বাংলাদেশ সোসাইটি নিউরোসার্জনসের ফের সভাপতি হলেন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হোসেন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :  বাংলাদেশ সোসাইটি অব নিউরোসার্জনস এর কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন-২০২৪ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরো সার্জারি বিভাগের লেকচার হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরো সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক এবং সার্জারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হোসেন সভাপতি পদে বিপুল ভোটে পুনঃনির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ১২৬ এবং নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়ার প্রাপ্ত ভোট ৯৯। গত ১৩ জুলাই শনিবার দুপুরে বাংলাদেশ সোসাইটি অব নিউরোসার্জনসের এ নির্বাচন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরোসার্জারী বিভাগের লেকচারার হলে অনুষ্ঠিত হয়।রোববার দুপুরে ( ১৪ জুলাই ২০২৪) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংগঠনের নব নির্বাচিত সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হোসেন।

সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন অধ্যাপক ডা. শফিকুল ইসলাম। কোষাধ্যক্ষ পদে নির্বাচিত হয়েছেন অধ্যাপক ডা আতিকুর রহমান এবং অন্যপদসহ মোট ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
সারাদেশের ২২৮ জন নিউরো সার্জন এই নির্বাচনে প্রত্যক্ষ ভোট প্রদান করেন।নবনির্বাচিত সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নিউরোসার্জিক্যাল চিকিৎসাসেবা প্রদানের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল এবং বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে নিউরোসার্জিক্যাল সার্ভিস চালু করা, ব্রেন ও মেরুদণ্ডে আঘাতপ্রাপ্ত এবং স্ট্রোক আক্রান্ত রোগীদের জরুরি অপারেশনের জন্য পদ সৃষ্টির জন্য কাজ করব।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ২০৪১সালের উন্নত সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশের নিউরো সার্জারিকে বিশ্বমানের পরিণত করার লক্ষ্যে সোসাইটি অব নিউরো সার্জন কাজ অব্যাহত রাখবে।




পবিপ্রবিতে সর্বাত্মক কর্মবিরতি – সেশনজটের আশঙ্কা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) সর্বজনীন পেনশন স্কিম প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহারের দাবিতে ১৪তম দিনে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সর্বাত্মক কর্মবিরতি চলছে।

রোববার (১৪ জুলাই) বেলা ১১টায় ১৪তম দিনে অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত পেনশনসংক্রান্ত বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা পরিষদ ও কর্মচারী ইউনিয়ন কর্মসূচি পালন করছে।

এ সময় শিক্ষক, কর্মকর্তা- কর্মচারীরা তাদের বিভিন্ন দাবির কথা তুলে ধরেন। দাবি আদায় না হাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

শিক্ষক, কর্মকর্তা- কর্মচারীদের এ সর্বাত্মক কর্মবিরতিতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা। স্থবির হয়ে পড়েছে পবিপ্রবির শিক্ষা কার্যক্রম। দেখা দিচ্ছে সেশনজটের আশঙ্কা। শিক্ষার্থীরা দ্রুত এ সমস্যার সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।

আরো পড়ুন : ত্রাণ প্রতিমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট – এবার পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মো. আসাদুজ্জামান মিয়া (মুন্না) বলেন, যুগ যুগ ধরে দেশের সেরা শিক্ষার্থীরাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হয় অথচ রাষ্ট্র বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের যেভাবে দেখছে তা চরম মর্যাদাহানিকর ও অবমাননাকর। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বৈষম্যমূলক প্রত্যয় পেনশন স্কিমের আওতায় থাকবে না।

তিনি আরো বলেন, আমাদের জন্য স্বতন্ত্র উচ্চতর বেতনস্কেল প্রবর্তন করতেই হবে। সারা দেশে সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আজ এ দাবিতে কর্মসূচি দিয়েছে, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা কর্মসূচি চালিয়ে যাব।




প্রশ্নফাঁস চক্রের সদস্য জাহিদুলের গ্রেপ্তারে আনন্দিত ভোলার এলাকাবাসী

বরিশাল অফিস :: সরকারি কর্ম কমিশনসহ ৩০টি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া ১৭ জনের মধ্যে একজনের বাড়ি ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায়। জাহিদুলের প্রতারণা থেকে রেহায় পায়নি তার নিজ এলাকার সাধারণ চাকরি প্রত্যাশীরাও। তার আটকের খবর নিজ এলাকায় জানাজানি হলে প্রতারণার শিকার চাকরি প্রত্যাশিদের মধ্যে আনন্দের পাশাপাশি ক্ষোভও দেখা গেছে।

সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়নের শম্ভুপুর ইউনিয়নের চর কোড়ালমাড়া ইয়াসিনগঞ্জ বাজারসংলগ্ন ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুল মান্নান মাস্টার বাড়ির আবদুল লতিফের ছোট ছেলে জাহিদুল ইসলাম।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, চার বোন তিন ভাইয়ের মধ্যে জাহিদুল সবার ছোট। ছোট বেলায় জাহিদুল ইসলাম প্রথমে লালমোহন উপজেলার রায়চাঁদ এলাকার একটি মাদরাসায় হাফেজি পড়েছেন। কিন্তু পারিবারিক নানা সমস্যার কারণে হাফেজি পড়াশুনা শেষ করতে পারেননি। পরে লালমোহনের ডাওয়ারী মাদরাসা থেকে দাখিল ও লালমোহন কামিল মাদরাসা থেকে আলিম পাস করেন। বর্তমানে লালমোহন কামিল মাদরাসায় ফাজিল তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত জাহিদুল।

জাহিদুলের বড় বোন মায়ানুর বেগম বলেন, জাহিদুল আমার ছোট ভাই। পড়াশুনা করার জন্য দুই বছর আগে ঢাকায় পাঠাই। ঢাকায় মিরপুর এলাকায় থেকে পড়াশুনার পাশাপাশি ছোট খাটো ব্যবসা কারতো শুনেছি। পরে কিছু দিন আগে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকার মধ্যেমে শুনতে পাই আমার ছোট ভাই জাহিদুল ইসলাম প্রশ্ন ফাঁস চক্রের সাথে জড়িয়ে গ্রেপ্তার হয়েছে।

এলাকাবাসী জানায়, জাহিদুল ইসলাম এলাকায় জুয়েল নামে পরিচিত। দুই বছর ধরে পরীক্ষায় পাস ও চাকরি দেওয়ার নামে বিভিন্ন সময় এলাকার মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়েছে। বাড়িঘরের অবস্থা নাজুক হলেও এলাকায় জাহিদুলের চলাফেরা ছিলো রাজকীয়ভাবে। তাঁর কথায় মন সহজে গলে যেত সাধারণ চাকরী প্রত্যাশিদের। এই সুযোগে তিনি পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেওয়া ও চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা করে অনেক টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন সাধারণ চাকরী প্রত্যাশিদের কাছ থেকে। তার আত্মীয়-স্বজনও তার প্রতারণা হাত থেকে রেহায় পায়নি বলে জানা যায়। বিভিন্ন সময় তার ফেসবুকে আইডি থেকে চাকুরীর পাইয়ে দেয়া লোভনীয় পোস্ট করে প্রলোভন দেখাতো। তবে পাওনাদারদের ভয়ে এক বছর ধরে ঠিকমতো এলাকায় ফিরতে পারেনি জাহিদুল।

জানতে চাইলে প্রতিবেশী শাহাবুদ্দিন বলেন, জাহিদুল ইসলাম ওরফে জুয়েল চাকরি দিবে বলে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের এ+ পাইয়ে দিবে বলেও টাকা নিয়েছে। তাই তাঁর গ্রেপ্তারে এলাকার অনেকেই আনন্দিত। টাকা ফেরত না পেয়ে আবুল কাশেম নামের এক ভুক্তভোগী মামলাও করেছেন জাহিদুলের নামে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন জানান, জাহিদুল এক বছর আগেও এলাকার মানুষজনকে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়েছেন। চাকরী দিতে না পেরে তিনি এলাকা থেকে উধাও হয়ে যান। এখন আর প্রতারক জাহিদুল ইসলাম বাড়িতেও আসেন না। জাহিদুলের প্রতারণার শিকার ভোক্তভোগী পরিবারগুলি তাদের টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সরকারের নিকট।’




ভোর থেকে বৃষ্টি, বিপাকে পরীক্ষার্থীরা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : সাপ্তাহিক ছুটির সকালেই বৃষ্টিতে ভিজেছে ঢাকা। মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি কিছুটা বিরতি নিয়ে সকাল থেকেই কমবেশি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঝড়ছে। সড়কে যানবাহন চলাচলও কম আছে।

বঙ্গোপসাগরে মৌসুমি বায়ু মাঝারি থেকে প্রবল অবস্থায় রয়েছে জানিয়ে আবহাওয়া অফিস বলছে, দেশের সব বিভাগেই আজ শুক্রবার রয়েছে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস।

কোথাও কোথাও হতে পারে ভারি বর্ষণও।

শুক্রবার (১২ জুলাই) মধ্যরাত থেকেই ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়। আবার তা কিছুটা সময় থেমে থাকে। এরপর ভোর ৫টার দিকে আবারও মাঝারি আকারে বৃষ্টি ঝড়তে শুরু করে।

সকাল ৯টার সময়ও বৃষ্টি পড়ছিল।

সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় পথে মানুষজন কম। অধিকাংশ সড়কেই নেই যানবাহনের চাপ। তবে, বেশি বিপাকে পড়েছেন ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেয়া চাকরিপ্রার্থীরা।




‘কোটা আন্দোলনকারীদের জন্য আদালতের দরজা সবসময় খোলা’: প্রধান বিচারপতি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেছেন, কোটা আন্দোলনকারীদের জন্য আদালতের দরজা সবসময় খোলা। যারা আন্দোলন করছেন তাদেরকে পরামর্শ দিন, তারা কেন নির্বাহী বিভাগের কথা বলে? নির্বাহী বিভাগের যে কোনও সিদ্ধান্ত তো আদালতে চ্যালেঞ্জ হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) আপিল বিভাগে একটি মামলার শুনানিতে সিনিয়র আইনজীবী ও সুপ্রিম কোর্টের নেতাদের উদ্দেশ্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান বিচারপতি বলেন, কোটা আন্দোলনকারীরা তাদের দাবিগুলো আইনজীবীদের মাধ্যমে তুলে ধরতে পারেন। আমরা সেটি গুরুত্ব সহকারে শুনব।

দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে জাতীয় সংসদকে ১৬ দফা পরামর্শ দেওয়া সংক্রান্ত রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির একপর্যায়ে প্রধান বিচারপতি এসব কথা বলেন।

শুনানিতে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, দেশের স্বার্থে হাইকোর্ট দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করতে ১৬ দফা পরামর্শ দিয়েছেন।




সরকারি চাকরিতে কোটা ইস্যুতে কোর্ট থেকে সমাধান আসা উচিত: প্রধানমন্ত্রী

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকারি চাকরিতে কোটার বিষয়টি সর্বোচ্চ আদালতে নিষ্পত্তি করা উচিত।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘হাইকোর্টের রায় এটার বিরুদ্ধে এভাবে আন্দোলন করা এটাতো সাবজুডিস। কারণ আমরা সরকারে থেকে কিন্তু এ ব্যাপারে কোন কথা বলতে পারি না। কারণ হাইকোর্ট রায় দিলে সেটা হাইকোর্ট থেকেই আবার আসতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুব মহিলা লীগের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নেতৃবৃন্দ গণভবনে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এলে একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে একটা কথা আমি না বলে পারছিনা, আমরা দেখছি যে কোটা আন্দোলন। আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য যে কোটা সেটা বাতিল করতে হবে। নারীদের কোটা বাতিল করতে হবে, এ ধরনের নানা কথা শোনা যাচ্ছে। সেটা একবার বাতিল করা হয়েছিল কিন্তু ফলাফলটা কি?

তিনি বলেন, পাবলিক সার্ভিস কমিশন পরীক্ষার হিসাব যদি দেখা যায় তাহলে দেখা যেত আগে কোটা থাকাতে মেয়েরা যে সংখ্যায় সুযোগ পেত সে সুযোগ কিন্তু এই গত কয় বছরে পায়নি। এটা হলো বাস্তবতা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এমনকি অনেক অনেক জেলা, প্রত্যন্ত অঞ্চল সেই অঞ্চলের মানুষগুলো কিন্তু বঞ্চিত থেকে গেছে। তারাও চাকরী পাচ্ছে না। আর এরকম বঞ্চিত হওয়ার কারণেই কেউ মামলা করে যাতে হাইকোর্ট একটা রায় দেয়। হাইকোর্টের রায়টা আমরা সবসময়ই মেনে নেই। কিন্তু আমরা এখন দেখলাম যে কোটা বিরোধী আন্দোলন এখন আবার গড়ে তোলার চেষ্টা হচ্ছে। ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া বাদ দিয়ে কোটা বিরোধী আন্দোলন করছে,সেখানে মেয়েরাও করছে।

তিনি বলেন, এখানে আমার একটা প্রশ্ন আছে, যারা এর আগে কোটা বিরোধী আন্দোলন করেছিল তারা কয়জন পাবলিক সার্ভিস কমিশনে পরীক্ষা দিয়েছিল আর কতজন পাশ করেছিল সেই হিসেবটা একটু বের করা দরকার। তারা দেখাক যে পরীক্ষা দিয়ে তারা বেশি পাশ করেছিল, মেয়েরা বেশি পরীক্ষা দিয়ে বেশি চাকরি পেয়েছে কী না? সেটা আগে তারা প্রমাণ করুক।

তিনি বলেন, ‘আর হাইকোর্টের রায় এটার বিরুদ্ধে এভাবে আন্দোলন করা এটাতো সাবজুডিস। কারণ আমরা সরকারে থেকে কিন্তু এ ব্যাপারে কোন কথা বলতে পারি না। কারণ হাইকোর্ট রায় দিলে সেটা হাইকোর্ট থেকেই আবার আসতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে আন্দোলনের নামে যেটা আবার করা হচ্ছে পড়াশোনার সময় নষ্ট করা এটার কোন যৌক্তিকতা আছে বলে আমি মনে করি না।

উল্লেখ্য, সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা বাতিল করে ২০১৮ সালে সরকারের জারি করা পরিপত্র পুনর্বহালসহ কয়েকটি দাবিতে শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীরা আন্দোলন করছেন। যদিও স্বাধীনতার পর থেকেই বিভিন্ন শ্রেণীর চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা চলে আসছিল। এক পর্যায়ে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে ২০১৮ সালের অক্টোবরে নবম থেকে ১৩ তম গ্রেডের (প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণী) সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল করে পরিপত্র জারি করেছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

প্রধানমন্ত্রী সার্বজনীন পেনশন স্কীম প্রসঙ্গে বলেন, সার্বজনীন পেনশন স্কীম আমরা দিয়েছি এটা সকলের জন্য। এটা আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ছিল, ২০০৮ এর নির্বাচনী ইশতেহারে। যেটা আমরা করতে পেরেছি।
তিনি বলেন, শুধুমাত্র সরকারী চাকরিজীবী তারাই পেনশন পায় আর বাকীরা বঞ্চিত থাকে। কাজেই কেউ যাতে বঞ্চিত না থাকে সেজন্য এই পেনশন স্কীমে বিভিন্ন স্তর দিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমি মনে করি আমাদের যুব মহিলা লীগের প্রত্যেকেই এই সার্বজনীন পেনশন স্কীমে যুক্ত হতে পার। যুক্ত হতে পার নিজেদের একটা ভবিষ্যতের জন্য।

তিনি বলেন, যখন মানুষের বয়স হয়ে যাবে বা তারা কর্মক্ষম থাকবে না এর মাধ্যমে তাদের জীবন- জীবকা নির্বাহের জন্য একটি নিশ্চিত অর্থ প্রাপ্তির সুযোগ রয়েছে। এটা কিন্তু আজীবন পাবে। আমি মনে করি যারা আমাদের রাজনীতির সাথে যুক্ত তাদের এ ধরনের পেনশন স্কীমে ঢোকা দরকার। আর যারা একেবারে প্রান্তিক বা নিন্ম আয়ের মানুষ রয়েছে তাদের জন্য এতে বিশেষ প্রণোদণা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, যুব মহিলা লীগ সবসময়ই আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে ছিল,অনেক সময় তারা যেমন পুলিশের হাতে নির্যাতিত তাই নয়, বিএনপির অস্ত্রধারী নেতা-কর্মীরাও আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো- যুব মহিলা লীগের ওপর অকথ্য অত্যাচার নির্যাতন করেছে। তাদের সেই অত্যাচারের অনেক ছবি, চিত্র অনেক কিছুই এখনো রয়েছে। অত্যাচার নির্যাতনকালে মা-বোন বলে তারা কোন সমীহ করেনি।

তিনি বলেন, তারা এতই জঘন্য প্রকৃতির নির্যাতন করেছে যেটার নিন্দা করার ভাষা আমার নেই। কারণ তারা সে সময় মানুষ নয় জানোয়ারের থেকেও অধম জীবে পরিণত হয়েছিল। তারপরেও সকল বাধা অতিক্রম করে প্রত্যেকটা সংগ্রামে যুব মহিলা লীগ রাজপথে থেকে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেছে। এমনকি তাঁকে গ্রেফতারের সময় বাধা দিতে গিয়ে অনেকে গ্রেফতার হয়ে করা বরণ করেন। যাদের অনেককে ছোট বাচ্চা ঘরে রেখেও কারাগারে যেতে হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করেছে।
তিনি বলেন, ‘সেই সংগ্রামের পথ বেয়েই আজকে আমরা সরকারে আসতে পেরেছি এবং অত্যাচার নির্যাতন যতই হোক আমরা মাথা নত করিনি, আর আমরা একটাই জিনিষ চেয়েছিলাম গণতন্ত্র পুনপ্রতিষ্ঠিত হোক।’

এ সময় খালেদা জিয়ার ’৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির ভোটারবিহীন নির্বাচন অনুষ্ঠান ও দেড় মাসের মাথায় তার পদত্যাগে বাধ্য হওয়া, দেড় কোটি ভুয়া ভোটার দিয়ে নির্বাচনে জয়লাভের চেষ্টা এমনকি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় তাঁকে প্রেফতার করা হলে তাঁর মুক্তির দাবিতে আন্দোলন এবং স্বাক্ষর সংগ্রহে যুব মহিলা লীগের ভূমিকার কথা স্মরণ করেন শেখ হাসিনা।

তিনি তাঁর সরকারের নিরাপত্তা বলয়ের বিভিন্ন কর্মসূচি এবং নারীর ক্ষমতায়নের বিভিন্ন পদক্ষেপেরও উল্লেখ করেন এ সময়।

এরআগে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে নেতৃবৃন্দ ফুল দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানান। অনুষ্ঠানে যুব মহিলা লীগের ওয়েবসাইট ও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

২০০২ সালের ৬ জুলাই আওয়ামী লীগ সভাপতি ও তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের এক ঝাঁক সাবেক নেত্রীকে নিয়ে যুব মহিলা লীগ গঠন করেন।




পায়ে হেঁটে ১৫০ কিলোমিটার পথ পরিভ্রমণ তিন শিক্ষার্থীর

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ব‌রিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপের তিন রোভার বরিশাল থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত ১৫০ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে পরিভ্রমণের উদ্দেশে বের হয়েছেন।

রোববার (৭ জুলাই) সকাল ৭টায় পাঁচ দিনব্যাপী এ যাত্রা শুরু করেন তারা। এ যাত্রা শেষ হবে ১১ জুলাই।

রোভার স্কাউটস এর সর্বোচ্চ সম্মান প্রেসিডেন্টস রোভার স্কাউট অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তির লক্ষ্যে পরিভ্রমণ ব্যাজ অর্জন করতে এই পরিভ্রমণ সম্পন্ন করবেন সিনিয়র রোভার মেট অভিজিৎ দাস, রাশেদ ইমরান ও রবিন চন্দ্র মজুমদার।

পাঁচ দিনব্যাপী এই প্রোগ্রামে তারা বাকেরগঞ্জ, পটুয়াখালীর কলাপাড়া ও কুয়াকাটা পায়ে হেঁটে পরিভ্রমণ করবে। এই সময় সমাজ সচেতনতামূলক তিনটি স্লোগান তারা বহন করে।

পথে তারা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারি ও বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ অফিস ইত্যাদি পরিদর্শন করবে। এছাড়া গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হবে।




২৫ বছরে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: আগামীকাল পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ২০০০ সালের ৮ জুলাই কৃষি কলেজের অবকাঠামোয় বিশ্ববিদ্যালয়টির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্তের নেতৃত্বে অবকাঠামোগত ধারাবাহিক উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়টি আধুনিকতার ছোঁয়া পেতে চলেছে। এর সেশনজট দূর হয়েছে। শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা প্রাপ্য পদোন্নতি পাচ্ছেন যথাসময়ে।

পটুয়াখালী শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার উত্তরে দুমকি উপজেলায় ৯৭ একর জায়গা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাস। বরিশালের খানপুরা, বাবুগঞ্জে এর আরও দুটি ক্যাম্পাস আছে।

গবেষণা কার্যক্রম
বিশ্ববিদ্যালয়টির রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারের মাধ্যমে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এই সেন্টারের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এ পর্যন্ত ৮০১টি গবেষণা প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। বর্তমানে নিজস্ব ও সরকারি অর্থায়নে ২০২২-২৩ সালে পরিচালিত গবেষণা প্রকল্প ১৫৩টি।

পবিপ্রবির গবেষণায় বেশ কয়েকটি উন্নত ও উচ্চফলনশীল ফলের জাত উদ্ভাবিত হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম পিএসটিইউ বিলাতি গাব-১, পিএসটিইউ বিলাতি গাব-২, পিএসটিইউ ডেউয়া-১, পিএসটিইউ ডেউয়া-২, পিএসটিইউ বাতাবিলেবু-১, পিএসটিইউ কামরাঙা-১, পিএসটিইউ কামরাঙা-২, পিএসটিইউ তেঁতুল-১, পিএসটিইউ বৈচি-১।

২৫ বছরে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
শিক্ষা, সংস্কৃতি, স্বাধীনতাসংগ্রাম, মননশীলতা, আধুনিকতায় দক্ষিণাঞ্চলের রয়েছে সমৃদ্ধ ইতিহাস। এই অঞ্চলের অতীত গৌরবকে এ বিশ্ববিদ্যালয় আরও দৃঢ় ও সমৃদ্ধ করবে বলে আমার বিশ্বাস। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দক্ষিণাঞ্চলের সত্যিকারের ‘বাতিঘর’ হয়ে উঠুক—এটা আমার প্রত্যাশা।
অধ্যাপক ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত উপাচার্য, পবিপ্রবি

উপকূলীয় এলাকার জন্য উন্নত ক্রপিং সিস্টেম ও বায়োচার প্রযুক্তি উদ্ভাবন, ১০০ দেশি জাতের পাঁচ শর বেশি ধানের গবেষণা ও সংগ্রহশালা তৈরি, ভুট্টা ও সূর্যমুখী চাষে স্ট্রিপ পদ্ধতিতে ২২ থেকে ২৫ শতাংশ বেশি উৎপাদনে সক্ষমতা তৈরি এবং লবণাক্ততা ও পানিসহিষ্ণু ধান উৎপাদনের প্রয়াস অব্যাহত রয়েছে দক্ষিণাঞ্চলের এই উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।

২৫ বছরে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের মানুষের শিক্ষা ও কৃষির উন্নয়ন এবং তাদের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় যাঁরা নেতৃত্ব দেন এবং সহযোগিতা ও সমর্থন দিয়েছেন, তাঁদেরও ধন্যবাদ জানাই।
অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী ট্রেজারার, পবিপ্রবি

মাছের দ্রুত বৃদ্ধিকরণ প্রযুক্তি, শুঁটকি তৈরি ও সংরক্ষণের নিরাপদ প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং দেশের প্রথম ও একমাত্র জলহস্তীর কঙ্কাল প্রস্তুতকরণ ছাড়া উদ্ভিদ ও প্রাণী নিয়ে দেড় শর বেশি গবেষণা চলমান রয়েছে। কৃষি সমৃদ্ধ করতে প্রতিনিয়ত চলছে নানা ধরনের গবেষণা কার্যক্রম। এ ছাড়া প্রোগ্রাম বেইজড গবেষণা কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।

শিক্ষার মান
আমেরিকান কোর্স ক্রেডিট সিস্টেম পদ্ধতি চালু রয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। হাতে-কলমে শিক্ষাদানের জন্য এখানে রয়েছে ৩২টি আধুনিক গবেষণাগার। রয়েছে অত্যাধুনিক সরঞ্জামসংবলিত একটি কেন্দ্রীয় গবেষণাগার।

২৫ বছরে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
বর্তমানে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন ধরনের গবেষণা করে দেশের ও দক্ষিণাঞ্চলে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। আমরা চাই বিশ্ববিদ্যালয়টি আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হোক। আমাদের নানান চ্যালেঞ্জ রয়েছে। আশা করি সরকারের সহযোগিতায় আরও নতুন নতুন উদ্যোগ নিয়ে আমরা চ্যালেঞ্জগুলো অতিক্রম করতে পারব।
অধ্যাপক ড. সন্তোষ কুমার বসু রেজিস্ট্রার, পবিপ্রবি

চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ বাস্তবায়ন করতে কোর্স কারিকুলামে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে। চালু হয়েছে আউটকাম বেইজড কারিকুলাম। একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে শতভাগ ডিজিটালের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে।

সহশিক্ষা কার্যক্রম
পবিপ্রবিতে নিয়মিতভাবে বার্ষিক ক্রীড়া ও আন্তঅনুষদীয় টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়। সংস্কৃতিচর্চার জন্য রয়েছে কয়েকটি সংগঠন ও গানের দল। এ ছাড়া টিএসসিকেন্দ্রিক অর্ধশতাধিক সামাজিক সংগঠন স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে।

ডিজিটাল ক্যাম্পাস
বিশ্ববিদ্যালয়টির ক্যাম্পাস ডিজিটাল ক্যাম্পাসে পরিণত করার কাজ চলছে। এর লাইব্রেরিকে শতভাগ ডিজিটাল করার কাজ চলছে। রয়েছে শিক্ষার্থী, শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য ডিজিটাল পরিচয়পত্র। হলসহ সবখানে রয়েছে হাইস্পিড ওয়াই-ফাই ইন্টারনেট। পুরো বিশ্ববিদ্যালয়কে অটোমেশন করার কাজ চলমান।

অবকাঠামো উন্নয়ন
অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৪৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের কাজ চলছে। ভূমি উন্নয়ন, খামার, হলসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের কাজ চলছে সমানতালে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
বর্তমান উপাচার্য একাডেমিক মাস্টারপ্ল্যান তৈরিসহ দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন পরিকল্পনার কাজে হাত দিয়েছেন। সমুদ্রসম্পদের যথাযথ ব্যবহার ও গবেষণার জন্য কুয়াকাটায় মেরিন ফিশারিজ রিসার্চ ইনস্টিটিউট স্থাপনের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ৬০০ কোটি টাকার ডিপিপি জমা দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও উন্নয়নের জন্য ফিজিক্যাল মাস্টারপ্ল্যান তৈরি শেষ পর্যায়ে। অবকাঠামো উন্নয়ন এবং একটি কেন্দ্রীয় গবেষণাগারসহ অ্যানিমেল রিসার্চ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা এই মাস্টারপ্ল্যানের অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এ ছাড়া ইইই বিভাগ, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং, কৃষি প্রকৌশল এবং বায়োমেডিকেল বিভাগসহ অন্যান্য যুগোপযোগী বিভাগ খোলার পরিকল্পনা রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টির।




বাউবির শুক্রবারের পরীক্ষা স্থগিত




দৌলতখানে নতুন কারিকুলামে ৫ঘন্টা পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা খুশি

বরিশাল অফিস ::  ভোলার দৌলতখান সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা নতুন কারিকুলামে ৫ঘন্টা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে খুবই খুশি। গতকাল বাংলা প্রথম পরীক্ষায় ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে নবম শ্রেণী পর্যন্ত বিদ্যালয়ের মোট ৪ শত ৯৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সঞ্জীব কুমার হালদার জানান, ৫ ঘন্টা পরীক্ষার প্রথম ২ ঘন্টা লিখিত, ৩০ মিনিট বিরতি ও তার পর বাকি সময় ব্যবহারিক পরীক্ষা। এভাবেই প্রতিদিন ৫ ঘন্টা করে পরীক্ষা নেয়া হবে।

তিনি আরও জানান এভাবেই দেশের বিভিন্ন স্থানে নতুন কারিকুলামে পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে। তবে যেসব স্থানে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র সেসব কেন্দ্রের পরীক্ষা নিতে একটু অসুবিধা হচ্ছে। এসএসসি পরীক্ষার ফাঁকে ফাঁকে বিদ্যালয়ের পরীক্ষা নেয়া হবে।

বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী তৌফিকুর রহমান রিসাল জানান, নতুন কারিকুলামে আমরা আনন্দের সাথে পরীক্ষা দিয়েছি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দুটি সরকারি বিদ্যালয়সহ ২২ টি বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সম্ভাব্য শিক্ষার্থী সংখ্যা ১৪ হাজার। দাখিল পর্যায়ে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী সংখ্যা ৭ হাজার। মোট ২১ হাজার শিক্ষার্থী এবারের নতুন কারিকুলামে পরীক্ষা দিচ্ছে।