বরিশালে ট্রলির চাপায় স্কুল ছাত্রী নিহত

বরিশাল অফিস :: বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলায় ইট বোঝাই ট্রলির চাপায় এক স্কুল ছাত্রী নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে সাকরাল মডেল বাজার সংলগ্ন এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন,উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জাফর আহম্মেদ তিনি জানান,ইট ভর্তি ট্রলি বেপরোয়া গতিতে চালিয়ে ডাবেরকুল বাজারের দিকে যাচ্ছিল সে সময় ওই গ্রামের সোহরাব হাওলাদারের মেয়ে চতলবাড়ি আব্দুল মজিদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী নুসরাত আক্তার (১৩) স্কুল ছুটি শেষে বাড়ি ফেরার পথে ইট বোঝাই ট্রলিটি নুসরাত আক্তারকে মুখোমুখি ধাক্কা দেয়। এতে সে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। তবে তাৎক্ষণিক চালক পালিয়ে যায়।

তিনি জানান,ট্রলি গাড়িটি আটক করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল মর্গে প্রেরণ করা হবে এবং মামলা প্রক্রিয়াধীন। স্থানীয় উত্তেজিত জনতা ঘাতক ট্রলিতে অগ্নিসংযোগ করে পড়ে তা ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণ করে।




মাকে হারিয়েছেন, বোনের অনুপ্রেরণায় ক্যাডার বরিশালের মেহেদী

বরিশাল অফিস :: ৪৩তম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. মেহেদী হাসান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রথম ক্যাডার। তার আগে কেউ বিসিএস ক্যাডার হননি। শিক্ষা ক্যাডারে ষষ্ঠ হয়েছেন তিনি। বর্তমানে তিনি ‌বরগুনা ডিস্ট্রিক্ট অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন‌্যান্স অ‌ফিসে অডিটর হিসেবে কর্মরত আছেন।

সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ৪৩তম বিসিএসের ক্যাডার ও নন-ক্যাডার পদে নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশ করেছে ২ হাজার ৮০৫ জনকে। গত ২৬ ডিসেম্বর বিকালে এ ফল প্রকাশ করা হয়। এতে মেহেদী হাসান শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।

মেহেদীর বাড়ি বরিশালের বাকেরগঞ্জের উত্তর কাটাদিয়াতে। বাবা মো. নুরুল ইসলাম। মায়ের নাম নাসিমা আক্তার। ২০০৫ সালে তিনি ষষ্ঠ শ্রেণিতে থাকা অবস্থায় মা মারা যান। তিনি কাটাদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং বেতাগী সরকারি কলেজ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পাস করেন। মেহেদীর এক বড় বোন রয়েছে।

৪১তম বিসিএসে প্রথম অংশগ্রহণ করেছিলেন। তবে মাস্টার্সের শিক্ষার্থী থাকাকালীন থিসিসের কার্যক্রমের জন্য ভালোভাবে লিখিত প্রস্তুতি নিতে পারেননি। ফলাফল নন-ক্যাডার আসে। ৪৩তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় ৪১তম এর চেয়ে ভালো হয়। তবে লিখিত আন্তর্জাতিক বিষয়ের পরীক্ষা দিয়ে কেঁদেছিলেন তিনি।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হন মেহেদী। তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি বলছিলেন, স্নাতকে পড়া অবস্থায় তৃতীয় বর্ষে এসে বিসিএস এর প্রস্তুতি শুরু করি। গতানুগতিক গাইড বই অনুসরণ না করে মূল বা বেসিক বইগুলোতে জোর দিয়েছি। সেগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করি। স্নাতকোত্তরে থাকাকালীন টিউশনি করেছি। তাই গণিত অংশে আলাদা করে বেশি প্রস্তুতি নিতে হয়নি।

৪১তম বিসিএসে প্রথম অংশগ্রহণ করেছিলেন। তবে মাস্টার্সের শিক্ষার্থী থাকাকালীন থিসিসের কার্যক্রমের জন্য ভালোভাবে লিখিত প্রস্তুতি নিতে পারেননি। ফলাফল নন-ক্যাডার আসে। ৪৩তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় ৪১তম এর চেয়ে ভালো হয়। তবে লিখিত আন্তর্জাতিক বিষয়ের পরীক্ষা দিয়ে কেঁদেছিলেন তিনি। পরীক্ষাও ভালো হয়নি বলে।

বাকি পরীক্ষাগুলোয় অংশগ্রহণ করবেন না বলে ভেবে নিয়েছিলেন জানিয়ে মেহেদী বলেন, এক বন্ধুর পরামর্শে বাকি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করি। লিখিত পরীক্ষায় পাস করলেও ভাইভায় আশানুরূপ ফলাফল না পাওয়ায় আশাহত হয়েছিলাম। নন-ক্যাডারের জটিলতা চলমান থাকায় চূড়ান্ত ফল দেখব না বলে সিদ্ধান্ত নিই। পরে এক বন্ধু ও এক ছোট ভাই আমার রেজিস্ট্রেশন নাম্বার নিয়ে ফল দেখে। বন্ধু ফোন করে বোনকে জানায়।

বোন ফোন দিয়ে ফলাফল জানানোর সময় ছোট ভাইয়ের অভিনন্দনের মেসেজ পান। এরপর নিজেও দেখে নিশ্চিত হন। এ ফল দেখে নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারেননি জানিয়ে তিনি বলেন, আনন্দে কেঁদে ফেলেছিলাম, ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। ছোটবেলায় মাকে হারিয়ে নানা প্রতিকূলতার মাঝেও দমে যাইনি। সহযোগিতাকারী হিসেবে পেয়েছি বড় বোনকে। হতাশ হলেই বড় বোন ও প্রিয় মানুষের অনুপ্রেরণা নতুন করে লড়তে শিখিয়েছেন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, ধৈর্য, অধ্যবসায়, উৎসর্গ- এগুলো যদি কারোর মধ্যে থাকে, তবে তারা সফল হবেন বলে বিশ্বাস করি। বিসিএস একটি দীর্ঘ ও অনিশ্চিত যাত্রা। এ যাত্রায় জয়ী গন্তব্যে পৌঁছাতে পরিকল্পিত ও গোছানো প্রস্তুতি সবচেয়ে বেশি জরুরি। শিক্ষাজীবনে কখনো কোথাও কোচিং করিনি। তবে নিজের সাজেশন অনুসরণ করেছি। সাধ্যের মধ্যে সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করেছি। আল্লাহ কখনো নিরাশ করেননি।




পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন পবিপ্রবি অধ্যাপক অনুপ কুমার মন্ডলের

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী : পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) অর্থনীতি ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক অনুপ কুমার মন্ডল পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেছেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগ থেকে এ ডিগ্রী অর্জন করেন। বাংলাদেশের সামুদ্রিক মাছের সংগ্রহ ও সরবরাহের উপর গবেষণা করে তিনি পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেন।

তার গবেষণা কাজের শিরোনাম ছিলো- “বাংলাদেশে সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের আহরণ-পরবর্তী ক্ষতি, সরবরাহ এবং মূল্য চেইন বিশ্লেষণ।”

অধ্যাপক ড. অনুপ কুমার মন্ডল ১৯৮৩ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার অন্তর্গত মালিখালী গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত হিন্দু পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃষি অর্থনীতিতে স্নাতক এবং একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃষি বিপণনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী সম্পন্ন করেন।

পরবর্তীতে তিনি ২০১২ সালে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন।

বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত তার ১৯ টি বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ রয়েছে। এছাড়াও তিনি সম্প্রতি প্রকাশিত অ্যালপার ডগার (এডি) “সায়েন্টিফিক ইনডেক্স র‍্যাংকিং–২০২৪” এ বিশ্বসেরা বিজ্ঞানী ও গবেষকদের তালিকায় পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) ১১৭ জন গবেষকদের মাঝে জায়গা করে নেন।




শিক্ষা উপকরণের দাম বৃদ্ধিতে পটুয়াখালীতে অভিভাবকের দীর্ঘশ্বাস

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পটুয়াখালী পৌর শহরে একতা সড়ক এলাকায় বসবাস বিলাস দাস ও সম্পা রানী দাস দম্পতির। তাদের দুই ছেলে-মেয়েই পড়ছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। বছর শেষে বেসরকারি চাকরিজীবী বিলাসের রোজগার বাড়েনি। তবে বেড়েছে পরিবারের বিভিন্ন চাহিদা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে কাগজ, কলম, খাতা, পেন্সিলসহ সব শিক্ষা উপকরণের দাম। রোজগারের স্বল্প টাকায় খরচ মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

গৃহিণী সম্পা রানী দাস বলেন, আমার স্বামী আমাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তার একার রোজগারে সংসার চালানোর পর বাচ্চাদের লেখাপড়া চালিয়ে নেওয়াটা এখন রীতিমতো চ্যালেঞ্জের বিষয়। এর মধ্যে কাগজ, কলম, খাতাসহ শিক্ষা উপকরণের দাম যে হারে বেড়েছে তাতে আমরা ভবিষ্যতে কী করব তা নিয়ে চিন্তায় পড়ে গেছি। এখন সংসারের খুটিনাটি খরচ কাঁটছাঁট করে বাচ্চাদের লেখাপড়া সামনের দিকে চালিয়ে নিতে হবে।

বিলাস দাস বলেন, বাচ্চাদের পড়াশোনা তো চালাতেই হবে। এ ক্ষেত্রে নিজেদের শখ আহ্লাদ বাদ দিতে হবে। সরকার যদি এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা না নেয় তবে ভবিষ্যতে বাচ্চাদের পড়াশোনা বন্ধ করে দিতে হবে। আর সরকার যে উপবৃত্তি দেয় তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।

নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে এমনিতেই নাজেহাল সাধারণ মানুষ। সেই সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষা উপকরণের দামবৃদ্ধি যেন মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা। তাই সন্তানদের পড়াশোনা সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াটা অভিভাবকদের জন্য অনেকটাই কষ্টসাধ্য। দুশ্চিন্তায় কপালে ভাঁজের দাগ ফেলেছেন মধ্যবিত্তরা।

অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রাকিবুল হাসান ও ঈশিতা জানান, কিছু দিন আগেও যে কাগজের রিম ছিল ৩৫০ টাকা ছিল সেটার দাম বেড়ে হয়েছে ৭০০ টাকা। প্রতিটি শিক্ষা উপকরণের দাম বেড়েছে। এতে আমাদের অভিভাবকদের ওপর বাড়তি চাপ পড়ছে। তাদের কাছে বাড়তি টাকা চাইতে লজ্জা লাগে, কিন্তু আমাদের কী করার আছে, সরকারের উচিত এ বিষয়ে দৃষ্টি দেওয়া।

অভিভাবক তানভীর হাসান জানান, সরকার মাধ্যমিক পর্যন্ত শিশুদের বই বিনামূল্যে দিচ্ছে, শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি দিচ্ছে, কিন্তু অন্যান্য জিনিসের সঙ্গে বছরে কয়েক দফা শিক্ষা উপকরণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় আমরা পড়েছি বিপাকে। ১২০ পৃষ্ঠার ৩৫ টাকার খাতা এখন বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকায় এবং বাচ্চাদের হাতের লেখার ২০ টাকার খাতা এখন বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। শুধু কাগজ আর খাতাই নয়, দাম বেড়েছে প্রয়োজনীয় সব শিক্ষা উপকরণের।

শিক্ষা উপকরণের দাম বৃদ্ধির বিষয়টি ভাবিয়ে তুলেছে শিক্ষকদেরও। তারা আশঙ্কা করছেন, এভাবে লাগামহীন দাম বৃদ্ধি শিশুর ঝরে পড়ার সংখ্যা বাড়িয়ে তুলবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক জানান, শিক্ষা উপকরণের দাম দিন দিন দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত অভিভাবকদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধির চাপে অভিভাবকরা যদি তাদের শিশুদের স্কুলে না পাঠায় তবে আমাদের করার কিছুই থাকবে না।

শহরের ঐতিহ্যবাহী স্টেশনারি দোকানের স্বত্বাধিকারী মো. খসরু জানান, পাইকারি বাজারে দাম বেশি থাকায় খুচরা পর্যায়েও দাম বেড়েছে আর এ জন্য তারা ক্রেতাদের তোপের মুখে পড়ছেন। বাজারে চাহিদা থাকায় তারা পুঁজি খাটিয়ে জিনিসপত্র কিনে আনছেন। তবে কেনাবেচা কমেছে বলে জানান তারা।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোল্লা বক্তিয়ার রহমান জানান, করোনার প্রাদুর্ভাব ও রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সারা বিশ্বে যে অর্থনৈতিক মন্দার সৃষ্টি হয়েছে তার প্রভাবেই এ সাময়িক অসুবিধা হচ্ছে। শিক্ষার খরচ সংকুলানের জন্য শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি বৃদ্ধির বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন বলে আশ্বাস দেন তিনি।




বিলুপ্ত হচ্ছে এনটিআরসিএ, শিক্ষক নিয়োগে আসছে নতুন পদ্ধতি

সূত্র বলছে, খসড়া আইনের আলোকে ‘সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)’- এর আদলে একটি নতুন বিধিবদ্ধ সংস্থা গড়ে তোলা হবে। এর নাম হবে ‘বেসরকারি শিক্ষক নির্বাচন ও নিয়োগ সুপারিশ কর্তৃপক্ষ’। এ সংস্থা পরিচালনায় ১৪ সদস্যের নির্বাহী বোর্ড থাকবে। এর অধীনে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সরাসরি পরীক্ষার মাধ্যমে বেসরকারি স্কুল-কলেজ ও মাদরাসায় নিয়োগ হবে, শিক্ষক নিবন্ধন সনদের ভিত্তিতে নয়।

গত ১২ ডিসেম্বর এনটিআরসিএর জন্য নতুন আইন তৈরি সংক্রান্ত সভা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান। সভায় খসড়া আইনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত হয়।




নতুন বই পেয়ে বাঁধভাঙা উচ্ছাসে শিক্ষার্থীরা

বরিশাল অফিস :: ইংরেজি নতুন বছরের প্রথমদিনে নতুন বই হাতে পেয়ে উচ্ছাসিত জেলার গৌরনদী উপজেলার প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা স্তরের শিক্ষার্থীরা। উপজেলার প্রতিটি বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় আনুষ্ঠানিকভাবে বই উৎসবের আয়োজনের মধ্যদিয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে বছরের প্রথমদিনে নতুন বই তুলে দেওয়া হয়েছে। আর নতুন বই হাতে পেয়ে বাঁধভাঙা উচ্ছাসে মেতে উঠেছে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ।

সোমবার সকাল দশটায় গৌরনদী উপজেলার নাঠৈ রিজিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বই উৎসবের উদ্বোধণ করেছেন উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দা মনিরুন নাহার মেরী ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবু আব্দুল্লাহ খান।

অন্যান্য বছরের ন্যায় এবারও বই উৎসবে জেলার মধ্যে একমাত্র বৃহত আয়োজন করা হয়েছে শতবছরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গৌরনদীর মাহিলাড়া অনন্ত নারায়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। বেলা এগারোটায় বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান সৈকত গুহ পিকলু বই উৎসবের উদ্বোধণ করেছেন। নতুন বই হাতে পেয়ে বাঁধভাঙা উচ্ছাসে মেতে ওঠে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক প্রণয় কান্তি অধিকারী, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আলমগীর হোসেন কবিরাজ ও সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম মৃধাসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।




বছরজুড়ে যেসব কারণে আলোচনায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

বরিশাল অফিস :: বিদায় নিলো ২০২৩৷ বছরটিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) বছরব্যাপী ঘটছে নানা ঘটনা। সেসব ঘটনা জন্ম দিয়েছে ব্যাপকআলোচনা-সমালোচনার। এসবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো দেখে নেয়া যাক একনজরে।

সিন্যাপ্স র‍্যাংকিংয়ে ১১তম ববি::
বছরের শুরুর দিকে আন্তর্জাতিক কলেজিয়েট প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার (আইসিপিসি) আঞ্চলিক পর্বে ১১২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬২টি দল অংশগ্রহণে ১৪তম স্থান অধিকার করে নেয় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘রোবাস্ট’ দল। যার কারণে সিন্যাপ্স র‍্যাংকিংয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ১১তম অবস্থান করে নেয়।

বিশ্বসেরা গবেষকের তালিকায় ববির ৩৭ জন গবেষক:: অ্যালপার ডজার (এডি) সায়েন্টিফিক ইনডেক্স কর্তৃক ২০২৩ সালের বিশ্বসেরা গবেষকের তালিকায় স্থান পেয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ৩৭ জন গবেষক।

ডিনস অ্যাওয়ার্ড পেলেন ১০৭ শিক্ষার্থী::
সেপ্টেম্বরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয়টি অনুষদের অধীনে ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭ স্নাতক এবং ২০১৮-১৯ ও ২০১৯-২০ স্নাতকোত্তর পর্যায়ের সর্বমোট ১০৭ জন মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

প্লেজিয়ারিজম চেকার সফটওয়্যার চালু::
শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমে নকল লেখা বা কপি লেখা পরীক্ষণে ‘প্লেজিয়ারিজম চেকার’ সফটওয়্যার চালু করা হয়। সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ ছাড়াও শিক্ষার্থীরা তাদের গবেষণাকর্ম, বিভিন্ন প্রজেক্ট পেপার, টার্ম পেপার এবং থিসিস পেপার চেক করতে পারবে এবং কাজগুলো সফটওয়্যারটিতে সংরক্ষণ করতে পারবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও সম্প্রসারণ অফিসের পরিচালক ড. মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেনের তত্ত্বাবধায়নে এবং নেটওয়ার্কিং অ্যান্ড আইটি অফিসের পরিচালক রাহাত হোসাইন ফয়সালের সার্বিক সহযোগিতায় টার্নিটিন ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড থেকে ইনস্টিটিউশনাল সাবসক্রিপশন নেয়া হয়।

ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেল ববির ১৭ শিক্ষক:: বছরের অক্টোবরে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ১৭ জন শিক্ষককে সম্মাননা স্বরূপ ‘ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়েছে৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয়টি অনুষদ থেকে মোট ১৭ শিক্ষককে মর্যাদাপূর্ণ এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের গবেষণা অনুদান পেলেন ববির ১৪ শিক্ষক::
এ বছরের শেষে ডিসেম্বর মাসে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে সাতটি গবেষণা প্রকল্পের জন্য ২০ লাখ টাকা অনুদান পাচ্ছে ববির ১৪ শিক্ষক।

বদ্ধ কক্ষে মিলল ববি ছাত্রীর অর্ধগলিত লাশ:

বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মোল্লা ছাত্রী নিবাসের চতুর্থ তলার একটি বন্ধ কক্ষ থেকে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া একটি অর্ধগলিত মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঐ ছাত্রীর নাম রিবনা শাহরিন। মৃত রিবনা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ সেশনের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাসা পিরোজপুর জেলার স্বরূপকাঠী উপজেলায়।




নতুন বই পেয়ে খুশিতে আত্মহারা বরিশালের শিক্ষার্থীরা

বরিশাল অফিস :: নতুন বছরের প্রথম দিনে নতুন বই যেন শিক্ষার্থীদের জন্য ছিল নতুন বছরের এক উপহার। তাই নতুন বই পেয়ে খুশিতে আত্মহারা বরিশাল জেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। একই সাথে খুশি শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা । নতুন বই গড়ব দেশ শেখ হাসিনার বাংলাদেশ নতুন বছরে এই প্রতিপাদ্য নিয়ে সোমবার (১) লা জানুয়ারী সকালে বরিশাল সদর গালর্স মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৩য় শ্রেনী থেকে ৯ম শ্রেনীর শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিয়ে বই উৎসবের উদ্ধোধন করে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার শওকত আলী।
প্রধান শিক্ষক মাহবুবা হোসেনের সভাপতিত্বে বই বিতরন উৎসব অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন,বরিশাল জেলা প্রশাসক মোঃ শহিদুল ইসলাম,বরিশাল বিভাগীয় আঞ্চলিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আনোয়ার হোসেন ও বরিশাল জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ জাহাঙ্গির হোসেন সহ বিভিন্ন কর্মকর্তা গণ।

এ সময় নতুন বই হাতে পেয়ে ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফারজানা আক্তার ইভা জানান, আমি সব সময় ভালো লেখাপড়া করে মা বাবার ইচ্ছে পূরণের জন্য ভালো রেজাল্ট করা করি । আমার বই পড়তে অনেক ভালো লাগে তার চেয়ে বেশি ভালো লাগে বছরের প্রথম দিনে নতুন বই হাতে পেয়ে । আমি সবসময় বইয়ের যত্ন করি । আর অপেক্ষায় থাকি নতুন বছরের এই দিনটার জন্য ।

বরিশাল জগদীশ সারস্বত গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মারিয়া জাহান নিসাত জানান, আমাদের নতুন বছরের প্রথম দিনটি থাকে উৎসবের দিন এই দিনে নতুন বই হাতে পেয়ে একটা সুগন্ধি ঘ্রাণ পাচ্ছি। এটাই আমাদের কাছে খুব ভালো লাগে।

এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক সামীম হোসেন জনি বলেন,আমাদের সময় বই কিনে পড়ার সবার সামর্থ্য ছিল না। যদিও কেউ বই কিনতো তাও পুরাতন বই। এখন সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তন হয়েছে অনেক কিছু তার মধ্যে শিক্ষা ক্ষেত্রে উন্নয়নের পরিবর্তন ঘটেছে। আমরা অভিবকরা ধন্যবাদ জানাই সরকার প্রধানকে বছরের প্রথম দিনে শিশুদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়ার জন্য এতে আমাদের ছেলে মেয়েরা যেমন খুশি আমরাও অনেক খুশি।

বরিশাল জেলার ১০ উপজেলার ৪শত ৬৯টি স্কুল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ২শত ৩৯টি মাদ্রার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩৭ লক্ষ, ৮৮ হাজার,৪শত ৯৬ বই শিক্ষার্থীদের হাতে বছরের প্রথম দিনে নতুন বই বিতরন করা হয়েছে।




রাবিতে প্রথম আলো বন্ধুসভার নেতৃত্বে তুহিন-সূচী

বরিশাল অফিস :: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) প্রথম আলো বন্ধুসভার কার্যকরী কমিটি-২০২৪ ঘোষণা করা হয়েছে। এ কমিটিতে ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তুহিনূজ্জামানকে সভাপতি এবং আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রহিমা সিদ্দিকী সূচীকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

রোববার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে প্রথম আলো বন্ধু সভার কেন্দ্রীয় পর্ষদের সভাপতি উত্তম রয় ও সাধারণ সম্পাদক জাফর সাদিক ২৫ সদস্যবিশিষ্ট নতুন এ কার্যকরী কমিটির অনুমোদন দেন।




নতুন বইয়ের ঘ্রাণের অপেক্ষায় পৌনে ৪ কোটি শিক্ষার্থী

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  বছরের প্রথম দিনে পৌনে চার কোটির বেশি শিক্ষার্থীর হাতে উঠবে নতুন বই। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছড়াবে নতুন বইয়ের ঘ্রাণ। বই উঁচিয়ে শিক্ষার্থীরাও নতুন বছরে জ্ঞানার্জনে শপথ নিয়ে ঘরে ফিরবে। রাত পোহালেই সারাদেশে আয়োজিত বই উৎসবে দেখা মিলবে এমন দৃশ্যের।

রোববার (৩১ ডিসেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘বই উৎসব’র উদ্বোধন করেন। তবে মূল উৎসব হবে সোমবার (১ জানুয়ারি) সকাল ১০টায়। সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে এ সময়ে বই উৎসব শুরু হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে কেন্দ্রীয়ভাবে বই উৎসবের আয়োজন করা হলেও মাধ্যমিকে তা থাকছে না। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সম্মতি না পাওয়ায় মাধ্যমিকের আয়োজন করা হয়নি

এদিকে, নির্বাচনী তৎপরতায় এবার বই উৎসবে কিছুটা ভাটা পড়লেও শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাসের কমতি থাকবে না। আয়োজন যেন ফিকে না হয়ে যায় সেদিকেও সজাগ দৃষ্টি রাখছে শিক্ষা প্রশাসন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা, প্রাথমিক, মাদরাসা ও কারিগরি অধিদপ্তর সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উৎসবমুখর পরিবেশে বিনামূল্যে বই বিতরণের নির্দেশনা দিয়েছে।

শতভাগ উপজেলায় নতুন বই পৌঁছে দেওয়ার কাজে তৎপর জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। এনসিটিবি সূত্র জানায়, প্রথম থেকে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত সব শ্রেণির শিক্ষার্থীরা সবগুলো বই হাতে পেতে পারেন। তবে অষ্টম ও নবমের শিক্ষার্থীদের ৫-৬টা করে বই দেওয়া হতে পারে। পরে কয়েক ধাপে তাদের সব নতুন বই দেওয়া হবে।

পাঠ্যপুস্তক বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী সংখ্যা ধরা হয়েছে তিন কোটি ৮১ লাখ ২৭ হাজার ৬৩০ জন। তাদের জন্য বই ছাপা হয়েছে মোট ৩০ কোটি ৭০ লাখ ৮৩ হাজার ৫১৭টি। প্রথম, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ছাপানো হয়েছে ৫ কোটি ৩৮ লাখ ৩ হাজার ৪২৩ কপি বই। দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির বই সংখ্যা ৩ কোটি ৩৬ লাখ ১ হাজার ২৭৪টি। প্রাক-প্রাথমিকের জন্য ৬১ লাখ ৯৩ হাজার ৮৭৮ কপি বই ছাপা হয়েছে।

ষষ্ঠ শ্রেণিতে ছয় কোটি ৪৫ লাখ ৪৮ হাজার ৩০৮ কপি, সপ্তম শ্রেণির চার কোটি ৪৫ লাখ ৫৭ হাজার কপি, অষ্টম শ্রেণির জন্য পাঁচ কোটি ৩৪ লাখ ৮৪ হাজার ২৭১ কপি এবং নবম শ্রেণির জন্য পাঁচ কোটি ছয় লাখ ৮৪ হাজার ৫৭৩ কপি বই ছাপা হচ্ছে।

অন্যদিকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর (পাঁচটি ভাষায় রচিত) শিশুদের জন্য এবার মোট দুই লাখ পাঁচ হাজার ৩১ কপি বই ছাপা হচ্ছে। অন্য বইয়ের মধ্যে পাঁচ হাজার ৭৫২ কপি ‘ব্রেইল’ বই ছাপা হবে। তাছাড়া শিক্ষকদের ৪০ লাখ ৯৬ হাজার ৬২৮টি ‘শিক্ষক সহায়িকা’ দেওয়া হবে।

জানা গেছে, ৯ শ্রেণির মধ্যে এবার ৭ শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রমে লেখা বই দেওয়া হবে। সেগুলো হলো- প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম, নবম। এসব শ্রেণির বইগুলো পাণ্ডুলিপি নতুন করে লেখা। শুধু চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা আগের শিক্ষাক্রমের বই পাবে।