ব্রিকসে যুক্ত হতে বাংলাদেশকে সমর্থন দেবে ব্রাজিল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  ব্রিকসের সদস্য পদ পেতে বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে ব্রাজিল। ঢাকা সফররত দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাউরো ভিয়েরা বলেছেন, ব্রাজিলের পক্ষ থেকে ব্রিকসে বাংলাদেশের সদস্য পদ পেতে দৃঢ় সমর্থন দেওয়া হবে।



বয়কটের জের : ২২৫ ইসরাইলি রেস্তোরাঁ ফের কিনছে ম্যাকডোনাল্ড’‌স

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : বিখ্যাত মার্কিন ফাস্ট ফুড চেইনশপ ম্যাকডোনাল্ড’স ইসরাইলে থাকা তাদের সব রেস্তোরাঁ অ্যালোনিয়াল লিমিটেড থেকে ফের কিনে নিচ্ছে। ৩০ বছর ধরে অ্যালোনিয়ালই ইসরাইলে ম্যাকডোনাল্ড’সের রেস্তোরাঁগুলো পরিচালনা করে আসছিল।

গত ৭ অক্টোবর ইসরাইল–হামাস যুদ্ধ শুরুর পর ইসরাইলি যোদ্ধাদের জন্য বিনামূল্যে খাবার বিতরণের ঘোষণা করে ফাস্ট ফুডের জন্য বিখ্যাত ম্যাকডোনাল্ড’‌স। এতে বিভিন্ন দেশে ম্যাকডোনাল্ড’‌স বয়কট শুরু হয়। বিশেষ করে ম্যাকডোনাল্ড’স বয়কটের ডাক পড়ে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোতে। কুয়েত, মালয়েশিয়া, পাকিস্তানসহ বেশ কিছু দেশ ম্যাকডোনাল্ড’সের সাথে দূরত্বের কথা জানিয়ে বিবৃতিও দেয়।

এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার ম্যাকডোনাল্ড’‌স জানায়, তারা ইসরাইলের ফ্র্যাঞ্চাইজি আলোনিয়ালের কাছ থেকে তাদের সব রেস্তোরাঁ কিনে নেবে। ফ্র্যাঞ্চাইজ কিনে নেয়ার জন্য ঠিক কী চুক্তি হয়েছে, তা জানায়নি ম্যাকডোনাল্ড’‌স। তবে কিছুদিন আগেই ম্যাকডোনাল্ড’‌স জানায়, আমেরিকার বাইরে তাদের ব্যবসায় বড় ধরনের ক্ষতি করেছে এই বয়কট।
সূত্র : জেরুসালেম পোস্ট, আজকাল




শেষ দিকে ক্ষতির মুখে বাউফলের তরমুজ চাষিরা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: রমজানের প্রথমে বাজার দর ভালো পেতে আগে ভাগে অপরিপক্ব পাকা, আধা পাকা তরমুজ বাজারজাত করছে চাষিরা। রমজানে তরমুজের চাহিদা বাড়ায় তরমুজের দাম ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যায়। ফলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তরমুজের দাম ক্রয় ক্ষমতার নাগালে না আসা পর্যন্ত তরমুজ বয়কটের ডাক দেন ভোক্তারা।  ব্যাপক সাড়াও মেলে তাতে। ফলে তরমুজের চাহিদা কমে যাওয়ায় বাজার দর পড়ে যায়। এতে ক্ষতির মুখে পড়েছেন পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ৬ শতাধিক তরমুজ চাষি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আগের তুলনায় তরমুজের আবাদ বেড়েছে পটুয়াখালীর বাউফলের চন্দ্রদ্বীপের চরকচ্ছবিয়া, চরওয়াডেল, রায়সাহেবে, চরঈশান, মমিনপুর, বাসুদেবপাশা, চরশৌলাসহ বিভিন্ন চরে।

আরো পড়ুন : গলাচিপায় ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব

কালাইয়া শৌলা চরে প্রায় ১৮ একর জমি লিজ নিয়ে করা তরমুজ চাষি শৌলা গ্রামের বাদল গাজী (৩০) জানান, এবার ১৮ একর জমিতে তরমুজের চাষ করেছি। ক্ষেত তৈরি, বীজ, সার-ওষুধ, বছর হিসেবে জমি কেনা, পরিবহনসহ আগের তুলনায় সবকিছুর দাম বেড়েছে হু-হু করে। ফলে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৮ একর জমিতে তরমুজ চাষে আমার ২০ লক্ষাধিক টাকা খরচ হয়েছে। এ পর্যন্ত তরমুজ বিক্রি হয়েছে ১২-১৩ লাখ টাকার মতো। মাঠে যা আছে তাতে আরো ২-১ লাখ টাকা হাতে পেতে পারি। সবমিলিয়ে আমার ৫ লাখ টাকা ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের এখনকার উৎপাদিত তরমুজ চলে যায় রাজশাহী, বগুড়া, ঝিনাইদহ, নাটোর, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ এলাকায়। ওখানের নিয়মানুযায়ী আমার ক্ষেতের ১০-১২ কেজি ওজনের তরমুজ কেজি হিসেবে ৫০-৬০ টাকা দরে, মধ্যম মানের ৮-১০ কেজি ওজনের তরমুজ কেজি হিসেবে ৩০-৩৫ টাকা ও ছোট মানের তরমুজ ১৮-২৫ টাকা কেজি হিসেবে বিক্রি শুরু হইছিল। অন্যান্য এলাকার আড়তে দেড়শ’ থেকে ২শ’ টাকা পিস হিসেবেও বিক্রি হয়।

চাষিদের দাবি, মধ্যস্বত্বভোগীদের মুনাফাখোরি মানসিকতা বদলাতে হবে। দাম চড়িয়ে ভোক্তাদেরও বঞ্চিত করা যাবে না। এক শ্রেণির ব্যবসায়ীরা বাজারে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করেছেন। কৃষিতে একমাত্র তরমুজ চাষেরই দায়ভার সরকার নেয় না। দুঃসময়ে চাষিদের পাশে থাকতে হবে।

উপজেলা কৃষি অফিস থেকে জানা গেছে, এ বছর উপজেলায় মোট ৩ হাজার ৫২০ হেক্টর জমিতে তরমুজ আবাদ হয়েছে। গত বছরের চেয়ে ৩৮৯ হেক্টর জমিতে বেশি আবাদ হয়েছে।

বাউফল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অনিরুদ্ধ দাস বলেন, চাষিরা বেশি লাভের আশায় পরিপক্ব তরমুজ বাজারজাত করেছে। এতে ভোক্তারা তরমুজের স্বাদ থেকে বঞ্চিত হওয়ায় ক্রেতা কমে গেছে। ফলে তরমুজের চাহিদা কমে যায়। এ কারণে দামও কমে যাওয়ায় চাষিরা কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে কৃষি কর্মকর্তারা সবসময়ই চাষিদের খোঁজখবর নিচ্ছে।




এক টানেই জালে ১৩০ মণ ইলিশ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি:: কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে সূর্য মাঝি (৫৫) নামে এক জেলের জালে এক টানে ধরা পড়েছে ১৩০ মণ ইলিশ।

শনিবার (৬ এপ্রিল) সকালে এসব মাছ বিক্রির জন্য আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে কুয়াকাটা থেকে ৬০ কিলোমিটার গভীর সাগরে এসব মাছ ধরা পড়ে।

আরো পড়ুন : ঈদে ছুটিতে ঘুরে আসুন সাগরকন্যা কুয়াকাটায়

গত বুধবার সূর্য মাঝি ১৭ জেলেসহ বাঁশখালীর আল্লাহর দয়া-১ নামে একটি ট্রলার নিয়ে আলীপুর থেকে বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারে যান।

একবার জাল টান দেওয়ার পরই প্রচুর পরিমাণে ইলিশ ধরা পড়ে। এসময় সব মাছ ট্রলারে তুলতে না পেরে অর্ধেক জাল সাগরে ফেলেই চলে আসেন তারা।

এসব ইলিশের দাম ৪০ লাখ টাকা হতে পারে বলে জানিয়েছে জেলেরা। আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে এসব বিক্রি করা হবে।

কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে বেশির ভাগ জেলেদের জালে কাঙ্ক্ষিত মাছ ধরা পড়ছে। আমরা আশা করছি বৃষ্টি শুরু হলে জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরা পড়বে।




মহিপুর মৎস্য বন্দরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ২৩ আড়ত পুড়ে ছাই

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর মৎস্য বন্দরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ২৩  মাছের আড়ত ভস্মীভূত হয়েছে। শুক্রবার রাত ৯টার দিকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

কলাপাড়া ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

জাপান নামক একটি মাছের আড়ত থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে মহিপুর মৎস্য আড়ত মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ রাজা জানান।

কলাপাড়া ফায়ার সার্ভিস ইউনিটের টিম লিডার ইলিয়াস হোসাইন জানান, সড়ক সরু হওয়ায় তাদের ঘটনাস্থলে পোস্টে কিছুটা বিলম্ব হলেও নদী খুব কাছাকাছি থাকায় তুলনামূলক কম সময়েই তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজ চলছে বলেও তিনি জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দখিনা বাতাস এবং মাছের আড়তগুলোতে থাকা ককসিট, জাল ও দাহ্য পদার্থের কারণে মুহূর্তের মধ্যেই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

কলাপাড়ার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রবিউল ইসলাম বলেন, আমরা উপজেলা প্রশাসন থেকে একটা কমিটি গঠন করব। তারা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধান করে দেখবে।

এদিকে মহিপুর মৎস্য বন্দরে  ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমান। ঘটনার খবর শুনে শুক্রবার রাতেই তিনি ঢাকা থেকে রওয়ানা হয়েছেন। আজ সকাল ১০টায় তিনি মহিপুরে ক্ষতিগ্রস্ত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করবেন।




একীভূত হচ্ছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ৬ ব্যাংক

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  একীভূত হচ্ছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ৬ ব্যাংক। এরই মধ্যে সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে এবার উচ্চ খেলাপি ঋণের বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল) এবং বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সঙ্গে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) দ্রুতসময়ের মধ্যে একীভূত করার বিষয়ে আলোচনা শেষ হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারের সভাপতিত্বে এসব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের (এমডি) সঙ্গে আলাদা সভা করে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এর আগে বেসরকারি খাতের শরিয়াভিত্তিক এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে নাজুক পদ্মা ব্যাংক একীভূত হওয়ার বিষয়ে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। এ দুই ব্যাংকের আদলেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকে দ্রুতসময়ে চার ব্যাংক সমঝোতা স্মারক সই হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈঠকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পলিসি অ্যাডভাইজর ও সদ্য বিদায়ী ডেপুটি গভর্নর আবু ফরাহ মো. নাছের এবং সরকারি চার ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক উপস্থিত ছিলেন। আগামী সপ্তাহে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। আনুষ্ঠানিকতার জন্য এসব ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠক ডেকে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি সূত্র জানায়, রাষ্ট্রীয় বেসিক ব্যাংকও একীভূত হচ্ছে। ব্যাংকটি নিয়ে আলোচনা রয়েছে। রাষ্ট্রীয় অগ্রণী ব্যাংকের সঙ্গে বেসিককে এক করা হতে পারে। সরকারি ৬ ব্যাংক ও পদ্মা ছাড়াও বেসরকারি আরও আটটি ব্যাংক একীভূতকরণের আলোচনা রয়েছে। এভাবে ব্যাংকের সংখ্যা কমিয়ে ৬১ থেকে ৫০ বা এর নিচে নামানো হবে।

আমানতকারীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ব্যাংক একীভূতকরণের মাধ্যমে ভালো ব্যাংকের সঙ্গে দুর্বল ব্যাংকের দায় ও সম্পদ মিলিয়ে দেওয়া হবে। ভালো ব্যাংক যেন চাপে না পড়ে, সে জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন বিষয়ে নীতি-সহায়তা দেবে। এতে খারাপ ব্যাংকের আর্থিক পরিস্থিতির ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে নগদ জমা সংরক্ষণ (সিআরআর) এবং বিধিবদ্ধ তারল্য সংরক্ষণে (এসএলআর) ছাড় দিতে পারে। পাশাপাশি খেলাপি ঋণের বিপরীতে সাধারণভাবে যে হারে নিরাপত্তা সঞ্চিতি (প্রভিশন) সংরক্ষণ করতে হয় সেখানেও শিথিল করা হবে। ভালো ব্যাংকে এসে গ্রাহকের যেন আমানত ফেরত নেওয়ার চাপ তৈরি না হয়, সে জন্যও একটি ব্যবস্থা রাখা হবে।

অন্যদিকে, একীভূত হওয়া ব্যাংকের মধ্যে দুর্বল ব্যাংকের পরিচালক আগামী ৫ বছর অন্য কোনো ব্যাংকে পরিচালক হতে পারবেন না। একই সঙ্গে চাকরি হারাবেন দুর্বল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি)।

আজ ব্যাংক একীভূতকরণ সংক্রান্ত নীতমালা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালার আলোকে দুর্বল (খারাপ অবস্থা) থাকা ব্যাংকগুলো নিজ থেকে একীভূত না হলে বাধ্যতামূলকভাবে একীভূত করা হবে। এর আগে দুই ব্যাংকের মধ্যে সমঝোতা সই করতে হবে। এরপর আমানতকারী, পাওনাদার ও বিনিয়োগকারীর অর্থ ফেরতের পরিকল্পনা জমা দিতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বহিঃনিরীক্ষক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাংকের সার্বিক আর্থিক চিত্র বের করবে। সর্বশেষ আদালতের কাছে একীভূতকরণের আবেদন করতে হবে ব্যাংকে।

এতে কোনো ব্যাংক মূলধন ও তারল্য ঘাটতি, খেলাপি ঋণ, সুশাসনের ঘাটতি এবং আমানতকারীদের জন্য ক্ষতিকর কার্যকলাপের কারণে পিসিএ ফ্রেমওয়ার্কের আওতাভুক্ত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক পুনরুদ্ধারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধিনিষেধ মানতে হবে। পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে আমানতকারীর স্বার্থে ব্যাংক বাধ্যতামূলক একীভূতকরণ হবে। একীভূতকরণ প্রক্রিয়া শৃঙ্খল এবং সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার লক্ষ্যে ব্যাংকের অনুসরণের এ নীতিমালা জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক।




আসছে ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট




৬ মাসের মধ্যে চালু হবে পায়রা বন্দর – ১ম জেটি তৈরির কাজ শেষের পথে

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: দেশের প্রথম পরিবেশবান্ধব এবং তৃতীয় গভীরতম সমুদ্রবন্দর হতে চলেছে পায়রা। পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আন্ধারমানিক নদীর উপকণ্ঠে রাবনাবাদ চ্যানেল বরাবর নির্মিত হচ্ছে এ সমুদ্রবন্দরটি। দেশের অর্থনীতির অমিত সম্ভাবনা হতে যাচ্ছে এ বন্দর। চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরের চেয়ে আধুনিক এবং প্রযুক্তিসমৃদ্ধ বন্দরটির প্রথম টার্মিনাল আগামী ছয় মাসের মধ্যে চালু হবে।

বন্দরটি চালু হলে দেশের অর্থনীতিতে উন্মোচিত হবে নতুন দিগন্ত। একে ঘিরে সমগ্র দক্ষিণাঞ্চলে গড়ে ওঠবে শিল্প ও কলকারখানা। বন্দর ঘিরে শুধু দেশি নয়, বিদেশি বিনিয়োগেরও রয়েছে অপার সম্ভাবনা।

সরকারের পক্ষ থেকে নেপাল ও ভারতসহ বাইরের কয়েকটি দেশকে এ বন্দর ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে এ অঞ্চলে শুরু হয়েছে বিনিয়োগ। এ বন্দর দিয়ে গাড়ি, খাদ্যপণ্য, সার ও সিমেন্টসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি হবে।

আরো পড়ুন : কিশোরীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণ ও বিক্রি, গ্রেপ্তার তিন

সরেজমিন বন্দর ঘুরে দেখা গেছে, আন্ধারমানিক নদীর তীরে অর্ধেক ভাসা, অর্ধেক ডুবে থাকা বিস্তীর্ণ লবণের মাঠটি এখন আর চেনার উপায় নেই। তার বুক চিরে হয়েছে চার লেনের চক চকে সড়ক আর বড় বড় নানা স্থাপনা। এ ভাবেই পায়রা সমুদ্রবন্দর বদলে দিচ্ছে পিছিয়ে থাকা উপকূলীয় দক্ষিণ জনপদকে। বন্দরের প্রথম জেটি তৈরির কাজটিও এখন প্রায় শেষের পথে। প্রথম টার্মিনাল, ওয়্যার হাউজ পন্টুন তৈরিও শেষ হয়েছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করতে ঝড় বৃষ্টি খরতাপ উপেক্ষা করে নির্মাণযজ্ঞ চালাচ্ছেন দেশি-বিদেশি কর্মীরা।

জানতে চাইলে পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আবদুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী বলেন, এ বন্দর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি সম্ভাবনাময় বন্দর। প্রধানমন্ত্রী এ বন্দরকে নিজে বলেন, এটা আমার বন্দর। পায়রা নামটা তারই দেওয়া। বন্দরের চ্যালেঞ্জ হিসেবে তিনি বলেন, অনেক স্টেকহোল্ডার এখনো বন্দরের ক্যাপাসিটি সম্পর্কে সচেতন নয়।
পায়রা বন্দরের এসব অবকাঠামো তৈরি উন্নয়ন ও পুনর্বাসনের জন্য খরচ হচ্ছে ১৫ হাজার ৩৯০ কোটি টাকা। তবে বন্দর পুরোদমে চালু হলে যা কয়েক বছরের আয় থেকেই এ ব্যয় ওঠে আসবে বলে জানান কর্মকর্তারা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চট্টগ্রাম এবং মোংলার পর দক্ষিণাঞ্চলের এই পায়রা সমুদ্রবন্দর ঘিরে বাংলাদেশের আশা অনেক। বলা হচ্ছে, এ বছরের মধ্যেই বন্দরটি চালু হলে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা অনেকটা পালটে যেতে পারে। আর দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এটি হতে পারে একটি মাইলফলক।

বন্দর সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উন্নয়নের মহাসড়কে যোগ হতে যাচ্ছে সম্ভাবনাময় এ বন্দর। ফলে সুনীল অর্থনীতির এক অভূতপূর্ব সম্ভাবনার দুয়ার খুলছে।

বর্তমানে কনটেইনার টার্মিনাল, বাল্ক টার্মিনাল, মাল্টিপারপাস টার্মিনাল, প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল, ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট, মডার্ন সিটি, বিমানবন্দর ও অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ ১৯টি কম্পোনেন্টের কাজ চলমান রয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, ২০২৪ সালের মধ্যে পায়রাকে বিশ্বমানের একটি আধুনিক বন্দর এবং ২০৩৫ সাল নাগাদ একে এক বৃহত্তর আর্থিক শক্তি হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরে অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ অন্যান্য অবকাঠামো গড়ে তোলার জন্যও রয়েছে পর্যাপ্ত উন্মুক্ত স্থান। ফলে কনটেইনার, বাল্ক, কার্গো, এলএনজি, পেট্রোলিয়াম ও যাত্রী টার্মিনাল নির্মাণ, তৈরি পোশাকশিল্পের কারখানা, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুেকন্দ্র, মৎস্য প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল, সার কারখানা, তেল শোধনাগার, ওষুধ, সিমেন্ট ও জাহাজনির্মাণ শিল্পসহ বিবিধ কর্মক্ষেত্র গড়ে তোলা সম্ভব হবে। বর্তমানে চাহিদার মাত্র ৩০ শতাংশ সার দেশে উৎপাদিত হয়। বাকি ৭০ শতাংশ সার বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ হলে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করে সার কারখানা চালু করা সম্ভব হবে। ফলে দেশের সারের চাহিদা যেমন পূরণ হবে, তেমনি এতদঞ্চলে সৃষ্টি হবে নতুন নতুন কর্মসংস্থান।

আরো পড়ুন : পবিপ্রবি রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য হলেন নোবিপ্রবির অধ্যাপক বাহাদুর

পায়রা বন্দরের প্রধান প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক মো. নাসির উদ্দিন বলেন, ভবিষ্যৎ ৫০ বছরের পরিকল্পনা বিবেচনা করে আন্তর্জাতিক মানের বন্দরটি তৈরি করা হচ্ছে। যাতে সহজে জাহাজ হেন্ডেল করা যায়। পদ্মা সেতুকে কানেক্ট করে বরিশাল থেকে পটুয়াখালী হয়ে কুয়াকাটা সৈকত পর্যন্ত চার লেন সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ফলে পায়রা বন্দরের সঙ্গে সুগম হবে দেশের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ। অতঃপর রেলপথের মাধ্যমে রাজধানী ঢাকা ও অন্যান্য জেলার সঙ্গে যুক্ত থাকবে পায়রা বন্দর। ফলে পায়রা বন্দর হয়ে উঠবে অর্থনৈতিক উন্নতির স্বাবলম্বী এক প্রাণকেন্দ্র।

পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) কমোডর রাজীব ত্রিপুরা বলেন, বাংলাদেশের সর্ববৃহত ড্রেজিং প্রকল্প ক্যাপিটাল এবং মেইনটেইন্যান্স ড্রেজিং সম্পূর্ণ করা করা হয়েছে। ক্যাপিটাল ড্রেজিং করে ১০ মিটার গভীরতা চ্যানেল সৃষ্টি করা হয়েছে। এতে বন্দরে ৪০ হাজার মেট্রিকটন কার্গো বহনকারী জাহাজ ভিড়তে পারবে।




রূপপুর দ্বিতীয় পারমাণবিক কেন্দ্র নির্মাণে রোসাটমকে প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : রূপপুরে দ্বিতীয় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের বিষয়টি বিবেচনায় নেয়ার জন্য রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থা রোসাটমকে অনুরোধ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) রোসাটমের মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচোভ গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার এম নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

শেখ হাসিনা রোসাটমকে বলেন, চলমান প্রকল্প শেষ হলে রূপপুরে আরেকটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা করছে বর্তমান সরকার।

তিনি বলেন, নতুন দুটি ইউনিট স্থাপনের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে কারিগরি জরিপ করা প্রয়োজন।

প্রধানমন্ত্রী রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিটের জ্বালানি বর্জ্য রাশিয়ায় ফেরত নেয়ার সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন।

রোসাটমের মহাপরিচালক প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদিত পারমাণমিক জ্বালানি বর্জ্য রাশিয়ান ফেডারেশনকে ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে রাশিয়া সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেন এবং প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সব আনুষ্ঠানিকতা যথাসময়ে সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি দেন।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের পারমাণবিক জ্বালানি বর্জ্য রাশিয়ায় ফেরত পাঠানোর বিষয়ে ইতোমধ্যে ঢাকা ও মস্কোর মধ্যে একটি আন্তঃরাষ্ট্রীয় চুক্তি সই হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তায় বিশেষ করে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে সহায়তার জন্য রাশিয়াকে ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল এবং তা বাস্তবায়িত হচ্ছে।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় রাশিয়ার সহায়তা এবং পরবর্তীতে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে সহায়তার কথা স্মরণ করেন তিনি।

পুনর্নির্বাচিত হওয়ায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী।

রোসাটমের মহাপরিচালক রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের অগ্রগতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে জানান।

তিনি বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ২০২৫ সালের মধ্যে উৎপাদনে যাবে এবং জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করবে।

তিনি আরো বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৮৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকায় নতুন দুটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ ইউনিট (ইউনিট-৩ ও ইউনিট-৪) নির্মাণের জন্য রুশ সরকারের কাছে প্রস্তাব করেন তিনি।

মহাপরিচালক বলেন, প্রথম দুটি ইউনিটের নির্মাণকাজ শেষ হলেই নতুন ইউনিট-৩ ও ইউনিট-৪ এর নির্মাণকাজ দ্রুত শুরু করতে হবে।

এ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, বিদ্যমান পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোর সম্প্রসারণ আর্থিক দৃষ্টিকোণ থেকে এবং কারিগরি ও পারমাণবিক নিরাপত্তার আলোকে অধিকতর লাভজনক ও যুক্তিসঙ্গত, যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতও।

তিনি বলেন, প্রকল্পে বাংলাদেশ ও রাশিয়ানসহ প্রায় আড়াই হাজার কর্মী কাজ করছেন। একইসাথে তারা দক্ষতাও অর্জন করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অন্যান্য পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে বাংলাদেশের দক্ষতাকে কাজে লাগাতে রোসাটমের মহাপরিচালকের প্রতি আহ্বান জানান।

রোসাটমের মহাপরিচালক বলেন, মহামারি ও নিষেধাজ্ঞার কারণে কিছু প্রতিবন্ধকতা থাকলেও কাজ স্বাভাবিক গতিতে চলছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তিগতভাবেই প্রতিবন্ধকতা এড়ানো হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান।

বর্তমানে রূপপুর প্রকল্প এলাকায় ১২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিটের (১২০০ x ২ = ২৪০০ মেগাওয়াট) নির্মাণকাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

চলতি বছরের ডিসেম্বরে প্রথম ইউনিট চালু হবে। ইউনিট-১ ও ইউনিট-২ থেকে ২০২৫ ও ২০২৬ সালে বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে। সূত্র : ইউএনবি




জিম্মি এমভি আব্দুল্লাহ : নাবিকদের মুক্তির বিষয়ে জলদস্যুদের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : সোমালি জলদস্যুদের হাতে জিম্মি বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ এমভি আব্দুল্লাহের ২৩ জন নাবিকের মুক্তির বিষয়ে জলদস্যুদের সঙ্গে আলোচনায় বেশ অগ্রগতি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামে এক অনুষ্ঠান শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) কমোডর মোহাম্মদ মাকসুদ আলম।

ডিজি বলেন, আলোচনা ফলপ্রসূভাবে শেষ করতে কত সময় লাগতে পারে—তা এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে ভালো অগ্রগতি হয়েছে।

তিনি আরও জানান, জাহাজে থাকা নাবিকরা ভালো আছেন। তাদের মাঝে মাঝে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে এসআর শিপিংয়ের কর্মকর্তারা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে জলদস্যুদের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে বলে জানান।

প্রসঙ্গত, গত ১২ মার্চ ভারত মহাসাগরে নাবিকসহ বাংলাদেশি জাহাজটি জিম্মি করে সোমালিয়ার জলদস্যুরা।