প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ : হটলাইন চালু, প্রবেশপত্র ডাউনলোডে সমস্যা হলে যোগাযোগের পরামর্শ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা পরিচালনার কাজে হটলাইন চালু করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চাকরিপ্রার্থীরা প্রবেশপত্র ডাউনলোড থেকে শুরু করে পরীক্ষা সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যা নিয়ে জানতে এ হটলাইন নম্বরে কল দিতে পারবেন।

শনিবার (২৭ জানুয়ারি) থেকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও টেলিটকের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে ঢুকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারছেন দ্বিতীয় ধাপের প্রার্থীরা। তবে অনেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোডে নানা সমস্যায় পড়ার কথাও জানাচ্ছেন।

অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (নিয়োগ) নাসরিন সুলতানার সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, সহকারী শিক্ষক নিয়োগের দ্বিতীয় ধাপের (রাজশাহী, খুলনা ও ময়মনসিংহ) ৩ বিভাগের ২২ জেলার পরীক্ষা আগামী ২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষায় সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখার জন্য নিয়োগ শাখায় একটি হটলাইন চালু করা হয়েছে। হটলাইন নম্বরটি হলো- ০২-৫৫০৭৪৯২৮

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, প্রার্থীরা প্রবেশপত্র ডাউনলোড সংক্রান্ত জটিলতায় পড়লে এ হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন। পাশাপাশি টেলিটকের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করেও সমস্যা জানাতে পারবেন।

জানতে চাইলে অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নাসরিন সুলতানা  বলেন, ‘প্রথম ধাপের পরীক্ষায় কিছুসংখ্যক প্রার্থী অভিযোগ করেছিলেন, তারা চেষ্টা করেও প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারেননি। সেটা টেকনিক্যাল সমস্যা হতে পারে। এ জন্য এবার হটলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে। প্রবেশপত্র ডাউনলোডে সমস্যা হলে এ নম্বরে কল দিয়ে জানালে তাকে সব ধরনের সহায়তা করা হবে।’

অধিদপ্তর সূত্র জানায়, দ্বিতীয় ধাপে খুলনা, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের ২২ জেলায় প্রার্থীরা অংশ নেবেন। এ ধাপে কেন্দ্রের সংখ্যা ৬০৩টি এবং কক্ষের সংখ্যা ৯ হাজার ৩৫৭টি। দ্বিতীয় ধাপে তিন বিভাগ থেকে আবেদন করেছেন চার লাখ ৩৯ হাজার ৪৩৮ জন চাকরিপ্রত্যাশী। এর আগে প্রথম ধাপে গত ৮ ডিসেম্বর রংপুর, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের ১৮ জেলায় একযোগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ওই তিন বিভাগে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৬০ হাজার ৬৯৭ জন।

পরীক্ষার ১২ দিন পর ২০ ডিসেম্বর প্রথম ধাপের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এতে নির্বাচিত হন ৯ হাজার ৩৩৭ জন। বর্তমানে জেলায় জেলায় তাদের মৌখিক পরীক্ষা চলছে। জানুয়ারির মাসের মধ্যেই প্রথম ধাপে নির্বাচিতদের মৌখিক পরীক্ষা শেষ করার কথা রয়েছে।




বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ববির চার সংগঠনের শ্রদ্ধা নিবেদন

বরিশাল অফিস :: মহান স্বাধীনতার স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর সমাধিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (রু.দা.) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়ার নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪টি সংগঠন শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

শনিবার (২৭ জানুয়ারি) বিকালে উপাচার্যর নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, অফিসার্স এসোসিয়েশন, গ্রেড ১১-১৬ কল্যান পরিষদ এবং গ্রেড ১৭-২০ কল্যান পরিষদের নেতৃবৃন্দ এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এসময় শিক্ষক সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি ড. মোহাম্মদ আবদুল বাতেন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ড. তারেক মাহমুদ আবীর, অফিসার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি বাহাউদ্দিন গোলাপ, সাধারণ সম্পাদক নাদিম মল্লিক, গ্রেড ১১-১৬ কল্যান পরিষদের সভাপতি আরিফ হোসেন সুমন, সাধারণ সম্পাদক নূরউদ্দিন, গ্রেড ১৭-২০ কল্যান পরিষদের সভাপতি আরিফ সিকদার এবং সাধারণ সম্পাদক মহিন সরদার কালুসহ কার্যনির্বাহী পরিষদের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬টি অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, ৪টি হলের প্রাধ্যক্ষ, প্রক্টরসহ অন্যান্যরা। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে উপাচার্য সকলকে সাথে নিয়ে ১ মিনিট নিরবতা পালন করেন এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্টে শাহাদাৎ বরণকারী তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের রূহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া-মোনাজাতে অংশ নেন। পরে উপাচার্য সমাধি কমপ্লেক্স সংলগ্ন বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করে পরিদর্শক বহিতে স্বাক্ষর করেন।




১ ফেব্রুয়ারি একুশে বইমেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী




কলাপাড়ায় নিয়োগ অনিয়মের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েও নিয়োগ না দেয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।

পরে টাকা ফেরত দেয়াসহ নিয়োগ সংক্রান্ত গুরুতর অনিয়মের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নিয়োগপ্রার্থী পাঁচ সদস্য।

গতকাল সকালে কলাপাড়া প্রেস ক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। কলাপাড়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন- পূর্ব মধুখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আয়া পদে নিয়োগ প্রার্থী মোসা. সোনিয়া বেগম।
তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, পূর্ব-মধুখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অফিস সহায়ক, আয়া ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী এই তিনটি পদে নিয়োগ দেয়ার জন্য পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। এ বিজ্ঞপ্তির পর তারা আবেদন করে। এ নিয়োগ পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল গত বছরের ১৭ই ফেব্রুয়ারি। এর আগে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলাম হোসেন প্রতি পদের জন্য তিন থেকে সাড়ে তিন লক্ষ টাকা দাবি করে। প্রার্থীরা এ টাকা না দেয়ায় প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করে। ফলে কিছু পরীক্ষার্থী নিয়োগ পরিচালনা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
পরে ২১শে অক্টোবর নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করেন। পরীক্ষার একদিন আগে প্রধান শিক্ষক পরীক্ষার্থীদের জনপ্রতি ৫ লাখ টাকা দাবি করে। ওই সময় সোনিয়া বেগম ৪ লাখ টাকা দিলেও তাকে নিয়োগ দেননি। নিয়োগ দেয়া হয়েছে সভাপতি মো. বশির আহম্মেদ ও প্রধান শিক্ষক মো. আলাম হোসেনের মনোনীত প্রার্থীদের। পরে তাকে ঘুষের ৩ লক্ষ টাকা ফেরত দিলেও বাকি ১ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা ফেরত দেননি।

অপরদিকে পূর্ব-মধুখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে নালিশি মামলা আমলে নিয়ে ওসি, কলাপাড়াকে এজাহার গণ্যে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার কলাপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো.  গোলাম মোস্তফা্থর নালিশি মামলা দায়েরের পর কলাপাড়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আশীষ রায়ের আদালত এ আদেশ প্রদান করেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী  মো. কাইয়ুম এ আদেশের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। মামলায় পূর্ব-মধুখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মো. বশির আহম্মেদ (৫৭), প্রধান শিক্ষক মো. আলম  হোসেন (৫৫), সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. আক্তার হোসেন (৪৫),  মো. শাহিন হাওলাদার (৪২),  মো. হাসান (৪০), মো. সাইদুর রহমান (৩৫)সহ অজ্ঞাতনামা ৪ থেকে ৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে কলাপাড়া থানার ওসি  মো. আলী আহম্মেদ জানান, মামলার বিষয়ে জেনেছি। এ ব্যাপারে তদন্ত করে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।




বিসিএস পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে গিয়ে কারাগারে তরুণী

বুধবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে নগরীর ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজকেন্দ্র থেকে তাকে আটক করা হয়। কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মো. জসিম উদ্দিন ওই তরুণীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাতদিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজকেন্দ্রে চট্টগ্রাম বিভাগের ৭৩৪ জন পরীক্ষার্থী ছিলেন। তাদের মধ্যে বুধবার ২০০ নম্বরের বাংলা পরীক্ষায় ৬২৪ জন অংশ নেন।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মো. জসিম উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, বুধবার বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় প্রিয়তি জান্নাত নামে এক তরুণী প্রক্সি পরীক্ষা দিতে এসেছিলেন। আসল পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্রের ছবি পাল্টে তিনি এসেছিলেন। পরে যাচাই করে প্রক্সি দেওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় তাকে সাতদিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।




বরিশালে ৬ দফা দাবীতে ছাত্র ফ্রন্টের লাল পতাকার র‌্যালি

বরিশাল অফিস :: জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২১ স্থগিত কর, কাগজ-কলম সহ শিক্ষা উপকরণের দাম কমাও, পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ ও পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নত কর,সন্ত্রাস-দখল দারিত্বমুক্ত গণতান্ত্রিক শিক্ষাঙ্গন নিশ্চিত করা,স্বৈরাচারী ফ্যাসিবাদী দুঃশাষনের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক সংগ্রাম বেগবান করা সহ ৬ দফা দাবী আদায়ের লক্ষে এক ছাত্র সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৪) জানুয়ারী শিক্ষা-গণতন্ত্র-মনুষ্যত্ব রক্ষার ৪ দশক উপলক্ষে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের বরিশাল শাখার আয়োজনে নগরীতে লাল পতাকার র‌্যালি ও অশ্বিনী কুমার টাউন হল চত্বরে ছাত্র সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বরিশাল মহানগর সমাজতান্ত্রি ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি বিজন সিকদারের সভাপতিত্বে ছাত্র সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি মুক্তা বাড়ৈ।

এ সময় অঅরো বক্তব্য রাখেন বাসদ বরিশাল জেলা শাখার সমন্বয়ক ডা. মনিষা চক্রবর্তী, বরিশাল সমাজান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সাধারন সম্পাদক সুজন আহমেদ সহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

এর পূর্বে ছাত্র ফন্টের আয়োজনে লাল পতাকার র‌্যালি বেড় করে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় অশ্বিনী কুমার টাউন হল চত্বর সমাবেশস্থলে এসে শেষ হয়।

 




বরিশালে জেলা পর্যায়ে শীতকালীন খেলাধুলা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠিত

বরিশাল অফিস :: শিক্ষা নিয়ে গড়ব দেশ শেখ হাসিনার বাংলাদেশ এই স্লোগান নিয়ে বুধবার( ২৪ জানুয়ারি) সকাল ১০ টায় জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া সমিতি বরিশাল জেলার আয়োজনে বঙ্গবন্ধু উদ্যানে ৫২ তম জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা জেলা পর্যায়ে শীতকালীন খেলাধুলা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মোঃ শওকত আলী।

বরিশাল জেলা প্রশাসক মোঃ শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল পুলিশ কমিশনার, মেট্রোপলিটন পুলিশ জিহাদুল কবির,

বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মোঃ ইউনুস,বরিশাল জেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসাইন সহ ১০ উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসারবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

শুরুতে প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দরা জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে। জাতীয় পতাকা উত্তোলন শেষে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে অতিথিরা বক্তব্য প্রদান করেন। পরে বেলুন-ফেস্টুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি বিভাগীয় কমিশনার বরিশাল। উদ্বোধন শেষে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

 




রাঙ্গাবালীতে এখনও পৌঁছেনি নবম শ্রেণির পাঠ্যবই

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী: বছরের প্রথমদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বই উৎসব হয়েছে। সেদিনই নতুন শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নতুন বই পাওয়ার কথা। কিন্তু অন্যান্য শ্রেণির শিক্ষার্থীরা শিক্ষাক্রম অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে নতুন বই হাতে পেলেও আজ (বুধবার) পর্যন্ত পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় নবম শ্রেণির কোনও বিষয়েরই বই পায়নি স্কুল-মাদরাসার শিক্ষার্থীরা। ফলে উপজেলার ২৩টি স্কুল-মাদরাসার নবম শ্রেণির প্রায় দুই হাজার শিক্ষার্থীর পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষাক্রম অনুযায়ী উপজেলার ১২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক হাজার ২০০ শিক্ষার্থীর জন্য ১৩টি বিষয়ের ১৫ হাজার ৬০০ বইয়ের জন্য জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডে চাহিদা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে এ উপজেলার ১১টি মাদরাসার ৮৭০ জন নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীর জন্য ১৪টি বিষয়ের ১২ হাজার ১৮০টি বইয়ের চাহিদা দেওয়া হয়।

জানা গেছে, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডে দেওয়া চাহিদা অনুযায়ী অন্যান্য শ্রেণির বেশিরভাগ বই গতবছরের ডিসেম্বর মাসেই সরবরাহ করা হয়। কিন্তু বই উৎসবের ২৩ দিন হয়ে গেলেও এখনও পৌঁছেনি নবম শ্রেণির বই। ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে নবম শ্রেণির পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে বলে জানান শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা।

আরও জানা গেছে, শুধু নবমই নয়, এখনও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির পাঁচটি বিষয়ের বই হাতে পায়নি শিক্ষার্থীরা।

এ প্রসঙ্গে শিক্ষা বিভাগ বলছে, এক হাজার ৩৪০ জন শিক্ষার্থীর জন্য দেওয়া চাহিদা অনুযায়ী পাঁচ বিষয়ের ৬ হাজার ৭০০ বই এখন পর্যন্ত রাঙ্গাবালীতে পৌঁছেনি। যার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও সেসব বই সরবরাহ করা যায়নি।

রাঙ্গাবালী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসির উদ্দিন নেছার বলেন, ‘অন্যান্য এলাকার শিক্ষার্থীরা সব বই পেয়েছে। অথচ এখনও আমাদের শিক্ষার্থীরা নবম শ্রেণির কোনও বইই পায়নি। অষ্টম শ্রেণিতেও কোনও কোনও বই পায়নি। নতুন কারিকুলাম হওয়ায় পুরানো বই দিয়েও পড়ানো যাচ্ছে না। এর ফলে পাঠদান তো ব্যাহত হচ্ছেই।’

উপজেলার উত্তর কাজির হাওলা মোহসেনিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার আব্দুল বারেক বলেন, ‘অষ্টম ও নবম শ্রেণির কোনও বইই আমরা এখনও পাইনি।’

এ প্রসঙ্গে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ের একাডেমিক সুপারভাইজার অনাদি কুমার বাহাদুর বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমি এনসিটিবির বিতরণ নিয়ন্ত্রকসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করেছি। তারা জানিয়েছেন দুই দিনের মধ্যে নবম শ্রেণির সব বই এবং অষ্টম শ্রেণির পাঁচ বিষয়ের বাকি বই পাঠিয়ে দেবেন।’

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘রবিবার জেলার মিটিংয়েও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। জেলা প্রশাসক স্যারও বিষয়টি অবগত। সংশ্লিষ্টরা বলছেন দুই দিনের মধ্যে বই সরবরাহ করার ব্যবস্থা করবেন।’




প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা টিফিনে পাবে দুধ-ডিম-রুটি-ফল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  দেশের দারিদ্র্যপ্রবণ এলাকাগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে প্রাথমিকের ৩৫ লাখ শিক্ষার্থীকে সপ্তাহে পাঁচদিন পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এই ‘স্কুল ফিডিং’ কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীদের দুধ, ডিম, মৌসুমী ফল, কলা, ফর্টিফাইড বিস্কুট, কেক ও বনরুটি দেওয়া হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের ১৫০টি উপজেলার ১৮ থেকে ১৯ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

সপ্তাহে পাঁচদিন নানা ধরনের খাবার পরিবেশন করবো। এরমধ্যে থাকবে দুধ, ডিম, ফর্টিফাইড বিস্কুট, কলা ও মৌসুমী ফল। যেদিন দুধ দেওয়া হবে, দুধের সঙ্গে বনরুটি থাকবে। যেদিন ডিম দেওয়া হবে, ডিমের সঙ্গে কলা এবং ফর্টিফাইড বিস্কুট থাকবে। মৌসুমী ফল দেওয়া হলে সঙ্গে অন্য খাবার থাকবে।

সরকারি স্কুল ফিডিং কর্মসূচি (ফেইজ-১) প্রকল্পের আওতায় এ উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন এ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৩৫ লাখ শিক্ষার্থীকে সপ্তাহে পাঁচদিন পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ খাবার পরিবেশন করা হবে। প্রত্যেক স্কুলে দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত টিফিন টাইম চলাকালে শিক্ষার্থীদের মাঝে এসব খাবার বিতরণ করা হবে।

প্রকল্পটি চূড়ান্তভাবে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের পর তিন বছরের জন্য প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে চার হাজার ৭৫৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন চার হাজার ৬৫৯ কোটি টাকা এবং বৈদেশিক অনুদান হিসেবে আসবে ৬৪ কোটি টাকা।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, তিনটি ধাপে পর্যায়ক্রমে পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ খাবার বিতরণের জন্য একটি রোডম্যাপ প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রকল্পটি চূড়ান্তভাবে অনুমোদনের জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিকল্পনা কমিশনে প্রস্তাব পাঠিয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় খাদ্যসামগ্রী/স্কুল ফিডিং ক্রয়, পরিবহন ও পরিদর্শন খাতে ব্যয় হবে চার হাজার ১৮১ কোটি টাকা। যা মোট প্রকল্প ব্যয়ের ৮৭ দশমিক ৮৫ শতাংশ। প্রকল্পে মোট ২১ হাজার জন টিফিন মিল ম্যানেজার থাকবেন, এ খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪০ কোটি টাকা। ভেন্ডর পরিবহন, খাদ্য বিতরণ, গোডাউন, সার্ভিস চার্জ ও প্যাকেজিং খাতে ২৮২ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। চার লাখ ২০ হাজার অ্যাপ্রন ও রুমাল কিনতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০ কোটি টাকা।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ১ জুন একনেক সভা থেকে বাতিল করা হয় ‘প্রাইমারি স্কুল মিল’ প্রকল্প। প্রকল্পের প্রস্তাবিত ব্যয় ছিল ১৭ হাজার ২৯০ কোটি টাকা। প্রাথমিক বিদ্যালয়গামী সব শিক্ষার্থীকে পর্যায়ক্রমে স্কুল মিল কার্যক্রমের আওতায় এনে তাদের শিক্ষা, পুষ্টি, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তায় অবদান রাখা, নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবার সরবরাহের মাধ্যমে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পুষ্টি চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে প্রকল্পটি প্রস্তাব করা হয়। প্রকল্প থেকে খিচুড়ি রান্নার ফরমেট বাতিল করা হয়।

তখন একনেক সভায় সিদ্ধান্ত হয়, প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন খিচুড়ি রান্না করলে বাচ্চাদের পড়ালেখার ক্ষতি হবে। প্রকল্পের ফরমেট পরিবর্তন করে একদিন দুধ, একদিন ডিম ও একদিন বিস্কুটসহ খাবারে বৈচিত্র্য থাকতে হবে। বাচ্চাদের খাবার দেওয়ার জন্য একনেক সভায় ‘প্রাইমারি স্কুল মিল’ প্রকল্প উপস্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন দেওয়া হয়নি। সভা থেকে খাবারের ফরমেট পরিবর্তন করতে বলা হয়েছিল।

 




এইচএসসিতে বরিশাল বোর্ডের বৃত্তি পেয়েছে ৬৬৩ শিক্ষার্থী

বরিশাল অফিস :: এইচএসসি পরীক্ষায় বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৬৬৩ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেয়া হয়েছে।

সোমবার ( ২২ জানুয়ারী) বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের সচিব প্রফেসর আফম বাহারুল আলম তিনি জানান, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৬৬৩ জনকে বৃত্তি দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৫৭ জনকে মেধা বৃত্তি ও ৬০৬ জনকে সাধারন বৃত্তি দেয়া হয়েছে। মেধা বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের ২৯ জন, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ১৪ জন করে পেয়েছেন। সাধারন কোঠার মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের ৩০৩, মানবিকের ১৫২ ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের ১৫১ জন বৃত্তি পেয়েছেন।

তিনি জানান, বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের আগামী সাত দিনের মধ্যে ব্যাংক হিসাব খুলে জমা দিতে হবে। মেধা বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীরা মাসিক ৮২৫ ও এককালীন বছরে একহাজার ৮০০ টাকা কোর্সের মেয়াদ অনুযায়ী পাবেন।

তিনি আরও বলেন,সাধারন কোঠায় বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীরা কোর্সের মেয়াদ অনুযায়ী মাসিক ৩৭৫ টাকা ও বছরে এককালীন ৭৫০ টাকা করে পাবেন। এর মধ্যে মেডিকেল কোর্সে অধ্যয়নরতরা পাবেন ৫ বছর। কারিগরি ও কৃষি, আইন ও বিবিএ এবং ডিগ্রি সম্মান কোর্সের শিক্ষার্থীরা পাবে ৪ বছর। ডিগ্রি পাস কোর্সের শিক্ষার্থীরা পাবে ৩ বছর। একইভাবে পাবে সাধারন কোঠায় বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীরা।

বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের ওয়েব সাইটে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের তালিকা দেয়া হয়েছে।