পটুয়াখালী মহিলা কলেজে নোটিশ বোর্ড উপহার বসুন্ধরা শুভসংঘের

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: বসুন্ধরা শুভসংঘ এর পক্ষ থেকে পটুয়াখালী সরকারি মহিলা কলেজ হোস্টেলে নোটিশ বোর্ড উপহার দেওয়া হয়েছে।

সোমবার বেলা সাড়ে ১২ টায় প্রধান অতিথি হিসেবে এ উপহার গ্রহণ করেন অধ্যক্ষ মো. মোদাচ্ছের বিল্লাহ।

পটুয়াখালী সরকারি মহিলা কলেজের বসুন্ধরা শুভসংঘের সভাপতি আফরোজা আক্তারের সভাপতিত্বে এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশেষ অতিথি পটুয়াখালী সরকারি মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আবদুল মালেক, ছাত্রীনিবাসের তত্ত্বাবধায়ক মো. হাসান মিয়া ও সহকারী তত্ত্বাবধায়ক জহিরুল ইসলাম প্রমুখ। এছাড়াও শুভসংঘের সদস্য তুলি আক্তার, করুনা আক্তার, জোহরা, ফারহানা, এলমা প্রমুখ।

এ সময় প্রধান অতিথি অধ্যক্ষ মো. মোদাচ্ছের বিল্লাহ বলেন, জ্ঞান চর্চার আনুসাঙ্গিক খুটিনাটি বিষয়ের উপর বসুন্ধরা শুভসংঘ যে নজর রাখছে তা তাদের কাজ দেখলেই বোঝা যায়। কলেজ হোস্টেলে দুই শতাধিক শিক্ষার্থী থাকে। বিভিন্ন সময় নোটিশ করতে হয়। কিন্তু নোটিশ বোর্ড না থাকায় সমস্যা হচ্ছিলো। শুভসংঘ নারী শিক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।




পুলিশের সাঁজোয়া যান থেকে ইয়ামিনের মরদেহ ফেলার দৃশ্য ভাইরাল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : জোহরের নামাজ পড়ে বাসায় ফেরার সময় পুলিশের গুলিতে শহীদ হন ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) কম্পিউটার সাইন্স বিষয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী শাইখ আস-হা-বুল ইয়ামিন। খবর বাসস।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে তখন নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছিল পুলিশ। জোহরের নামাজ পড়ে বের হয়ে বাসায় ফিরছিলেন ইয়ামিন। ঠিক তখনই গুলিবিদ্ধ হন তিনি। গুলিবিদ্ধ ইয়ামিনকে পুলিশ তাদের সাঁজোয়া যান এপিসিতে উঠায়। একপর্যায়ে গুলিবিদ্ধ ইয়ামিনের নিথর দেহ পুলিশের সাঁজোয়া যান থেকে নিচে ফেলে দেওয়া হয়। আর এ দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এই বর্বরোচিত ঘটনা দেখে দেশের মানুষ বিস্মিত ও হতবাক হয়ে যায়। পুলিশের বর্বর নির্মমতার শিকার গুলিবিদ্ধ ইয়ামিন মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

ইয়ামিনের বাবা-মা বর্তমানে সাভার ব্যাংক টাউনে বসবাস করলেও তাদের গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী।

মহিউদ্দিন ও নাসরিন সুলতানা দম্পতির একমাত্র ছেলে ইয়ামিন। অত্যন্ত মেধাবী শান্তশিষ্ট ছিল ইয়ামিন। এমআইএসটির হলে থেকেই পড়াশোনা করত ইয়ামিন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গত ১৭ জুলাই তার বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যায়। বন্ধ ঘোষণা করা হয় আবাসিক হলও। ১৭ জুলাই সাভার নিজ বাসায় চলে যান ইয়ামিন। পরদিন স্থানীয় মসজিদে জোহরের নামাজ পড়তে গিয়ে পুলিশের নির্বিচার গুলিতে শহীদ হন ইয়ামিন।

ইয়ামিনের মামা মো. আব্দুল্লাহ আল মুন কাদির সংবাদমাধ্যমকে বলেন, অত্যন্ত মেধাবী ও বিনয়ী ছিল ইয়ামিন। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে ১৮ জুলাই জোহরের নামাজ পড়ে বাসায় ফেরার সময় সাভার ব্যাংক টাউন এলাকায় পুলিশের নির্বিচার গুলিতে শহীদ হয় ইয়ামিন। ইয়ামিনের গুলিবিদ্ধ নিথর দেহ পুলিশ তাদের সাঁজোয়া যান এপিসিতে তুলে নেওয়ার পর নির্মম ও বর্বরোচিত কায়দায় নিচে ফেলে দেয়। ইয়ামিনকে ফেলে দেওয়ার সেই ভয়াবহ দৃশ্য গণমাধ্যমে দেশবাসী দেখেছে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন নির্মূলে এমন নিষ্ঠুরতম আচরণে দেশের ছাত্র-জনতা তখন প্রতিবাদে ফুঁসে উঠে।

তিনি বলেন, এই বর্বরোচিত ঘটনা দেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন। নির্মম এই ঘটনার বিচার চেয়ে ২২ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন বরাবর অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শহীদ শাইখ আস-হা-বুল ইয়ামিনকে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতার বাধায় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা যায়নি। মরদেহ নিয়ে গ্রামেও যেতে দেয়নি পুলিশ।

পুলিশের সাঁজোয়া যান এপিসি থেকে ইয়ামিনের গুলিবিদ্ধ দেহ রাস্তায় ফেলে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। আবার মৃত্যুর কোনো সনদ না দিয়েই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ইয়ামিনের মরদেহ হস্তান্তর করে। ঢাকা ও সাভার রেঞ্জের পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ইয়ামিনের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা দায়ের না করতে ভয়-ভীতি দেখান। সাভার তালবাগ পারিবারিক কবরস্থানে ইয়ামিনের মরদেহ দাফন করতে চাইলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মিজানুর রহমান মিজান বাধা দেন। পরে শহীদ ইয়ামিনকে সাভার ব্যাংক টাউন কবরস্থানে দাফন করা হয়।




এক দফা দাবিতে মির্জাগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষকদের মানববন্ধন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা এক দফা দাবি নিয়ে মানববন্ধন করেছেন।

সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের ব্যানারে উপজেলা পরিষদের সামনের মহাসড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলামের মাধ্যমে অর্ন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্বারকলিপি দেন শিক্ষকরা।

মানববন্ধনে সহকারী শিক্ষকরা বলেন, বর্তমানে তারা ১৩তম গ্রেডে শিক্ষকতা করছেন। ইউনিয়ন ভূমি সচিব, পুলিশের সাব ইনসপেক্টর, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার এবং সিনিয়র নার্স ১০ম গ্রেডে বেতন পান। আমরা বৈষম্যের শিকার, একই যোগ্যতাসম্পন্ন হয়েও ১৩তম গ্রেডে থাকায় সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছেন তারা।

বর্তমান সরকার বৈষম্য নিরসনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের পদকে ১২তম গ্রেডে উন্নীত করার সুপারিশ করেছে। কিন্তু, এই প্রস্তাবকে প্রত্যাখ্যান করে ১০তম গ্রেডে উন্নীত করার দাবি জানান শিক্ষকরা। তাই ১০ গ্রেড বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমরা সোচ্চার আছি।

১০ম গ্রেড বাস্তবায়ন পরিষদের আহবায়ক মো. নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. আবদুর রাজ্জাক, সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম মাহমুদ, বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. নাসির উদ্দীন মল্লিক, দশম গ্রেড বাস্তবায়ন কমিটির যুগ্ন-আহবায়ক মো. গাজী মশিউর রহমান, মো. শামিম আহমেদ নাসির মোল্লা, মো. নজরুল ইসলাম মিঠু, কমল চন্দ্র হাওলাদার, সামসুল আরেফিন ও আসাদ কামাল, মাহমুদা আক্তার, ইসরাত জাহান রুমি, রোজিনা ইয়াসমিন প্রমুখ।




পাঠ্যপুস্তক সংশোধন কমিটিতে আলেম অন্তর্ভুক্তি চায় হেফাজত

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপিত জাতীয় পাঠ্যপুস্তক সংশোধন ও পরিমার্জন কমিটিতে কোনো আলেম না থাকায় বিস্ময় প্রকাশ করে এই কমিটি প্রত্যাখ্যান করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। এই কমিটিতে আলেম প্রতিনিধি রাখার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

রাজধানীতে হেফাজত আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সভাপতিত্বে সংগঠনের খাস কমিটির এক বৈঠকে এই দাবি জানানো হয়।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন হেফাজত মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান, নায়েবে আমির আব্দুল হামীদ পীর সাহেব মধুপুর, আল্লামা জসিম উদ্দীন, আল্লামা সালাহ উদ্দীন নানুপুরী, আল্লামা আব্দুল আওয়াল, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা মুহিউদ্দিন রাব্বানী, ড. আহমাদ আব্দুল কাদের, মাওলানা আইয়ুব বাবুনগরী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী, মুফতী হারুন ইজহার, মাওলানা মীর ইদরিস, মুফতী

সহকারী মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতী বশিরুল্লাহ, অর্থ সম্পাদক মুফতী মুনির হুসাইন কাসেমী, দফতর সম্পাদক মাওলানা আফসার মাহমুদ প্রমুখ।

বৈঠকে বলা হয় যে, সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে জাতীয় পাঠ্যপুস্তক সংশোধন ও পরিমার্জন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে কোনো বিজ্ঞ আলেমের উপস্থিতি না দেখে আমরা যারপরনাই বিস্মিত হয়েছি। কারণ, স্বৈর-ফ্যাসিস্ট হাসিনার শাসনামলে বিভিন্ন সময়ে জাতীয় পাঠ্যপুস্তকের অসঙ্গতি ও বিতর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে ওলামায়ে কেরাম ব্যাপকভাবে সোচ্চার ছিলেন। অথচ আজ এই নতুন বাংলাদেশে পাঠ্যপুস্তক সংশোধন কমিটি থেকে আলেমসমাজকে বঞ্চিত করে আবারও বিতর্কের পথ বেছে নেওয়া হলো। আলেমবিহীন এই বৈষম্যমূলক কমিটি আমরা জোরালভাবে প্রত্যাখ্যান করছি।




স্নাতক প্রথমবর্ষ চূড়ান্ত পরীক্ষার নতুন সময়সূচি প্রকাশ

 

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩ সালের স্নাতক প্রথমবর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষার পরিবর্তিত সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী—আগামী ২১ অক্টোবর থেকে এ পরীক্ষা শুরু হবে, যা চলবে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

আগের ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী—১০ অক্টোবর থেকে এ পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। সে হিসেবে নতুন সময়সূচিতে পরীক্ষা শুরুর তারিখ ১১ দিন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।  জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে এ সময়সূচি প্রকাশ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর সূত্রও এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০২৩ সালের স্নাতক প্রথমবর্ষ পরীক্ষা শুরু হবে ২১ অক্টোবর। এ পরীক্ষা শেষ হবে ৮ নভেম্বর। কোনো কারণ দর্শানো ব্যতিরেকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ পরীক্ষার তারিখ ও সময়সূচি পরিবর্তন করতে পারবে।

প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, পরীক্ষার প্রথম দিনে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস (আবশ্যিক) বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন দুপুর ১টায় পরীক্ষা শুরু হবে।

তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হবে। ব্যবহারিক পরীক্ষার তারিখ ও সময় যথাসময়ে জানানো হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।




পবিপ্রবি থেকেই ভাইস-চ্যান্সেলর নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে থেকেই নতুন ভাইস-চ্যান্সেলর নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সামনে অনুষ্ঠিত ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে ছাত্র, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

মানবন্ধনে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর আবুল বশার খান, সিএসই অনুষদের শিক্ষক প্রফেসর ড. খোকন হোসেন, মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড. এবিএম সাইফুল, কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড. মো. ইখতিয়ারউদ্দিন, ডেপুটি রেজিষ্ট্রার ড. মো. আমিনুল ইসলাম, মৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থী সোহেল রানা জনি প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, বাহির থেকে ভিসি আসলে ক্যাম্পাসের ভেতরে অন্তকোন্দল বাড়িয়ে তোলে, বুঝতে বুঝতে সময়ক্ষেপণ করে, সুবিধাভোগীদের দৌরাত্ম্য বেড়ে যায়, বাহিরের রাজনৈতিক চাপ সামলাতে অবৈধ নিয়োগ ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ে, ভেতরের সমস্যা দিন দিন বাড়িয়ে বেতন বন্ধের উপক্রম করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতর থেকে যেকোনো একজন যোগ্য শিক্ষককে ভাইস-চ্যান্সেলর হিসেবে নিয়োগ প্রদানের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান তারা।




চন্দ্রদ্বীপ নিউজে সংবাদ প্রকাশের পর আর্থিক সহায়তা পেলেন আন্দোলনে চোখ হারানো বেল্লাল

বরিশাল অফিস :: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নিয়ে পুলিশের গুলিতে চোখ হারান বেল্লাল হাওলাদার। এ বিষয়ে ‘আলো হারাতে বসেছেন বেল্লাল’ শিরোনামে চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কমে সংবাদ প্রকাশ হয়। বিষয়টি সবার নজরে আসলে তাকে নগদ ৫০ হাজার টাকা দিয়েছেন এক ব্যক্তি।

শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) বেল্লালকে নগদ০ ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন ইঞ্জিনিয়ার সায়েম শাহনেওয়াজ। এ ছাড়া ব্যক্তি উদ্যোগে বিভিন্ন সময়ে তাকে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেল্লাল।

তিনি জানান , বিশেষ করে আমি ধন্যবাদ জানাই চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম পরিবারকে তাদের নিউজ সবার কাছে পৌঁছে যাওয়ার কারণে আমার সাথে অনেকই যোগাযোগ করে অনেক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। আমি আশা করি চন্দ্রদ্বীপ নিউজ সর্বক্ষণিক দেশ ও মানুষের জন্য সব সময় কাজ করে যাবে।

বেল্লালের বাড়ি নলছিটি উপজেলার কয়া বাজার গ্রামে। তার বাবার নাম মো. তৈয়ব আলী হাওলাদার। তিনি পেশায় ছিলেন একজন অটোচালক।

বেল্লাল আবেগে আপ্লুত হয়ে বলেন, আমাকে লন্ডন থেকে তারেক জিয়া (বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান) ৫০ হাজার টাকা পাঠিয়েছে। আমাকে এর আগে একজন ২৫ হাজার টাকা দিয়েছে। এ ছাড়া বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও আমাকে অনেক অর্থ ও শ্রম দিয়ে সহযোগিতা করেছেন। ভার্সিটির দুই সাবেক শিক্ষার্থীও চিকিৎসার ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়েছেন।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের এক আপু আমাকে চিকিৎসার সময়ে ৭ হাজার টাকা দিয়েছিলেন। আমি যেহেতু দুই চোখে দেখি না তাই এই টাকাগুলো একসঙ্গে করে ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করতে হবে। অনেকে বলেছেন, আমি যাতে কিছু একটা করতে পারি সে জন্য আরও সহযোগিতা করবেন। আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

গত ১৮ জুলাই বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সে সময় মাইকিং করে এলাকাবাসীর সহযোগিতা চাইলে তারাও অংশগ্রহণ করেন ওই ছাত্র আন্দোলনে। তখন পুলিশের ছোড়া রাবার বুলেট পিঠে ও চোখে লাগে বেল্লালের।

একপর্যায়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে শিক্ষার্থীরা অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে পাঠায় তাকে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় ঢাকার আগারগাঁওয়ে একটি চক্ষু হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় বেল্লালকে।




ঢাবির ৮ শিক্ষার্থী বহিষ্কার, হল প্রাধ্যক্ষ বদল

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলে মানসিক ভারসাম্যহীন তোফাজ্জলকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. শাহ্ মো. মাসুমকে পরিবর্তন করা হয়েছে।একই সঙ্গে ৮ জন শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কারের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফজলুল হক মুসলিম হলের ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কারণে অভিযুক্ত আটজন ছাত্রের আবাসিক সিট হল প্রশাসন বাতিল করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত আটজন শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কারের আদেশ দিয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. শাহ্ মো. মাসুমকে পরিবর্তন করে ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ইলিয়াস আল-মামুনকে হলটির নতুন প্রভোস্ট (প্রাধ্যক্ষ) হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে একদল শিক্ষার্থী তোফাজ্জল হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে চোর সন্দেহে রাতে কয়েক দফায় নির্যাতন করে, পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার বাড়ি বরিশালের বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কাঁঠালতলি ইউনিয়নে।




কলাপাড়ায় এক দফা দাবিতে শিক্ষকদের মানববন্ধন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ১২ তম গ্রেড প্রস্তাবনা প্রত্যাখান করে “১০ম গ্রেড আমাদের দাবি নয়, আমাদের অধিকার” এ একদফা দাবিতে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে উপজেলায় কর্মরত শতশত সহকারী শিক্ষকরা।

আজ (শনিবার) সকাল সাড়ে ১০ টায় কলাপাড়া প্রেসক্লাবের সামনে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন শেষে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে শিক্ষকরা বলেন, দেশের মানুষ গড়ার কারিগররা আজ অবহেলিত, নিস্ফেশিত। যে শিক্ষকরা একজন প্রথম গ্রেডের কর্মকর্তা তৈরির কারিগর, তাদের ১২ তম গ্রেডের প্রস্তাবনা করা হয়েছে। যা আমাদের জন্য লজ্জার। যে বৈষম্যের জন্য আজ নতুন বাংলাদেশের সূচনা হয়েছে, সেখানে শিক্ষকরা কেন বৈষম্যের শিকার হবে।

শিক্ষকদের দাবি, দেশ সংস্কারের যে নতুন দায়িত্ব বর্তমান অর্ন্তবর্তী সরকার শুরু করেছে, সে সংস্কার শিক্ষা ক্ষেত্র থেকে শুরু করা হোক। সহকারী শিক্ষকদের এ দাবি মানা না হলে আরও বৃহৎ কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে শিক্ষকরা ঘোষনা দেন।

সহকারী শিক্ষক গাজী মো. জামাল ও বদরুদ্দোজা সৈকতের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সহকারী শিক্ষক মোসাঃ সুমী,শাহিনুর বেগম, মিজানুর রহমান, আখতারুজ্জামান, আরিফুর রহমান,মো. জুয়েল, রেজাউল করিম, ইউসুফ আলী, হুমায়ুন কবির, মীর আলামিন, ইমাম হোসেন প্রমুখ।




ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সকল প্রকার রাজনীতি বন্ধের সিদ্ধান্ত

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ::ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের সকল প্রকার রাজনীতি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এ সভায় উপস্থিত একাধিক সিন্ডিকেট সদস্য বার্তা২৪.কমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সিন্ডিকেট সদস্য বলেন, সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত পৌনে ৯টা পর্যন্ত উপাচার্য লাউঞ্জে একটি জরুরি সিন্ডিকেট মিটিং হয়। সেখানে ২ ঘন্টা আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।