সময় নয়, সংস্কার শেষে নির্বাচন চায় জামায়াত

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদকরা সরকারের মেয়াদ দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে রাখার প্রস্তাব করেছেন।

প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক শেষে প্রেস সচিব শফিকুল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, গত শনিবার রাজনৈতিক দলগুলো প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে মতবিনিময়ে বলেছিল অন্তর্বর্তী সরকার যেন যৌক্তিক সময় পর্যন্ত থাকে। এই যৌক্তিক সময় আসলে কতটুকু? এ বিষয়ে ড. ইউনূস দেশের শীর্ষ সম্পাদকদের কাছে জানতে চেয়েছেন। এই অন্তর্বর্তী সরকারকে কী কী কাজ করতে হবে, নূন্যতম কতটুকু কাজ করতে হবে- এসব প্রশ্ন রেখেছেন।

প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, প্রধান উপদেষ্টার এমন জবাবে সবাই মতামত দিয়েছে সর্বনিম্ন যে সময়টা এসেছে দুই বছর, যাতে এই অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ হয়। অনেকে আবার দুই থেকে তিন বছরের কথা বলেছেন। কিন্তু মাঠে রাজনীতিতে বিএনপি এই সরকারকে বেশি সময় দিতে চায় না। বিএনপি বলছে যৌক্তিক সময়ের মধ্যে সংস্কার শেষে নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে। সেইসাথে রাষ্ট্র সংস্কার ও নির্বাচনের রোডম্যাপও দিতে হবে সরকারকে।

মাঠের আরেক প্রধান দল জামায়াতে ইসলামী বলছে, যোক্তিক সময় বা কোন নির্দিষ্ট সময় নয়। রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও সরকারের সংস্থাগুলো দ্রুত সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে।

এই বিষয়ে দলটির প্রচার সম্পাদক মতিউর রহমান আকন্দ বার্তা২৪.কমকে বলেন, ছাত্রজনতার আন্দোলনে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্বের সময় মাত্র ২৫ দিন গেল। আমরা চাই এই সরকার নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা সংস্কার করে দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করতে।

জামায়াত ভোটের মাঠে কারো সাথে জোটে যাবে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এই মুহূর্তে কিছু বলা যাচ্ছে না। ভোটের হাওয়া শুরু হলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এদিকে ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানে ড. ইউনুসের নেত্বর্তে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন হয়। এর আগে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সাথে রাজনৈতিক দলের বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, এখন যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন হবে, এই সরকারকে তিন মাসের মধ্যে নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে।

পরবর্তীতে এই বক্তব্য থেকে সরে এসে দলটির সব কেন্দ্রীয় নেতারা যৌক্তিক সময়ের মধ্যে নির্বাচন দাবি করেন, সেই সাথে রাষ্ট্র সংস্কারের রোডম্যাপ চেয়েছে দলটি।




এইচএসসি’র ফল হবে সাবজেক্ট ম্যাপিং করে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে ২০২৪ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে। এ লক্ষ্যে পরীক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহের জন্য ঢাকা শিক্ষা বোর্ড জরুরি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। আগামী ১২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তথ্য পাঠাতে বলা হয়। তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি সাবজেক্ট ম্যাপিং সংক্রান্ত প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয় প্রস্তাবে অনুমোদন দিলে পরের এক মাসের মধ্যে ফল প্রকাশ করা হবে।

জেএসসি ও এসএসসি’র বিষয়ভিত্তিক ফলাফলের গড় করে বিগত সময়ে সাবজেক্ট ম্যাপিং পদ্ধতিতে ফল প্রকাশ করা হয়েছে। কোভিডের সময় এভাবে ফল ঘোষণা করা হয়।




মধ্যরাতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও বিএম কলেজের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ১৫ থেকে ২০ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত দুইটার দিকে ব্রজমোহন কলেজ ক্যাম্পাসে এই ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী এবং উভয়প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ব্রজমোহন কলেজের শিক্ষার্থী আমান জানান, মধ্যরাতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি বাস, একটি ছোট ট্রাকভর্তি শিক্ষার্থীরা এসে আমাদের ক্যাম্পাসে হামলা চালায়। যাকে যেখানে যেভাবে পেয়েছে পিটিয়ে আহত করেছে। অনেকের মাথা ফেটেছে, অনেকে মারাত্মক জখম হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তারা কলেজের তিনটি গাড়িও ভাঙচুর করেছে।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাজিদ বলেন, আমাদের বাসে ব্রজমোহন কলেজের কিছু উচ্ছৃঙ্খল শিক্ষার্থী ভাঙচুর চালায়। এসব বিষয়ে কথা বলতে কলেজ ক্যাম্পাসে গিয়েছিলাম। তারা আমাদের দেখেই হামলা চালায়। আমাদের অনেকে আহত হয়েছেন।

গত কয়েকদিন ধরেই উভয় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। এক নির্মাণাধীন ভবন নিয়ে এ ঘটনার সূত্রপাত।

কয়েকজন শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, নগরীর বাংলাবাজার এলাকার ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোডের এক নারীর ভবন নির্মাণ বন্ধ করে রেখেছে ওই নারীর প্রতিবেশী একটি পক্ষ। এ বিষয়ে সরকারি ব্রজমোহন কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রভাবিত করে ঘটনাস্থলে এনে কাজ শুরু করার চেষ্টা চালান ওই নারী। ব্রজমোহন কলেজের সমন্বয়কারীদের মধ্যে মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে গত ২ সেপ্টেম্বর রাতে ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোডের ওই বাড়িতে যান একদল শিক্ষার্থী।

খবর পেয়ে ওই নারীর প্রতিপক্ষের মেয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ঘটনাস্থলে কয়েকজন শিক্ষার্থী নিয়ে আসেন। এ সময় মোস্তাফিজকে মারধর করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার মানববন্ধনের আয়োজন করে বিএম কলেজের শিক্ষার্থীরা। ওইদিকে মোস্তাফিজের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

পরদিন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীকে চাঁদাবাজির অভিযোগে মারধর করা হয়। তাদের উদ্ধারে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বাস নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। পরে বাসটি ভাঙচুর করে সরকারি ব্রজমোহন কলেজের শিক্ষার্থীরা। এসব ঘটনার সূত্র ধরে রাত দুইটার দিকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিএম কলেজ ক্যাম্পাসে এসে হামলা-ভাঙচুর চালায়।

সরকারি ব্রজমোহন কলেজের প্রশাসনিক কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তারা কাজ করছেন।




ঢাবির ৮ অনুষদে নতুন ডিন নিয়োগ




শিক্ষকদের জোরপূর্বক পদত্যাগ বন্ধের আহ্বান শিক্ষা উপদেষ্টার

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: শিক্ষা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, ‘লক্ষ্য করা গেছে-দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহে এখনো শিক্ষকদের জোরপূর্বক পদত্যাগ ও নানাভাবে হেনস্তা করার ঘটনা ঘটছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে হবে।’

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার সময় সংশ্লিষ্টদের প্রতি এ আহ্বান জানান তিনি।

শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘যেসব শিক্ষক ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অপকর্মের অভিযোগ আছে, তা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ যথাযথ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে। শৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের চিহ্নিত করে প্রচলিত আচরণবিধি অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, ‘বেআইনি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সংগঠিত হলে তার প্রতিকারের জন্য ইতোমধ্যেই স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিজেদের স্বার্থেই নিজ নিজ শিক্ষাঙ্গনে সুষ্ঠু পরিবেশ রক্ষা করতে হবে।’



স্কুলে ফিরছে বার্ষিক পরীক্ষা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: চলতি বছরই আগের জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০১২ অনুযায়ী সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। সেই অনুযায়ী আগামী ডিসেম্বরে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা চিহ্নভিত্তিক মূল্যায়নের পরিবর্তে সৃজনশীল প্রশ্নে নম্বরভিত্তিক পরীক্ষায় বসবে। এ ছাড়া পাঠদান পদ্ধতি ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হতে পারে। সূত্র জানায়, এ মূল্যায়ন পদ্ধতি অনেকটা আগের জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০১২ এর মতো হতে পারে। তার ভিত্তিতে পাঠ্যবইয়ে আনা হবে পরিবর্তন।

গতকাল সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ-সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করে। ‘জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০২২, নতুন পুস্তক মুদ্রণ ও চলমান মূল্যায়ন পদ্ধতি সংক্রান্ত জরুরি নির্দেশনা প্রদান’বিষয়ক পরিপত্রে সই করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোসাম্মৎ রহিমা আক্তার। তিনি বলেন, নতুন পাঠ্যবই মুদ্রণ ও মূল্যায়ন পদ্ধতি বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে একটি জরুরি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়, জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০২২ এর বিষয়ে মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা তথা অংশীজনের অভিমত, গবেষণা ও জরিপ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে এ শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির ঘাটতি, পাঠ্য বিষয়বস্তু ও মূল্যায়ন পদ্ধতি সম্পর্কে অস্পষ্টতা ও নেতিবাচক ধারণা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার প্রকট অভাব ইত্যাদি নানা বাস্তব সমস্যা বিদ্যমান থাকায় এ শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নযোগ্য নয় বলে
প্রতীয়মান। এর পরিপ্রেক্ষিতে সার্বিক বিবেচনায় কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সেগুলো হলো– প্রাথমিক শিক্ষাস্তরে প্রাক-প্রাথমিক, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের সঙ্গে ধারাবাহিকতা রেখে এরই মধ্যে চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের পাণ্ডুলিপি প্রয়োজনীয় সংশোধন ও পরিমার্জন করে মুদ্রণ করা হবে; এ ক্ষেত্রে পাঠদান পদ্ধতি ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হবে। যতদূর সম্ভব মূল্যায়ন পদ্ধতি আগের জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০১২ এর মতো হবে।

ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে চলমান পাঠ্যবইগুলো ২০২৪ সালব্যাপী বহাল থাকবে, ২০২৫ সালে যথাসম্ভব সংশোধিত ও পরিমার্জিত পাঠ্যবই সরবরাহ করা হবে। ২০২৪ সালের অবশিষ্ট সময়ে ও বার্ষিক পরীক্ষায় ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের সংশোধিত ও পরিমার্জিত মূল্যায়ন পদ্ধতিতে মূল্যায়ন করা হবে। শ্রেণি কার্যক্রমগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির প্রতিটির ছয়টি করে বিষয়ভিত্তিক যে মূল্যায়ন কার্যক্রম অসম্পন্ন রয়েছে, সেগুলো আর অনুষ্ঠিত হবে না। সংশোধিত ও পরিমার্জনকৃত মূল্যায়ন রূপরেখার ভিত্তিতে আগামী ডিসেম্বর নাগাদ ২০২৪ সালের ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সংশোধিত ও পরিমার্জিত মূল্যায়ন পদ্ধতির রূপরেখা শিগগিরই বিদ্যালয়গুলোতে পাঠানো হবে।
যেসব শিক্ষার্থী ২০২৫ সালে নবম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হবে, তাদের আগের শিক্ষাক্রমের আলোকে প্রণীত শাখা ও গুচ্ছভিত্তিক সংশোধিত এবং পরিমার্জিত পাঠ্যবইগুলো দেওয়া হবে। এসব শিক্ষার্থী নবম ও দশম শ্রেণি মিলে দুই শিক্ষাবর্ষে সম্পূর্ণ পাঠ্যসূচি শেষে ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেবে। শিক্ষাবিদ, শিক্ষাক্রম বিশেষজ্ঞ, পেডাগগ, মূল্যায়ন বিশেষজ্ঞ, সংশ্লিষ্ট বিষয় বিশেষজ্ঞ, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রশাসক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও অভিভাবক প্রতিনিধিদের সহযোগিতায় ২০২৫ সালে পরিমার্জিত শিক্ষাক্রম চূড়ান্ত করা হবে, যা ২০২৬ সাল থেকে পরিপূর্ণরূপে কার্যকর করা হবে।
এনসিটিবি চেয়ারম্যান এ কে এম রিয়াজুল হাসান বলেন, যেসব শিক্ষার্থী ষাণ্মাসিক মূল্যায়ন পরীক্ষা দিয়েছে, তারা ডিসেম্বরে সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা দেবে। বই একই থাকবে। দ্রুতই তাদের কাছে নির্দেশনা পাঠানো হবে।




নতুন পাঠ্যবই ছাপা ও শিক্ষার্থী মূল্যায়ন পদ্ধতির নির্দেশনা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: নতুন পাঠ্যবই মুদ্রণ ও চলমান মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।




অবশেষে বদলির সুযোগ পাচ্ছেন বেসরকারি শিক্ষকরা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: অবশেষে বদলির সুযোগ পাচ্ছেন বেসরকারি শিক্ষকরা। তবে শুধু বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সুপারিশ করা নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরাই এ সুযোগ পাবেন।

রবিবার (১ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল ও কলেজ) কর্মরত শিক্ষকদের পারস্পারিক বদলি সংক্রান্ত নীতিমালা-২০২৪ জারি করে।

বদলির সাধারণ শর্ত:

১) বদলির সাধারণ শর্তে বলা হয়, শুধু সমপদে কর্মরত দু’জন শিক্ষকের লিখিত সম্মতিপত্র বদলির আবেদনই বিবেচনা করা হবে।

২) চাকরির আবেদনে উল্লেখিত নিজ জেলা ছাড়া অন্য জেলায় বদলির জন্য আবেদন করা যাবে না।

৩) তবে মহিলা আবেদনকারীরা স্বামীর জেলায় বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

৪) নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকের চাকরি দুই বছর পূর্ণ হলে বদলির আবেদন করা যাবে।

৫) অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্য সম্বলিত আবেদন বিবেচনাযোগ্য হবে না।

৬) চাকরি জীবনে কেবল একবার বদলি হওয়ার সুযোগ থাকবে।

বদলির কর্তৃপক্ষ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক পারস্পরিক বদলির আবেদন নিষ্পত্তি করবেন।

আবেদন নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া:

১) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর সফটওয়্যার তৈরি ও অনলাইন আবেদনের ফরমেট নির্ধারণ করবে।

২) বদলির সমগ্র প্রক্রিয়া সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।

৩) প্রতিবছর ১৬ অক্টোবর থেকে ১৫ ডিসেম্বর মধ্যে অনলাইনে পারস্পারিক বদলির জন্য আবেদন গ্রহণ করা হবে।

৪) অনলাইনে প্রাপ্ত আবেদন প্রতি বছর ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে যাচাই বাছাই করে নিষ্পত্তি করতে হবে।

৫) বদলিকৃত শিক্ষকদের ইনডেক্স আগের প্রতিষ্ঠান থেকে বর্তমান প্রতিষ্ঠানে অন-লাইনে ট্রান্সফার করতে হবে।

৬) বদলিকৃত শিক্ষকদের এমপিও ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধাদি এবং জৈষ্ঠ্যতার ধারাবাহিকতা আগের অবস্থা বজায় থাকবে।

বদলির আবেদন অধিকার হিসাবে দাবি করা যাবে না। বদলিকৃত শিক্ষকরা কোনও ধরনের টিএ/ডিএ ভাতা পাবেন না।




এসএসসিতে ফিরছে বিভাগ, পরীক্ষা দশম শ্রেণির সিলেবাসে




৬ ছাত্রনেতার ওপর ভারতের ভিসা নিষেধাজ্ঞা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : বাংলাদেশের ছয় ছাত্রনেতার বিরুদ্ধে ভারতবিরোধী জনতাকে উসকে দেয়া ও ভারতের জাতীয় স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিযোগ এনেছে নয়াদিল্লি। তাদের ঘনিষ্ঠজনদের ভিসা না দেয়ার জন্য কালো তালিকাভুক্ত করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত মৌখিক নির্দেশনা ঢাকাস্থ ইন্ডিয়ান হাইকমিশনে পাঠানো হয়েছে। দিল্লিতে কর্মরত কয়েকজন ভারতীয় গণমাধ্যমের সাংবাদিক দ্য মিরর এশিয়াকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এই তালিকায় আছেন গণঅধিকার পরিষদের একাংশের সভাপতি নুরুল হক নুর, গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক আখতার হোসেন, সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম ও নুসরাত তাবাসসুম।

হাসনাত আবদুল্লাহর চিকেন নেক নিয়ে বক্তব্য ও নুসরাত তাবাসসুমের সেভেন সিস্টার নিয়ে ফেসবুকের স্টাটাসকে আমলে নেয়া হয়েছে ভিসা নিষেধাজ্ঞায়।

মূলত, সরকারের উপদেষ্টা হওয়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদের নাম সেখানে উল্লেখ করা হয়নি। মাহফুজ আলম সরকারের অংশ হওয়ার আগেই এই নোটটি পাঠানো হয়। ফলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিশেষ সহকারী হওয়ার পর মাহফুজ আলমের জন্য ভিসা নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে কিনা তা জানতে পারেনি দ্য মিরর এশিয়া।