বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির কার্যক্রম বন্ধর সিদ্ধান্ত

নির্বাহী আদেশে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। প্রয়োজন হলে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) মাধ্যমে শুনানি করে মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানের সঙ্গে  রোববার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রথম বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে উপদেষ্টা সাংবাদিকদের বলেন, ‘বারবার বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়ানোর কারণে জনগণের দুর্ভোগ বেড়েছে। তাই এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না, যা দুর্ভোগ আরও বাড়াবে। আমরা বাধ্য না হলে মূল্যবৃদ্ধি করব না। প্রয়োজন হলে কমিশন সবার সঙ্গে কথা বলে নীতিমালা অনুসরণ করে সিদ্ধান্ত নেবে।’




বিএসইসির চেয়ারম্যান হলেন রাশেদ মাকসুদ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ পেয়েছেন খন্দকার রাশেদ মাকসুদ। ৪ বছরের জন্য তাকে বিএসইসির চেয়ারম্যান করা হয়েছে।

রোববার (১৮ আগস্ট) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে তাকে বিএসইসির চেয়ারম্যান নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতন হলে ১০ আগস্ট পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)-এর চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেন অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম।

 




‘তথ্য আপার হাত ধরে নারী উদ্যোক্তা ঘরে ঘরে’ শ্লোগানে মুখর প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন এলাকা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ : অর্ন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেল বিজয়ী  অধ্যাপক ডক্টর মোহাম্মদ ইউনূসের বাসার সামনে  তথ্য আপা প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের চাকুরী রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের এক দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছেন।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জাতীয় মহিলা সংস্থার অধীনে ৪৯২টা উপজেলায় তথ্য আপা প্রকল্পের দ্বিতীয় ফেইজ চলছে।

তারা বলেন, প্রকল্পের ডিপিপিতে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের কথা থাকলেও বিগত সরকার এটা বাস্তবায়ন করেনি।

‘করতে নারীর উন্নয়ন, তথ্য আপা প্রয়োজন’, ‘তথ্য আপার হাত ধরে নারী উদ্যোক্তা ঘরে ঘরে’ এমন শ্লোগান সংবলিত প্লাকার্ড, ফেস্টুন বহন করেন সারা দেশ থেকে আগত তথ্য আপারা।

মানববন্ধন শেষে তারা প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন।




এস আলম গ্রুপের সময়ে ফারইস্ট ইসলামি লাইফের চাকুরিচ্যুত কর্মীদের মানববন্ধন

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ: চাকুরিতে পূর্ণবহালের দাবিতে ফারইস্ট ইসলামি লাইফ ইনসিউরেন্সের চাকুরিচ্যুত কর্মীরা মানববন্ধন করেছে।

আজ রবিবার সকাল থেকেই কর্মীরা পল্টনে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে থাকেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এসংখ্যা কয়েকশে পরিণত হয়। তবে চাকুরিচ্যুত কর্মীরা জানিয়েছেন ঢাকার বাইরে থেকে অনেকেই বিভিন্ন কারণে আসতে পারেননি।

চাকুরিচ্যুতদের একজন কর্মকর্তা জান্নাতুল মাওয়া রোজি জানান, প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ থেকে আবদুল খালেক স্যারকে অন্যায়ভাবে সরিয়ে এস আলম গ্রুপ মালিকানা দখল করে, এরপর নিজেদের দলীয় লোকের চাকরি দেয়ার জন্য আমাদের চাকুরি থেকে বাদ দিয়েছে।
শুধু তাই নয়, প্রতিহিংসা পরায়ণ থেকে খালেক স্যারের সকল প্রতিষ্ঠান দখলে নেয় সাবেক সরকারের লুটপাটের হোতা সালমান এফ রহমান ও সাইফুল আলম গং। একই সঙ্গে মিথ্যা অভিযোগে কারাবরণের মতো অমানবিক নির্যাতনেরও শিকার হয়েছেন আমাদের প্রিয় খালেক স্যার।

চাকুরিচ্যুতির সেদিনের ঘটনা বর্ণনা করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন কয়েকজন কর্মী। তারা বলেন, অফিসে যেতাম আর শুনতাম আজ অমুকের চাকুরি গেছে। কাল অমুকের। এমনও হয়েছে অফিসে গিয়ে কেউ গেটে, কেউবা, লাঞ্চের পর ডেস্কে বসেছে তখন ধরিয়ে দেয়া হয়েছে চাকুরিচ্যুতির চিঠি। কয়েকজন কর্মী সংসারের চাপ নিতে গিয়ে এ কারণে স্ট্রোকও করেছেন।

তারা বলেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশ আরেকবার স্বাধীন হয়েছে যেখানে কোনে ধরণের বৈষম্য আর অন্যায় থাকবেনা।

চাকুরিচ্যুত কর্মীরা এসময় পূর্ণবহালের পাশাপাশি তাদের সাথে অমানবিক আচরণের জন্য সালমান এফ রহমান ও এস আলম গ্রুপের মালিকের দৃষ্টান্ত মূলক শান্তি দাবি করেন।




ব্যাংক থেকে নগদ ৩ লাখ টাকার বেশি তোলা যাবে না




বরিশালে ক্রেতারা ইলিশের বদলে ফিরছেন অন্যমাছ কিনে

বরিশাল অফিস ::‘ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধের’ খবরে দাম কমেছে আশায় বরিশালের মাছ বাজারে অনেক ক্রেতা ভিড় করছেন। কিন্তু তাদের মনখারাপ করে ফিরতে হচ্ছে। দামতো কমেইনি বরং গত মৌসুমের তুলনায় মণ প্রতি বৃদ্ধি পেয়েছে ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা। পাইকাররা বলছেন, ইলিশ ধরা পড়ছে কম। তাই দাম কমা তো দূরে থাক, বেড়েছে অনেক।

পোর্ট রোড মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে ইলিশ কিনতে আসা গৃহিণী পুষ্পিতা মন্ডল বলেন, ‘ইলিশের দাম আমাদের সাধ্যের বাইরে। যে টাকা নিয়ে এসেছি, তার থেকে ইলিশের দাম অনেক বেশি। এসেছি ইলিশ কিনতে, কিন্তু কিনতে হচ্ছে অন্য মাছ।’

ব্যবসায়ী জগলু মিয়া বলেন, ইলিশ কেনার টার্গেট নিয়ে এসেছি, কিন্তু রুই মাছ কিনে ফিরছি। আমরা আশা করছি ইলিশের দাম কমবে।’

স্কুল শিক্ষক আব্দুল হামিদ বলেন, ‘যে মাছ ১২শ টাকায় কিনেছি, সেই মাছ ১৮শ টাকার নিচে দিবেই না। আমরা তো ভেবেছি ভারতে ইলিশ যাচ্ছেই না, দাম কমে গেছে। বাসা থেকে আসছি আশা নিয়ে, তবে বাজেট নেই তাই, একটা ইলিশই কিনতে হয়েছে।’

বরিশালের পোর্ট রোড মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে পাইকারি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ৭শ থেকে ৯শ গ্রাম ওজনের ইলিশের বর্তমানে মণপ্রতি ৫৮ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, এক কেজি ওজনের মাছ মণ ৬৪ হাজার থেকে ৬৫ হাজার টাকা, ১১শ গ্রামের উপরের ওজনের ইলিশ ৬৮ হাজার টাকা, ৫শ থেকে ৬শ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৫৪ হাজার টাকা এবং জাটকা ইলিশ মণপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৩২ হাজার টাকা দরে।

তবে গত মৌসুমে এই ৭শ থেকে ৯শ গ্রাম ওজনের ইলিশের বাজার দর ছিল মণ প্রতি ৫৫ হাজার টাকা, এক কেজি ওজনের মাছ ৬০ হাজার টাকা, ১১শ গ্রামের উপরের ওজনের ইলিশ ৬৩ হাজার টাকা, ৫শ থেকে ৬শ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৫০ হাজার টাকা এবং জাটকা ইলিশ বিক্রি হয়েছে ২৮ হাজার টাকা দরে।

পোর্ট রোড মৎস্য আড়তদার এসোসিয়েশনের সদস্য ইয়ার হোসেন রব বলেন, ‘সাগরেও ইলিশ নেই, নদীতেও ইলিশ নেই। এখন যে পরিস্থিতি তাতে ব্যবসা বন্ধ করতে হবে, এই ব্যবসা করে স্টাফ চালিয়ে রাখা সম্ভব নয়।

’একটি ট্রলার সাগরে পাঠাতে ৩ লাখ টাকা খরচ হয়, কিন্তু ট্রলার ফাঁকা আসছে, ইলিশ নেই। ব্যাংকে ঋণ রয়েছে ৬৫ থেকে ৭০ লাখ টাকা, বাইরে লোকালে ঋণ আছে, এখন ইলিশ ধরা না পরলে আমাদের পালাতে হবে। ৩ থেকে ৪ বার ট্রলার ফেরত এসেছে মাছ ছাড়া। এমন অবস্থায় ব্যবসা বন্ধ করা ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না।’

বরিশালের পোর্ট রোডে স্বাভাবিক মৌসুমে ইলিশ নিয়ে ১৫ থেকে ২০টি ট্রলার ভিড় করত। সেখানে এখন আসছে সর্বোচ্চ ৫টি ট্রলার। সব মিলিয়ে আসছে ৬০ মণের মত ইলিশ। এই কারণে দাম অনেকটা বেশি। চাহিদা অনেক থাকলেও সরবরাহ নেই।

ইয়ার হোসেন বলেন, ‘২৩ জুলাই ইলিশ শিকারে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে। এরপর প্রায় একমাস হতে চললেও জেলেরা নদী-সমুদ্রে আশানুরূপ ইলিশ পাচ্ছে না। তাই আড়তেও মাছ আসছে না। পানি দূষণ, বৈরী আবহাওয়ার কারণে নদীর মাছ আসছে না। তারপরও আমরা আশা করছি বৃষ্টি আরো বাড়লে মাছ বাড়তে পারে। মাছ না পাওয়া গেলে জেলেরা যেমন ঋণী হবেন তেমনি আমরাও লোকসান গুনবো।’

ইয়াছিন আরাফাত ফিশিং নামের আড়তের মালিক রেজাউল করিম ফোরকান বলেন, ‘দেশের স্বাধীনতার পর এমন ইলিশ সংকট বরিশালে কখনোই হয়নি। ভারতে রপ্তানি বন্ধ হয়েছে তাতে আমাদের বাজারে কোনো প্রভাবই নেই। কারণ ইলিশ আমাদের নদী সাগরে নেই। আমরাই পাচ্ছি না ইলিশ, এর মধ্যে রপ্তানি বন্ধ হয়েছে বা না হয়েছে সেটা ভাবার বিষয় নেই। আমরা এখন পুরোপুরি লোকসানের মুখে।‘

মেসার্স এম আর ফিস আড়তের মালিক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বলেন, সবাই ইলিশের দাম কমছে বললে তো আর দাম কমে না। আমাদের মজুত করা যে মাছ রয়েছে সেটার দাম কিছুটা কম, তবে তাজা ইলিশের দাম অনেক বেশি। ভারতে রপ্তানি হতো এলসি সাইজের ইলিশ অর্থাৎ ৭শ থেকে ৯শ গ্রাম ওজনের। সেটার আজকে বর্তমান বাজার দর মণ প্রতি ৬০ হাজার টাকা এবং কেজি প্রতি ১৫শ টাকা। কেজি সাইজের ইলিশের কেজি ১ হাজার ৬২৫ টাকা, ১২শ গ্রাম ওজনের কেজি ১ হাজার ৭৫০ টাকা।

নদীর ইলিশের দামটা বেশি, সাগরের ইলিশের দাম কম, কারণ স্বাদের তফাৎ রয়েছে। গত সিজনের তুলনায় এই সিজনে দামের পার্থক্য অনেক।

কামাল সিকদার ফিস আড়তের ম্যানেজার মোহাম্মদ আরিফ বলেন, ‘তাজা ইলিশের বর্তমান দাম ক্রয় ক্ষমতার বাইরে বলা যায়। ভারতে রপ্তানি বন্ধের খবরে ইলিশের দাম কমার গুঞ্জনে বাজারে সবাই হুমড়ি খেয়ে পরেছে।

`আসলে ইলিশের দাম মোটেই কমেনি, বরং বেড়েছে অনেক। নদী ও সাগরে ইলিশ তো নাই আবার বরিশালে ঘাটে ট্রলার আসতেও চায় না। এখানে খরচ বেশি হওয়ায় চাঁদপুরে চলে যায় ট্রলার।’

ইলিশ ব্যবসায়ী মোহাম্মদ বাদশা বলেন, ইলিশ শিকারে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞায় কড়াকড়ি ছিল না। নিষেধাজ্ঞার সময় জাটকা ইলিশ শিকার করার কারণে এখন ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে না। যদি ঠিকমত অভিযান হতো, তাহলে এখন ইলিশ পাওয়া যেতো।

ইলিশ ব্যবসায়ী মাসুম হাওলাদার বলেন, ‘ভরা মৌসুমে ইলিশ না পাওয়া আমাদের জন্য হতাশাজনক। বাংলাদেশে ভাটার সময় সব ইলিশ ভারতে চলে যায়, তবে যেসময় ভারতের নদীতে জোয়ার হয় তখন তারা বিভিন্ন পয়েন্ট জাল দিয়ে আটকে দেয়, যাতে ভারত থেকে ইলিশ বাংলাদেশে না আসতে পারে।

তবে বাংলাদেশের ইলিশ কিন্তু ভারতে যাচ্ছে ভাটায়, কিন্তু ভারতেরটা আসছে না জোয়ারে। এই বিষয়টির দিকে নজর দিলে আমরা ইলিশ খেয়ে শেষ করতে পারবো না।’

পোর্ট রোড বাজারে ইলিশ কিনতে আসা আবির মাহামুদ বলেন, ‘শুনেছি ইলিশের দাম কমেছে ভারতে রপ্তানি বন্ধ হওয়ায়। সেই খবরে বাজারে এসেছি নদীর ইলিশ কিনতে, তবে এসে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছি।

`ইলিশের দামে আগুন লেগেছে। এত দাম দিয়ে ইলিশ কেনা সম্ভব নয়। মূলত সব সিন্ডিকেটের দরজা চিরতরে বন্ধ করা উচিৎ, তাহলে যদি মাছের দাম কমে।’

বরিশাল জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কান্তি ঘোষ জানান, `ভারী বর্ষণ হলে ইলিশও প্রচুর ধরা পরবে। জেলেদের হতাশ হওয়ার দরকার নেই। অপেক্ষা করতে হবে। সরকার ঘোষণা দিয়েছে ইলিশ বিদেশে পাঠানো কমিয়ে আনার জন্য। এতে করে স্থানীয় বাজারগুলোতে ইলিশ পাওয়া যাবে, তবে সময়ের ব্যাপার।




ভেঙে যাচ্ছে ১২ ব্যাংকের পর্ষদ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: কয়েক বছর ধরে ডজন খানেক ব্যাংকের আর্থিক অবস্থার অবনতিসহ ঋণে নানা ধরনের অনিয়মের তথ্য বেরিয়ে আসতে। বিশেষ করে, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ব্যাংক খাতের এই পরিস্থিতি করুন দর্শা বেশি দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণ দিতে ১২টি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মধ্যে এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণাধীন সাতটি ব্যাংক রয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, আলোচিত ১২টি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিতে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং নীতি ও প্রবিধি বিভাগ কার্যক্রম শুরু করেছে। যা চলতি সপ্তাহে শুরুতেই সব কাজ শেষ হবে। পরবর্তীতে এর সার্বিক চিত্র গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের কাছে তুলে ধরা হবে। গভর্নর এবিষয় যৌক্তিক সিদ্ধান্ত দিবেন। তাই গভর্নরের সিদ্ধান্তের পরে পরবর্তী ধাপে আগাবো কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানা যায়, চলতি সপ্তাহের মধ্যে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সেখানে আলোচনা হচ্ছে পুরো পর্ষদ ভেঙে দিয়ে নতুন পর্ষদ গঠন করা হতে পারে। ব্যাংকটির উন্নয়ন স্বার্থে পুরানো ও নতুনদের মিলিয়ে একটি নতুন পর্ষদ গঠন হতে পারে। এদিকে এস আলম গ্রুপের হাত থেকে ইসলামী ব্যাংককে রক্ষা করতে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার দাবি জানিয়ে গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে চিঠি দিয়েছে ব্যাংকটির শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এছাড়া বেশকিছু ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে বিভিন্ন জটিলতার দেখা দিয়েছে। সব মিলিয়ে ব্যাংকগুলোকে পুনর্গঠন করার সিন্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে থাকা যেসব ব্যাংকে পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়া হতে পারে। সেগুলো হলো: ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক ও আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক। এর বাইরে আরও পাঁচ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভাঙা হতে পারে। এর মধ্যে আইএফআইসি ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল (ইউসিবি) ব্যাংক ও পদ্মা ব্যাংকের নাম রয়েছে।




ছাদে ড্রাগন ফল চাষ

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ড্রাগন ফল মূলত আমেরিকার প্রসিদ্ধ একটি ফল যা বর্তমানে আমাদের দেশেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। আমাদের দেশে সর্বপ্রথম ২০০৭ সালে থাইল্যান্ড, ফ্লোরিডা ও ভিয়েতনাম থেকে এই ফলের বিভিন্ন জাত আনা হয়। নরম শাঁস ও মিষ্ট গন্ধ যুক্ত গোলাপি বর্ণের এই ফল খেতে অনেক সুস্বাদু আর তার সাথে এই ফল ভিটামিন সি, মিনারেল পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ এবং ফাইবারের উৎকৃষ্ট উৎস।

 

 




আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ বিলুপ্তি চায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ব্যাংক খাতে দ্বৈত শাসন ঠেকানো ও আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে সরকারের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের বিলুপ্তি চায় বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার্স কাউন্সিল। এছাড়া কেন্দ্রীয়  ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করতে গভর্নর পদকে সাংবিধানিক পদে অন্তর্ভুক্তি করে মন্ত্রী পদমর্যাদা দেওয়া, ডেপুটি গভর্নর পদ নিয়মিত পদ দিয়ে সিনিয়র সচিব পদমর্যাদা দেওয়াসহ বিভিন্ন দাবি জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার্স কাউন্সিলের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে এসব দাবি তুলে ধরা হয়।

লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম মাসুম বিল্লাহ ও ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তানভীর আহমেদ।

তারা বলেন, বিগত দুইজন গভর্নর বিভিন্ন সুবিধা কমিয়েছে। এসব সুবিধা পুনর্বহাল করতে হবে।




এস আলম ও তার পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব তলব

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : সমালোচিত ব্যবসায়ী এস আলম ও তার পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব তলব করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এনবিআরের আয়কর বিভাগের রাজধানীর কর অঞ্চল-১৫ থেকে বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত চিঠি সব ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে।

এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারসহ বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। সদ্য বিদায়ী সরকারের আমলে সুবিধাভোগী অন্যতম বড় শিল্পগোষ্ঠী ছিল এস আলম গ্রুপ।

কর অঞ্চল-১৫ সূত্রে জানা গেছে, এস আলমের (সাইফুল আলম) স্ত্রী ফারজানা পারভীন, মা চেমন আরা বেগম এবং ভাই আবদুল্লাহ হাসানের ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়েছে। পাশাপাশি তাদের পিতা-মাতা, স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে বা বোনের যৌথ নামে অথবা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নামে থাকা ব্যাংক হিসাবের তথ্যও তলব করা হয়েছে। এর মানে, এস আলমসহ তার পুরো পরিবারের সদস্যদের যাবতীয় ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়েছে এনবিআর।