তিস্তার পানিবণ্টন সমস্যার সমাধান হতে হবে, কঠোর বার্তা ড. ইউনূসের




সরকারি ১ হাজার একর জমি দখলের অভিযোগ বসুন্ধরার বিরুদ্ধে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: শীর্ষস্থানীয় শিল্প গ্রুপ বসুন্ধরা গ্রুপের বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় সরকারের খাস, নালা, নদীসহ ৮০০ একর (২ হাজার ৪০০ বিঘা) এবং ভাওয়াল রাজ এস্টেটের ২১৬ একরসহ মোট ১ হাজার ১৬ একর জমি বেআইনিভাবে দখল করার অভিযোগ রয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপের বিরুদ্ধে। এই শীর্ষস্থানীয় শিল্প গ্রুপটির চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান শাহ আলম ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীরসহ এই শিল্প গ্রুপের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং (অর্থ পাচার) অনুসন্ধান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গতকাল সিআইডি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

সিআইডির হোয়াটস গ্রুপে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিভিন্ন উৎস থেকে জানা যায়, বসুন্ধরা আবাসিক প্রকল্পের প্রস্তাবিত জমির কিছু অংশ রাজউকের অনুমোদন থাকলেও অধিকাংশই রাজউকের অনুমোদন ছাড়াই ক্ষমতা ও অর্থের বলে জনসাধারণের ও সরকারি সম্পত্তি যেমন খাল, বিল, নদী, খাস জমি, পতিত ভূমি, কবরস্থান, বধ্যভূমি ইত্যাদি ভরাট করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। বসুন্ধরা রিভারভিউ আবাসন প্রকল্পের ক্ষেত্রেও রাজউকের অনুমোদন ছাড়াই অবৈধভাবে জায়গা দখল ও ভরাটের কাজ করে জনসাধারণ তথা সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিদের কাছে থেকে প্লট বিক্রয়ের মাধ্যমে অগ্রিম এককালীন ও কিস্তির মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বিভিন্ন ব্লকে ইস্ট ওয়েস্ট প্রপার্টিজ লিমিটেডের বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ জমি দখলের অভিযোগ পাওয়া যায়, যার আনুমানিক মূল্য দেড় লাখ কোটি টাকার বেশি। এসব জমি নিজেদের দখলে নিতে বিভিন্ন ধরনের প্রতারণা ও জালিয়াতির আশ্রয় নেয় বসুন্ধরা গ্রুপ। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় সরকারের খাস, নালা, নদীসহ ৮০০ একর (২ হাজার ৪০০ বিঘা) এবং ভাওয়াল রাজ এস্টেটের ২১৬ একরসহ মোট ১ হাজার ১৬ একর জমি  বেআইনিভাবে দখল করার অভিযোগ রয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপের বিরুদ্ধে।

সিআইডি আরো জানায়, বসুন্ধরা গ্রুপ দেশের বিভিন্ন তপশিলি ব্যাংক থেকে পর্যাপ্ত জামানত না রেখে প্রতারণা ও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে বিঘাপ্রতি ২০-২৫ লাখ টাকায় কেনা জমি; কাঠাপ্রতি ৩ কোটি টাকা দাম দেখিয়ে ৪২ হাজার কোটি টাকারও বেশি ঋণ নিয়েছে। এই ঋণের বেশির ভাগ অর্থ পাচার করা হয়েছে দুবাই, সিঙ্গাপুর, সাইপ্রাস, লন্ডন, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে। বসুন্ধরা গ্রুপের সিঙ্গাপুর অফিস দেখাশোনা করছেন শাহ আলমের বড় ছেলে সাদাত সোবহান তানভীর। বিভিন্ন ব্যাংক থেকে একের পর এক প্রকল্প দেখিয়ে হাজার হাজার  কোটি টাকা ঋণ নিলেও সেসব ঋণ পরিশোধ না করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ঢাকার কেরানীগঞ্জে বসুন্ধরা রিভার ভিউ প্রজেক্টে অবস্থিত বসুন্ধরা ওয়েল ও গ্যাস নামক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবসা-বাণিজ্যের নামে মানি লন্ডারিংয়ের আশ্রয় নিয়ে বিদেশ থেকে আনুমানিক ২ হাজার কোটি টাকার বিটুমিন আমদানি করে। পরবর্তীকালে আমদানিকৃত বিটুমিন একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে ইচ্ছামতো দাম নিয়ন্ত্রণ করে মনোপলি বিজনেসের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করার অভিযোগ রয়েছে।

সিআইডি থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, দেশের স্বর্ণ চোরাচালান সিন্ডিকেটের অন্যতম নিয়ন্ত্রক বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম  সোবহান আনভীর। ঐ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে দেশে একটি কৃত্রিম সংকট তৈরি করে প্রায়ই স্বর্ণের বাজার অস্থিতিশীল করে তোলার তথ্য পাওয়া যায়।

এছাড়া বসুন্ধরা গ্রুপের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রতারণা, জাল জালিয়াতি, শুল্ক ফাঁকি, ভ্যাট ফাঁকি, আন্ডার ইনভয়েসিং ও ওভার ইনভয়েসিং করে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচার সংক্রান্ত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মানি লন্ডারিং অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে l




সরকার ৫ বিলিয়ন ডলার খুঁজছে

বিচন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: দেশি ঋণ পরিশোধ ও রিজার্ভ বাড়াতে দাতা সংস্থাগুলোর কাছে অতিরিক্ত ৫ বিলিয়ন ডলার (৫৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা) ঋণ চেয়েছে সরকার। এর মধ্যে ৩ বিলিয়ন ডলার চাওয়া হয়েছে আইএমএফের কাছে। আর বিশ্বব্যাংক এবং জাইকার কাছে এক বিলিয়ন করে ২ বিলিয়ন ডলার চাওয়া হয়। এছাড়া দাতা সংস্থাগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও নিবিড় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থ উপদেষ্টা হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় মাসখানেকের মাথায় দাতা সংস্থাগুলোর কাছে ৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ চেয়ে অনুরোধ করেছেন ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। এ ঋণ মিললে বাজেট সহায়তা আর্থিক খাত সংস্কারসহ যে কোনো খাতে ব্যয় করা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া গেছে এসব তথ্য। আওয়ামী লীগ সরকার দেশের ঘাড়ে ১৫৬ বিলিয়ন ডলার ঋণ রেখে যায়। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ৮৮ বিলিয়ন ডলার ও বাকি ৬৮ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার বিদেশি ঋণ। এর বাইরে এখন ৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ খুঁজছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এ প্রসঙ্গে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ আলাপকালে সাংবাদিকদের জানান, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছ থেকে বাড়তি ৩০০ কোটি বা ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারবাজেট সহায়তা পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ। এ বিষয়ে অনুমোদনের ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে আইএমএফ। এ সহায়তা পেতে যেসব সংস্কার প্রয়োজন, তার বিষয়ে উদ্যোগ নিচ্ছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার l




খেলাপি ঋণের চাপে সংকটে ১০ ব্যাংক




গণভবনকে জাদুঘর করার সিদ্ধান্ত নিল সরকার

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : জুলাইয়ে গণহত্যার স্মৃতি সংরক্ষণে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনকে জাদুঘর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

আজ বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।




বাংলাদেশিদের কাছে ইলিশ চেয়েও পাচ্ছেন না ভারতীয় ব্যবসায়ীরা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: আসন্ন দূর্গাপুজায় এবার ভারতে ইলিশ রপ্তানি করা হচ্ছে না। এতে করে পশ্চিমবঙ্গে জনপ্রিয় পদ্মার ইলিশের জন্য হাহাকার শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস। তারা বলছে, বাংলাদেশের জেলেদের সঙ্গে যোগাযোগ করেও ইলিশ পাওয়ার ব্যাপারে কোনো আশা দেখছেন না সেদেশের মৎসজীবীরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের মৎস্যজীবীদের সঙ্গে পশ্চিমঙ্গের একাধিক মৎস্যজীবী ইলিশ মাছের জন্য যোগাযোগ করেছিলেন। কিন্তু কেউ কথা দিতে পারেননি পদ্মা নদীর ইলিশ মাছ পাঠাতে পারবেন।বাংলাদেশের পদ্মা নদীর ইলিশ না পাওয়া গেলেও গঙ্গার ইলিশ মাছ মিলবে সেখানে।

আগামী মাসের শুরুতে দুর্গাপুজে। বিগত বছরগুলোতে পুজার আগে বাংলাদেশ থেকে পদ্মার ইলিশ রপ্তানি করা হতো ভারতে। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার জানিয়ে দিয়েছেন, এবার দুর্গাপুজায় ভারতে ইলিশ রপ্তানি করা হবে না। তিনি বলেছেন, ‘‌বাংলাদেশের মানুষের চাহিদা মেটানোর পর পদ্মা নদীর ইলিশ মাছ বিদেশে রপ্তানি করা হবে। বাংলাদেশের মানুষ ইলিশ পাবে না, আর সেটা রপ্তানি হবে এটা হতে পারে না। তাই এবার দুর্গাপুজোয় ভারতে যাতে ইলিশ মাছ না যায় তার জন্য আমি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে বলেছি। অবৈধ পথেও যাতে ইলিশ মাছ যেতে না পারে তাই ভারত–বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় কঠোর থাকতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করেছি।’‌

এই খবরে পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিদের মন খারাপ বলে জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস। প্রতিবেদনে বলা হয়, পুজায় পদ্মার ইলিশ মাছ খাবে এমন একটা সৌখিনতা বরাবরই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বাঙালির। তাই দুর্গাপুজার সময় বাজারে গিয়ে পদ্মার ইলিশ মাছের খোঁজ করেন তারা। তবে এবার আর খোঁজ করে লাভ হবে না। কারণ বাংলাদেশ এবার আর ইলিশ ভারতে পাঠাচ্ছে না।

আর কোনোভাবে যদি অবৈধ পথে ইলিশসেখানে যায়ও, তার দাম আকাশছোঁয়া হবে। সুতরাং কোনওভাবেই পদ্মার ইলিশ মাছ খেতে পারবেন না বাঙালিরা।




আন্দোলনের মুখে সাভারের ৬০ পোশাক কারখানা বন্ধ




দিলীপ আগরওয়াল ডায়মন্ড বলে বেচতেন কাচ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় নামমাত্র শোরুম দিয়ে ডায়মন্ডের বদলে উন্নতমানের কাচের টুকরো বিক্রি করার অভিযোগে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ কুমার আগরওয়ালার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে সিআইডি। গতকাল মঙ্গলবার সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মো. আজাদ রহমান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, দেশে ও বিদেশে দিলীপ আগরওয়ালের বিপুল পরিমাণ সম্পদ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে হুন্ডিতে কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করার অভিযোগ রয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সূত্র জানায়, রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের প্রায় ৩০টি শোরুম রয়েছে। এসব শোরুম থেকে দিনে ৪ থেকে ৫ কোটি টাকার ডায়মন্ড বিক্রি করা হলেও বিগত আওয়ামী লীগের শাসনামলের ১৫ বছরে কোনো ভ্যাট দেয়নি ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড। এনবিআরের কর্মকর্তাদের হিসাবে ২৮টি শোরুম থেকে বছরে ১ হাজার ৬২০ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছেন দিলীপ। সেই হিসাবে গত ১৫ বছরে ২৫ হাজার ২০০ কোটি টাকার ভ্যাট দেয়নি ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড। ভ্যাট ফাঁকি ও দিলীপ আগরওয়ালের আয়কর নথি তদন্ত শুরু করলে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে দিলীপ তদন্ত এগোতে  দেয়নি




ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ কুমার আগরওয়ালা গ্রেফতার

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে গ্রেফতারের বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লে. কর্নেল মুনীম ফেরদৌস।

তিনি জানান, ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ কুমার আগারওয়ালাকে রাজধানীর গুলশান থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১।

এর আগে, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে দিলীপ কুমার আগরওয়ালার গুলশানের অফিস ঘিরে রাখে র‍্যাব সদস্যরা। এরপর ওই অফিসে অভিযান শুরু করেন র‍্যাব কর্মকর্তারা। অভিযানটি এখনো চলমান রয়েছে।




বাংলাদেশ থেকে ব্যবসা গোটানোর পরিকল্পনা ভারতের রেমন্ডের