ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাশলেস বাংলাদেশের বার্তা

নগদ লেনদেনের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আধুনিক ও নিরাপদ ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থাকে জনপ্রিয় করতে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপী বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি)-এর ব্যবস্থাপনায় সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে এই কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্টের পরিচালক (পিএসডি-১) আ.ন.ম. মঈনুল কবীর। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ব্যাংক রাজশাহী কার্যালয়ের নির্বাহী পরিচালক (গ্রেড-১) আমজাদ হোসেন খাঁন, একই কার্যালয়ের পরিচালক রথীন কুমার পাল এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও চিফ অপারেটিং অফিসার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন।

আয়োজনের শুরুতে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধিরা ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ উদ্যোগ’-এর লক্ষ্য, বাস্তবায়ন কৌশল এবং দেশের ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে একটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন। সেখানে বাংলা কিউআর, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস, ইন্টারনেট ব্যাংকিংসহ আধুনিক লেনদেন পদ্ধতির ব্যবহারিক দিক তুলে ধরা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ডিজিটাল লেনদেন সময় ও ব্যয় কমানোর পাশাপাশি আর্থিক কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে। শিক্ষার্থী ও তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে ক্যাশলেস বাংলাদেশ বাস্তবায়ন আরও সহজ ও কার্যকর হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

সভাপতির বক্তব্যে আ.ন.ম. মঈনুল কবীর বলেন, নগদবিহীন লেনদেন ব্যবস্থা দেশের আর্থিক খাতে গতি আনবে এবং নিরাপত্তা জোরদার করবে। বাংলা কিউআরসহ আধুনিক পেমেন্ট সিস্টেম সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে বড় ভূমিকা রাখছে।

বিশেষ অতিথিরা বলেন, ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার বিস্তার গ্রাম ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকেও মূলধারার অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করবে। এর মাধ্যমে একটি স্মার্ট, স্বচ্ছ ও টেকসই অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

ইউসিবির ডিএমডি ও সিওও মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, গ্রাহকদের জন্য নিরাপদ, দ্রুত ও সহজ ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করতে ইউসিবি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ক্যাশলেস লেনদেন বাড়লে দুর্নীতি হ্রাস, রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি এবং সামগ্রিকভাবে অর্থনীতির গতি বাড়বে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সেমিনার শেষে মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যাংকের স্থাপিত বুথে অংশগ্রহণকারীদের বাংলা কিউআর কোডসহ বিভিন্ন ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতির ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ ও ধারণা দেওয়া হয়। এই কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং অন্যান্য অংশীজনদের মধ্যে নগদবিহীন লেনদেন সম্পর্কে আগ্রহ ও সচেতনতা আরও বেড়েছে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ইতিহাসে সর্বোচ্চ দামে সোনা, ভরিতে ছাড়াল ২ লাখ ৩৮ হাজার

দেশের সোনার বাজারে নতুন রেকর্ড তৈরি হলো। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে, যা কার্যকর হলে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হবে সোনা। ভরিতে সর্বোচ্চ চার হাজার ১৯৯ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে ভালো মানের সোনার দাম দুই লাখ ৩৮ হাজার টাকা ছাড়িয়ে গেছে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বাজুসের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। নতুন এই মূল্যহার আগামী মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) থেকে দেশের সব জুয়েলারি দোকানে কার্যকর হবে।

বাজুস জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে স্থানীয় বাজারে। বৈশ্বিক দামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে দেশের বাজারেও সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক স্বর্ণবাজার বিশ্লেষণকারী নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস ডট ওআরজি সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম চার হাজার ৬৭০ ডলার ছাড়িয়েছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। বৈশ্বিক এই মূল্যবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকায় দেশের বাজারেও দাম বাড়ানো ছাড়া বিকল্প ছিল না বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৯ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনা কিনতে লাগবে দুই লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ধরা হয়েছে এক লাখ ৯৫ হাজার ৪৩০ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম এক ভরিতে দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা।

সোনার পাশাপাশি রুপার দামেও ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। নতুন দামে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হবে ৬ হাজার ২৪০ টাকায়। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা। ১৮ ক্যারেটের রুপা প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা।

দাম বাড়ায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই বিয়ের মৌসুম ও উৎসব সামনে রেখে সোনা কেনার পরিকল্পনা পিছিয়ে দিচ্ছেন। অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব থাকায় এই দাম বৃদ্ধি আপাতত অনিবার্য।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




আবাসন ও সেমিকন্ডাক্টরে নামছে এসিআই

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের প্রতিষ্ঠান অ্যাডভান্স কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (এসিআই) পিএলসি নতুন দুই খাতে ব্যবসা সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ব্যবসায় বৈচিত্র্য আনা ও দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আবাসন এবং সেমিকন্ডাক্টর খাতে বিনিয়োগের উদ্যোগ নিচ্ছে কোম্পানিটি। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে দুটি নতুন সহযোগী প্রতিষ্ঠান গঠন করা হবে।

এসিআইয়ের পরিচালনা পর্ষদের সাম্প্রতিক সভায় নতুন এই ব্যবসা শুরুর প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের বিষয়টি জানানো হয়। নতুন সহযোগী প্রতিষ্ঠান দুটি হলো এসিআই প্রপার্টিজ লিমিটেড এবং এসিআই সেমিকন্ডাক্টর লিমিটেড। এই দুই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেই নতুন ব্যবসাগুলো পরিচালিত হবে।

তথ্য অনুযায়ী, এসিআই প্রপার্টিজ লিমিটেডের অনুমোদিত মূলধন নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ কোটি টাকা এবং প্রাথমিকভাবে পরিশোধিত মূলধন থাকবে ১০ কোটি টাকা। প্রতিষ্ঠানটির মোট শেয়ারের ৮৫ শতাংশ মালিকানা থাকবে মূল কোম্পানি এসিআই পিএলসির হাতে। দেশের আবাসন খাত ধীরে ধীরে বড় বাজারে পরিণত হওয়ায় এই খাতে প্রবেশের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ঢাকা ও ঢাকার বাইরেও আবাসন ব্যবসার চাহিদা বাড়ছে, ফলে ব্র্যান্ডভিত্তিক আবাসন প্রতিষ্ঠানের জন্য সুযোগ তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছে কোম্পানি সংশ্লিষ্টরা।

অন্যদিকে, এসিআই সেমিকন্ডাক্টর লিমিটেডও একই কাঠামোয় গঠিত হবে। এ প্রতিষ্ঠানের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ১০ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এখানেও এসিআইয়ের মালিকানা থাকবে ৮৫ শতাংশ। প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে সেমিকন্ডাক্টরের গুরুত্ব দ্রুত বাড়ছে। স্মার্টফোন, ইন্টারনেট ডিভাইস, গাড়ি, গৃহস্থালি ইলেকট্রনিক পণ্য থেকে শুরু করে আধুনিক শিল্পের প্রায় সব ক্ষেত্রেই সেমিকন্ডাক্টরের ব্যবহার অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।

বর্তমানে বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর বাজারের আকার কয়েকশ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে এবং এই বাজার আরও সম্প্রসারিত হচ্ছে। বাংলাদেশে এখনো এই খাতে বড় পরিসরে বিনিয়োগ শুরু না হলেও ধীরে ধীরে দেশীয় উদ্যোক্তারা এগিয়ে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় এসিআইয়ের মতো বড় শিল্পগোষ্ঠীর এই খাতে প্রবেশকে সম্ভাবনাময় হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রসঙ্গত, এসিআই গ্রুপ বর্তমানে ওষুধ, কৃষি, ভোগ্যপণ্য, অটোমোবাইল, সুপারশপ, স্বাস্থ্যসেবা ও এভিয়েশনসহ বিভিন্ন খাতে ব্যবসা পরিচালনা করছে। দেশে ও বিদেশে মিলিয়ে এসিআই গ্রুপের অধীনে রয়েছে একাধিক কোম্পানি এবং যৌথ বিনিয়োগের মাধ্যমেও তারা বিভিন্ন শিল্পে যুক্ত আছে। নতুন এই দুই সহযোগী প্রতিষ্ঠান চালুর মাধ্যমে এসিআইয়ের ব্যবসায়িক পরিধি আরও বিস্তৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ইন্ট্রাকোর দুই সহযোগী প্রতিষ্ঠান নিয়ে অনিশ্চয়তা, নিরীক্ষকের সতর্ক বার্তা

জ্বালানি খাতের তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশন পিএলসির অধীনে থাকা দুটি সহযোগী কোম্পানির ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুতর শঙ্কা প্রকাশ করেছেন কোম্পানিটির নিরীক্ষক। দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম বন্ধ থাকায় এসব সহযোগী প্রতিষ্ঠানের টিকে থাকা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে সদ্য সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে।

ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশনের আর্থিক প্রতিবেদন নিরীক্ষার দায়িত্বে ছিলেন আহসান মঞ্জুর অ্যান্ড কোম্পানি চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসের ম্যানেজিং পার্টনার মো. রাগিব আহসান। একই সঙ্গে তিনি ইন্ট্রাকোর সহযোগী প্রতিষ্ঠান আবসার অ্যান্ড ইলিয়াস এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেড এবং ইন্ট্রাকো অটোমোবাইলস লিমিটেডের হিসাবও নিরীক্ষা করেন। সেখানে নিরীক্ষকের মতামতে এই দুই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ থাকা এবং আর্থিক অবস্থার দুর্বলতার কারণে ভবিষ্যৎ কার্যক্রম চালু রাখা নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

আবসার অ্যান্ড ইলিয়াস এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেডে ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশনের মালিকানা রয়েছে প্রায় ৯৫ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর থেকে এর কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে আর্থিক ফলাফলেও। সর্বশেষ হিসাব বছরে কোম্পানিটি প্রায় ৫৬ লাখ টাকার লোকসান গুনেছে। নিরীক্ষক প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠানটির টিকে থাকা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করা হলেও ইন্ট্রাকো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতে কার্যক্রম পুনরায় চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

অন্যদিকে ইন্ট্রাকো অটোমোবাইলস লিমিটেডেও ইন্ট্রাকোর মালিকানা ৯৫ শতাংশ। জমির মালিকের সঙ্গে ইজারা চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় ২০২৫ সালের মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে এই সহযোগী কোম্পানিটির কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে করা বিনিয়োগ অন্য একটি নন-পাইপ গ্যাসলাইন ইউনিটে স্থানান্তরের বিষয়ে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইন্ট্রাকোর পরিচালনা পর্ষদ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশনের সাম্প্রতিক আর্থিক চিত্রও বিনিয়োগকারীদের জন্য কিছুটা সতর্কবার্তা দিচ্ছে। অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় দাঁড়িয়েছে ২১ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ছিল ২৬ পয়সা। একই সময়ে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৪৫ পয়সায়।

২০২৪-২৫ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১ দশমিক ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। ওই বছরে ইন্ট্রাকোর শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৮৬ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরে ছিল ৮৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য দাঁড়ায় ১৩ টাকা ২৪ পয়সায়।

এর আগের ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে কোম্পানিটি উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদান করে। সে সময় শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৮৮ পয়সা, যেখানে তার আগের বছরে এই আয় ছিল ১ টাকা ২৯ পয়সা।

২০১৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশনের অনুমোদিত মূলধন ১৫০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৯৮ কোটি ২৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা। কোম্পানিটির রিজার্ভে রয়েছে ৩২ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৯ কোটি ৮২ লাখ ৩২ হাজার ৭৫০টি। এর মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে রয়েছে প্রায় ৩০ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ শেয়ার। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২২ দশমিক ৯২ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে প্রায় ৪৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ শেয়ার।

বিশ্লেষকদের মতে, সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর দীর্ঘদিনের কার্যক্রম বন্ধ থাকা এবং নিরীক্ষকের এমন সতর্ক মন্তব্য ইন্ট্রাকোর সামগ্রিক ঝুঁকির দিকটি নতুন করে সামনে এনেছে। ভবিষ্যতে এসব প্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবনে কতটা সফল হয়, সেদিকেই এখন নজর বিনিয়োগকারীদের।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বাংলাদেশে এলো ইয়ামাহার হাইব্রিড বাইক

অটোমোবাইল দুনিয়ায় বহুল আলোচিত  প্রযুক্তি এবার মোটরসাইকেল খাতে নতুন মাত্রা যোগ করল। ইয়ামাহা ও এসিআই মোটরসের যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশের বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে ইয়ামাহার অত্যাধুনিক এফজেড-এস হাইব্রিড মোটরসাইকেল। দীর্ঘদিন ধরে প্রযুক্তিপ্রেমী ও বাইক ব্যবহারকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রে থাকা এই মডেলটি অবশেষে দেশের বাজারে উন্মোচিত হওয়ায় তৈরি হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে ইয়ামাহা বাংলাদেশের একমাত্র পরিবেশক এসিআই মোটরস এই নতুন হাইব্রিড মোটরসাইকেলের ঘোষণা দেয়। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আধুনিক প্রযুক্তি ও জ্বালানি সাশ্রয়ী সমাধানকে গুরুত্ব দিয়েই এই বাইকটি ডিজাইন করা হয়েছে, যা দেশের মোটরসাইকেল বাজারে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।

ইয়ামাহা এফজেড-এস হাইব্রিডে ব্যবহার করা হয়েছে উন্নত হাইব্রিড ইঞ্জিন প্রযুক্তি। এতে তেলচালিত ইঞ্জিনের পাশাপাশি ব্যাটারির সমন্বয় থাকায় জ্বালানি খরচ কমে আসে উল্লেখযোগ্যভাবে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি অনুযায়ী, এই প্রযুক্তির ফলে সাধারণ মোটরসাইকেলের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত জ্বালানি সাশ্রয় সম্ভব। একই সঙ্গে দ্রুত পিকআপ, মসৃণ গতি এবং আরামদায়ক রাইডিং অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে বাইকটি।

পরিবেশবান্ধব দিকটিও এই মডেলের অন্যতম বড় আকর্ষণ। হাইব্রিড প্রযুক্তির কারণে কার্বন নিঃসরণ তুলনামূলকভাবে কম হয়, যা পরিবেশ সুরক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। শহরের যানজটে নিয়মিত চলাচলকারী রাইডারদের জন্য এটি একটি কার্যকর সমাধান হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

বাইকটির ফিচারের দিক থেকেও রয়েছে আধুনিকতার ছোঁয়া। এতে সংযুক্ত করা হয়েছে ৪.২ ইঞ্চির ফুল টিএফটি ডিজিটাল ডিসপ্লে, যেখানে গিয়ার ইন্ডিকেটরসহ প্রয়োজনীয় সব তথ্য দেখা যাবে। রয়েছে টার্ন-বাই-টার্ন নেভিগেশন সুবিধা, এলইডি হেডলাইট, টেললাইট ও ইন্ডিকেটর। পাশাপাশি স্টপ অ্যান্ড স্টার্ট সিস্টেম থাকায় ট্রাফিক সিগন্যালে বারবার বাইক বন্ধ ও চালু করার ঝামেলা অনেকটাই কমে যাবে।

ইয়ামাহার ওয়াই-কানেক্ট ব্লুটুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে স্মার্টফোনের সঙ্গে বাইকটি সংযুক্ত করা যাবে। এর ফলে কল, নোটিফিকেশনসহ বিভিন্ন তথ্য রাইডার সহজেই ডিসপ্লেতে দেখতে পারবেন, যা আধুনিক রাইডিং অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও কোনো ছাড় দেওয়া হয়নি। ইয়ামাহা এফজেড-এস হাইব্রিডে রয়েছে এবিএস (ABS) এবং টিসিএস (TCS) সেফটি ফিচার, যা সাধারণত উন্নত মানের গাড়িতে দেখা যায়। এই প্রযুক্তিগুলো হঠাৎ ব্রেক কিংবা পিচ্ছিল রাস্তায় বাইকের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে সহায়তা করবে।

প্রাথমিকভাবে এই হাইব্রিড মোটরসাইকেলটি দুটি আকর্ষণীয় রঙে বাজারে আনা হয়েছে। রঙ দুটি হলো সায়ান মেটালিক গ্রে এবং রেসিং ব্লু। দেশের সব অনুমোদিত ইয়ামাহা শোরুমে প্রি-বুকিংয়ের মাধ্যমে বাইকটি সংগ্রহ করতে পারবেন আগ্রহী গ্রাহকরা।

উন্মোচন অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন জনপ্রিয় ব্যান্ড দলছুট-এর বাপ্পা মজুমদার, যা পুরো আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এসিআই মোটরসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুব্রত রঞ্জন দাস। এছাড়া অনলাইনে যুক্ত ছিলেন ইয়ামাহা মোটর ইন্ডিয়া সেলসের ডিরেক্টর হিরোশি সেতোগাওয়াসহ ইয়ামাহা ও এসিআই মোটরসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইয়ামাহার এই হাইব্রিড মোটরসাইকেল দেশের মোটরসাইকেল বাজারে প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। জ্বালানি সাশ্রয়, আধুনিক ফিচার এবং পরিবেশবান্ধব দৃষ্টিভঙ্গির কারণে এটি ভবিষ্যতে বাইকপ্রেমীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ইউনিমাসের প্রপার্টি ফেয়ার ২০২৬ শুরু, বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় সুযোগ

দেশের আবাসন ও রিয়েল এস্টেট খাতের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান ইউনিমাস হোল্ডিংস লিমিটেড তাদের বহুল আলোচিত ‘প্রপার্টি ফেয়ার ২০২৬’ আয়োজন করেছে। আধুনিক নগরজীবনের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রিমিয়াম আবাসন ও নিরাপদ বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরতেই এই বিশেষ আয়োজন। বৃহস্পতিবার ১৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই মেলা চলবে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

ঢাকার ধানমন্ডিতে অবস্থিত ইউনিমাস হোল্ডিংসের কর্পোরেট অফিসে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলাটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। মেলায় আগত দর্শনার্থীরা ইউনিমাসের বিভিন্ন প্রিমিয়াম আবাসিক প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন, যেখানে উন্নত নির্মাণমান, আধুনিক স্থাপত্যশৈলী এবং দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ সম্ভাবনাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

মেলা উপলক্ষে ইউনিমাস হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে ফেয়ার-এক্সক্লুসিভ অফার ও বিশেষ মূল্যছাড় ঘোষণা করা হয়েছে, যা আবাসন ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করেছে। পাশাপাশি, প্রপার্টি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করে দর্শনার্থীরা নিজেদের প্রয়োজন, বাজেট ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার সঙ্গে মিল রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

ইউনিমাসের একজন প্রতিনিধি জানান, এই প্রপার্টি ফেয়ারের মূল উদ্দেশ্য দর্শনার্থীদের স্বপ্নের আবাসনের আরও কাছাকাছি নিয়ে যাওয়া। আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন প্রিমিয়াম প্রকল্পগুলো এক জায়গায় উপস্থাপন করে ক্রেতাদের জন্য একটি স্বচ্ছ ও আস্থাভিত্তিক অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করাই তাদের লক্ষ্য।

তিনি আরও জানান, ইউনিমাস হোল্ডিংস শুধু আবাসন হস্তান্তরেই সীমাবদ্ধ নয়। প্রপার্টি ক্রয়ের প্রতিটি ধাপে ক্রেতাদের পূর্ণাঙ্গ সেবা দিতে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করছে। এর মধ্যে রয়েছে ভবন নির্মাণ, ডিজাইন কনসালটেন্সি, ইন্টেরিয়র সল্যুশন, রেনোভেশন ও মডিফিকেশন, লিগ্যাল ও লজিস্টিক সহায়তা, রেন্টাল সার্ভিস, বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট এবং প্রপার্টি রিসেল সুবিধা। হস্তান্তরের পরও দীর্ঘমেয়াদে গ্রাহকদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ইউনিমাস।

প্রপার্টি ফেয়ার ২০২৬-এর মাধ্যমে ইউনিমাস হোল্ডিংস আভিজাত্য ও সহজলভ্যতার মধ্যে একটি কার্যকর সেতুবন্ধন তৈরি করতে চায় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এই আয়োজন দর্শনার্থীদের ইউনিমাসের প্রকল্পগুলোর স্থাপত্যশৈলী, বিনিয়োগের নিরাপত্তা এবং আধুনিক জীবনযাত্রার সুবিধাগুলো বাস্তবভাবে বোঝার সুযোগ করে দেবে।

রিয়েল এস্টেট খাতে একটি পূর্ণাঙ্গ ও মানসম্মত অভিজ্ঞতা দিতে আয়োজিত এই প্রপার্টি ফেয়ার আবাসন খোঁজার পাশাপাশি স্মার্ট বিনিয়োগ এবং উন্নত লাইফস্টাইল পরিকল্পনায় আগ্রহীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ইবিএল চেয়ারম্যানের বিদেশি পাসপোর্ট ও অর্থ পাচার ঘিরে সিআইডির বিস্তৃত তদন্ত

ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি (ইবিএল)-এর চেয়ারম্যান মো. শওকত আলী চৌধুরীকে ঘিরে মানিলন্ডারিং অনুসন্ধান নতুন মাত্রায় প্রবেশ করেছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তাঁর ব্যক্তিগত ও পারিবারিক পরিচয়পত্র, দেশ-বিদেশে সম্পদ, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বিদেশে বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিস্তৃত নথি তলব করেছে।

সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট থেকে গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর জারি করা এক নোটিশে শওকত আলী চৌধুরী, তাঁর স্ত্রী, সন্তান ও নির্ভরশীল ব্যক্তিদের দেশি ও বিদেশি পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি, গত এক দশকের বিদেশ ভ্রমণের তথ্য, দেশে ও বিদেশে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের বিবরণ, আয়কর নথি, বিভিন্ন কোম্পানিতে মালিকানা ও শেয়ারহোল্ডিং তথ্য এবং বিদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক বা সরকারের অনুমোদনের কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে।

নোটিশে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এসব নথি সংগ্রহ করে সিআইডির মালিবাগ কার্যালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই তদন্তের মধ্যেই সামনে এসেছে শওকত আলী চৌধুরীর নামে ইস্যু হওয়া সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিসের একটি বিদেশি পাসপোর্টের তথ্য। তদন্ত সংশ্লিষ্টদের ধারণা, এই গোপন নাগরিকত্ব ব্যবহার করেই তিনি বিভিন্ন দেশে বিপুল অঙ্কের অর্থ পাচার করেছেন।

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, ইবিএলের চেয়ারম্যানকে ঘিরে অভিযোগগুলো বিচ্ছিন্ন নয়; বরং দীর্ঘদিন ধরে চলা আর্থিক অনিয়মের একটি ধারাবাহিক চিত্র। ব্যাংক রেকর্ড, কাস্টমস নথি ও বিদেশি সরকারি দলিল বিশ্লেষণ করে তদন্তকারীরা সন্দেহ করছেন, বিদেশে অর্থ স্থানান্তর ও অফশোর বিনিয়োগের পেছনে একটি সুসংগঠিত নেটওয়ার্ক সক্রিয় ছিল।

নথি অনুযায়ী, ২০১৬ সালে ইবিএল তাদের গ্রাহক ও শীর্ষ ঋণখেলাপি নাজমুল আবেদীনের মালিকানাধীন এ অ্যান্ড বি আউটওয়্যার লিমিটেডের নামে একটি শিল্প ঋণ অনুমোদন করে। ওই অর্থ ব্যবহার করে বন্ড সুবিধার আওতায় শুল্কমুক্তভাবে একটি বিলাসবহুল মার্সিডিজ বেঞ্জ এএমজি জি-৬৩ গাড়ি আমদানি করা হয়। যদিও নথিতে আমদানিকারক হিসেবে একটি শিল্প প্রতিষ্ঠানকে দেখানো হয়েছিল, অনুসন্ধানে জানা যায় গাড়িটি কখনোই শিল্পকারখানার কাজে ব্যবহৃত হয়নি।

সিইপিজেড সংশ্লিষ্ট সাবেক কাস্টমস কর্মকর্তা ও জ্যেষ্ঠ ব্যাংকারদের ভাষ্য অনুযায়ী, গাড়িটি শুরু থেকেই ইবিএল চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়েছে এবং তাঁর ছেলে নিয়মিত গাড়িটি চালাতেন। আরও জানা গেছে, দীর্ঘ সময় ভুয়া নম্বর প্লেট ব্যবহার করে গাড়িটি চলাচল করেছে, যাতে শুল্ক ও নিবন্ধন এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হয়।

এই ঘটনার সময়কাল মিলে যায় ইবিএলের একটি বড় ঋণ শ্রেণিকরণ সিদ্ধান্তের সঙ্গে। নাজমুল আবেদীনের মালিকানাধীন আরেক প্রতিষ্ঠান মাল্টি সাফ ব্যাগস লিমিটেডের কাছে ব্যাংকের পাওনা প্রায় ৯৯ কোটি টাকা থাকা সত্ত্বেও সেটিকে খেলাপি হিসেবে দেখানো হয়নি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশিকা উপেক্ষা করে ঋণটিকে কৃত্রিমভাবে নিয়মিত দেখানোর অভিযোগ উঠেছে।

তদন্তে আরও দেখা গেছে, এই ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ইবিএল চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সম্পৃক্ততা ছিল। করপোরেট নথিতে তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সহযোগীদের শেয়ারহোল্ডার হিসেবে উপস্থিতি পাওয়া গেছে, যা স্বার্থের সংঘাতের বিষয়টি আরও স্পষ্ট করেছে।

বিদেশি নথি বিশ্লেষণে তদন্তকারীরা লক্ষ্য করেছেন, শওকত আলী চৌধুরী ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডস, সিঙ্গাপুর ও দুবাইয়ে একাধিক অফশোর প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর করেছেন। এসব প্রতিষ্ঠান শেল কোম্পানি কাঠামোয় গঠিত বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সিঙ্গাপুর ল্যান্ড অথরিটির নথিতে দেখা যায়, শওকত আলী চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী যে ঠিকানায় সম্পত্তি নিবন্ধন করেছেন, একই ঠিকানা ব্যবহার করেছেন মানিলন্ডারিং মামলায় দণ্ডিত এক ব্যাংক ঋণখেলাপি, যা তদন্তে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্টদের মতে, বিদেশি পাসপোর্ট, অফশোর কোম্পানি, বিতর্কিত ঋণ সুবিধা এবং বিদেশে সম্পত্তি ক্রয়ের তথ্যগুলো একসূত্রে গাঁথা। এসব কারণেই সিআইডি এই অনুসন্ধানকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। তদন্তের পরিসর আরও বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




দেশে ভেনামি চিংড়ি চাষ স্থগিত করেছে সরকার

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :  আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা মো. মামুন হাসান স্বাক্ষরিত এক সংবাদবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় –

দেশে ভেনামি চিংড়ি চাষ স্থগিত করেছে সরকার।

ভেনামি চিংড়ি চাষের পরিবেশগত, সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব পর্যালোচনা এবং পরবর্তী করণীয় নির্ধারণের লক্ষ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে গত ৭ জানুয়ারি একটি উচ্চপর্যায়ের সভা হয়।সভায় জানানো হয়, ভেনামি চিংড়ি একটি আমদানিনির্ভর প্রজাতি। এর পোনা আমদানির কারণে রোগ সংক্রমণ, পরিবেশ দূষণ এবং দেশীয় বাগদা ও গলদা চিংড়িসহ স্থানীয় প্রজাতির ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে ভেনামি চিংড়ি চাষের অবাধ সম্প্রসারণ সমীচীন নয় বলে সভায় অভিমত দেয়া হয়।

আলোচনায় ভেনামি চিংড়ি চাষকে নিয়ন্ত্রিত, নিবিড় ও পরিবেশসম্মত পদ্ধতির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এছাড়া এরই মধ্যে অনুমোদনপ্রাপ্ত ভেনামি চাষীদের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে তদারকি ও চাষের শর্তাবলী যথাযথভাবে প্রতিপালন হচ্ছে কি না- তা সরেজমিন মূল্যায়নের নির্দেশনা দেয়া হয়। পাশাপাশি মূল্যায়ন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ভেনামি চিংড়ি চাষে পোনা আমাদানির নতুন ও বিদ্যমান সব অনুমোদন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সভায় আমদানিনির্ভর প্রজাতির পরিবর্তে দেশীয় বাগদা ও গলদা চিংড়ির উৎপাদন বৃদ্ধি এবং চাষ সম্প্রসারণে উপযুক্ত প্রকল্প গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।




এলপি গ্যাসে নিয়ন্ত্রণহীন বাজার, ভোক্তারা দিশেহারা

দেশজুড়ে এলপি গ্যাসের বাজারে ভয়াবহ অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার একের পর এক উদ্যোগ নিলেও বাস্তবে কোনো কার্যকর পরিবর্তন আসেনি বলে অভিযোগ উঠেছে। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সংকট যেমন বাড়ছে, তেমনি লাগামহীনভাবে ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে এলপি গ্যাসের দাম। ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের বড় একটি অংশ বলছে, সরকার বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে আনতে কার্যত ব্যর্থ।

খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ভ্যাট কমানো, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাসহ যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল, সেগুলো শুরুতেই থেমে গেছে। ফলে বাজারে এক ধরনের অরাজকতা তৈরি হয়েছে। অনেক জায়গায় নির্ধারিত মূল্যে এলপি গ্যাস মিলছে না, আবার কোথাও অতিরিক্ত দাম দিয়েও সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না।

এলপি গ্যাসের এই দীর্ঘস্থায়ী সংকটের প্রভাব পড়ছে পরিবহন খাতেও। বাংলাদেশ এলপিজি অটোগ্যাস স্টেশন অ্যান্ড কনভার্শন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রকৌশলী মো. সিরাজুল মাওলা জানান, সারাদেশে প্রায় এক হাজার এলপিজি অটোগ্যাস ফিলিং স্টেশন রয়েছে। এসব স্টেশনের মাসিক চাহিদা প্রায় ১৫ হাজার টন এলপিজি। অথচ ডিসেম্বর মাসে তারা সরবরাহ পেয়েছেন মাত্র ২০ শতাংশ। এতে এলপিজিনির্ভর যানবাহন স্বাভাবিকভাবে চলতে পারছে না। অনেক চালক বাধ্য হয়ে অকটেন ব্যবহার করছেন, যা ভবিষ্যতে অকটেন সংকট তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে এলপি গ্যাসের বাজারে নজিরবিহীন অস্থিরতা দেখা গেছে। সরকারি হিসাবে ১২ কেজি এলপি গ্যাসের দাম ১ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারিত থাকলেও বাস্তবে অনেক এলাকায় এই সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৯০০ টাকা থেকে শুরু করে ২ হাজার ৫০০ টাকায়। কোথাও কোথাও বেশি দাম দিয়েও রান্নার গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো চরম ভোগান্তিতে পড়েছে।

এই সংকটের পেছনে কে দায়ী, তা নিয়ে চলছে দোষারোপের রাজনীতি। খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, মূল সমস্যা সরবরাহে। অন্যদিকে সরকারের দাবি, সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে এবং কোনো ঘাটতি নেই। আমদানিকারকরাও একই কথা বলছেন। সরকার কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেয়। আমদানিকারকরাও কৃত্রিম সংকটের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের আহ্বান জানান।

এরই মধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি। তারা হয়রানির অভিযোগ তুলে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দেয়। ধর্মঘট শুরুর দিনই বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বৈঠক করে তাদের দাবি বিবেচনার আশ্বাস দেয়। পাশাপাশি আমদানি পর্যায়ে এলপিজির ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয় এবং ভোক্তা পর্যায়ের ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবুও বাজারে এর কোনো ইতিবাচক প্রভাব দেখা যায়নি।

এলপি গ্যাসের আগুন দামের বাস্তব চিত্র উঠে এসেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও। একজন সিনিয়র সাংবাদিক ফেসবুকে লেখেন, তিনি ১২ কেজির একটি গ্যাস সিলিন্ডার কিনেছেন ২ হাজার ১০০ টাকায়, তাও অনেক কষ্ট করে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, রান্না না হলে মানুষ খাবে কী। বাইরে খাওয়ার সুযোগও কম, কারণ গ্যাসের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হোটেল-রেস্তোরাঁর খাবারের দামও বেড়ে গেছে।

ভোক্তারা যখন চরম দুর্ভোগে, তখন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ একটি বিবৃতিতে দাবি করেছে, দেশে এলপিজির কোনো সংকট নেই। বিভাগটির তথ্য অনুযায়ী, নভেম্বর ২০২৫ মাসে এলপিজি আমদানি ছিল ১ লাখ ৫ হাজার মেট্রিক টন, যা ডিসেম্বর মাসে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার মেট্রিক টনে। অর্থাৎ আমদানি বাড়লেও বাজারে সংকটের কোনো যৌক্তিক কারণ নেই এবং দেশে পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

তবে বাস্তব চিত্র ভিন্ন বলেই মনে করছেন ভোক্তা ও বাজারসংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, আমদানি বাড়লেও সঠিক নজরদারি ও বাজার ব্যবস্থাপনার অভাবে এলপি গ্যাস সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এই সংকট আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




স্বর্ণে নতুন রেকর্ড, এক ভরি ছাড়াল ২ লাখ ২৭ হাজার

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিপ্রতি ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে। এতে করে দেশের বাজারে এক ভরি স্বর্ণের মূল্য পৌঁছেছে ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকায়, যা সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম সর্বোচ্চ দর।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বাজুসের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই মূল্যবৃদ্ধির তথ্য জানানো হয়। নতুন নির্ধারিত দাম আগামী রোববার (১১ জানুয়ারি) থেকে সারাদেশের বাজারে কার্যকর হবে।

বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা, ডলার বিনিময় হার এবং অভ্যন্তরীণ সরবরাহ পরিস্থিতিও দাম সমন্বয়ের ক্ষেত্রে বিবেচনায় রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়।

নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য ক্যারেটের স্বর্ণের দামও বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে দেশের বাজারে প্রতি ভরি ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৩৪ টাকা। ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি বিক্রি হবে ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৯ টাকায়। আর সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ভরিপ্রতি ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৩ টাকা।

এর আগে চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি বাজুস স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল। সে সময় ভরিপ্রতি ১ হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৬ হাজার ৮০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে আবারও দাম বাড়ায় ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।

স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা বলছেন, ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ ক্রেতারা কিছুটা চাপে পড়ছেন। বিশেষ করে বিয়ের মৌসুম সামনে থাকায় অনেকেই কেনাকাটা নিয়ে দ্বিধায় রয়েছেন। তবে বাজার পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে সামনে স্বর্ণের দামে আরও পরিবর্তন আসতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম