পায়রা বন্দরের নতুন জেটিতে ভিড়ল বিদেশি জাহাজ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি: দেশের তৃতীয় ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্র বন্দর পায়রার নিজস্ব জেটিতে প্রথমবারের মতো ভিড়েছে বিদেশি (মাদার ভেসেল) জাহাজ।

বুধবার দুপুরে বন্দরে নবনির্মিত জেটিতে পানামার পতাকাবাহী জেন নামের একটি বিদেশি জাহাজ নোঙর করেছে।

বন্দর সূত্র জানায়, দুবাইয়ের ফৌজিয়া বন্দর থেকে ৫০ হাজার ৫০০ টন লাইমস্টোন নিয়ে বাংলাদেশে আসে জাহাজটি। ইনার ও আউটার অ্যাঙ্করে লাইটারেজ করে বন্দরের জেটিতে ২৪ হাজার টন লাইমস্টোন নিয়ে নোঙর করে।

২০০ মিটার দীর্ঘ এ জাহাজটি পায়রা বন্দরের জেটিতে নোঙর করায় বন্দর কর্তৃপক্ষ ও জেটিতে কর্মরত শ্রমিকদের মধ্যে আনন্দে খুশি ছড়িয়ে পড়ে।

পায়রা বন্দের ট্রাফিক বিভাগের উপ-পরিচালক আজিজুর রহমান বলেন, পরীক্ষামূলক একটি জাহাজ বন্দরের জেটিতে অবস্থান নিয়েছে।

২০১৩ সালের ১৯ নভেম্বর পটুয়াখালীর কলাপাড়ার রামনাবাদ চ্যানেলে দেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর হিসেবে পায়রার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।




পায়রার প্রথম জেটিতে পরীক্ষামূলকভাবে ভিড়লো বিদেশি জাহাজ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনালের জেটিতে পরীক্ষামূলকভাবে ভিড়েছে পানামার পতাকাবাহী একটি জাহাজ।

বুধবার (১৫ মে) দুপুরে বন্দরের নবনির্মিত প্রথম জেটিতে ২৪ হাজার মেট্রিক টন লাইমস্টোন নিয়ে নোঙর করে ‌‘জেন’ নামের জাহাজটি।

এর আগে, গত ১০ মে জাহাজটি দুবাইয়ের ফৌজিয়া বন্দর থেকে ৫০ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন লাইমস্টোন নিয়ে বন্দরের আউটারে এসে পৌঁছায়। ২০০ মিটার দৈর্ঘ্যের এ জাহাজটির প্রস্থ ৩৩ মিটার। পায়রা বন্দরের জন্য এটি একটি মাইলফলক বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা। পায়রা বন্দরের নিজস্ব টার্মিনালের নিজস্ব জেটিতে জাহাজ নোঙর করাতে পারায় উচ্ছ্বসিত বন্দরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

আরো পড়ুন : দুমকী উপজেলা নির্বাচন ঢাকা–কুয়াকাটা মহাসড়ক বন্ধ করে জনসভা :: চেয়ারম্যান প্রার্থীকে শোকজ

পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের ট্রাফিক বিভাগের উপ-পরিচালক আজিজুর রহমান বলেন, আজ পরীক্ষামূলকভাবে একটি জাহাজ বন্দরের জেটিতে অবস্থান নিয়েছে। ইতোমধ্যে জেটি থাকা জাহাজটি থেকে পণ্য খালাস কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আশা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী পায়রা বন্দর সফরে আসবেন এবং বন্দরের জেটিসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ন স্থাপনা উদ্বোধন করবেন।

