ভোলায় গনিত অলিম্পিয়াড প্রতিযোগীতা ও পুরস্কার বিতরনী অনুিষ্ঠত

মো: তৈয়বুর রহমান (ভোলা): “এসো গনিত শিখি, মহাবিশ্বকে জানি “এ স্লোগান কে কেন্দ্র করে ভোলা গনিত অলিম্পিয়াড ও বিজ্ঞান উৎসব উপলক্ষ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে গনিত অলিম্পিয়াড প্রতিযোগীতা ও এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১০ই আগস্ট দুপুর ৩টায় প্লাটিনাম সাইন্স সোসাইটি এর আয়োজনে এবং জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর এর সহযোগীতায় ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে এ প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয়। পরে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জানা যায়, এই প্রতিযোগীতায় জুনিয়র গ্রুপে ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম ও সেকেন্ডারি গ্রুপে ৯ম থেকে ১০ম এই ২ টি গ্রুপে ভোলা সদরের ২১ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৬০০ এর অধিক ছাত্রছাত্রী অংশ নেয়। দুপুর ৩টা থেকে শুরু হয়ে এই প্রতিযোগীতা চলে ৪ টা পর্যন্ত। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিকেল কলেজের ২০ জন শিক্ষার্থী এ প্রতিযোগীতাটি পরিচলানায় সহযোগিতা করে।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্লাটিনাম সাইন্স সোসাইটি এর সভাপতি ডাক্তার শ্বাশত মিস্ত্রি চন্দন’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ তৌহিদুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সফিকুল ইসলাম, ভোলা সরকারি কলেজের গনিত বিভাগের সহোযোগী অধ্যাপক বিধান কৃষ্ণ দাস, জেলা শিক্ষা অফিসের গবেষণা কর্মকর্তা নূরে আলম সিদ্দীকি, আব্দুর রব স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ শাফিয়া খাতুন, ভোলা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ ইসমাইল শিকদার প্রমুখ।

এ প্রতিযোগীতায় জুনিয়র (৬ষ্ঠ- ৮ম) গ্রুপের বিজয়ীরা হলেন, প্রথম স্থান হিমেশ মন্ডল (ষষ্ঠ শ্রেণী), ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়,২য় স্থান রুকাইয়া হাসান (অষ্টম শ্রেণী), ভোলা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ৩য় স্থান দিদারুল ইসলাম জিদান (সপ্তম শ্রেণী), ভোলা টাউন কমিটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৪র্থ স্থান মোঃ হাবিব (ষষ্ঠ শ্রেণী), টবগী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৫ম স্থান আমেনা আনিকা তাসনিম (অষ্টম শ্রেণী), ভোলা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।

সেকেন্ডারি (৯ম-১০ম) গ্রুপের বিজয়ীরা হলেন,
প্রথম স্থান জুইফুর রহমান ( নবম শ্রেণি), ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, ২য় স্থান মোঃ রিয়াদ হোসেন চৌধুরী (নবম শ্রেণী), ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়,৩য় স্থান তমালিকা দাস (নবম শ্রেণী), ভোলা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,
৪র্থ স্থান মোঃ আবরার জাহি (নবম শ্রেণী), ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়,৫ম স্থান মোঃ হাসনাত (দশম শ্রেণী), আবদুর রব স্কুল এন্ড কলেজ।

প্লাটিনাম সাইন্স সোসাইটির সম্পাদক রেদওয়ান ইসলাম হৃদয় পুরো অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন।




প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণে পেছালো তিন বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা

প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পেছানো হয়েছে।

পরিবর্তিত সময়সূচি অনুযায়ী এই তিন শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা ১৭ আগস্টের পরিবর্তে ২৭ আগস্ট থেকে শুরু হবে। তবে অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আগামী ১৭ আগস্ট থেকে অনুষ্ঠিত হবে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার শুক্রবার রাতে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

পূর্বঘোষিত সময় অনুযায়ী সব (১১টি) শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা ১৭ আগস্ট থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু চট্টগ্রাম অঞ্চলে অতিবৃষ্টির কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিয়েছে। এজন্য ওই এলাকার চার জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটিও ঘোষণা করা হয়েছিল। এখন তিন শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাও পেছাল।




