বাউফলে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা মুলক অনুষ্ঠান

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) উপলক্ষে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগীতা মুলক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বিদ্যালয়ের মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে দিবসটি উপলক্ষে নবীজীর জীবন ও দর্শন নিয়ে আলোচনা করেন, কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. রেজাউল করীম, মাওলানা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. নাসির উদ্দিন, মো. মহিবুল্লাহ্, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. সিরাজুল ইসলাম, অভিবাবক মো. জাহাঙ্গীর চৌকিদার, মো. হাবিবুর রহমান সবুজ।

সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. রেজাউল করীম বলেন, প্রধান শিক্ষক ফেরদৌশ শিরিন ছুটিতে থাকায় তার নির্দেশে শিক্ষার্থীদের জন্য পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, হাম-নাদ ও নবীজীর জীবন দর্শন নিয়ে উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠতি হয়।




বাউফলে শিক্ষার্থীদের হাতে হেনস্তার ভয়ে বিদ্যালয়ে যাচ্ছেন না প্রধান শিক্ষক

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফেরদৌসি শিরিন। গত দুইদিন ধরে তিনি অনুপস্থিত রয়েছেন বিদ্যালয়ে। তাকে জোর করে পদত্যাগ করাতে একটি পক্ষ উঠে পড়ে লেগেছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয়ে সিনিয়র সহকারী শিক্ষক মো. ইউসুফ কিছু শিক্ষার্থীকে ভুল বুঝিয়ে আন্দোলনের ইন্ধন দিচ্ছেন।

সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের বাইরে মানববন্ধনসহ বিক্ষোভ মিছিল করে। মিছিলটি বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে কয়েকটি শ্রেণি কক্ষ ভাঙচুর করে। এরপর মিছিলটি কালাইয়া হায়াতুন্নেচ্ছা বালিকা বিদ্যালয়ের গেট ভেঙে শ্রেণি কক্ষে ঢুকে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে নিয়ে আবারও মিছিল বের করে।

শিক্ষার্থীদের দাবি প্রধান শিক্ষক একজন দুর্নীতিবাজ, তার অবহেলায় গত ১২ মে বিদ্যুতায়িত হয়ে বেল্লাল হোসেন নামে ১০ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এসব ঘটনায় তারা প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ দাবি করছে।

গেট ভাঙার ঘটনা স্বীকার করে কালাইয়া হায়াতুন্নেচ্ছা বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হারুন অর রশিদ বলেন, ‘বিষয়টি আমরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করেছি।’

এদিকে আন্দোলনে ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক মো. ইউসুফ সাংবাদিকদের কাছে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সকল দাবি যৌক্তিক। প্রধান শিক্ষক পকেট কমিটি দিয়ে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন।’

তবে সিনিয়র সহকারী শিক্ষক মো. ইউসুফকে দায়ী করে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সঞ্জয় কুমার রায় বলেন, ‘বিদ্যালয়ের ১৭জন সহকারী শিক্ষকের মধ্যে ১৬ জন শিক্ষকই প্রধান শিক্ষকের পক্ষে। একজন সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে তিনি (মো. ইউসুফ) যা করতেছেন তা মোটেই কাম্য না।’

প্রধান শিক্ষক ফেরদৌসি শিরিন বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যদি অনিয়মের কোনো অভিযোগ থাকে তাহলে সংশ্লিষ্ট দপ্তর তদন্ত করুক। বেল্লাল বিদ্যুতায়িত হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় আমার কোনো দায় ছিল না। কারণ বিদ্যালয়ের মেইন গেটের সামনে স্থানীয় প্রভাবশালীরা দোকান ঘর ভাড়া দিয়েছেন। আমার কোনো প্রকার অনুমতি না নিয়েই স্কুলের ছাদে ডিশ এ্যান্টেনা বসিয়েছে। স্কুল চলাকালীন ছাদে উঠে ওই এ্যান্টেনার বিদ্যুৎ সংযোগ কৌতূহল বশত বেল্লাল ধরতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা যায়। এতে আমার দায় কোথায়। এরপরও বেল্লালের দাফনসহ সকল কাজ সম্পন্ন করার জন্য বিদ্যালয় থেকে তার পরিবারকে ৩০ হাজার ৫শ’ টাকা দেয়া হয়েছে।’

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বশির গাজী বলেন, কোনো শিক্ষককে হেনস্তা করার সুযোগ নেই। বিষয়টি আমরা গুরুত্বসহকারে দেখছি।’




দ্রুত নির্বাচনের দাবি ‘সরকারের ভেতর থেকে নতুন দল তৈরির কথা বললে জনগণ কীভাবে বুঝবে তাঁরা নিরপেক্ষ?’

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: অবিলম্বে নির্বাচন দেওয়ার দাবি জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘ছাত্র-জনতা রক্ত দিয়ে সুযোগ তৈরি করেছে সামনে এগিয়ে যাওয়ার, আমাদের ব্যবস্থাকে জনগণ যেভাবে চায়, সেভাবে নিয়ে আসার। সেটা কি নস্যাৎ করার জন্য ইতিমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে? যাঁরা দায়িত্ব পেয়েছেন, এই সরকার যাঁদের দায়িত্ব দিয়েছে, তাঁদের মধ্য থেকে যখন বলেন নতুন দল তৈরি করতে হবে, তখন বিস্মিত না হয়ে পারা যায় না। যদি বলেন নতুন দল তৈরি করতে হবে, তাহলে জনগণ কী করে বুঝবে যে তাঁরা নিরপেক্ষভাবে কাজ করছেন?’

আজ সোমবার ‘দ্বিকক্ষ পার্লামেন্ট: উচ্চকক্ষের গঠন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি)।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, বেশ কিছু গোষ্ঠী বলতে শুরু করেছে যে অন্তর্বর্তী সরকারকে অনির্দিষ্টকালে জন্য রাখা হোক। সমস্ত সংস্কার তারাই করুক। যেকোনো সংস্কার জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া সম্ভব নয়। সে জন্য নির্বাচিত সরকার প্রয়োজন।

বিএনপির নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে হওয়া সব মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের স্বৈরশাসনকে সহায়তাকারীরা এখনো প্রশাসনে রয়ে গেছেন, তাঁদের অপসারণ করতে হবে। সেই সঙ্গে আন্দোলনে নিহত-আহত ব্যক্তিদের অবিলম্বে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও জানান মির্জা ফখরুল।

আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব। তিনি বলেন, নির্বাচন অবশ্যই করতে হবে। তবে সংস্কার ছাড়া নির্বাচন দিলে তাতে কোনো লাভ হবে না। সংবিধান সংস্কার ও শাসনব্যবস্থা মেরামত করতে হবে। যারা হত্যা করেছে, তাদের ক্ষমা করা যাবে না। বিচার করতে হবে।

রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম বলেন, কোন কোন বিষয়ে সংস্কার করতে হবে, সে বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাতে হবে। কোনটা আগে শুরু করা হবে, সেটা কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে এবং তা কীভাবে টেকসই যায়, তা ভাবতে হবে। কারণ, অর্জন করলেও তা টিকিয়ে রাখা যায় না। যে সংস্কার না করলে এই আন্দোলন ব্যর্থ হতে পারে, সেটা নিয়ে আলোচনার করা দরকার।

দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদের প্রস্তাব সমর্থন করেন না বলে জানান এবি পার্টির যুগ্ম সদস্যসচিব আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তিনি বলেন, বাংলাদেশে এটা নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের। এখানে আইন পাস করা কঠিন হয়ে যাবে। তাই এটা পুনর্বিবেচনা করা দরকার।

এ সময় আরও বক্তব্য দেন ভাসানী অনুসারী পরিষদের সদস্যসচিব আবু ইউসুফ সেলিম, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ, সহসভাপতি মোহাম্মদ সিরাজ মিয়া ও কে এম জাবির।




জেএসসির ২৫%, এসএসসির ৭৫% নম্বর নিয়ে এইচএসসির ফলাফল প্রকাশের প্রস্তুতি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : শিক্ষার্থীদের জেএসসি ও এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার বিষয়ভিত্তিক ফলাফলের সঙ্গে মিলিয়ে (বিষয় ম্যাপিং) এবারের এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করার প্রস্তুতি নিয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলো।

এ ক্ষেত্রে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ৭৫ শতাংশ ও জেএসসি বা সমমানের পরীক্ষার ২৫ শতাংশ নম্বরকে বিবেচনায় নিয়ে এইচএসসি বা সমমানের ফলাফল প্রকাশের পরিকল্পনা করা হয়েছে। আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে এই ফলাফল প্রকাশ করা হতে পারে। একাধিক শিক্ষা বোর্ড সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

গত মাসে সচিবালয়ের ভেতরে ঢুকে পরীক্ষার্থীরা বিক্ষোভ ও ঘেরাও করলে এবারের এইচএসসি বা সমমানের স্থগিত পরীক্ষাগুলো বাতিল করতে বাধ্য হয় শিক্ষা বিভাগ।




ত্রাণের বাকি টাকা সম্পর্কে যা জানালেন হাসনাত আব্দুল্লাহ

  • ত্রাণের বাকি টাকা বিশেষভাবে অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত রয়েছে জানিয়েছেন হাসনাত আব্দুল্লাহ
  • স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণে আগামী কয়েকদিনে অডিট রিপোর্ট প্রকাশ করা হবে, জানিয়েছেন তিনি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : সম্প্রতি বন্যার্তদের সহায়তায় তোলা ত্রাণ ও টাকা বিশেষভাবে অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ কথা জানান।

সেখানে হাসনাত আবদুল্লাহ লেখেন, ‘গত ৪ সেপ্টেম্বরের প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে আমাদের টিএসসির ত্রাণ কর্মসূচির আয় ও ব্যয়ের হিসাব জানানো হয়েছিল। ব্যয় বাদে বাকি টাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনতা ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক শাখা, ইসলামি ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ে সংরক্ষিত রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক, একজন নারী শিক্ষার্থী ও একজন ছাত্রের নামে বিশেষভাবে অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে, যেখানে শুধু এই তিনজনের সম্মিলিত সিগনেচারের মাধ্যমে টাকা হস্তান্তর করা সম্ভব। এখন পর্যন্ত ওই একাউন্ট থেকে কোনো টাকা হস্তান্তর করা হয়নি।’

তিনি আরও লেখেন, ‘স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে আমরা ত্রাণ কার্যক্রমের আয় ও ব্যয়ের ওপর একটি অডিট করছি এবং আগামী কয়েকদিনের মধ্যে অডিট রিপোর্ট প্রকাশ করা হবে, ইনশাআল্লাহ। আমরা সবসময় গঠনমূলক সমালোচনা গ্রহণে আগ্রহী। কোনো বিশেষ ভুলবুঝাবুঝি থাকলে অনুগ্রহ করে তা নির্দিষ্টভাবে তুলে ধরুন, যাতে আমাদের কাজ আরও কার্যকরী হতে পারে। আগামীর বাংলাদেশ হোক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মডেল।’




দুমকীর সৃজনী সংসদের নেতৃত্বে রানা ও ডা. রুবেল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : সৃজনী বিদ্যানিকেতন পবিপ্রবি স্কুল এ্যান্ড কলেজ এর প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন , সৃজনী সংসদের সভাপতি মনোনীত হয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির ২০০৩ ব্যাচের সাজ্জাদ হোসেন রানা এবং সাধারণ সম্পাদক ২০০৬ ব্যাচের ডা. মো. মহিবুল্লাহ রুবেল।

শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৬টায় সৃজনী সংসদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক, পবিপ্রবি এর অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান ও প্রধান উপদেষ্টা, সৃজনী বিদ্যানিকেতনের প্রধান শিক্ষক মো.আবদুল কুদ্দুস স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

নবগঠিত আংশিক কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন এ্যাড. শামসুল হুদা রিফাত, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক রাসেদুল হাসান বাবু, দপ্তর সম্পাদক : মাইনুল ইসলাম আকাশ, প্রচার সম্পাদক সাজ্জাদুল ইসলাম দূর্জয়।

কমটির সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন রানা বলেন,
দুমকি উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সৃজনীবিদ্যানিকেতন। বিভিন্ন সময়ে সৃজনীবিদ্যানিকেতন এর প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে সৃজনী সংসদ পুনর্গঠন করতে যেয়ে নানান প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। কিন্তু আজ প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে সকলের মতামতের ভিত্তিতে কোন রকম বিতর্ক ছাড়াই কমিটি গঠিত হয়েছে। এজন্য সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা। আমরা একযোগে সৃজনীর বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে সৃজনীবিদ্যানিকেতনের উন্নতির জন্য কাজ করে যেতে চাই।

সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. মহিবুল্লাহ্ রুবেল জানান,
সৃজনীবিদ্যানিকেতনের অধিকাংশ প্রাক্তন শিক্ষার্থী যেহেতু তাদের সমর্থন দিয়ে আমাকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করেছেন, আমি আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে তাদের আস্থার প্রতিদান দিতে চাই। সৃজনী বিদ্যানিকেতনকে বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ গড়ে তুলতে বিদ্যালয় প্রশাসনের পাশাপাশি সৃজনী সংসদ সর্বদা কাজ করবে। গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীরা যাতে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম ঠিকভাবে চালাতে পারে সেজন্য বৃত্তির ব্যবস্থা করা হবে।বিদ্যালয়ের প্রতিটি সামাজিক কর্মকাণ্ডে এ সংসদ বিদ্যালয়ের পাশে থাকবে। দেশের বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বিপর্যয় এ সৃজনী সংসদ সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে বলে আমার বিশ্বাস। আমরা যেন সুন্দরভাবে,সফলতার সাথে আমাদের দায়িত্ব পালন করে যেতে পারি এজন্য সকালের পরামর্শ, সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করি।

এছাড়াও কমিটিতে উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন – ড. মো. জসিম উদ্দিন, গোলাম সরোয়ার সুজন, মো. শওকত হাসান, ডা. মো. হাবিবুর রহমান, তরিকুল ইসলাম শাহিন, কামরুন্নাহার মিতু, শফিউল আলম রাজিব, মো. শাহিন খান, মো. মিজানুর রহমান।




আন্দোলনে ৮৭৫ জন নিহত, ৭৭ শতাংশই গুলিতে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলন পরবর্তী সময়ে রূপ নেয় সরকার পতনের আন্দোলনে। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এই গণঅভ্যুত্থানে কতজন নিহত হয়েছেন সে ব্যাপারে একটি পরিসংখ্যান দিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)। সংস্থাটি জানিয়েছে, ছাত্র-জনতার এই আন্দোলনে ১৬ জুলাই থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৮৭৫ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৭৭ শতাংশই গুলিতে মারা গেছেন। এছাড়া এই আন্দোলনে আহতের সংখ্যা ৩০ হাজারের বেশি।

শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সর্বশেষ তথ্য বিশ্লেষণ করে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এইচআরএসএস এই তথ্য জানিয়েছে।

১২টি জাতীয় দৈনিক, এইচআরএসএসের তথ্য অনুসন্ধানী ইউনিট ও সারা দেশ থেকে স্বেচ্ছাসেবকদের পাঠানো তথ্য বিশ্লেষণ করে এই প্রতিবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। তাদের মতে, গণমাধ্যম, হাসপাতাল ও বিভিন্ন মাধ্যম থেকে যেসব বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাচ্ছে তারা, তাতে তাদের মনে হচ্ছে, নিহতের সংখ্যা কমপক্ষে এক হাজার হবে।

এইচআরএসএসের প্রতিবেদনে বলা হয়, মোট ৭৭২ জনের মৃত্যুর ধরন সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৫৯৯ জন বা ৭৭ শতাংশ গুলিতে নিহত হয়েছেন। ৬১ জন (৮ শতাংশ) অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গেছে। ৮৫ জনকে (১১ শতাংশ) পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অন্যান্য কারণে মারা গেছেন ২৭ জন (৪ শতাংশ)।

কোন বিভাগে কত নিহত হয়েছেন, সেই পরিসংখ্যানে দেখা যায়, নিহত ৮৭৫ জনের মধ্যে সর্বোচ্চসংখ্যক ঢাকা বিভাগে ৫৪০ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া চট্টগ্রামে ৯১ জন, খুলনায় ৮১ জন, রাজশাহীতে ৬৪ জন, ময়মনসিংহে ৩৮ জন, রংপুরে ২৯ জন, সিলেটে ২০ জন এবং বরিশালে ১৩ জন নিহত হয়েছেন।

এইচআরএসএসের প্রতিবেদনে নিহত ব্যক্তিদের একাংশের বয়স, পেশা, মৃত্যুর কারণ বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ১৬ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট পর্যন্ত ৩২৭ জন এবং ৪ আগস্ট থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত (অনেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরে মারা যান) ৫৪৮ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক ৭৭ শতাংশ গুলিতে মারা গেছেন। ১৯ থেকে ৩০ বছর বয়সীরা বেশি মারা গেছেন। এ হার ৫৩ শতাংশ। আর ৩০ বছরের মধ্যে বয়স ধরলে, নিহতের হার দাঁড়ায় ৭০ শতাংশে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক শিক্ষার্থী, এ হার ৫২ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি নিহত হয়েছেন গুলিতে এবং পুলিশের হামলায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ছাত্রলীগকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার জন্য আদেশ দেওয়া হয়। পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব, আনসার, সোয়াট, বিজিবি ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হেলিকপ্টার থেকে গুলির বেআইনি ব্যবহার, কাঁদানে গ্যাসের শেল, এ কে ঘরানার অ্যাসল্ট রাইফেলের মতো প্রাণঘাতী আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শেখ হাসিনার দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর সারা দেশে থানা (পাঁচ শতাধিক), সরকারি স্থাপনা এবং সংখ্যালঘুদের স্থাপনায় হামলা–ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।

এইচআরএসএস জানায়, নিহত ৮৭৫ জনের মধ্যে ৭৪৩ জনের নাম জানা গেছে। তাদের মধ্যে শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী, সাংবাদিক, পেশাজীবী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, শিশু ও নারীসহ অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী ও সমর্থক আছেন। আন্দোলনে কমপক্ষে ১০৭টি শিশু, ৬ জন সাংবাদিক, ৫১ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং ১৩ জন নারী ও মেয়েশিশু নিহত হয়েছেন।

নিহত ৮৭৫ জনের মধ্যে ৬১৯ জনের বয়স সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করেছে এইচআরএসএস। নিহতদের মধ্যে ৪ বছরের আহাদ ও ৬ বছরের রিয়া গোপসহ প্রায় সব বয়সী মানুষ রয়েছেন। ৬১৯ জনের মধ্যে ১০৭ শিশু (১৮ বছরের কম বয়সী) রয়েছে। এ ছাড়া ১৯ থেকে ৩০ বছর বয়সী বা তরুণ ৩২৭ (৫৩ শতাংশ) জন, ৩১ থেকে ৫০ বছর বয়সী বা মধ্যবয়সী ১৫৮ (২৬ শতাংশ) জন, ৫০ বছরের বেশি বয়সী ২৭ জন (৪ শতাংশ) বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ ৬১৯ জনের মধ্যে ৭০ শতাংশেরই বয়স ৩০ বছরের মধ্যে।

পেশাভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহতদের মধ্যে ৩৫২ জনের পেশা সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে শিক্ষার্থী ১৮৪ জন (৫২ শতাংশ), শ্রমজীবী ৭০ জন (২০ শতাংশ), আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ৫১ জন (৫ শতাংশ)।




একাদশের রেজিস্ট্রেশন শুরু রোববার

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: একাদশ শ্রেণিতে ২০২৪-২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের অনলাইনে ভর্তি শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম (১৫ সেপ্টেম্বর) রোববার থেকে শুরু হবে। এই কার্যক্রম চলবে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীরা রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শেষ না করতে পারলে বোর্ড দায়ী থাকবে না বলে জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এ সংক্রান্ত চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, শিক্ষা বোর্ডগুলোর আওতাধীন দেশের সব উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ভর্তি ওয়েবসাইট (https://www.xiclassadmission.gov.bd) এর (College Login) প্যানেলে (কলেজের ইআইআইএন নম্বর ও পাসওয়ার্ড) দিয়ে লগইন করে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টার মধ্যে রেজিস্ট্রেশনের জন্য প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীদের তথ্য অনলাইনে পাঠানোর সব কাজ শেষ করার জন্য বলা হলো।

উল্লেখ্য, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কলেজ অনলাইনে ভর্তি শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হলে পরবর্তীতে উদ্ভূত জটিলতার জন্য বোর্ড কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না।




এবারও ভারতে ছাপা হবে ১ কোটি পাঠ্যবই

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দে আওয়ামী লীগ সরকার শুরু করেছিলো। তার ধারাবাহিকতা থাকছেই। এবারও ভারতীয় দুই প্রকাশককে দেয়া হয়েছে প্রায় ১ কোটি পাঠ্যবই ছাপার কাজ। পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের সিন্ডিকেট এখনো সক্রিয় থাকায় স্বৈরাচার শেখ হাসিনার আমলে নেয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রাথমিকের প্রায় এক কোটি পাঠ্যবই ছাপবে প্রিতম্বর বুকস প্রাইভেট লিমিটেড ও পাইওনিয়ার প্রিন্টার্স। আন্তর্জাতিক টেন্ডার আহ্বান ও মূল্যায়ন শেষ করে ১৭টি লটে প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শ্রেণির বই ছাপার কাজ পেয়েছে ভারতীয় এই দুই প্রকাশক। দুই তিন মাস আগে ডাকা এই অপকর্মের পেছনে ছিলেন দীপু মনির ভাই টিপু এবং পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফরহাদুল ইসলাম ও এনসিটিবির তথ্যজ্ঞ বেসরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার সিন্ডিকেটের পছন্দের মোসা. নাজমা আখতার। যিনি এনসিটিবির সচিব। আরো আছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষার সচিব ফরিদ আহম্মদ।

গত জুলাই মাসে এই সিন্ডিকেটে যুক্ত হয়েছেন গত ১২ বছর ধরে দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের পুরো পরীক্ষা ব্যবস্থা ধবংসের কারিগর অধ্যাপক রবিউল কবীর চৌধুরী। তিনি এনসিটিবির সদস্য (শিক্ষাক্রম) হিসেবে আছেন জুলাই থেকে। রবিউলের স্ত্রী-সন্তানসহ অনেকেই বিদেশে। সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ও দীপু মনির খুবই পছন্দের লোক রবিউল। প্রকল্পের অধীনে বাংলাদেশ পরীক্ষা উন্নয়ন ইউনিটের প্রধান ছিলেন এক যুগের বেশি।

পাঠ্যপুস্তক ছাপায় বিশেষজ্ঞ শিক্ষা ক্যাডারের একাধিক অধ্যাপক দৈনিক আমাদের বার্তাকে জানান, বিন্দুমাত্র যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা না থাকলেও শুধু ছাত্রলীগ নেত্রী পরিচয়ে আর সিন্ডিকেটের ইশারায় চলার নিশ্চয়তায় পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের সচিব পদে প্রেষণে নিয়োগ পাওয়া দীপু মনি পছন্দের শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা নাজমা আখতার এখনো বহাল আছেন, কলকাঠি নাড়ছেন।

নাম না প্রকাশের শর্তে এনসিটিবির একজন কর্মকর্তা  বলেন, প্রাথমিকের বই ছাপার সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। ওই মন্ত্রণালয়ের সচিব পদে রয়েছেন ঢাকা দক্ষিণের পলাতক সাবেক মেয়র ফজলে নুর তাপসের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত ও প্রধান নির্বাহী হিসেবে কাজ করা ফরিদ আহম্মদ। ভারতীয় কোম্পানিকে দেয়া কাজ যেনো বাতিল না হয় সেই বিষয়ে অনড় অবস্থানে প্রাথমিকের সচিব। তিনি ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ থেকে মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে আছেন। ফরিদের মতামত জানার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।




পবিপ্রবির আইন ও ভূমি প্রশাসন অনুষদের ৪র্থ ব্যাচের বিদায় সংবর্ধনা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) আইন ও ভূমি প্রশাসন অনুষদের নোভাস-৫ কর্তৃক আয়োজিত নৈর্ঋত-৪ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের কনফারেন্স কক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান।

বিশেষ অতিথি ছিলেন আইন ও ভূমি প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. আব্দুল লতিফ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আইন ও ভূমি প্রশাসন অনুষদের বিভাগীয় চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক মো. আব্দুর রহিম, সহযোগী অধ্যাপক আবুবকর সিদ্দিক, সহকারী অধ্যাপক মো. রেজাউল ইসলাম ও সহকারী অধ্যাপক সউদ বিন আলম। আরো উপস্থিত ছিলেন আইন ও ভূমি প্রশাসন অনুষদের বিদায়ী শিক্ষার্থীরা এবং ৫ম ব্যাচ, ৬ষ্ঠ ব্যাচ ও ৭ম ব্যাচ ও ৮ম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা।

অনুষ্ঠানের শুরুতে কুরআন তিলাওয়াত ও গীতাপাঠ করা হয়। অনুষ্ঠানের পরবর্তী কার্যক্রমে বিদায়ী বক্তব্য দেন বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। এরপর বিদায়ী ব্যাচের পক্ষ থেকে অনেকে তাদের আবেগঘন বক্তব্য দেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অন্তিম মুহূর্তে এসে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের স্মৃতিচারণ করেন।