বাংলাদেশের অর্থনৈতিক শ্বেতপত্র , চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতিবিষয়ক শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। আজ রোববার দুপুরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে শ্বেতপত্র হস্তান্তর করা হয়।

শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রধান দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদনটি জমা দেয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর প্রমুখ।

শ্বেতপত্র প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পরে কমিটির প্রধান ও বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য প্রথম আলোকে জানান, প্রধান উপদেষ্টা শ্বেতপত্রকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে অভিহিত করেছেন।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন এটি (শ্বেতপত্র প্রতিবেদন) একটি ঐতিহাসিক দলিল। বাংলাদেশের অর্থনীতির ক্ষেত্রে যে দুরবস্থা চলে আসছে, এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে তা উন্মোচিত হয়েছে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে দেশে কৃত্রিম উন্নয়নের যে বয়ান প্রচলিত ছিল, তাকেও ধূলিসাৎ করেছে।

শ্বেতপত্র কমিটির প্রধান জানান, প্রধান উপদেষ্টা মনে করেন যে এই শ্বেতপত্রকে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রচার এবং এ নিয়ে পড়াশোনা করা উচিত। প্রয়োজনে এটিকে আগামী দিনে পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।




বেক্সিমকো ও এস আলমের ফাঁকা ব্যালেন্স শিটে ঋণ দিয়েছে ব্যাংক

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: খেলাপি ঋণের বেশিরভাগই ব্যালেন্স শিট নির্ভর। ব্যাংকগুলো ব্যালেন্স শিট নির্ভর অর্থায়নে মগ্ন। এই ঋণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় লাঞ্চ বা ডিনারে বসে। বেক্সিমকো ও এস আলম এখন বেতন দিতে পারছে না অথচ ব্যালেন্স শিট দেখে এসব প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিয়েছে ব্যাংক। সম্পদ দেখা হয়নি। এখন এই প্রতিষ্ঠানের ব্যালেন্স শিট যাচাই করে দেখা যাচ্ছে সবই ফাঁকা।

এভাবে ঋণ দেওয়া কতটা যৌক্তিক বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।

শনিবার (৩০ নভেম্বর) পল্টনে অর্থনীতি বিটের সাংবাদিকদের সংগঠন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) মিলনায়তনে আয়োজিত ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি রূপান্তরে অভ্যন্তরীণ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে এ কথা জানান উপদেষ্টা। ইআরএফ, সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড পার্টিসিপেটরি রিসার্চ, কোস্টাল লাইভলিহুড অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল অ্যাকশন নেটওয়ার্ক (ক্লিন) ও বিডব্লিউজিইডি যৌথভাবে এই সেমিনারের আয়োজন করেছে।

তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিকল্প নেই। এই খাতে ব্যাংকের ঋণ দিতে আগ্রহ নেই বললেই চলে। তাই নতুন নীতিতে এই খাতে অর্থায়নের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি সোলার স্থাপনের জায়গা ও সঞ্চালন লাইনে যুক্ত হওয়ার ব্যবস্থা সরকার করে দেবে।

ফাওজুল কবির বলেন, সরকার সব বিদ্যুৎ কিনবে, সেখান থেকে বের হবে। মার্চেন্ট বিদ্যুৎ নীতি গ্রহণ করা হবে। বিনিয়োগকারী বিদ্যুৎ উৎপাদন করবেন এবং তারাই বিক্রির জন্য গ্রাহক ঠিক করবেন। কারণ সরকার স্বতন্ত্র বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের (আইপিপি) থেকে সরে আসতে চায়।




ভারতীয় ঋণের প্রকল্প: বাংলাদেশে ফায়দা না ভারতীয় স্বার্থ পূরণ

বাংলাদেশে ভারতীয় ঋণের প্রকল্পগুলো নানা কারণে বিতর্কিত হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে, ভারত যেসব সড়ক ও রেলপথ নির্মাণ করেছে সেগুলো মূলত নিজেদের সুবিধার্থে এবং তা বাংলাদেশের জন্য তেমন লাভজনক হয়নি। সরকারের শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির রিপোর্টে এ বিষয়টি স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে।

