বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা যে ১০ দেশে অল্প খরচে পড়তে পারেন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: উন্নত ক্যারিয়ার গড়ার লক্ষ্যে প্রতিটি শিক্ষার্থীর ভাবনার বিষয় থাকে স্বল্প খরচে দেশের বাইরে পড়াশোনা। বিশ্বমানের শিক্ষাব্যবস্থা ও উন্নত জীবনব্যবস্থার সঙ্গে বাজেটের দিকটা মিলে গেলেই উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে দেশটিতে পাড়ি জমান অনেক শিক্ষার্থী। ইউরোপ, মধ্য-এশিয়া, আমেরিকার বিভিন্ন দেশগুলোর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় কম খরচে অধ্যয়নের সুযোগ আছে। বেশ ভালো শতাংশ ছাড়ের পরও আর্থিক সংকুলান না হলে আছে স্কলারশিপের ব্যবস্থা। এতে টিউশন ফিসহ থাকা-খাওয়ার খরচ অনেকটাই পুষিয়ে নেওয়া যায়। স্বল্প খরচে দেশের বাইরে পড়ার জন্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের অন্যতম ১০ গন্তব্য হতে পারে এসব দেশ

জার্মানি
বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য এখন শিক্ষার্থীদের শীর্ষ পছন্দের দেশ জার্মানি। এখানকার অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রের অর্থায়নে পরিচালিত। এগুলোর ব্যাচেলর কোর্স এবং বেশির ভাগ মাস্টার্স কোর্সের জন্য সাধারণত কোনো ফি নেই। কিছু মাস্টার্স প্রোগ্রামে টিউশন ফি থাকলেও তা অন্যান্য দেশের তুলনায় তেমন বেশি নয়। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খরচ বলতে আছে সেমিস্টার কন্ট্রিবিউশন ফি, যার সঙ্গে টিউশন ফির কোনো সম্পর্ক নেই।

এটি শিক্ষার্থীদের কল্যাণেই পাবলিক পরিবহন, ক্রীড়া, অনুষদ/বিভাগীয় ছাত্রসংগঠন এবং প্রশাসনিক ফি ব্যায়ভার বহন করে। এই ফি প্রতিষ্ঠান ভেদে পরিবর্তিত হয় এবং সাধারণত ১০০ থেকে ৩৫০ ইউরোর (১ ইউরো সমান বাংলাদেশি টাকা ১১৮ টাকা ৯১ পয়সা) মধ্যে থাকে।

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জীবনযাত্রার খরচ সাধারণত প্রতি মাসে ৭২৫ ইউরোর মতো হয়ে থাকে, যেখানে বাসস্থান, খাবার, পোশাক এবং বিনোদনমূলক কার্যক্রম সবই অন্তর্ভুক্ত।

নরওয়ে
এখানেও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সব আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য টিউশন ফি মুক্ত। প্রতি সেমিস্টারে শুধু একটি শিক্ষার্থী ইউনিয়ন ফি দিতে হবে, যা ৩০ থেকে ৬০ ইউরোর মধ্যে। এর মাধ্যমে পাবলিক পরিবহন, জাদুঘর এবং সাংস্কৃতিক ইভেন্ট, স্বাস্থ্যসেবাতে বিশেষ ছাড় এবং ক্রীড়া সুবিধাগুলোসহ বেশ কিছু সুবিধা পাওয়া যাবে। নরওয়েতে জীবনযাত্রার জন্য প্রতি মাসে গড়ে ৮০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ ইউরোর মতো খরচের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। বড় শহরগুলোয় স্বাভাবিকভাবেই খরচ অনেক বেশি কিন্তু ছোট শহরগুলোয় গড়পড়তায় ৮০০ থেকে ১ হাজার ইউরোর মধ্যেই থাকা-খাওয়া, চলাফেরার যাবতীয় খরচ হয়ে যায়।

ফ্রান্স

বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বর্গ বলা যেতে পারে ফ্রান্সকে। শুধু পড়াশোনার জন্যই নয়; বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং সমগ্র ইউরোপীয় বাজারে তাদের রয়েছে অভিজাত পদচারণ। স্নাতক করার পর আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা এখানে বিভিন্ন ব্যবসায়িক খাতে আকর্ষণীয় কর্মসংস্থানের সুযোগ পাওয়ার আশা করতে পারেন। সুস্বাদু খাবার থেকে শুরু করে ঐতিহাসিক ল্যান্ডমার্ক, ফ্যাশন, শিল্প-সাহিত্য এবং জীবনধারা; জীবনের প্রায় সবকিছুর একটি আনন্দদায়ক মিশ্রণের নাম ফ্রান্স। এখানে লাইসেন্স (স্নাতক) স্তরে প্রতিবছর খরচ হতে পারে ২ হাজার ৭৭০ ইউরো। মাস্টার লেভেলে খরচ আছে বছরপ্রতি ৩ হাজার ৭৭০ ইউরো।

জীবনযাত্রার জন্য প্যারিস, নিস, লিয়ন, ন্যান্টেস, বোর্দো বা টুলুজের মতো অভিজাত শহরগুলো বাদ দিয়ে বাকি অন্যান্য শহরগুলোকে বাছাই করলে ৬৫০ ইউরোর নিচেই দিন যাপন করা যাবে।

অস্ট্রিয়া
ইউরোপের প্রাণকেন্দ্র অস্ট্রিয়া। ইউ (ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন)/ইইএ(ইউরোপিয়ান ইকোনমিক এরিয়া) দেশগুলোর শিক্ষার্থীদের জন্য এখানকার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর টিউশন ফি একদম ফ্রি। কিন্তু নন-ইউ/ইইএ দেশগুলোর ছাত্রছাত্রীদের জন্য এখানকার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রতি সেমিস্টারে ২০ ইউরো ছাড়াও টিউশন ফি বাবদ গড়ে ৭২৬ দশমিক ৭২ ইউরোর মতো খরচ হয়।




ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, ২০১৯ সালের এসএসসি পাসেও আবেদন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে এ–সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত মাধ্যমিক বা সমমান এবং ২০২৪ সালের উচ্চমাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে যাঁরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন ইউনিটে ভর্তির জন্য নির্ধারিত শর্ত পূরণ করবেন, কেবল তাঁরাই ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ৪ নভেম্বর ২০২৪ সোমবার দুপুর ১২টা থেকে ২৫ নভেম্বর ২০২৪ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন ফি ১০৫০ (এক হাজার পঞ্চাশ) টাকা এবং আইবিএ ইউনিটের আবেদন ফি ১৫০০ (এক হাজার পাঁচ শত) টাকা। চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের (সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী) যেকোনো শাখায় অথবা অনলাইনে ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সেবা ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের আবেদন ফি জমা দিতে হবে।




পটুয়াখালীতে তিন শিক্ষার্থীর জন্য পাঁচ শিক্ষক, একক প্রতিষ্ঠার স্কুল চলছে একক আধিপত্যে

পটুয়াখালী প্রতিনিধি:: পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ৯নং ধুলাসার ইউনিয়নের ১২৮নং চর ধুলাসার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৩ জন শিক্ষার্থীর জন্য ৫ জন শিক্ষক পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। যদিও কাগজে কলমে বিদ্যালয়ের মোট ১১৭ জন শিক্ষার্থী রয়েছে, অধিকাংশ শ্রেণিকক্ষ বর্তমানে ফাঁকা পড়ে আছে।

প্রতিদিন সকালে সাড়ে ৯টায় সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রাথমিকের ক্লাস শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বিদ্যালয়টি নিজেদের নিয়মে চলছে। সহকারী শিক্ষক জাহাঙ্গীর ও শিক্ষিকা আকলিমা সাধারণত ১০টার কিছু পরে ক্লাসে আসেন, এবং প্রধান শিক্ষক আল আমিন বিশ্বাস সাড়ে ১০টার দিকে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করেন। এ সময় বিদ্যালয়ের প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত সব শ্রেণীকক্ষে শিক্ষার্থীর অভাব দেখা যায়।

সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে সহকারী শিক্ষক আকলিমা অফিস কক্ষে প্রবেশ করে বিগত কয়েক দিনের স্বাক্ষর দ্রুত সেরে ফেলেন। তবে হাজিরা খাতায় প্রধান শিক্ষকের অনুপস্থিতির তথ্য লক্ষ্য করা যায়। অন্য সহকারী শিক্ষক সাওদা ছুটিতে রয়েছেন বলে জানানো হলেও, তার ছুটির কাগজ দেখাতে পারেননি প্রধান শিক্ষক।

বিদ্যালয়ে ৫ জন শিক্ষকের বিপরীতে ৩ জন শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন এবং মোট ১১ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষকদিগের অশোভন আচরণ ও অনুপস্থিতির কারণে বিদ্যালয়ের বর্তমান পরিস্থিতি সংকটময় হয়ে উঠেছে। ম্যানেজিং কমিটি কাগজে কলমে সীমাবদ্ধ থেকে নিজেদের খেয়ালখুশি মতো বিদ্যালয় পরিচালনা করছেন। বিদ্যালয়ের সামনে বড় করে একক প্রতিষ্ঠানের নাম লেখা রয়েছে, যা প্রতিষ্ঠানের একক আধিপত্য প্রকাশ করে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, শিক্ষকরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসেন না এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ক্লাস নেওয়া হচ্ছেনা। ফলে গত ৭-৮ বছর ধরে স্কুলটি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার পথে রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, একই পরিবারের সদস্যরা—প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক, এবং তাদের মেয়ে—পালাবদল করে ক্লাস নিচ্ছেন। বাবা আসলে মেয়ে আসে, মা আসলে বাবা আসে; এ যেন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে চোর-পুলিশের খেলা।

স্থানীয় সজীব তালুকদারসহ একাধিক অভিভাবক আশা প্রকাশ করেন, ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পদচারণায় আবার মুখরিত হয়ে উঠবে। অভিভাবক সদস্য মোহাম্মদ সুফিয়ান তালুকদার আক্ষেপ করে বলেন, শিক্ষকরা নিয়মিত ক্লাসে আসেন না। তারা কখনো ১০টায়, কখনো ১১টায় আসেন এবং যথাযথ ক্লাস নেন না। প্রধান শিক্ষক, তার স্ত্রী ও মেয়ে তিনজনই একই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন এবং তারা নিজেদের সুবিধামতো উপস্থিত হন।

স্থানীয় লিটন হোসেন তালুকদার বলেন, শিক্ষকদের অনিয়মের কারণে বিদ্যালয়টি বর্তমানে প্রায় শিক্ষার্থীশূন্য হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, যদি শিক্ষকদের স্থায়ীভাবে অপসারণ না করা হয়, তারা তাদের সন্তানদের বিদ্যালয়ে ভর্তি করবেন না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক জানান, তিনি গত এক বছর আগে তার ছেলেকে এ বিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়েছিলেন, কিন্তু তার ছেলে এখনো পর্যন্ত বই দেখেও পড়তে পারে না। বর্তমানে বিদ্যালয়ে কাগজে কলমে মোট শিক্ষার্থী ১১৭ জন হলেও, গড় উপস্থিতি হয় মাত্র ১০-১২ জন।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আল আমিন বিশ্বাস জানান, তিনি এবং তার স্ত্রী ও মেয়ে একই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করলেও কখনো ব্যক্তিগত প্রভাব খাটাননি। তিনি শারীরিক অসুস্থতার কারণে গত দুই দিন বিদ্যালয়ে আসেননি এবং অনিয়মের দায় স্বীকার করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম জানান, ছুটি না নিয়ে স্কুলে অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. বখতিয়ার রহমান জানান, বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫০ এর নিচে রয়েছে, তবে তারা বিষয়টি দ্রুত খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।




পবিপ্রবিতে নিয়মিত উপস্থিতির জন্য পুরস্কার ঘোষণা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম ঘোষণা করেছেন যে, যারা নিয়মিত কর্মস্থলে উপস্থিত থাকবেন এবং সততার সাথে কাজ করবেন, তাদের ভবিষ্যতে পুরস্কৃত করা হবে।

মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি কনফারেন্স রুমে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) আয়োজিত অফিস সহায়কদের জাতীয় শুদ্ধাচার ও কৌশল বাস্তবায়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বলেন, “আপনারা যে ধর্মেরই অনুসরণ করুন, কোনো ধর্মই অসৎ উপায়ে অর্থ উপার্জনকে সমর্থন করে না। আপনাদের এখন একটাই রাজনৈতিক দল, তা হলো আপনার কর্মস্থল পবিপ্রবি।” তিনি বলেন, “যদি আপনি কর্মস্থলে সততার সাথে কাজ করেন, তাহলে সবার মাঝে গর্বের সাথে বলতে পারবেন যে আপনি সৎ পথে উপার্জন করছেন।”

এসময়, অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইকিউএসির পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ইখতিয়ার উদ্দিন, ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড. মো. আমিনুল ইসলাম টিটো, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান ও ট্রেজারার অধ্যাপক মো. আবদুল লতিফ।

স্বাগত বক্তব্যে আইকিউএসির উপপরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আবদুল মাসুদ বলেন, “দিবসব্যাপী অনুষ্ঠিত এই জাতীয় শুদ্ধাচার ও কৌশল বাস্তবায়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে অর্ধশতাধিক কর্মচারী অংশগ্রহণ করেন।”

অধ্যাপক কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, “নিজের ভুলের ব্যাপারে যদি কেউ আমাকে পরামর্শ দেন, তাহলে আমি তা গ্রাহ্য করব। আমাদের কাজকে আমরা পরিবারের কাজের মতো আন্তরিকতার সাথে গ্রহণ করতে হবে।”




এইচএসসির পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ ১৪ নভেম্বর

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার পুনঃনিরীক্ষণের ফল আগামী ১৪ নভেম্বর প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক তপন কুমার সরকার।

চেয়ারম্যান বলেন, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার মূল ফল প্রকাশের সাধারণত এক মাসের মধ্যে পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করা হয়। ফলে আগামী ১৪ নভেম্বর সব শিক্ষা বোর্ড থেকে এক যোগে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশিত হবে।

তিনি জানান, ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করা শিক্ষার্থীদের খাতা পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না। শুধু পরীক্ষকদের দেওয়া নম্বরগুলো ঠিকভাবে যোগ হয়েছে কি না, তা দেখা হয়।

মাধ্যমিকে ২০১২ সালের কারিকুলামে বই পাবে শিক্ষার্থীরা
২০২৫ সালের এইচএসসি হতে পারে জুনে, এসএসসি এপ্রিলে
প্রত্যাশিত ফল না পেয়ে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ৮০ হাজার ৬০টি উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেছেন শিক্ষার্থীরা। সবগুলো বোর্ড মিলিয়ে কতজন শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছেন, তার তথ্য এখনও পায়নি আন্তঃশিক্ষা বোর্ড।

গত ১৫ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এ বছর সাধারণ শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৭৭.৭৮ শতাংশ। ১১টি শিক্ষাবোর্ডে এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১১ জন শিক্ষার্থী।

প্রকাশিত ফলে কারো প্রত্যাশিত ফল না এলে তাকে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন বা উত্তরপত্র চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ দেয় শিক্ষা বোর্ডগুলো। গত ১৬ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে এ কার্যক্রম চলে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত।




পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জুলাই অভ্যুত্থানের গ্রাফিতি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের বিনামূল্যের পাঠ্যবইয়ে আসছে পরিবর্তন। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, পাঠ্যবইয়ের প্রচ্ছদে থাকবে জুলাই অভ্যুত্থানের গ্রাফিতি বা দেয়ালে আঁকা ছবি। এর পাশাপাশি ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ও উদ্ধৃতি বাদ দেওয়া হবে। ইতিহাসনির্ভর বিভিন্ন বিষয়েও পরিবর্তন আসছে।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সূত্রে জানা গেছে, পরিমার্জনের কাজ প্রায় শেষ হলেও মুদ্রণকারীদের কাছে পাণ্ডুলিপি পৌঁছাতে বিলম্ব হচ্ছে। বছর শুরুর সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছে দেওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

প্রকাশের অনিশ্চয়তা ও পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত

এনসিটিবি কর্মকর্তারা জানান, নতুন শিক্ষাক্রমে পরিবর্তিত কিছু গ্রাফিতি এবং ঐতিহাসিক ঘটনার প্রতিফলন থাকছে। প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রমের বই দেওয়া হলেও চতুর্থ থেকে দশম শ্রেণিতে পুরোনো শিক্ষাক্রমে কিছু পরিবর্তন আনা হচ্ছে। পুরোনো শিক্ষাক্রমে নবম ও দশম শ্রেণির জন্য একই বই থাকলেও এবার দুই শ্রেণির জন্য আলাদা বই দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

এনসিটিবির চেয়ারম্যান এ কে এম রিয়াজুল হাসান বলেন, “এবারের মোট বইয়ের সংখ্যা প্রায় ৪০ কোটি। আশা করা যাচ্ছে, বছরের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছানো সম্ভব হবে।”




পবিপ্রবিতে ওরিয়েন্টেশন ৩১ অক্টোবর, ক্লাস শুরু ৩ নভেম্বর

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে জিএসটি গুচ্ছের অধীনে চূড়ান্তভাবে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ ৩১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস কার্যক্রম শুরু হবে ৩ নভেম্বর।

রোববার (২৭ অক্টোবর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ৩১ অক্টোবর সকাল ১০টায় টিএসসি কনফারেন্স রুমে ওরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে। এই ওরিয়েন্টেশনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মকানুন ও বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবগত হবেন। এরপর ৩ নভেম্বর স্ব-স্ব অনুষদে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাস শুরু হবে।

নতুন শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্লাস কার্যক্রম শুরুর ১৪ দিনের মধ্যে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে; অন্যথায় তাদের ভর্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল বলে গণ্য হবে। আবাসিক হলে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীরা আগামী ৩০ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট প্রভোস্ট অফিসে যোগাযোগ করে হলরুম নির্ধারণের কাজ সম্পন্ন করবেন। এ সময় চূড়ান্ত ভর্তি সম্পন্নের সময় প্রদত্ত Acknowledgement Slip এবং হল ভর্তি ফি জমার রশিদ সঙ্গে আনতে হবে।

যেসব শিক্ষার্থী পূর্বে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাথমিক বা চূড়ান্ত ভর্তি সম্পন্ন করেছিলেন, তারা GST গুচ্ছ নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে পবিপ্রবিতে জমা দিতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ে কাগজপত্র জমা দিতে ব্যর্থ হলে তাদের ভর্তি বাতিল হবে। শিক্ষার্থীরা তাদের অ্যাকাডেমিক এবং আবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরবর্তী শিক্ষাজীবন শুরুর জন্য প্রস্তুত হতে পারবেন।




২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে, এইচএসসি হতে পারে জুনে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: আগামী বছরের (২০২৫ সালের) এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি শুরু হবে। এছাড়া এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হতে পারে জুনের শেষ সপ্তাহে। আগামী বছর পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে এসএসসি ও পুনর্বিন্যাসকৃত (২০২৩ সালে প্রণীত) সিলেবাসে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া হবে।

রোববার (২৭ অক্টোবর) শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা এসব তথ্য জানিয়েছেন। বড় ধরনের কোনো অঘটন না ঘটলে এ শিডিউল বাস্তবায়ন করতে চায় সরকার।

ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক আবুল বাশার বলেন, “আগামী মার্চে এবার রমজান মাস পড়বে। ৩১ মার্চ অথবা ১ এপ্রিল ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হতে পারে। সেজন্য রোজা ও ঈদের ছুটির পর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা নেওয়া হবে। সেভাবে প্রস্তুতি চলছে।”

তিনি বলেন, “এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা আমরা ঈদুল আজহার পর শুরুর পরিকল্পনা করেছি। ৭ জুন ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হতে পারে। সে অনুযায়ী জুন মাসের শেষদিকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু করা যেতে পারে।”




পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা সফলভাবে অনুষ্ঠিত

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: দেশের ৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে একযোগে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের কৃষি গুচ্ছভুক্ত স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) কেন্দ্রে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ভেন্যুতে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। কৃষি, মাৎস্যবিজ্ঞান এবং অ্যানিমেল সায়েন্স অ্যান্ড ভেটেরিনারি অনুষদের ৪৪৮টি আসনের বিপরীতে প্রায় ৪ হাজার শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

ভর্তি পরীক্ষার্থী মলিন মুখার্জি জানান, ‘পরীক্ষার পরিবেশ আশানুরূপ ছিল এবং শিক্ষকদের আন্তরিকতা ছিল প্রশংসনীয়। তবে ফিজিক্স ও ম্যাথ প্রশ্ন কিছুটা কঠিন ছিল।’ আরেক ভর্তিচ্ছু সাকিব হাসান বলেন, ‘পরীক্ষা ভালো হয়েছে। এ বছর দ্বিতীয়বারের মতো পরীক্ষা দিয়েছি এবং আশা করছি সফল হবো।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সফলভাবে সম্পন্ন করতে শিক্ষক, কর্মকর্তা, বিএনসিসি, রোভার স্কাউট এবং সাংবাদিকসহ এলাকাবাসীর সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও সন্তোষজনক ছিল এবং আশা করা যায়, যোগ্য শিক্ষার্থীরাই সুযোগ পাবে।’

 




পবিপ্রবি এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরদের মধ্যে সৌজন্য সাক্ষাৎ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ভাইস-চ্যান্সেলরদের মধ্যে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ১০টায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরের বাসভবনে আন্তরিক পরিবেশে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাতে পবিপ্রবির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. শুচিতা শরমিন দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা এবং সহ-শিক্ষা কার্যক্রমে সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়ে বিশদ আলোচনা করেন। উভয়েই শীঘ্রই এই বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

সভায় পবিপ্রবির পক্ষ থেকে রেজিস্ট্রার (অ.দা.) প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান, ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মোঃ জিল্লুর রহমান, প্রফেসর মোহাম্মদ জামাল হোসেন এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে রেজিস্ট্রার মো. মনিরুল ইসলাম, সহকারী প্রক্টর মারুফা আক্তার উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাত শেষে পবিপ্রবির ভাইস-চ্যান্সেলর বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরকে পবিপ্রবি পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানান।