অন্যায় করে পার পাওয়ার সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: অন্যায় করে পার পাওয়া যায়- এ সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা না থাকলে সুশাসন নিশ্চিত করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ, বাণিজ্য ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

শনিবার রাতে রাজধানীর হোটেল সোনাগাঁও-এ ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ (আইসিএসবি) এর উদ্যোগে আয়োজিত ‘১১তম আইসিএসবি ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড ফর কর্পোরেট গভর্নেন্স এক্সিলেন্স’ ২০২৩ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা কিছু দিনের জন্য এসেছি, একটা মেসেজ দিয়ে যেতে চাই যে, অন্যায় করে পার পাওয়া যাবেনা। ব্যক্তিগত বা সরকারি অর্থ যেটাই হোক অপচয় করা ঠিক না।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, আমরা অর্থের অপচয় করতে চাই না। অনেকে অনেক অর্থের অপচয় করেছেন। জবাবদিহিতার বাইরে থেকেছেন। আমরা এ অবস্থা থেকে বের হতে চাই।

অর্থের অপচয় ও দুর্নীতির খোঁজ পাওয়া যায় না উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, প্রতিটি কোম্পানির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকলে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ে।

তিনি বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা জানতে চায় তোমাদের দেশে বিনিয়োগ পরিবেশ কেমন? আমরা তাদের আশ্বস্ত করতে চাই। বাংলাদেশের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

করপোরেট সুশাসনে উৎকর্ষ সাধনের পাশাপাশি সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার স্বীকৃতিস্বরূপ ৪১টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দিয়েছে আইসিএসবি। অনুষ্ঠানে এসব কোম্পানিকে ১৪ ক্যাটাগরি বা শ্রেণিতে পুরস্কৃত করা হয়।

পরে প্রধান অতিথি পুরস্কার প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের হাতে ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, অর্থ সচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, বাণিজ্য সচিব মো. সেলিম উদ্দিন ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান, বাংলাদেশে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ, আইসিএসবি এর সিনিয়র সভাপতি নুরুল আমিন ও সহ সভাপতি মুশফিকুর রহমান প্রমুখ।




রপ্তানি হবে বাংলাদেশে তৈরি ড্রোন, বিনিয়োগ ৫৫০ কোটি টাকা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: বাংলাদেশে তৈরি হবে মনুষ্যবিহীন আকাশযান (ইউএভি) বা ড্রোন। নতুন একটি কোম্পানি ‘স্কাই বিজ’ এই ড্রোন তৈরি করবে। এসব ড্রোন মূলত বিদেশে রপ্তানি করা হবে। ড্রোনের কারখানার জমির জন্য বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে  চুক্তি করবে প্রতিষ্ঠানটি।

এই কারখানা হবে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগরের বেপজা ইনডাস্ট্রিয়াল এস্টেটের ভেতরে। এর জন্য প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে স্কাই বিজ।

প্রতিষ্ঠানটির আশা, আগামী বছরের শুরু দিকেই তারা বাণিজ্যিকভাবে ড্রোন উৎপাদন শুরু করতে পারবে। প্রতি বছর ১৬৯ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকার ড্রোন রপ্তানির লক্ষ্য রয়েছে তাদের।

বাংলাদেশে ড্রোন তৈরির এই উদ্যোগের পেছনে আছেন জসীম আহমেদ। ঢাকা ও ঈশ্বরদী ইপিজেডে টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস অ্যাক্সেসরিজ খাতে তার ব্যবসা রয়েছে।

স্পেন-বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগের গ্লোবাল লেভেলস বাংলাদেশ লিমিটেড এবং চীন ও বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগের জিনকিউ গ্লোবাল টেক্সটাইল বাংলাদেশ লিমিটেড নামে দুইটি প্রতিষ্ঠান গড়েছেন জসীম আহমেদ।

তিনি এখন ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে আধুনিক প্রযুক্তির ইউএভি তৈরিতে বিনিয়োগ করছেন।

তার মতে, অনেক স্বপ্নদ্রষ্টা এবং আত্মবিশ্বাসী তরুণের প্রতিনিধিত্ব করছে এই উদ্যোগ।

প্রাথমিকভাবে কোম্পানিটি অগ্নিনির্বাপণের জন্য উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন রোটারি উইং ইউএভি তৈরি করবে। একই সঙ্গে সিনেমাটোগ্রাফি, ম্যাপিং ও সার্ভিলেন্স উপযোগী ভার্টিক্যাল টেক-অফ ও ল্যান্ডিং ড্রোন বানানো হবে।

জসীম আহমেদ জানান, তাদের ড্রোন মূলত বেসামরিক কাজে যেমন কীটনাশক স্প্রে, অগ্নিনির্বাপণ, ডেলিভারি সার্ভিস, এবং ত্রাণ বিতরণ ও উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যবহার করা যাবে।

বেপজাকে দেওয়া প্রস্তাবে বছরে ৭ হাজার ৩১৪টি ড্রোন তৈরি ও রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা দেখিয়েছেন বলে জানান জসীম আহমেদ।

বেপজার নির্বাহী পরিচালক (জনসংযোগ) এএসএম আনোয়ার পারভেজ  বলেন, তারা কারখানা স্থাপনের জন্য জমি ইজারা দিতে স্কাই বিজের সঙ্গে চুক্তি করতে যাচ্ছেন।




সেপ্টেম্বরে প্রবাসীরা পাঠালেন ৫০ বছরের তৃতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : বেশি রেমিট্যান্স এসেছে দেশে। এক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৮০ শতাংশেরও বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রবাসীরা ৬ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ৪ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৩ দশমিক ৩ শতাংশ।

কিছুটা কমলেও সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স আহরণের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। ব্যাংকটি সেপ্টেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এনেছে ৪০ কোটি ২৭ লাখ ডলার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩২ কোটি ২১ লাখ ডলার এসেছে অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির মাধ্যমে। আর রেমিট্যান্স আহরণে তৃতীয় স্থানটি ছিল ট্রাস্ট ব্যাংকের। গত মাসে ব্যাংকটির মাধ্যমে ২৪ কোটি ৫৫ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।

প্রবাসীদের এ উৎসাহ ধরে রাখতে হলে সরকারকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে বলে মনে করে সৈয়দ মাহবুবুর রহমান। তিনি বলেন, ‘দেশ যদি সঠিক পথে পরিচালিত হয়, তাহলে প্রবাসীরা বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে আরও বেশি অনুপ্রাণিত হবেন। দেশ আবারো বিপথে গেলে প্রবাসীরা হতাশ হবেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিমানবন্দরে প্রবাসীদের জন্য সেবার মান বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। প্রবাসীরা যদি তাদের প্রাপ্য সম্মানটুকু পান, তাহলে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহের প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে।’

ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট সরকারপ্রধানের পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারও পালিয়ে যান। এক বছর আগে তার নেয়া বেশকিছু সিদ্ধান্তের প্রভাবে দেশে বিনিময় হারজনিত অস্থিরতা তৈরি হয়। এ কারণে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহে বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসে। ওই মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স আসে মাত্র ১৩৩ কোটি ডলার, যা ছিল গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। ভয়াবহ সে বিপর্যয় কাটিয়ে গত মাসে ২৪০ কোটি ৪৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। সে হিসাবে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় সেপ্টেম্বরে ১০৭ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে দেশে। এক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৮০ শতাংশেরও বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রবাসীরা ৬ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ৪ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৩ দশমিক ৩ শতাংশ।

কিছুটা কমলেও সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স আহরণের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। ব্যাংকটি সেপ্টেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এনেছে ৪০ কোটি ২৭ লাখ ডলার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩২ কোটি ২১ লাখ ডলার এসেছে অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির মাধ্যমে। আর রেমিট্যান্স আহরণে তৃতীয় স্থানটি ছিল ট্রাস্ট ব্যাংকের। গত মাসে ব্যাংকটির মাধ্যমে ২৪ কোটি ৫৫ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা বণিক বার্তাকে বলেন, ‘প্রবাসীরা দেশ পুনর্গঠনে ভূমিকা রাখতে উদগ্রীব ছিলেন। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর রেমিট্যান্স পাঠানোর মাধ্যমে সেটির বহিঃপ্রকাশ ঘটাচ্ছেন। ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দেশের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণ করে আসছে। প্রবাসীদের দৃঢ় আস্থার কারণে আমরা এখনো সে স্থান ধরে রাখতে পেরেছি। আশা করছি, আমাদের ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্সপ্রবাহ আরও বাড়বে।’

বাংলাদেশীদের জন্য সর্ববৃহৎ শ্রমবাজার হলো সৌদি আরব। মধ্যপ্রাচ্যের এ দেশটি থেকেই সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসত। কিন্তু গত দুই বছর বেশি প্রবাসী আয় আসছে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে। রেমিট্যান্স আসার ক্ষেত্রে এ মুহূর্তে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আর সৌদি আরব থেকে আসছে তৃতীয় সর্বোচ্চ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে ২০২০-২১ অর্থবছরে। করোনাভাইরাস-সৃষ্ট দুর্যোগের ওই বছরে প্রবাসীরা রেকর্ড ২৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছিলেন। এর আগে ২০১৯-২০ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৮ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার। আর ২০২১-২২ অর্থবছরে ২১ দশমিক শূন্য ৩ বিলিয়ন ও ২০২২-২৩ অর্থবছরে ২১ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স আসে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সে প্রবাহ কিছুটা বেড়ে ২৩ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, চলতি অর্থবছরে এখন পর্যন্ত প্রতি মাসে গড়ে ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। বাকি সময়েও এ প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা গেলে রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড হবে।




সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি কমে ৯.৯২ শতাংশ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : দেশে গত সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৯২ শতাংশে। যা এর আগের মাসে আগস্টে ছিল ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

বুধবার (২ অক্টোবর) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়, বিবিএস’র আওতায় ন্যাশনাল একাউন্টিং উইং কর্তৃক প্রতিমাসে মাঠ পর্যায় হতে বিভিন্ন প্রকার দ্রব্য ও সেবার মূল্য সংগ্রহপূর্বক সংগৃহীত উপাত্তসমূহ বিশ্লেষণ করে ভোক্তা মূল্য সূচকসমূহ (জাতীয়, পল্লী, শহর) এবং মূল্যস্ফীতির হার প্রণয়ন করা হয়। সূচকসমূহ এবং মূল্যস্ফীতির হার সাধারণ, খাদ্য এবং খাদ্য বহির্ভূত এ তিন ভাগে আলাদাভাবে প্রস্তুতপূর্বক যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে প্রকাশ করা হয়। সে অনুযায়ী ভিত্তি সূচক ২০২১-২২= ১০০ অনুসারে ভোক্তা মূল্যসূচক ও মূলাস্ফীতির হার নিয়ে সারণিসহ উপস্থাপন করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে জাতীয় পর্যায়ে সাধারণ পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে শতকরা ৯ দশমিক ৯২ ভাগ যা আগস্ট মাসে ছিল শতকরা ১০ দশমিক ৪৯ ভাগ এবং ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ছিল শতকরা ৯




ফের বাড়ল এলপিজির দাম




সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স এসেছে ২৮৮৫৬ কোটি টাকা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: সেপ্টেম্বর মাসে বেড়েছে রেমিট্যান্স প্রবাহ। সদ্য বিদায়ী এ মাসে দেশে ২৪০ কোটি ৪৭ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বাংলাদেশি টাকায় (প্রতি ডলার ১২০ টাকা ধরে) যার পরিমাণ ২৮ হাজার ৮৫৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এই হিসেবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ৮ কোটি ২ লাখ ডলার।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছে ২৪০ কোটি ৪৭ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর আগস্টে দেশে এসেছিল ২২২ কোটি ১৩ লাখ ডলার।

সেপ্টেম্বরে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৬৩ কোটি ৮২ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। এছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ১০ কোটি ৯৯ লাখ ৮০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ১৬৫ কোটি ৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬২ লাখ ১০ হাজার ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ২৯ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ২৯ কোটি ১৬ লাখ ৮০ হাজার ডলার। সেপ্টেম্বরের ২২ থেকে ২৮ তারিখের মধ্যে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৪৭ কোটি ৮৮ লাখ ৯০ হাজার ডলার। ১৫ থেকে ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশে এসেছে ৪৬ কোটি ৭০ লাখ ৩০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স। ৮ থেকে ১৪ তারিখের মধ্যে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৫৮ কোটি ২৬ লাখ ৬০ হাজার ডলার। আর প্রথম সপ্তাহে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৫৮ কোটি ৪৫ লাখ ৪০ হাজার ডলার।

এর আগে, গত জুন মাসে ২৫৩ কোটি ৮৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসার পর চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে প্রবাসী আয় এসেছিল প্রায় ১৯১ কোটি মার্কিন ডলার, যা গত ১০ মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম আয় ছিল।




অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছে আইএমএফ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: সাম্প্রতিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ও দেশের বিভিন্ন স্থানে বড় ধরনের বন্যার কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে উঠতে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত নানা পদক্ষেপের প্রশংসা করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।

বাংলাদেশের জন্য আইএমএফ মিশন চিফ ক্রিস পাপেজর্জিউ বাসসকে বলেন, ‘চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতিতে প্রতিক্রিয়া হিসাবে ক্রমাগত আর্থিক কৃচ্ছ্রতা ও অপ্রধান মূলধন ব্যয়কে যুক্তিপূর্ণভাবে সমন্বয় শুরু করার জন্য কর্তৃপক্ষের প্রচেষ্টা প্রশংসনীয়।’

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক উন্নয়ন ও কর্তৃপক্ষের সংস্কার অগ্রাধিকার নিয়ে আলোচনা করতে পাপেজর্জিউ’র নেতৃত্বে আইএমএফ মিশন টিম ২৪-৩০ সেপ্টেম্বর ঢাকা সফর করে।
আইএমএফ মিশন চিফ বলেন, যথাসময়ে একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠন, অর্থনীতিকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসার পাশাপাশি রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে সহায়ক হয়েছে।

পাপেজর্জিউ আরো বলেন, তবু অর্থনৈতিক কর্মকা- কিছুটা মন্থর গতিতে চলছে। যদিও সাম্প্রতিক অস্থিতিশীলতা ও বন্যা সত্ত্বেও মুদ্রাস্ফীতি দুই অঙ্কের স্তরে রয়েছে। অর্থপ্রদানের ভারসাম্যের অবনতি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেছে। এটা বাণিজ্য ঋণের বহিঃপ্রবাহ প্রতিফলিত করে।
তবে অর্থনৈতিক ইস্যুতে সরকার যে পদক্ষেপ নিয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিগত সরকারের আর্থিক লক্ষ্যমাত্রা সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে পাপেজর্জিউ বলেন, বাজেটটি আশাবাদী কর রাজস্ব ও উচ্চাভিলাষী মূলধন ব্যয়ের অনুমানসহ একটি উচ্চাকাক্সক্ষী বাজেট হিসাবে বিবেচিত হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ঐতিহাসিকভাবে, দুর্বল রাজস্ব সংগ্রহের কারণে সরকারকে পুনরাবৃত্ত ব্যয় ও বড় বিনিয়োগ উভয়ই কমাতে হয়েছিল।

আইএমএফ মিশন চিফ বলেন, বাজেট ঘাটতি তাদের লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে রাখতে এটি (রাজস্ব সংগ্রহ) গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, ‘এ প্রেক্ষাপটে ক্রমাগত উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও বাহ্যিক চাপের পরিপ্রেক্ষিতে কার্যকর ক্ষমতা বিবেচনা করে এবং অ-অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্পগুলো কমিয়ে মূলধন ব্যয়কে যুক্তিযুক্ত করতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রচেষ্টাকে আমরা সমর্থন করছি।’
তিনি বলেন, উচ্চাভিলাষী রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষের লক্ষ্যকে আইএমএফ সমর্থন করে। এ লক্ষ্যগুলোকে অবশ্যই নিখুঁত রাজস্ব-উৎপাদনমূলক ব্যবস্থা দ্বারা সমর্থিত হতে হবে।
পাপেজর্জিও বলেছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের ট্যাক্স-টু-জিডিপি অনুপাতের সামান্য উন্নতি হয়েছে।
তিনি বলেন, টেকসই রাজস্ব সংগ্রহের জন্য একটি বহুমুখী পদ্ধতির প্রয়োজন। যার মধ্যে কর নীতি ও রাজস্ব প্রশাসন ব্যবস্থা উভয়ই রয়েছে।

তিনি বলেন, কর নীতিতে সংস্কারের মূল ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে বাণিজ্য থেকে করের বোঝা সরিয়ে আয়কর ও ভ্যাটের দিকে নিয়ে যাওয়ার কৌশলের অংশ হিসাবে ব্যাপক কর ছাড় কমানো, মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ব্যবস্থাকে সরল করা ও করের ভিত্তি প্রসারিত করা।

তিনি বলেন, কর প্রশাসনের উন্নয়নের জন্য অগ্রাধিকার সংস্কারের মধ্যে ট্যাক্স সংগ্রহের প্রক্রিয়াগুলির ডিজিটালাইজেশন ও আরও ভাল কর কমপ্লায়েন্স ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা অন্তর্ভুক্ত।




বিদেশি ঋণ সহায়তার প্রতিশ্রুতি কমেছে ৯৮ শতাংশ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে মাত্র ২ কোটি ২ লাখ মার্কিন ডলার বিদেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি পেয়েছে সরকার। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ১১৪ কোটি ৪৩ লাখ ডলার সহায়তার প্রতিশ্রুতি পাওয়া গিয়েছিল।

এ হিসাবে চলতি অর্থবছরের জুলাই ও আগস্ট মাসে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় বিদেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি কমেছে ৯৮.২৪ শতাংশ।

সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) বিদেশি সহায়তার সাময়িক প্রতিবেদন সূত্রে এ সব তথ্য জানা গেছে।

সহায়তার প্রতিশ্রুতির ধসের পাশাপাশি গত দুই মাসে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় বিদেশি সহায়তার ছাড়ও প্রায় ৪৮ শতাংশ কমেছে বলে জানিয়েছে ইআরডি।

তা ছাড়া এ সময়ে যে পরিমাণ সহায়তা ছাড় হয়েছে, পুরাতন ঋণ পরিশোধে এর চাইতে প্রায় ২৯ শতাংশ বেশি অর্থ ব্যয় হয়েছে বলেও প্রতিবেদিনটিতে উঠে এসেছে।

ইআরডি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত সরকারের সময় করা ঋণচুক্তির প্রস্তাবগুলো বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার নতুন করে পর্যালোচনা করছে। এ কারণে উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে ঋণচুক্তি সম্পন্ন হচ্ছে না।

তবে পর্যালোচনা শেষে প্রস্তাবিত ঋণের প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং তখন লক্ষ্য অনুযায়ী প্রতিশ্রুতি আদায় হবে বলে আশা করছেন কর্মকর্তারা।

কর্মকর্তারা আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)-সহ বহুপাক্ষিক এবং বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগীরা বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রকল্পে ঋণ ও বাজেট সহায়তার প্রাথমিক আশ্বাস দিয়েছে।

এদিকে, অন্তর্বর্তী সরকার অগ্রাধিকার-প্রকল্প চিহ্নিত করতে এবং অপ্রয়োজনীয় বিবেচিত প্রকল্পগুলো বন্ধ করার জন্য বিদেশি অর্থায়নে পরিচালিত সমস্ত চলমান, প্রস্তাবিত ও আলোচনার অধীনে থাকা প্রকল্পের পর্যালোচনা শুরু করেছে।

এর অংশ হিসেবে ইআরডি ইতোমধ্যে এক চিঠির মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলোকে প্রকল্পের যৌক্তিকতা, সম্ভাব্যতা এবং অগ্রগতির তথ্যসহ একটি অগ্রাধিকার তালিকা এ মাসের মধ্যে জমা দিতে বলেছে।

ইআরডি সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ থেকে বৈদেশিক ঋণের তালিকা জমা দেওয়া হচ্ছে। ইআরডি এসব তালিকা পর্যালোচনা করে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠাবে। এরপর অগ্রাধিকারভিত্তিতে পরিকল্পনা কমিশন প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং ইআরডি ঋণ প্রক্রিয়া শুরু করবে।

ইআরডির প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে কোন ঋণের প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়নি। তবে অনুদানের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে ২ কোটি ১ লাখ ৬০ হাজার ডলার। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের একই সময়ে অনুদান পাওয়া গিয়েছিল ৫ কোটি ৪৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার এবং ঋণ প্রতিশ্রুতি পাওয়া গিয়েছিল ১০৯ কোটি ডলার। ঋণ ও অনুদান মিলে প্রতিশ্রুতি পাওয়া গিয়েছিল ১১৪ কোটি ৪৩ লাখ ৬০ হাজার ডলার। অর্থাৎ অর্থবছরের ব্যবধানে কমেছে ৯৮.২ শতাংশ।

অন্য দিকে চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে অর্থছাড় হয়েছে ৪৫ কোটি ৮২ লাখ ৪০ হাজার ডলার। এরমধ্যে ঋণের অর্থ পাওয়া গেছে ৩৮ কোটি ৬৯ লাখ ১০ হাজার ডলার এবং অনুদান পাওয়া গেছে ৭ কোটি ১৩ লাখ ৩০ হাজার ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে পাওয়া গিয়েছিল ৭৩ কোটি ৯০ লাখ ৭০ হাজার ডলার। এরমধ্যে ঋণের অর্থ ছিল ৭২ কোটি ৭২ লাখ ৪০ হাজার ডলার এবং অনুদান ছিল ১ কোটি ১৮ লাখ ৩০ হাজার ডলার।

এ দিকে চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ঋণের সুদ ও আসল পরিশোধ করা হয়েছে ৫৮ কোটি ৯২ লাক ২০ হাজার ডলার। এরমধ্যে সুদ পরিশোধ করা হয়েছে ১৭ কোটি ৩৬ লাখ ডলার এবং আসল পরিশোধ করা হয়েছে ৪১ কোটি ৫৬ লাখ ২০ হাজার ডলার। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সুদ ও আসল পরিশোধ করা হয়েছিল ৪০ কোটি ৫ লাখ ডলার। এরমধ্যে সুদ ছিল ১৪ কোটি ৬৩ লাখ ৯০ হাজার ডলার এবং আসল ছিল ২৫ কোটি ৪১ লাখ ১০ হাজার ডলার।




ব্যাংকিং খাতে মন্দ ঋণ ৫ লাখ কোটি টাকা




২৮ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ২.১১ বিলিয়ন ডলার

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: চলতি সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ২৮ দিনে দেশে ২.১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। ১২০টাকা করে প্রতি ডলার হিসেবে বাংলাদেশি মুদ্রায় এই অর্থের পরিমাণ ২৫ হাজার ৩৫৭ কোটি টাকা।

রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, চলতি সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ২৮ দিনে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫৮ কোটি ৬৫ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৯ কোটি ২৬ লাখ মার্কিন ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৪২ কোটি ৮৭ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫৩ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।

তবে সরকারি বিডিবিএল, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, পু‌লি‌শের ক‌মিউ‌নি‌টি ব্যাংক, বিদেশি হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান ও স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার মাধ্যমে কোনো রেমিট্যান্স আ‌সে‌নি।

উল্লেখ্য, গত আগস্ট মাসে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ২২২ কোটি মার্কিন ডলার (২ দশমিক ২২ বিলিয়ন)। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ২৬ হাজার ৬৫৬ কোটি টাকা।