প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা: আবার বদলাচ্ছে পাঠ্যবই, বার্ষিক পরীক্ষা ৩ ঘণ্টা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্নকাঠামো ও মানবণ্টন, শিখনকালীন মূল্যায়নের পরিমার্জিত নির্দেশনা প্রকাশ করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। তবে মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষার বিশেষায়িত বিষয়ের এবং দশম শ্রেণির মূল্যায়ন কার্যক্রম আগের মতোই থাকবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কর্তৃক ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের যষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম ও নবম শ্রেণির শিখনকালীন মূল্যায়ন ও বার্ষিক পরীক্ষার জন্য সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচি প্রণয়ন, প্রশ্নের ধারা ও মানবণ্টন সংশোধন ও পরিমার্জন করা হয়েছে।

সাধারণ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ধারার মাধ্যমিক স্তরের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির শিখনকালীন এবং বার্ষিক পরীক্ষা পরিমার্জিত মূল্যায়ন নির্দেশনার আলোকে অনুষ্ঠিত হবে। তবে মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষার বিশেষায়িত বিষয়গুলো এবং দশম শ্রেণির মূল্যায়ন কার্যক্রম পূর্বের ধারাবাহিকতায় অনুষ্ঠিত হবে।ষষ্ঠ থেকে নবমের বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্নকাঠামো ও মানবণ্টন প্রকাশ করল এনসিটিবি



মাদ্রারাসা সুপারের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মানববন্ধন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর গলাচিপায় মাদ্রারাসা সুপারের নানা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে পদত্যাগের দাবিতে ৪ দিন ব্যাপি শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন, অভিভাবকসহ এলাকাবাসী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করছে।

রোববার থেকে আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত ছোট কাজল হোসাইনিয়া দাখিল মাদ্রারাসা প্রাঙ্গণে ওই প্রতিষ্ঠানের সুপার মো. আবু জাফর সালেহর পদত্যাগের দাবিতে এই কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাব্বির আহমেদ, ইউপি সদস্য মনির দফাদার, মোশারেফ হোসেন বিশ্বাস, বাবুল খান, ফয়সাল হাওলাদার প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, আবু জাফর সালেহ মাদ্রারাসার সুপার পদে কর্মরত থেকে বিভিন্ন সময়ে অহেতুক কারণ দেখিয়ে ক্লাস ফাঁকি দেওয়া, ভুয়া শিক্ষক দিয়ে ক্লাসে পাঠদানসহ নানা দুর্নীতি ও অনিয়ম করে প্রতিষ্ঠানের ক্ষতিসাধন করেছে। এই মুহূর্তে তার প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার আর কোন অধিকার নেই। তার পদত্যাগ না করা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ক্লাসে আর ফিরবো না এবং আমাদের এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাব্বির আহমেদ বাদী হয়ে ওই মাদ্রারাসা সুপারের পদত্যাগ দাবি করে বিভিন্ন তথ্য প্রমান সাপেক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পত্রের সাথে ৩৫০জনের গণস্বাক্ষর সংবলিত কপিও দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মহিউদ্দিন আল হেলাল বলেন, সরেজমিন গিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




গলাচিপায় অজানা রোগে আবারো ৩ জন অসুস্থ – এলাকায় আতঙ্ক

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর গলাচিপায় এক মাদরাসায় ক্লাশ চলাকালিন সময় আবারো তিনজন শিক্ষার্থী অসুস্থ্য হয়ে পড়েছে। এতে স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে গলাচিপা সদর ইউনিয়নের বোয়ালীয়া ছালেহিয়া দাখিল মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে।

অসুস্থরা হলেন নবম শ্রেণির ছাত্র মো: মুশফিকুর রহমান, অস্টম শ্রেণির ছাত্র বায়জিদ ও সাব্বির হোসেন। এ নিয়ে অসুস্থ্যর সংখ্যা ১১জন।

জানা গেছে, ওই মাদরাসায় বুধবার ১০টার দিকে অস্টম শ্রেণির ক্লাসে শিক্ষক মো: সামসুদ্দিন কোরআন মাজিদ পড়ানোর জন্য ক্লাসে প্রবেশ করেন। এ সময় প্রথমে সাব্বিরের মাথা ঘুরে ও চোখ ঝাপসা দেখে শ্রেণি কক্ষে পড়ে যায়। পরে ওই ক্লাসে বায়জিদও মাটিতে পড়ে যায়। অনুরূপ নবম শ্রেণির ছাত্র মো: মুশফিকুর রহমানের একই অবস্থা হয়। তিনজন বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছে।

এতে মঙ্গলবারে মাদরাসার শিক্ষকসহ আটজন শিক্ষার্থী অসুস্থ্য হয়ে পড়লে বুধবার মাদরাসার শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি অনেকাংশে কমে যায়। এ ঘটনায় বর্তমানে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বলে বায়জিদের মা উম্মে হানি জানান।

বোয়ালীয়া ছালেহিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মু: জয়নুল আবেদীন জানান, ‘সম্ভাব্য জ্বীন আতঙ্ক বিরাজ করছে মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মধ্যে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জরুরিভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের উপজেলা শিক্ষা অফিসার রেজাউল কবির জানান, বিষয়টি অবগতি আছি। শিঘ্রই মাদরাসাটি পরিদর্শন করা হবে।




জেএসসির ২৫, এসএসসির ৭৫ নম্বরের সমন্বয়ে তৈরি হবে ফল




শিক্ষা অর্জনেই আগামী বাংলাদেশ গড়তে হবে শিক্ষার্থীদের – অধ্যক্ষ মো: ফোরকান কবির

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা সরকারি ডিগ্রি কলেজে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে একাদশ ও বিএমটি শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ ও পরিচিতি অনুষ্ঠানে কলেজ অধ্যক্ষ মোঃ ফোরকান কবির প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষার্থীদের বরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্যে বলেন, আগামী বাংলাদেশ বিনির্মানে দেশকে এবং নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে হলে শিক্ষা অর্জন ব্যতীত কোন পথ নেই। এছাড়া একটা দেশের শিক্ষার উন্নয়নে দেশের ভাবমূর্তি ও ব্যক্তির সম্মান অর্জিত হয়।

সোমবার সকাল ১০টায় কলেজ অডিটরিয়াম হলে সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী, স্থানীয় সুধী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে পরিচিতি সভায় সভাপতিত্ব করেন সহকারী অধ্যপক ও বিভাগীয় প্রধান ইসলাম শিক্ষা বিভাগ শ্রদ্ধেয় জনাব মোঃ লিয়াকত হোসাইন শেখ। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাব সভাপতি ও সাবেক ডিগ্রি কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মু. খালিদ হোসেন মিল্টন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোঃ আরিফ মাহমুদ, মোঃ আমির হোসেন, সভাপতি বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ গলাচিপা, নূহ নাসির উল্লাহ হাবিব, সাধারণ সম্পাদক, ছাত্রদল ডিগ্রি কলেজ শাখা, সাবেক ছাত্রদলের গলাচিপা শাখার সভাপতি মোঃ সাইমুন রহমান পরশ, মোঃ রফিকুল ইসলাম, সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্র শিবির, গলাচিপা কলেজ শাখা ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সক্রিয় সদস্য উম্মে হাবিবা।

নবীন বরণ ও পরিচিতি অনুষ্ঠানে আনন্দ উৎসাহে সিনিয়র শিক্ষার্থীরা রজনীগন্ধা ও গোলাপ ফুলের শুভেচ্ছা দিয়ে বরণ করে নেয়।




বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শীর্ষ তিন পদসহ ২২ পদই শূন্য

বরিশাল অফিস :: বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) খোলা রয়েছে। বিভাগ অনুযায়ী নিচ্ছে পাঠদান ও পরীক্ষা।প্রশাসনিক কার্যক্রমও চলছে। তবে নিয়মিত উপাচার্য ও ট্রেজারার থাকতে যে গতিশীলতা থাকে সেটি থমকে গেছে বলে মনে করছেন শিক্ষার্থীরা। উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও ট্রেজারার এই শীর্ষ তিন পদই শূন্য রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে।

উপ-উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই শূন্য। তবে নিয়মিত একজন উপাচার্য থাকলেই বিশ্ববিদ্যালয় আরো বেশি গতিশীলতা বাড়বে বলছেন বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা।এছাড়া প্রক্টরিয়াল বডি, চার হলের প্রাধ্যক্ষ, আবাসিক শিক্ষক, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের পরিচালক ও লাইব্রেরিয়ানসহ ১৯ টি পদই রয়েছে শূন্য। ফলে তৈরি হয়েছে অভ্যন্তরীণ কিছু সমস্যা ও জটিলতা। কমেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের গতি।এদিকে নিয়মিত বা পুর্নাঙ্গ উপাচার্য ছাড়া এই পদগুলোর নিয়োগও দিতে পারেন না বলে জানান আর্থিক ও প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক ড. মোঃ মুহসিন উদ্দীন।

তিনি জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অফিস আদেশে প্রশাসনিক ও আর্থিক দায়িত্ব দেখার বিষয়ে উল্লেখ রয়েছে।সেক্ষেত্রে পদত্যাগপত্র গ্রহণ বা নিয়োগ দেওয়ার ব্যাপারে আমরা কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারি না। চিঠি অনুযায়ী আমরা ডিনদের সাথে আলোচনা করে বিষয়টি সুস্পষ্ট করেছি।একজন পূর্ণাঙ্গ উপাচার্য আসলে তিনি বিষয়টি দেখবেন। একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম আমরা চালিয়ে নিচ্ছি। যেহেতু ওই ২২টি পদ শূন্য রয়েছে সেক্ষেত্রে স্ব স্ব দপ্তরের কাজের গতিশীলতা বা ব্যাহত হবে এটা স্বাভাবিক। উন্নয়নমূলক কাজের কথা জানতে চাইলে তিনি জানান, অর্থবছরের কাজ গত ৩০ জুন পর্যন্ত আগের বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যে কাজ করেছেন সেটিতে আমাদের হাত নেই। ২০২৪-২৫ অর্থবছর আসলে উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়নে আমরা কাজ করতে পারবো।

উপ-প্রধান প্রকৌশলী মোঃ মুরশীদ আবেদীন জানান, পূর্বে অনুমোদনের কিছু কাজ চলমান রয়েছে। তবে ভোলা রোডের গেইটের রাস্তার কাজটি আবহাওয়ার কারণে বন্ধ আছে।

গত ২০ আগস্ট মঙ্গলবারে দুপুরে শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে উপাচার্য থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া। তার কিছুক্ষণ আগে পদত্যাগ করেন প্রক্টর ও শেখ হাসিনা হলের প্রাধ্যক্ষ। পরে একে একে মোট ১৭ জনই পদত্যাগ করেন।

রেজিস্ট্রার মোঃ মনিরুল ইসলাম জানান, বিভাগের আন্তরিকতায় একাডেমিক ও পরীক্ষা কার্যক্রম ভালোভাবেই চলছে। তবে পূর্নাঙ্গ উপাচার্য না থাকলে সার্বিক গতিশীলতা কমে যায়। এছাড়া বিভিন্ন দপ্তরের দায়িত্বশীল ব্যক্তি না থাকার কারণে সেই দপ্তরের কাজ ব্যাহত হবে স্বাভাবিক ব্যাপার।

বর্তমানে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৯ হাজার ৩০০ জন।শিক্ষক রয়েছে ২১০ জন। তারমধ্যে পাঠদান নিচ্ছে বর্তমানে ১৬৭ জন। বাকি শিক্ষকরা রয়েছেন উচ্চতর ডিগ্রি নিতে শিক্ষা ছুটিতে।গড়ে ৫৫ জন শিক্ষার্থীর জন্য রয়েছে মাত্র একজন শিক্ষক। কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছে মোট ২৭৩ জন।হিসাব করে দেখা যায় শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা বিভাগ ও শিক্ষার্থীর সংখ্যানুযায়ী খুবই নগণ্য। যেখানে অর্গানোগ্রামভুক্তে ৪৫৩ জন শিক্ষক থাকার কথা সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের ছাড়কৃত ২১০ জন।আবার শীর্ষ তিন পদ সহ ২২ টি পদই শূণ্য রয়েছে।যার কারণে সবকিছু গতিশীলতা আনা খুবই কষ্টসাধ্য ব্যাপার।এত শিক্ষার্থীর মধ্যে শিক্ষক-কর্মকর্তা কম আবার অভিভাবক শূন্য।

একটি সূত্র বলছে, অর্গানোগ্রামের হিসাব অনেক আগের। এখন শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে,তাই শিক্ষক সহ জনবলের চাহিদাও বাড়বে। দ্রুত পূর্নাঙ্গ উপাচার্য নিয়োগ পেলে এগুলো বাস্তবায়ন করে সংকট মোকাবেলা করতে পারবেন বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শিক্ষক জানান, আমাদের শিক্ষক সংকট রয়েছে,অধ্যাপক রয়েছে একজন।এজন্য বাহিরের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্রুত উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হোক।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন জানান, আমাদের শিক্ষক সংকট থাকা সত্ত্বেও নিয়মিত পাঠদান ও পরীক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিচ্ছি।প্রশাসনিক ও আর্থিক দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক এ ব্যাপারে আন্তরিক।তবে নিয়মিত উপাচার্য ও অন্যান্য দপ্তরের পদ পূরণ না হলে কিছুটা দাপ্তরিক কাজ ব্যাহত হয়।

শীর্ষ পদ পূরণ ও গতিশীলতার বিষয়ে মতামত জানতে কথা হয় অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থীর সাথে।তারমধ্যে ইংরেজি বিভাগের মোঃ তারিক হোসেন বলেন,আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে মাত্র একজন অধ্যাপক। তাই আমরা দ্রুত পূর্নাঙ্গ একজন উপাচার্য চাই।যিনি ঢাকা বা অন্য যেকোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আসবেন।আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যা দেখবেন ও সমাধান করবেন। সাথে উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ পদের নিয়োগ দিলে আরো বেশি এগিয়ে যাবে বিশ্ববিদ্যালয়টি।যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয়ে অভ্যন্তরীণ শিক্ষক কোরাম রয়েছে,তাই বাহির থেকেই উপাচার্য নিয়োগ দেয়া হোক।




গলাচিপায় ক্লাসে ফিরতে শিক্ষার্থীসহ অভিভাবকদের মানববন্ধন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর গলাচিপায় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের ক্লাসে ফিরতে অভিভাবকদের অংশগ্রহণে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টায় উপজেলার চরকাজল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর চর কপালবেড়া এলাকার গৌরোহালিয়া খালের উত্তর প্রান্তে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

খালের উত্তর প্রান্তের বসবাসরত মানুষের সাথে দক্ষিণ প্রান্তের মানুষের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলে আসায় কিছুদিন পূর্বে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। বিরোধের কারণে দুই পারের মানুষের যাতায়াতের সেতুবন্ধনের একমাত্র খেয়া নৌকাটি দক্ষিণ পারের লোকজন জমির উপরে তুলে রাখে। এর কারণে উত্তর চর কপালবেড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পার্শ্ববর্তী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা ক্লাস করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসতে পারছেন না।

এছাড়াও মুসল্লিরাও মসজিদে নামাজ আদায় করতে আসতে পারছেন না।

তাই অতিদ্রুত কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ অভিভাবকরা নৌকা আগের যায়গায় প্রতিস্থাপনের দাবি জানান।

এতে বক্তব্য রাখেন অভিভাবক মেহেরাব রিয়াজ ও সোহাগ হাওলাদার, শিক্ষার্থী রোহান, লামিয়া, মুনিয়া, সামসুদ্দিন, সিয়াম প্রমুখ।




এইচএসসির ফল প্রকাশ কবে, জানাল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে প্রকাশ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ৬ থেকে ৯ অক্টোবরের মধ্যে এই ফল প্রকাশ করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর তপন কুমার সরকার জানিয়েছেন, আমি আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে এইচএসসি ফল প্রকাশের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। তবে পুরোটাই নির্ভর করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের ওপর।

বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, পরীক্ষা হওয়া বিষয়গুলোর মূল্যায়ণ প্রায় শেষ পর্যায়ে। বাতিল হওয়া বিষয়গুলো ম্যাপিং করার পদ্ধতিসহ একটি প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সেটি অনুমোদন হওয়ার পরপরই পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা করা হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ ফল প্রকাশের প্রস্তুতি রয়েছে।

শিক্ষাবোর্ড জানায়, কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে এবার পুরো এইচএসসি পরীক্ষা শেষ করা সম্ভব হয়নি। ১৩টি পত্রের মধ্যে সাতটি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়েছে। বাকি পরীক্ষাগুলো বাতিল করে সাবজেক্ট ম্যাপিং করে ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

প্রসঙ্গত, এ বছর এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছিল জুন মাসের ৩০ তারিখে। জুলাইয়ের ১৬ তারিখ পর্যন্ত পরীক্ষা ঠিকভাবেই হয়েছে। কোটা আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রথমে ১৮ জুলাইয়ের পরীক্ষা এবং পরে ২১, ২৩ ও ২৫ জুলাইয়ের পরীক্ষা স্থগিত হয়। মাঝখানে সরকার পরিবর্তনের মতো বড় ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন থানায় হামলার কারণে সেখানকার প্রশ্নপত্রের ট্রাঙ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সামগ্রিক পরিস্থিতির ভিত্তিতে বাকি পরীক্ষাগুলোর তারিখ বেশ কয়েকবার পরিবর্তন করা হয়। সম্প্রতি নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয় আগামী ১১ সেপ্টেম্বর। এর মধ্যে একদল শিক্ষার্থী স্থগিত পরীক্ষাগুলো বাতিল করার দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। ২০ আগস্ট সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভবনের নিচে একদল শিক্ষার্থী বিক্ষোভ করেন। পরে এসব পরিক্ষা বাতিল করা হয়।

উল্লেখ্য, চলতি বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি বোর্ড ও মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে মোট পরীক্ষার্থী ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৯০ জন।




৬ দফা দাবিতে পটুয়াখালী পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: কারিগরি শিক্ষায় অবৈধভাবে ক্রাফট ইন্সট্রাক্টর নিয়োগ ও বিভিন্ন পদে অকারিগরি কর্মকর্তা অপসারণের দাবিতে পটুয়াখালী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর সাধারণ শিক্ষার্থীরা ছয় দফা দাবি আদায়ে বিগত কয়েক দিন শান্তিপূর্ণ মিছিল ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন, কতৃপক্ষের কোন সমাধান না পেয়ে আজ সোমবার সকাল ১১ টার দিকে জেলা প্রশাসকের বাস ভবনের সামনের সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করে পটুয়াখালী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শিক্ষার্থীরা।

জেলা প্রশাসক তাদেরকে রাস্তা ছেড়ে দিয়ে নিজ ক্যাম্পাসে ফিরে যেতে বলেছেন এবং শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করেছেন তাদের জায়গা থেকে যতদূর করা সম্ভব তারা তাদের জন্য করবেন, এবং পটুয়াখালী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর প্রিন্সিপালের সাথে কথা বলে তাদের দাবি সমূহ মেনে নেয়া হবে বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

এরপর শিক্ষার্থীরা রাস্তা ছেড়ে দিয়ে ক্যাম্পাসে ফিরে যান।




জীবন পাল্টে দিতে পারে এ পি জে আব্দুল কালামের এই ১০ বাণী