হজ উপলক্ষে ডলার বিক্রির সীমা বাড়ালো বাংলাদেশ ব্যাংক

হজের মৌসুমে বিদেশে গমনের জন্য মানি চেঞ্জারদের নগদ ডলার বিক্রির সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) এক প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশ ব্যাংক এই নতুন নির্দেশনা দিয়েছে, যা দেশের সব অনুমোদিত ডিলার ও বৈধ মানি চেঞ্জারের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে, বিদেশে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশি নাগরিকরা এখন থেকে দুই হাজার ডলার পর্যন্ত নগদ ডলার কিনতে পারবেন। এর আগে এই সীমা ছিল এক হাজার ডলার।

বিদেশে যাওয়ার জন্য পাসপোর্টে ডলার ব্যবহারের অনুমতি (এন্ডোর্সমেন্ট) নেয়া প্রয়োজন। প্রতি বছর একজন বাংলাদেশি নাগরিক সর্বোচ্চ ১২ হাজার ডলার অথবা সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশের বাইরে খরচ করতে পারেন, যা নগদ ডলার এবং কার্ড উভয় মাধ্যমে হতে পারে। এই অনুমোদন দেয় সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক ও বৈধ মানি চেঞ্জারগুলো।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনার ফলে, প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকরা বিদেশে যাওয়ার সময় এক বছরে সর্বোচ্চ ১২ হাজার ডলার বা সমমূল্যের বৈদেশিক মুদ্রা এন্ডোর্স করতে পারবেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ভোজ্যতেলের মূসক কমিয়ে ৫% করা হলো

ভোজ্যতেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে বর্তমানে প্রযোজ্য আমদানি পর্যায়ের মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। আগামী ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই সুবিধা বলবৎ থাকবে।

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এর আগে ১৭ অক্টোবর, পরিশোধিত ও অপরিশোধিত সয়াবিন ও পামতেলের সরবরাহের ক্ষেত্রে স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে ১৫ শতাংশ এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী পর্যায়ে ৫ শতাংশ মূসক অব্যাহতি দেয়া হয়েছিল। এবার সেই আদেশের মাধ্যমে আমদানি পর্যায়ে কেবল ৫ শতাংশ মূসক কার্যকর থাকবে।

এছাড়া, এর আগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড চাল, আলু, পেয়াঁজ, ডিম, ভোজ্যতেল ও চিনির সরবরাহ বৃদ্ধি করতে কর অব্যাহতি প্রদান করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ব্যাংকগুলোর শাখায় ১, ২ ও ৫ টাকার কয়েন লেনদেনের নির্দেশনা

বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের সব ব্যাংকের শাখায় ১, ২ ও ৫ টাকার কয়েন লেনদেনের জন্য একটি নির্দেশনা জারি করেছে। সোমবার (১৮ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কারেন্সি ম্যানেজমেন্ট (ডিসিএম) এক প্রজ্ঞাপনে এই নির্দেশনা প্রকাশ করে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অনেক তফসিলি ব্যাংক শাখায় ধাতব মুদ্রা বা কয়েন শুধুমাত্র ভল্টে সংরক্ষণ করা হলেও, জনসাধারণের চাহিদা অনুযায়ী তা লেনদেনে ব্যবহৃত হচ্ছে না। এই কারণে, দেশব্যাপী জনসাধারণ যখন ধাতব মুদ্রা সংগ্রহ করতে চায়, তখন তা পাওয়া যাচ্ছে না। এ সমস্যা সমাধানে, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিটি ব্যাংক শাখায় ১, ২ ও ৫ টাকার কয়েনের নির্দিষ্ট পরিমাণ সংরক্ষণ এবং লেনদেনের জন্য নির্দেশনা দিয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়, প্রতিটি ব্যাংক শাখায় ১ টাকার কয়েন ৮ হাজার পিস, ২ টাকার কয়েন ৮ হাজার পিস এবং ৫ টাকার কয়েন ৫ হাজার পিস রাখতে হবে। স্থানীয় কার্যালয় এবং ফিডিং শাখায় ১ টাকার কয়েন ২৪ হাজার পিস, ২ টাকার কয়েন ২৪ হাজার পিস এবং ৫ টাকার কয়েন ১৫ হাজার পিস থাকতে হবে। উপশাখাগুলোর জন্যও নির্দিষ্ট পরিমাণ কয়েন রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, ধাতব মুদ্রার পরিমাণ কমে গেলে তা পূরণের জন্য জনসাধারণ, ফিডিং শাখা বা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে কয়েন সংগ্রহ করা যাবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এর মাধ্যমে এসব নির্দেশনা দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের পাঠিয়েছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