এইচএসসি পেছানোর ‘সুযোগ নেই’, আইসিটি পরীক্ষা ৭৫ নম্বরে

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নির্ধারিত সূচিতেই শুরু হবে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, কিছু শিক্ষার্থী বিক্ষোভ করলেও পরীক্ষা পেছানোর কোনো ‘সুযোগ নেই’।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে জাতীয় মনিটরিং ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা শেষে এক ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি বলেন, আগামী ১৭ আগস্ট এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে। পুনর্বিন্যস্ত সিলেবাসে সব বিষয়ে পূর্ণ নম্বরে পরীক্ষা হলেও তথ্য প্রযুক্তি (আইসিটি) পরীক্ষা ১০০ নম্বরের পরিবর্তে ৭৫ নম্বরে হবে।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করার কারণ দেখিয়ে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা পেছানোর দাবি নিয়ে গত দুদিন ধরে ঢাকায় বিক্ষোভ করছে একদল শিক্ষার্থী। পেছানোর পাশাপাশি ১০০ নম্বরের পরিবর্তে পরীক্ষা ৫০ নম্বরে নেওয়ার দাবিও তুলছে তারা।

শিক্ষা মন্ত্রী জানান, তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) ছাড়া সব বিষয়ের পরীক্ষাই ১০০ নম্বরে হবে। আইসিটি পরীক্ষা হবে ৭৫ নম্বরে।

আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষা ‘গুজবমুক্ত ও নকলমুক্ত পরিবেশে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে’ অনুষ্ঠানের জন্য আগামী ১৪ অগাস্ট থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর সব কোচিং বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

সাংবাদিকদের প্রশ্নে জবাবে তিনি বলেন, “কোচিং মানে সব ধরনের কোচিং। কোনো কোচিং সেন্টারই খোলা রাখা যাবে না। খোলা রাখলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলাকালে দেশের কোনো অঞ্চলে ভারি বর্ষণ বা বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে সেই অঞ্চলের পরীক্ষা বন্ধ রাখা হবে বলে জানিয়েছেন দীপু মনি।

এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১৩ লাখ ৫৯ হাজার ৩৪২ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা দিবে। ২ হাজার ৬৫৮টি কেন্দ্রে তাদের পরীক্ষা নেওয়া হবে।

২০২২ সালে ২ হাজার ৬৪৯টি কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১২ লাখ ৩ হাজার ৪০৭ জন। সেই হিসাবে এবার পরীক্ষার্থী বেড়েছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৯৩৫ জন এবং কেন্দ্র বেড়েছে ৯টি।




সকল এমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ দাবীতে পটুয়াখালীতে জাতীয় শিক্ষক ফোরামের মানববন্ধন

মোঃ আল-আমিন (পটুয়াখালী): ইবতেদায়ী মাদরাসাসহ সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ, সর্বস্তরে ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক করণ ও মাদরাসা শিক্ষার স্বকীয়তা বজায় রাখার দাবীতে জাতীয় শিক্ষক ফোরামের উদ্যোগে অবস্থান ও মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে।

শনিবার পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে জেলা জাতীয় শিক্ষক ফোরামের সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা আনছার উল্লাহ আনছারী এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাস্টার মোঃ জাহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় ঘন্টাব্যাপী অবস্থান ও মানববন্ধনকালে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় শিক্ষক ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক প্রভাষক মাওলানা আর.আই.এম অহিদুজ্জামান।

বক্তব্য রাখেন জেলা কমিটির উপদেষ্ঠা মোঃ সেলিম হাওলাদার, মাওলানা আবুল হাসান বোখারী ও সহ-সুপার মাওলানা মোঃ নজরুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক মোঃ হাফিজুর রহমান, উপাধ্যক্ষ মোঃ জসিম উদ্দিন জাফর, সহকারী শিক্ষক মাস্টার মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান, স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষক ঐক্যজোট কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোঃ আল আমিন, মাওলানা বশির উল্লাহ নোমানী, অধ্যাপক হাবিবুর রহমান, মাওলানা ফোরকান মাহমুদ, মাওলানা আলিম প্রমুখ।

বক্তারা উক্ত দাবী সমূহ বাস্তবায়নের জন্য সরকারের কাছে দাবী জানান। শেষে দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা আবুল বশার।




বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, আহত ১০

এস এল টি তুহিন (বরিশাল) : বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) বঙ্গবন্ধু ও শেরে বাংলা হলে হেলমেটধারীদের হামলায় ১০ শিক্ষার্থী আহতের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার রাত ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা সবাই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

আহতদের শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে ক্যাম্পাসে আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

আহত মুয়ীদুর রহমান বাকি বলেন, আমাদের ওপর যারা হামলা করেছে তাদের অধিকাংশই বিগত দিনে নানা অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত। কিন্তু তারপরও প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে শক্ত কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় এভাবে হামলা চালানোর সাহস পেয়েছে তারা।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. খোরশেদ আলম বলেন, রাতে হামলার বিষয়টি শোনার সঙ্গে সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে দুই হলের প্রভোস্ট এবং প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা গিয়েছে।

ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। আপাতত পরিস্থিতি শান্ত আছে।
এই বিষয়ে অভিযুক্ত মুবাশ্বির রিদমের মোবাইলে কল দিলে তাকে পাওয়া যায়নি।




হাইকোর্টে চূড়ান্ত নীতিমালা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বুলিং-রেগিং-এ ফৌজদারি মামলা

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বুলিং ও র‌্যাগিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত চূড়ান্ত নীতিমালার গেজেটের অনুলিপি হাইকোর্টে দাখিল করা হয়েছে।

কয়েকদিন আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব (আইন) আবদুল জলিল মজুমদার অনুলিপি অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জমা দিয়েছেন।

এ নীতিমালা অনুযায়ী-বুলিং-র‌্যাগিংয়ের মাত্রা অনুসারে দায়ীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা যাবে। এর আগে ২৯ জুন চূড়ান্ত নীতিমালার গেজেট জারি করা হয়।

চূড়ান্ত নীতিমালায় বুলিং-র‌্যাগিংয়ের অপরাধে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও গভর্নিং বডির সদস্যদের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

মৌখিক বুলিং-র‌্যাগিংয়ের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে-কাউকে উদ্দেশ করে মানহানিকর বা অপমানজনক এমন কিছু বলা বা লেখা যা খারাপ কোনো কিছুর প্রতি ইঙ্গিত বহন করে ইত্যাদিকে মৌখিক বুলিং বোঝাবে।

যেমন-উপহাস করা, খারাপ নামে সম্বোধন করা বা ডাকা, অশালীন শব্দ ব্যবহার করা, গালিগালাজ করা, হুমকি দেওয়া, শারীরিক অসমর্থতাকে নিয়ে উপহাস করা বা অনুরূপ কার্যাদি।

শারীরিক বুলিং ও র‌্যাগিংয়ের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে-কাউকে কোনো কিছু দিয়ে আঘাত করা, চড়-থাপ্পড়, শরীরে পানি বা রঙ ঢেলে দেওয়া, লাথি মারা, ধাক্কা মারা, খোঁচা মারা, থুথু দেওয়া, বেঁধে রাখা, কোনো বিশেষ ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে/বসে বা বিশেষ অবস্থায় থাকতে নির্দেশ দেওয়া অথবা কোনো কিছু করতে বা না করতে বাধ্য করা, কারও কোনো জিনিসপত্র জোর করে নিয়ে যাওয়া বা ভেঙে ফেলা, অশালীন বা অসৌজন্যমূলক অঙ্গভঙ্গি করা বা অনুরূপ কার্যাদি।

সামাজিক বুলিং ও র‌্যাগিংয়ের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে-কারও সম্পর্কে গুজব ছড়ানো, প্রকাশ্যে কাউকে অপমান করা, ধর্ম, বর্ণ, জাতি, গোত্র, পেশা, গায়ের রং, অঞ্চল বা জাত তুলে কোনো কথা বলা বা অনুরূপ কার্যাদি। সাইবার বুলিং-র‌্যাগিং সম্পর্কে বলা হয়েছে-কারও সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কটু কিছু লেখা বা ছবি বা অশালীন ব্যঙ্গাত্মক কিছু পোস্ট করে তাকে অপদস্থ করা বা অনুরূপ কার্যাদি।

সেক্সুয়াল বুলিং ও র‌্যাগিং সম্পর্কে বলা হয়েছে-ইচ্ছাকৃতভাবে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আপত্তিজনকভাবে স্পর্শ করা বা করার চেষ্টা করা, ইঙ্গিতবাহী চিহ্ন প্রদর্শন করা, আঁচড় দেওয়া, জামা-কাপড় খুলে নেওয়া বা খুলতে বাধ্য করা বা অনুরূপ কার্যাদি।

এছাড়া এমন কর্ম, আচরণ, কার্যাদি যা অসম্মানজনক, অপমানজনক ও মানহানিকর এবং শারীরিক-মানসিক যন্ত্রণার কারণ হতে পারে, তা যে নামেই হোক না কেন তা বুলিং ও র‌্যাগিং হিসাবে গণ্য হবে।

চূড়ান্ত নীতিমালায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বুলিং ও র‌্যাগিং প্রতিরোধে কমিটি গঠন এবং কার্যপরিধি সম্পর্কে বলা হয়েছে-প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে ৩-৫ সদস্যবিশিষ্ট বুলিং ও র‌্যাগিং প্রতিরোধ কমিটি গঠন করতে হবে। প্রয়োজনে কর্তৃপক্ষ এক বা একাধিক কমিটি গঠন করতে পারবে।

কমিটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। শিক্ষা বছরের শুরুতে কমিটি আবশ্যিকভাবে এবং পরবর্তীতে তিন মাস অন্তর শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের নিয়ে সভা, মতবিনিময় সভা, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও ওয়ার্কশপের আয়োজন করবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বুলিং ও র‌্যাগিং হয় কিনা তা কমিটি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করবে।

বুলিং ও র‌্যাগিং প্রতিরোধ ও প্রতিকারে কর্তৃপক্ষ কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের করণীয় সম্পর্কে বলা হয়েছে-১. বুলিং ও র‌্যাগিংয়ে উৎসাহিত হয় এ রূপ কোনো কার্যকলাপ, সমাবেশ, অনুষ্ঠান করা যাবে না।

২. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যেসব জায়গায় বুলিং ও র‌্যাগিং হওয়ার আশঙ্কা থাকে, সেসব জায়গায় কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের মাধ্যমে নজরদারির ব্যবস্থা করবে।

৩. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (আবাসিক হলসহ) কর্তৃপক্ষ তাদের নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে বুলিং ও র‌্যাগিংয়ের ঘটনার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষে রিপোর্ট করবে, অন্যথায় নিষ্ক্রিয়তার জন্য দায়ী হবে।

৪. বুলিং ও র‌্যাগিং এর উদাহরণ এবং পরিণতি সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট এবং প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণে পোস্টারের মাধ্যমে প্রচারণা চালাবে। শিক্ষাবর্ষের শুরুতে বুলিং ও র‌্যাগিং প্রতিরোধ ‘দিবস’ পালন করে এ কুফল সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্টদের সচেতন করবে।

৫. সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী-শিক্ষক ও অভিভাবকদের শপথ নিতে হবে। কখনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বুলিং ও র‌্যাগিং করবে না, কাউকে বুলিং ও র‌্যাগিংয়ের শিকার হতে দেখলে রিপোর্ট করবে, প্রয়োজনে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন জানিয়ে তারা অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করবেন।

৬. বুলিং ও র‌্যাগিংয়ের কুফল সম্পর্কিত সিনেমা, কার্টুন, টিভি সিরিজ প্রদর্শন, অনলাইনে দায়িত্বশীল আচরণের ব্যাপারে অনলাইন বিহেভিওর সম্পর্কিত কর্মশালা ইত্যাদিসহ সহপাঠ্যক্রমিক কর্মশালা আয়োজনের জন্য কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

৭. বুলিং ও র‌্যাগিং প্রতিরোধে কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের ‘এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিজ’-এ অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করবে। যেমন-শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী ক্ষমতাকে বিকশিত করা লক্ষ্যে বিতর্ক প্রতিযোগিতা, বিজ্ঞান মেলা, গণিত অলিম্পিয়াড, বই পড়ার প্রতিযোগিতা, দাবা খেলা, কেরাম খেলা ও বিভিন্ন খেলাধুলা আয়োজন করবে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে সহমর্মিতা এবং সহানুভূতিশীলতার শিক্ষা দিতে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী কাজে নিযুক্ত করতে হবে।

৭. শিক্ষার্থীরা বুলিং-র‌্যাগিংয়ের কুফল অথবা এর ফলে কীভাবে একজন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে-সে সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়ার জন্য এবং সে সঙ্গে বুলিং ও র‌্যাগিং সম্পর্কিত সমস্যার সমাধান তারা নিজেরাই বের করতে উদ্যোগী হওয়ার জন্য শিক্ষক রোল প্ল্যানের মাধ্যমে উপস্থাপন করবেন।

৮. সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুনির্দিষ্ট কোনো শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের কাউন্সিলিংয়ের দায়িত্ব দিতে হবে। তাদের কাউন্সিলর হিসাবে অভিহিত করা হবে।

৯. বুলিং ও র‌্যাগিং নীতিমালা বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠান প্রধানরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন।

১০. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ এবং শিক্ষা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা নিয়মিত বুলিং ও র‌্যাগিং বিষয়ে পরীবিক্ষণ করবেন এবং নীতিমালা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবেন।

প্রসঙ্গত, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রী অরিত্রি অধিকারীর আত্মহত্যার পর ২০১৮ সালের ৪ ডিসেম্বর স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে একটি আদেশ দেন হাইকোর্ট। আদেশে ‘বুলিং’ ও শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যা প্রতিরোধের উপায় নির্ণয়ে একটি জাতীয় নীতিমালা তৈরির জন্য অতিরিক্ত শিক্ষাসচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করে দেন আদালত।

নির্দেশ অনুযায়ী এই কমিটি একটি নীতিমালা খসড়া করে ২০১৯ সালে আদালতে দাখিল করে। এরপর নীতিমালা কয়েক দফা সংশোধন, পরিমার্জন, সংযোজন-বিয়োজন করা হয়।




বরগুনার আমতলীতে ২৫৯৩ জন শিশুর মধ্যে বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

জেলার আমতলীতে বৃহস্পতিবার উপজেলার হতদরিদ্র পরিবারের ২ হাজার ৫৯৩ জন শিশুকে বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ প্রদান করা হয়েছে। এ সময়ে তাদের প্রতিকী গণজন্মদিন উপলক্ষে কেক কেটে উৎসব করা হয়।

আমতলীর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আমতলীর ইউএনও মুহাম্মদ আশরাফুল আলম কেকটি কেটে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

বে-সরকারি সংস্থা নজরুল স্মৃতি সংসদের (এনএসএস) উদ্যোগে ও  ওয়ার্ল্ড ভিশন-এপি’র আয়োজনে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নজরুল স্মৃতি সংসদ নির্বাহি পরিচালক এড. শাহাবুদ্দিন পান্না। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন  আমতলী উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান তামান্না আফরোজ মনি, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ আনোয়ার হোসেন ফকির, আমতলী প্রেসক্লাবের সভাপতি ও বাসসের বরগুনা সংবাদদাতা একেএম খায়রুল বাশার বুলবুল, সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জয়নুল আবেদীন, ওয়ার্ল্ড ভিশন-এপি আমতলীর ম্যানেজার সুরভি বিশ্বাস।
অনুষ্ঠানে শিশুদের মধ্যে বিতরণকৃত উপকরণের মধ্যে ছিলো- ফোল্ডিং টেবিল, কলম, পেন্সিল, বালতি, বেডসিট, সাবান ও ডিটারজেন্ট পাউডার।




৪১তম বিসিএসের ফল প্রকাশ, ২৫২০ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

৪১তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। সেখানে ২৫২০ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) পিএসসির ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হয়।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সরকারি কর্ম কমিশন জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে ৪১ তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের জন্য পিএসসি পূর্ণ কমিশনের সভা ডাকা হয়। এতে পিএসসি চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হোসাইন সভাপতিত্ব করেন। সভায় ৪১তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল অনুমোদন দেওয়া হয়।

কোন ক্যাডারে কত নিয়োগ?

৪১তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি নেওয়া হবে শিক্ষা ক্যাডারে। এই ক্যাডারে ৯১৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে বিসিএস শিক্ষাতে প্রভাষক ৯০৫ জন, কারিগরি শিক্ষা বিভাগে প্রভাষক ১০ জন নেওয়া হবে।

শিক্ষার পরে বেশি নিয়োগ হবে প্রশাসন ক্যাডারে। প্রশাসনে ৩২৩ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। পুলিশে ১০০, বিসিএস স্বাস্থ্যতে সহকারী সার্জন ১১০ জন ও সহকারী ডেন্টাল সার্জন ৩০ জনকে নেওয়া হবে।

পররাষ্ট্রে ২৫ জন, আনসারে ২৩ জন, অর্থ মন্ত্রণালয়ে সহকারী মহাহিসাব রক্ষক (নিরীক্ষা ও হিসাব) ২৫ জন, সহকারী কর কমিশনার (কর) ৬০ জন, সহকারী কমিশনার (শুল্ক ও আবগারি) ২৩ জন ও সহকারী নিবন্ধক ৮ জন নেওয়া হবে।

পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগে পরিসংখ্যান কর্মকর্তা ১২ জন, রেলপথ মন্ত্রণালয়ে সহকারী যন্ত্র প্রকৌশলী ৪ জন, সহকারী ট্রাফিক সুপারিনটেনডেন্ট ১ জন, সহকারী সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক ১ জন, সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) ২০ জন, সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) ৩ জন নেওয়া হবে।

তথ্য মন্ত্রণালয়ে সহকারী পরিচালক বা তথ্য কর্মকর্তা বা গবেষণা কর্মকর্তা ২২ জন, সহকারী পরিচালক (অনুষ্ঠান) ১১ জন, সহকারী বার্তা নিয়ন্ত্রক ৫ জন, সহকারী বেতার প্রকৌশলী ৯ জন, স্থানীয় সরকার বিভাগে সহকারী প্রকৌশলী ৩৬ জন ও সহকারী বন সংরক্ষক ২০ জন।

সহকারী পোস্ট মাস্টার জেনারেল পদে ২ জন, বিসিএস মৎস্যতে ১৫ জন, পশুসম্পদে ৭৬ জন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ১৮৩ জন ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ৬ জন, বিসিএস বাণিজ্যে সহকারী নিয়ন্ত্রক ৪ জন।

পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ৪ জন, বিসিএস খাদ্যে সহকারী খাদ্যনিয়ন্ত্রক ৬ জন ও সহকারী রক্ষণ প্রকৌশলী ২ জন, বিসিএস গণপূর্তে সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) ৩৬ জন ও সহকারী প্রকৌশলী (ই/এম) ১৫ জন কর্মকর্তাকে এই বিসিএসে নিয়োগ করা হবে।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ২৭ নভেম্বর ৪১তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল পিএসসি। এতে চার লাখের বেশি প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ২১ হাজার ৫৬ জন।

লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রার্থীদের ১৫ হাজার খাতায় ২০ শতাংশ নম্বরের গরমিল পাওয়ায় ফল প্রকাশে কিছুটা বিলম্ব হয়। গরমিল হওয়া খাতাগুলো তৃতীয় পরীক্ষকের মাধ্যমে মূল্যায়ন শেষে ভাইভা শুরু হয়। সকল প্রক্রিয়া শেষে আজ চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়।




জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিতে ভর্তি আবেদন শুরু

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে ডিগ্রি (পাস) শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু হয়েছে। বিকেল ৪টা থেকে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়। চলবে আগামী ৩০ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মো. আতাউর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগ্রহী প্রার্থীকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট থেকে আবেদন ফরম পূরণ করে প্রিন্ট করতে হবে। এরপর ওই ফরমসহ আবেদন ফি জমা দিতে হবে।

এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটের অপশন থেকে জানা যাবে।




কলেজে ভর্তিযুদ্ধ শুরু ১০ আগস্ট থেকে

আগামী ১০ আগস্ট থেকে একাদশ শ্রেণির অনলাইনে ভর্তি আবেদন শুরু হবে। তিন ধাপে নেওয়া হবে আবেদন। প্রথম ধাপে ২০ আগস্ট পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ পাবে শিক্ষার্থীরা। সর্বশেষ তৃতীয় ধাপে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবে শিক্ষার্থীরা। পাঁচ দিন বিরতি দিয়ে ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে কলেজে ভর্তি শুরু হবে। ক্লাস শুরু হবে ৮ অক্টোবর।

সোমবার কলেজে ভর্তির নীতিমালা চূড়ান্তকরণ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর তপন কুমার সরকার।