ভারত থেকে এলো আলু, দাম কমতে পারে ৫ টাকা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আবারও আমদানি শুরু হয়েছে আলু। আড়াই মাস পর বুধবার ভারতের কোচবিহার থেকে দুই ট্রাকে ৫৭ টন কার্ডিনাল জাতের আলু আনা হয়েছে। এতে বাজারে কিছুটা স্বস্তি মিলবে, কেজিতে দাম কমতে পারে ৫-৬ টাকা। দেশের বাজারে দাম আরও কমিয়ে আনতে আলু আনা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন আমদানিকারকরা।

জানা গেছে, ভারতে আলুর দাম বাড়ায় আমদানি করে খুব বেশি লাভ হতো না বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের। এ কারণে আড়াই মাস বন্ধ ছিল অতিপ্রয়োজনীয় এ সবজি আমদানি। তবে সম্প্রতি প্রতিবেশী দেশটির অভ্যন্তরে দাম কমায় এবং বাংলাদেশ সরকার শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ নির্ধারণ করায় লাভের আশায় আবারও আমদানি শুরু করেছেন ব্যবসায়ীরা।

১৮০ ডলার ও ৩ শতাংশ হারে শুল্কায়নে যে মানের আলু আমদানি করে কেজিতে খরচ পড়ছে ৪০ টাকা। সেই মানের আলু দেশের বাজারে ৫০ টাকা। অর্থাৎ, কেজিতে ৫-৬ টাকা দাম কমতে পারে।

আমদানিকারক কুতুব উদ্দিন বলেন, আলু আমদানি অব্যাহত ছিল। গত জুলাই মাসে হঠাৎ করে ভারতে কেজিতে ১৫ রুপি দাম বাড়ে। তখন দেশের বাজারের তুলনায় প্রতিবেশী দেশটিতে দাম বেশি হওয়ায় সেগুলো কিনে আনলে লোকসান হতো। এ কারণে ৮ জুলাই আমদানি বন্ধ হয়ে যায়। সম্প্রতি দেশটিতে কেজিতে ১৫ রুপি কমে আগের দামে ফেরায় লাভের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

[contact-form][contact-field label=”Name” type=”name” required=”true” /][contact-field label=”Email” type=”email” required=”true” /][contact-field label=”Website” type=”url” /][contact-field label=”Message” type=”textarea” /][/contact-form]




ভারতে রপ্তানির অপেক্ষায় বেনাপোলে ২ ট্রাক ইলিশ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ::আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে অন্যান্য বছরের মতো এবারও ভারতে যাচ্ছে ইলিশ।

বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকালে প্রথম চালানে ৮ মেট্রিক টন ইলিশ রফতানি জন্য বেনাপোল বন্দরে পৌচেছে। তবে কাগজ পত্রের আনুষ্ঠানিকতা শেষ না হওয়াই রাত ১১ টা পর্যন্ত ভারতে ঢোকেনি।

বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ভারতে ঢুকতে পারে বলে জানিয়েছে রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান ও মৎস কর্মকর্তারা।

এবার দেশের ৪৯ টি প্রতিষ্ঠান ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন পেয়েছে। ১৩ অক্টোবরের আগেই ইলিশ রপ্তানি শেষ করতে হবে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। প্রতি কেজি ১০ ইউএস ডলার যা বাংলাদেশি টাকায় ১১৮০ টাকা মুল্য রফতানি হচ্ছে।

কাস্টমস সুত্রে জানায়, ইলিশের বাংলাদেশি রফতানি কারক সাজ্জাদ এন্টারপ্রাইজ এবং আমদানি কারক ভারতের আর জে ইন্টারন্যাশনাল এই বাণিজ্য করছে। বন্দর থেকে ইলিশ ছাড় করনে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট রয়েছে বাংলাদেশ লজিষ্টিক।

জানা যায়, কলকাতার ভারতীয় মাছ আমদানিকারকদের সংগঠন ফিশ ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (এফআইএ) থেকে গত ৯ সেপ্টেম্বর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের কাছে দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ থেকে ইলিশ রপ্তানির অনুমোদনের বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ জানানো হয়। পরে বিশেষ বিবেচনায় সরকার ভারতে ৩ হাজার টন রফতানির অনুমতি দেয়।

এতে বুধবার থেকে রফতানি শুরু হয়। সাধারন ব্যবসায়ী বলছেন ইলিশ রপ্তানিতে দুই দেশের মধ্যে সুসম্পর্ক বাড়াতে বড় ভূমিকা রাখবে।

বেনাপোল বন্দরের মৎস কর্মকর্তা আসওয়াদুল ইসলাম জানান, মৎস রপ্তানির ক্ষেত্রে যেসকল কাগজপত্র দরকার তার সবগুলো দেখাতে পারেনি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান। বিশেষ করে মৎস অধিদফতরের অনুমতি পত্র এখনো হাতে পায়নি। বর্তমানে ইলিশের ট্রাক বন্দরে দাড়িয়ে আছে। কাগজ পত্র আসলেই তবে রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হবে।

বন্দর সংশিষ্টরা জানান, ২০১২ সালে ইলিশ রপ্তানি বন্ধ হয়েছিল, পরে আবার শুরু হয়। তবে বিশেষ বিবেচনায় কেবল দুর্গা পূজাতে সুযোগ রয়েছে রপ্তানির।গেল বছর রপ্তানির অনুমতি ছিল ৩ হাজার ৯০০ মেট্রিন টনের। এবছর অনুমতি হয় ৩ হাজার টনের।

বেনাপোল বন্দরের উপপরিচালক সজিব নাজির জানান, কাগজ পত্রের কাজ শেষে পণ্যবাহী ইলিশের ট্রাক যাতে দ্রুত ভারতে ঢুকতে পারে সেজন্য সহযোগিতা করা হবে।




এশিয়ার ৮ দেশের সঙ্গে সরাসরি লেনদেন না করার নির্দেশ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) সদস্যভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে সরাসরি কোনো লেনদেন না করার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব দেশের সঙ্গে শুধু কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন করতে হবে।

বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এক সার্কুলারে এ নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

আকু হলো, একটি আন্তঃদেশীয় লেনদেন নিষ্পত্তি ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার লেনদেনের দায় পরিশোধ করা হয়। ইরানের রাজধানী তেহরানে আকুর সদর দপ্তর। এ ব্যবস্থায় ৯টি দেশের মধ্যে যেসব আমদানি-রপ্তানি হয়, তা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতি দুই মাস অন্তর আমদানির দায় অর্থ পরিশোধ করে। তবে সম্প্রতি দেনা পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় এ তালিকা থেকে বাদ পড়েছে শ্রীলঙ্কা।

আকুর বাইরে অন্যান্য দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের লেনদেন তাৎক্ষণিকভাবে সম্পন্ন হয়।

জানা গেছে, আকুর সদস্য দেশ হলেও দেশের ব্যাংকগুলো ভারতের সঙ্গে অনেক লেনদেন সরাসরি করছে। এতে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার ওপর অনেক সময় চাপ বাড়ে। এই চাপ কমাতে সব লেনদেন আকুর মাধ্যমে করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।




এক দিনের ব্যবধানে বাড়ল স্বর্ণের দাম

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ::দেশের বাজারে ফের বেড়েছে স্বর্ণের দাম। এক দিনের ব্যবধানে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৭০৮ টাকা।

আজ বুধবার বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের স্বাক্ষর করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে স্বর্ণের নতুন দাম কার্যকর হবে।

নতুন দাম অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ ১ লাখ ৩৮ হাজার ৭০৮ টাকা, ২১ ক্যারেট ১ লাখ ৩২ হাজার ৩৯৮ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি ৯৩ হাজার ১৬০ টাকায় বিক্রি করা হবে।

তবে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ২ হাজার ১০০ টাকা, ২১ ক্যারেট দাম ২ হাজার ৬ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১৭১৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ১ হাজার ২৮৩ টাকা।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার স্বর্ণের দাম এক দফা বাড়ায় বাজুস। আজ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৬৬৪ টাকা, ২১ ক্যারেট ১ লাখ ২৯ হাজার ৫০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ১০ হাজার ৯৯৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ৯১ হাজার ৩৮ টাকায়।




দুর্বল ব্যাংকের ধারের টাকা সবল ব্যাংক ফেরত চাইলে ৩ দিনেই দেওয়া হবে

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: দুর্বল হয়ে পড়া ব্যাংকগুলোকে বিশেষ ব্যবস্থায় তারল্য সহায়তা দিতে শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সবল ব্যাংকগুলো থেকে এ তারল্য দুর্বল ব্যাংকগুলো দেওয়া হচ্ছে। তবে দুর্বল ব্যাংককে দেওয়া ঋণের টাকা ফেরত চাইলে সবল ব্যাংকগুলোকে তিন দিনের মধ্যেই ফেরত দেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের সঙ্গে কয়েকটি ব্যাংকের বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে এসব তথ্য জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র হুসনে আরা শিখা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, কোনো ব্যাংক চাইলে ঋণের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা নির্ধারণ করতে পারবে না। নির্ধারিত পরিমাণের বেশি ঋণ কেউ দিতেও পারবে না; এমনকি নিতেও পারবে না কোনো ব্যাংক। কোনো ব্যাংককে কত টাকার তারল্য সহায়তা দেওয়া হবে, সেটি নির্ধারণ করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ ছাড়া দুই ব্যাংকের সমঝোতার ভিত্তিতে ঋণের সুদহার নির্ধারণ হবে।

বেসরকারি ন্যাশনাল ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের তারল্য সংকট কাটাতে চলতি মাসের ২২ তারিখে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হয়। যেখানে গ্রান্টার নিয়ন্ত্রক সংস্থা কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সেদিনই দুর্বল ব্যাংকগুলোকে তারল্য দিতে আগ্রহ দেখিয়েছিল ১৪টি সবল ব্যাংক।

তবে শুরুতে আগ্রহ দেখালেও হটাৎ দুর্বল ব্যাংককে টাকা দিতে চাইছে না সবল ব্যাংকগুলো। ফলে ১০টি সবল ব্যাংককে ডেকে পাঠায় বাংলাদেশ ব্যাংক। যেখানে অংশ নেয় ব্র্যাক, ইস্টার্ন, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, বিডিবিএল, ঢাকা ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামিক ব্যাংক ও পূবালী ব্যাংকের কর্তারা। যাদেরকে বেশ কিছু নির্দেশনা দেন গভর্নর।

এক্সিম ও ইসলামী ব্যাংক আবেদন করলেও এখন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে গ্যারান্টি চুক্তি হয়নি। এদিকে ধুকতে থাকা আরও দুই ব্যাংক পদ্মা ও আইসিবি ইসলামী ব্যাংক এখন পর্যন্ত কোনো আবেদনই করেনি।




বাংলাদেশ ২.০’ প্রকল্পে অর্থ সহায়তার প্রস্তাব আইএমএফ প্রধানের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা বাংলাদেশের সংস্কারের উদ্যোগকে সমর্থন করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছেন, তারা এ বিষয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করতে এরইমধ্যে ঢাকায় একটি দল পাঠিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সদর দফতরে জাতিসংঘের বার্ষিক সাধারণ পরিষদের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকের সময় আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তার সমর্থন প্রকাশ করে বলেন, ‘এটি অন্য দেশ, এটি বাংলাদেশ ২.০’।

এসময় অধ্যাপক ইউনূস নির্বাচন, বেসামরিক প্রশাসন, পুলিশ, বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন ও সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের সুপারিশের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যে ছয়টি কমিশন গঠন করেছে, সেগুলোর বিষয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, কমিশনের সুপারিশ নিয়ে সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে। সংস্কারের বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছে ভোটার তালিকা প্রস্তুত হয়ে গেলে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হবে বলেও জানান প্রধান উপদেষ্টা।

আইএমএফ-এর প্রধান নির্বাহী এই উদ্যোগের প্রতি সমর্থন জানান। ঋণদাতা সংস্থাটি এই সরকারের জন্য আর্থিক সহায়তার বিষয়টি দ্রুত ‘ট্র্যাক করবে’ জানিয়ে জর্জিয়েভা বলেন, তিনি বাংলাদেশে আইএমএফ-এর একটি দল পাঠিয়েছেন এবং দলটি এখন ঢাকায় রয়েছে। আগামী মাসে দলের সদস্যরা আইএমএফ পরিচালনা পর্ষদের কাছে তাদের প্রতিবেদন জমা দেবে।

জর্জিয়েভা বলেন, আইএমএফ বোর্ড দলের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন ঋণদান কর্মসূচি শুরু করতে পারে অথবা গত বছরের গোড়ার দিকে চালু হওয়া বিদ্যমান সহায়তা কর্মসূচির আওতায় আরও ঋণ দিতে পারে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও পরিবহন বিষয়ক উপদেষ্টা ফওজুল কবির খান ও ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। ড. দেবপ্রিয় দেশের অর্থপ্রদানের ভারসাম্য জোরদার করতে আইএমএফ-এর সহায়তার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, বিনিময় হার (এক্সচেন্জ রেট) স্থিতিশীল করতে আইএমএফের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হবে।




ভারতে রপ্তানীর প্রভাবে ইলিশ নেই বরিশালের বাজারে !

বরিশাল অফিস :: ভারতে রপ্তানি করার সিদ্ধান্তের কয়েকদিন আগে থেকেই বাজারে ইলিশের সংকট স্পষ্ট ছিলো। সরকারি ঘোষণার পর পরই বাজার থেকে উধাও হয়েছে ইলিশ। যা একটু পাওয়া যাচ্ছে তা বেশিরভাগই এলসি থেকে বাদ পড়া ঝাটকা।

ক্রেতারা বলছেন, ভারতে যে রপ্তানি হবে এটা জানতো ব্যবসায়ীরা। তাই সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তারা পর্যাপ্ত ইলিশ সংরক্ষণ করতে শুরু করে। যে কারণে বাজারে ইলিশের দাম প্রথম থেকেই বাড়িয়ে রাখা হয়েছিল। এটা দেশ ও মানুষের সাথে এক ধরনের প্রতারণা। ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দিয়ে সরকারিভাবে ব্যবসায়ীদের প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ইলিশ কিনতে ব্যর্থ একাধিক ক্রেতা। অপরদিকে সাগর ও নদীতে দাদন নিয়ে মাছ ধরেন জেলেরা। তাই মহাজনের কাছে বন্দী তাদের ইচ্ছা-অনিচ্ছা। তারা বলেন, সুদখোর ব্যবসায়ীদের মধ্যে দেশপ্রেম নেই। থাকলে তারাই আগে প্রতিবাদ জানাতো এই সিদ্ধান্তের। উল্টো এই ব্যবসায়ীরাই সরকারকে ইলিশ রপ্তানি করতে বাধ্য করেছে বলে জানান একাধিক জেলে নেতা।


মৎস্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, গেল এক দশকে ইলিশ উৎপাদনের হার ছিল আকর্ষণীয়।

বিশেষ করে ২০১৭-১৮ অর্থবছর থেকে প্রতি বছর ইলিশের উৎপাদন হয়েছে পাঁচ লাখ টনের বেশি। হিসাব অনুযায়ী ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ইলিশ উৎপাদন হয়েছে ৫ লাখ ১৭ হাজার টন। ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৫ লাখ ৫০ হাজার টন, ২০২০-২১ অর্থবছরে ৫ লাখ ৬৫ হাজার টন, ২০২১-২২ অর্থবছরে উৎপাদন হয়েছে ৫ লাখ ৬৭ হাজার টন ও সর্বশেষ ২০২২-২৩ অর্থবছরে ইলিশ উৎপাদন হয়েছে ৫ লাখ ৭১ হাজার টন। অর্থাৎ শেষ পাঁচ বছরে গড়ে ইলিশের উৎপাদন হয়েছে আড়াই শতাংশের বেশি।

যদিও জেলেদের দাবি, এ হিসাব সম্পূর্ণ বানোয়াট। বরং গত পাঁচ বছর ধরে মাছের উৎপাদন কমে আসছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের নিষেধাজ্ঞা চলমান সময়ে ভারতের জেলেরা মাছ ধরায় ব্যস্ত থাকে। যা বৈষম্য সৃষ্টি করছে এবং বাংলাদেশের জেলেরা মাছ কম পাচ্ছে।

এ নিয়ে সহমত বাংলাদেশের মৎস গবেষকরাও। তবে তা কখনো গুরুত্ব পায়নি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতার কাছে। জানা গেছে, বাংলাদেশে ইলিশ সুরক্ষায় তিন মেয়াদে নিষেধাজ্ঞা থাকে। এর মধ্যে অক্টোবরে ২২ দিন। এ সময় মা মাছের ডিম ছাড়ার সুযোগ দেওয়া হয়। এরপর বাচ্চা হলে তার সুরক্ষায় ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল দুই মাস নিষেধাজ্ঞা থাকে। মাছের বৃদ্ধির জন্য ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই আবার একদফায় সাগরে নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকে।

বাংলাদেশ মাৎস্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের সাবেক মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও ইলিশ গবেষক আনিছুর রহমান গতবছর এ প্রসঙ্গে চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কমকে বলেছেন, এখন আমরা যে সাফল্য পাচ্ছি, তা এই নিষেধাজ্ঞার ফল। নিষেধাজ্ঞার সময় পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই দাবী করে তিনি বলেন, তবে এখানে একটা সমস্যা আছে। আমাদের এখানে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা থাকে কিন্তু ভারতে নিষেধাজ্ঞা থাকে ১৫ এপ্রিল থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত। ১৫ জুন শুরু হয় তাদের মাছ ধরা।’ এই জায়গায় দুইটি দেশের সমন্বয় প্রয়োজন বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশে ইলিশের প্রজনন মৌসুমে নিষেধাজ্ঞায় সাফল্য আসতে দেখে ভারতেও মাছ ধরার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি চালু করা হয় ২০১৮ সাল থেকে। তবে এর আগে ভারতে কোনো নিষেধাজ্ঞা ছিলোনা। ফলে বাংলাদেশের জেলেদের অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলেও আওয়ামী লীগ সরকারের নতজানু নীতির কারণে জেলেদের স্বার্থে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে জানান বরগুনা ও পাথরঘাটার জেলেদের কয়েকজন। এ অঞ্চলের এমবি ফরাজী ট্রলারের মালিক দুলাল ফরাজি বলেন, বরগুনার তালতলী উপজেলার নিবন্ধিত ৫ হাজার ২০০ জন জেলে রয়েছে। ট্রলারের সংখ্যা প্রায় তিন হাজার। প্রতিটি ট্রলারে গড়ে ২০ জন জেলে ও শ্রমিক কাজ করে। প্রতিজন শ্রমিকের জন্য মাথাপিছু দাদন নেয়া হয়েছে। যে কারণে জেলেরা চাইলেও মহাজনের বাইরে যেতে পারেন না। কিন্তু এই মহাজনরা চাইলেই দেশের প্রতিটি বাজারে ইলিশ বিক্রি করতে পারেন বলে জানান তিনি।

যদিও চলতি বছর এ অঞ্চলের বেশিরভাগ ইলিশ বগুড়া, রাজশাহী ও রংপুরের ব্যবসায়ীরা কিনে নিয়েছেন বলে জানান বরগুনার আড়ৎদার বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী।

এদিকে বরিশালের সবচেয়ে বড় মাছের আড়ৎ পোর্ট রোড বাজারে মঙ্গলবার( ২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে কয়েক ডালা ২৫০ থেকে ৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হতে দেখা যায়। যার দাম ছিলো (২০০-২৫০ গ্রাম) ৫৫০ টাকা কেজি। ৪শ থেকে ৬শ গ্রাম এর কেজি ১১শ টাকা এবং এলসি থেকে বাদ পড়া ৯শ থেকে ১১শ গ্রাম ইলিশ ১৫শ ও ১৭শ টাকা কেজি। দু’সপ্তাহ আগেও বাজারে একই দর ছিলো। তবে তখন বরিশালের বাজারে কিছুটা হলেও সাগরের ইলিশ পাওয়া গেছে। এখন বাজারের এই ইলিশ সবটাই নদীর বলে দাবী বিক্রেতাদের।

ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর, অঞ্জন দাস সহ কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা গেল, বরিশালের মোকামে আগে হাজার টন ইলিশ আসতো। পদ্মা ও পায়রা সেতু হওয়ার পর থেকেই তা কমে গেছে। বর্তমানে পোর্ট রোড ইলিশ পাড়ায় সর্বোচ্চ ১০০ টন ইলিশ আসে। আর আজ মঙ্গলবার সকালে এলসি হয়েছে ৬০ টন মাত্র। যা বেশিরভাগ নদীর ইলিশ। তাদের ইলিশের বড় ক্রেতাও বগুড়া ও রাজশাহী অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা বলে জানান তারা।

বরিশালের মোকামে আড্ডারত জেলেদের কয়েকজন বলেন, আমাদের তুলনায় ভারতের জেলেরা সবসময় সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছে। তারা মাছও বেশি ধরছে এবং তাদের ধরা ইলিশ বেশিরভাগই বড় বড় সাইজের। তারপরও লোক সংখ্যাগত কারণে ভারতের জন্য পর্যাপ্ত নয়। কিন্তু আমাদেরও নিজ দেশের চাহিদা আগে মেটানো উচিত বলে জানান বরিশালের জেলে নেতা খোরশেদ আলম।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাগরে যখন ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা চলে তখন আরও এক মাস ইলিশ ধরা বহাল থাকে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলের জেলেদের। এটা বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনছে বলে মনে করেন তিনি। জেলেরা কেন সরাসরি বাজারে ইলিশ বিক্রি করছেন না প্রশ্নের উত্তরে অসহায়ত্ব প্রকাশ করেন তারা। বলেন, আমরা তো দাদন নিয়ে তবে চলছি। মহাজনের কাছে আমাদের আপাদমস্তক ভাড়া দেওয়া। নিজস্ব ট্রলার যার আছে সে চাইলে বাজারে সরাসরি মাছ নিতে পারেন। আর আড়ৎদার ইচ্ছে করলে কোনো মাছই দেশের বাইরে যেতে পারেনা।

জানা যায়, বাংলাদেশের বেশিরভাগ মহাজন বা আড়ৎদার জেলেদের চড়া সুদে ঋণ দিচ্ছেন। যে কারণে পর্যাপ্ত মাছ পাওয়ার পরও ঋণ পরিশোধ হয় না তাদের। এ নিয়েও রয়েছে একাধিক অভিযোগ। পটুয়াখালী ফিশিং বোট মালিক সমিতি, বরগুনা ফিশিং বোট মালিক সমিতির নেতাদের ভাষ্য, সরকারী উদ্যোগে ঋণমুক্ত করে সরাসরি বাজারে মাছ বিক্রির সুযোগ করে দিতে হবে। তাহলে দেশের মানুষের চাহিদা মিটিয়ে পর্যাপ্ত ইলিশ রপ্তানি সম্ভব হবে বলে।




ব্রিটিশ ক্রাইম এজেন্সিকে শেখ হাসিনা সরকারের দুর্নীতি তদন্তে দেশটির এমপির চিঠি চিঠি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : ব্রিটিশ বাংলাদেশি এমপি আপসানা বেগম এবার সরব হয়েছেন শেখ হাসিনা সরকারের দুর্নীতির তদন্তে।

মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) তিনি ব্রিটেনের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সির ডিরেক্টর জেনারেল গ্রীম বিগারকে একটি চিঠি দিয়ে আহ্বান জানিয়েছেন শেখ হাসিনা সরকারের মন্ত্রী যাদের বিরুদ্ধে ব্রিটেনে অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে সেগুলো তদন্ত, ব্রিটেনে অর্জিত সম্পদ স্থগিত করা, অপরাধীদের আইনের আওতার আনার জন্য।

তিনি চিঠিতে উল্লেখ করেন, গত ৫ আগস্টের আগে শত শত ছাত্র ও সাধারণ মানুষকে হত্যা করে ছাত্রদের বিক্ষোভের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ থেকে পালান শেখ হাসিনা।

চিঠিতে শেখ হাসিনা সরকারের দুর্নীতি নিয়ে ব্রিটিশ গণমাধ্যম ফাইনান্সিয়াল টাইমস, কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরার তথ্যের সূত্র দিয়ে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদের বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে অবৈধভাবে অর্থ পাচার করে ব্রিটেনে ১৫০ মিলিয়ন পাউন্ডের সম্পদ অর্জন করার।

ব্রিটিশ ল্যান্ড রেজিস্টার তথ্য বলছে, সাইফুজ্জামান চৌধুরী ২৮০টি প্রপার্টি কিনেছেন।

আপসানা বেগম চিঠিতে আরও উল্লেখ করেন, খুব দুঃখজনকভাবে ৭১ বাড়ির সন্ধান পাওয়া গেছে শুধু আমার নির্বাচনী এলাকা পপলার ও লাইম হাউজে।

বাংলাদেশে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এই বিষয়ে তদন্ত করছে। ব্রিটিশ সরকারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশকে পূর্ণ সহায়তা করার।

আপসানা বেগম চিঠির শেষাংশে লিখেন, ব্রিটেন যদি বাংলাদেশের দুর্নীতিবাজদের চিহ্নিত করতে না পারে তাহলে ব্রিটেনের মান সম্মান আন্তর্জাতিকভাবে ক্ষুণ্ন হবে।




বিমানবন্দরে রেমিট্যান্স যোদ্ধারা পাবেন ভিআইপি সুবিধা: আসিফ নজরুল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, “দেশের বিমানবন্দরে সেবার মান ইতোমধ্যে উন্নয়ন করা হয়েছে। আরেকটি সেবা আমরা চালু করতে যাচ্ছি সেটি হচ্ছে, বিমানবন্দরে রেমিট্যান্স যোদ্ধারা দেশে আসলে ভিআইপি সেবা পাবেন। একজন ভিআইপি এয়ারপোর্টে যেসব সুবিধা পান, লাউঞ্জ ব্যবহার ছাড়া সব সুবিধা তাদের দেবো।”

মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।

ড. আসিফ নজরুল বলেন, “একজন ভিআইপি যখন এয়ারপোর্টে যান তখন তার লাগেজ নিয়ে একজন সঙ্গে থাকেন, চেকইন করার সময় সঙ্গে একজন থাকেন, ইমিগ্রেশন করার সময় পাশে একজন থাকেন। প্রাথমিকভাবে আমরা মধ্যপ্রাচ্যের কর্মীদের টার্গেট করেছি। ইউরোপের কর্মীদের পড়ে করবো। প্রথম স্তরে মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়া এবং ফেরত আসা একজন কর্মী ভিআইপি ট্রিটমেন্ট পাবেন। লাউঞ্জ ব্যবহার করতে দেওয়ার বিষয়ে আমরা পরে চিন্তা করছি, এটা অনেক পরের কাজ। আগামী দুই সপ্তাহ থেকে এক মাসের মধ্যে আমরা যেটা করবো, বিমানবন্দরে যাওয়ার পর একজন কর্মীর যে অসহায় অবস্থা তৈরি হয় সেটি দূর করবো।”

তিনি আরও বলেন, “কর্মী কোন গেট দিয়ে প্রবেশ করবেন, চেক ইন কীভাবে করবেন, ফর্ম পূরণ করা লাগলে কীভাবে করবেন, ইমিগ্রেশনে কোনো কাগজ চাইলে কীভাবে সেটি করবেন এসব কাজে নিয়োজিত থাকবে বিমানবন্দরের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক। দরকার পড়লে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ট্রেনিং দিয়ে নতুন লোক নিয়োগ করবো। আমরা এটি দুই সপ্তাহ থেকে এক মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করবো। একজন প্রবাসী যেন কোনো অবস্থাতেই এয়ারপোর্টে হয়রানির শিকার না হন, অপমানিত বোধ না করেন এই ব্যাপারে আমাদের জিরো টলারেন্স থাকবে। আমরা অবশ্যই নিশ্চিত করে ছাড়বো।”




রপ্তানীতে বাংলাদেশকে বড় সুখবর দিল চীন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: চল‌তি বছরের ডিসেম্বর থেকে বাংলাদেশকে শতভাগ শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা দেবে বেইজিং।

সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় চীনা দূতাবাস এক বিবৃ‌তিতে এ তথ্য জা‌নিয়েছে।

চীনা দূতাবাস জানায়, গত ৫ সে‌প্টেম্বর প্রেসি‌ডেন্ট শি জিন‌পিং চীন-আফ্রিকান শীর্ষ সম্মেলনে স্বল্পোন্নত (এলডিসি) দেশকে শতভাগ শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা দি‌য়ে‌ছেন। আগামী ১ ডি‌সেম্বর ২০২৪-এ বাংলা‌দেশ ও চী‌নের কূট‌নৈ‌তিক সম্প‌র্ক স্থাপ‌নের দিন থে‌কে বাংলা‌দেশ শতভাগ শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা পা‌বে।

জানা গেছে, ট্যারিফ কোটা ব্যবস্থাপনা সাপেক্ষে পণ্যের জন্য শূন্য-শুল্ক ব্যবস্থাপনা শুধু কোটার পরিমাণের মধ্যে থাকা পণ্যগুলোর জন্য প্রযোজ্য হ‌বে। কোটার পরিমাণ অতিক্রম করা পণ্যে মূল শুল্ক হারের অধীন হবে।

২০২২ সালে চীন ৯৮ শতাংশ বাংলাদেশি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেয়, যার মধ্যে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যসহ ৩৮৩টি নতুন পণ্য ছিল। ২০২০ সালে ৯৭ শতাংশ বাংলাদেশি পণ্য এ সুবিধা পেত।

২০২০ অর্থবছরে চীন দুই দশমিক চার ট্রিলিয়ন মূল্যমানের পণ্য আমদানি করে, যার মধ্যে বাংলাদেশের অংশ মাত্র শূন্য দশমিক শূন্য পাঁচ শতাংশ। এই তথ্য এটাই নির্দেশ করছে যে, চীনের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।

রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান এমএ রাজ্জাক একটি গবেষণাপত্রে উল্লেখ করেছেন, চীনের আমদানি বাজেটের এক শতাংশও যদি বাংলাদেশ থেকে যায়, তাহলেও আমরা বছরে ২৫ বিলিয়ন ডলার উপার্জন করতে পারব।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার চীন। ২০২২-২৩ অর্থবছরে চীন থেকে ১৮ দশমিক ছয় বিলিয়ন ডলার মূল্যমানের পণ্য আমদানি করে বাংলাদেশ। অপরদিকে, বাংলাদেশ থেকে চীনে রপ্তানি হয় ৬৭৬ মিলিয়ন ডলারের পণ্য।