অর্থনীতিতে চার চ্যালেঞ্জের সামনে ড. ইউনূস সরকার




বাঁধ খুলে দিয়েছে ভারত, বন্যায় তলিয়েছে ফেনী-কুমিল্লা অঞ্চল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : হঠাৎ বন্যা পরিস্থিতি তীব্র আকার ধারণ করেছে বাংলাদেশের ফেনী, নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চলে। সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা দাড়িয়েছে ফেনীর ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া উপজেলায়। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে বাড়িঘর, রাস্তাঘাট, ফসলি জমি। এখনো হাজারো মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে এসব জায়গায়।

এমন পরিস্থিতিতে এসব এলাকা পুরোপুরি বিদ্যুতহীন হয়ে পড়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে মোবাইল নেটওয়ার্কও।

ভারত থেকে বিবিসি বাংলার সংবাদদাতা জানিয়েছে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে। বন্যায় সেখানে এখন পর্যন্ত সাতজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে সেখাকার বিপর্যয় মোকাবেলা দপ্তর।

এমন পরিস্থিতিতে ভারতের ত্রিপুরার ডম্বুর হাইড্রোইলেক্ট্রিক পাওয়ার প্রজেক্ট বা ডম্বুর গেট খুলে দিয়েছে ভারত। ত্রিপুরা রাজ্যের গোমতীর জেলা প্রশাসক তরিৎ কান্তি চাকমা তার সরকারি এক্স একাউন্টে (সাবেক টুইটার) এ কথা জানিয়েছেন।

ফেনীর নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দারা বলছেন, এই এলাকায় ১৯৮৮ সালের পর বন্যা পরিস্থিতি এতটা ভয়াবহ হয়নি আগে কখনো।

ফেনীর জেলা প্রশাসক শাহীনা আক্তার বিবিসি বাংলাকে বলেন, পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে, সবার কল্পনার বাইরে। এখন অনেক মানুষ পানিতে আটকা পড়েছে। তাদেরকে উদ্ধারে কাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী ও কোস্টগার্ড।

ভারি বৃষ্টি ও ভারত থেকে আসা পানিতে ফেনীর মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর পানি বিপৎসীমার অনেক ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান বলেন, খোয়াই, ধলাই, মুহুরী, হালদা ও কুশিয়ারা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টা তা অব্যাহত থাকতে পারে।

বন্যায় আটকে পড়াদের উদ্ধারে সেনাবাহিনী ও কোস্টগার্ডকে মাঠে নামিয়েছে জেলা প্রশাসন।

উদ্ধারে সেনাবাহিনী ও কোস্ট গার্ড: গত কয়েকদিনের ভারি বৃষ্টি ও ভারত থেকে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে ফেনীর মঙ্গলবার থেকে ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়।

মঙ্গলবার রাত থেকে ওইসব এলাকায় স্বেচ্ছাসেবী বিভিন্ন সংগঠন নৌকায় করে পানি বন্দীদের উদ্ধার করে বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যান।

ধীরে ধীরে বন্যা পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরুরি ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের সহযোগিতা চাওয়া হয় বুধবার সকালে।

এরপরই সেনাবাহিনী ও কোস্ট গার্ড সদস্যরা পানি বন্দীদের উদ্ধারে স্পিডবোট নিয়ে মাঠে নামে।

ফেনীর জেলা প্রশাসক শাহীন আক্তার বলেন, ফেনীর যে সব এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে তার অনেকগুলো সীমান্ত এলাকা। পরিস্থিতি এতটাই দ্রুতই খারাপ হয়েছে গেছে আমাদের সামাল দিতে বেগ পোহাতে হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমরা দুর্গত এলাকায় পানি-বন্দীদের উদ্ধারে কাজ করছি।

নেই বিদ্যুৎ-নেটওয়ার্ক, বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ: অগাস্টের শুরুতেই মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ১৭টি অংশে ভাঙনের দেখা দিলেও তখন দেখা দেয়নি।

ভারি বৃষ্টিতে গত সোমবার দুপুর থেকে পানি বাড়তে শুরু করে মহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীতে। বিভিন্ন স্থানে বাঁধের ভাঙা জায়গা স্থান দিয়ে লোকালয়ে পানি ঢুকতে শুরু করে। মঙ্গলবার সকালে থেকে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হয়। একে একে তলিয়ে যেতে থাকে পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়ার এলাকা।




রাজস্ব আয়ে ২৩ হাজার কোটি টাকার বেশি গরমিল

রাজস্ব আয় অতিরিক্ত মাত্রায় বাড়িয়ে দেখানোর প্রবণতা শুরু হয় সাবেক চেয়ারম্যান নজিবুর রহমানের সময়ে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এনবিআর ও অর্থমন্ত্রণালয়ের হিসাবে পার্থক্য দেখা দেয় ১৩ হাজার কোটি টাকা। অভিযোগ আছে, সরকারের সুনজরে থাকতে রাজস্ব আয় বাড়িয়ে দেখাতেন নজিবুর রহমান। পরবর্তী চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভুঁইয়া গোঁজামিল থেকে বের হয়ে আসার চেষ্টা করেন। কিন্তু রহমাতুল মুনিমের সময়ে আগের ধারায় ফিরে যায় এনবিআর।

সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘নীতি নির্ধারকের জন্য এটা কিন্তু খুবই দরকার যে প্রকৃত অবস্থাটা তাদের জানা দরকার। তাহলে তারা বুঝতে পারবেন কখন কোন নীতি গ্রহণ করবেন, কোন নীতি বাস্তবায়ন করবেন।’

২০২৩-২৪ অর্থবছরের হিসাবের ফারাক অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে ভয়াবহ। রহমাতুল মুনিম প্রশাসনের দাবি, রাজস্ব আয় হয়েছে তিন লাখ ৮২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। কিন্তু হিসাব মহানিয়ন্ত্রক সিজিএ’র হিসাবে, কোষাগারে জমা হয়েছে তিন লাখ ৫৯ হাজার পাঁচশ কোটি টাকা।

আয়কর, ভ্যাট ও আমদানি শুল্কে সবচেয়ে বেশি পার্থক্য ধরা পড়েছে ভ্যাটে। এনবিআরের দাবি, ভ্যাট আয় এক লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকা প্রায়। কিন্তু সিজিএ’র হিসাবে জমা হয়েছে, এক লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা। আয় করে পার্থক্য সোয়া চার হাজার কোটি। আর আমদানি শুল্কে কম-বেশি এক হাজার কোটি টাকা। এনবিআরের এমন তথ্যে হতাশা জানিয়েছেন নতুন চেয়ারম্যান।

এনবিআরের চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান বলেন, ‘আমাদের একটা বড় ইমেজ সংকট আছে, যেটা নিয়ে বাইরে হাসহাসি হয়। সেটা হলো এনবিআর ট্যাক্স সংগ্রহটা ওভার স্ট্রেইট করে এবং এটা বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সিজিএ সঙ্গে মেলে না। আমি আগামীকাল থেকেই এটা আমি বদ্ধ করতে চাই।’

রাজস্ব আয়ের হিসাব নির্ধারণে আইবাস প্লাস প্লাস ব্যবস্থাকে ভিত্তি ধরার নির্দেশনা দেন এনবিআর চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ‘যখন আয় আইবাসে আসবে কেবল তখনই তা গণ্য হবে।’




টাকা থেকে বঙ্গবন্ধুর ছবি বাদ প্রসঙ্গে যা জানালেন গভর্নর

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: হাজার টাকার নোট বা‌তিলের কোনো সিদ্ধান্ত নেই বলে জা‌নিয়েছেন গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর ছ‌বি বাদ দেওয়া ও নতুন গভর্নরের সই করা ‌নোট বাজারে আসার ব্যাপারেও কথা বলেন তিনি।
এর আগে এক হাজার টাকা বাতিলের যে খবর ছড়িয়ে পড়ে তা গুজব বলে জানায় বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘এক হাজার টাকা মূল্যমানের নোট বাতিলের যে তথ্য ছড়িয়েছে, তা গুজবl

আজ মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকে বোর্ড মি‌টিংয় হয়।

পরে সংবাদ সম্মেলনে ‌বলেন, ১০০০ টাকার নোট বা‌তিলের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, কিন্তু নোট বা‌তিলের এমন কোনো সিদ্ধান্ত আপাতত নেই।

বঙ্গবন্ধুর ছ‌বি বাদ দেওয়া ও নতুন গভর্নরের সই করা ‌নোট শিগ‌গিরই আসবে কি না, এ বিষয়ে গভর্নর বলেন, যখন টাঁকশালে নোট বানানোর প্রয়োজন হবে তখন নোট ছাপানো হবে, সই যাবে।

এদিকে আজ দুপুরে অর্থ ও বাণিজ্য উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, এক হাজার টাকার নোট বাতিল নিয়ে কিছু বলা উচিত নয়।

এটি বাতিলের সিদ্ধান্ত সহজে নেওয়া যাবে না।তিনি আরো বলেন, ‘এটা (এক হাজার টাকার নোট) যেভাবে চলছে তাতে তো কোনো সমস্যা নেই।




বাংলাদেশ ব্যাংকে বড় রদবদল




১৫ বছরের হাসিনার সরকারের ১৮ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকার ঋণ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সদ্য ক্ষমতা হারানো আওয়ামী লীগ সরকার ১৫ বছরের বেশি সময়ে দেদার ঋণ নিয়েছে। এ ঋণের বড় অংশই নেওয়া হয়েছে দেশি উৎস থেকে।অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ সূত্রে পাওয়া দেশি-বিদেশি ঋণের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, পদত্যাগের সময় শেখ হাসিনার সরকার ১৮ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকার ঋণ রেখে গেছে। অন্তর্বর্তী সরকারকে এ ঋণ পরিশোধে এখন ব্যবস্থা নিতে হবে।এ ঋণের বড় অংশই নেওয়া হয়েছে দেশি উৎস থেকে। এর মধ্যে আবার বেশি ঋণ নেওয়া হয়েছে দেশের ব্যাংকব্যবস্থা থেকে।

সাবেক সরকারের যথাযথ ঋণ ব্যবস্থাপনা না থাকায় দেশি উৎস থেকে বেশি পরিমাণে ঋণ নেওয়া হয়েছে। যদিও বৈদেশিক মুদ্রায় বিদেশি ঋণ নেওয়াকে সব সময় স্বাগত জানান অর্থনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞরা। গত ১৫ বছরে অনেক বিদেশি ঋণও নেওয়া হয়েছে। তবে এসব ঋণের বেশির ভাগই নেওয়া হয়েছে দর–কষাকষি ও বাছবিচারহীনভাবে; যা সরকারের দায়দেনা পরিস্থিতিতে চাপ বাড়িয়েছে।




ডিবি হারুনের কেয়ারটেকারও শত কোটি টাকার মালিক!

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মাত্র ৮০ টাকা রোজে লোড-আনলোডের শ্রমিক থেকে শ্রমিক লীগ নেতা বনে যাওয়া মোকারম সরদার এখন কয়েকশ কোটি টাকার মালিক। অভিযোগ উঠেছে আরব্য উপন্যাসের জাদুকরি সেই আলাদীনের চেরাগের মতোই রাতারাতি এত টাকার মালিক বনে যাওয়ার পেছনে রয়েছে সাবেক ডিবিপ্রধান হারুন অর রশিদের ছত্রছায়া।

অনেকের ধারণা হারুন অর রশিদের অবৈধ সম্পদের কেয়ারটেকার মোকারম সরদার। বিষয়টি কিশোরগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জে জানাজানি হলে মোকারম সরদার আত্মগোপন করেন।

স্থানীয়রা জানান, আলোচিত সমালোচিত সাবেক ডিবিপ্রধান হারুন অর রশিদ তার অবৈধ টাকার কেয়ারটেকার মোকারম সরদারকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে বিপুল পরিমাণ টাকা ছিটিয়ে কিশোরগঞ্জ জেলার নিকলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ- যার কোনো শিক্ষা নেই, নিজের নাম লিখতে পারে কোনোমতে, তিনি কোনোভাবেই উপজেলা পরিষদের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানের চেয়ারম্যান হতে পারেন না। তাকে চেয়ারম্যান বানানো হয়েছে অবৈধ সম্পদ পাহারা দেওয়ার জন্য। এ নিয়ে কিশোরগঞ্জ থেকে নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত চলছে আলোচনা সমালোচনার ঝড়।

ফতুল্লার আলীগঞ্জ এলাকায় সরেজমিন জানা যায়, বুড়িগঙ্গায় জাহাজ থেকে লোড-আনলোডের সময় চুরি করে রাখা চাল, ডাল, গম, পাথর, কয়লা সার বিক্রি করতেন মোকারম সরদার। তার রয়েছে জাহাজের পণ্যচোরাই সিন্ডিকেট। সেই সিন্ডিকেট থেকে মোকারম সরদার যে পরিমাণের টাকা আয় করতেন তার অর্ধেক স্থানীয় নেতাদের ভাগ দিতে হতো।

স্থানীয়রা জানান, হারুন অর রশিদ নারায়ণগঞ্জে পুলিশ সুপার হিসেবে থাকাকালে প্রায়ই আলীগঞ্জ এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে মোকারম সরদারের লেবার অফিসে সময় দিতেন। দীর্ঘ সময় মোকারম ও হারুনকে লেবার অফিসে বসে টাকাপয়সার হিসাব করতে দেখেছেন। এরপরই আলীগঞ্জ এলাকায় অন্তত ৮ থেকে ১০টি প্লট কিনেন মোকারম সরদার। এর মধ্যে ৪টি বহুতল বিলাস বহুল বাড়ি করেছেন। অনেকেই এসব বাড়িকে এসপির বাড়ি নামে চিনেন।

কিশোরগঞ্জের স্থানীয় লোকজন জানান, কিশোরগঞ্জের উকিলপাড়াতে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি বাড়ি ক্রয় করেছেন মোকারম সরদার। নিকলীর দামপাড়া মৌজায় ৩ কোটি টাকা মূল্যের ২৫ শতাংশ জমি ক্রয় করে এতে ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ডুপ্লেক্স ভবন করেছেন। এলাকার রইস মেম্বারের কাছ থেকে ৩ কোটি টাকার জমি ক্রয় করেছেন। ভৈরব বাজার পূবালী ব্যাংকের নামে কোটি টাকার একটি নিশান পেট্রল জিপ ক্রয় করেন। ২০১৩ সালে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে ইভটিজিং নামের একটি ছবি প্রযোজনা করেন মোকারম।

নিকলী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মোকারম সরদারের হলফনামায় উল্লেখ করেছেন- তিনি স্বশিক্ষিত, তার কোনো ঋণ নেই। বাড়ি ভাড়া থেকে ৯০ হাজার টাকা ও ব্যবসা থেকে ২০ লাখ ৪০ হাজার টাকা বছরে আয় হয়। তার কাছে নগদ টাকা রয়েছে দুই কোটি বিশ লাখ ৯০ হাজার ও ১০ ভরি স্বর্ণালংকার। এছাড়া দামপাড়া মৌজায় দেড় শতাংশ, কিশোরগঞ্জ মৌজায় আড়াই শতাংশ, ভিন্নগাঁও মৌজায় ১২ শতাংশ ৩ পয়েন্ট এবং একই মৌজায় রয়েছে ৭০ শতাংশ জমি। স্থানীয়দের অভিযোগ নির্বাচনি হলফনামায় মোকারম সরদার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন।

এ বিষয়ে মোকারম সরদারের বক্তব্য নিতে তার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ ও ফতুল্লার একাধিক বাড়িতে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। তার ব্যবহার করা দুটি নম্বরে ফোন করে মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।

 




১৭ দিনে রেমিট্যান্স এল ১৩ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। এরপর থেকে বেড়েছে বৈধপথে রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ। এরই ধারাবাহিকতায় আগস্টের প্রথম ১৭ দিনে এসেছে ১৩ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য বলছে, চলতি মাসের প্রথম ৩ দিন পর্যন্ত রেমিট্যান্স এসেছে ৯ কোটি ৫৬ লাখ ৫০ হাজার ডলার। আর শুধু ৪ থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত এসেছে ৩৮ কোটি ৭১ লাখ ২০ হাজার ডলার।

বাংলাদেশে ব্যাংক আরও বলছে, আগস্টের প্রথম ১৭ দিনে বৈধ পথে রেমিট্যান্স এসেছে ১১৪ কোটি ৪২ লাখ ২০ হাজার ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১১৮ টাকা হিসাবে) যার পরিমাণ ১৩ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকার বেশি।

এ সময়ে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৫ কোটি ২৯ লাখ ডলার, বিশেষায়িত ২ ব্যাংকের মধ্যে এক ব্যাংকের (কৃষি ব্যাংক) মাধ্যমে এসেছে প্রায় ৩ কোটি ৭৭ লাখ ডলার। বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৯৪ কোটি ১৪ লাখ ডলারের বেশি আর বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে সাড়ে ২১ লাখ ডলার।

আলোচিত সময়ে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি এমন ব্যাংকের সংখ্যা মোট ১০টি। এর মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রীয় বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বা বিডিবিএল, বিশেষায়িত রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব)। বেসরকারি খাতের কমিউনিটি ব্যাংক, সিটিজেন ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, সীমান্ত ব্যাংক। বিদেশি খাতের ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া এবং উরি ব্যাংক।

প্রসঙ্গত, সদ্য বিদায়ী শেখ হাসিনা সরকারের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করে হুন্ডিতে টাকা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন প্রবাসীরা। এতে হঠাৎ কমে যায় রেমিট্যান্সের গতি। তবে সরকার পতনের পর সেই চিত্র পাল্টেছে। রেমিট্যান্সের পালে লেগেছে হাওয়া, বৈধপথেই আসছে হু হু করে।




জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে না

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। আজ রবিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ শফিউল্লাহর পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০২৩-এর ৩৪(ক) ধারার আওতায় সরকার জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় দৈনিকগুলোতে বিরূপ নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে এবং এর ফলে জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে বা হতে পারে। এ অবস্থায় ওই ধারার অধীনে মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব বিবেচনা আপাতত স্থগিত থাকবে মর্মে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এদিকে, অন্তর্বর্তী সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান জানিয়েছেন, বাধ্য না হলে বিদ্যুৎ, তেল ও গ্যাসের দাম বাড়াবে না সরকার।

তিনি বলেন, ‘বিদ্যুতের দাম যদি আর না বাড়ে বুঝতে হবে আমরা ভালো কাজ করছি। কিন্তু দাম যদি আবার বাড়তে থাকে, তাহলে ভালো কাজটা কীভাবে করলাম? পরিসংখ্যান দিয়ে আপনাকে আর মূল্যায়ন করা হবে না।’



রূপপুরে ৫৯ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ : আমলে নিচ্ছে দুদক