এইচএসসি পরীক্ষা শুরু আজ, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

বরিশাল অফিস :: চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আজ রোববার (৩০ জুন) শুরু হচ্ছে। এবার ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি/আলিম/এইচএসসি (বিএম/বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল) ডিপ্লোমা-ইন কমার্স পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৯০ জন।

এর মধ্যে ছাত্রসংখ্যা ৭ লাখ ৫০ হাজার ২৮১ জন এবং ছাত্রী সংখা ৭ লাখ ৫০৯ জন। এবার মোট কেন্দ্র ২ হাজার ৭২৫টি ও মোট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৯ হাজার ৪৬৩টি। সূচারুভাবে পরীক্ষা সম্পন্নের লক্ষ্যে কয়েকটি নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

১. পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই পরীক্ষার কক্ষে প্রবেশ করতে হবে। কোনো কারণে কোনো পরীক্ষার্থীকে এর পরে প্রবেশ করতে দিলে তার নাম, রোল নম্বর, প্রবেশের সময়, দেরি হওয়ার কারণ রেজিস্ট্রারে লিখে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবোর্ডে প্রতিবেদন দিতে হবে।

২. পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবেন। প্রোগ্রামিং ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না।

৩. পরীক্ষাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ব্যবহার করতে পারবেন না এবং কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে পারবেন না।

৪. পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে এসএমএসের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের কাছে প্রশ্নপত্রের সেট কোড জানিয়ে দেওয়া হবে। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল বা ইলেকট্রনিকস ডিভাইস নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। শুধু ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন (ছবি তোলা যায় না এমন মোবাইল)।

৫. পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি (যেমন-পরীক্ষার্থী, কক্ষ প্রত্যবেক্ষক (ইনভিজিলেটর), মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্র পরিদর্শন টিম, বোর্ডের কেন্দ্র পরিদর্শন টিম, জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের পরিদর্শন টিম, নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য) ছাড়া অন্য কেউই কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না।

৬. বিশেষ সক্ষম (ডিফারেন্টলি অ্যাবল) পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ কিছু ব্যবস্থা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এরমধ্যে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, সেরিব্রালপালসি জনিত প্রতিবন্ধী এবং যাদের হাত নেই, এমন প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থী স্ক্রাইব (শ্রুতি লেখক) সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। এ ধরনের পরীক্ষার্থীদের এবং শ্রবণ পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ২০ মিনিট বাড়ানো হয়েছে।

৭. প্রতিবন্ধী (অটিস্টিক, ডাউনসিন্ড্রম, সেরিব্রালপালসি) পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বাড়ানোসহ শিক্ষক, অভিভাবক বা সাহায্যকারীর বিশেষ সহযোগিতায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ রেখেছে সরকার।




গলাচিপায় ভাইরাল হওয়া ময়লার পুকুর পরিষ্কার করলো বিডি ক্লিন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া সেই পুকুরের ময়লার স্তূপ পরিষ্কার করেছে বিডিক্লিন সদস্যরা।

গলাচিপা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের হোটেল আল মামুন এর পশ্চিম পাশের পুকুরটি পরিষ্কার করে “বিডি ক্লিন” নামের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা।

এ সময় গলাচিপা পৌরসভার গাড়ি ব্যবহার করে ময়লা অপসারণ করা হয়েছে।

পুকুর পরিষ্কার কার্যক্রমে অংশ গ্রহন করেছে প্রিতম, সজিব, মাহফুজ, রিয়ান, টুম্পা, বিথি সহ ৫০ জন স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গলাচিপা উপজেলা নব নিবার্চিত চেয়ারম্যান ওয়ানা মার্জিয়া নিতু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মহিউদ্দিন আল হেলাল, ভাইস চেয়ারম্যান ফরিদ আহসান কচিন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জহিরুন নবী, এম এম আসাদুজ্জামান আরিফ, প্রধান শিক্ষক রেদওয়ান তালাল প্রমূখ।

গলাচিপা পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সহকারী শিক্ষক খবির হোসেন জানান, এই ওয়ার্ডে আমার বাসা। পুকুরের এত ময়লা পরিস্কার করতে আমাকে বলা হলেও আমি নামতাম না। তবে বিডি ক্লিন এর সদস্যদের উদ্দ্যোগে আনন্দ উৎসবমুখর পরিবেশে তারা কাজ করছে। এরা অভিনন্দন পাওয়ার যোগ্য। এখানে একটি ডাস্টবিনের ব্যবস্থা করলে ভালো হবে। স্থানীয়রা ময়লা আবর্জনা না ফেললে মশামাছি, রোগ জীবানু আর ছড়াবে না।

আরো পড়ুন : মির্জাগঞ্জে পায়রার ভাঙ্গনের মুখে প্রাথমিক বিদ্যালয়

স্থানীয় বাসিন্দা সৌরভ জানান, এখানে একাধিক প্রতিষ্ঠান ও অর্ধশতাধিক বাসা রয়েছে । পুকুরটি পরিস্কার হওয়ায় আমরা অত্যন্ত খুশি এবং ইউএনও মহোদয়কে কি দিয়ে ধন্যবাদ জানাব ভাষা খুজে পাচ্ছি না।

গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মহিউদ্দিন আল হেলাল জানান, বিষয়টি ভাইরালের পর বিডি ক্লিন এর সহযোগিতায় আমরা পুকুরটি পরিষ্কার করেছি। এরকম আরও অনেক জায়গা আছে যেগুলো পরিষ্কার করা উচিত। জনগনের পক্ষ থেকে ময়লা উৎপাদন কমানো না হয় এবং যেখানে সেখানে ময়লা ফেলা বন্ধ না হয়, তাহলে এই একদিনের উদ্যোগ কোনো কাজে আসবে না। মানুষের প্রতি একটাই আহ্বান, ছোট ছোট যুবকরা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে, কিভাবে ময়লা পরিষ্কার করতে হয়। আমাদের জঞ্জাল, আমাদেরই দায়বদ্ধতা। আবার ময়লা ফেলার
আগে বিবেচনা করবেন যে এটা পরিষ্কার করা ফকতটা কষ্টকর।




মির্জাগঞ্জে পায়রার ভাঙ্গনের মুখে প্রাথমিক বিদ্যালয়

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: মির্জাগঞ্জের পিপঁড়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি পায়রার ভাঙ্গনের কবলে পড়ায় অন্যত্র সরিয়ে নেয়ায় ব্যপারে কমিটি গঠন করা হয়েছে।

গত ২৪ জুন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরের প্রতিষ্ঠান প্রধানের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিদ্যালয় ভবনটি নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার রক্ষা ও পাঠদান কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য এবং বিদ্যালয়টি অন্যত্র স্থানান্তরে সুপারিশ প্রণয়নের জন্য উপজেলা সহকারী কমিশনারকে আহ্বায়ক করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট্য কমিটি গঠন করা হয়।

সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে বিদ্যালয়ের ভবন পায়রা নদী গর্ভে চলে গেলে স্থানীয় দ্বন্দ্ব ও জমি নিয়ে জটিলতা দেখা দিলে গত চার বছর পর্যন্ত বিদ্যালয়ের পাঁকা ভবন নির্মিত ব্যহত হওয়ার জটিলতা দেখা দেয়। ফলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পায়রা নদীর বেড়িবাঁধের পাশে তিন কক্ষ বিশিষ্ট্য একটি টিনশেড ঘরে শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষকরা।

এছাড়া পায়রা নদী তীরবর্তী একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভাঙ্গনের ঝুকিঁর মধ্যে রয়েছে। বর্তমানে টিনশেড ঘরটিও যেকোনো সময় নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে বলে মনে করেন প্রধান শিক্ষক। পায়রা নদী থেকে বিদ্যালয়টি ছয় থেকে সাত ফুট ফুট দূরে রয়েছে। বিদ্যালয়ের নেই কোনো বিদুৎ ব্যবস্থা। এতে শিক্ষার্থীরা জিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থায় পিছিয়ে রয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের পিপঁড়াখালী গ্রামে বিদ্যালয়টি ১৯২৬ সালে প্রতিষ্টা করা হলে তা ১৯৮৮ সালে এডিপির মাধ্যমে পাকা ভবন নির্মাণ করা হয় এবং ২০১৮ সালে পায়রা নদীতে বিলীন হয়ে যায় ভবনটি। এ বিদ্যালয়ে সাতজন শিক্ষককের স্থানে প্রধান শিক্ষকসহ কর্মরত আছেন তিনজন শিক্ষক। প্রধান শিক্ষককে বিদ্যালয়সহ অফিসের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয়। দুইজন শিক্ষক দিয়ে চলছে এ বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম। বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ৪১ জন। বিদ্যালয়টি প্রতিষ্টালগ্নের সময়ে পূর্বদিকে প্রায় দেড় কিলোমিটার জমি এবং মানুষের বসতঘড় ছিল। কিন্তু পায়রা নদীতে আস্তে আস্তে সব বিলীন হয়ে গেছে। পায়রা নদীর তীরবর্তী এবং দুর্গম এলাকা বিধায় কোনো শিক্ষক এখানে আসতে চায় না।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে সমবায়ের ৮০ লাখ টাকা ঋণের চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীরা বলেন, সব সময়ে ভয়ে ভয়ে ক্লাশ করতে হয়। কখন যেন নদীতে বিলীন হয়ে যায় বিদ্যালয়টি। সম্প্রতি বিদ্যালয়ের সামনে পায়রা নদীর পাড় হঠাৎ করে ভেঙে যায়। বেশি কষ্ট হয় বর্ষার সময়ে তখন চলাচল করাই দায় হয়ে যায়। নেই খেলার মাঠ। আমাদের এখানে একটি বিদ্যালয় ভবন নির্মান হলে সকল শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতো।

অভিভাবকরা বলেন, পায়রায় ভাঙ্গনের কারণে জমিজমা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে এখানকার বহু পরিবার। নদীতে মাছ ধরে ছেলে-মেয়েদের পড়াশুনা ও আমাদের জীবন চলে। ছেলে-মেয়েকে বিদ্যালয়ে পাঠিয়েও ভয়ে থাকতে হয়। এখানে একটি ভবন নির্মাণ করা হলে শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার মান বাড়বে এবং নদী তীরবর্তী মানুষ ঝড়ের সময়ে আশ্রয় নিতেও পারবে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবু সুজিৎ মজুমদার বলেন, বিদ্যালয়টি পায়রার ভাঙ্গনে গত ২০১৮ সালে ভেঙে যায়। এরপর ছোট্ট একটি টিনশেড ঘরে চলে শিক্ষা কার্যক্রম। স্থানীয় কিছু জটিলতা ও বিদ্যালয় ভবন নির্মাণের জন্য জমি নিয়ে জটিলিতা দেখা দেয়ায় নতুন ভবন নির্মাণ হয়নি। ঘূর্ণিঝড় রেমালে পর পায়রা নদীর ভাঙ্গন আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হয়। এদিকে পায়রার ভাঙ্গনের কারণে পিপঁড়াখালী বাজারসহ গ্রামটি সম্পূর্ন নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়াও এই নদী ভাঙ্গনের কারণে এ এলাকার বহু লোক তাদের ভিটাবাড়ি ও জমি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে।

মির্জাগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: রিয়াজুল হক বলেন, বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে চলে যাওয়ার পরে নতুন ভবন বরাদ্ধ হয়েছিল। স্থানীয় জটিলতার কারণে ভবন নির্মান হয়নি। বরাদ্ধ এলেই বিদ্যালয়ের কাজ শুরু হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: তরিকুল ইসলাম বলেন, বিদ্যালয়টি ভাঙ্গনের মুখে পড়ায় ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট সকলকে বিদ্যালয়টি সুবিধাজনক স্থানে স্থানান্তর ও দ্রুত মালামাল অন্যত্র সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে এবং পাশের একটি মাদরাসায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম চলমান থাকবে। পরে সুবিধাজনক জমি পাওয়া গেলে সেখানে বিদ্যালয়টি পূনঃস্থাপনের ব্যবস্থা করা হবে।




এইচএস‌সি পরীক্ষার্থী‌দের কে‌ন্দ্রে মোমবা‌তি-দেশলাই আনার নির্দেশ




ঘুরে আসুন নান্দনিক ‘পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’

বরিশাল অফিস :: আমাদের দেশ বাংলাদেশ। এ দেশ যে কত সুন্দর তা না দেখলে বোঝা যাবে না। আজকে আমরা ঘুরে আসবো পটুয়াখালির দুমকির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস।

ছায়া ঘেরা শান্ত সুনিবিড় গ্রামের সৌম পরিবেশে ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ম (পবিপ্রবি) ক্যাম্পাস এক অনিন্দ্য সুন্দর জায়গা। যা ভ্রমণপিয়াসুদের আনন্দ দিয়ে যাচ্ছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন লেক, লেকের মধ্যে নান্দনিক বাংলোঘর ও কারুকার্যে গড়া সেতু। মৎস্য গবেষণার কয়েকটি প্রকল্প রয়েছে এ লেকে।

লেকের চারপাশ বৃক্ষ শোভিত। পরিচ্ছন্ন পাড়ে রয়েছে বসার সুন্দর ব্যবস্থা।

বিকেলে যখন শ্বেত শুভ্র রাজ হংস-হংসী এ লেকে ভেসে বেড়ায় তখন সৃষ্টি হয় মনোমুগ্ধকর এক অপরূপ দৃশ্যের। এছাড়া এ ক্যাম্পাসে রয়েছে পদ্ম পুকুরসহ বেশ কটি পুকুর, ক্যাম্পাসজুড়ে রয়েছে দেশি-বিদেশি নানা ফুল ও বৃক্ষের সমাহার।

প্রশাসনিক ভবনের সম্মুখে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের দৃষ্টিনন্দন শৈল্পিক ভাস্কর্য ‘জয় বাংলা’। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ৭ বীর শ্রেষ্ঠের আবক্ষ ভাস্কর্য। এছাড়া শহীদ মিনার ও আরও কয়েকটি মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য।

