষ্ঠিত হয়ে গেল  লস অ্যাঞ্জেলেসে । বাংলাদেশ সময় সোমবার ৬টায় ক্রিপ্টো ডট কম অ্যারেনা পরিণত হয়েছিল বিশ্ব তারকাদের মিলনমেলাতে। রেড কার্পেটে হেঁটেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীরা। তবে নগ্ন পোশাকে নজর কেড়েছেন পপ সংগীতশিল্পী চ্যাপেল রোয়ান।

নগ্ন পোশাক পরে সমালোচিত হওয়াই যেন চ্যাপেলের একমাত্র কাজ। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।। তিনি পরেছিলেন মুগলারের পরিচালক মিগুয়েল কাস্ত্রো ফ্রেইটাসের ডিজাইন করা পোশাক।

তার কাস্টম নেগ্লিজি পোশাক এবং ম্যাচিং কেপটি গাঢ় লাল গার্নেটের সিল্ক জর্জেট দিয়ে তৈরি। কিন্তু রোয়ান কেপটি খুলে ফেলার পর তাঁর স্তন স্পষ্টতোই দেখা যায়। সিল্ক জর্জেটটি স্তনবৃন্তের রিং দ্বারা ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল।তিনি পায়ে পরেছিলেন স্ট্র্যাপি হিল, গলায় সোনালি চোকার এবং চোখে ছিল স্মোকি মেকআপ।তার পিঠের খোলা অংশ জুড়ে ছিল ট্যাটু।

গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডের ৬৭তম আসরে চ্যাপেল ‘বেস্ট নিউ আর্টিস্ট’ পুরস্কার জিতেছিলেন। এ বছর তাঁর জনপ্রিয় গান ‘The Subway’-এর জন্য ‘সেরা পপ সোলো পারফরম্যান্স’ এবং ‘রেকর্ড অফ দ্য ইয়ার’ বিভাগে মনোনীত হয়েছেন।

 




বিচ্ছেদ নয়, সম্পর্ক আগের মতোই— ওমর সানীর স্পষ্ট বার্তা

ঢাকাই চলচ্চিত্রের নব্বই দশকের জনপ্রিয় নায়ক ওমর সানী ও নায়িকা মৌসুমীর দাম্পত্য জীবন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা গুঞ্জন ঘুরে বেড়াচ্ছে শোবিজ অঙ্গনে। প্রায় তিন দশকের বেশি সময়ের এই তারকা দম্পতির সংসার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে বিচ্ছেদের জল্পনা ছড়ালেও বিষয়টিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ওমর সানী নিজেই।

সম্প্রতি একটি চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা নিয়ে সরাসরি কথা বলেন তিনি। সেখানে ওমর সানী স্পষ্টভাবে জানান, দুজন দুই দেশে অবস্থান করায় কিছু মানুষ ভুল ধারণা পোষণ করছেন। তবে বাস্তবে তাদের সম্পর্ক স্বাভাবিক এবং আগের মতোই আছে। এ ধরনের মন্তব্য ও গুজবকে তিনি দুঃখজনক বলেও উল্লেখ করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, অযথা নেতিবাচক আলোচনা ছড়ানো একটি অসুস্থ প্রবণতা, যা তারকা জীবনের সঙ্গে প্রায়ই জড়িয়ে থাকে।

এর আগেও একটি টেলিভিশন পডকাস্ট অনুষ্ঠানে একই প্রশ্নের মুখোমুখি হন এই অভিনেতা। সেখানেও তিনি বিরক্তি প্রকাশ করে বলেন, অনেকে নিজেকে ভবিষ্যৎবক্তা মনে করে ইচ্ছেমতো মন্তব্য করছেন, যা বাস্তবতার সঙ্গে কোনো মিল নেই। এমনকি কেউ কেউ ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে অযাচিত কৌতূহল দেখাচ্ছেন বলেও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

মৌসুমীর দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে থাকা নিয়েও নানা ব্যাখ্যা সামনে এসেছে। জানা যায়, তিনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন পারিবারিক ও ব্যক্তিগত কিছু কারণে। পরিবারের সদস্যদের পাশে থাকা এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্যই তার এই অবস্থান দীর্ঘ হয়েছে বলে ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো জানিয়েছে।

ওমর সানীরও যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তবে ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় তিনি যেতে পারেননি। নতুন করে ভিসার আবেদন করেছেন এবং সুযোগ পেলেই সেখানে যাওয়ার ইচ্ছা রয়েছে বলে জানান তিনি।

পডকাস্টে মৌসুমীর যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ওমর সানী বলেন, পরিবারের দায়িত্ববোধ থেকেই মৌসুমী সেখানে সময় দিচ্ছেন। পরিবারের অসুস্থ সদস্যের পাশে থাকা এবং সন্তানদের খোঁজখবর রাখা— এই বিষয়গুলোই এখন তাদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। দূরত্ব থাকলেও প্রতিদিন যোগাযোগ হচ্ছে এবং খুব শিগগিরই তাদের দেখা হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন এই অভিনেতা।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




‘বনলতা এক্সপ্রেস’ নিয়ে ফিরছেন সাবিলা, নতুন চমক ঈদে

দীর্ঘদিন পর ভিন্ন আঙ্গিকে বড় পর্দায় হাজির হতে যাচ্ছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাবিলা নূর। আলোচিত চলচ্চিত্র ‘তাণ্ডব’র পর এবার তিনি যুক্ত হয়েছেন নতুন সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’–এ, যেখানে তাকে একেবারে আলাদা রূপে দেখার অপেক্ষায় দর্শক। ইতোমধ্যে সিনেমাটির শ্যুটিং শেষ হয়েছে এবং আসন্ন ঈদুল ফিতরে মুক্তির প্রস্তুতি চলছে।

চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছেন নির্মাতা তানিম নূর। গল্পের ভিত্তি হিসেবে নেওয়া হয়েছে প্রখ্যাত সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। সেই সাহিত্যঘেঁষা আবহ ও আধুনিক নির্মাণশৈলীর সমন্বয়ে সিনেমাটি দর্শকের জন্য ভিন্ন স্বাদের অভিজ্ঞতা হয়ে উঠবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এই সিনেমায় সাবিলা নূরকে দেখা যাবে ‘চিত্রা’ চরিত্রে। চরিত্রটি সম্পর্কে অভিনেত্রীর ভাষ্য, গল্পটি প্রথম শোনার পর থেকেই তিনি বিষয়টির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে পেরেছিলেন। চরিত্রটির আবেগ, ভাবনা ও উপস্থাপন তাকে আকৃষ্ট করেছে বলেই তিনি কাজটি করার সিদ্ধান্ত নেন। শ্যুটিং শেষ করার পর তার বিশ্বাস আরও দৃঢ় হয়েছে যে এটি তার ক্যারিয়ারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে যাচ্ছে।

সিনেমাটিতে সাবিলা নূরের সঙ্গে কাজ করেছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় একাধিক তারকা অভিনেতা-অভিনেত্রী। অভিজ্ঞ শিল্পীদের সঙ্গে একসঙ্গে কাজের সুযোগ পাওয়াকে তিনি নিজের জন্য সৌভাগ্যজনক বলেও উল্লেখ করেছেন। পুরো টিমের পেশাদার মনোভাব, নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ এগিয়ে নেওয়া এবং শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশ তাকে মুগ্ধ করেছে।

শ্যুটিং অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে তিনি জানান, প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে বিভিন্ন লোকেশনে দৃশ্যধারণ করা হয়েছে। এখনও ডাবিংয়ের কিছু কাজ বাকি থাকলেও মূল অংশের কাজ শেষ। শেষ দিনের শ্যুটিং তার জন্য আবেগঘন ছিল এবং পুরো যাত্রাটিকে তিনি স্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে দেখছেন।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে সাবিলা নূর বলেন, তিনি এমন চলচ্চিত্রে কাজ করতে আগ্রহী যা দর্শকের সঙ্গে আবেগের সংযোগ তৈরি করতে পারে এবং বাণিজ্যিকভাবেও সফল হওয়ার সম্ভাবনা রাখে। গল্প ও চরিত্রের গভীরতা তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দর্শকের মনে জায়গা করে নিতে পারে— এমন কাজের মধ্যেই নিজেকে দেখতে চান তিনি।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




৫০ কোটি টাকার মানহানি মামলায় কুমার শানুর পক্ষে রায়

ভারতের প্রখ্যাত প্লেব্যাক গায়ক কুমার শানুকে ঘিরে দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত জীবনের বিতর্কে এবার আইনি রায় এলো। প্রাক্তন স্ত্রী রীতা ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে দায়ের করা ৫০ কোটি টাকার মানহানি মামলায় আদালত কুমার শানুর পক্ষেই রায় দিয়েছেন। একইসঙ্গে আদালত স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, ভবিষ্যতে কুমার শানুকে নিয়ে কোনো ধরনের মানহানিকর বা বিরূপ মন্তব্য করতে পারবেন না রীতা ভট্টাচার্য।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সাক্ষাৎকারে কুমার শানুর বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ তুলেছিলেন তার প্রাক্তন স্ত্রী। এসব মন্তব্যে গায়কের ব্যক্তিগত জীবন, সামাজিক মর্যাদা এবং পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে আদালতে দাবি করেন কুমার শানু।

রীতা ভট্টাচার্য একাধিক সাক্ষাৎকারে অভিযোগ করেছিলেন, বিয়ের পর তিনি অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন সময়েই কুমার শানু বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং সে সময় তাকে চরম মানসিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন দাবি করে আদালতের দ্বারস্থ হন জনপ্রিয় এই গায়ক।

কুমার শানুর আইনজীবী আদালতে জানান, প্রাক্তন স্ত্রীর এসব প্রকাশ্য মন্তব্যের কারণে গায়কের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে, কাজের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি হয়েছে এবং তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়া মানহানিকর সাক্ষাৎকার ও মন্তব্যগুলো অপসারণের আবেদনও জানানো হয়।

মামলার শুনানিকালে রীতা ভট্টাচার্য আদালতে মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করেছিলেন বলে জানা গেছে। তবে আদালত বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে কুমার শানুর অভিযোগ আমলে নেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের মন্তব্য থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেন। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয় নিয়ে প্রকাশ্যে এমন মন্তব্য অন্যের সম্মান ও মর্যাদায় আঘাত হানতে পারে।

এই বিতর্কের সূত্রপাত ঘটে অভিনেত্রী কুনিকা সদানন্দের একটি মন্তব্যকে ঘিরে। একটি রিয়েলিটি শোতে অংশ নিয়ে কুনিকা অতীতে কুমার শানুর সঙ্গে তার সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে উল্লেখ করেন। এরপরই বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে এবং তার ধারাবাহিকতায় রীতা ভট্টাচার্যের বক্তব্য গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

আইনি এই রায়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের আলোচিত এই ব্যক্তিগত বিরোধে আপাতত ইতি টানল আদালত। সংশ্লিষ্টদের মতে, তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রকাশ্য মন্তব্য ও অভিযোগের ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




মাঝরাস্তায় মদ্যপ চালকের তাণ্ডব, আতঙ্কে অভিনেত্রী অহনা দত্ত

কলকাতার নরেন্দ্রপুর সংলগ্ন এলাকায় গভীর রাতে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেত্রী অহনা দত্ত ও তার স্বামী দীপঙ্কর রায়। শুটিং শেষে বাড়ি ফেরার পথে এক মদ্যপ গাড়িচালকের বেপরোয়া আচরণ ও পরবর্তী হেনস্তার শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন অভিনেত্রী নিজেই।

রোববার রাতে ব্যক্তিগত গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিলেন অহনা দত্ত ও তার স্বামী। পথে একটি ইউ-টার্ন নেওয়ার সময় নিরাপত্তার কারণে গাড়িটি রাস্তার এক পাশে সাময়িকভাবে থামানো হয়। ঠিক সেই মুহূর্তে সামনে থাকা একটি গাড়ি হঠাৎ সজোরে পেছনের দিকে এসে তাদের গাড়িতে ধাক্কা দেয়। পরিস্থিতি বুঝে বারবার হর্ন দিয়ে সতর্ক করার চেষ্টা করা হলেও অভিযুক্ত চালক কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি।

দুর্ঘটনার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। অহনা দত্তের অভিযোগ, অভিযুক্ত ব্যক্তি স্পষ্টভাবে মদ্যপ ছিলেন। নিজের দোষ স্বীকার করার পরিবর্তে তিনি উল্টো তর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তোলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিনেত্রীর শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যায়, মাত্র এক মাস আগে কেনা গাড়িটির সামনের অংশ ও দরজা প্রচণ্ড আঘাতে দুমড়ে-মুচড়ে গেছে।

ঘটনার সময় স্থানীয়দের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অহনা দত্ত। তিনি জানান, এমন সংকটময় মুহূর্তে কেউ এগিয়ে এসে সহযোগিতা করেননি। বরং কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি অভিযুক্ত চালকের পক্ষ নিয়ে তাকে ও তার স্বামীকে হেনস্তা করেন। অভিনেত্রীর আশঙ্কা, তিনি নিজে সেখানে উপস্থিত না থাকলে তার স্বামীর ওপর শারীরিক হামলার ঘটনাও ঘটতে পারত।

যদিও এই ঘটনায় গাড়ির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তবে সৌভাগ্যক্রমে অহনা দত্ত ও দীপঙ্কর রায় দুজনই শারীরিকভাবে সুস্থ রয়েছেন। এই ঘটনার মাধ্যমে প্রকাশ্য রাস্তায় একজন পরিচিত অভিনেত্রীর নিরাপত্তাহীনতা, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর ভয়াবহ ঝুঁকি এবং নাগরিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই এখন এ ধরনের ঘটনায় দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপ ও কঠোর আইনি ব্যবস্থার দাবি জানাচ্ছেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




এক বিলিয়ন ছোঁয়া ‘আজ কি রাত’

হরর-কমেডি সিনেমা ‘স্ত্রী ২’-এর আলোচিত গান ‘আজ কি রাত’ মুক্তির পর থেকেই দর্শকদের মধ্যে দারুণ সাড়া ফেলেছে। বিশেষ করে তামান্না ভাটিয়ার ভিন্ন ঘরানার নাচ, অভিব্যক্তি আর উপস্থিতি গানটিকে নিয়ে গেছে আলাদা উচ্চতায়। মুক্তির অল্প সময়ের মধ্যেই গানটি ৫০০ মিলিয়নের বেশি ভিউ অর্জন করে আলোচনায় উঠে আসে। এবার সেই জনপ্রিয়তা ছাড়িয়ে ইউটিউবে এক বিলিয়ন বা ১০০ কোটির বেশি ভিউ অতিক্রম করে নতুন রেকর্ড গড়ল গানটি।

এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত তামান্না ভাটিয়া শুক্রবার নিজের ইনস্টাগ্রামে গানটির পর্দার আড়ালের কিছু মুহূর্ত শেয়ার করেন। সেখানে তিনি ভক্তদের উদ্দেশে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে লেখেন, প্রথম ভিউ থেকে এক বিলিয়ন ভিউ—সব ভালোবাসার জন্য ধন্যবাদ। তার পোস্টে মুহূর্তেই ভক্তদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনে ভরে ওঠে মন্তব্যের ঘর।

পর্দার আড়ালের ভিডিওগুলোর একটিতে দেখা যায়, কোরিওগ্রাফার বিজয় গাঙ্গুলী ও তার টিমের সঙ্গে মনিটরে নিজের নাচ দেখছেন তামান্না। সেখানে বিজয় গাঙ্গুলী মজা করে আরেকটি টেক নেওয়ার কথা বললে হাসিমুখে তামান্না তা নাকচ করে দেন। আরেকটি ক্লিপে তামান্নার সঙ্গে নাচতে দেখা যায় ‘স্ত্রী ২’-এর অভিনেতা পঙ্কজ ত্রিপাঠী, রাজকুমার রাও, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও অপরশক্তি খুরানাকে, যা দর্শকদের কাছে দারুণ উপভোগ্য হয়ে ওঠে।

‘আজ কি রাত’ গানে তামান্নার নৃত্যশৈলী, সাবলীল অভিব্যক্তি আর গানের সুরের সঙ্গে তার মেলবন্ধন গানটিকে পরিণত করেছে এক অনন্য আইটেম গানে। এই কারণেই গানটি শুধু সিনেমার অংশ হিসেবে নয়, আলাদা করেও বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন মাধুবন্তী বাগচি ও দিব্য কুমার। গানের কথা লিখেছেন অমিতাভ ভট্টাচার্য। সুর ও সংগীত পরিচালনায় ছিলেন জনপ্রিয় জুটি শচীন-জিগর, যাদের কাজ বরাবরই দর্শকদের কাছে আলাদা গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।

অমর কৌশিক পরিচালিত ‘স্ত্রী ২’ ছবিতে অভিনয় করেছেন শ্রদ্ধা কাপুর, রাজকুমার রাও, পঙ্কজ ত্রিপাঠী, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও অপরশক্তি খুরানা। মুক্তির পর ছবিটি বক্স অফিসে প্রায় ৯০০ কোটি টাকার ব্যবসা করে ২০২৪ সালের অন্যতম সফল সিনেমার তালিকায় জায়গা করে নেয়।

এদিকে তামান্না ভাটিয়া এখন ব্যস্ত তার আসন্ন সিনেমা ‘ভিভিএএন: ফোর্স অব দ্য ফরেস্ট’ নিয়ে। দীপক মিশ্র ও অরুণাভ কুমার পরিচালিত এই ছবিতে তার সঙ্গে দেখা যাবে সিদ্ধার্থ মালহোত্রাকে। আগামী ১৫ মে সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে বলে জানা গেছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম