দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে নিম্ন ও মধ্যবিত্তের নাভিশ্বাস!

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: আবারও ডাবল সেঞ্চুরির ঘরে ব্রয়লার মুরগি। সপ্তাহের ব্যবধানে ১০-১৫ টাকা বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২১০ টাকা কেজিতে।

এদিকে, মৌসুমের শেষে এসে আগুন ঝরছে ইলিশের বাজারে। কমতির কোনও আভাস নেই চালের বাজারেও।

ভোক্তারা বলছেন, দেশের পটপরিবর্তন হলেও বাজারে মেলেনি তার কোনও প্রভাব। এ পরিস্থিতিতে নাভিশ্বাস অবস্থা নিম্ন ও মধ্যবিত্তের।

গত জুলাই ও আগস্টের শুরুর দিকে ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল ২০০ টাকার ঘরে। হাসিনা সরকারের পতনের পর শিক্ষার্থী ও সরকারি সংস্থার মনিটরিংয়ে আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে সেই দাম নামে ১৬০ টাকায়। দুমাস ওঠানামার পর আবারও ডাবল সেঞ্চুরির ঘরে ফিরলো পণ্যটি।

গত সপ্তাহেও এর দাম ছিল কেজি প্রতি ১৮৫-১৯০ টাকা। চলতি সপ্তাহের শুরু থেকে বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২১০ টাকা কেজিতে।

বিক্রেতারা বলছেন, মুরগির খাবারের দাম বাড়ায় ও সম্প্রতি বন্যায় খামার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন ব্যবস্থা; এতে বাড়ছে দাম।

এদিকে, রফতানির খবরের পর বাড়তির দিকে উঠতে থাকা ইলিশের দাম এখন আকাশচুম্বী। বড় আকারের দেড় কেজি ওজনের একেকটি মাছ বিক্রি হচ্ছে কেজিতে ২৬শ থেকে ২৭শ টাকা। এক কেজি ওজনেরটি বেচকেনা চলছে ১৮ থেকে ১৯শ টাকায়।

বিক্রেতারা বলছেন, মৌসুম শেষে মাছের সরবরাহ কমেছে; এতে দামও বেড়েছে। রফতানি যতদিন চলমান থাকবে, দাম তত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর ক্রেতারা বলছেন, দুধের স্বাদ ঘোলে মেটাতে হচ্ছে। বাড়তি দামের কারণে বড় মাছ কেনার সাধ্য নেই। তাই ছোট ইলিশ কিনতে হচ্ছে।

এদিকে, চালের বাজারও বাড়তির দিকে। সব থেকে বেশি বেড়েছে মোটা চালের দাম। বর্তমানে প্রতি কেজি মিনিকেট ৭১-৭২ টাকা, আটাশ ৫৭-৫৮ টাকা, নাজিরশাইল ৭৬-৮২ টাকা, পাইজাম ৫৬-৬০ টাকা, সুগন্ধী চিনিগুঁড়া পোলাও ১২০-১২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সরকারকে মনিটরিং ও ফিসক্যাল পলিসির পাশাপাশি নিত্যপণ্যের সরবরাহ পরিস্থিতিতে বিশেষ নজর দিতে হবে।

অর্থনীতিবিদ এম আবু ইউসুফ বলেন, নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে মনিটরিং চলমান রাখতে হবে। মনিটরিং, ফিসক্যাল পলিসি ও বাজারব্যবস্থাপনায় সরকারকে বিশেষ নজর দিতে হবে।

এদিকে, ৭ অক্টোবর নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজার ও সরবরাহপরিস্থিতি তদারকি এবং পর্যালোচনার জন্য জেলা পর্যায়ে ১০ সদস্যের বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।




বাজার তদারকি করতে জেলা পর্যায়ে ‘বিশেষ টাস্কফোর্স’ গঠন




দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বিশেষ টাস্কফোর্স

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রীর বাজার পরিস্থিতি ও সরবরাহ চেইন তদারক ও পর্যালোচনার জন্য জেলা পর্যায়ে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে।

সোমবার (৭ অক্টোবর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মেহেদী হাসানের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

এই বিশেষ টাস্কফোর্সের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক। আর সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক।

এতে সদস্য হিসেবে থাকবেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বা উপযুক্ত প্রতিনিধি, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বা উপযুক্ত প্রতিনিধি, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বা উপযুক্ত প্রতিনিধি, কৃষি বিপণন কর্মকর্তা বা সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তা, ক্যাবের প্রতিনিধি এবং ২ জন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এই টাস্কফোর্স নিয়মিত বিভিন্ন বাজার, বৃহৎ আড়ত/গোডাউন/ কোল্ড স্টোরেজ ও সাপ্লাই চেইনের অন্যান্য স্থানসমূহ সরেজমিনে পরিদর্শন করবে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য যৌক্তিক পর্যায়ে রাখার বিষয়টি তদারক করবে। এছাড়াও টাস্কফোর্স উৎপাদন, পাইকারি ও ভোক্তা পর্যায়ের মধ্যে যাতে দামের পার্থক্য ন্যূনতম থাকে তা নিশ্চিত করবে ও সংশ্লিষ্ট সকল স্টেকহোল্ডারদের সাথে মত বিনিময় সভা করবে।

টাস্কফোর্স প্রতিদিনের মনিটরিং শেষে একটি প্রতিবেদন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দ্রব্যমূল্য পর্যালোচনা ও পূর্বাভাস সেল এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষে পাঠাবেন। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বিভিন্ন জেলা থেকে পাওয়া প্রতিবেদন সংকলন ও পর্যালোচনা করে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে একটি প্রতিবেদন দেবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে টাস্কফোর্স প্রয়োজনে সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে।




শেয়ারবাজার সংস্কারে টাস্কফোর্স গঠন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: শেয়ারবাজারের টেকসই উন্নয়ন সংস্কারের মূল ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করতে পাঁচ সদস্যের টাস্কফোর্স গঠন করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

সোমবার (৭ অক্টোবর) বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের সই করা চিঠিতে এ তথ্য জানা গেছে।

টাস্কফোর্সের সদস্যরা হলেন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এ এম মাজেদুর রহমান, নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান হুদা ভাসি চৌধুরী অ্যান্ড কোং-এর জ্যেষ্ঠ অংশীদার এ এফ এম নেসার উদ্দীন, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর সিএসই বিভাগের অধ্যাপক মো. মোস্তফা আকবর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আল আমিন।

বিএসইসি জানায়, দেশের পুঁজিবাজারের সার্বিক উন্নয়ন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি, পুঁজিবাজারের আন্তর্জাতিক মানের সুপারিশ অর্জনের লক্ষ্যে বাজার সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ, পুঁজিবাজারের অংশীজনদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সংগঠন (ডিবিএ, বিএমবিএ, এসিআরএবি, বিএপিএলসি), অর্থনীতিবিদ, পেশাদার (চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট, কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টেন্ট, চার্টার্ড সেক্রেটারি প্রভৃতি) বিনিয়োগকারী ইত্যাদি ব্যক্তিবর্গের সুচিন্তিত মতামত ও সুপারিশের ভিত্তিতে ‘পুঁজিবাজার সংস্কার টাস্কফোর্স’ গঠন করা হয়েছে। এই টাস্কফোর্সের মাধ্যমে বাজারের প্রধান প্রধান দিকগুলো বিশ্লেষণ, প্রয়োজনীয় সংস্কার, পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নের জন্য সুপারিশ প্রণয়ন করা হবে।

চিঠিতে বলা হয়, দক্ষ পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ ও বিশ্লেষক, অর্থনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ, নিরীক্ষক, প্রযুক্তিবিদ ইত্যাদি সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের কাজের অভিজ্ঞ সদস্যদের সমন্বয়ে টাস্কফোর্স গঠন করা হল। পরবর্তীতে কমিশন টাস্কফোর্সের আকার ও পরিধি চাহিদা অনুযায়ী পরিবর্তন করতে পারবে। টাস্কফোর্সের অধীনে গঠিত ফোকাস গ্রুপে পুঁজিবাজারের বিশেষজ্ঞ এবং পরামর্শক, নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধিরা, বাজার মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানের দক্ষ পেশাজীবী, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, বিশ্লেষক এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারসহ অন্য ব্যক্তিরা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।

বিএসইসি গঠিত পুঁজিবাজার সংস্কার টাস্কফোর্সের কার্যপরিধি নির্ধারণ ১৮টি। তবে টাস্কফোর্সকে তাদের সুপারিশ প্রণয়নের জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়নি। যৌক্তিক সময়ে টাস্কফোর্স তাদের সুপারিশ বিএসইসিতে জমা দেবে বলে আশা প্রকাশ করেছে বিএসইসি।




বসুন্ধরার আকবর সোবহান ও তার পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব জব্দ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: দেশের অন্যতম শীর্ষ শিল্প গ্রুপ বসুন্ধরা’র কর্ণধার আহমেদ আকবর সোবহান ও তার পরিবারের সাত সদস্যদের ব্যাংক হিসাব এক মাসের জন্য স্থগিতের নির্দেশ বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।

রবিবার (৬ অক্টোবর) দেশের ব্যাংকগুলোয় বসুন্ধরা গ্রুপের আট পরিচালকের ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবের লেনদেন স্থগিত রাখার নির্দেশনার চিঠি পৌঁছায়।

ব্যাংক হিসাব স্থগিত রাখার তালিকায় থাকা অন্য সদস্যরা হলেন, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের ছেলে সাদাত সোবহান, সাফিয়াত সোবহান, সায়েম সোবহান আনভীর ও সাফওয়ান সোবহান এবং তিন পুত্রবধূ সোনিয়া ফেরদৌসী সোবহান, সাবরিনা সোবহান ও ইয়াশা সোবহান।

চিঠিতে ব্যাংকগুলোকে বলা হয়েছে, এই আট জনের নামে একক মালিকানাধীন কোনও প্রতিষ্ঠান থাকলে তার ব্যাংক হিসাবও এক মাসের জন্য স্থগিত রাখতে হবে। এসব ব্যক্তি ও তাদের প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংকে থাকা হিসাবে যত ধরনের লেনদেন হয়েছে তার তথ্যও চেয়েছে বিএফআইইউ।

এছাড়া বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালকদের ও তাদের প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ থাকলে তার হিসাব নম্বর, ঋণের বর্তমান স্থিতি, খেলাপি থাকলে তারও তথ্য পাঠাতে নির্দেশ দিয়েছে বিএফআইইউ। পাশাপাশি আমদানি বা রফতানি সংক্রান্ত তথ্য বিশেষ করে আমদানি বা রপ্তানির বিলের বিস্তারিত তথ্য, লকার সংক্রান্ত তথ্য চিঠি পাওয়ার দুই কর্মদিবসের মধ্যে বিএফআইইউতে পাঠাতে বলা হয়েছে।




বাংলাদেশে খাদ্যনিরাপত্তায় সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: বাংলাদেশে খাদ্যনিরাপত্তায় সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি আর্লিংটন ও ভার্জিনিয়া। এই অনুদান তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত হিমাগারের সরবরাহ ব্যবস্থার নেটওয়ার্ক স্থাপনে সহায়তা করবে।

বাংলাদেশে প্রস্তুত খাদ্য এবং কোল্ড চেইন সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বন্টন ফুডস লিমিটেডকে সম্ভাব্যতা সমীক্ষার জন্য অনুদানের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি (ইউএসটিডিএ)।

সমীক্ষার লক্ষ্য হলো দুগ্ধজাত পণ্য, মাংস ও অন্যান্য খাদ্যপণ্যের খরচ এবং ক্ষতি কমানো; যা দেশের খাদ্যনিরাপত্তা বৃদ্ধি করবে। বন্টন ফুডস মিনেসোটাভিত্তিক ল্যান্ড ও লেকস ভেঞ্চার ৩৭-কে এই সমীক্ষা পরিচালনার জন্য নির্বাচন করেছে।

ইউএসটিডিএর পরিচালক এনোহ টি ইবং বলেছেন, বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তার লক্ষ্যে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগের সুবিধা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এনোহ টি ইবং আরও বলেন, ‘বন্টন ফুডসের সঙ্গে আমাদের অংশীদারি জনগণের চাহিদা পূরণ করে এমন উদ্ভাবনী প্রযুক্তি তৈরিতে সহায়তা করবে। তাজা খাদ্যের প্রাপ্যতা বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি যে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে, আমরা তা দেখাতে পারব বলে আশাবাদী।’

বন্টন ফুডসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামীম আহমেদ বলেন, শুধু ঢাকাতেই ২ কোটি মানুষ। বাড়তে থাকা উচ্চ ও মধ্যবিত্ত শ্রেণি এবং ভোক্তাদের বদলে যাওয়া ধরন কোল্ড চেইন শিল্পের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ইঙ্গিত দেয়।

শামীম আহমেদ আরও বলেন, ‘ছোট ও মাঝারি কৃষি ব্যবসা, আন্তর্জাতিক খাদ্য আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকদের জন্য তৃতীয় পক্ষের লজিস্টিক সেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে আমাদের অবস্থানকে কাজে লাগাতে আগ্রহী।’

ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হেলেন লাফেভ বলেন, বাংলাদেশে যথাযথ তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত সরবরাহ ব্যবস্থার অভাবে ফসল কাটার পর ক্ষতি হয়; যা খাদ্যনিরাপত্তায় প্রভাব ফেলে এবং কৃষি ও ভোক্তাপণ্যের বাণিজ্যকে সীমিত করে। কোল্ড চেইন অবকাঠামো বাংলাদেশের কৃষি উৎপাদনকারীদের তাদের কৃষিপণ্যের নিরাপত্তা ও মান নিশ্চিত করে রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনার সুযোগ দেবে।

হেলেন লাফেভ আরও বলেন, এই সম্ভাব্যতা সমীক্ষা কোল্ড চেইনে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ বৃদ্ধির সুযোগ চিহ্নিত করবে; যা বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধমান মধ্যবিত্ত শ্রেণির ভোক্তা চাহিদা পূরণে যুক্তরাষ্ট্রের হিমায়িত পণ্যের জন্য একটি স্থিতিশীল সরবরাহ ব্যবস্থার নেটওয়ার্ক তৈরি করবে।

ইউএসটিডিএর এই সমীক্ষা বাইডেন-হ্যারিস প্রশাসনের অগ্রাধিকার, যেমন ফিড দ্য ফিউচার উদ্যোগের লক্ষ্যগুলোকে এগিয়ে নিতে সহায়ক।

ইউএসটিডিএ উদীয়মান অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত প্রকল্পে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য ও পরিষেবা রপ্তানির মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়তা করে। ইউএসটিডিএ প্রকল্প প্রস্তুতি ও অংশীদারত্ব গঠন কার্যক্রমে অর্থায়নের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসাকে রপ্তানি সুযোগের সঙ্গে সংযুক্ত করে; যা টেকসই অবকাঠামো এবং অংশীদার দেশগুলোতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এনে দেয়।




রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও বাড়ল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর থেকেই রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়তে শুরু করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় অক্টোবর মাসের প্রথম ৫ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৪২ কোটি ৫০ লাখ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ৫ হাজার ৯৬ কোটি টাকা। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ৮ কোটি ৫ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

রোববার (৬ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

জানা গেছে, অক্টোবর মাসের প্রথম ৫ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৪২ কোটি ৫০ লাখ ডলার। এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১০ কোটি ৮০ লাখ ২০ হাজার ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ১ কোটি ৫০ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩০ কোটি ২ লাখ ডলার ও বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৪ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

এর আগে, গত জুন মাসে ২৫৩ কোটি ৮৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসার পর চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে প্রবাসী আয় এসেছিল প্রায় ১৯১ কোটি মার্কিন ডলার, যা গত ১০ মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম আয় ছিল।

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের মাস আগস্টে ২২২ কোটি ১৩ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। আর সেপ্টেম্বরে পাঠান ২৪০ কোটি ৪৭ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশীয় মুদ্রায় ২৮ হাজার ৮৫৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা।

ব্যাংকাররা বলেন, নতুন সরকারের শুরু থেকে প্রবাসীরা হুন্ডিতে রেমিট্যান্স পাঠানো কমিয়ে দিয়েছেন। এখন তারা লাইনে দাঁড়িয়ে হলেও ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন। যার কারণে দেশে প্রবাসী আয় ব্যাপক পরিমাণে বাড়ছে।




প্রবাসী আয়ে সুবাতাস, ৫ দিনে এলো ৪২ কোটি ডলার

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: দেশের অস্থিরতা কাটিয়ে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ে বইছে সুবাতাস। চলতি মাসের প্রথম পাঁচ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ৪২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২০ টাকা ধরে) ৫ হাজার ৯৯ কোটি ৬১ লক্ষ। এই অর্থ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বেশি। এ হিসেবে দৈনিক গড়ে রেমিট্যান্স এসেছে ৮ কোটি ৪৯ লাখ ৪৪ হাজার ডলার।

রোববার (৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১০ কোটি ৮০ লাখ ২০ হাজার ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ১ কোটি ৫০ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩০ কোটি ২ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৪ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।

এর আগে গত মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৪০ কোটি ৪৭ লাখ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি টাকায় (প্রতি ডলার ১২০ টাকা ধরে) যার পরিমাণ ২৮ হাজার ৮৫৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা।

 




মূলধন ঘাটতির সাথে বাড়ছে ব্যাংকের ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদও

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: প্রভিশন সংরক্ষণসহ বিভিন্ন ছাড়ের পরও ব্যাংকে বাড়ছে খেলাপি ঋণ। আর এর প্রভাবে মূলধন ঘাটতিও বাড়ছে। একই সঙ্গে বাড়ছে ব্যাংকের ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদ। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ এক প্রতিবেদনে এমন চিত্র উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত জুন শেষে মূলধন ঘাটতিতে পড়েছে ১৩ ব্যাংক। এ তালিকায় সরকারি মালিকানার ৬, বেসরকারি ৬ এবং বিদেশি ব্যাংক রয়েছে ১ টি। ৩ মাস আগে রাষ্ট্রীয় মালিকানার সোনালীসহ ১৫টি ব্যাংকের ঘাটতি ছিল ৩৩ হাজার ৭৪৩ কোটি টাকা।

সাধারণত ব্যাংকঋণের শ্রেণিমান বিবেচনায় প্রতিটি ব্যাংকের নিরাপত্তা সঞ্চিতি বা প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হয়। ব্যাংকের খারাপ ঋণ যত বাড়ে, প্রভিশন সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা তত বেড়ে যায়। আর প্রভিশন রাখতে না পারলে স্বাভাবিকভাবে মূলধন ঘাটতি বাড়ে। আবার খেলাপি ঋণের বিপরীতে কোনো ব্যাংক আয় দেখাতে পারে না। ফলে খেলাপি না কমলে মূলধন ঘাটতি থেকে বের হতে পারে না ব্যাংক।

ব্যাংকাররা বলছেন, উচ্চ খেলাপি ঋণ এবং নামমাত্র ডাউন পেমেন্ট দিয়ে ঋণ পুনঃতপশিলের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ বেড়েছে। আগামীতে এই সংখ্যা আরও প্রকট হবে বলেও আশঙ্কা করে তারা বলেন, এতে সক্ষমতা হারাবে ব্যাংকগুলো। আর মূলধন ঘাটতির সঙ্গে বাড়বে আমানতের ঝুঁকি। অনিয়মের কারণে আলোচিত ব্যাংকই ঘুরেফিরে মূলধন ঘাটতিতে রয়েছে। এসব ব্যাংক উচ্চমাত্রার খেলাপি ঋণের কারণে প্রয়োজনীয় মুনাফা করতে পারছে না বলে জানান তারা। আবার উদ্যোক্তারাও নতুন করে মূলধন জোগান দিচ্ছেন না। অবস্থার উন্নয়নে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আলোকে বিভিন্ন সময়ে ব্যাংকগুলো মূলধন ঘাটতি পূরণে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা জমা দিলেও তা বাস্তবায়ন করতে পারছে না। ওই সময় মূলধন ঘাটতিতে থাকা সব ব্যাংকেই পর্যবেক্ষক ও সমন্বয়ক নিয়োগ করা হয়েছিল। আইএমএফের ৪৭০ কোটি ডলার ঋণের শর্তের আলোকে নতুন করে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হলেও দৃশ্যমান কোনো উন্নতি হয়নি।

অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) সাবেক চেয়ারম্যান ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এ বিষয় সাংবাদিকদের বলেন, ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ক্রমাগত বাড়ছে। আগামীতে আরও বাড়বে। এ কারণেই মূলধন ঘাটতি বাড়ছে। আগামীতে মূলধন ঘাটতিতে থাকা ব্যাংকের সংখ্যা আরও বাড়বে। বর্তমানে আমাদের খেলাপি ঋণ ২ লাখ কোটি টাকার কিছু বেশি হলেও এস আলমসহ কিছু ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর ঋণ এনপিএলে পরিণত হলে সেটি অফিসিয়ালি ৩ লাখ থেকে সাড়ে ৩ লাখ কোটি টাকা হয়ে যেতে পারে। ফলে খেলাপি ঋণ আরও বাড়বে।

প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঘুরে ফিরে কয়েকটি ব্যাংকই মূলধন ঘাটতিতে আটকে আছে। সার্বিক ব্যাংক খাতে এর প্রভাব সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দেখা যাবে এসব ব্যাংকেই খেলাপি ঋণ সবচেয়ে বেশি। তবে আগামীতে আরও কয়েকটি ব্যাংক এই তালিকায় যুক্ত হবে। মূলত নামে-বেনামে যেসব ব্যাংক থেকে প্রচুর ঋণ বের করে নেওয়া হয়েছে, তালিকায় সেগুলোই যুক্ত হবে। ফলে ব্যাংক খাতে মানুষের আস্থাহীনতা আরও বাড়বে।

তিনি আরও বলেন, এ সমস্যা নিয়ন্ত্রণে সব খাতে শক্তিশালী নেতৃত্ব দরকার। একই সঙ্গে আমাদের নিয়ন্ত্রক ও আইনি ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে হবে। ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের নিয়ে ভারতে একটা মাস্টার সার্কুলার হয়েছিল; আমাদের সেটি অনুসরণ করা উচিত। রেগুলেটরি অনেক নিয়মের সংশোধন নিয়ে আসাও দরকার।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মূলধন ঘাটতিতে থাকা ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা, অগ্রণী, রূপালী, বেসিক, বাংলাদেশ কৃষি ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক। বেসরকারি ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, আইসিবি ইসলামিক, ন্যাশনাল, পদ্মা ও সিটিজেন ব্যাংক। আর বিদেশি ব্যাংকের তালিকায় রয়েছে হাবিব ব্যাংক। এসব ব্যাংক ন্যূনতম প্রয়োজনীয় মূলধন সংরক্ষণে ব্যর্থ হয়েছে। শুধু তাই নয়, ১৭ ব্যাংক ন্যূনতম ক্যাপিটাল কনজারভেশন বাফার (সিসিবি) সংরক্ষণ করতে পারেনি। এগুলোর মধ্যে রয়েছে সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী, বেসিক, বিকেবি, রাকাব, বিসিবিএল, আইসিবি ইসলামিক, ইসলামী ব্যাংক, আইএফআইসি, ন্যাশনাল ও পদ্মা। জুন শেষে এসব ব্যাংকের সিসিবি দাঁড়িয়েছে শূন্য দশমিক ৬৮ শতাংশ। একই সময়ে ব্যাংক খাতে সমন্বিত রেশিও দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ১৮ শতাংশ। তবে ১১ ব্যাংক ন্যূনতম লেভারেজ রেশিও ৩ দশমিক ৫০ শতাংশ রাখতে ব্যর্থ হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, তপশিলি ব্যাংকগুলোর কার্যক্রম চালাতে ন্যূনতম রক্ষিতব্য মূলধন (এমসিআর) ও সিসিবি থাকতে হবে তাদের মোট ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ১০ শতাংশ ও আড়াই শতাংশ হারে। সেইসঙ্গে মূলধন ও দায়ের মধ্যে যথাযথ ভারসাম্য রক্ষায় ব্যাসেল-৩ কাঠামোর আলোকে ঝুঁকিভিত্তিক মূলধন পর্যাপ্ততার পাশাপাশি ব্যাংকগুলোকে ২০১৫ সাল থেকে ন্যূনতম ৩ শতাংশ লিভারেজ অনুপাত (এলআর) সংরক্ষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়, যা ২০২৩ সাল থেকে বার্ষিক দশমিক ২৫ শতাংশ হারে ক্রমান্বয়ে বাড়িয়ে ২০২৬ সালে ৪ শতাংশে উন্নীত করার নির্দেশনা রয়েছে। সে অনুযায়ী ২০২৪ সালের জন্য তপশিলি ব্যাংকগুলোকে লিভারেজ অনুপাত ন্যূনতম সাড়ে ৩ শতাংশ হারে সংরক্ষণের নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

প্রতিবেদনে ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদ বৃদ্ধির কথা বলা হলেও সেই তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

তবে আরেক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২৩ সাল শেষে ব্যাংক খাতে ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ ছিল ৪ দশমিক ৮৭ লাখ কোটি টাকার, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৩ দশমিক ৭৮ লাখ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরে ১ দশমিক ৯ লাখ কোটি টাকার ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ বেড়েছে।




শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ছাড়া আসছে নতুন ব্যাংক নোট

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ছাড়াই বাজারে আসছে ব্যাংক নোট। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সমস্ত মূল্যমানের ব্যাংক নোটের জন্য নতুন ডিজাইনের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

এরই অংশ হিসেবে নতুন নোটের জন্য নির্দিষ্ট নকশার প্রস্তাব পাঠাতে বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। গত ২৯ সেপ্টেম্বর অর্থ বিভাগের ট্রেজারি ও ঋণ ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের উপ-সচিব এলিশ শরমিন এর সই করা চিঠিটি পাঠানো হয়।

চিঠিতে নতুন মুদ্রার নকশা প্রবর্তনের তত্ত্বাবধানকারী বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রা ও ডিজাইন অ্যাডভাইজরি কমিটির সুপারিশ চাওয়া হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, নতুন ডিজাইন ও বৈশিষ্ট্যের নোট প্রচলনে কী ধরনের ডিজাইন করা সমীচীন হবে তা নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রা ও ডিজাইন অ্যাডভাইজরি কমিটির সুপারিশ গ্রহণ করে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দ্রুততম সময়ের মধ্যে অর্থ বিভাগে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তারা বলছেন, বাংলাদেশের সব ধরনের নোট থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি মুছে ফেলার সম্ভাবনা রয়েছে।