এস আলম ও বেক্সিমকোর প্রতিষ্ঠানগুলোকে রক্ষা করার আশ্বাস: বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, এস আলম এবং বেক্সিমকোর প্রতিষ্ঠানগুলো দেশের জাতীয় সম্পদ, এবং এগুলোর চলমান ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সরকার ব্যবস্থা নেবে। সোমবার (১৮ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “প্রকৃত মালিক থাকুক বা না থাকুক, এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ হতে দেওয়া হবে না।”

গভর্নর আরও বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিপুল সংখ্যক কর্মী কাজ করছেন এবং তাদের মধ্যে অনেকের সম্পর্ক ব্যাংকের সঙ্গে রয়েছে। “এগুলো বিচ্ছিন্ন করা যাবে না,” বলেন তিনি, “ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান আলাদা হলেও দেশের জন্য এগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম।”

তিনি ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে বাস্তববাদী মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে এবং সঠিক নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার উপর গুরুত্ব দেন। “এটি শুধু তাড়াহুড়ায় বা ইমোশন দিয়ে সম্ভব নয়,” বলেন তিনি।

এছাড়া, তিনি ব্যাংকগুলোর দায়িত্বের প্রতি মন্তব্য করে বলেন, “আমাদের প্রধান লক্ষ্য সবার আমানত নিরাপদ রাখা। ব্যাংকগুলোকে সহায়তা করা হবে, তবে তা হিসাব-নিকাশ করে এবং প্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ মেনে।”

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ জানান, গত তিন মাসে তাদের ব্যাংক গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছে। “৪,৯৭২ কোটি টাকার নতুন আমানত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং ব্যাংকের ঋণ বিতরণ এখন বন্ধ রাখা হয়েছে,” বলেন তিনি।

ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ আরও বলেন, এস আলমের শেয়ার বিক্রির জন্য শিগগিরই আদালতে মামলা করা হবে। এছাড়া, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি নিয়ে ১০ হাজার কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করা হবে।

তিনি আরও জানান, এস আলমের কোম্পানির ৬০ মিলিয়ন ডলার বকেয়া রয়েছে এবং আগামী মাসে ১৮০ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করা হবে। “এগুলো সমন্বয় করা হবে শেয়ারের মাধ্যমে,” বলেন তিনি।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



বাংলাদেশে কোরিয়ার বিনিয়োগ বাড়ানোর সম্ভাবনা

বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, বাংলাদেশে ছাত্রজনতার অভ্যুত্থান নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে এবং এখান থেকে আর পেছনে ফেরা যাবে না। তিনি আরও বলেন, সরকারের ১০০ দিনের অর্জন প্রত্যাশা অনুযায়ী সফল হয়েছে।

শেখ বশিরউদ্দীন জানিয়েছেন, বর্তমানে বাংলাদেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে এবং কোরিয়ার বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে তাদের বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী।

সোমবার (১৮ নভেম্বর) বাণিজ্য উপদেষ্টা তার অফিস কক্ষে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত পার্ক উয়াং সিকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। সাক্ষাৎকালে তারা দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, মুক্তবাণিজ্য চুক্তি এবং কোরিয়ার বাংলাদেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা করেন।

শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, “বাংলাদেশ-কোরিয়া মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি হলে দুই দেশই লাভবান হবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের পাশাপাশি জনগণের মধ্যে সম্পর্কোন্নয়ন হবে।”

বাণিজ্য উপদেষ্টা কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশের লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এবং চামড়া শিল্পে বিনিয়োগ বাড়ানোর পরামর্শ দেন। পাশাপাশি, তিনি বাংলাদেশের রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে কোরিয়ার আরও বেশি বিনিয়োগের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত বলেন, “বাংলাদেশের যুবশ্রেণির মধ্যে বড় একটি শক্তি রয়েছে, এবং কোরিয়া তাদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করতে চায়।” তিনি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরির তাদের চলমান উদ্যোগ সম্পর্কে বাণিজ্য উপদেষ্টাকে অবহিত করেন।

রাষ্ট্রদূত আরও জানান, অন্যান্য দেশের তুলনায় কোরিয়া বাংলাদেশে অনেক খাতে বিনিয়োগ করেছে এবং ভবিষ্যতে বিনিয়োগ আরও বৃদ্ধি পাবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পার্বত্য চট্টগ্রামে গ্যাস অনুসন্ধানে মার্চে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করবে পেট্রোবাংলা

পার্বত্য চট্টগ্রামে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করতে চলতি বছরের মার্চ মাসে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করার প্রস্তুতি নিচ্ছে পেট্রোবাংলা। বিশেষত, পার্বত্য অঞ্চলের ব্লক ২২ এবং ২২(ক)-এ গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য অফশোর পিএসসি (উৎপাদন ও বন্টন চুক্তি) আদলে একটি নতুন পিএসসি খসড়া প্রস্তুত হয়েছে।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান জনেন্দ্র নাথ সরকার জানান, খসড়া চূড়ান্ত করার জন্য কনসালটেন্ট নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে এবং আশা করা যাচ্ছে ফেব্রুয়ারির মধ্যেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। এরপরই মার্চে দরপত্র আহ্বান করা হবে।

পার্বত্য অঞ্চলে গ্যাসের প্রচুর মজুদ থাকতে পারে বলে আশাবাদী পেট্রোবাংলা, যদিও এখন পর্যন্ত এখানে তেমন কোনো বড় অনুসন্ধান কার্যক্রম হয়নি। এই অঞ্চলের গ্যাসের দাম সাগরের তুলনায় কিছুটা বেশি হতে পারে, কারণ সেখানে গ্যাস উত্তোলন এবং পাইপলাইন নির্মাণের খরচ বেশি। পেট্রোবাংলা সূত্র জানিয়েছে, অফশোর গ্যাসের দাম সাধারণত ব্রেন্ট ক্রুডের ১০% রাখা হয়, তবে পার্বত্য অঞ্চলের জন্য এটি ৮% প্রস্তাব করা হয়েছে।

পেট্রোবাংলা আরো জানিয়েছে, পার্বত্য অঞ্চলে গ্যাস উত্তোলনে পেট্রোবাংলার সঙ্গে বাপেক্স একটি যৌথ উদ্যোগে অংশ নেবে। তবে, ব্লক চুক্তি করার ক্ষমতা কেবল পেট্রোবাংলার আছে; বাপেক্স বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ তৈরি করে প্রস্তাব দিতে পারবে, তবে বিনিয়োগের দিক থেকে তাদের ভূমিকা সীমিত থাকবে।

বাংলাদেশে প্রথম কূপ খনন করা হয় ১৯১১ সালে, এবং তারপর ১৯১৪ সালে সীতাকুন্ডে প্রথম গ্যাস কূপ খননের মাধ্যমে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের যাত্রা শুরু হয়। এর পর থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামে কিছু কূপ খনন করা হলেও, বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলনযোগ্য গ্যাস পাওয়া যায়নি। সর্বশেষ ১৯৯৮ সালে হালদা এলাকায় কূপ খনন করা হয়েছিল।

২০০১ সালে ইউএসজিএস এবং পেট্রোবাংলা যৌথভাবে পার্বত্য অঞ্চলের গ্যাস মজুদ সম্ভাবনা নিরূপণ করে। তাদের মতে, এই অঞ্চলে সর্বনিম্ন ৮.৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুদ থাকতে পারে, যা সর্বোচ্চ ৬৫.৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুট পর্যন্ত হতে পারে।

বাংলাদেশে বর্তমানে ২৯টি গ্যাস ফিল্ড আবিষ্কৃত হয়েছে, তবে বেশ কিছু ফিল্ডের উৎপাদন কমে এসেছে। গ্যাসের মজুদ কমে যাওয়ার কারণে কিছু ফিল্ড পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। তবে, নতুন অনুসন্ধান উদ্যোগের মাধ্যমে গ্যাসের উৎপাদন বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে, বিশেষত পার্বত্য অঞ্চলে নতুন ব্লকগুলোর মাধ্যমে।

পেট্রোবাংলা আগামী ৩ বছরে ৭০টি নতুন অনুসন্ধান কূপ খনন করতে চায়, এবং পার্বত্য অঞ্চলের গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রমের পাশাপাশি সাগরের গ্যাস অনুসন্ধানও অব্যাহত থাকবে। এটি বাংলাদেশের গ্যাস মজুদ বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যতে গ্যাসের উৎপাদন নিশ্চিত করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।




 আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ল, ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সুযোগ

আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় এক মাস বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এখন করদাতারা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারবেন।

২০২৩ সালের আয়কর আইন অনুযায়ী, ২০২৪-২০২৫ করবর্ষের জন্য কোম্পানি ব্যতীত সকল শ্রেণির করদাতার জন্য আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ সময় ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ছিল। তবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড রোববার (১৭ নভেম্বর) এই সময়সীমা বাড়িয়ে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত করার একটি আদেশ জারি করেছে।

এ বিষয়ে এনবিআরের পরিচালক (জনসংযোগ) সৈয়দ এ. মু’মেন নিশ্চিত করেছেন যে, এই সময়সীমা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন পেশার করদাতাদের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছিল।

এবারের আয়কর রিটার্ন দাখিলের জন্য কিছু বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এনবিআর-এর নতুন আদেশ অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে অবস্থিত সকল সরকারি কর্মচারী, সারাদেশের সকল তফশিলি ব্যাংকের কর্মকর্তা/কর্মচারীরা, সারাদেশের সকল মোবাইল টেলিকম সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীরা এবং উক্ত আদেশে উল্লিখিত বহুজাতিক কোম্পানিতে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জন্য আয়কর রিটার্ন অনলাইনে দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

করদাতাদের সুবিধার্থে কোম্পানি ব্যতীত সকল করদাতাদের জন্য আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় এক মাস বাড়ানো হয়েছে। এখন উক্ত করদাতারা অনলাইন (ই-রিটার্ন) ও অফলাইন (কাগজে রিটার্ন) উভয় পদ্ধতিতে রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন, এবং তা কোনো জরিমানা ছাড়াই ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা যাবে।

এ পর্যন্ত তিন লাখ পঁচাত্তর হাজার করদাতা অনলাইনে তাদের রিটার্ন দাখিল করেছেন। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আশা প্রকাশ করেছে যে, এ বছর করদাতাদের রিটার্ন দাখিলের অভিজ্ঞতা হবে ঝঞ্ঝাটমুক্ত।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




আয়কর রিটার্ন জমার সময় এক মাস বেড়েছে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের বার্ষিক আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় বাড়ানো হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আজ এক ঘোষণায় জানিয়েছে, কোম্পানি ব্যতিত সব করদাতার জন্য জরিমানা ছাড়া রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা এক মাস বাড়ানো হয়েছে। অনলাইন ও অফলাইন উভয়ক্ষেত্রেই এই নতুন সময়সীমা কার্যকর হবে।

এনবিআর জানিয়েছে, রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন পেশার করদাতাদের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছিল। সেই অনুরোধে সাড়া দিয়ে রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময় ছিল ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত। সময় বাড়ানো হলে সে বিষয়ে সাধারণত শেষ দিনে ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে এবার আগেই এ বিষয়ে এনবিআর তাদের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিল। এনবিআরের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, জুলাই-আগস্টের আন্দোলন, ব্যবসা-বাণিজ্যে অনিশ্চয়তাসহ নানা কারণে সময় বাড়ানোর কথা ভাবা হচ্ছিল।




অন্তর্বর্তী সরকারের ১০০ দিনে রিজার্ভ, ব্যাংক খাত ও মূল্যস্ফীতিতে লক্ষ্যণীয় পরিবর্তন

২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ১০০ তম  দিনে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে। এই পরিবর্তনগুলো রিজার্ভ, ব্যাংক খাত এবং মূল্যস্ফীতির মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে প্রভাব ফেলেছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলির মধ্যে কিছু ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া গেছে, তবে কিছু ক্ষেত্রে কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে, দেশের রিজার্ভ সংকট, ব্যাংক খাতের দুর্বলতা এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নানা উদ্যোগের পরও পরিস্থিতি খুব দ্রুত পরিবর্তিত হয়নি। চলুন, এসব বিষয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা যাক।

রিজার্ভ ও রেমিট্যান্স:

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ গত কয়েক বছর ধরেই সংকটে রয়েছে। বিশেষত, ২০২১ সালের আগস্টে দেশের রিজার্ভ সর্বোচ্চ অবস্থানে ছিল, যা দাঁড়িয়েছিল ৪৮ বিলিয়ন ডলারে। তবে কোভিড পরবর্তী পরিস্থিতি, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রার পাচার পরিস্থিতির কারণে রিজার্ভে ধীরে ধীরে পতন ঘটতে থাকে। বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য রিজার্ভ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, কারণ এটি দেশের আমদানি খরচ মেটানো এবং বৈদেশিক লেনদেনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

তবে, অন্তর্বর্তী সরকার রিজার্ভ সংকট মোকাবিলায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে অন্যতম ছিল প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির উদ্যোগ। রেমিট্যান্স বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের অন্যতম প্রধান উৎস। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশের প্রবাসী আয় ছিল ১৩৩ কোটি ডলার, যা ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে প্রায় ২৪০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে। অর্থনীতিবিদরা বলেন, এর মূল কারণ হচ্ছে, প্রবাসী বাংলাদেশিরা এখন ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে বেশি টাকা পাঠাচ্ছেন, যা রিজার্ভ বাড়াতে সহায়ক হচ্ছে।

বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, “গত কয়েক মাসে রেমিট্যান্স ফ্লো বাড়ছে, যা রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করেছে।” তিনি আরও বলেন, “ফরমাল চ্যানেলে রেমিট্যান্সের প্রবাহ বেড়েছে। আগে যেখানে প্রতি মাসে ১৫০ থেকে ১৭০ কোটি ডলার আসতো, এখন তা ২০০ কোটি ডলারের উপরে চলে গেছে।”

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ মুস্তফা কে মুজেরী বলেন, “সরকার যদি অফিশিয়াল চ্যানেলে মুদ্রা পাঠানোর ক্ষেত্রে যে রেট নির্ধারণ করেছে, তা বাজারের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ রাখা যায়, তাহলে রেমিট্যান্সের প্রবাহ আরও বাড়ানো সম্ভব হবে।”

গভর্নর আহসান এইচ মনসুর সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানান, রিজার্ভের সংকট মোকাবিলায় সরকার কোনো ধরনের ‘হস্তক্ষেপ’ বা ‘রিজার্ভে হাত দেয়া’ প্রয়োজন হয়নি, যা রিজার্ভের প্রতি কিছুটা স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করেছে।

ব্যাংক খাতের পরিস্থিতি:

বাংলাদেশের ব্যাংক খাত বর্তমানে একটি সংকটকালীন পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে। ব্যাংকগুলো এখন ‘সবল’ এবং ‘দুর্বল’ এই দুই শ্রেণীতে বিভক্ত। কয়েকটি ব্যাংক অনাদায়ী ঋণ ও খেলাপি ঋণের কারণে বড় ধরনের আর্থিক সংকটে পড়েছে। এর ফলস্বরূপ, দেশের ব্যাংকিং খাত বিপর্যয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। গত কয়েক মাসে অন্তর্বর্তী সরকার ১১টি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে নতুন পর্ষদ গঠন করেছে। পাশাপাশি, দেশের বিভিন্ন ব্যাংককে তারল্য সংকট মোকাবিলায় বিশেষ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, ২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশ ব্যাংক কিছু ব্যাংক থেকে অর্থ উত্তোলনের সীমা বেঁধে দেয় এবং সেপ্টেম্বর মাসে তা পুনরায় তুলে নেয়। তবুও কিছু ব্যাংক এখনও তারল্য সংকটে ভুগছে এবং গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী টাকা সরবরাহ করতে পারছে না।

বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি বেসরকারি ব্যাংকগুলোর চলতি হিসেব প্রকাশ করেছে, যেখানে দেখা গেছে ব্যাংকগুলোতে ঘাটতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ১৬৭ কোটি টাকা। এদিকে, সাতটি দুর্বল ব্যাংককে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকা তারল্য সহায়তা দেয়া হয়েছে।

এছাড়া, বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র হুসনে আরা শিখা জানিয়েছেন, “এই তারল্য সহায়তা কোনো অতিরিক্ত টাকা ছাপিয়ে দেয়া হয়নি। বরং সবল ব্যাংকগুলো থেকে ঋণ হিসেবে দুর্বল ব্যাংকগুলোকে অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে।”

তবে, অর্থনীতিবিদ মুস্তফা কে মুজেরী বলেন, “এই ধরনের সাময়িক পদক্ষেপ ভবিষ্যতে সমস্যার স্থায়ী সমাধান এনে দিতে পারবে না। কারণ, ব্যাংক খাতের দুর্বলতার মূল কারণগুলো এখনও অমীমাংসিত রয়ে গেছে।”

মূল্যস্ফীতি ও সরকারের পদক্ষেপ:

বাংলাদেশের মানুষের জন্য উচ্চ মূল্যস্ফীতি একটি দীর্ঘদিনের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ব্যাপক হারে বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগের মুখে পড়তে হয়েছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষ মূল্যস্ফীতি সামলাতে গিয়ে প্রতিনিয়ত অসন্তোষ প্রকাশ করছেন।

অক্টোবর মাসে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাব অনুযায়ী, সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ১০.৮৭ শতাংশে, যা গত মাসে ছিল ৯.৯২ শতাংশ। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি, যা দাঁড়িয়েছে ১২.৬৬ শতাংশ। পেঁয়াজ, ডিম, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আকাশছোঁয়া হয়ে গেছে।

সরকার কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যেমন মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য মুদ্রানীতির পরিবর্তন এবং শুল্ক কমানো। পেঁয়াজ ও ডিমের মতো খাদ্যপণ্যের ওপর শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং আমদানির ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল করা হয়েছে।

তবে, অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেছেন, “যেকোনো ধরনের দাম বেধে দেওয়া বা মার্কেট তদারকির মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি কমানো সম্ভব নয়। কারণ, এটি কেবল লোক দেখানোর জন্য করা পদক্ষেপ।”

তিনি আরও বলেন, “যে ধরনের প্রকৃত পদক্ষেপ নিতে হবে তা হচ্ছে পাইকারি বাজারে সঠিক তথ্য তুলে ধরা, যাতে মানুষ জানে কোন পণ্য কোথায় কী দামে পাওয়া যাবে।”

গভর্নর আহসান এইচ মনসুর একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, “মুদ্রানীতির সুফল পেতে কমপক্ষে এক বছর লাগবে। চার মাস পার করার পর, মূল্যস্ফীতি কমাতে আরও আট মাস সময় প্রয়োজন।”

অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে দেশের অর্থনীতি, ব্যাংক খাত ও রিজার্ভ সংকট মোকাবিলায় কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যাংক খাতের দুর্বলতা দূর করার জন্য আরও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও কার্যকর পদক্ষেপের প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে, খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি ও ব্যাংকিং খাতের সমস্যাগুলোর স্থায়ী সমাধান খোঁজা প্রয়োজন।

 

মো: আল-আমিন, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



পাকিস্তান থেকে সরাসরি বাংলাদেশে আসা জাহাজের পণ্য: জানানো হলো বিস্তারিত

পাকিস্তান থেকে প্রথমবার সরাসরি বাংলাদেশে আসা কনটেইনারবাহী জাহাজটির পণ্য নিয়ে কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। গত বুধবার (১৩ নভেম্বর) পাকিস্তানের করাচি বন্দর থেকে যাত্রা করা ‘এমভি ইউয়ান জিয়ান ফা ঝং’ নামের জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে ভেড়ে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের পর প্রায় পাঁচ দশক পর পাকিস্তান থেকে সরাসরি বাংলাদেশে পণ্যবাহী জাহাজ আসায় এটি একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর ফারুক জানালেন, জাহাজটিতে মোট ৩৭০টি কনটেইনার ছিল, তবে এসব কনটেইনারে কী ধরনের পণ্য ছিল তা পুরোপুরি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজের উপ-কমিশনার মো. সাইদুর রহমান জানান, এসব কনটেইনারের মধ্যে ফ্রেবিকস, চুনাপাথর, সোডা অ্যাশ, পেঁয়াজ, ম্যাগনেশিয়াম কার্বোনেট, ডলোমাইট সহ বেশ কিছু পণ্য রয়েছে। এছাড়া, ৪২টি কনটেইনারে পেঁয়াজ এবং ১৪টি কনটেইনারে আলু ছিল।

এছাড়া, পাকিস্তান থেকে আসা কনটেইনারগুলোর মধ্যে টেক্সটাইল শিল্পের কাঁচামাল, গাড়ির যন্ত্রাংশ, রং ও কাঁচামাল এবং কাঁচ শিল্পের উপকরণও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। কয়েকটি কনটেইনারে খেজুর, মার্বেল ক্লক, কপার ওয়্যার, জিপসাম, লোহা ইত্যাদিও রয়েছে।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, সাধারণত পাকিস্তান থেকে পণ্য শ্রীলঙ্কায় খালাস হয়ে বাংলাদেশে আসে, কিন্তু এবার প্রথমবারের মতো সরাসরি পাকিস্তান থেকে চট্টগ্রামে পণ্য এসেছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম