বিদেশি ঋণের স্থিতি কমেছে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: দেশের বেসরকারি খাতে স্থগিতকৃত বৈদেশিক ঋণের স্থিতি কমতে শুরু করেছে। ডলার সংকট ও ঋণ শোধের বোঝা কমাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বর্তমানে ব্যাপকভাবে স্বল্পমেয়াদি বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করছে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে এই ঋণের স্থিতি ৮৬ কোটি ৭৪ লাখ ডলার থেকে কমে ৬৮ কোটি ৮৫ লাখ ডলারে নেমে এসেছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮২৬২ কোটি টাকা।
সম্প্রতি ডলারের বিনিময় হার এবং আন্তর্জাতিক সুদের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় ঋণ পরিশোধে অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে। করোনাকালীন সময় ও পরবর্তী ডলার সংকটের কারণে বেসরকারি খাতের অনেক প্রতিষ্ঠান সময়মতো ঋণ পরিশোধ করতে পারেনি, ফলে তাদের কিছু ঋণ স্থগিত করা হয়েছে। এসব ঋণের উপর বর্ধিত সুদের চাপ এবং বাজারমূল্যের বিনিময়ে ডলার কিনতে বাধ্য হওয়ার কারণে ঋণের কিস্তি পরিশোধে আরো চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে। এ সময়কালে দেশের ব্যাংকিং খাত কিছু ঋণ খেলাপির ঘটনা দেখেছে, যেখানে বৈদেশিক ঋণের মাধ্যমে এলসি খোলা হলেও পণ্য দেশে আসেনি, বরং সেই অর্থ বিদেশে পাচার হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদন্দে উঠে এসেছে।
ডলার সংকট ও বৈদেশিক ঋণের মেয়াদ বাড়ানোর ফলে আগের চেয়ে আরও বাড়তি চার্জ ও কমিশন পরিশোধ করতে হচ্ছে। ২০২০ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত কমিশন পরিশোধের অংক বেড়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯১৫ কোটি টাকা। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই ঋণ পরিশোধে জোর দিয়েছে এবং এর ফলে ঋণের স্থিতি কমে আসছে।








