৪৪তম বিসিএস মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ




বিদেশি প্রকৌশলী নির্ভরতা কমাতে পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে কুয়েট শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: বিদেশি প্রকৌশল নির্ভরতা কমাতে পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) শিক্ষার্থীদের দুই দিনব্যাপী বাস্তবমুখী প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে একের পর এক গড়ে উঠছে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। তবে এসব বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বেশিরভাগই বিদেশি প্রকৌশলী নির্ভর। তাই দেশের প্রকৌশলীদের পাওয়ার প্ল্যান্ট ভিত্তিক দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড।

চীন ও বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত যৌথ এ প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে রবি ও সোমবার দুই দিনব্যাপী বাস্তবমুখী প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করা হয় পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে। এতে অংশ নেন কুয়েটের তড়িৎ এবং যান্ত্রিক অনুষদের চতুর্থ বর্ষের ৫০ শিক্ষার্থী ও ৬ শিক্ষক।

এসময় পাওয়ার প্ল্যান্টের বয়লার চেম্বার, কয়লার ব্যবহার এবং কয়লা খালাসের জেটিসহ কন্ট্রোল রুমে থাকা বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ঘুরে দেখানো হয় প্রশিক্ষণার্থীদের। শেখানো হয় পাওয়ার প্ল্যান্ট দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রাথমিক বিষয়গুলো। সরাসরি পাওয়ার প্ল্যান্ট চালানোর এমন প্রশিক্ষণে অংশ নিতে পেরে খুশি শিক্ষার্থীরা। তবে আগামী দিনেও প্রশিক্ষণের এমন কার্যক্রম অব্যাহত রাখার দাবি তাদের।

আরো পড়ুন : কুয়াকাটার পর্যটন ব্যবসায় দাবদাহের প্রভাব – বাতিল হচ্ছে বুকিং

খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ অনুষদের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী জাহানারা বলেন, ‘এতদিন আমরা আসলে বইয়ে পড়েছি। এখন সরাসরি পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের সবকিছু ঘুরে দেখলাম। এখানে এসে নতুন করে অনেক কিছু শিখেছি। যা ভবিষ্যতে আমার কাজে দেবে।’

বাংলাদেশ-চায়না কোম্পানি লিমিটেডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শাহ আবদুল হাসিব বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যাতে তত্ত্বীয় জ্ঞানের পাশাপাশি বিদ্যুৎকেন্দ্র সম্পর্কিত বাস্তবিক জ্ঞান, ধারণা লাভ করে এবং ভবিষ্যতে আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র ও আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল টেকনোলজি সম্পর্কে আগ্রহী হয়ে ওঠে; তাই এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। এছাড়া দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে নিজস্ব মানবসম্পদ বিনির্মাণে এ ধরনের কর্মশালা ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’




সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা বাড়াতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চিঠি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩০ থেকে ৩৫ বছরে উন্নীত করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আবুল খায়ের সোমবার দিবাগত রাতে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল সম্প্রতি এই চিঠি পাঠিয়েছেন।’

ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে সরকারি-আধা সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্ত শাসিত প্রতিষ্ঠানে সব ধরনের চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ বছর মানদণ্ড হিসেবে অনুসরণ করা হয়।

চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ৩৫ বছর করার দাবিতে শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ দিন ধরে রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে আসছে।

বিষয়টি উপলব্ধি করে ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগ নির্বাচনী ইশতেহারে শিক্ষা, দক্ষতা ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি অনুচ্ছেদে ‘সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়ে মেধা ও দক্ষতা বিবেচনায় রেখে বাস্তবতার নিরিখে যুক্তি সংগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে’ বলে উল্লেখ করেছিল।




তীব্র গরমে বরিশালে ক্লাসরুমে ৩ শিক্ষার্থী অসুস্থ

বরিশাল অফিস :: বরিশালে তীব্র তাপপ্রবাহে স্কুুল চলাকালীন সময়ে একটি বিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। সোমবার (২৯ এপ্রিল) বেলা ১২টার দিকে নগরীর জগদীশ সারস্বত গার্লস স্কুুল এন্ড কলেজে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শিক্ষার্থীরা ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

জানা যায়, তীব্র গরমের মধ্যে জেলার অন্যান্য স্কুলের মতো নগরীর জগদীশ সারস্বত গার্লস স্কুুল এন্ড কলেজে সকাল ১০টায় ক্লাস শুরু হয়। এদিন বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী উপস্থিতিও ছিল মোটামুটি। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেক শিক্ষার্থী গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পরে এর মধ্যে আবার লোডশেডিং হয়। এক পর্যায়ে ক্লাস চলাকালে অসুস্থ হয়ে পড়ে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী তাসনীন আক্তার, কিছুক্ষণ পরে সপ্তম শ্রেণির দুই শিক্ষার্থীও অসুস্থ হয়ে পরে। অসুস্থ শিক্ষার্থীদের টিচার্স রুমে এনে শরবত, স্যালাইন ও মাথায় পর্যাপ্ত পানি দেওয়ার পরে কিছুটা স্বস্তি ফিরলে অভিভাবককে ডেকে বাসায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

অসুস্থ শিক্ষার্থীরা জানায়, প্রথম ক্লাস থেকেই পেটে ব্যথা, মাথা ব্যথা ও বমি বমি ভাব হচ্ছিল। হঠাৎ লোডশেডিং হলে কিছুক্ষণের মধ্যে গরম বেড়ে যায়। তারপরে অসুস্থ হয়ে পড়ি।

সহকারী শিক্ষক কাওসার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এক একটি শ্রেণি কক্ষে ৪০ থেকে ৫০ জন শিক্ষার্থী ক্লাস করছিল। বিদ্যুৎ না থাকায় প্রচণ্ড গরমের ফলে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে প্রচণ্ড গরমে তিন জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের অভিভাবকদের ডেকে বাসায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

এদিকে বরিশাল আবহাওয়া অফিসের উচ্চমান পর্যবেক্ষক মো. বশির আহাম্মেদ জানান, সোমবার দুপুর ৩টা পর্যন্ত ৩৮ দশমিক ০৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।




আজ থেকে ফের ৫ দিনের ছুটিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর এবং গরমের কারণে এক সপ্তাহ মিলিয়ে মোট ১ মাস ৩ দিন পর ২৮ এপ্রিল খুলেছে দেশের শিক্ষাঙ্গণ। একদিন খোলা রেখে সোমবার থেকে ফের বন্ধ হয় মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা।

তবে তীব্র তাপপ্রবাহ ও হাইকোর্টের নির্দেশনা মেনে ২ মে পর্যন্ত সব প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এরপর শুক্র ও শনিবার স্বাভাবিক ছুটি। অর্থাৎ এক মাস তিন দিন বন্ধ শেষে মাত্র দুদিন শ্রেণিকার্যক্রমের পর ফের ৫ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়।

সোমবার (২৯ এপ্রিল) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শিশু শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা বিবেচনায় বৃহস্পতিবার (২ মে) পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরসঙ্গে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটিও যোগ হবে। সব মিলিয়ে টানা ৫ দিনের ছুটি পাচ্ছে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মাহবুবুর রহমান তুহিন বলেন, সারা দেশে বহমান তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে শিশু শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা বিবেচনায় বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিশু কল্যাণ ট্রাস্টের বিদ্যালয় ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর লার্নিং সেন্টার বন্ধ থাকবে।

এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ সাংবাদিকদের বলেন, আদালতের নির্দেশনা এখনও আমাদের কাছে পৌঁছায়নি। এরআগেই সকালে আমরা বৃহস্পতিবার পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।




স্কুল-মাদরাসা বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :  তীব্র গরম ও চলমান তাপপ্রবাহের মধ্যে সারাদেশে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং মাদরাসার পাঠদান আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৯ এপ্রিল) বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে এ আদেশ দেন।

আদেশে আদালত বলেছেন, যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) রয়েছে সেগুলোতে যথারীতি পাঠদান ও পরীক্ষা কার্যক্রম চলবে। এছাড়া যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার দিন ধার্য করা থাকে সেক্ষেত্রে সিডিউল অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ সাইফুজ্জামান জামান আদেশের বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, শ্রেণিকক্ষে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বা এসি নেই, তীব্র গরমের কারণে এ ধরনের প্রাথমিক-মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদরাসাগুলো বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

অন্যদিকে, কোনো প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার দিন ধার্য থাকলে নির্ধারিত সময়সূচিতে পরীক্ষা নেওয়া যাবে বলেও জানান এ আইনজীবী।

ঈদের ছুটি শেষে গত ২১ এপ্রিল সারাদেশে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা ছিল। তবে তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে এক সপ্তাহ ছুটি বাড়ানো হয়। এরপর গত ২৫ এপ্রিল শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে রোববার (২৮ এপ্রিল) থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যথারীতি ক্লাস শুরুর নির্দেশনা দেওয়া হয়। সে অনুযায়ী রোববার সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলেছে। তবে অনেক প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত গরমে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে অসুস্থ হয়ে পড়ার খবর পাওয়া যায়।

এদিকে, তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে সোমবার ঢাকা, চুয়াডাঙ্গা, যশোর, খুলনা ও রাজশাহী দেশের এই পাঁচটি জেলার সব মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। গতকাল রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তবে যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বা এসি রয়েছে, কর্তৃপক্ষ চাইলে সেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখতে পারবেন।




ঢাকা-রাজশাহীসহ ৫ জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ




শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কোথায় কখন বন্ধ থাকবে জানালেন মন্ত্রী




এসএসসির ফল ৯ থেকে ১১ মে’র মধ্যে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামী ৯ থেকে ১১ মে এর মধ্যে প্রকাশ করা হবে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান তপন কুমার সরকার শনিবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “৯, ১০ ও ১১ মে ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী যেদিন সময় দিবেন, সেদিনই ফল প্রকাশ করা হবে।”

গত ১৫ ফেব্রুয়ারি এসএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়, শেষ হয় ১২ মার্চ।

পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিন বা দুই মাসের মধ্যে সাধারণত ফলাফল প্রকাশ করা হয়ে থাকে। সে অনুযায়ী, ১১ মে এর মধ্যে এসএসসির ফল প্রকাশ করার কথা।

এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯২ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেন।

এর মধ্যে ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ছিল ১৬ লাখ ৬ হাজার ৮৭৯ জন। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষা দিয়েছেন মোট ২ লাখ ৪২ হাজার ৩১৪ জন।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষা দেয় ১ লাখ ২৬ হাজার ৩৭৩ জন।

কোভিড মহামারীতে এসএসসি পরীক্ষার সূচি এলোমেলো হয়ে পড়েছিল। চলতি বছর অনেকটা আগের ধারাবাহিকতায় ফেব্রুয়ারিতে ফিরেছে এই পাবলিক পরীক্ষা।




শনিবার বন্ধই থাকছে প্রাথমিক বিদ্যালয়