২০১৩ সালের ১৯ নভেম্বর পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার রামনাবাদ চ্যানেলে দেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর হিসেবে পায়রা’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। ২০১৬ সালের আগস্টে বন্দরের বহিনোঙ্গরের অপারেশন কার্যক্রম শুরু হয়। সেই থেকে বন্দরে আগত বড় জাহাজগুলো লাইটার জাহাজের মাধ্যমে পণ্য খালাস করতো। এ ছাড়া, পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিজস্ব জেটিতে চলতো কয়লা খালাস কার্যক্রম। জুনে বন্দরের এই প্রথম টার্মিনাল উদ্বোধন করতে চায় কর্তৃপক্ষ। এই টার্মিনালের জেটিতে নিয়মিত পণ্য খালাস কার্যক্রম শুরু হলে পায়রা বন্দর দেশের অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখতে পারবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।




যুক্তরাষ্ট্রের ‘অন্যায্য’ শুল্কবৃদ্ধির ঘোষণার জবাব দিলো চীন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন চীন থেকে বৈদ্যুতিক গাড়ি এবং অন্যান্য পণ্য আমদানিতে বড় রকমের শুল্ক আরোপ করেছেন। এই শুল্ককে অন্যায্য উল্লেখ করে বেইজিং বলেছে, তারা ন্যায্য অধিকার রক্ষার জন্য সব প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। খবর সিএনএন।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৪ মে) নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, চীন একতরফাভাবে মার্কিন শুল্ক আরোপের বিরোধিতা করে যা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নিয়ম লঙ্ঘন করে। আমরা বৈধ অধিকার রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে।

এর আগে চীন থেকে আমদানিকৃত ইলেকট্রিক গাড়ি, কম্পিউটার চিপ এবং চিকিৎসাপণ্যসহ বেশ কয়েকটি পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তার অর্থনৈতিক নীতিমালার সমালোচনাকারীদের জবাব দিতে এবং আসন্ন মার্কিন নির্বাচনে ভোটারদের আকৃষ্ট করতে নতুন এই পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

পাশাপাশি ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম, সেমিকন্ডাক্টর, ব্যাটারি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, সৌরকোষ এবং ক্রেনসহ বেশ কিছু পণ্যের ওপরও বাড়ানো হয়েছে শুল্ক।

হোয়াইট হাউস এক বিবৃতিতে জানিয়ছে, সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপ করা শুল্ক বহাল থাকবে এবং নির্দিষ্ট কিছু পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়বে।

বাইডেন প্রশাসন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন যে, বেইজিং বিশ্ববাজারে অতিরিক্ত পণ্য বাজারজাত করে নিজেদের ক্ষয়িষ্ণু অর্থনৈতিক সমস্যা মোকাবেলা করার চেষ্টা করছে। এজন্য জি-৭ এর নেতারা নিজেদের শিল্প রক্ষার উপায় নিয়ে আলোচনা করতে আগামী মাসে বৈঠক করার কথা রয়েছে।




ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ এখন ১৩ বিলিয়ন!




ভোলায় এক উপজেলাতেই ১২৬ কোটি টাকার ধান উৎপাদনের সম্ভাবনা

বরিশাল অফিস :: চলতি বছর ভোলার লালমোহন উপজেলায় ১২৬ কোটি ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার বোরো ধান উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। পরিমাণের দিক থেকে ৬৩ হাজার ৭ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এ উপজেলায়। এরমধ্যে হাইব্রিড জাতের ধান উৎপাদন হবে ১৮ হাজার ৬৩২ মেট্রিক টন এবং উফশি জাতের ধান উৎপাদন হবে ৪৪ হাজার ৩৭৫ মেট্রিক টন।

চলতি বছর লালমোহন উপজেলার কৃষকরা ১১ হাজার ২০৪ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেছেন। যার পরিমাণ গত বছর ছিল ৯ হাজার ৯১৫ হেক্টর। লালমোহন উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

কৃষি অফিস সূত্রে আরো জানা গেছে, এ বছর আবহাওয়া ভালো থাকায় লালমোহন উপজেলার ধান চাষিরা বাম্পার ফলন পেয়েছেন। এপ্রিল মাসের শেষ দিক থেকে এ পর্যন্ত উপজেলার প্রায় ৩০ শতাংশ জমির ধান কর্তন করেছেন কৃষকরা। আগামী ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে লালমোহন উপজেলার সব জমির ধান কর্তন সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদী উপজেলা কৃষি অফিস।

উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের মুন্সির হাওলা এলাকার বোরো ধান চাষি রতন হাওলাদার বলেন, কৃষি অফিসের প্রণোদনার হাইব্রিড ধান পেয়ে এ বছর ১২০ শতাংশ জমিতে চাষ করেছি। এরমধ্যে জমির সব ধান কাটা হয়ে গেছে। এ বছর চাষ করা ১২০ শতাংশ জমিতে অন্তত দেড়শত মণ ধান হয়েছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছরের ধানের ফলন অনেক ভালো হয়েছে। যার ফলে খরচ বাদে এ বছর ধান চাষ করে অন্তত পৌনে এক লাখ টাকা লাভ হয়েছে।

ছবি : চন্দ্রদীপ নিউজ
ছবি : চন্দ্রদীপ নিউজ

ওই ইউনিয়নের উত্তর ফুলবাগিচা এলাকার মো. আমির হোসেন মিস্ত্রি নামে আরেক কৃষক জানান, বিগত বেশ কয়েক বছর ধরেই ধান চাষ করছি। এ বছর ৩৫০ শতাংশ জমিতে উফশি জাতের বোরো ধানের চাষ করেছি। আবহাওয়া ভালো থাকায় এ বছর ধানের ফলনও অনেক ভালো হয়েছে। এরইমধ্যে জমির সমস্ত ধান কাটা হয়ে গেছে। ৩৫০ শতাংশ জমির ধান চাষের সব খরচ বাদে প্রায় দেড় লাখ টাকার মতো লাভ হয়েছে।

উপজেলার কালমা ইউনিয়নের চরলক্ষ্মী এলাকার ধান চাষি মো. জামাল হাওলাদার বলেন, চলতি বছর ২০০ শতাংশ জমিতে বোরো ধানের চাষ করেছি। ক্ষেতের ফলনও আল্লাহর রহমেত ভালো দেখা যাচ্ছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই ক্ষেত থেকে ধান কাটা শুরু করবো। ২০০ শতাংশ জমিতে ধান চাষে ৬০ হাজার টাকার মতো খরচ হয়েছে। আশা করছি এ জমি থেকে অন্তত ১ লাখ ২০ হাজার টাকার ধান বিক্রি করতে পারবো।

এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আবু হাসনাইন জানান, আবহাওয়া ভালো থাকায় এ বছর উপজেলার বোরো ধান চাষিরা আশানূরূপ ফলন পেয়েছেন। বাজারেও চলতি বছর ধানের দাম ভালো। বিগত বছরগুলোর তুলনায় এ বছর ধান চাষিরা অধিক লাভবান হবেন। এছাড়া ধান চাষিদের যেকোনো প্রয়োজনে আমাদের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা সব সময় পাশে ছিলেন। আমরাও সঠিকভাবে তদারকি করেছি। আমাদের লক্ষ্য কৃষকরা যেন চাষাবাদ করে কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হন।




সম্ভাব্য ১৫১ জিআই পণ্যের তালিকা প্রস্তুত

দিদারুল আলম : উচ্চ আদালতের নির্দেশে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের (জিআই) তালিকা প্রস্তুত করেছে শিল্প মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে পরবর্তী সময়ে নিবন্ধন হতে পারে এমন সম্ভাব্য ভৌগোলিক পণ্যের একটি তালিকাও প্রস্তুত করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বাংলাদেশে নিবন্ধিত জিআই পণ্যের সংখ্যা ৩২টি উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন জেলায় থাকা ১৫১টি পণ্যকে সম্ভাব্য ভৌগোলিক পণ্যের তালিকায় রাখা হয়েছে।

সোমবার (৬ মে) বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি এসএম মনিরুজ্জামানের দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চে এই প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

এদিকে টাঙ্গাইল শাড়িকে ‘টাঙ্গাইল শাড়ি অব বেঙ্গল’ হিসেবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিবন্ধনের প্রেক্ষিতে উদ্ভূত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ল’ ফার্ম ম্যাসন অ্যান্ড এসোসিয়েটসকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষে এই ল’ ফার্ম আইনি লড়াইয়ে অংশ নেবে।

দেশীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে রেজিস্ট্রেশনযোগ্য ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের (জিআই) তালিকা করতে শিল্প মন্ত্রণালয়কে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। একইসঙ্গে জিআই পণ্য হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করা পণ্যের তালিকা দাখিল করতে নির্দেশ দেয়া হয়। ওই নির্দেশনা মোতাবেক এ সংক্রান্ত তালিকা প্রস্তুত করে হাইকোর্টে দাখিল করা হয় বলে জানান রিটকারী পক্ষের কৌসুলি ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা।

বাংলাদেশের সম্ভাব্য ১৫১ জিআই পণ্যের তালিকা:

রাজধানী ঢাকার মিরপুরের কাতান, বাকরখানি, মুন্সিগঞ্জের পাতক্ষীর, আড়িয়াল বিলের খলসা, মানিকগঞ্জের খেজুরের রসের হাজারী গুড়, গাজীপুরের কাঁঠাল, কাপাশিয়ার পেয়ারা, লেবু, নরসিংদীর বাবুরহাটের তাঁতবস্ত্র, কিশোরগঞ্জের চ্যাঁপা শুটকি, অষ্টগ্রামের পনির, রাতাবোরো চাল, ফরিদপুরের খেজুর রস/খেজুরের গুড়, পাট, বাগাটের দই, গোপালগঞ্জের শিং মাছ, রিঠা মাছ, চিতল মাছ, ব্রোঞ্জের অলঙ্কার, মাদারীপুরের খেজুরের গুড়, রইনা মাছ, শরীয়তপুরের চিকন্দীর পাতক্ষীরা, কালোজিরা, রাজবাড়ীর মালাইকারি, বসন্তপুরের লুঙ্গি, গামছা, ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার লালচিনি, বিরই চাল, গফরগাঁওয়ের বেগুন, নেত্রকোনার টেপি বোরো চাল, বিরই চাল, বালিশ মিষ্টি, সিলিকা বালি, সুমেশ্বরীর মহাশোল, জামালপুরের প্যারা সন্দেশ, ইসলামপুরের কাশা, ম্যান্দা (চালের গুড়া ও গরুর মাংসের তৈরী বিশেষ খাবার), শেরপুরের ছানার পায়েস, কুমিল্লার খাদি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছানামুখী মিষ্টি, কুটী বাজারের ক্ষীর ভোগ, মাঠা, চট্টগ্রামের রেড চিটাগাং গরু/লালগরু, সাম্পান, মেজবানি কালো ভুনা, নোয়াখালীর মহিষের দুধের দই, ফেনীর সুতার তৈরী কারুকার্যময় টুপি, কক্সবাজারের  টেকনাফের সুপারি, চিংড়ি শুটকি, মহেশখালীর পান, খাগড়াছড়ির হলুদ, পিনন (মহিলাদের পরিধেয় বস্ত্র), হাদি (পিননের সাথে পরিধেয় ওড়না জাতীয় বস্ত্র), বাঁশকুড়ল মার্মা পিঠা, বিনি পিঠা, সান্যা পিঠা, রাঙ্গামাটির চাকমাদের তাঁতবস্ত্র, জলডুবির আনারস, সাজেকের কমলা, হলুদ, আদা, মরিচ, বান্দরবানের আদা, জুমের বিন্নিধান, পিনন, সিলেটের মনিপুরি শাড়ি, সাতকড়া, কমলালেবু, সিলেট মৌলভীবাজারের লেবু (জারা, আধাজামির), চুঙ্গাপিঠা, চা, শ্রীমঙ্গলের আনারস, সুনামগঞ্জের বারকি নৌকা, পাথর, রাণীমাছ, হবিগঞ্জের পশুরশাইল চাউল, খাসিয়া পান, বগুড়ার শুকনো মরিচ, লাল আলু, পাবনার তাঁতের শাড়ি, লুঙ্গি,

