খাদ্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে মূল্যস্ফীতি হ্রাস

খাদ্যদ্রব্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণের কারণে দেশে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি ধীরে ধীরে কমছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ‘ইকোনমিক আপডেট অ্যান্ড আউটলুক (জুন-২০২৫)’ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালের মে মাসে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯.০৫ শতাংশে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চাল, মাছ ও ফলমূলের দাম বেড়ে গেলেও সামগ্রিকভাবে খাদ্যদ্রব্যের দাম কিছুটা স্থিতিশীল হওয়ায় মূল্যস্ফীতি কমেছে। রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি ও বিনিময় হার স্থিতিশীল থাকায় দেশের বৈদেশিক খাতও মজবুত হয়েছে, যদিও এপ্রিল মাসে রপ্তানিতে কিছুটা ধীরগতি দেখা গেছে।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেটকে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার বাজেট হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বাজেট ঘোষণার পর পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, “এই বাজেটের মূল লক্ষ্য অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং ঋণের দুষ্টচক্র ভাঙা।”
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০২৩ সালের মাঝামাঝি থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত দুই অঙ্কে থাকা মূল্যস্ফীতি ছিল উদ্বেগের কারণ। তবে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি কমতে থাকায় সামগ্রিক পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে।
খাদ্যপণ্যের মধ্যে মূল্যস্ফীতিতে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে চাল (৪০%), এরপর রয়েছে মাছ (২৮%) ও ফলমূল (১২%)। মাঝারি চালের দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে, যেখানে আলু ও মুরগির মাংসের দাম কমে মূল্যস্ফীতি কমাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
এছাড়া আবাসন, তৈরি পোশাক ও পরিবহন খাতেও মূল্যস্ফীতির গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রয়েছে।