অর্থনীতির শ্বেতপত্রে এ অভিযোগ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশ ভারতীয় ঋণে মূলত অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণ করেছে। অনেক প্রকল্প এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যা শুধু ভারতের স্বার্থসিদ্ধি করেছে, কিন্তু বাংলাদেশে এর উপকারিতা কম। বিশেষত, ভারত যে প্রকল্পগুলোতে ঋণ দিয়েছে, সেগুলোতে বাংলাদেশকে কম সুবিধা মিলেছে এবং প্রকল্পগুলোতে অর্থায়নও যথাযথভাবে হয়নি।

সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ নভেম্বর শ্বেতপত্র প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তর করা হবে, এবং আনুষ্ঠানিকভাবে ২ ডিসেম্বর সংবাদ সম্মেলনে এর বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে। তিন মাসের আলোচনার মাধ্যমে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করা হয়েছে।

কমিটির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত ১৫ বছরে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বড় ধরনের দুর্নীতি ও অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে। বিশেষত, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে অনেক প্রকল্পের বাস্তবায়ন দীর্ঘসূত্রিতায় পড়েছে। প্রশাসনও রাজনৈতিকভাবে বাধাগ্রস্ত ছিল, যার ফলে অনেক প্রকল্পে স্বচ্ছতা এবং কার্যকরী ফলাফল ছিল না।

ভারতীয় ঋণের প্রকল্পগুলোর জটিলতা

ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে মোট ৭৩৬ কোটি ডলার ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, যার মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র ১৮৬ কোটি ডলার ছাড় হয়েছে। এই ঋণের জন্য প্রধানত সড়ক ও রেলপথের অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে, তবে সেগুলোর সিংহভাগ লাভ ভারতই পেয়েছে। এই প্রকল্পগুলোর কিছু কাজ সঠিকভাবে বাস্তবায়িত না হওয়ায় ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সময়সীমাও দীর্ঘ হয়েছে।

প্রতিবেদনটি আরও জানায়, রাজনৈতিক প্রভাব এবং দুর্নীতির কারণে প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন এবং সময়সীমা বারবার পরিবর্তিত হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

বিদ্যুৎ খাতে লুটপাট এবং পাচার

শ্বেতপত্রের প্রতিবেদনে বিদ্যুৎ খাতে লুটপাটের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। গত ১৫ বছরে বিদ্যুৎ খাতে প্রায় ১ লাখ কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ ওঠেছে, যেখানে অধিকাংশ অর্থ আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠ কোম্পানির কাছে চলে গেছে।

এছাড়া, প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে, যা দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল করেছে।

সংশোধন এবং পরামর্শ

শ্বেতপত্রে সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, খাদ্য ব্যবস্থাপনা, এবং বেসরকারি বিনিয়োগের জন্য বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে। এসব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

কমিটি সরকারের দুর্নীতি এবং অব্যবস্থাপনার বিষয়েও সুপারিশ করেছে, যা আগামী দিনে বাংলাদেশকে এক নতুন অর্থনৈতিক অবস্থায় নিয়ে আসতে পারে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




দেশে বাস তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে বিআরটিসি, সাশ্রয় হবে সময় ও খরচ

বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট করপোরেশন (বিআরটিসি) সম্পূর্ণ নিজস্ব প্রযুক্তিতে বাস তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে, যা দেশের আমদানি-নির্ভরতা কমাবে এবং অর্থনৈতিক দিক থেকে সাশ্রয়ী হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশের বাইরে থেকে চেসিস (বাসের কাঠামো) আমদানি করে, দেশীয় জনবল ও দক্ষতায় পূর্ণাঙ্গ বাস তৈরি করা হবে। এতে একটি বাস তৈরিতে খরচ হবে প্রায় ৯০ লাখ টাকা এবং সময় লাগবে দেড় মাস।

বর্তমানে বিদেশ থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ দ্বিতল বাস আমদানি করতে খরচ হয় প্রায় ১ কোটি টাকা এবং অপেক্ষা করতে হয় তিন থেকে পাঁচ বছর। অন্যদিকে, ভারত থেকে আমদানি করা একটি চেসিসের দাম প্রায় ৪০ লাখ টাকা, আর জাপানের হিনো কোম্পানির মাঝারি ক্ষমতাসম্পন্ন চেসিসের দাম ৩৫ থেকে ৪৫ লাখ টাকা।

বিআরটিসির কারিগরি ও অপারেশন শাখার পরিচালক কর্নেল মো. মোবারক হোসেন মজুমদার জানিয়েছেন, ‘‘বিদেশ থেকে বাস আমদানির জন্য দীর্ঘ সময় ও অর্থের প্রয়োজন। তাই দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজস্ব কারখানায় বাস তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।’’ প্রথমে ১০টি বাস নির্মাণের পরিকল্পনা থাকলেও, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় আপাতত একটি বা দুটি বাস নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছে।

এছাড়া, গাজীপুরের সমন্বিত কেন্দ্রীয় মেরামত কারখানা পুনরায় চালু করা হয়েছে এবং পুরোনো যন্ত্রপাতি পরিবর্তন করে নতুন সরঞ্জাম যোগ করা হয়েছে, যা কারখানার সক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়েছে। ঢাকার তেজগাঁওয়ের কেন্দ্রীয় মেরামত কারখানা আধুনিকায়নও করা হয়েছে।

বিআরটিসির চেয়ারম্যান মো. তাজুল জানিয়েছেন, বিআরটিসি শুধু চেসিস কিনবে এবং পরবর্তীতে নিজেদের কারখানায় পূর্ণাঙ্গ বাস তৈরি করা হবে। দু-তিন মাসের মধ্যেই বিআরটিসির বহরে নিজেদের তৈরি বাস চলাচল শুরু করবে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. হাদিউজ্জামান বলেন, ‘‘বিআরটিসি নিজস্ব প্রযুক্তিতে বাস তৈরি করলে, এটি বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করবে এবং দেশের সক্ষমতা বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে সহায়ক হবে।’’ বিআরটিসির এই উদ্যোগ অনুসরণ করে অন্যান্য বেসরকারি উদ্যোক্তারাও দেশে বাস তৈরিতে এগিয়ে আসবে।

বর্তমানে বিআরটিসির বহরে ১,১৯৪টি যাত্রীবাহী বাস রয়েছে, যেগুলি ভারত, চীন, জাপান, সুইডেন এবং কোরিয়া থেকে আমদানি করা হয়েছে। নতুনভাবে ভারত থেকে ১০০টি বিদ্যুৎচালিত বাস এবং দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ৩৫০টি সিএনজি চালিত বাস আমদানি করার প্রক্রিয়া চলছে।

বিআরটিসির সূত্র মতে, বর্তমানে ৩০ সিটের বাসগুলো থেকে মাসে গড়ে ৮ লাখ টাকা আয় হচ্ছে। প্রতিবছর আয় দাঁড়ায় গড়ে ৯৫ লাখ টাকা, আর এসব বাসের বার্ষিক খরচ প্রায় ৭০ লাখ টাকা। এতে প্রতিবছর বিআরটিসির গড়ে ২৫ লাখ টাকার উপরে আয় থাকে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা ভাবছে ত্রিপুরা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থগিত করার কথা বিবেচনা করছে ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ত্রিপুরা। শনিবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা আগরতলায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, ‘‘প্রতিবেশী বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান সহিংসতার প্রতিক্রিয়া হিসাবে বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক স্থগিত করার কথা বিবেচনা করছে ত্রিপুরা।’’

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপির নেতা শুভেন্দু অধিকারীও বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন। শুভেন্দুর মতো মানিক সাহাও একই দাবি তুলে বলেছেন, ‘‘আমরা এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিনি। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলেও যেকোনও কিছুই ঘটতে পারে।’’




মুরগির দাম নিয়ে সাধারণ ক্রেতাদের হতাশা

পটুয়াখালী বিভিন্ন বাজারে মুরগির দাম আজকাল সাধারণ ক্রেতাদের জন্য এক বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দিন মজুর রাজু আহমেদ পটুয়াখালীর নিউ মার্কেটে বাজারে এসে ব্রয়লার মুরগি কিনেছেন দুটি। কিন্তু মুরগির দাম দেখে তার মধ্যে এক ধরনের আক্ষেপ ছিল। তিনি বলেন, “ব্রয়লার মুরগির দামও অনেক বেশি, আর দেশি মুরগি তো আমাদের মতো গরিব মানুষের জন্য বিলাসিতা।

জেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, মুরগির দাম সত্যিই বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকা দরে। অন্যদিকে, লেয়ার মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা, কক প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৩১০ টাকা, সোনালি ও পাকিস্তানি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩২০ টাকায়, এবং দেশি মুরগির দাম ৬৫০ টাকা থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছে।

মুরগির দাম বৃদ্ধির বিষয়ে বাজারের ক্রেতারা অনেকটা উদ্বিগ্ন। তারা বলছেন, বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষদের জন্য ব্রয়লার মুরগি এখন একমাত্র ভরসা ছিল। কিন্তু এই দাম বৃদ্ধি তাদের কাছে মুশকিল হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনকি সোনালি, লেয়ার, কক জাতের মুরগিও এখন অতিরিক্ত দামে বিক্রি হচ্ছে, ফলে সাধারণ ক্রেতারা এই মুরগি কিনতে পারছেন না।

দুমকির বোর্ড অফিস বাজারে মুরগি কিনতে আসা হাবিবুর রহমান, একজন বেসরকারি চাকরিজীবী, তার হতাশা ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, “বেতন দিয়ে পুরো মাস চালানো কঠিন হয়ে গেছে, বাজারের অতিরিক্ত খরচ সবকিছুর ওপর চাপ ফেলছে। এখন এক কেজি ব্রয়লার মুরগি কিনতেই ৩৫০-৪০০ টাকা খরচ হয়ে যাচ্ছে।”

এমন পরিস্থিতি নিয়ে গলাচিপার বাঁশ-বাড়িয়া এলাকার ক্রেতা সাজ্জাদ হোসেন জানান, “ব্রয়লার মুরগির দাম অনেক বাড়িয়েছিল, তবে কিছুটা কমেছে, এখন ১৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে, অন্যান্য মুরগির দাম নিয়ন্ত্রণে আনা প্রয়োজন।”

পটুয়াখালী পৌর নিউমার্কেট বাজারের মুরগি বিক্রেতা খোরশেদ আলম বলেন, “মুরগির ফিডের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে খামারিরা মুরগি উৎপাদনে অতিরিক্ত খরচ করছে, যার ফলে বাজারে মুরগির দাম বাড়ছে।” তিনি আরও বলেন, “ব্রয়লার মুরগি ছাড়া অন্যান্য মুরগির সরবরাহ কমে গেছে, যার প্রভাব পড়ছে বাজারে।”

কলাপাড়া বাজারের মুরগি বিক্রেতা সিরাজুল ইসলাম জানান, “বন্যার কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মুরগি উৎপাদনে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, যার ফলে মুরগির দাম বেড়েছে।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




আমদানি কম, দ্রব্যমূল্য বাড়ার শঙ্কা

বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি এবং নীতিমালা শিথিল করার পরেও দেশের আমদানি গতিতে কোন উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসেনি। বরং আমদানির ঋণপত্র নিষ্পত্তি এবং নতুন ঋণপত্র খোলার হার কমে যাওয়ায় আগামী রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের সরবরাহ সংকট এবং দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, দুর্বল অর্থনীতির কারণে আমদানিতে ধীরগতি সৃষ্টি হয়েছে। তারা বলছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত হলে অর্থনীতির গতি বাড়াতে সহায়তা হবে। অন্যদিকে, দীর্ঘদিন ধরে চলা উচ্চ মূল্যস্ফীতি দেশের নিম্ন, মধ্যবিত্ত এবং নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের জীবনযাত্রা দুর্বিষহ করেছে। যদি এই সংকট রমজান মাসে বাড়ে, তবে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে জানা যায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে আমদানি ব্যয় ছিল ৬ হাজার ৬৭২ কোটি মার্কিন ডলার। গত জুলাই-সেপ্টেম্বর মাসে এই আমদানি ব্যয় দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬১৭ কোটি ডলার। এমসিসিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে আমদানি ঋণপত্র নিষ্পত্তি ২ দশমিক ৪০ শতাংশ এবং নতুন ঋণপত্র খোলার পরিমাণ ৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ কমেছে।

বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘আমদানি কমে যাওয়ার মূল কারণ হলো অর্থনৈতিক দুর্বলতা।’ তিনি আরো বলেন, ‘বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ বেড়েছে এবং নীতিমালা শিথিল করা হয়েছে, তারপরও আমদানির গতি ফেরেনি।’

এছাড়া, ড. হোসেন আরও জানান, আমদানি কমার আরেকটি কারণ হলো উচ্চ মূল্যস্ফীতি, যা মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমিয়ে দিয়েছে এবং খাদ্যবহির্ভূত খরচ কমাতে বাধ্য করছে। তিনি বলেন, ‘অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হলো সাপ্লায়ার্স ক্রেডিট পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।’

অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক করলে অর্থনীতি দ্রুত সচল হতে পারে। বিগত সময়ে যে অর্থনৈতিক সমস্যা ছিল, তার অনেকটাই বৈদেশিক মুদ্রা সংকটের কারণে হয়েছিল, যা বর্তমানে কিছুটা শিথিল হলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের বিশেষ ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান মনে করছেন, জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে নানা কারণে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে আগামী অক্টোবর-ডিসেম্বরে কিছুটা ইতিবাচক পরিবর্তন আশা করা যাচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র হোসনে আরা শিখা জানান, নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের আমদানিতে শূন্য মার্জিনে ঋণপত্র খোলার সুবিধা এবং সাপ্লায়ার্স ক্রেডিট সহজতর করা হয়েছে। এর ফলে আমদানি প্রবণতা ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে, এবং সার্বিক আমদানি পরিস্থিতি উন্নতির দিকে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



চিন্ময় কৃষ্ণসহ ইসকনের ১৭ সদস্যের ব‌্যাংক হিসাব জব্দ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র ও পুণ্ডরীক ধামের অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ইসকন বাংলাদেশের ১৭ সদস্যের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠিয়ে অ্যাকাউন্ট জব্দ করতে বলেছে।

বৃহস্প‌তিবার ( ২৮ নভেম্বর) বিএফআইইউ’র সংশ্লিষ্ট এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ঢাকা পোস্টকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

হিসাব জব্দ করা ব্যক্তিদের নামে ব্যক্তি মালিকানা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্ট স্থগিত থাক‌বে। আগামী ৩০ দিন এসব হিসাবে কোনো ধরনের লেনদেন করতে পারবে না। প্রয়োজনে লেনদেন স্থগিত করার এ সময় বাড়ানো হবে।

যাদের হিসাব জব্দ করা হয়েছে

চন্দন কুমার ধর ওরফে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস, কার্ত্তিক চন্দ্র দে, অনিক পাল, সরোজ রায়, সুশান্ত দাস, বিশ্ব কুমার সিংহ, চন্ডিদাস বালা, জয়দেব কর্মকার, লিপী রানী কর্মকার, সুধামা গৌর দাস, লক্ষণ কান্তি দাশ, প্রিয়তোষ দাশ, রূপন দাস, রূপন কুমার ধর, আশীষ পুরোহিত, জগদীশ চন্দ্র অধিকারী, এবং সজল দাস।

লেনদেন স্থগিত করার এ নির্দেশের ক্ষেত্রে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালার সংশ্লিষ্ট ধারা প্রযোজ্য হবে বলে বিএফআইইউর চিঠিতে বলা হয়েছে। চিঠিতে হিসাব স্থগিত করা ব্যক্তিদের নাম, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য দেওয়া হয়েছে।

বিএফআইইউর নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, যেসব হিসাব স্থগিত করা হয়েছে তাদের হিসাবসংশ্লিষ্ট তথ্য বা দলিল যেমন হিসাব খোলার ফরম, কেওয়াইসি ও লেনদেন বিবরণী যাবতীয় তথ্য চিঠি দেওয়ার তারিখ থেকে দুই কার্যদিবসের মধ্যে বিএফআইইউতে পাঠাতে হবে।




ভারত থেকে সব পণ্য রপ্তানি বন্ধ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে সকল প্রকার পণ্য রপ্তানি বন্ধ রেখেছে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। জানা গেছে, ভারতের অভ্যন্তরে ট্রাকের স্লট বুকিং বন্ধ থাকায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা।

হিলি কাস্টমস কর্মকর্তা শফিউল ইসলাম জানান, ভারত থেকে মঙ্গলবার দুপুর ১২টার পর থেকে কোনো ট্রাক হিলি স্থলবন্দরে প্রবেশ করেনি, তবে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি স্বাভাবিক রয়েছে। এতে করে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মাত্র ৫টি ট্রাক পণ্য নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। কী কারণে ভারত সরকার পণ্য রপ্তানি বন্ধ রেখেছে সেই বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো চিঠি দেয়া হয়নি। পণ্য আমদানি এবং রপ্তানির জন্য আমরা সব সময় প্রস্তুত রয়েছি।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী বলেন, রপ্তানির ক্ষেত্রে আলু ও পেঁয়াজবাহী ভারতীয় ট্রাকের অনলাইন স্লট বুকিং বন্ধ করে দেয়ার প্রতিবাদে বাংলাদেশে সব ধরনের পণ্য পরিবহন বন্ধ রেখেছেন ভারতের ব্যবসায়ীরা। দাম বৃদ্ধির অজুহাতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার গত রবিবার থেকে পণ্যবাহী ট্রাকের অনলাইন স্লট বুকিং বন্ধ করে দেয়। ফলে মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে কোনো পণ্যবাহী ভারতীয় ট্রাক বন্দরে প্রবেশ করেনি।




৩ মাস পর ঋণ পরিশোধ না করলে খেলাপি ঘোষণা

বাংলাদেশ ব্যাংক আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ঋণ ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ঋণের পরিশোধের সময়সীমা তিন মাস পার হলে ঋণটি খেলাপি হিসেবে বিবেচিত হবে। এছাড়া, ঋণ যদি মন্দ মানের হয় তবে ১০০ শতাংশ প্রভিশন রাখতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ ২৭ নভেম্বর বুধবার এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। নতুন নিয়ম কার্যকর হবে ২০২৫ সালের ১ এপ্রিল থেকে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ঋণের কিস্তি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ না করলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে খেলাপি হয়ে যাবে। ঋণ পরিশোধের জন্য ৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ হলে ঋণটি নিম্নমানের, ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে হলে সন্দেহজনক এবং ১২ মাস বা তার বেশি সময় পর ঋণটি মন্দ বা ক্ষতিজনক হিসেবে বিবেচিত হবে। এছাড়া, নিয়মিত ঋণের জন্য ১ শতাংশ এবং খেলাপি ঋণের বিপরীতে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হবে। তবে, এককালীন পরিশোধের পর পুনঃতফসিলের মাধ্যমে ঋণ নিয়মিত করার বিষয়ে প্রজ্ঞাপনে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, বিশ্বব্যাপী ব্যাংকিং চর্চার প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, ঋণ শ্রেণিকরণ সংক্রান্ত নতুন নির্দেশনা কার্যকর হবে। ঋণ পরিশোধে কোনো রকম বিলম্ব হলে ঋণটি তফসিল অনুযায়ী সময়সীমা পার হওয়া পরেই মেয়াদোত্তীর্ণ বলে গণ্য হবে। ঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ প্রভিশন সংরক্ষণের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

খেলাপি ঋণের শ্রেণীকরণ অনুযায়ী, নিম্নমানের ঋণের জন্য ২০ শতাংশ, সন্দেহজনক ঋণের জন্য ৫০ শতাংশ এবং মন্দ ঋণের জন্য ১০০ শতাংশ প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়েছে, যদি কোনো ঋণ বা অগ্রিম সাব-স্টান্ডার্ড বা সন্দেহজনক হয়, তাহলে সে ঋণের ওপর অর্জিত সুদ আয় হিসাবের পরিবর্তে সুদের সাসপেন্স হিসাব হিসেবে জমা করতে হবে। এবং যদি কোনো ক্ষতিজনক ঋণ সুদ হিসেবে যোগ করা হয়, তবে তা সাসপেন্স অ্যাকাউন্টে রাখা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ লাখ ৮৪ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকা। আর জুন পর্যন্ত ঋণ আদালতে বিচারাধীন ৬৭ হাজার ৫১৯টি মামলায় আটকে থাকা অর্থের পরিমাণ ২ লাখ ৯ হাজার ৬৯১ কোটি টাকা।

এছাড়া, সার্টিফিকেট মামলায় ৪ হাজার কোটি টাকা এবং অডিট জনিত অপ্রদর্শিত খেলাপি ঋণ প্রায় কয়েক হাজার কোটি টাকা। নতুন নিয়ম অনুযায়ী খেলাপি ও অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ প্রায় ৬ লাখ ৯৮ হাজার কোটি টাকা দাঁড়াবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম