১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ২৬২৪২

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ: ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে উত্তীর্ণ হয়েছেন ২৬ হাজার ২৪২ জন প্রার্থী।

লিখিত পরীক্ষায় স্কুল পর্যায়ের ১৯ হাজার ৯৫ জন, স্কুল পর্যায়-২-এর ২ হাজার ১০১ জন ও কলেজ পর্যায়ে ৫ হাজার ৪৬ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।

তারা বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক হওয়ার জন্য নিবন্ধিত হতে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেবেন।

বুধবার (৩০ আগস্ট) মধ্যরাতে এ লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। রাতেই উত্তীর্ণ প্রার্থীদের এসএমএস পাঠিয়েছে এনটিআরসিএকে কারিগরি সহায়তা দেওয়া প্রতিষ্ঠান টেলিটক।

বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) সকালে এনটিআরসিএর সদস্য এস এম মাসুদুর রহমান সই করা বিজ্ঞপ্তিতে ফল প্রকাশের বিষয়টি জানানো হয়।

২০২০ সালের জানুয়ারিতে ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। দুই বছর পর ২০২২ সালের ৩০ ও ৩১ ডিসেম্বর এ নিয়োগের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় এক লাখ ৫১ হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। গত ৫ ও ৬ মে শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন মোট এক লাখ চার হাজারের বেশি প্রার্থী।

অনুষ্ঠিত স্কুল এবং স্কুলপর্যায়-২-এর লিখিত পরীক্ষায় ৫৭ হাজার ২৭৪ প্রার্থী অংশ নেন। আর ৬ মে অনুষ্ঠিত কলেজপর্যায়ের লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন ৪৭ হাজার ৫৬০ জন প্রার্থী।




দাদাবাড়ী বেড়াতে এসে নদীতে পড়ে আইডিয়ালের শিক্ষার্থী নিখোঁজ

বরিশাল অফিস : বরিশালের উজিরপুরে কচা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়েছে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলের নিশাত তাসনিম তানহা (১৬) নামের এক ছাত্রী। বিষয়টি নিশ্চিত করেন বরিশাল উজিরপুর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. তৌহিদুজ্জামান জানান, আজ (২৯) আগষ্ট মঙ্গলবার দুপুরে উজিরপুর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামে নদীতে পা পিছলে পড়ে গিয়ে সে নিখোঁজ হয়।

তিনি জানান, খবর পেয়ে উজিরপুর ফায়ার স্টেশন ও বরিশাল সদর ফায়ার স্টেশনের ডুবুরির দল গিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু করে। কিন্তু রাত ৯ টা ৪৫ পর্যন্ত এখনো খোঁজ মেলেনি।

তিনি আরও জানান, ঢাকা থেকে বরিশালে গ্রামের বাড়ি ভবানীপুরে বাবা-মায়ের সঙ্গে বেড়াতে এসেছিল তানহা। বেলা ১ টার দিকে ছোট ভাইকে নিয়ে বাড়ির পাশে সন্ধ্যা নদীর শাখা নদী কচার ঘাটে নামে সে। এ সময় পা পিছলে নদীতে পড়ে যায়। ছোট ভাইয়ের চিৎকারে মা এসে তানহাকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। তবে তাঁকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।




বরিশালের হিজলায় শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও পুরস্কার বিতরণ

বরিশাল অফিস :বরিশালের হিজলায় রহমান এ- নেছা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মেধাবী ও জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ও শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। ২৬আগষ্ট রোজ শনিবার সকাল ১০টা সরকারী সংহতি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে হিজলা ও কাজিরহাট থানার প্রাথমিক, মাধ্যমিক বিদ্যালয় আলীয়া, কওমী ও হাফেজী মাদ্রাসার ৩৬৫জন শিক্ষার্থীদের মাঝে এ বৃত্তি ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান, পুরস্কার বিতরণ করেন দানবীর, বিশিষ্ট সমাজ সেবক, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোট এর আপিল বিভাগের বিশিষ্ট কৌসুলি ব্যারিস্টার এম.এ মাসুম।

উপস্থিত ছিলেন বড়জালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এনায়েত হোসেন হাওলাদার, মেমানিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার নাসির উদ্দিন, সরকারী হিজলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আমিনুল ইসলাম, সরকারী সংহতি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ হেমায়েত উদ্দিন, আফসার উদ্দিন ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা সুলতান মাহমুদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ সুধী সমাজ।

এ ছাড়া হিজলা ও কাজিরহাট থানার সকল স্কুল, আলীয়া, কওমী ও হাফেজী মাদ্রাসার শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। অনুষ্ঠানে সভাপত্তিত্ব বরেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আলহাজ্ব ইকবাল হোসেন মাতুব্বর।

অনুষ্ঠান পরিচালনা ও সার্বিক সহযোগিতা করেন কাসেমুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও শামসুন্নাহার মহিলা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওঃ সালাউদ্দিন খান।




জাতীয়করণের দাবীতে আমতলীতে শিক্ষকদের সভা

বরিশাল অফিস: আমতলী-তালতলী উপজেলার জাতীয়করণ বঞ্চিত ৪৬ টি বে-সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের দাবীতে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকেলে আমতলী একে সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আমতলী উপজেলা জাতীয়করণ বঞ্চিত শিক্ষক সমিতির উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা সামসুদ্দিন আহম্মেদের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল বিভাগীয় জাতীয়করণ বঞ্চিত শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশাল বিভাগীয় জাতীয়করণ বঞ্চিত শিক্ষক সমিতির উপদেষ্টা ফজলুল হক, বরগুনা জাতীয়করণ বঞ্চিত শিক্ষক সমিতির সভাপতি শামীম আহম্মেদ, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, মহসীন উদ্দিন মোল্লা, মফিজ উদ্দিন ফকির, নাজমুল আহসান, কামরুল আহসান মাসুদ ও আজাহার মোল্লা প্রমুখ। সভায় জাতীয়করণ বঞ্চিতশতাধিক শিক্ষক অংশ নেয়।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশের বে-সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করেন। এরমধ্যে আমতলী-তালতলী উপজেলার ৪৯৬ টি বিদ্যালয় জাতীয়করণ বঞ্চিত হয়। এ বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকরা দীর্ঘ ১১ বছর মানবেতর জীবনযাপন করে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এ বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণের দাবী জানান তারা।




চট্টগ্রামে এক ঘণ্টা পিছিয়ে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা

চন্দ্রদ্বীপ ‍নিউজ: রাতভর ভারী বর্ষণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার কারণে চট্টগ্রামে এক ঘণ্টা পিছিয়ে শুরু হয়েছে উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষা। মহানগরী এলাকার ২৭টি কেন্দ্র ছাড়াও চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের অধীন জলাবদ্ধতার সমস্যায় পড়া পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতেও এক ঘণ্টা পর পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয় বোর্ড। রোববার (২৭ আগস্ট) প্রথম দিনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর নারায়ণ চন্দ্রনাথ বলেন, ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রে আসতে না পারা শিক্ষা উপমন্ত্রী মহোদয়ের পরামর্শে প্রথম দিনের পরীক্ষা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষাবোর্ডের সবগুলো পরীক্ষাকেন্দ্রে একযোগে একই বিষয়ে পরীক্ষা সকাল ১০টায় শুরু হলেও চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এক ঘণ্টা পিছিয়ে পড়লে কোনো সমস্যা হবে না বলে জানান পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।
তিনি বলেন, অন্য পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রের ভেতরে থাকবে। এতে নগরীর কেন্দ্রগুলোতে এক ঘণ্টা পিছিয়ে পড়লেও কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়।
এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বলা হয়েছে, ২৬ আগস্ট ২০২৩ তারিখ দিবাগত রাতের অতিবৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম শহরে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায়, আজ ২৭ আগস্ট ২০২৩ তারিখ হতে শুরু হওয়া চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন পরীক্ষার্থীদের চলাচলের সুবিধার্তে, সিটি কর্পোরেশন এলাকার ২৭টি পরীক্ষা কেন্দ্র ও হাটহাজারী ও ফতেয়াবাদ কলেজ কেন্দ্রে, পরীক্ষা এক ঘণ্টা বিলম্বে শুরু করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। যে সমস্ত কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের পৌঁছাতে সমস্যা হচ্ছে সেগুলোতেও অনুরূপ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে বিলম্ব হলেও, পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ নিশ্চিত করার জন্যে কেন্দ্র প্রধানদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকার বাইরেও সকল কেন্দ্রের সাথে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের যোগাযোগ অব্যাহত আছে।




৪৩তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা শুরু ৩ সেপ্টেম্বর

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : আগামী ৩ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে ৪৩তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা। রোববার (২০ আগস্ট) ৪৩তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে উত্তীর্ণ হয়েছেন এক হাজার ৮৪১ জন। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেবেন।

সোমবার রাতে (২১ আগস্ট) সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। মৌখিক পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচী শিগগিরই দৈনিক পত্রিকা, পিএসসির ওয়েবসাইটে (https://bpsc.gov.bd) প্রকাশ করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ৩ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে ঢাকার শেরেবাংলা নগরে কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে এ মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম পর্বের এ মৌখিক পরীক্ষা শেষ হবে আগামী ১২ অক্টোবর।

পিএসসি জানিয়েছে, লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ৪৩তম বিসিএসের জন্য নির্ধারিত অনলাইন ফরম কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে সংগ্রহ করতে হবে।

লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের অনলাইন ফরম (বিপিএসসি ফরম-১) সনদ ও কাগজপত্রসহ মৌখিক পরীক্ষার দিন সংশ্লিষ্ট বোর্ডে ৩০ মিনিট আগে জমা দিতে হবে।

কোনো প্রার্থী নির্ধারিত তারিখ ও সময়ের মধ্যে মৌখিক পরীক্ষার বোর্ডে সব সনদ ও কাগজপত্র জমা দিতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হবে এবং তিনি মৌখিক পরীক্ষায় আর অংশ নিতে পারবেন না।

৪৩তম বিসিএসে বিভিন্ন ক্যাডারে ১ হাজার ৮১৪ কর্মকর্তা নেওয়া হবে। এরমধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ৩০০, পুলিশ ক্যাডারে ১০০, পররাষ্ট্র ক্যাডারে ২৫, শিক্ষা ক্যাডারে ৮৪৩, অডিটে ৩৫, তথ্যে ২২, ট্যাক্সে ১৯, কাস্টমসে ১৪ ও সমবায়ে ১৯ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের অক্টোবরে ৪৩তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা সারা দেশের কেন্দ্রগুলোতে (ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ) অনুষ্ঠিত হয়। প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন ১৫ হাজার ২২৯ জন প্রার্থী।




সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার অন্যতম মাধ্যম সালাম বিনিময়

সমাজে হিংসা-হানাহানি বিদ্বেষ দূর করে পারস্পরিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে ‘সালামের’ রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা। ‘সালাম’ শব্দটি মহান রাব্বুল আলামীনের গুন বাচক নাম “সালাম” ইসলামের একটি অন্যকতম বিধান। হযরত আদম (আ:) হতে শুরু করে প্রত্যেক নবীর যুগেই সালামের প্রচলন ছিল এবং সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) আনীত দ্বীনে এর প্রচলনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী তিনটি বিশেষ সুন্নতের ওপর আমল করলে প্রিয় নবি হযরত মুহম্মদ স. অধিকাংশ সুন্নতের ওপর আমল করা সহজ হয়। এর মধ্যের অন্যনতম হলো সমাজে বেশি বেশি সালামের প্রচলন করা। আগে সালাম দেওয়ার চেষ্টা করা। ধর্ম ও জীবন এই পর্বে এ সম্পর্কে লিখেছেন হাফেজ মাওলানা মানজুরুল হক, মুহতামিম, বাইতুল ফালাহ মাদরাসা ও এতিমখানা, আফতাব নগন, বা্ড্ডা, ঢাকা

