দক্ষিণ বাংলার সন্তান পবিপ্রবির নতুন ভিসি রফিকুল ইসলাম এর পরিচয়

পটুয়াখালী প্রতিনিধি : পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাকোলজি বিভাগের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম।

তিনি ১৯৭৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর বরিশাল জেলার সদর উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম কাজী আবদুল খালেক ও মায়ের নাম কাজী রাবেয়া বেগম। তিনি বরিশালের ব্যাপ্টিস্ট মিশন বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৮৮ সালে এসএসসি ও সরকারি ব্রজমোহন কলেজ থেকে ১৯৯০ সালে এইচএসসি পাস করেন। তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদ থেকে ১৯৯৪ সালে ডক্টর অব ভেটেরিনারি মেডিসিন (ডিভিএম) ও ১৯৯৮ সালে ফার্মাকোলজি বিষয়ে এমএস ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি জাপানের কাগওয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১১ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া তিনি একাধিক পোস্ট ডক্টরাল গবেষণা সম্পন্ন করেছেন।

কাজী রফিকুল ইসলাম বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাকোলজি বিভাগে ২০০২ সালে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। পর্যায়ক্রমে তিনি ২০০৪ সালে সহকারী অধ্যাপক, ২০১১ সালে সহযোগী অধ্যাপক এবং ২০১৬ সালে অধ্যাপক পদে উন্নীত হন। তিনি ২০২৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।




ভারতে পাঠ্যবই ছাপা আর না, টেন্ডার বাতিল

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: অবশেষে ভারতে পাঠ্যবই ছাপানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে অন্তর্বর্তী সরকার। বিষয়টি নিয়ে গত ১২ সেপ্টেম্বর  এবারও ভারতে ছাপা হবে ১ কোটি পাঠ্যবই’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। তার পর এ বিষয়ে একটি জরিপ পরিচালনা করে

দেখা যায়, ভারতীয় প্রকাশকদের দেশের বই ছাপাতে দেয়াকে সমর্থন করেন না ৯২ শতাংশ বাংলাদেশি। ১৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের পাঠ্যবই ভারতে ছাপাতেই হবে কেনো? শিরোনামে মন্তব্য প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয় শিক্ষা বিষয়ক এ দুই সংবাদমাধ্যমে। এমন সিরিজ সংবাদের ধারাবাহিকতায় টনক নড়ে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট নীতি নির্ধারকদের। শুরু হয় উচ্চ স্তরে তোড়জোড়। অবশেষে গতকাল মঙ্গলবার সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটি ওই টেন্ডার বাতিল ও নতুন করে টেন্ডার করার সিদ্ধান্ত দেয়। ক্রয় কমিটি এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্ভরযোগ্য সূত্র দৈনিক আমাদের বার্তাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। দুই ভারতীয় প্রকাশককে দেওয়া ১৮ টি লট বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শুরু হওয়া ভারতে পাঠ্যবই ছাপানোর ইতি ঘটলো। গত ১৫ বছর ধরে প্রতিবছরই ভারতে উল্লেখযোগ্য পাঠ্যবই ছাপানো হতো।




পবিপ্রবির নতুন উপাচার্যকে স্বাগত জানিয়ে মানববন্ধন পরিহার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: নতুন ভাইস চ্যান্সেলরকে স্বাগত জানিয়ে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পরিহার করা হয়েছে।

বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে আয়োজিত এই মানববন্ধনে সকল কর্মসূচি পরিহারহারের ঘোষণা দেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান ও পবিপ্রবি জরুরি, প্রশাসনিক ও আর্থিক দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যাপক মোহাম্মদ জামাল হোসেন।

এর আগে ২২ সেপ্টেম্বর ১ম দফা, ২৪ সেপ্টেম্বর ২য় দফা ও আজ ২৫ সেপ্টেম্বর ৩য় দফায় পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকদের মধ্য থেকে ভাইস চ্যান্সেলর নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন পবিপ্রবির শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

রেজিস্ট্রার(ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান বলেন, বর্তমান সরকারের গৃহীত সিদ্ধান্তকে উপযুক্ত মনে করে এবং সম্মান জানিয়ে আমরা আমাদের সকল কর্মসূচি পরিহার করেছি। সেই নবাগত ভিসি মহোদয়কে স্বাগত জানিয়েছি।

উল্লেখ্য, গত ২২ আগস্ট (পবিপ্রবি) সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত পদত্যাগ করলে ভিসি পদে নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকদের থেকে ভাইস চ্যান্সেলর নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করছিলেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

এদিকে বুধবার(২৫ সেপ্টেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার প্রজ্ঞাপনে আগামী চার বছরের জন্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে পবিপ্রবি আইন ২০০১ এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলামকে উপাচার্য পদে ৫ শর্তে নিয়োগ প্রদান করা হয়।




পবিপ্রবির নতুন ভিসি অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাকোলজি বিভাগের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম।

আজ বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এ পদে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়। আগামী চার বছরের জন্য এ পদে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম অধ্যাপক ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্তের স্থলাভিষিক্ত হলেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলনের মুখে প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত উপাচার্যের পদ থেকে পদত্যাগ করেন। পদত্যাগপত্রে ‘ব্যক্তিগত কারণের’ কথা বলেছেন পবিপ্রবি’র কৃষিতত্ত্ব বিভাগের জ্যেষ্ঠ এই অধ্যাপক।




মির্জাগঞ্জে শ্রেণিকক্ষের বৈদ্যুতিক পাখা খুলে পড়ে দুই শিক্ষার্থী আহত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে বাজিতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণিকক্ষে বৈদ্যুতিক পাখা খুলে পড়ে দুজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

আহত শিক্ষার্থীরা হলো বাজিতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. রায়হানুল ইসলাম ও আঁখি আক্তার। তারা মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. বাবুল হোসেন বলেন, দুপুর ১২টার দিকে দশম শ্রেণির মানবিক বিভাগের ইতিহাস বিষয়ের ক্লাস চলছিল। হঠাৎ শ্রেণিকক্ষের বৈদ্যুতিক পাখা খুলে পড়ে দুজন শিক্ষার্থী আহত হয়। গুরুতর আহত রায়হানুল ইসলামকে পাশের মহিষকাটা বাজারে স্থানীয় চিকিৎসক শাহ আলম মিয়ার কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। তার মাথায় পাঁচটি সেলাই লেগেছে। আহত অপর শিক্ষার্থী আঁখি আক্তারকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।

বাবুল হোসেন আরও বলেন, বিদ্যালয়ে একটি পুরোনো ভবনে শ্রেণিকক্ষের কার্যক্রম চলে। ভবনটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। পাশেই আরেকটি নতুন ভবনের কাজ চলমান। অর্থবছর শেষ হয়ে গেলেও নতুন ভবনের নির্মাণকাজ শেষ করছেন না ঠিকাদার। এতে শ্রেণিকক্ষের সংকট রয়েছে।

বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুমাইয়া ও নাসিবা বলে, ক্লাস চলাকালীন একটি বৈদ্যুতিক পাখা খুলে পড়ে যায়। এতে দুজন শিক্ষার্থী আহত হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণের কাজের ঠিকাদার মো. সেলিম হাওলাদার বলেন, ‘বাজিতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণে যেটুকু কাজ করা হয়েছে, সে কাজের তুলনায় অফিস থেকে আমাকে কম টাকা দেওয়া হয়েছে। এ জন্য কাজটি শেষ করতে দেরি হচ্ছে।




গলাচিপায় বেসরকারি শিক্ষকদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা জাতীয়করণ করার এক দফা দাবিতে সারা দেশের ন্যায় পটুয়াখালীর গলাচিপায় শিক্ষকরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছেন।

গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার কাছে এ স্মারক লিপি প্রদান করা হয়।

আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সম্মুখ সড়কে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

সমাবেশে শিক্ষকরা বলেন, অবিলম্বে বেসরকারি শিক্ষকদের জাতীয়করণ করার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।

যতদিন পর্যন্ত দাবি মানা না হবে ততদিন পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন গলাচিপা নূতন জামে মসজিদ সংলগ্ন আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. আবদুল হাই, উলানিয়া হাট স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. মাহফিজুর রহমান, একাডেমিক সুপার ভাইজার আবুল কালাম মো. সাঈদ, আটখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সমিত কুমার দত্ত, সুহরি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রাজা মিয়া, গুয়াবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোশারেফ হোসেন সবুজ, বঙ্গবন্ধু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইসরাত জাহান আসমা প্রমুখ।




রাঙ্গাবালীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণসহ বিভিন্ন দাবি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বৈষম্য দূর করতে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে মানববন্ধন করেছেন বেসরকারি স্কুল-মাদ্রাসায় কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীরা।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতাধিক শিক্ষক-কর্মচারী অংশ নেন।

কর্মসূচিতে মাধ্যমিক পর্যায়ের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ, জাতীয়করণের আগ পর্যন্ত শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন পদে সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পদায়ন বন্ধ রাখা এবং শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠনের দাবি জানানো হয়।

আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন- উপজেলার সাজির হাওলা আকবাড়িয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার সুলতানুর রহমান ও বড়বাইশদিয়া এ হাকিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহতাব হোসাইন প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, মাধ্যমিক স্তরের ৯৭ শতাংশ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানগুলো জাতীয়করণ করা অত্যন্ত জরুরি। একই শিক্ষাগত যোগ্যতা, একই বই পড়ানো, একই বোর্ডের আওতায় পরীক্ষা। অথচ সরকারি ও বেসরকারি নাম দিয়ে আর্থিক ও সামাজিক মর্যাদার মধ্যে বৈষম্য তৈরি করে রাখা হয়েছে।

কর্মসূচি থেকে এসব দাবি নিয়ে বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব বরাবর স্মারকলিপি দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

ডাক্তার পরিচয়ে সরকারি হাসপাতালের ওটি বয়ের কাণ্ডডাক্তার পরিচয়ে সরকারি হাসপাতালের ওটি বয়ের কাণ্ড
কর্মসূচিতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক ও উপজেলা জামায়াতে আমীর মাওলানা মুহাম্মদ কবির হুসাইন, রাঙ্গাবালী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নেছার উদ্দিন নাসির, নেতা ছালেহা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ফিরোজ, ছোটবাইশদিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার আলমগীর হোসেন প্রমুখ।




কলাপাড়ায় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ ও বৈষম্যদূর করার দাবিতে মানববন্ধন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বৈষম্য দূরীকরণে মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ ও জাতীয়করণের পূর্ব পর্যন্ত শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন পদে সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের পদায়ন বন্ধ রাখা এবং শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠনের দাবীতে মানববন্ধব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় কলাপাড়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এ সময় কলাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক স্কুল ও মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

উপস্থিতিদের মধ্যে থেকে জমিয়াতুল মোদার্রেসিন কলাপাড়া উপজেলা শাখার কোষাধ্যক্ষ মাওলানা মো. ওসমান গনী, কলাপাড়া উপজেলা শিক্ষক কল্যাণ সমিতির সভাপতি ও খেপুপাড়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আনোয়ার হোসেন বক্তব্য দেন ।

বক্তারা বলেন, প্রত্যেক উপজেলায় একটি করে মাধ্যমিক স্কুলকে জাতীয়করণ করে বাংলাদেশের শিক্ষার গুনগতমান বৃদ্ধি সম্ভব নয়। তাই বেসরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ করতে হবে।

শিক্ষা সংস্কার কমিশন দ্রুতই গঠন করতে হবে। যদি জাতীয়করণ না করা হয় তাহলে শিক্ষক সমাজ শুধুই মানববন্ধন ও স্মারকলিপির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবেনা। জাতীর সার্থে সারা বাংলাদেশে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলামের কাছে শিক্ষা উপদেষ্টা ও সিনিয়র সচিব বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করেছেন শিক্ষকরা।




নতুন বছরে নতুন বই পাবে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ::নতুন বছরের প্রথম দিন নতুন বই হাতে পাবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আজ মঙ্গলবার বিকেলে সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ তথ্য জানিয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘পয়লা জানুয়ারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সবাই নতুন বছরের বই পাবে। বইয়ের মানের ক্ষেত্রে কোনো আপোষ করা হবে না। কর্ণফুলী পেপার মিলের মতো ভালো মানের কারখানার কাগজ দিয়ে এবার বই ছাপা হবে।’

অন্য বছরের মতো আগামী বছরও বই উৎসব হবে কি না, তা নিশ্চিত করেননি অর্থ উপদেষ্টা। তিনি জানান, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন বইয়ের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।




বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহীদ ৭০৮ জনের তালিকা প্রকাশ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহীদদের নামের তালিকা প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তালিকায় প্রাথমিকভাবে ৭০৮ জন শহীদের পরিচয় জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব উম্মে হাবিবা স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জুলাই-আগস্টে (২০২৪) সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ও জেলা পর্যায় হতে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহীদদের নামের খসড়া তালিকা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের ওয়েবসাইট (www.hsd.gov.bd) এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (www.dghs.gov.bd) প্রকাশ করা হয়েছে। তথ্য সংশোধন/সংযোজন করার জন্য ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তালিকাটি ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, তালিকায় প্রকাশিত নাম, ঠিকানা ও অন্য প্রাসঙ্গিক তথ্যাদি যাচাই/সংশোধন/পূর্ণাঙ্গ করতে নিহতদের পরিবারের সদস্য/ওয়ারিশ/প্রতিনিধিদের অনুরোধ করা হলো। প্রকাশিত তালিকার বিষয়ে কারও কোনো মতামত, পরামর্শ এবং নতুন কোনো তথ্য-উপাত্ত সংযোজন করার মতো থাকলে তা সেবা নেওয়া সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল অথবা নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে জানাতে অনুরোধ করা হলো।

প্রকাশিত তালিকার তথ্য সংশোধনের জন্য নিম্নরূপ পদক্ষেপ নিতে হবে-

ক. নিহত পরিবারের সদস্য/ওয়ারিশ/প্রতিনিধিদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি)/ জন্মনিবন্ধন ও মোবাইল নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

খ. রেজিস্ট্রেশনের পর নিহত ব্যক্তির তথ্য ডাউনলোড ও প্রিন্ট করতে হবে।

গ. প্রিন্ট করা কাগজের যে ঘরগুলোতে তথ্য নেই, সেগুলো পূরণ করতে হবে।

ঘ. পূরণকৃত তথ্য নিয়ে সেবা গ্রহণকৃত সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল অথবা নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান তথ্য সংশোধনে সহায়তা করবে।

ঙ. প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি নিহত পরিবারের সদস্য/ওয়ারিশ/প্রতিনিধি কর্তৃক পূরণকৃত ফরমটি জমা নিয়ে অনলাইনে তথ্যগুলো হালনাগাদ করবেন।

চ. দাখিলকৃত তথ্য যথাযথভাবে সন্নিবেশিত বা সংশোধিত হলো কি না তা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে পুনরায় যাচাই করা যাবে।