বরিশালকে শিশুশ্রমমুক্ত করতে ‘ঠাকুরগাঁও মডেল’ অনুসরণ করা হবে: শ্রম সচিব

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এএইচএম সফিকুজ্জামান বলেছেন, বরিশাল জেলাকে সম্পূর্ণরূপে শিশুশ্রম মুক্ত করতে ‘ঠাকুরগাঁও মডেল’ অনুসরণ করা হবে। কোনো শিশু যেন ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত না থাকে এবং তারা যেন নিয়মিত স্কুলে যায়, এ বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

শুক্রবার (২২ আগস্ট ২০২৫) বরিশাল শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত “শিশু শ্রম নিরসনে তারুণ্যের ভূমিকা” শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।

শ্রম সচিব জানান, বাংলাদেশ সরকার ২০০১ সালে আইএলও কনভেনশন ১৮২ অনুস্বাক্ষর করেছে এবং এরই ধারাবাহিকতায় শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ৪৩ ধরনের কাজের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন— “কোনো শিশু ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নয়, তাদের বইখাতা নিয়ে স্কুলে যেতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, আইএলও’র অর্থায়নে ইএসডিও বাস্তবায়িত ঠাকুরগাঁও জেলার চাইল্ড লেবার মনিটরিং সিস্টেম (সিএলএমএস) একটি অনুকরণীয় উদাহরণ। জাতীয় পর্যায়ে এই মডেল অনুসরণ করে বরিশালসহ অন্যান্য জেলায় শিশুশ্রম নিরসনের কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।

তরুণ সমাজ ও এনজিওগুলোর প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়ে সচিব বলেন, সমাজ থেকে শিশুশ্রম নির্মূল করতে তরুণদের অগ্রণী ভূমিকা নিতে হবে। তিনি বলেন, “এখানে উপস্থিত সবাই যদি অন্তত একজন শিশুর দায়িত্বও গ্রহণ করেন, তবে বরিশাল জেলা অনেকাংশে শিশুশ্রমমুক্ত হবে।”

শিশুশ্রম নিরসনে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বিভিন্ন এনজিওর সঙ্গে সমন্বয় করে বহুমুখী উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠান শেষে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ৫৭ জন শ্রমিককে মোট ২৫ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

বরিশালের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন এর সভাপতিত্বে আয়োজিত এ কর্মশালায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) জাহেদা পারভীন, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো. রায়হান কাওসার এবং জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, এনজিও কর্মী ও তরুণ প্রতিনিধিরা।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




গৌরনদীতে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্কে শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস

গণসচেতনতা বৃদ্ধি ও সততার চর্চায় শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে বরিশালের গৌরনদীতে অনুষ্ঠিত হলো দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে গৌরনদী গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের হলরুমে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি গৌরনদী উপজেলা শাখা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক রিফাত আরা মৌরি।

দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আলহাজ খোন্দকার শাহ আলম মঞ্জুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুল জলিল, সাধারণ সম্পাদক মীর আব্দুল আহসান আজাদ ও অধ্যক্ষ নির্মল চন্দ্র প্রমুখ।

প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন এবং নিজেদের যুক্তি ও বক্তব্যের মাধ্যমে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার বার্তা দেন। শেষে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




দুনিয়ার যেসব জিনিস জান্নাতে থাকবে না

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ: কোরআন ও হাদিসের আলোকে দুনিয়ার নেতিবাচক বা অপ্রীতিকর যেসব বিষয় জান্নাতে থাকবে না-

কোনো দুঃখ-কষ্ট বা শোক : জান্নাতে কোনো ধরনের মানসিক বা শারীরিক কষ্ট থাকবে না। তাই জান্নাতে কান্না, হতাশা, উদ্বেগ বা মানসিক অশান্তি থাকবে না। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তাদের কোনো ভয় থাকবে না এবং তারা দুঃখিত হবে না। (সুরা : বাকারাহ, আয়াত : ৬২)

অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, ‘তারা সেখানে কোনো কষ্ট বা ক্লান্তি অনুভব করবে না।’ (সুরা : হিজর, আয়াত : ৪৮)

মৃত্যু বা অস্তিত্বের সমাপ্তি : জান্নাতে মৃত্যু থাকবে না; জান্নাতিরা চিরকাল বেঁচে থাকবেন। তাই দুনিয়ার মতো জান্নাতে মৃত্যুর ভয় বা অস্তিত্ব হারানোর চিন্তা থাকবে না। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তারা সেখানে চিরকাল থাকবে।(সুরা : বাইয়িনা, আয়াত : ৮)

হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘জান্নাতে একটি ঘোষক ঘোষণা করবে, হে জান্নাতিরা, তোমরা চিরকাল বেঁচে থাকবে, কখনো মরবে না।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২৮৩৭)।

রোগ-ব্যাধি বা শারীরিক দুর্বলতা : জান্নাতে কোনো রোগ, ব্যথা বা শারীরিক দুর্বলতা থাকবে না। জান্নাতে মাথা ব্যথা, জ্বর, বার্ধক্য বা কোনো শারীরিক অক্ষমতা থাকবে না। হাদিসে এসেছে, ‘জান্নাতিরা কখনো অসুস্থ হবে না, বৃদ্ধ হবে না, এবং চিরকাল তরুণ থাকবে।’ (জামে তিরমিজি, হাদিস : ২৫৪৫)।

মল-মূত্র বা অপবিত্রতা : জান্নাতে মানুষের শরীর থেকে কোনো অপবিত্র জিনিস (যেমন—মল, মূত্র, ঘাম) বের হবে না।

জান্নাতে কোনো নোংরা বা অপ্রীতিকর গন্ধ থাকবে না; সব কিছু পবিত্র ও সুগন্ধময় হবে। হাদিসে এসেছে, ‘জান্নাতিরা যা খাবে, তা তাদের শরীর থেকে মেশকের মতো সুগন্ধি হিসেবে বের হবে।’

 

(সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২৮৩৫)

হিংসা, শত্রুতা বা মনোমালিন্য : জান্নাতিরা একে অপরের প্রতি হিংসা বা শত্রুতা পোষণ করবে না। জান্নাতে কোনো মানুষের মধ্যে বিরোধ, কলহ বা মনোমালিন্য থাকবে না। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আমরা তাদের হৃদয় থেকে সব বিদ্বেষ দূর করে দেব, তারা ভাইয়ের মতো মুখোমুখি বসবে।’ (সুরা : হিজর, আয়াত : ৪৭)

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘প্রথম যে দল জান্নাতে প্রবেশ করবে, তারা পূর্ণিমা রাতের চাঁদের মতো উজ্জ্বল আকৃতি ধারণ করে প্রবেশ করবে আর তাদের পর যারা প্রবেশ করবে তারা অতি উজ্জ্বল তারকার মতো রূপ ধারণ করবে। তাদের অন্তরগুলো এক ব্যক্তির অন্তরের মতো হয়ে থাকবে। তাদের মধ্যে কোনোরূপ মতভেদ থাকবে না আর পরস্পর হিংসা-বিদ্বেষ থাকবে না।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩২৪৬)

ক্লান্তি বা পরিশ্রম : জান্নাতে কোনো ক্লান্তি বা শ্রম থাকবে না। দুনিয়ার মতো কাজের চাপ, শ্রম, বা ক্লান্তি জান্নাতে থাকবে না। কোরআনে বলা হয়েছে, ‘তারা সেখানে কোনো পরিশ্রম অনুভব করবে না।’ (সুরা : ফাতির, আয়াত : ৩৫)

অপূর্ণতা বা অভাব : জান্নাতে কোনো চাহিদা অপূর্ণ থাকবে না। দুনিয়ার মতো অভাব, ক্ষুধা, বা অপূর্ণ ইচ্ছা জান্নাতে থাকবে না। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তারা যা চাইবে, তাই পাবে, এবং আমার কাছে আরো বেশি আছে।’ (সুরা : কাফ, আয়াত : ৩৫)।

হাদিসে এসেছে, ‘জান্নাতিরা যা চাইবে, তা তৎক্ষণাৎ পাবে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৭৫০১)।

অশ্লীলতা বা অসৌজন্য : জান্নাতে কোনো অশ্লীল কথা বা আচরণ থাকবে না। জান্নাতে গালাগাল, অশ্লীলতা, বা অসৌজন্যমূলক কথাবার্তা থাকবে না। কোরআনে বলা হয়েছে, ‘তারা সেখানে কোনো অশ্লীল বা মন্দ কথা শুনবে না, শুধু শান্তির কথা শুনবে।’ (সুরা : মারিয়াম, আয়াত : ৬২)।

গোপনীয়তার অভাব : জান্নাতে কেউ কারো ব্যক্তিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না। সবাই নিজ নিজ গোপনীয়তা ও সম্মান উপভোগ করবে। দুনিয়ার মতো গোপনীয়তা লঙ্ঘন বা হস্তক্ষেপ জান্নাতে থাকবে না। হাদিসে এসেছে, ‘জান্নাতিরা তাদের প্রাসাদে থাকবে, একে অপরের সঙ্গে শান্তিতে থাকবে।’ (জামে তিরমিজি, হাদিস : ২৫৫৯)

শয়তান বা প্রলোভন : জান্নাতে শয়তান বা তার প্ররোচনা থাকবে না। দুনিয়ার মতো শয়তানের ওয়াসওয়াসা বা পাপের প্রলোভন জান্নাতে থাকবে না। কোরআনে বলা হয়েছে, ‘শয়তান তাদের কাছে পৌঁছতে পারবে না।’ (সুরা : হিজর, আয়াত : ৪২)

গরম বা ঠাণ্ডার অস্বস্তি : জান্নাতে কোনো চরম আবহাওয়ার অস্বস্তি থাকবে না। জান্নাতে গরম, ঠাণ্ডা বা অস্বস্তিকর পরিবেশ থাকবে না। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তারা সেখানে ছায়ার মধ্যে থাকবে এবং তাদের জন্য ফলমূল ও পানীয় থাকবে।’ (সুরা : মুরসালাত, আয়াত : ৪১-৪৩)

নিষিদ্ধ খাদ্য বা পানীয় : জান্নাতে হারাম খাদ্য বা পানীয় (যেমন—মদ, শূকরের মাংস) থাকবে না। তবে জান্নাতে হালাল ও পবিত্র পানীয় থাকবে, যা মদের মতো মনে হলেও হারাম নয়। জান্নাতে সব খাদ্য ও পানীয় পবিত্র, সুস্বাদু এবং হালাল হবে। কোরআনে বলা হয়েছে, ‘তারা সেখানে পবিত্র পানীয় পান করবে, যা তাদের মাতাল করবে না।’ (সুরা : সাফফাত, আয়াত : ৪৫-৪৭)

অন্যায় বা জুলুম : জান্নাতে কোনো অন্যায়, জুলুম বা অবিচার থাকবে না। দুনিয়ার মতো শোষণ, অত্যাচার বা অবিচার জান্নাতে থাকবে না। কোরআনে বলা হয়েছে, ‘জান্নাতে কোনো অবিচার করা হবে না।’ (সুরা : মারয়াম, আয়াত : ৬০)।

জান্নাত এমন একটি স্থান, যেখানে শুধু সুখ, শান্তি ও পবিত্রতা থাকবে। হাদিসে এসেছে : ‘জান্নাতে এমন জিনিস আছে, যা কোনো চোখ দেখেনি, কোনো কান শোনেনি এবং কোনো মানুষের হূদয় তা কল্পনা করেনি।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩২৪৪)।




শিক্ষাক্রম কমিটির বৈঠকে বিতর্ক, ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ পাঠ্যবইয়ে রাখার সিদ্ধান্ত

পাঠ্যবই থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ সরানোর প্রস্তাব নাকচ করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম কমিটি (এনসিসি)। তবে পূর্ণাঙ্গ ভাষণ বাদ দিয়ে সংক্ষিপ্ত আকারে বইয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর মতিঝিলে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) কার্যালয়ে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পরিমার্জিত পাঠ্যবই অনুমোদন সংক্রান্ত সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

সভায় অংশ নেওয়া কয়েকজন সদস্য জানান, এনসিটিবির পক্ষ থেকে পাঠ্যবই থেকে ৭ মার্চের ভাষণ বাদ দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছিল। কিছু শ্রেণি শিক্ষকও একই মত দেন। তবে শিক্ষা প্রশাসনের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা এর বিরোধিতা করে ভাষণ সংক্ষিপ্ত আকারে রাখার প্রস্তাব দেন। এ নিয়ে কিছুটা বাকবিতণ্ডা হলেও শেষ পর্যন্ত আলোচনার মাধ্যমে ভাষণ রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

অন্যদিকে, ‘আমাদের নতুন গৌরব গাঁথা’ শীর্ষক প্রবন্ধে জুলাই আন্দোলনের বর্ণনা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। কয়েকজন সদস্য অভিযোগ করেন, প্রবন্ধটিতে গণঅভ্যুত্থানের পূর্ণ চিত্র নেই এবং নৃশংস গণহত্যার প্রসঙ্গে শেখ হাসিনার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হয়, প্রবন্ধটি সংশোধন করে শেখ হাসিনার নাম যুক্ত করা হবে।

বৈঠকে এনসিটিবির সম্পাদনা পরিষদের প্রধান সম্পাদক পাঠ্যবই থেকে ৭ মার্চের ভাষণ বাদ দেওয়ার প্রস্তাব উত্থাপন করেন। তবে এনসিটিবির চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক রবিউল কবীর চৌধুরী ও বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজমসহ কয়েকজন কর্মকর্তা ইতিহাসের অংশ হিসেবে ভাষণটি রাখার পক্ষে অবস্থান নেন।

পরে অধ্যাপক রবিউল কবীর চৌধুরী বলেন, “অষ্টম শ্রেণির বইয়ে আগেও বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ছিল। এবার তা সংক্ষিপ্ত আকারে রাখা হবে। একই সিদ্ধান্ত একাদশ শ্রেণির বইয়ের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।”




যে ১০ অভ্যাসে শিশুরা নৈতিক ও মানবিক গুণাবলী অর্জন করতে পারে

শিশুরা সমাজসেবা করার মাধ্যমে নৈতিক ও মানবিক গুণাবলী অর্জন করতে পারে। এখানে ১০টি সমাজসেবা বিষয় তুলে ধরা হয়েছে:

০১. টিফিন শেয়ার করা:

শিশুরা সহপাঠীদের সাথে টিফিন শেয়ার করলে দরিদ্রদের সাহায্য করে এবং অতিথি সেবার গুণাবলী অর্জন করে।

০২. অসুস্থ গুরুজনের সেবা করা:
অসুস্থ পরিবারের সদস্যদের সেবা করা শিশুদের মমত্ববোধ ও সহানুভূতির শিক্ষা দেয়।

০৩. পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা:
শিশুরা নিজেদের আশেপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখলে তা সদকাস্বরূপ হয়ে যায়।

০৪. পড়ায় পিছিয়ে থাকা বন্ধুদের সাহায্য করা:
শিশুরা তাদের সহপাঠীদের পড়াশোনায় সাহায্য করলে সওয়াব অর্জন করে।

০৫. অন্যকে পানি পান করানো:
পানি পান করানো এক মহান সদকা, যা শিশুরা সমাজসেবায় অংশগ্রহণ হিসেবে করতে পারে।

০৬. ছোটদের প্রতি সদাচার করা:
শিশুরা তাদের ছোটদের সাহায্য করে নেক কাজের মধ্যে থাকবে।

০৭. প্রতিবেশীর প্রতি সদ্ব্যবহার:
প্রতিবেশীদের সাথে ভালো সম্পর্ক বজায় রেখে, তাদের সাহায্য করা শিশুর জন্য সমাজসেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

০৮. উপকারীর জন্য দোয়া করা:
যে কেউ তাদের উপকার করলে, তার জন্য দোয়া করে শিশুরা সওয়াব অর্জন করতে পারে।

০৯. প্রাণী ও গাছের প্রতি দয়া করা:
গৃহপালিত প্রাণী ও গাছের প্রতি সদয় আচরণ করা শিশুর জন্য সমাজসেবার আরেকটি বড় সুযোগ।

১০. হাসিমুখে কথা বলা:

শিশুরা পরিবারের সদস্য, প্রতিবেশী ও বন্ধুদের সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলে সদকার সওয়াব অর্জন করতে পারে।

এভাবে শিশুরা সমাজে ভালো কাজের মাধ্যমে মানবিক গুণাবলী গড়ে তুলতে পারে এবং দেশের উন্নয়নে অংশ নিতে পারে।




বরিশাল বোর্ডে পুনঃনিরীক্ষণে ফেল থেকে পাস ২৬ জন

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশিত হয়েছে। বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে পুনঃনিরীক্ষণে ২৬ জন শিক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেছেন। একই সংখ্যক শিক্ষার্থী নতুন করে জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন।

রবিবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টার পর থেকে ফলাফল বোর্ডের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমেও ফল জানা যাবে।

বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ বোর্ডে ১৩ হাজার ২৭৪ জন শিক্ষার্থী মোট ৩৮ হাজার ৪৩৭টি উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেন। এর মধ্যে ২৭৪ জনের গ্রেড পয়েন্ট পরিবর্তন হয়েছে, যেখানে ২৬ জন ফেল থেকে পাস এবং ২৬ জন নতুনভাবে জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

ফল জানার নিয়ম
মোবাইলে বার্তা পাঠাতে হবে—
SSC (স্পেস) বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর (স্পেস) রোল নম্বর (স্পেস) পরীক্ষার বছর, পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে।
উদাহরণ: SSC BAR 123456 2025
ফিরতি মেসেজে ফলাফল জানানো হবে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




সাহসিকতার স্বীকৃতি : মেহরিন চৌধুরীর নামে শিক্ষকদের জন্য পুরস্কার চালু

সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী শিক্ষিকা মেহরিন চৌধুরীর স্মরণে চালু হচ্ছে একটি বিশেষ পুরস্কার। শিক্ষকদের জন্য প্রবর্তিত এই অ্যাওয়ার্ডটি চালু করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

তিনি জানান, “সাহসী শিক্ষিকা মেহরিন চৌধুরীর নামে একটি অ্যাওয়ার্ড চালু করা হবে, যা প্রতিবছর দেশের শিক্ষকদের মধ্যে অসামান্য সাহসিকতা বা আত্মত্যাগের জন্য প্রদান করা হবে।”

প্রসঙ্গত, গত মাসে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভবনে বিধ্বস্ত হয়। ওই ঘটনায় শিক্ষিকা মেহরিন চৌধুরী নিজের জীবন উৎসর্গ করে অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থীর প্রাণ রক্ষা করেন। তার এই বীরত্ব দেশজুড়ে আলোড়ন তোলে।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এটাই সচিবালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের দ্বিতীয় আনুষ্ঠানিক বৈঠক। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সচিবালয়ে প্রবেশ করেন। বৈঠকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১ নম্বর গেট ছাড়া সচিবালয়ের সব প্রবেশপথ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।




শিক্ষা ব্যবস্থায় ইসলামি মূল্যবোধ সংযোজনের প্রস্তাব জামায়াতের, শিক্ষকদের জাতীয়করণের দাবি

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ইসলামিকরণ, শিক্ষকদের জাতীয়করণ ও নন-এমপিও শিক্ষকদের এমপিওভুক্তকরণসহ একাধিক প্রস্তাব উপস্থাপন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

সোমবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা চৌধুরী রফিকুল (সি আর) আবরারের সঙ্গে এক বৈঠকে এসব দাবি তুলে ধরে দলটির একটি প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির অধ্যাপক মজিবুর রহমান।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি জানান, “বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের পথে ছিল। অনৈতিক ও ইসলামবিরোধী শিক্ষানীতির কারণে জাতির ভবিষ্যৎ হুমকিতে পড়েছিল। এখন সময় এসেছে একটি ঈমানভিত্তিক, নৈতিকতা-নির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার।”

জামায়াত প্রতিনিধি দলের প্রধান দাবি ছিল—দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকদের জাতীয়করণ। তাদের মতে, “শিক্ষা জাতি গঠনের মেরুদণ্ড হলে, শিক্ষকই হলেন শিক্ষার মেরুদণ্ড। শিক্ষক যদি উপেক্ষিত থাকেন, তাহলে জাতিও গঠিত হতে পারে না।”

দ্বিতীয় প্রধান দাবি হিসেবে তারা নন-এমপিও শিক্ষকদের দ্রুত এমপিওভুক্তির আহ্বান জানায়। এছাড়া, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ভাতা দ্রুত প্রদানের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়। স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষকদেরও এমপিওভুক্ত করার দাবিও জানায় দলটি।

সিলেবাস প্রণয়নের ক্ষেত্রে একটি সর্বজনগ্রাহ্য কমিটি গঠনের আহ্বান জানিয়ে জামায়াত প্রতিনিধি দল বলেন, “দেশের সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিনিধি নিয়ে এমন একটি কমিটি গঠনের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী পাঠ্যক্রম প্রণয়ন করা দরকার।”

শিক্ষা উপদেষ্টা দাবি-দাওয়াগুলো গুরুত্বসহকারে শুনেছেন এবং ভবিষ্যতে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান জামায়াত নেতা।

বৈঠকে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদসহ অন্য নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।




বরিশাল এইচএসসি কেন্দ্রে আচরণ নিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ, মানববন্ধনের ঘোষণা

বরিশাল সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের কিছু কক্ষ পরিদর্শকের আচরণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের একদল এইচএসসি পরীক্ষার্থী অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কেন্দ্রটিতে পরীক্ষার শুরু থেকেই তাদের সঙ্গে মানসিক নিপীড়ন, বহিষ্কারের হুমকি এবং অশালীন বা অশিক্ষকসুলভ মন্তব্য করা হয়েছে। তারা জানিয়েছে, পরিস্থিতির প্রতিবাদে শিগগিরই মানববন্ধনসহ শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

পরীক্ষার্থীদের দাবি, মডেল কলেজের স্কুল শাখার কিছু সহকারী শিক্ষক, খণ্ডকালীন শিক্ষক এবং বাইরে থেকে আসা নতুন বা অপ্রশিক্ষিত শিক্ষককে কক্ষ পরিদর্শকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে বোর্ডের নির্দেশনা মানায় ব্যত্যয় ঘটছে—এমন অভিযোগও তারা তুলেছে। পরিচয় গোপন রাখার শর্তে কথা বলা কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, ইংরেজি ২য় পত্র, রসায়ন ১ম পত্র, হিসাববিজ্ঞান ১ম পত্র, পদার্থ ২য় পত্র, অর্থনীতি ২য় পত্র ও জীববিজ্ঞান ১ম পত্রসহ একাধিক পরীক্ষায় নির্ধারিত নীতিমালা উপেক্ষার উদাহরণ রয়েছে বলে তাদের ধারণা। তাদের ভাষ্য, কিছু কক্ষ পরিদর্শক “রাজপথে আন্দোলনের” প্রসঙ্গ টেনে বিদ্রূপাত্মক মন্তব্য করেন, যা পরীক্ষার পরিবেশে অযৌক্তিক চাপ সৃষ্টি করে।

অভিভাবকদের একাংশও সন্তানের ফলাফল ও নিরাপত্তার কথা ভেবে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। একজন অভিভাবক অভিযোগ করেন, পরীক্ষা শুরুর আগেই অকারণে অপমান এবং বহিষ্কারের হুমকির ঘটনা ঘটে। তার দাবি, কেন্দ্রটিতে দায়িত্ব বণ্টনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা দরকার।

এ বিষয়ে বরিশাল সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের কয়েকজন শিক্ষক–কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা। তারা বলেন, ২০২৪ সালের “জুলাই আন্দোলনে” হাতেম আলী কলেজের ভূমিকার কারণে একটি অংশ বিশেষ প্রতিহিংসাপরায়ণ আচরণ করছে—এমন ধারণা তাদের রয়েছে। তবে এসব অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি; সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তদন্ত ছাড়া অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত নয়।

সংক্রান্ত বক্তব্য জানতে বরিশাল মডেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবু মামুন, হল সুপার (অর্থনীতি) মো. মাসুম বিল্লাহ এবং প্রভাষক শাহজালালের মোবাইলে বারবার কল করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি—এমনটি জানান অভিযোগকারীরা।

সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. হারুন অর রশীদ হাওলাদার বলেন, কেন্দ্রের পরিস্থিতি “দুঃখজনক” শুনেছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন। অন্যদিকে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ ইউনুস আলী সিদ্দিকী জানান, পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে অনুপযুক্ত আচরণের অভিযোগ আগে থেকেও শুনেছেন; কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্তদের সতর্ক করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে কেন্দ্র হিসেবে এ প্রতিষ্ঠানের উপযোগিতা পুনর্বিবেচনার কথাও ভাবা হচ্ছে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।

শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, দ্রুতই কেন্দ্রের বর্তমান ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তনের দাবি তুলে মানববন্ধন করবে এবং বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানের কাছে স্মারকলিপি দেবে। পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ রাখতে তারা প্রশাসন ও বোর্ডের স্বচ্ছ তদন্ত এবং ন্যায়সংগত ব্যবস্থা কামনা করেছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




একই দিনে নয়, ২ দিনে হবে এইচএসসির স্থগিত পরীক্ষা

এইচএসসি ও সমমানের ২২ ও ২৪ জুলাইয়ের স্থগিত হওয়া পরীক্ষাগুলো দুইটি ভিন্ন দিনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, ২২ জুলাইয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৭ আগস্ট এবং ২৪ জুলাইয়ের পরীক্ষা নেওয়া হবে ১৯ আগস্ট।

বুধবার (২৩ জুলাই) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে নিহত ও আহতের ঘটনায় ২২ ও ২৪ জুলাইয়ের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল। সেই পরীক্ষাগুলো এখন দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া বন্যা পরিস্থিতির কারণে ১০ জুলাই কুমিল্লা বোর্ডে স্থগিত হওয়া পরীক্ষা নেওয়া হবে আগামী ১২ আগস্ট এবং গোপালগঞ্জে সংঘর্ষের কারণে স্থগিত হওয়া ১৭ জুলাইয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৪ আগস্ট।

পুনঃনির্ধারিত সময় অনুযায়ী ব্যবহারিক পরীক্ষার সূচিতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। ২১ আগস্ট থেকে ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হয়ে চলবে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

এর আগে দুপুরে শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার জানিয়েছিলেন, ২২ ও ২৪ জুলাইয়ের পরীক্ষা একই দিনে নেওয়ার চিন্তাভাবনা ছিল। তবে পরে শিক্ষার্থীদের স্বার্থে তা দুইদিনে ভাগ করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /