পায়রা ও কুয়াকাটায় বিমানবন্দর নির্মাণে সাইট পরিদর্শন

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পায়রা বন্দর ও কুয়াকাটা পর্যটন ভিত্তিক শীর্ষক প্রকল্প এলাকায় বিমানবন্দরের স্থান চিহ্নিত করতে প্রাথমিক পরিদর্শন করেছে ৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।

শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দলটি পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার চাকামইয়া এলাকা পরিদর্শন করে সম্ভব্য স্থান নির্ধারণ করেন।

দলটিতে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের পরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব, নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি, পরিচালক এটিএম বিভাগ বেবিচক প্রতিনিধি গণ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের প্রশাসন পরিচালক (বেবিচক) মো. জহিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, এই এলাকায় ৩ হাজার একর ভূমিতে বিমানবন্দর নির্মাণ হতে পারে। তাই প্রাথমিক ভাবে এই প্রকল্পের পরিদর্শন করা হয়েছে।




জাপানকে সরিয়ে জার্মানি এখন বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে নিজের অবস্থান জার্মানির কাছে হারিয়েছে জাপান।



গলাচিপায় উৎসব মুখর পরিবেশে ঐতিহ্যবাহী মেলা

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় হাজার হাজার দর্শনার্থীদের কোলাহলপূর্ণ উৎসব মুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী দয়াময়ী মাঘী সপ্তমী মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার ভোর ৬টা থেকে কালী পূজা ও শিব পূজার মধ্য দিয়ে চিকনিকান্দী ইউনিয়নের সুতাবাড়িয়া গ্রামে বুড়াগৌরাঙ্গ নদীর পাড়ে এ মেলার কার্যক্রম শুরু হয়।

আজ সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঢাকঢোল, শঙ্খসহ বিভিন্ন বাদ্যবাজনা ও দর্শনার্থীদের কলরবে মেলা প্রাঙ্গন মুখরিত রয়েছে। মেলায় অনেক শিশুর বাৎসরিক মাথা মুন্ডন করা হয়। এছাড়া মেলার কালী মন্দিরে পাঁঠা বলিদান হয়। মেলায় রঙ বেরঙের আকর্ষণীয় বিভিন্ন খেলনার দোকান, পল্লীবাসীদের স্ব হস্তে তৈরিকৃত বুনন শিল্পের সামগ্রী, গৃহস্থলীর ব্যবহার্য তৈজস পত্রের পণ্য সামগ্রী, মাটির তৈরি বাসন-কোসনের হরেক রকম দোকান, মিষ্টি সামগ্রীর দোকান ও খাবারের দোকানের পসরা বসে।

মাঘী সপ্তমী মেলা কমিটির সভাপতি যুগল দেবনাথ ও সাধারণ সম্পাদক বিমল দেবনাথ জানান, ‘অর্থের অভাবে মেলার কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তবে সবাই যদি দান করেন তাহলে আগামীতে আরো সুন্দর করে এ মেলা অনুষ্ঠিত করা সম্ভব।’

এ বিষয়ে চিকনিকান্দী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বিবেক দেবনাথ বলেন, ‘মেলায় দেশ-বিদেশর হাজার হাজার দর্শনার্থীদের পদচারণায় ঐতিহ্যবাহী দয়াময়ী মাঘী সপ্তমী মেলা কোলাহলপূর্ণ উৎসব মুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।’

এ ব্যাপারে দয়াময়ী মন্দিরের পুরোহিত বিধান গাঙ্গুলী এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রতি বছরের মতো এবারো মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে, তবে নদী ভাঙ্গনের ফলে স্থান সঙ্কুলন না হওয়ায় মেলায় আগত মানুষদের দাঁড়িয়ে থেকে বেশ দুর্ভোগ সহ্য করে মেলার আনন্দ উপভোগ করতে হচ্ছে। মেলাটি এ অঞ্চলের হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি তথা বিশেষভাবে শিশু-কিশোর ও তরুণ-তরুণীদের কাছে বিপুল আনন্দের খোরাক।




কুয়াকাটায় মিলছে না হোটেল, সড়কে পর্যটকরা

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): সাপ্তাহিক ছুটি আর বসন্ত উদযাপনে পর্যটকের ঢল নেমেছে সাগরকন্যাখ্যাত কুয়াকাটায়। চাহিদার তুলনায় হোটেল – মোটেলে জায়গা কম থাকায় পর্যটকরা অনেকেই রুম পাচ্ছেন না। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন যারা বুকিং না দিয়ে কুয়াকাটায় গেছেন। ভোগান্তি এড়াতে অনেকেই দূরদূরান্তের বাসা বাড়িতে থাকার চেষ্টা করছেন।

শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই সৈকতের তিন নদীর মোহানা, ঝাউবন শুঁটকি মার্কেট, লেম্বুর বনসহ সৈকতের সবখানেই পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়।

ইতোমধ্যে আগামী ২১, ২২, ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কুয়াকাটার অধিকাংশ হোটেল-মোটেল ও কটেজ অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে।

পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন রোজার আগে ধারাবাহিকভাবে এমন চাপ থাকবে পর্যটকদের।

পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন, এ বছর কুয়াকাটায় তেমন পর্যটক আসেনি। ভরা মৌসুমে আমাদের লোকসান গুনতে হয়েছে। তবে ফেব্রুয়ারি মাস জুড়ে কিছুটা পর্যটকদের সাড়া মিলছে। এতে হাসি ফুটেছে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের মুখে। আশা করছি এই ধারাবাহিকতা সারা বছর থাকবে।

ট্যুর গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কেএম বাচ্চু বলেন, আজ কুয়াকাটায় পঞ্চাশ হাজারের বেশি পর্যটক অবস্থান করছেন। যে সকল পর্যটক অগ্রিম বুকিং ছাড়া এসেছেন তাদের বিপাকে পড়তে হয়েছে। হোটেল না পাওয়া পর্যটকদের সৈকতের ভেড়িবাদ, বালিয়াড়িসহ বিভিন্ন স্থানে ব্যাগ হাতে এদিক ওইদিক ছুটতে দেখা গেছে। কেউ কেউ বসে আছেন বিভিন্ন দোকান ও রেস্টুরেন্টে। আগত পর্যটকদের মধ্যে এমন ভোগান্তিতে রয়েছেন শত শত পর্যটক।

যশোর থেকে আসা জনি বলেন, আমরা ছুটি পেয়ে ৫৬ জন বন্ধু-বান্ধব কুয়াকাটায় ট্যুরে এসেছি। আমরা রিজার্ভ বাস নিয়ে এসেছি। রুম না পাওয়ায় আবার রাতে চলে যাব। সামনে রমজান তাই এখন এসেছি। চমৎকার একটি জায়গা কুয়াকাটা। ইচ্ছে ছিল একদিন থাকার। কিন্তু হোটেল বুকিং না দিয়ে আসায় বিপাকে পড়তে হলো।

কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ বলেন, ফেব্রুয়ারি মূলত পর্যটকদের ভ্রমণের একটি উপযোগী সময়। এই সপ্তাহে কুয়াকাটায় রেকর্ড সংখ্যক পর্যটক এসেছে। যা বিগত এক বছরেও হয়নি। কুয়াকাটা যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ হওয়ায় পর্যটকদের চাপ বেড়েছে। তাছাড়া বর্তমানে দেশে কোনো রাজনৈতিক অস্থিরতা নেই। তাই মানুষ ঘর থেকে নির্ভয়ে বের হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, কুয়াকাটায় পর্যটক বাড়লেও অনেকেই দিনে এসে দিনেই চলে যাচ্ছে। যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ ও দ্রুততম হওয়ার কারণে এখন কুয়াকাটা ভ্রমণ করা অনেক সহজ।

কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোতালেব শরীফ বলেন, কুয়াকাটায় ১৫ থেকে ২০ হাজার পর্যটকদের আবাসিক সেবা দেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে। হোটেল-মোটেল শতভাগ বুকিং রয়েছে।




ভোলায় গ্যাস সংযোগ ৩ বছরের মধ্যে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

বরিশাল অফিস :: গ্যাসের অভাবে চরম দুর্ভোগ ভোলার শিল্প-প্রতিষ্ঠান ও বাসা-বাড়িতে। তবে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ৩ বছরের মধ্যে ভোলা পৌরসভার সব বাসা-বাড়িসহ শিল্প-প্রতিষ্ঠানে গ্যাস সংযোগ দেওয়া হবে। এতে কমবে দুর্ভোগ, ঘুড়ে দাঁড়াবে শিল্প-কারখানা। এছাড়া পাইপলাইনে বরিশাল ও পটুয়াখালী হয়ে ভোলার গ্যাস যুক্ত হবে জাতীয় গ্রিডেও।

মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ, গ্যাসে সমৃদ্ধ দ্বীপজেলা ভোলা। এখানে এ পর্যন্ত তিনটি ক্ষেত্র শাহাবাজপুর, ভোলা উত্তর ও ইলিশা থেকে গ্যাস উত্তোলন হচ্ছে। জেলায় মোট এক দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন গ্যাস মজুতের কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

প্রায় ২২ লাখ মানুষের এই জেলায় সর্বপ্রথম ২০১৩ সালে আবাসিক গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়। বর্তমানে ২ হাজার ৩৭৪টি ঘর ও ১০টি শিল্পে গ্যাস সংযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, গ্যাসের অভাবে পর্যাপ্ত সুবিধা পাচ্ছে না ভোলাবাসী। ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না জেলার শিল্পখাত।

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘আমরা এখানে অনেক শিক্ষিত বেকার যুবক আছি। যদি এখানে শিল্প কারখানা না হয়, তাহলে আমাদের ভবিষ্যত কি হবে? ভোলার গ্যাস ভোলার মানুষের ব্যবহারের জন্য দাবি জানিয়ে আসছি। আশা করি, সরকার আমাদের দাবির প্রতি নজর দেবে।’

ভোলায় গ্যাসভিত্তিক শিল্পকারখানার বিশাল সম্ভাবনা দেখছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তাই প্রথমে ভোলার পৌর এলাকা ও শিল্পে সরবরাহ কথা ভাবছেন তিনি।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রত্যেক বাড়িতে গ্যাস মিটার দিয়ে, আমরা গ্যাসের সংযোগ দিয়ে তারপরে বাকি গ্যাস বরিশালে নিয়ে যাব। আগে ভোলাতে আমরা শিল্পে সংযোগ দেব।’

ভোলার ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাইপলাইনে বরিশাল ও পটুয়াখালীতে নেওয়া হবে, যা যুক্ত হবে জাতীয় গ্রিডে।

নসরুল হামিদ বলেন, ‘যে গ্যাস আমাদের খনন চলছে, সেখান থেকে প্রাপ্ত গ্যাস কীভাবে বরিশাল, পটুয়াখালিতে নিয়ে যাওয়া যায়, সেটারও পরিকল্পনা আমরা করে ফেলেছি ইতিমধ্যে। তার সাথে একটা পাইপলাইন আমরা কীভাবে নির্মাণ করব, সেটার রুট প্ল্যান হয়ে গেছে।’

বর্তমানে ভোলায় ৯টি গ্যাস কূপের সন্ধান মিলেছে। এখানে আরও ৯টি অনুসন্ধান কূপ খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

ভোলায় নতুন কূপ অনুসন্ধানে আলোর মুখ দেখছেন এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা। পরিকল্পনা অনুযায়ী নদীর তলদেশের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে পাইপলাইন নির্মাণ করে এই গ্যাস দেওয়া হবে জাতীয় গ্রিডে। এতে কমবে দেশে গ্যাস সংকট।




বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংকের মধ্যে টাকা-ডলার অদলবদল চালু

চন্দ্রদীপ নিউজ: দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় কারেন্সি সোয়াপ বা মুদ্রা বিনিময় চালু করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর ফলে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মধ্যে লেনদেনে ডলার ও টাকার অদলবদল করা যাবে। আজ বৃহস্পতিবার থেকেই নতুন এ ব্যবস্থা কার্যকর হয়েছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংক এক প্রজ্ঞাপনে জানিয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে উদ্বৃত্ত ডলার থাকলে এখন তা বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিয়ে তারা সমপরিমাণ টাকা ধার নিতে পারবে। এতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংক উভয় পক্ষই লাভবান হবে। কারণ, উদ্বৃত্ত ডলারের বিপরীতে ব্যাংকগুলো তাৎক্ষণিকভাবে টাকা পেয়ে যাবে। আবার নির্ধারিত সময় পর টাকা ফেরত দিয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সমপরিমাণ ডলার পেয়ে যাবে।

বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো নিজেদের প্রয়োজনে একে অপরের মধ্যে ডলার ও টাকার অদলবদল করে থাকে। এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে এ অদলবদলের সুবিধা চালু হলো।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, কারেন্সি সোয়াপের আওতায় সর্বনিম্ন ৫০ লাখ ডলার বা তার সমপরিমাণ টাকা অদলবদল করা যাবে। সোয়াপের মেয়াদ হবে সর্বনিম্ন ৭ থেকে সর্বোচ্চ ৯০ দিন।

তবে মুদ্রা অদলবদলের সুবিধা নিতে আগ্রহী ব্যাংকগুলোর সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চুক্তি দরকার হবে। চুক্তি অনুযায়ী, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো যেদিন বাংলাদেশ ব্যাংকে ডলার জমা দেবে, ওই দিনের ডলারের বিনিময়মূল্য হিসাবে সমপরিমাণ টাকা পেয়ে যাবে। একইভাবে নির্ধারিত সময় পর টাকা জমা দিয়ে ডলার ফেরত নিতে পারবে।

বাণিজ্যিক ব্যাংকের হাতে থাকা অতিরিক্ত ডলার কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা অন্য ব্যাংকের কাছে বিক্রি করা যায়। তবে প্রয়োজনের সময় ওই ডলার আবার ফেরত পাওয়া যাবে, সে নিশ্চয়তা নেই। কারেন্সি সোয়াপ সেই নিশ্চয়তা দেবে।




শনিবার থেকে ৮ মিনিট পরপর চলবে মেট্রোরেল




আদা বেশি খাওয়ার অপকারিতা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  আদার অনেক উপকারিতার কথা জেনেছেন নিশ্চয়ই। সর্দি-কাশি সারানো থেকে বমি বমিভাব দূর, নানা উপকারে লাগে এই ভেষজ। আবার আমাদের প্রতিদিনের রান্নায়ও ব্যবহার করা হয় আদা। সবার বাড়িতেই এটি পাওয়া যায়। এত উপকারিতার কথা জানার পরে আপনি কি বেশি বেশি আদা খেয়ে ফেলছেন? ভুলেও এই কাজ করতে যাবেন না। কারণ আদা বেশি খেলেই যে বেশি উপকার মিলবে এমন নয়। বরং বেশি খাওয়ার ফলে মিলতে পারে অপকারিতা। চলুন, জেনে নেওয়া যাক আদা বেশি খেলে কী হয়?



গলাচিপায় ৪টি ইটভাটাকে জরিমানা

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গোলখালী, আমখোলা ও গজালিয়া ইউনিয়নে ইটভাটায় উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক অভিযান চালিয়ে তিন লক্ষাধিক টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

জানা যায়, গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নে ১টি ইটভাটা, মামা ব্রিকস ৫০ হাজার টাকা। গোলখালী ইউনিয়নে ২ টি সততা ব্রিকস ১লাখ ৫০ হাজার টাকা, বিবিসি ব্রিকস ১ লাখ টাকা এবং গজালিয়া ইউনিয়নের ১টি ইটভাটা খান ব্রিকসকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এসময় ইটভাটা গুলোতে যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মহিউদ্দিন আল হেলাল এবং উপজেলা সহকারী কমিশন (ভূমি) মোঃ নাসিম রেজা। এদেরকে অবৈধ ভাবে কাঠ দিয়ে ইট পোড়ানোর জন্য এই অভিযান চালায় প্রশাসন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহিউদ্দিন আল হেলাল বলেন, ইটভাটা গুলোতে অবৈধ ভাবে কাঠ দিয়ে ইট পোড়া দায়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভবিষ্যতে এমন কোন অপরাধ করবেনা বলে তারা মুচলেকা দেয়। এসময় তাদেরকে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।




ভালোবাসা দিবসে পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত কুয়াকাটা

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পহেলা ফাল্গুন ও বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত।

বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে রং-বেরঙের পোশাকে অনেকেই প্রিয় মানুষের সঙে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখতে এসেছেন।

কেউ গা ভাসাচ্ছেন সমুদ্রের নোনা জলে। কেউ আবার প্রিয়জনকে নিয়ে তুলছেন সেলফি। অনেকে আবার বেঞ্চিতে বসে উপভোগ করছেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।

টাঙ্গাইল থেকে আসা পর্যটক দম্পতি ফরদি-নাসিমা বলেন, সকালে কুয়াকাটা এসেছি। ১৫ দিন আগে আমাদের বিয়ে হয়েছে। মূলত হানিমুন ও বিশ্ব ভালোবাসা দিবসকে কেন্দ্র করে এখানে আসা। সৈকতের সকালের পরিবেশটা দারুণ লেগেছে।

পিরোজপুর থেকে আসা সাইফুল-সায়মা দম্পতি বলেন, সমুদ্রের ঢেউ এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আমাদের বিমোহিত করেছে। তবে, পহেলা ফাল্গুন ও বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে পর্যটকদের খুব ভিড়।

কুয়াকাটা ট্যুর অপারেটর এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম বলেন, পর্যটকদের মধ্যে আজ কাপলের সংখ্যা বেশি। সাধারণত মঙ্গলবার বা বুধবার এখানে তেমন পর্যটক থাকে না। তবে আজ ভালো বুকিং রয়েছে।

কুয়াকাটা টুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক মনিরুল হক ডাবলু বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় আমাদের সঙ্গে থানা পুলিশ ও নৌ পুলিশ মাঠে কাজ করছে। আশা করছি পর্যটকরা স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণ উপভোগ করতে পারবেন।