রমজানে খোলা থাকবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল: হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত

চন্দ্রদীপ নিউজ: রমজান মাসে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। আজ মঙ্গলবার রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ওপর শুনানিকালে

প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগে মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ কে এম ফয়েজ।

সোমবারের শুনানিতে এ কে এম ফয়েজ বলেন, রমজান মাস পবিত্র। করোনার সময় দুই বছর সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। রমজানে ১০-১৫ দিন স্কুল বন্ধ রাখলে পড়ালেখার কোনো ক্ষতি হবে না। বরং খোলা রাখলে যানজটের সৃষ্টি হবে, অভিভাবকরা সমস্যায় পড়বেন। এ ছাড়া স্কুল বন্ধ রাখতে অভিভাবকরা বিভিন্ন জায়গায় মানববন্ধন করে যাচ্ছেন।

শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, স্কুল খোলা রাখা সরকারের পলিসির বিষয়। হাইকোর্ট এখানে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।

৮ ফেব্রুয়ারি ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জিকা আংশিক সংশোধন করে রমজানে ১৫ দিন মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত জানায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।




রোজায় স্কুল বন্ধ রাখার আদেশ বহাল, আপিল শুনানি মঙ্গলবার

চন্দ্রদীপ নিউজ: রমজান মাসে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের আদেশ আপাতত বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। একইসঙ্গে এ বিষয়ে আপিল শুনানির জন্য আগামীকাল (মঙ্গলবার) দিন ধার্য করেছেন আদালত।

সোমবার (১১ মার্চ) বিকেলে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এ আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ কে এম ফয়েজ।

শুনানিতে এ কে এম ফয়েজ বলেন, রমজান মাস পবিত্র মাস। করোনার সময় দুই বছর সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। রমজানে ১০-১৫ দিন স্কুল বন্ধ রাখলে পড়ালেখার কোনো ক্ষতি হবে না। বরং খোলা রাখলে যানজটের সৃষ্টি হবে। অভিভাবকরা সমস্যায় পড়বেন। এ ছাড়া স্কুল বন্ধ রাখতে অভিভাবকরা বিভিন্ন জায়গায় মানববন্ধন করে যাচ্ছেন।

শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, স্কুল খোলা রাখা সরকারের পলিসিগত বিষয়। এক্ষেত্রে হাইকোর্ট এখানে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।

এর আগে সকালে রমজানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

তার আগে রোববার (১০ মার্চ) রমজানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এক শিক্ষার্থীর অভিভাবকের করা রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মাহমুদা খানম। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মো. সাইফুজ্জামান।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি আংশিক সংশোধন করে রমজানে ১৫ দিন মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত জানিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এরপর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালায়ও জানায়, রমজানে ১০ দিন ক্লাস চলবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

তাদের এমন সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক।

প্রসঙ্গত, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ১২ বা ১৩ মার্চ পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে।




সবচেয়ে দীর্ঘ সময় রোজা পালন করবে যেসব দেশ

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : পবিত্র মাহে রমজানে ফজর থেকে মাগরিব পর্যন্ত না খেয়ে রোজা রাখেন মুসলিমরা। কিন্তু উপবাস থাকার এই সময়কাল পৃথিবীর সব স্থানে একই নয়। ভৌগোলিক কারণে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের ওপর উপবাসের সময় নির্ভর করে।

চলতি বছর রমজানের বাংলাদেশে সর্বোচ্চ ১৪ ঘণ্টা ২ মিনিট উপবাস থাকতে হবে।

এ বছর পৃথিবীর কোন এলাকার মানুষকে সবচেয়ে বেশি সময় উপবাস থেকে সিয়াম পালন করতে হয়, এ প্রশ্ন দেখা দেয় অনেকের মনেই। চলুন জেনে নিই সবচেয়ে বেশি সময় রোজা রাখতে হবে যেসব দেশে—

এ বছর সবচেয়ে বেশি সময় না খেয়ে থাকতে হবে গ্রিনল্যান্ডের বাসিন্দাদের। সেখানে ১৭ ঘণ্টা ২৬ মিনিট উপবাস থেকে রোজা রাখতে হবে দেশটির বাসিন্দাদের।

নরডিক দেশ আইসল্যান্ডের রোজাদাররাও দীর্ঘ সময় রোজা থাকবেন। সেখানে ১৭ ঘণ্টা ২৫ মিনিট রোজা রাখতে হবে তাদের।

ফিনল্যান্ডের বাসিন্দাদেরও উপবাস করতে হবে ১৭ ঘণ্টা ৯ মিনিট।

সূত্র: গাল্ফ নিউজ




সবচেয়ে কম সময় উপবাস থেকে রোজা পালন করবে যেসব দেশ

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : পবিত্র মাহে রমজানে ফজর থেকে মাগরিব পর্যন্ত না খেয়ে রোজা রাখেন মুসলিমরা। কিন্তু উপবাস থাকার এই সময়কাল পৃথিবীর সব স্থানে একই নয়। ভৌগোলিক কারণে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের ওপর উপবাসের সময় নির্ভর করে।

চলতি বছর রমজানের বাংলাদেশে সর্বোচ্চ ১৪ ঘণ্টা ২ মিনিট উপবাস থাকতে হবে।  এ বছর পৃথিবীর কোন এলাকার মানুষকে সবচেয়ে কম সময় উপবাস থেকে সিয়াম পালন করতে হয়, এ প্রশ্ন দেখা দেয় অনেকের মনেই। চলুন জেনে নিই কম সময় রোজা রাখতে হবে যেসব দেশে—

এ বছর সবচেয়ে কম সময় না রোজা রাখবে ল্যাটিন আমেরিকার দেশ চিলির বাসিন্দাদের। সেখানে ১২ ঘণ্টা ৪৪ মিনিট উপবাস থেকে রোজা রাখতে হবে দেশটির বাসিন্দাদের।

এরপর ওয়েশিনিয়ার দেশ নিউজিল্যান্ডের রোজাদাররা কম সময় উপবাস থেকে রোজা পালন করবেন। সেখানে ১২ ঘণ্টা ৪৬ মিনিট রোজা রাখতে হবে তাদের।

অন্যদকে আফ্রিকার দেশ কেনিয়ার বাসিন্দাদের উপবাস করতে হবে ১৩ ঘণ্টা ১৫ মিনিট।

সূত্র: গাল্ফ নিউজ।




রমজানে স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট

চন্দ্রদীপ নিউজ: রমজান মাসে প্রাথমিক, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদরাসা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। স্কুল খোলা রাখার ব্যাপারে জারি করা প্রজ্ঞাপন স্থগিত ঘোষণা করে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।

রোববার (১০ মার্চ) বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি রমজানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় খোলা রাখার সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মন্ডল। রিটে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, শিক্ষা সচিব, উপসচিব প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, উপসচিব শিক্ষা সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি), শিশু কল্যাণ ট্রাস্টের পরিচালককে বিবাদী করা হয়।

রিটে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনাও চাওয়া হয়।

উল্লেখ্য, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে মঙ্গলবার (১২ মার্চ) বা বুধবার (১৩ মার্চ) পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে।




২০২৫ সালের এসএসসি ফেব্রুয়ারিতে, এইচএসসি এপ্রিলে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে শুরু হতে পারে। এ পরিকল্পনা অনুযায়ী সেভাবেই প্রস্তুতি নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। একই সঙ্গে আগামী বছর এপ্রিলের শুরুতেই এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজন করা হবে।

মঙ্গলবার (৫ মার্চ) আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার এ তথ্য জানিয়েছেন।

অধ্যাপক তপন কুমার বলেন, করোনাভাইরাস পরিস্থিতির আগে আমরা সাধারণত এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারির শুরুতে আয়োজন করতাম। আমরা আগের সেই সূচিতে ফিরে যেতে চাই। এসএসসি পরীক্ষা দ্রুত শেষ করতে পারলে এইচএসসি পরীক্ষাও আগের সূচিতে আয়োজন করা যাবে।

ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান বলেন, এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিল মাসে আয়োজন করা হতো। করোনার কারণে পাবলিক পরীক্ষার সূচিতে পরিবর্তন আনতে হয়েছে। আশা করছি আগামী বছর ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে এসএসসি এবং এপ্রিলের শুরুতেই এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজন করতে পারবো।

আগামী বছরের এইচএসসি পরীক্ষার সিলেবাস সম্পর্কে অধ্যাপক তপন কুমার বলেন, আমাদের পরিকল্পনা ছিল পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে পরীক্ষা নেওয়া হবে। তবে শিক্ষার্থীদের সিলেবাস শেষ করা কঠিন হওয়ায় সংক্ষিপ্ত অর্থাৎ ২০২৩ সালের সিলেবাস অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।




ক্লাশে ঢুকে মেডিকেল ছাত্রকে গুলি করা সেই শিক্ষক আটক

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : সিরাজগঞ্জের শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজে আরাফাত আমিন তমাল নামের এক শিক্ষার্থীকে গুলি করার ঘটনায় শিক্ষক ডা. রায়হান শরীফকে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার (৪ মার্চ) সন্ধ্যায় তাকে কলেজ থেকে সদর থানায় নেওয়া হয়েছে।

সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মন্ডল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত শিক্ষক ডা. রায়হান শরীফকে শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ থেকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী লিখিত অভিযোগ দিলেই সেটা এজাহার হিসেবে নিয়ে মামলা দায়ের করা হবে। মামলা হলে সেই অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ মো. আমিরুল হোসেন বলেন, আহত শিক্ষার্থীর অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। সে এখন শঙ্কামুক্ত। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার (৪ মার্চ) বিকেল ৩টায় সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোলস্থ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন আইটেম ক্লাশ চলাকালিন সময়ে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, ডা.রায়হান শরিফ বিভিন্ন সময়ে ছাত্র-ছাত্রীদের কুপ্রস্তাব ও ভয়ভীতি দেখিয়ে আসতো। এ বিষয়ে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দিলেও কলেজ কর্তৃপক্ষ কোন পদক্ষেপ নেয়নি। এমনিক ডা. রায়হান শরিফ কমিউনিটি মেডিসিনের শিক্ষক হওয়ার স্বত্তেও তার নিজস্ব ক্ষমতা দেখিয়ে ফরেনসিক বিভাগে তিনি ক্লাস নিয়ে থাকেন। ক্লাস চলাকালীন সময় ছাড়াও প্রায় সময়ই তিনি পিস্তল নিয়ে চলাফেরা করতেন। আজ বিকেলে ভাইভা চলাকালীন ৪৫ জন শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে দেশীয় পিস্তল নিয়ে হঠাৎ করে ক্লাসে প্রবেশ করে শিক্ষক রায়হান শরীফ ৩য় বর্ষের ছাত্র আরাফাত আমিন তমালকে গুলি করে। তার চিৎকারের সবাই এগিয়ে এসে ডা. রায়হান শরিফকে তালাবদ্ধ করে রাখেন এবং গুরুতর আহত অবস্থায় তমালকে হাসপাতালের জরুরী বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে ওই শিক্ষকের বিচার চেয়ে আন্দোলন শুরু করে মেডিকেলের ছাত্র-ছাত্রীরা। খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।




বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি অধ্যাপক বদরুজ্জামান

বরিশাল অফিস :: বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি অধ্যাপক বদরুজ্জামান বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়াকে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।

সোমবার (৪ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের প্রজ্ঞাপন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়টির আচার্যের অনুমোদনক্রমে ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৬-এর ১০(১) ধারা অনুসারে ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়াকে ট্রেজারার পদ থেকে অব্যাহতি প্রদানপূর্বক চার বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হলো।

নিয়োগের শর্তে বলা হয়েছে, উপাচার্য পদে তিনি তার বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতনভাতাদি প্রাপ্য হবেন, তিনি বিধি অনুযায়ী পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তিনি সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন।

তবে রাষ্ট্রপতি ও আচার্য প্রয়োজনে যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের প্রাধ্যক্ষ, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।




দেশে শিক্ষিত বেকার ২৩ লাখ ৫০ হাজার: বিবিএস

চন্দ্রদীপ নিউজ: আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) সংজ্ঞা অনুযায়ী, ৩০ দিন ধরে কাজপ্রত্যাশী একজন মানুষ যদি শেষের সাত দিনে এক ঘণ্টা কাজ করার সুযোগ না পান, তাহলে তাঁকে বেকার হিসেবে ধরা হয়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোও (বিবিএস) এই সংজ্ঞা ব্যবহার করে।

বিবিএসের তথ্য মতে, দেশে মোট বেকারের ১২ শতাংশই এমন উচ্চশিক্ষিত। অথচ যাঁদের আনুষ্ঠানিক শিক্ষা নেই, তাঁদের বেকারত্বের হার মাত্র ১.০৭ শতাংশ। অর্থাৎ মানসম্মত শিক্ষার অভাবে দেশে বেকারত্বের হার বাড়ছে, বিশেষ করে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা অধিক হারে বাড়ছে।

বিবিএসের তথ্যে দেখা যায়, উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করা বেকারের হার ৮.৭৮ শতাংশ। মাধ্যমিক শেষ করা বেকার ২.৪২ শতাংশ। প্রাথমিক শেষ করা বেকারের হার ১.৬৯ শতাংশ। অন্য কোনো মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণ করা ব্যক্তিদের বেকারত্বের হার ৪.৮৭ শতাংশ।

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষণা বলছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করা ৬৬ শতাংশই বেকার থাকছেন। ২১ শতাংশ শিক্ষার্থী স্নাতক কিংবা স্নাতকোত্তর শেষ করে চাকরি পান। ৭ শতাংশ শিক্ষার্থী এখনো অন্য কোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর বা কারিগরি শিক্ষা বা প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। ৩ শতাংশ নিজ উদ্যোগে কিছু করছেন।

লন্ডনের ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) তথ্য মতে, বাংলাদেশে ১০০ জন স্নাতকধারীর ৪৭ জনই বেকার। আইএলওর ২০১৮ সালের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশে বেকারের সংখ্যা তিন কোটি। তখন সংস্থাটি আভাস দেয়, কয়েক বছরে তা দ্বিগুণ হয়ে ছয় কোটিতে দাঁড়াবে, যা মোট জনসংখ্যার ৩৯.৪০ শতাংশ হবে।

বিবিএসের সর্বশেষ শ্রমশক্তি জরিপ ২০২২-এর হিসাব বলছে, দেশে শ্রমশক্তির মোট পরিমাণ সাত কোটি ৩০ লাখ ৫০ হাজার। এর মধ্যে কাজ করছেন সাত কোটি চার লাখ ৭০ হাজার জন। অর্থাৎ দেশে কর্মক্ষম বেকারের সংখ্যা ২৫ লাখ ৮০ হাজার। আর ২০২৩-এর চতুর্থ কোয়ার্টারের তথ্য মতে, বর্তমানে দেশে বেকার ২৩ লাখ ৫০ হাজার।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বেকারত্বের হিসাবের এই পদ্ধতিতে গলদ আছে। এই সংজ্ঞা বাংলাদেশে বেকারত্বের দৃশ্যমান ও অদৃশ্য আংশিক কর্মসংস্থান সম্পর্কিত ধারণার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বরং এই সংজ্ঞা দেশের মোট উৎপাদনের অন্যান্য উপাদানের মধ্যকার মৌলিক ভারসাম্যহীনতাকেই প্রতিফলিত করে।

উচ্চশিক্ষিত বেকারদের জন্য সরকার কী উদ্যোগ নিচ্ছে বা নেওয়া উচিত, জানতে চাইলে পরিকল্পনা কমিশনের সাবেক সচিব মামুন-আল-রশীদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সরকার তাঁদের সর্বোচ্চ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি দিয়েছে, আর কী দিতে পারে। সরকার কম শিক্ষিতদের জন্য বিভিন্ন কারিগরি ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করছে, প্রকল্প নিচ্ছে। বেকার বেড়ে যাওয়ায় চীন যেমন উচ্চশিক্ষা বন্ধ করে কারিগরি শিক্ষা চালু করেছিল, সরকারেরও এখন সেটা করা উচিত। যদিও সেটা করা সরকারের জন্য কঠিন। তবে আমাদের যেসব বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া হয়, তার পরিবর্তে কর্মমূলক শিক্ষার ব্যবস্থা করা উচিত। এখানে কিছু বিষয়ে যে শিক্ষা দেওয়া হয়, সে অনুযায়ী বাজারে কর্ম নেই।’




দরিদ্র শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ দিয়ে বিপাকে শিক্ষিকা

বরিশাল অফিস :: দরিদ্র পরিবারের কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করে সহকর্মীদের রোষানলে চরম বিপাকে পরেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধার মেয়ে সহকারি শিক্ষিকা নুপুর আক্তার।

উপায়অন্তুর না পেয়ে রবিবার ( ৩ রা মার্চ) সকালে ওই শিক্ষিকা উপজেলা নির্বাহী অফিসার, শিক্ষা কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে ওই শিক্ষিকাকে মানসিক নির্যাতন শুরু করেছেন সহকর্মী অন্যান্য শিক্ষক, বিএনপি নেতাদের নিয়ে গঠিত ম্যানেজিং কমিটির কতিপয় সদস্য ও তাদের ভাড়াটিয়া লোকজনে। এতে শারিরিকভাবে অসুস্থ্য শিক্ষিকা নুপুর আক্তার মানসিকভাবে ভেঙ্গে পরেছেন।

ঘটনাটি জেলার গৌরনদী উপজেলার সরিকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। রবিবার বিকেলে শিক্ষিকা নুপুর আক্তার জানান, ২০১২ সালের ১১ জুলাই থেকে তিনি ওই
বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা হিসেবে যোগদান করে ২০২১ সাল পর্যন্ত সুন্দরভাবেই চাকরি করে আসছিলেন। কিন্তু বর্তমান প্রধানশিক্ষক কমল কান্তি সরকার ওই বিদ্যালয়ে যোগদানের পর পরই কতিপয় সহকারি শিক্ষককে নিয়ে নানা অনিয়ম করে আসছেন। কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের শারিরিক নির্যাতন, রাতভর জাতীয় পতাকা টানিয়ে রাখার মতো একাধিক অনিয়ম করেন। এর প্রতিবাদ করায় তাকে (নুপুর) অসংখ্যবার মানসিক নির্যাতন করা হয়।

এমনকি উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তার নাম ব্যবহার করে প্রধানশিক্ষক কমল কান্তি
সরকার তাকে (নুপুর আক্তার) শোকজ করার হুমকি প্রদর্শন করেন। প্রধানশিক্ষকের অনিয়ম মেনে নিতে না পেরে ইতোমধ্যে ওই বিদ্যালয়ের দুইজন সহকারি শিক্ষক অন্যত্র বদলী হয়ে গেছেন।

নুপুর আক্তার আরও জানান, তিনি দীর্ঘদিন থেকে নিজের বেতনের টাকার একটি অংশদিয়ে ওই বিদ্যালয়ের দরিদ্র পরিবারের কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ ও স্কুল ড্রেস দিয়ে আসছেন। বিষয়টি মেনে নিতে না পেরে চরম বিরোধিতা করেন প্রধানশিক্ষক কমল কান্তি সরকারসহ তার অনুসারী কতিপয় শিক্ষকরা। ফলে বিভিন্নভাবে তার (নুপুর) মান সন্মান ক্ষুন্নসহ হেয় প্রতিপন্ন করে আসছেন প্রধানশিক্ষক ও তার অনুসারী শিক্ষকরা।

এমনকি স্কুলের লাইব্রেরী থেকে নুপুর আক্তারের বসার চেয়ারটিও গায়েব করে নাজেহাল করা হয়। সহকারি শিক্ষিকা নুপুর আক্তারের সকল অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধানশিক্ষক কমল কান্তি সরকার বলেন, অভিযোগের কোন সত্যতা নেই। মূলত তার (নুপুর) স্বামী অঢেল সম্পত্তির মালিক। তাই তিনি কাউকে সম্মান দিয়ে কথা বলেন না।