সহি শুদ্ধভাবে সালাম দেয়ার মাসায়েল:
১. আসসালামু-এর হামযা এবং মীমের পেশকে স্পস্ট করে উচ্চারণ করা! (মুসলিম)
২. পরিচিত-অপরিচিত, ছোট-বড় নির্বিশেষে সকলকে সালাম দিবে মাতা-পিতা স্বামী, ছেলে-মেয়ে সকলকেই সালাম করবে! অনেকে মাতা-পিতা, ছেলে-মেয়ে বা স্বামীকে সালাম দিতে লজ্জা বোধ করে! অথচ এই লজ্জা ঠিক না! কয়েক দিন সালাম দিলেই এ লজ্জা কেটে যাবে! লজ্জা করে সালামের মত একটি ফযীলতের আমল থেকে বঞ্চিত হওয়া বোকামি (বুখারী ও মুসলিম)
৩. সওয়ারী ব্যক্তি পায়ে চলা ব্যক্তিকে, চলনেওলা বসা বা দাঁড়ানো ব্যক্তিকে, আগন্তুক অবস্থানকারীকে, কম সংখ্যক লোক অধিক সংখ্যক লোককে এবং কম বয়সী ব্যক্তি অধিক বয়সীকে আগে সালাম করবে এটাই উত্তম।

৪. সালামের সময় হাত দিয়ে ইশারা করবে না বা হাত কপালে ঠেকাবে না কিংবা মাথা ঝুকাবে না! তবে দূরবর্তী লোককে সালাম করলে-যার পর্যন্ত আওয়াজ না পৌছাঁর সম্ভাবনা রয়েছে-সেরুপ ক্ষেত্রে শুধু বোঝানোর জন্যে হাত দিয়ে ইশারা করা যেতে পারে। আমাদের অভ্যাস হল প্রয়োজন না থাকলেও আমরা সালাম প্রদান করার সময় হাত উঠাই এটা ঠিক না

৫. হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃস্টান, ইয়াহুদী প্রমুখ অমুসলিমকে সালাম করবে না তবে বিশেষ প্রয়োজনে নিজের ক্ষতির আশংকা থেকে বাচাঁর জন্যক একান্তই কিছু বলে যদি তাকে অভিবাদন জানাতেই হয়, তাহলে “গুডমর্নি ” “গুড ইভিনিং “বা শুভ-সকাল ইত্যাদি কিছু বলে অভিবাদন করা যায় (মুসলিম)
৬. কোন মজলিসে মুসলিম অমুসলিম উভয় প্রকারের লোক থাকলে মুসলমানদের নিয়তে সালাম দিবে কিবা নিম্নরূপ বাক্যেও সালাম দেয়া যায় (আসসালামু আলা মানিত্তাবা আল হূদা) (বুখারী ও মুসলিম)
৭. কিছ লোককে আবার সালাম দেয়া নিষিদ্ধ অর্থাৎ মাকরূহ (ক) কোন পাপ কাজেরত ব্যক্তিগনকে (খ) পেশাব-পায়খানায়রত লোককে (গ) পানাহাররত ব্যক্তিকে (ঘ) ইবাদত রত ব্যক্তিকে (ঙ) কোন মজলিসে বিশেষ কথা-বর্তা বলার মুহুর্তে, কথা -বার্তায় ব্যাঘাত ঘটার সম্ভাবনা থাকলেও সালাম করা উচিত না (চ) গায়রে মাহরাম নারী-পুরুষের মধ্যে যেসব ক্ষেত্রে ফেতনার আশংকা থাকে সেখানে সালাম আদান – প্রদান নিষিদ্ধ। কোন খালি ঘরে প্রবেশ করলে সেখান-ও সালাম দিতে হয়। সেক্ষেত্রে “আসসালামু আলাইনা অ আলা ইবাদিললাহি অথবা “আসসালামু আলাইকুম ইয়া আহলাল বাইতিস সালিহীন”।

সহীহ্ বোখারী ও মুসলিম শরীফ অবলম্বনে।




এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক: আজ থেকে শুরু হচ্ছে  এইচএসসি পরীক্ষা। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা বন্যার কারণে আরও কিছু দিন পরে শুরু হবে। পরীক্ষার্থীদের কিছু বিষয় মানার নির্দেশনা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সম্প্রতি রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে জাতীয় মনিটরিং ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুচারুভাবে সম্পন্নের লক্ষ্যে কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন। এগুলো হলো:
১. পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে হবে। অনিবার্য কারণে কোনো পরীক্ষার্থীকে এর পরে প্রবেশ করতে দিলে তার নাম, রোল নম্বর, প্রবেশের সময়, বিলম্ব হওয়ার কারণ রেজিস্ট্রোরে লিপিবদ্ধ করে ওই দিনই সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে প্রতিবেদন দিতে হবে।
২. পরীক্ষা শুরুর ২৫মিনিট আগে এসএমএসের এর মাধ্যমে প্রশ্নপত্রের সেট কোড সংশ্লিষ্টদের জানিয়ে দেওয়া হবে; কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন/ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। শুধু ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন, তবে সেটা হতে হবে এমন ফোন, যাতে ছবি তোলা যায় না।
৩. পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি (যেমন পরীক্ষার্থী, কক্ষ প্রর্যবেক্ষক, মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্র পরিদর্শন টিম, বোর্ডের কেন্দ্র পরিদর্শন টিম, জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের পরিদর্শন টিম, নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য ছাড়া) অন্য কেউ কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবে না।
এছাড়া ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।




১৬ বছরে ১০ বার ফাঁস হয়েছে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র: সিআইডি, চিকিৎসক আটক

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ (নিজস্ব প্রতিবেদক): ১৬ বছরে ১০ বার মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান মোহাম্মদ আলী মিয়া।

আজ রোববার ঢাকায় সিআইডির সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোহাম্মদ আলী মিয়া এই তথ্য জানান।

মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সম্প্রতি সিআইডির হাতে গ্রেপ্তার ১২ ব্যক্তির বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ৩০ জুলাই থেকে ৯ আগস্ট রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই ১২ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—ময়েজ উদ্দিন আহমেদ, সোহেলী জামান, মো. আবু রায়হান, জেড এম সালেহীন ওরফে শোভন, মো. জোবাইদুর রহমান ওরফে জনি, জিলুর হাসান ওরফে রনি, ইমরুল কায়েস ওরফে হিমেল, জহিরুল ইসলাম ভূঁইয়া ওরফে মুক্তার, রওশন আলী ওরফে হিমু, আক্তারুজ্জামান তুষার, জহির উদ্দিন আহমেদ ওরফে বাপ্পী ও আব্দুল কুদ্দুস সরকার। সিআইডি বলছে, গ্রেপ্তার ১২ ব্যক্তির মধ্যে কয়েকজন চিকিৎসক আছেন।

সিআইডিপ্রধান মোহাম্মদ আলী মিয়া বলেন, ২০২০ সালের প্রশ্নপত্র ফাঁস-সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে জসীম উদ্দীন ও মোহাম্মদ সালামকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের মূল হোতা ছিলেন জসীম। তাঁর খালাতো ভাই সালাম স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রেসের মেশিনম্যান। তাঁরা আদালতে ৬৪ ধারার জবানবন্দি দেন। তাঁদের জবানবন্দিতে সবশেষ গ্রেপ্তার ১২ জনের নাম আসে। তাঁরা পলাতক ছিলেন। অবশেষে তাঁদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হলো।

সংবাদ সম্মেলনে মোহাম্মদ আলী মিয়া বলেন, ২০০১ থেকে পরবর্তী ১৬ বছরে চক্রের সদস্যরা ১০ বার মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস করেছেন বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। শিক্ষিত লোকজন এই চক্রে জড়িত। প্রশ্নপত্র ফাঁস করে তাঁরা বিপুল অর্থের মালিক হয়েছেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে অনেক ব্যাংক চেক ও পরীক্ষার প্রবেশপত্র উদ্ধার করা হয়েছে। চক্রের সদস্যদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বিশ্লেষণ করে কোটি কোটি টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। তাঁরা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে অপরাধ করেছেন কি না, তাও খতিয়ে দেখা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির পক্ষ থেকে বলা হয়, গ্রেপ্তার ১২ জনের মধ্যে দুজন স্বামী-স্ত্রী। তাঁরা হলেন—ময়েজ উদ্দিন আহমেদ ও সোহেলী জামান। ময়েজ প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের অন্যতম হোতা। তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন। পরে ফেইম নামের কোচিং সেন্টারের মাধ্যমে মেডিকেলের প্রশ্ন ফাঁস চক্রে জড়ান। কোচিং সেন্টারের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস করে তিনি অবৈধভাবে শত-শত শিক্ষার্থীকে মেডিকেলে ভর্তি করিয়েছেন। তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁস ও মানিলন্ডারিং উভয় মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। ময়েজ ছাত্রশিবিরের নেতা ছিলেন। পরে তিনি জামায়াতের চিকিৎসক হিসেবে পরিচিতি পান। তাঁর স্ত্রী সোহেলীও এই চক্রের সদস্য। তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করে ফেইম কোচিং সেন্টারের মাধ্যমে ময়েজের সঙ্গে প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রে যুক্ত হন। সোহেলী জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের চিকিৎসক।

সিআইডির ভাষ্য, গ্রেপ্তার আবু রায়হান ঢাকা ডেন্টাল কলেজের ছাত্র ছিলেন। তিনি ২০০৫ সালে প্রশ্ন পেয়ে ঢাকা ডেন্টাল কলেজে ভর্তি হন। পরে তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। তিনি প্রাইভেট কোচিং সেন্টার চালাতেন। তিনি কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বসতেন।

সিআইডি বলছে, গ্রেপ্তার জেড এম সালেহীন মেডিকেল প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের অন্যতম হোতা। তিনি মেডিকেল প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। তিনি স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ থেকে পাস করেন। পরে থ্রি-ডক্টরস নামের কোচিং সেন্টারের মাধ্যমে মেডিকেল প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত হন তিনি। প্রশ্নপত্র ফাঁসের মাধ্যমে তিনি বিপুল অর্থের মালিক হয়েছেন। তিনি ২০১৫ সালে র‍্যাবের হাতে একবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। শোভন স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের ছাত্রদলের নেতা ছিলেন।

সিআইডির ভাষ্য, গ্রেপ্তার জোবাইদুর রহমান মেডিকো ভর্তি কোচিং সেন্টারের মালিক। তিনি ২০০৫ সালে এই চক্রে যুক্ত হন। তিনি জসীমের সহযোগী ছিলেন। প্রশ্নপত্র ফাঁস করে গাড়ি, বাড়ি, নগদ অর্থসহ কোটি কোটি টাকা আয় করেছেন তিনি। প্রশ্নপত্র ফাঁসের মাধ্যমে তিনি অবৈধভাবে শত শত শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে ভর্তি করিয়েছেন। তিনি স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সম্পাদক হন। বর্তমানে তিনি যুবদলের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক।




এইচএসসি-সমমান চট্টগ্রাম-মাদরাসা বোর্ডের ৪ বিষয়ের পরীক্ষার নতুন তারিখ

চন্দ্রদীপ নিউজ ডেস্ক: বন্যার কারণে চট্টগ্রাম ও মাদরাসা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের চারটি পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হয়। চারটি বিষয়ের পরীক্ষা কবে নেওয়া হবে, সেই সময়সূচি ঘোষণা করেছে স্ব স্ব বোর্ড। রোববার চট্টগ্রাম ও মাদরাসা বোর্ড সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

চট্টগ্রাম বোর্ডের ১৭ আগস্টের বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। ২০ আগস্টের বাংলা দ্বিতীয়পত্রের পরীক্ষা ১ অক্টোবর, ২২ আগস্টের ইংরেজি প্রথমপত্র ৩ অক্টোবর এবং ২৪ আগস্টের ইংরেজি দ্বিতীয়পত্রের পরীক্ষা ৫ অক্টোবর নেওয়া হবে।