চলনবিলের কই, সিরাজগঞ্জের গামছা, তাঁতের শাড়ি, লুঙ্গি, ধুতি, তরল দুধ, মিল্ক ভিটা (দই, ঘি, মাখন, দুধ), যমুনার বাঘা আইড়, নওগাঁর নাক ফজলী আম, সুগন্ধি চাল, কালিতলার প্যারা সন্দেশ, বরই, জয়পুরহাটের লতিরাজ কচু, হাড়িভাঙা মিষ্টি, নাটোরের কাঁচা গোল্লা, আম, রংপুরের বৈরালী মাছ, দিনাজপুরের বেদানা লিচু, ঢেঁকি ছাঁটা চিড়া, কুড়িগ্রামের উলিপুরের ঐতিহ্যবাহী ক্ষীরমোহন মিষ্টি, গাইবান্ধার রসমঞ্জুরী, যমুনার আইড় মাছ, নীলফামারীর বাঁশ, বাঁশের কফিন, লালমনিরহাটের ভুট্টা, তামাক, ঠাকুরগাঁওয়ের সূর্যপুরী আম, খুলনার হরিনা চিংড়ী, সুন্দরবনের মধু, চুই ঝাল, গলদা চিংড়ি, সুন্দরবনের মধু, ভেটকি মাছ, বাগেরহাটের সুন্দরবনের মধু, গোলপাতা, সাতক্ষীরার মাটির টালী, কেওড়ার আচার, ভাঙ্গান মাছ, পারশে মাছ, নারকেল কুল, যশোরের জামতলার রসগোল্লা, নকশি কাঁথা, নড়াইলের প্যারা সন্দেশ, মাগুরার ছানা মিষ্টি, হাজরাপুরী লিচু, মেহেরপুরের সাবিত্রী মিষ্টি, সাবিত্রী রসকদম, হিমসাগর আম, ঝিনাইদহের সন্দেশ, মহেশপুরের ঘটি দই, কালিগঞ্জের ল্যাংচা, হরি ধান, কুষ্টিয়ার কুমারখালির চাদর, বেডশিট, বরিশালের আমড়া, গৌরনদীর দই, গুটিয়ার সন্দেশ, ঝালকাঠির গামছা, নলছিটির মুড়ি, ভোলার মহিষের দুধের কাঁচা দই, গুড়ের মিষ্টি, পিরোজপুরের স্বরূপকাঠির পেয়ারা, বরগুনার রাখাইন তাঁতবস্ত্র, সুপারি, তরমুজ, পটুয়াখালীর মৃৎশিল্প।

নিবন্ধিত ৩২ জিআই পণ্য:

ঢাকার জামদানি, ঢাকাই মসলিন, টাঙ্গাইলের শাড়ি, পোড়াবাড়ির চমচম, মধুপুরের আনারস, নরসিংদীর অমৃতসাগর কলা, লটকন, গোপালগঞ্জের রসগোল্লা, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার মন্ডা, নেত্রকোনার বিজয়পুরের সাদামাটি, জামালপুরের নকশি কাঁথা, শেরপুরের তুলশিমালা ধান, কুমিল্লার রসমালাই, চাঁদপুরের ইলিশ, সিলেটের শীতল পাটি, মৌলভীবাজারের আগর, আগর আতর, বগুড়ার দই, রাজশাহীর মিষ্টি পান, রাজশাহী সিল্ক, রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাতি আম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া আম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশ্বিনা আম, রংপুরের শতরঞ্জি, রংপুরের হাড়িভাঙা আম, দিনাজপুরের কাটারীভোগ, বাগেরহাটের বাগদা চিংড়ি, যশোরের খেজুর গুড়, চুয়াডাঙ্গার ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল, কুষ্টিয়ার তিলের খাজা, ভোলার ইলিশ।

প্রতিবেদনে শিল্প মন্ত্রণালয় বলেছে, উপরোক্ত তালিকায় উল্লেখিত পণ্যসমূহ পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি পেতে পারে।




ঢাকায় আসছেন আইওএম মহাপরিচালক




৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবি সরকার কর্মচারীদের




মুগডাল ভাঙানো মেশিন: দক্ষিণাঞ্চলের কৃষকের স্বপ্নপূরণ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: বাংলাদেশ বছরে প্রায় ৩৫ হাজার মেট্রিক টন মুগ ডাল উৎপাদন হয়। এর বেশিরভাগ হয় পটুয়াখালী এবং বরিশাল অঞ্চলে।

বারি মুগ-৬ এই অঞ্চলে কৃষকদের এক ফসলি জমিকে দুই ফসলি জমিতে রূপান্তর করেছে। মুগ ডাল আমিষের একটি অন্যতম উৎস। যা গরীব কৃষকদের আমিষের চাহিদা পূরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হতে পারে।

কিন্তু এই অঞ্চলে উৎপাদিত এই মুগ ডালগুলো এ অঞ্চলের কৃষকরা খুব কমই ভক্ষণ করতে পারে। কারণ এই মুগ ডালের খোসা ছাড়িয়ে খাবার উপযোগী ডাল উৎপাদনের প্রক্রিয়াটি সহজলভ্য হয়নি।

নতুন উদ্ভাবিত এই যন্ত্রটির বিভিন্ন সুবিধাবলি যন্ত্র প্রস্তুত কারক বিজ্ঞানী সম্প্রসারণ কর্মী ও সাধারণ জনগণের সামনে তুলে ধরার জন্য এফএমপিই ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, গাজীপুর ও সরেজমিন কৃষি গবেষণা বিভাগ, বিএআরআই পটুয়াখালীর আয়োজনে আন্তর্জাতিক গম ও ভুট্টা উন্নয়ন কেন্দ্রের সিসা-এমইএ প্রকল্পের অর্থায়ানে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার জামলাতে এক মাঠ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. মুহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র, লেবুখালী, পটুয়াখালী।

তিনি বলেন, প্রান্তিক পর্যায়ে এ যন্ত্রটি ছড়িরিয়ে দিতে বারি উদ্ভাবিত এই যন্ত্রটির ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা প্রয়োজন। মানসম্পন্ন প্রস্তুতকরণ নিশ্চিত করতে প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানদের প্রশিক্ষণের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

আরো পড়ুন : হবিগঞ্জে নিহত পাঁচজনের চারজনই পটুয়াখালীর এক পরিবারের

মো. মাইনুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ড. এইচ, এম খায়রুল বাসার, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রধান, সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বিএআরআই পটুয়াখালী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ মো. নজরুল ইসলাম উপ-পরিচালক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর পটুয়াখালী।

সভাপতি তার বক্তৃতায় তীব্রভাবে আশা পোষণ করেন যে, সদাশয় সরকার যদি এই যন্ত্রে ভর্তুকি প্রদান করেন এবং স্বল্পমূল্যে দক্ষিণাঞ্চলে কৃষকের মাঝে এই যন্ত্রটি ছড়য়ে দেয় সাথে সাথে যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে তাহলে তা এ অঞ্চলের প্রান্তিক কৃষকের মাঝে একটি অভূতপূর্ব সারা ফেলবে।




থাইল্যান্ডের সঙ্গে অংশীদারত্ব নতুন যুগে: শেখ হাসিনা