এবারও ৩৫তম অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: বিশ্ব অর্থনীতির কঠিন চ্যালেঞ্জের মধ্যেও বাংলাদেশ মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকার অনেকটা ধরে রেখেছে। চলতি বছরও বিশ্বের ৩৫তম অর্থনীতির দেশ হিসেবে তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ। এ নিয়ে টানা তিন বছর ধরে একই অবস্থানে রয়েছে দেশটি।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাম্প্রতিক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

আইএমএফের প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশে এ বছর বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হার ৫ দশমিক ৭ শতাংশ, যা আগের বছর ছিল ৬.০ শতাংশ।। মোট জিডিপি ৪৫৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৬৪৬ মার্কিন ডলার।

এ তালিকার প্রথম পাঁচটি দেশের মধ্যে তিনটিই এশিয়ার। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে চীন। তাদের বার্ষিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৪ দশমিক ৬ শতাংশ। চতুর্থ স্থানে রয়েছে জাপান। দেশটির প্রবৃদ্ধির হার দশমিক ৯ শতাংশ। মোট জিডিপি ৪ দশমিক ১১ ট্রিলিয়ন ডলার। মাথাপিছু আয় ৩৩ হাজার ডলার।

তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে ভারত। দেশটির বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হার ৬ দশমিক ৮ শতাংশ। মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৭৩১ মার্কিন ডলার।

এ তালিকায় বলা হয়, বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ আমেরিকা। এ বছর দেশটির জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ২.৭ শতাংশ। আর জিডিপি ২৮.৭৮ ট্রিলিয়ন ডলার।

প্রথম পাঁচের তালিকায় থাকা ইউরোপের একমাত্র দেশ জার্মানি। চলতি বছর জার্মানির বার্ষিক জিডিপির প্রবৃদ্ধি হার ০.২ শতাংশ। তাদের জিডিপি ৪.৫৯ ট্রিলিয়ন ডলারের। মাথাপিছু আয় ৫৪ হাজার ডলার।

একটি দেশের অর্থনীতি কতটা শক্তিশালী পরিমাপ করার উপায় হলো জিডিপি।

সূত্র : আইএমএফ




দেশে বাড়ছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: গত দুই মাসে প্রবাসীরা আগের চেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পাঠানোয় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ বাড়ছে। তবে নেট ইন্টারন্যাশনাল রিজার্ভ (এনআইআর) এখনও ১৫ বিলিয়ন ডলারের নিচেই রয়েছে।

২০২১ সালের আগস্টে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলার (৪৮ বিলিয়ন) ছিল। তবে বর্তমানে এই সঞ্চয় কমে এলেও সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী রিজার্ভ সামান্য বেড়েছে। চলতি বছরের অক্টোবর মাসের ৮ তারিখ পর্যন্ত গ্রস (মোট) রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২৪ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন ডলার। আইএমএফ-এর হিসাব অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ ১৯ দশমিক ৮২ বিলিয়ন ডলার, যা ২ অক্টোবরের তুলনায় সামান্য বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের আরেকটি নেট ইন্টারন্যাশনাল রিজার্ভ (এনআইআর) হিসাব আছে, যা শুধু আইএমএফের কাছে প্রকাশ করা হয়। ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই ব্যয়যোগ্য রিজার্ভ ছিল ১৪ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলার, যা দিয়ে তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব নয়। তিন মাসের আমদানি খরচের সমান রিজার্ভ থাকা অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।




বাড়ছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ




চলতি অর্থবছরে ৪ শতাংশে নামবে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি: বিশ্বব্যাংক

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে ৪ শতাংশে নামবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) সংস্থাটির সদ্য প্রকাশিত ‘সাউথ এশিয়া ডেভেলপমেন্ট আপডেট’ থেকে জানা গেছে এ তথ্য।
এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি শ্লথ হয়ে ৩ দশমিক ২ শতাংশ থেকে ৫ দশমিক ২ শতাংশের মধ্যে থাকবে। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, মধ্যবর্তী এ পয়েন্ট হবে ৪ শতাংশ।

‘সাউথ এশিয়া ডেভেলপমেন্ট আপডেট’ প্রকাশ উপলক্ষে বুধবার (৯ অক্টোবর) পাকিস্তানের ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বিশ্বব্যাংক। সেখানে এক প্রশ্নের জবাবে সংস্থাটির দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের প্রধান অর্থনীতিবিদ ফ্র্যানজিসকা ওহসর্জ বলেন, মূলত নীতি অনিশ্চয়তা এবং সাম্প্রতিক বন্যার কারণে তারা বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাসে নিম্নমুখী সংশোধন এনেছেন।

এর আগে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এপ্রিলে দেওয়া পূর্বাভাসে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশে ৫ দশমিক ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে বলে জানিয়েছিল সংস্থাটি। আর নিজেদের ঘোষিত বাজেটে চলতি অর্থবছরে ৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল শেখ হাসিনা সরকার।

সবশেষ প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংক বলেছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোয় নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান না থাকা এবং রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আভাসকে ঘিরে যে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে, তাদের পূর্বাভাস তাকেই প্রতিফলিত করছে। স্বল্প মেয়াদে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বিনিয়োগ ও শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধি বাড়বে না। অন্যদিকে বন্যার কারণে কৃষি উৎপাদন কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

তবে, সার্বিকভাবে এই সময়ে দক্ষিণ এশিয়ায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়বে বলে মনে করে বিশ্বব্যাংক।
প্রতিষ্ঠানটি বলছে, চলতি বছরে এই অঞ্চলে প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ৪ শতাংশ, যা তাদের আগে করা পূর্বাভাসের চেয়েও বেশি। এর ফলে অর্থনীতির দিক থেকে এই অঞ্চল বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনৈতিক অঞ্চলে পরিণত হওয়ার ধারা বজায় রাখবে।

বিশ্বব্যাংকের অভিমত, নারীদের যদি আরও বেশি সংখ্যায় কর্মক্ষেত্রে নিয়ে আসা যায় এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আরও উদারীকরণ করা হয়, তাহলে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি জোরদার হবে। এর মাধ্যমে এই অঞ্চলের দেশগুলো তাদের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারবে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী কমে গেলে তা হবে কোভিড মহামারির পর সবচেয়ে কম প্রবৃদ্ধি। ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল দেশে।

অবশ্য, দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে বিশ্বব্যাংক। আর্থিক খাতের সংস্কার, উন্নত ব্যবসায়িক পরিবেশ, দেশীয় সম্পদের আরও বেশি ব্যবহার এবং বর্ধিত বাণিজ্য বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি ধীরগতির পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে বলে মনে করছে সংস্থাটি।




ভারতে ট্রাভেল ডকুমেন্ট ‘পেয়েছেন’ শেখ হাসিনা

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল ডকুমেন্ট দিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ রেহানা পরিবারের ঘনিষ্ঠ, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের একজন প্রভাবশালী নেতা বুধবার (৯ অক্টোবর) বাংলা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে পরিচয় প্রকাশ পেলে দলীয়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন, এই আশঙ্কা থেকে নাম প্রকাশ করতে চাননি তিনি। এদিকে দিল্লিতে অবস্থানরত শেখ হাসিনাকে ভারত ‘ট্রাভেল ডকুমেন্ট’ ইস্যু করেছে কিনা, আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত সরকার এখনও সেই প্রশ্নের কোনও জবাব দেয়নি। বিষয়টি নিয়ে বাংলা ট্রিবিউনের পক্ষ থেকে দিল্লিতে একাধিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, তারা কেউ যেমন খবরটি ‘কনফার্ম’ করেননি, তেমনই ‘ডিনাই’ও করেননি।

যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের ওই নেতা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘নেত্রীকে (শেখ হাসিনা) ভারত সরকারের পক্ষ থেকে যে ট্রাভেল ডকুমেন্ট দেওয়া হয়েছে, সেই ট্রাভেল ডকুমেন্ট নিয়ে বিশ্বের যেকোনও দেশের ভিসা নিয়ে ভ্রমণও করতে পারবেন তিনি।’

‘ভারতেই শেখ হাসিনাকে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে। তার বোন শেখ রেহানাও সেখানে অবস্থান করছেন’, বলেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের ওই নেতা।

অবশ্য ট্রাভেল ডকুমেন্ট পেলেও আপাতত শেখ হাসিনা ভারতেই থাকবেন বলেও জানান তিনি। বলেন, ‘শিগগিরই ভারতের বাইরে ভ্রমণে যাওয়ার কোনও পরিকল্পনা নেই তার।’

সাধারণত কোনও দেশে আশ্রয়প্রার্থীদের সেই দেশের ট্রাভেল ডকুমেন্ট দেওয়া হয়। তাহলে কি শেখ হাসিনা ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়েছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে ওই নেতা জানান, শেখ হাসিনার গুরুত্ব বিবেচনায় তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করেছে ভারত।

ভারতের পররাষ্ট্র দফতরের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘আমাদের মন্ত্রণালয়ের পরবর্তী ব্রিফিংয়ের জন্য বরং অপেক্ষা করুন। সেখানে প্রশ্ন করে দেখুন, মুখপাত্র কী বলেন!’

তবে এটা স্পষ্ট যে ভারত সরকার এই ট্রাভেল ডকুমেন্ট দেওয়ার বিষয়টি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে যেমন স্বীকার করেনি, আবার অস্বীকারও




ব্যাংক বন্ধ আজ




চিনির আমদানি শুল্ক কমাল এনবিআর

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: চিনির বাজারদর সহনীয় ও স্থিতিশীল রাখতে অপরিশোধিত ও পরিশোধিত চিনির ওপর বিদ্যমান রেগুলেটরি ডিউটি ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ নির্ধারণ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

বুধবার (৯ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সৈয়দ এ মু’মেন এ তথ্য জানিয়েছেন।

এতে বলা হয়, বৈশ্বিক যুদ্ধ এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার ফলে বাংলাদেশি মুদ্রার ব্যাপক অবমূল্যায়ন, সাম্প্রতিক ছাত্র জনতার অভ্যুত্থান এবং বন্যা পরিস্থিতির কারণে শিশু খাদ্যসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেড়েছে। এতে বিভিন্ন পণ্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে কর ছাড়ের মাধ্যমে চিনির বাজার দর সহনীয় ও স্থিতিশীল রাখার উদ্যোগ নিয়েছে।

আরও বলা হয়, রেগুলেটরি ডিউটি ১৫ শতাংশ কমানোর মাধ্যমে আমদানি পর্যায়ে প্রতি কেজি অপরিশোধিত চিনির ওপর শুল্ক কর ১১.১৮ টাকা এবং পরিশোধিত চিনির ওপর শুল্ক কর ১৪ দশমিক ২৬ টাকা কমানো হয়েছে। এতে কেজি প্রতি চিনির দাম কমপক্ষে শুল্ক হ্রাসের সমপরিমাণ কমে আসবে।

এছাড়া শুল্ক-কর কমানোর ফলে অবৈধ পথে চিনির চোরাচালান নিরুৎসাহিত হবে এবং বৈধ উপায়ে আমদানি বাড়বে বলেও জানায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আমদানি বাড়লে শুল্ক-কর আদায়ের পরিমাণও বাড়বে।




পুঁজিবাজার টাস্কফোর্সে খুশি, চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবিতে অটল বিনিয়োগকারীরা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: পুঁজিবাজারে টানা দরপতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ বজায় রেখেছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) টাস্কফোর্স গঠনের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানালেও কমিশন চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবিতে অটল রয়েছেন তারা।

বুধবার (৯ অক্টোবর) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ভবনের সামনে বিক্ষোভ করে এ দাবি জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

গত সপ্তাহ থেকে টানা দরপতনের প্রতিবাদে আন্দোলন করছেন পুঁজিবাজারের সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। সোমবার (৮ অক্টোবর) সূচকের উত্থান দিয়ে লেনদেন শুরু হলেও বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ, মানা হয়নি তাদের গুরুত্বপূর্ণ কোনো দাবি। উল্টো তাদের নামে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে অভিযোগ করেছে বিএসইসি।

তারা জানান, জেড ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পর্ষদকে আইনের আওতায় আনতে হবে। বাজারের উন্নয়নে পাশের দেশের পুঁজিবাজার থেকেও শিক্ষা নেয়া যেতে পারে।

টাস্কফোর্সের মাধ্যমে দৃশ্যমান প্রত্যাশার কথাও জানান বিনিয়োগকারীরা। এছাড়া জরিমানা করা কোম্পানির টাকা বাজার লগ্নির দাবি তাদের।

খেয়ালখুশিমতো সিদ্ধান্ত নয়, কাঠামোগত সংস্কারের দাবি পুঁজিবাজারের সাধারণ অর্থলগ্নিকারীদের।
তারা জানান, বাজারের উন্নয়নের স্বার্থে বিএসইসি চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের পদত্যাগ করতে হবে।




বৃহস্পতিবার ব্যাংক বন্ধ




সাড়ে ৪ কোটি ডিম আমদানির অনুমতি

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: অস্থির ডিমের বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। সাময়িকভাবে সাতটি প্রতিষ্ঠানকে ৪ কোটি ৫০ লাখ পিস ডিম আমদানির অনুমতি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করা হয়েছে।

আদেশে বলা হয়েছে, প্রতিদিন দেশে ডিমের চাহিদা ৫ কোটি পিস। সীমিত সময়ের জন্য দেশের সাতটি প্রতিষ্ঠানকে ডিম আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

৭টি প্রতিষ্ঠান হলো, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ির মিম এন্টারপ্রাইজ ১ কোটি পিস, যশোরের তাওসিন ট্রেডার্স ১ কোটি পিস, সাতক্ষীরার সুমন ট্রেডার্স ২০ লাখ পিস, রংপুরের আলিফ ট্রেডার্স ৩০ লাখ পিস, ঢাকার মতিঝিলের হিমালয় ১ কোটি পিস, শান্তিনগরের প্রাইম কেয়ার বাংলাদেশ ৫০ লাখ পিস ও তেজগাঁওয়ের জামান ট্রেডার্স ৫০ লাখ ডিম আমদানি করতে পারবে।

ডিম আমদানির জন্য বেশকিছু শর্তও দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এগুলো হলো—

>> বিশ্ব প্রাণী স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুযায়ী বার্ড ফ্লু মুক্ত জোনিং বা কম্পার্টমেন্টালাইজেশনের স্বপক্ষে রফতানিকারক দেশের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক জোনিং বা কম্পার্টমেন্টালাইজেশনের সার্টিফিকেট বা ঘোষণা দাখিল করতে হবে।

>> আমদানিকৃত ডিমের প্রতিটি চালানের জন্য রফতানিকারক দেশের সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা বা বার্ড ফ্লু ভাইরাস ও ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া মুক্ত মর্মে সনদ দাখিল করতে হবে।

>> সরকার কর্তৃক নির্ধারিত শুল্ক-কর পরিশোধ ও অন্যান্য বিধি-বিধান প্রতিপালন করতে হবে।

>> ডিম আমদানির প্রতি চালানের অন্যূন ১৫ দিন পূর্বে সংশ্লিষ্ট সংগনিরোধ কর্মকর্তাকে অবহিত করতে হবে।

>> আমদানির অনুমতি পাওয়ার পরবর্তী ৭ দিন পর পর অগ্রগতি প্রতিবেদন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে দাখিল করতে হবে।

>> আমদানির অনুমতি এর মেয়াদ আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকবে।

আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত এ আদেশ বহাল থাকবে। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের দেওয়া ছয়টি শর্ত মানতে হবে বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।