পূর্ব ক্যাম্পাসে বিস্তৃত কৃষি ফার্ম, গবেষণাগার, এম কেরামত আলী হল এবং সৃজনী বিদ্যানিকেতনের ক্যাম্পাসসহ সমগ্র ক্যাম্পাসের প্রতিটি সড়ক ও হল নান্দনিকভাবে সাজানো। যা প্রতিনিয়ত দর্শনার্থীদের আনন্দ দিয়ে যাচ্ছে।




জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থগিত পরীক্ষা ১ জুলাই




বরিশাল বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ৬৬ হাজার

বরিশাল অফিস :: বরিশাল বোর্ডের অধীনে এ বছর ৬ জেলায় এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৬৬ হাজার ৫৬২ জন শিক্ষার্থী। আগামী রোববার (৩০ জুন) বোর্ডের ১৩৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন ৩৪১ টি কলেজের এসব শিক্ষার্থীরা। বরিশাল শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা যায়, মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে নিয়মিত পরীক্ষার্থী ৫৬ হাজার ৭৭০ জন, জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষার্থী ২৭৯, প্রাইভেট পরীক্ষার্থী ১ জন এবং অনিয়মিত পরীক্ষার্থী ৯ হাজার ৫১২ জন।

আর গেটা বরিশাল বিভাগের ৩৪১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৬৬ হাজার ৫৬২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ১৪ হাজার ৫৩৬ জন, মানবিক বিভাগে ৪৪ হাজার ৫ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে মোট পরীক্ষার্থী ৮ হাজার ২১ জন। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ৩২ হাজার ১০৭ জন এবং ছাত্রী ৩৪ হাজার ৪৫৫ জন। আগামী ৩০ জুন এবারের এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে।

যেখানে ৮ আগস্ট পর্যন্ত লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষা প্রতিদিন সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরু হয়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলবে। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা ১২ আগস্ট শুরু হবে। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ হবে ২১ আগস্ট।

বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অরুন কুমার গাইন জানান, সুষ্ঠু-সুন্দর পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এবার বোর্ডের ৩৫টি স্পেশাল টিম পরীক্ষা কেন্দ্র তদারকি করবে। এ ছাড়া প্রতি জেলায় ২টি কোনো জেলায় ৩টি করে মোট ১৮টি টিম পরীক্ষা কেন্দ্রের দায়িত্ব পালন করবে।

আগামী ৩০ জুন থেকে ১১ আগস্ট এইচএসসি, আলিম ও ভোকেশনাল পরীক্ষা শিক্ষা বোর্ডের সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত পরীক্ষা চলাকালে সময় নিচের বিধিনিষেধ জারি থাকবে।

পরীক্ষাকেন্দ্র ও তার আশপাশ এলাকার ২০০ গজের মধ্যে কোন ধরনের শব্দযন্ত্র বা লাউড স্পিকার ব্যবহার, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশ, মিছিল মিটিং, ইট পাথর সংগ্রহ ও বহন, অস্ত্র গোলাবারুদ ও বিষ্ফোরক দ্রব্যাদি বহন সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ।

এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রগুলো হলো : বরিশাল সরকারি মডেল স্কুল এ্যান্ড কলেজ-১০১, বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজ-১০২, সরকারি বরিশাল কলেজ-১০৩, সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ-১০৪, বরিশাল ইসলামিয়া কলেজ-১০৫, বেগম তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মহিলা কলেজ-১০৬, অমৃত লাল দে কলেজ-১০৭, আবদুর রব সেরনিয়াবাত সরকারি কলেজ কাউনিয়া-১০৮, আলেকান্দা সরকারি কলেজ-১০৯, বরিশাল সিটি কলেজ-১৬৯, শহিদ জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজ-১১০, বরিশাল ক্যাডেট কলেজ বাবুগঞ্জ -১১২।

আলিম পরীক্ষা কেন্দ্রগুলো হলো : কাউনিয়া বালিকা আলিম মডেল মাদ্রাসা-৫২০, বাঘিয়া আল আমিন ফাজিল মাদ্রাসা-৫২৯।

ভোকেশনাল পরীক্ষা কেন্দ্রগুলো হলো : মডার্ণ টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ-৪২০৩০, ইসলামিয়া কলেজ -৪২০৪১ এবং বরিশাল সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ।




দ্বিতীয় ধাপে আবেদন শুরু ৩০ জুন প্রথম ধাপে কলেজ পাননি ৪৭ হাজারের‌ বেশি শিক্ষার্থী




একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ




জিপিএ-৫ পেয়েও কলেজ পায়নি সাড়ে ৮ হাজার শিক্ষার্থী