ফেল থেকে জিপিএ-৫ পেল ১ জন বিভিন্ন গ্রেডে ফল পরিবর্তন হয়েছে প্রায় ৩৪৭৫ জন শিক্ষার্থীর

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সদ্য প্রকাশিত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে সন্তুষ্ট না হয়ে খাতা চ্যালেঞ্জ করা প্রায় ৩ হাজার ৪৭৫ জন পরীক্ষার্থীর ফলাফলে পরিবর্তন এসেছে। তাদের মধ্যে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৯৪ জন। আগের ফলাফলে অনুত্তীর্ণ থাকা পরীক্ষার্থীদের মধ্যে খাতা চ্যালেঞ্জের পর সর্বোচ্চ গ্রেড জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ জন। শুধু তাই নয়, আগের প্রকাশিত ফলাফলে ফেল থাকা পরীক্ষার্থীদের মধ্যে খাতা চ্যালেঞ্জ করে পাস করেছেন ৪১০ জন শিক্ষার্থী।

চলতি বছরের এইচএসসির পুনঃনিরীক্ষণের ফলে এমন অস্বাভাবিক ফল পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। খাতা মূল্যায়নের এই চিত্রকে বিপজ্জনক বলছেন শিক্ষাবোর্ড সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার খাতা পুনঃনিরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে ৯টি সাধারণ এবং মাদ্রাসা বোর্ডের প্রকাশিত পুনঃনিরীক্ষণের ফল বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য জানা গেছে। তবে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ফল (সন্ধ্যা ৬টা) এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত প্রকাশ করেনি।

গত ১৫ অক্টোবর চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়। এতে গড় পাসের হার ছিল ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন এক লাখ ৪৫ হাজার ৯১১ জন। প্রকাশিত ফলাফলে কোনো শিক্ষার্থী কাঙ্ক্ষিত ফল না পেলে সে খাতা চ্যালেঞ্জ করার জন্য গত ১৬ অক্টোবর থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হয়। এরপর আজ পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশিত হলো।




সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেই হবে বইমেলা : সংস্কৃতি উপদেষ্টা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেছেন, বইমেলা আয়োজনে কোনো সমস্যা হবে না। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বইমেলার আয়োজন করা হবে।

সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে অনেক কাজ করার সুযোগ রয়েছে। আইনের মধ্য থেকেই সব স্বপ্ন কীভাবে বাস্তবায়ন করা যায় সেটা দেখা হবে।




এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার খাতা চ্যালেঞ্জ বা ফল পুনর্নিরীক্ষণের ফল আগামীকাল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার খাতা চ্যালেঞ্জ বা ফল পুনর্নিরীক্ষণের ফল আগামী ১৪ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) দুপুরে প্রকাশিত হবে। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক তপন কুমার সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর ঢাকা বোর্ডে ১ লাখ ৮০ হাজার পরীক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছেন। এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় যে বিষয়গুলোর পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে ওই বিষয়গুলোর ফল পুনর্নিরীক্ষণের সুযোগ শিক্ষার্থীরা পেয়েছেন। তবে, সাবজেক্ট ম্যাপিং হওয়া বিষয়গুলোর ফল পুনর্নিরীক্ষণের সুযোগ ছিল না। গত ১৬ অক্টোবর থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন নেওয়া হয়।

যেভাবে ফল জানা যাবে
শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুই পদ্ধতিতে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার পুনর্নিরীক্ষণের ফল জানা যাবে। একটি হলো এসএমএসের মাধ্যমে। এছাড়া নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে ঢুকে পরীক্ষার্থীরা ফল দেখতে পারবেন।

প্রথম ফল প্রকাশের সময় যেভাবে এসএমএস পাঠিয়ে ফিরতি এসএমএসে ফল জানা যায়, পুনর্নিরীক্ষণের ক্ষেত্রে তা নয়। এক্ষেত্রে প্রার্থী ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করার সময় যে মোবাইল নম্বর দিয়েছিলেন, সেই নম্বরে বোর্ড থেকে এসএমএস পাঠিয়ে ফল জানিয়ে দেবে। তাই ফলাফলের জন্য এসএমএস পাঠানোর প্রয়োজন নেই।

এছাড়াও শিক্ষার্থীরা অনলাইনে নিজ শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ফল জানতে পারবেন।




পাঠ্যপুস্তকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে জিয়াউর রহমানের নাম

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন শ্রেণির একাধিক বই পরিমার্জন হচ্ছে। সেখানে ইতিহাস-সংক্রান্ত বই বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়ে’ স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ করা l

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) বলছে, বিগত সরকারের সময়ে ইতিহাসকে এককেন্দ্রিক করে ফেলা হয়। সে কারণেই এবার পরিমার্জন হচ্ছে।

এ ছাড়া যার যতটুক অবদান সেই অনুযায়ী মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দীসহ অন্যরাও স্থান পাবেন। আর বাংলা সাহিত্যে ‘বাংলাদেশে জুলাই অভ্যুত্থান’ আবু সাঈদ ও মুদ্ধের গল্প এবং আন্দোলনের গ্রাফিতিও অন্তর্ভুক্ত হবে। অন্যদিকে একাদশ শ্রেণির বাংলা সাহিত্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, অধ্যাপক জাফর ইকবালসহ চারজন লেখকের লেখা বাদ দেওয়া হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যারা যখন সরকারে ছিল, তখন পাঠ্যপুস্তকের পরিমার্জন করেছে। নিজেদের মতাদর্শ সূক্ষ্মভাবে শিক্ষার্থীদের ওপর চাপিয়েছে। নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি থেকে করা হয়নি। ফলে স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও সরকারের যাত্রা আর বিদায়ের মতো পাঠ্যপুস্তকে ইতিহাস-সংক্রান্ত তথ্য হয় অন্তর্ভুক্তি না হয় বাতিল হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. এস এম হাফিজুর রহমান বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সঠিক ইতিহাসটা পাঠের সুযোগ দিতে হবে। একই বিষয়ের ইতিহাস বারবার পরিবর্তন হলে তারা বিভ্রান্ত হয়। তাই এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।’

যা যা পরিবর্তন হচ্ছে
চতুর্থ শ্রেণি থেকে নবম-দশম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ্য হিসেবে ‘বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়’ বইয়ে পরিবর্তন করা হচ্ছে। এই বইয়ের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অধ্যায়ে ‘২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা’ অংশ পরিবর্তন করে ২৬ মার্চ জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা হিসেবে উল্লেখ করা হতে পারে। আর টেক্সট হতে পারে ২৬ মার্চ জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। ২০০ আর ২৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর পক্ষে আবার স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির বাংলা বইয়ের বিভিন্ন গল্প ও উপন্যাসও পরিমার্জন করা হচ্ছে। যে এতে শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনীর প্রবন্ধ ‘বায়ান্নর দিনগুলো’ বাদ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও মহাদেব সাহার লেখাও বাদ পড়ছে।

এনসিটিবির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, বাংলা সাহিত্যে ‘বাংলাদেশে জুলাই অভ্যুত্থান’ শিরোনামে একটি প্রবন্ধ যোগ করা হয়েছে। থাকবে একটি কবিতাও। এ ছাড়া যুক্ত করা হবে আন্দোলন চলাকালে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অঙ্কিত গ্রাফিতি। বইয়ের শেষ পৃষ্ঠায় বিভিন্ন ধর্মীয় বাণী, চিরন্তন সত্য প্রবাদ থাকবে।

অন্যদিকে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘আমার পথ’ প্রবন্ধ বাদ দিয়ে ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধ ও বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের লেখা ‘গৃহ’ গল্প বাদ দিয়ে ‘অর্ধাঙ্গী’ গল্প সংযোজন করা হবে বলে জানা গেছে।




সরকারি-বেসরকারি স্কুলে ভর্তির আবেদন আজ থেকে শুরু

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সরকারি-বেসরকারি স্কুলে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তির আবেদন শুরু হচ্ছে আজ (মঙ্গলবার) থেকে। বেলা ১১টা থেকে অনলাইনে আবেদন করতে পারবে শিক্ষার্থীরা। এই প্রক্রিয়া চলবে ৩০ নভেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত। আবেদন শেষে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী বাছাই ও ভর্তি করানো হবে।

এবারের ভর্তির আবেদন ফি ১১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় মোবাইল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান টেলিটকের মাধ্যমে এ ফি পরিশোধ করতে হবে।

ডিজিটাল লটারি শেষে আগামী ১৭ ডিসেম্বর শুরু হবে ভর্তি কার্যক্রম। যা চলবে ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। আর প্রথম অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে ভর্তি শুরু হবে ২২ ডিসেম্বর থেকে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। আর দ্বিতীয় অপেক্ষমাণ তালিকার ভর্তি চলবে ২৬ ডিসেম্বর থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত।




বরিশাল মডেল স্কুলের অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবীতে বিক্ষোভ

বরিশাল সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীরা ব্যাপক বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে। রোববার সকাল ১১টায় নগরীর বাধরোড শিশু পার্কের সামনে সড়ক অবরোধ করে তারা এ প্রতিবাদ জানায়।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. এহতেসাম উল হক ২০২১ সালের জুন মাস থেকে এই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন। তার আমলে, বিশেষত সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে নানা সময়ে ছাত্র-শিক্ষক ও অভিভাবকদের সাথে দুর্ব্যবহার এবং অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া, তিনি প্রতিষ্ঠানের সম্পদ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করেন এবং সাধারণ মানুষের সাথে কোনো সহযোগিতা বা সহানুভূতি দেখান না বলে অভিযোগ রয়েছে।

শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘‘অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. এহতেসাম উল হক আমাদের সাথে ঠিকমতো ব্যবহার করেন না। তিনি আমাদের নানা প্রশ্নের জবাব না দিয়ে শুধু দুর্ব্যবহার করেন।’’ শিক্ষার্থীরা আরও জানান, তিনি অভিভাবকদেরও কোনো গুরুত্ব দেন না, তাদের সাথেও তার আচরণ অসংবেদনশীল।

এ ঘটনার পর, সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে শিক্ষার্থীরা সড়ক থেকে সরে গিয়ে ক্যাম্পাসে অবস্থান নেন। এ সময় তারা ১০ দফা দাবি তুলে ধরে অধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে শিগগিরই পদক্ষেপ না নেয়া হলে কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার হুশিয়ারি দেন।

পরে শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধিদল এসে শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা করেন। তারা শিক্ষার্থীদের দাবি-দাওয়া ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরার আশ্বাস দেন। এরপর শিক্ষার্থীরা ৭ দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে তাদের মানববন্ধন শেষ করে ক্লাসে ফিরে যান।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের প্রথম পুনর্মিলনী উৎসব উদযাপন

“এখানে ছিল- এখানে আছে, আমাদের ঋণ তোমারই কাছে” স্লোগানকে ধারণ করে সাগরপারের জনপদ কলাপাড়ার ঐতিহ্যবাহী খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের প্রথম পুনর্মিলনী উৎসব উদযাপনের আহ্বান জানিয়ে শহরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে সকল প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয় এই র‍্যালির মাধ্যমে।

রবিবার সকাল দশটায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে র‍্যালিটি শুরু হয়ে কলাপাড়া পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ফের বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে গিয়ে শেষ হয়। র‍্যালি শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম বিশ্বাস, উদযাপন কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক নাসির তালুকদার, সদস্য সচিব রেজাউল করিম বাবলা, প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম। র‍্যালিতে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ছাড়াও শত শত অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী অংশ নেন।

এদিকে, আগামী ২৮ ডিসেম্বর বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান উদযাপনের ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। ইতোমধ্যে এতে অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং নিবন্ধনের শেষ তারিখ আগামী ১৫ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৯২৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানকে ঘিরে কলাপাড়ায় ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



প্রজ্ঞাপন জারি, যারা পারবেন না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি হতে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ট্রাস্ট ও অন্যান্য সংস্থা পরিচালিত স্কুল-কলেজের পরিচালনা কমিটির সভাপতি মনোনয়ন আগের মতোই সংস্থা প্রধান দেবেন। পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব নিয়ে সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনের আওতার বাইরে থাকবে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গভর্নিংবডি-ম্যানেজিং কমিটি গঠন সংক্রান্ত প্রবিধানমালা-২০২৪-এর প্রবিধি ৬৩-তে উল্লিখিত ট্রাস্ট, মিশনারি, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, কালেক্টরেট, পুলিশ লাইন, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, জেলা পরিষদ, রেলওয়ে, বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা বোর্ড বা অন্য কোনো সংস্থা বা ফাউন্ডেশন পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ২০ আগস্টের ১৮৩ নম্বর প্রজ্ঞাপনের আওতা বহির্ভূত থাকবে।
অর্থাৎ বিভাগীয় কমিশনার-জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং তার মনোনীত প্রার্থী এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সভাপতি হতে পারবেন না।

এদিকে ২০ আগস্ট এক প্রজ্ঞাপনে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পদে বিভাগীয় কমিশনার-জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বা তাদের মনোনীত প্রার্থীকে দায়িত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পদে বেসরকারি ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা, ২০২৪’-এর ৬৮ অনুযায়ী নির্দেশনা দেওয়া হলো।




বিশ্বের ৩ শতাধিক বিশ্ববিদ্যালয় ইসরাইলের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: পার্সটুডে- ইহুদিবাদী ইসরাইলের বেন-গুরিয়ন ইউনিভার্সিটির প্রধান ড্যানিয়েল চামুভিট্‌স বলেছেন, আল-আকসা তুফান অভিযানের পর থেকে এ পর্যন্ত ‌আমেরিকাসহ পাশ্চাত্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পক্ষ ইসরাইলের শিক্ষাব্যবস্থার বিরুদ্ধে তিনশ’র বেশি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। ইসরাইলি দৈনিক ‘ইয়েদিউত আহারোনোত’ এ তথ্য জানিয়েছে।
বেন-গুরিয়ন ইউনিভার্সিটির প্রধান আরও জানিয়েছেন, ইসরাইলের শিক্ষাব্যবস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞায় বিভিন্ন ইউরোপীয় দেশ, আমেরিকা এবং কানাডা শামিল হয়েছে।

বার্তা সংস্থা ‘মেহের নিউজ’ এসব নিষেধাজ্ঞার ধরণ সম্পর্কে লিখেছে, এসব নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ইসরাইলের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অংশগ্রহণের সুযোগ না দেওয়া, যৌথ নিবন্ধের প্রকাশনা বাতিল করা, ইসরাইলি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণা কেন্দ্রের শিক্ষক ও গবেষকদের সম্পর্ক ও সহযোগিতা বাতিল করা, এমনকি দখলদার ইসরাইলের সাথে সহযোগিতা রয়েছে এমন প্রতিষ্ঠাগুলোকে সহায়তা প্রদান বন্ধের পাশাপাশি বিনিয়োগ প্রত্যাহার করা।

বেন-গুরিয়ন ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট আরও জানিয়েছেন, গাজা ও লেবাননে ইসরাইলি হামলা তাদের উচ্চ শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর মারাত্মকভাবে প্রভাব ফেলেছে। যুদ্ধের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রায় এক-চতুর্থাংশকে সেনাবাহিনীতে ডাকা হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেটও কমবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বেন-গুরিয়ন ইউনিভার্সিটির প্রধান ড্যানিয়েল চামুভিট্‌স গত এক বছরের যুদ্ধের প্রভাবকে অকল্পনীয় হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন লাখ শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ৭০ হাজার শিক্ষার্থীকে সেনাবাহিনীতে ডাকা হয়েছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর পর থেকে ইহুদিবাদী ইসরাইল গাজা উপত্যকায় নির্বিচারে বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরাইলি এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। লেবাননেও এখন একই কায়দায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে দখলদার সেনারা।




মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনি কোটা রেখেই ঢাবির ভর্তি কার্যক্রম

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে পতন হয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। যে আন্দোলনের শুরুটা ছিল কোটা সংস্কার ঘিরে। শিক্ষার্থীরা সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান-নাতি-নাতনিদের জন্য বরাদ্দ করা ৩০ শতাংশ কোটাসহ ৫৬ শতাংশ কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছিলেন। সেই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা।

অথচ অভ্যুত্থানের তিন মাস না পেরোতেই মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-নাতনি কোটা বহাল রেখে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এই ভর্তি প্রক্রিয়া জুলাই বিপ্লবের চেতনাবিরোধী বলে মনে করছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।