শিক্ষক নিয়োগে অনলাইনে আবেদন শুরু, শূন্যপদ প্রায় ৯৭ হাজার

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে প্রকাশিত পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদন শুরু হয়েছে। বুধবার (১৭ এপ্রিল) দুপুর ১২টা থেকে অনলাইনে এ প্রক্রিয়া শুরু হয়। প্রার্থীরা আগামী ৯ মে রাত ১২টা পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। পরদিন ১০ মে রাত ১২টা পর্যন্ত ফি পরিশোধ করা যাবে।

গত ৩১ মার্চ পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। বিজ্ঞপ্তির তথ্যানুযায়ী, এবার ৯৬ হাজার ৭৩৬টি শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। এরমধ্যে স্কুল ও কলেজে ৪৩ হাজার ২৮৬ এবং মাদরাসা, ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানে ৫৩ হাজার ৪৫০টি শূন্যপদ রয়েছে।

এনটিআরসিএ সূত্র জানায়, ৯৬ হাজার ৭৩৬টি শূন্যপদের পদভিত্তিক তালিকা এনটিআরসিএর ওয়েবসাইট এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) দুপুর ১২টা থেকে আবেদন শুরু হয়।

আবেদনকারীর সর্বোচ্চ বয়সসীমা কত হবে, তা নিয়ে আগ্রহ বেশি চাকরিপ্রত্যাশীদের। গণবিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে এনটিআরসিএ।

বিজ্ঞপ্তির তথ্যানুযায়ী, আবেদনকারী প্রার্থীর বয়স ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি তারিখে ৩৫ বছর বা তার চেয়ে কম হতে হবে। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি তারিখে যাদের বয়স ৩৫ বছরের বেশি হয়েছে, তারা কোনোভাবেই আবেদন করার সুযোগ পাবেন না।

এদিকে, গণবিজ্ঞপ্তির শূন্যপদে আবেদন করতে সংশ্লিষ্ট বিষয়, পদ ও প্রতিষ্ঠানের ধরন অনুযায়ী এনটিআরসিএর নিবন্ধন সনদধারী হতে হবে। আবেদনের জন্য সব স্তরের প্রার্থীকে এক হাজার টাকা ফি পরিশোধ করতে হবে। নির্ধারিত ফি পরিশোধ না করলে আবেদন বাতিল বলে বিবেচিত হবে।

কোনো প্রার্থীর যদি স্কুল ও কলেজ উভয় পর্যায়ের সনদ থাকে এবং তিনি যদি উভয় পর্যায়ের পদে আবেদন করেন। তাহলে প্রথমে তাকে কলেজ পর্যায়ে বিবেচনা করা হবে। কলেজ পর্যায়ে নির্বাচিত না হলে স্কুল পর্যায়ে বিবচেনা করা হবে। এমপিওভুক্ত প্রার্থীর এক পর্যায়ের (স্কুল বা কলেজ) একাধিক নিবন্ধন সনদ থাকলে ওই প্রার্থী একই পর্যায়ে আবেদন করতে পারবেন না।

সহকারী শিক্ষক (ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা) পদে চাকরিপ্রত্যাশী আবেদনকারীকে অবশ্যেই সেই ধর্মের অনুসারী হতে হবে। মিথ্যা তথ্য দিয়ে আবেদন করলে নির্বাচন বাতিল করা হবে।

আবেদন প্রক্রিয়া, ফি পরিশোধসহ বিস্তারিত নিয়মাবলী গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ রয়েছে। গণবিজ্ঞপ্তির যেকোনো শর্ত এবং প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি এনটিআরসিএ যেকোনো সময় সংযোজন, বিয়োজন ও পরিবর্তন এবং স্থগিত করতে পারবে।

একইসঙ্গে মামলা বা আইনগত অন্য কোনো জটিলতার কারণে অনলাইনে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির কোনো পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব না হলে এনটিআরসিএ দায়ী থাকবে না বলেও গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।




কর্মস্থলে ফেরার সময় গুরুত্বপূর্ণ ৬ দোয়া

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : ঈদ ছুটি শেষ হওয়ার পর জীবনের প্রয়োজনে আবারও কর্মস্থলে ফেরার সময় হয়ে গেছে। তাই চাকরিজীবী, শ্রমজীবী কিংবা ব্যবসায়ীরা পরিবার পরিজনের মায়া ছেড়ে কর্মস্থলে ফেরার সময় ৬টি গুরুত্বপূর্ণ দোয়া পাঠ করার শিক্ষা রয়েছে হাদিসে। নিচে সেগুলো তুলে ধরা হলো।

১. ঘর থেকে বের হওয়ার দোয়া 
بِسْمِ اللهِ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللهِ وَ لَا حَوْلَ وَ لَا قُوَّةَ اِلَّا بِاللَّهِ উচ্চারণ: ‘বিসমিল্লাহি তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহ, লা-হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।’ অর্থ : আল্লাহর নামে, আল্লাহ তাআলার ওপরই নির্ভর করলাম, আল্লাহ তাআলার সাহায্য ছাড়া বিরত থাকা ও মঙ্গল লাভ করার শক্তি কারো নেই।’
আনাস ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘যদি কেউ ঘর থেকে বের হওয়ার সময় দোয়াটি পড়ে, তাকে বলা হয় (আল্লাহ তাআলাই) তোমার জন্য যথেষ্ট, তুমি হেফাজত অবলম্বন করেছ (অনিষ্ট থেকে)। তাতে শয়তান তার থেকে দূরে সরে যায়। (তিরমিজি: ৩৪২৬)।

২. পরিবার পরিজনের জন্য দোয়া
أَسْتَوْدِعُكَ اللهَ الَّذِي لَا تَضِيعُ وَدَائِعُهُ উচ্চারণ: ‘আসতাওদিউকাল্লাহাল্লাজি লা তাদীউ ওয়াদা-ইউহু’ অর্থ: ‘আমি তোমাকে আল্লাহর আমানতে সোপর্দ করলাম, যাঁর নিকট সোপর্দকৃত জিনিস ধ্বংস হয় না।’ (ইবনে মাজাহ: ২৮২৫)।

৩. যানবাহন কিংবা নৌযানে আরোহনের দোয়া
বাহনে আরোহনের দোয়া: سُبْحَانَ الَّذِي سَخَّرَ لَنَا هَذَا وَمَا كُنَّا لَهُ مُقْرِنِينَ وَإِنَّا إِلَى رَبِّنَا لَمُنْقَلِبُونَ উচ্চারণ: ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। সুবহানাল্লাজি সাখখারালানা হা-যা ওয়া-মা-কুন্না লাহু মুকরিনিন, ওয়া ইন্না ইলা রাব্বিনা লামুন কালিবুন।’ অর্থ: ‘আল্লাহর নামে শুরু করছি, যিনি অত্যন্ত দয়ালু ও অশেষ করুণাময়। তিনি পূতপবিত্র ওই সত্তা যিনি বাহনকে আমার অধীন করে দিয়েছেন। আমাদের কাছে তাকে আয়ত্তে আনার ক্ষমতা ছিল না। অবশ্যই আমরা আমাদের প্রভুর দিকে প্রত্যাবর্তনকারী।’ (শামায়েলে তিরমিজি: ১৭৩)
নৌযানে চড়ার দোয়া: بِسْمِ اللَّهِ مَجْرَاهَا وَمُرْسَاهَا إِنَّ رَبِّي لَغَفُورٌ رَحِيمٌ উচ্চারণ: ‘বিসমিল্লাহি মাজরিহা ওয়া মুরসা-হা, ইন্না রাব্বি লা গাফুরুর রহিম।’ অর্থ: ‘আল্লাহর নামেই এর গতি ও স্থিতি। আমার পালনকর্তা অতি ক্ষমাপরায়ন, মেহেরবান।’ (সুরা হুদ: ৪১)।

. ভ্রমণের মাঝপথে দোয়া
أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ الله التَّامَّاتِ من شَرِّ ما خَلَقَ উচ্চারণ: ‘আউজু বিকালিমাতিল্লাহিত তা-ম্মাতি মিন শাররি মা খালাক।’ অর্থ: ‘আল্লাহর পূর্ণাঙ্গ কালেমার মাধ্যমে সব ধরনের অনিষ্ট থেকে নিরাপত্তা চাচ্ছি।’ ভ্রমণের মাঝপথে এ দোয়া পড়ার নির্দেশ দিয়ে রাসুল (স.) বলেন, ‘এই দোয়াটি পড়লে, ঘরে ফেরা পর্যন্ত কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারবে না।’ (মুসলিম: ২৭০৮)।

৫. সফর শেষে দোয়া
آيِبُونَ إِنْ شَاءَ اللَّهُ تَائِبُونَ عَابِدُونَ لِرَبِّنَا حَامِدُونَ উচ্চারণ: ‘আয়িবুনা ইনশাআল্লাহু তায়িবুনা আবিদুনা লি-রাব্বিনা হামিদুন।’ অর্থ: ‘আল্লাহর ইচ্ছায় আমরা প্রত্যাবর্তনকারী, তাওবাকারী, ইবাদতকারী নিজ রবের প্রশংসাকারী।’ (তিরমিজি: ৩৪৪৭, বুখারি, ওমরা: ১৭৯৭; মুসলিম, হজ: ১৩৪৪)

৬. কর্মেক্ষেত্রে বরকত লাভের দোয়া
اللهم اكْفِنِي بِحَلَالِكَ عن حَرَامِكَ ، وَأَغْنِنِي بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ ‘আল্লাহুম্মাকফিনি বি হালালিকা আন হারামিক, ওয়াগনিনি বিফাদলিকা আম্মান সিওয়াক।’ অর্থ: হে আল্লাহ! হারামের পরিবর্তে আপনার হালাল রুজি আমার জন্য যথেষ্ট করুন। আর আপনাকে ছাড়া আমাকে কারো মুখাপেক্ষী করবেন না এবং স্বীয় অনুগ্রহ দিয়ে আমাকে সচ্ছলতা দান করুন। (তিরমিজি: ৩৫৬৩; মুসনাদ আহমদ: ১৩২১)।




শোভাযাত্রা পেছালো ১৫ মিনিট

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ : জাতি ১৪৩১ বঙ্গাব্দকে বরণে নানা আয়োজনে মেতে উঠেছে। রমনার বটমূলে ছায়ানটের অনুষ্ঠান শেষ করে চারুকলা অনুষদ থেকে শুরু হওয়া মঙ্গল শোভাযাত্রায় যেন সবাই যোগ দিতে পারেন, সেজন্য পূর্বনির্ধারিত সময় থেকে ১৫ মিনিট পেছানো হয়েছে সময়। এবারের মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরু হবে সকাল সোয়া ৯টায়।

শোভাযাত্রাটি শাহবাগ মোড় হয়ে শিশুপার্কের সামনে দিয়ে ঘুরে ফের শাহবাগ হয়ে টিএসসিতে গিয়ে শেষ হবে। পরে বকুলতলার মঞ্চে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে বাউল গান।

এ বছর মঙ্গল শোভাযাত্রার পোস্টার বানাতে একটি কর্মশালা হয়েছিল, সেখান থেকে এ বি এম শাফিউল আলমের আঁকা একটি পোস্টার নির্বাচন করা হয়।

মঙ্গল শোভাযাত্রা গবেষণা ও প্রসারকেন্দ্র আয়োজিত কর্মশালা এবং মুক্ত আহ্বানে পাওয়া পোস্টার থেকে এটি বাছাই করেন চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিসান হোসেন, শিল্পী তরুণ ঘোষ ও শিল্পী শিশির ভট্টাচার্য্য।

গত শতকের আশির দশকে সামরিক শাসনের অর্গল ভাঙার আহ্বানে পহেলা বৈশাখে চারুকলা থেকে যে শোভাযাত্রা বের হয়েছিল; সেটিই পরে মঙ্গল শোভাযাত্রায় রূপ নেয়। ২০১৬ সালে ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতিও পায় এ কর্মসূচি।




নববর্ষ বরণে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ : নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায় চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।

নববর্ষ বরণে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

7Shares
facebook sharing button
whatsapp sharing button
অ+
অ-
নববর্ষ বরণে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি 

 




৩৫ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে ইউজিসির নিষেধাজ্ঞা




২৪৭ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘রুচিশীল’ নাম দিল সরকার

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : শ্রুতিকটু ও নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে এমন ২৪৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বুধবার (৩ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ কবির উদ্দীন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে দেখা যায়, খুলনার কয়রার খাসিটানা উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে করা হয়েছে উদয়ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা পাটাচোরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে করা হয়েছে ছায়াবিথী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মুন্সিগঞ্জের সিরাজদীখান চোরমর্দ্দন বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নাম জ্ঞানপ্রদীপ চোরমর্দ্দন বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চোরমর্দ্দন বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম জমিদারবাড়ি চোরমর্দ্দন বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নাটোরের লালপুর উপজেলার গোদাগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে সালামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার চোরমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে মাতৃছায়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একই উপজেলার চুলধরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে ফুলছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার ভন্ডগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে বর্ণমালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ এখানে শ্রুতিকটু ও নেতিবাচক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে।

এর আগে, গত বছরের ১৯ জানুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামকরণ ও বিদ্যমান নাম পরিবর্তন নীতিমালা-২০২৩ জারি করে মন্ত্রণালয়।

ওই সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব ফরিদ আহাম্মদ বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অনেকগুলোর নাম শ্রুতিকটু ও নেতিবাচক ভাবার্থ সম্বলিত। যা শিশুর রুচি, মনন, বোধ ও পরিশীলিতভাবে বেড়ে ওঠার অন্তরায়। এজন্য মন্ত্রণালয় এসব বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে সুন্দর, রুচিশীল, শ্রুতিমধুর এবং স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তি, বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ স্থানীয় ইতিহাস, সংস্কৃতির সঙ্গে মানানসই নামকরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশব্যাপী এরকম নেতিবাচক ভাবার্থ সম্বলিত নাম পরিবর্তন করা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদনের তথ্যমতে, দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে ৬৫ হাজার ৫৬৫টি। এগুলোয় শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২ কোটি ৫ লাখ ৪৬ হাজার ৯১ জন। শিক্ষক আছেন ৩ লাখ ৬২ হাজার ৭০৯ জন।




এসএসসির সম্ভাব্য ফল প্রকাশ ১২ মে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশের বাধ্যবাধকতা থাকায় আগামী ১২ মে এসএসসির ফল প্রকাশ হতে পারে বলে জানিয়েছেন আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার।

বুধবার (৩ এপ্রিল) সংবাদমাধ্যমকে তপন কুমার জানান, ইতোমধ্যে পরীক্ষকরা খাতা মূল্যায়ন শুরু করেছেন। মূল্যায়ন শেষে তা সংশ্লিষ্ট বোর্ডে পাঠানোর পর ফল প্রকাশের প্রস্তাবনা পাঠাবে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড।

তপন কুমার আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ৯, ১০ বা ১১ মে ফল প্রকাশের জন্য প্রস্তাবনা পাঠাবে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড। তবে প্রস্তাবনা তৈরি হয়ে গেলে এর আগেও ফল প্রকাশ করা হতে পারে।

২০২৪ সালের এসএসসি, দাখিল, এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯২ জন। গতবারের চেয়ে এবার পরীক্ষার্থী কমেছে প্রায় ৪৮ হাজার।




এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ৩০ জুন, সূচি ঘোষণা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ৩০ জুন থেকে। আজ মঙ্গলবার এই পরীক্ষার সময়সূচি (রুটিন) ঘোষণা করেছে শিক্ষাবোর্ডগুলো।

সময়সূচি অনুযায়ী বাংলা (আবশ্যিক) প্রথমপত্রের মাধ্যমে শুরু হবে এই পরীক্ষা। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ১১ আগস্ট। এরপর ব্যবহারির পরীক্ষা শুরু হবে।

এদিকে চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হবে আগামী ১৬ এপ্রিল থেকে। চলবে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত। অবশ্য বিলম্ব ফি দিয়ে পরেও ফরম পূরণ করার সুযোগ রয়েছে।

জানা গেছে, পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, পুনর্বিন্যাসকৃত (সংক্ষিপ্ত) পাঠ্যসূচিতে অনুষ্ঠিত হবে এই পরীক্ষা।




আজ বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস : ৭২ শিশুর ছবি প্রধানমন্ত্রীর ঈদের শুভেচ্ছা কার্ডে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : সরকারের হিসাবমতে দেশে ৮৪ হাজারের বিশে অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন বা অটিস্টিক মানুষ আছে। কিন্তু সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এই সংখ্যা ২ লাখেরও বেশি। এখনো সরকারের তালিকাভুক্ত হয়নি অনেকে। পরিবার ও অটিস্টিক শিশুদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে তাদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ জরুরি বলে মন্তব্য করেন বিজ্ঞজনেরা। তবে আর দশটা শিশুর চেয়ে তাদের শিক্ষাব্যয় ও সময় অনেক বেশি লাগে, তাই সরকারি ও বেসরকারিভাবে এইসব উদ্যোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা; কারণ দেশে এখনো এমন শিশুদের এগিয়ে নিতে আয়ের জায়গাকে সেভাবে আমলে নিচ্ছে না কোনো পক্ষই—এমন বাস্তবতার মধ্যে আজ ২ এপ্রিল ‘সচেতনতা-স্বীকৃতি-মূল্যায়ন: শুধু বেঁচে থাকা থেকে সমৃদ্ধির পথে যাত্রা’ প্রতিপাদ্য করে পালিত হচ্ছে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস।

২০১০ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর পবিত্র ঈদুল ফিতর, পবিত্র ঈদুল আজহা, শুভ নববর্ষ, শুভ বড়দিন এবং খ্রিষ্টীয় নববর্ষ শুভেচ্ছা কার্ডে স্থান পায় প্রতিবন্ধী শিশুদের আঁকা ছবি। এযাবৎ ২ হাজার ৪০৩ প্রতিবন্ধী শিশুর ছবি স্থান পায় শুভেচ্ছা কার্ডে। তার মধ্যে ৭২ জন অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুর ছবিও আছে। তাদের একজন আল মুনতাসির সাওম—সাওমের মা  আফসানা মিমি বলেন, তার দুই ছেলে এক মেয়ের মধ্যে সাওম সবার বড়। তাদের অনেক কষ্টে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনছেন তারা। দিনাজপুর থেকে ঢাকায় এসেছেন ছেলেকে নিয়ে। সাওম তৈরি ফাউন্ডেশনের স্কুল ফর গিফটেড চিলড্রেনের শিক্ষার্থী। তৈরি ফাউন্ডেশনের পরিচালক মারুফা হোসেন বলেন, তাদের অর্থনৈতিক দিকগুলো বিবেচনা করে এমন উদ্যোগ আরো বেশি হতে পারে।

এই কার্যক্রম পরিচালনা করে সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রতিষ্ঠান অধিশাখা-২-এর উপপরিচালক মো. রেজাউর রহমান জানান, ‘আমরা সারা দেশ থকে ছবি আহ্বান করি। যারা প্রতিবন্ধী শিশুদের নিয়ে কাজ করে, তারা আমাদেরকে ছবি পাঠান। উৎসবগুলোর সঙ্গে সংগতি রেখে ছবি মনোনয়ন করা হয়। এ বছর আটটি প্রতিষ্ঠানের ৯৩টি ছবি জমা পড়ে। ৬৮টি ছবি মনোনয়ন করে আমরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠাই। এই সুযোগ থেকে বাদ পড়ে না প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুরাও।’




ববির প্রথম সমাবর্তনে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ

বরিশাল অফিস:; প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া।

রোববার (৩১ মার্চ) দুপুর দেড়টায় গণভবনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ সাক্ষাৎ করেন তিনি।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ অফিসের উপ-পরিচালক (চ.দা) মো. ফয়সল মাহমুদের পাঠানো এক বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

তিনি জানান, সাক্ষাতকালে প্রধানমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান উপাচার্য। সাক্ষাতকালে উপাচার্য প্রধানমন্ত্রীকে ববির ভৌত অবকাঠামোগত কাজের বিষয়ে অবহিত করেন এবং ববির প্রথম সমাবর্তনে অংশগ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানান।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। সৌজন্য সাক্ষাতকালে প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করেন উপাচার্য ।