স্টার্টআপ বিনিয়োগে বাংলাদেশ ব্যাংকে ৭ কোটি টাকার চেক দিল এনআরবিসি ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী গঠিত ‘বাংলাদেশ স্টার্টআপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি পিএলসি’ গঠন ও পরিচালনাকে এগিয়ে নিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ৭ কোটি ৫ লাখ ৭৪ হাজার ৪২০ টাকার চেক হস্তান্তর করেছে এনআরবিসি ব্যাংক। দেশের স্টার্টআপ খাতকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে নেওয়া এই উদ্যোগে অংশ নিয়ে ব্যাংকটি তাদের সহযোগিতার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমইএসপিডির পরিচালক নওশাদ মুস্তাফার হাতে এই চেক তুলে দেন এনআরবিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মো. তৌহিদুল আলম খান। এ সময় এনআরবিসি ব্যাংকের ক্রেডিট ম্যানেজমেন্ট ডিভিশনের প্রধান তনুশ্রী মিত্র এবং এসএমই ফাইন্যান্সিং ডিভিশনের শেখ আহসানুল হক উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এনআরবিসি ব্যাংক জানায়, নতুন উদ্যোক্তা তৈরি ও বিদ্যমান উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের এই উদ্যোগকে তারা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। স্টার্টআপ বিনিয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উদ্ভাবনী উদ্যোগ বিকাশ এবং দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করাই এ ধরনের উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী ও টেকসই স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে এনআরবিসি ব্যাংক শুরু থেকেই সহযোগী ভূমিকা রেখে চলেছে। ভবিষ্যতেও উদ্যোক্তাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের প্রসারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে ব্যাংকটি।

ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই ধরনের বিনিয়োগ উদ্যোগ দেশের স্টার্টআপ খাতকে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে আনতে সহায়ক হবে এবং নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য অর্থায়নের সুযোগ আরও সম্প্রসারিত করবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




মার্কিন শুল্ক কমার ইঙ্গিতে চাঙা ভারতের শেয়ারবাজার

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বহুল আলোচিত বাণিজ্যচুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার ইঙ্গিতে ভারতের শেয়ারবাজারে বড় ধরনের উত্থান দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণার পরপরই বিনিয়োগকারীদের আস্থা বেড়ে যায়, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ (বিএসই) ও ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে (এনএসই)।

ট্রাম্প জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত চুক্তি কার্যকর হলে ভারতীয় পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হবে। বর্তমানে যেসব পণ্যে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হচ্ছে, তা কমে প্রায় ১৮ শতাংশে নামিয়ে আনার কথা বলা হচ্ছে। এই খবরে ভারতীয় বাজারে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়।

বাজারসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার লেনদেন চলাকালে বিএসইর প্রধান সূচক সেনসেক্স একপর্যায়ে প্রায় ৩ হাজার ৬৫৭ পয়েন্ট বেড়ে ৮৫ হাজার ৩২৩ পয়েন্টে পৌঁছায়। দিন শেষে কিছুটা সংশোধনের পর সূচকটি ৮৩ হাজার ৪৭৯ পয়েন্টে অবস্থান নেয়। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালেও ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত থাকে। বেলা ১১টা পর্যন্ত সেনসেক্স আরও ৬৮ পয়েন্ট বেড়ে ৮৩ হাজার ৮১৬ পয়েন্টে দাঁড়ায়।

একইভাবে ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের নিফটি-৫০ সূচকেও উত্থান দেখা গেছে। মঙ্গলবার লেনদেনের একপর্যায়ে সূচকটি ২৬ হাজার ৩০৮ পয়েন্টে উঠলেও দিন শেষে ২৫ হাজার ৭২৭ পয়েন্টে নেমে আসে। বুধবার বেলা ১১টা পর্যন্ত নিফটি-৫০ সূচক ৫২ পয়েন্ট বেড়ে ২৫ হাজার ৭৯৯ পয়েন্টে পৌঁছেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক সংক্রান্ত জটিলতা কাটার সম্ভাবনাই এই উত্থানের মূল কারণ। সম্প্রতি ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ইঙ্গিত দেন, চুক্তির অংশ হিসেবে ভারত যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল আমদানির বিষয়েও সম্মত হতে পারে। পাশাপাশি ভেনেজুয়েলার তেল কেনার সম্ভাবনার কথাও উঠে আসে। এর আগে রাশিয়া থেকে তেল কেনাকে কেন্দ্র করে ভারতীয় পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল।

হোয়াইট হাউসের একটি সূত্র জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র সেই অতিরিক্ত শুল্ক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ট্রাম্পের ঘোষণার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও দ্রুত বাণিজ্যচুক্তির কাঠামো চূড়ান্ত করার কথা জানিয়েছেন।

এদিকে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোরোও ভারতীয় গণমাধ্যমকে জানান, সরাসরি জরিমানা মওকুফের কথা না থাকলেও চুক্তি বাস্তবায়িত হলে ভারতের ওপর গড় শুল্কহার প্রায় ১৮ শতাংশে নেমে আসবে। এতে করে দক্ষিণ এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ভারত তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে যাবে। কারণ একই সময়ে পাকিস্তানের ওপর শুল্কহার ১৯ শতাংশ, বাংলাদেশের ওপর ২০ শতাংশ এবং চীনের ওপর ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক কার্যকর রয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা, চুক্তিটি বাস্তবায়িত হলে ভারতীয় রপ্তানি খাত আরও প্রতিযোগিতামূলক হবে। এর প্রভাব দীর্ঘমেয়াদে শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রবণতা ধরে রাখতে সহায়ক হতে পারে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




রেমিট্যান্সে চাঙ্গা রিজার্ভ, ছাড়াল ৩৩ বিলিয়ন ডলার

বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ডলার কেনা এবং চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রবাসীদের পাঠানো বিপুল অঙ্কের রেমিট্যান্সে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক গতি ফিরেছে। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, জানুয়ারি মাসে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন প্রায় ৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। একই সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী ডলার কেনার ফলে রিজার্ভ আরও শক্তিশালী হয়েছে। এসব মিলিয়ে ফেব্রুয়ারির শুরুতেই রিজার্ভে স্পষ্ট উল্লম্ফন দেখা গেছে।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ কিছুটা কম ধরা হয়, যা বর্তমানে ২৮ হাজার ৭৪৮ দশমিক ৯৫ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ২৮ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩২ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২৮ দশমিক ০২ বিলিয়ন ডলার। মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে উভয় হিসাবেই রিজার্ভ বৃদ্ধির প্রবণতা স্পষ্ট হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আইএমএফের নিয়ম অনুযায়ী নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ নির্ধারণ করা হয় বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে। মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় ও অন্যান্য বাধ্যবাধকতা বাদ দিলে যে পরিমাণ থাকে, সেটিকেই প্রকৃত রিজার্ভ হিসেবে গণ্য করা হয়। এই সূচকে রিজার্ভের অবস্থান উন্নতির দিকে থাকায় বৈদেশিক লেনদেন ও আমদানি ব্যয়ের চাপ সামাল দেওয়ার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সক্ষমতা বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অর্থনীতিবিদদের মতে, প্রবাসী আয়ে ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে এবং রপ্তানি আয়ের গতি স্বাভাবিক থাকলে আগামী মাসগুলোতে রিজার্ভ আরও স্থিতিশীল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে আস্থা বাড়বে এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




জুলাই গ্রাফিতিতে নতুন ১০ টাকার নোট, বাজারে আসছে আজ

বাংলাদেশের মুদ্রা ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করতে জুলাই গ্রাফিতি সংবলিত ১০ টাকার নতুন নোট বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, আজ ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে এ নোট আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচলনে আসছে। সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপত্য’ শীর্ষক নতুন নোট সিরিজের আওতায় বিভিন্ন মূল্যমানের কাগুজে নোট ছাপানোর কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এই সিরিজে ১০০০, ৫০০, ২০০, ১০০, ৫০, ২০, ১০, ৫ ও ২ টাকা মূল্যমানের নোট অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এরই মধ্যে ১০০০, ৫০০, ১০০, ৫০ ও ২০ টাকার নতুন নোট বাজারে এসেছে। ধারাবাহিকভাবে এবার যুক্ত হচ্ছে নতুন নকশার ১০ টাকার নোট।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ. মনসুরের স্বাক্ষরযুক্ত এই নোটটি প্রথম ধাপে ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে মতিঝিলে অবস্থিত বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে ইস্যু করা হবে। পরবর্তীতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যান্য অফিসের মাধ্যমেও নতুন নোটটি সরবরাহ করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্পষ্ট করেছে, নতুন ১০ টাকার নোট চালু হলেও বর্তমানে প্রচলিত সব কাগুজে নোট ও ধাতব মুদ্রা আগের মতোই বৈধ থাকবে। ফলে সাধারণ মানুষের লেনদেনে কোনো ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হবে না। পাশাপাশি মুদ্রা সংগ্রাহকদের জন্য বিশেষভাবে ১০ টাকার স্পেসিমেন নোটও ছাপানো হয়েছে। এসব নমুনা নোট বিনিময়যোগ্য নয় এবং আগ্রহীরা নির্ধারিত মূল্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের মিরপুরে অবস্থিত টাকা জাদুঘর বিভাগ থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন।

নতুন ১০ টাকার নোটটির দৈর্ঘ্য ১২৩ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ৬০ মিলিমিটার। নোটের সামনের অংশের বাম পাশে রয়েছে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের ছবি। মাঝখানে ব্যাকগ্রাউন্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে পাতা ও কলিসহ প্রস্ফুটিত জাতীয় ফুল শাপলার নান্দনিক নকশা। নোটের পেছনের অংশে স্থান পেয়েছে ‘গ্রাফিতি–২০২৪’-এর চিত্র, যা সাম্প্রতিক সময়ের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রকাশভঙ্গিকে তুলে ধরে। পুরো নোট জুড়ে গোলাপি রঙের আধিক্য চোখে পড়বে।

নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যের দিক থেকেও নতুন নোটে যুক্ত করা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তি। নোটের জলছাপে দেখা যাবে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ, তার নিচে ইলেকট্রোটাইপে ‘১০’ সংখ্যা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম। সম্মুখভাগে রয়েছে ২ মিলিমিটার চওড়া নিরাপত্তা সুতা, যেখানে ‘$10 দশ টাকা’ লেখা আছে। আলোতে ধরলে সুতাটি স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয় এবং নোট নড়াচড়া করলে এর রং লাল থেকে সবুজে পরিবর্তিত হয়।

এছাড়া গভর্নরের স্বাক্ষরের ডান পাশে ‘সি-থ্রু ইমেজ’ প্রযুক্তিতে একটি বিশেষ প্যাটার্ন সংযোজন করা হয়েছে, যা আলোয় ধরলে ‘১০’ অঙ্কটি পরিষ্কারভাবে দেখা যায়। নোটের সম্মুখভাগে ‘বাংলাদেশ ব্যাংক’ লেখার নিচে এবং পেছনের নির্দিষ্ট অংশে মাইক্রোপ্রিন্টিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা নোট জালিয়াতি রোধে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

নতুন এই নোট বাজারে আসার মাধ্যমে দেশের মুদ্রা ব্যবস্থায় নান্দনিকতা ও নিরাপত্তার সমন্বয় আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




গ্যাসের ঘাটতি বড় সংকটের ইঙ্গিত, সামনে কঠিন সময় আসতে পারে: ড. ম. তামিম

দেশে গ্যাসের সরবরাহ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে সামনে বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের (আইইউবি) উপাচার্য ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. ম. তামিম। তিনি বলেন, এই সংকট সামাল দেওয়া সহজ হবে না এবং এর প্রভাব সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় কষ্টদায়ক হতে পারে।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘জ্বালানির জন-মালিকানাঃ বাংলাদেশের ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তরে নাগরিক ইশতেহার’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ১৫৫টি সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত জেটনেট-বিডি এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

ড. ম. তামিম দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কিছু বাস্তবধর্মী পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। তিনি অফিস সময় এগিয়ে আনার প্রস্তাব দিয়ে বলেন, অফিস সময় আগেভাগে শুরু ও শেষ হলে মানুষ দ্রুত বাসায় ফিরতে পারবে। এতে সন্ধ্যা সময়ে বিদ্যুতের ব্যবহার কমবে এবং চাপ কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।

তিনি জেটনেট-বিডির প্রস্তাবিত ১৪ দফা নাগরিক ইশতেহারের সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেন, বাংলাদেশে প্রকৃত অর্থে সমন্বিত ও কার্যকর জ্বালানি রূপান্তর নীতির অভাব রয়েছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে সরকার যতটা সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার প্রয়োজন ছিল, তা এখনো দৃশ্যমান নয়। প্রাথমিক পর্যায়ে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া এই খাতে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ড. তামিম আরও বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে দেশের বিভিন্ন পরিকল্পনায় ভিন্ন ভিন্ন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতি ২০০৮, অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা এবং প্রস্তাবিত নবায়নযোগ্য নীতি ২০২৫—এই নীতিগুলোর মধ্যে কোনো স্পষ্ট সামঞ্জস্য নেই। এতে নীতিগত সমন্বয়হীনতা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. ইজাজ হোসেন বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির বর্তমান অগ্রগতির ধারা আশাব্যঞ্জক নয়। ২০৬০ সালের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্য বাস্তবায়ন ২১০০ সালেও সম্ভব হবে কি না, তা নিয়েই সন্দেহ রয়েছে। তিনি বলেন, নতুন নতুন পরিকল্পনা ঘোষণা করা হলেও সেগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যরাও অনেক সময় অবগত থাকেন না। সঠিক পরিকল্পনা ছাড়া লক্ষ্য অর্জন কঠিন, এজন্য নাগরিক পর্যায় থেকে চাপ বজায় রাখা জরুরি।

চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভের সিইও এম জাকির হোসেন খান বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর অনেক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু বাস্তব চিত্র হতাশাজনক। দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া সত্ত্বেও আদানি ও সামিটের সঙ্গে করা চুক্তিগুলো বাতিল না করে ভবিষ্যৎ সরকারের জন্য রেখে দেওয়া হয়েছে। তিনি এসব চুক্তি দ্রুত বাতিলের দাবি জানান।

আইইইএফএ-এর প্রধান বিশ্লেষক শফিকুল আলম বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিদ্যুৎ উৎপাদনের গড় খরচ বেড়ে ১২ টাকা ১০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের অংশ ১০.৭ শতাংশ। এর মধ্যে মাত্র ৫ শতাংশ তেলভিত্তিক কেন্দ্র নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর করা গেলে উৎপাদন খরচ কমে ১১ টাকায় নামিয়ে আনা সম্ভব বলে তিনি জানান।

অনুষ্ঠানে একশনএইড বাংলাদেশের ম্যানেজার (জাস্ট এনার্জি ট্রানজিশন) আবুল কালাম আজাদ জ্বালানি রূপান্তরে প্রস্তাবিত ১৪ দফা নাগরিক ইশতেহার উপস্থাপন করেন। এতে নেট জিরো লক্ষ্যসহ রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি জনগণের প্রত্যাশা তুলে ধরা হয়।

একশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির বলেন, এই ১৪ দফা প্রস্তাবনা রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে পাঠানো হবে। পাশাপাশি দেশের প্রতিটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের কাছেও এটি পৌঁছে দেওয়া হবে, যেখানে স্থানীয় জনগণের প্রত্যাশাও যুক্ত থাকবে।


আল-আমিন



ডিজেল, পেট্রোল, কেরোসিন ও অকটেনের দাম লিটার প্রতি ২ টাকা কমলো

দেশে জ্বালানি তেলের দাম লিটার প্রতি ২ টাকা হ্রাস করা হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, এই নতুন দাম ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

নতুন দামের বিবরণ অনুযায়ী:

  • ডিজেল: ১০২ টাকা থেকে কমিয়ে ১০০ টাকা
  • কেরোসিন: ১১৪ টাকা থেকে কমিয়ে ১১২ টাকা
  • পেট্রোল: ১১৮ টাকা থেকে কমিয়ে ১১৬ টাকা
  • অকটেন: ১২২ টাকা থেকে কমিয়ে ১২০ টাকা

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ভর্তুকি প্রদান থেকে বের হয়ে আসার সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি জারি করা হয়েছে “জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকা”। এর মাধ্যমে মার্চ থেকে জ্বালানি তেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমন্বয় করা হচ্ছে।

বিশ্ববাজারে ডিজেলের দাম বেশি হলেও দেশের ব্যক্তিগত যানবাহনে বেশি ব্যবহৃত পেট্রোল ও অকটেনকে বিলাসী দ্রব্য হিসেবে ধরে রাখা হয়। এজন্য অকটেনের দাম নির্ধারণে ডিজেলের সঙ্গে লিটার প্রতি ন্যূনতম ১০ টাকা পার্থক্য বজায় রাখার জন্য ‘α’ ফ্যাক্টর প্রযোজ্য হয়।

দেশে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ইতিহাস উল্লেখযোগ্য। ২০২২ সালের ৫ আগস্ট বিপিসি লিটার প্রতি ডিজেল ও কেরোসিন ৩৪ টাকা এবং পেট্রোল ও অকটেন ৪৬ টাকা বৃদ্ধি করেছিল। তখন ডিজেল ও কেরোসিনের দাম ১১৪ টাকা, পেট্রোল ও অকটেন ১৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। সেই সময় গণপরিবহনের ভাড়া সর্বোচ্চ ২২ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। এর আগের নটিশ অনুযায়ী ২০২১ সালের নভেম্বর ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটার প্রতি ৬৫ টাকা থেকে ৮০ টাকায় উন্নীত করা হয়েছিল, তখনও গণপরিবহনের ভাড়া প্রায় ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি পায়।

মূলত আন্তর্জাতিক বাজারের দাম ও ভর্তুকি নীতি পরিবর্তনের কারণে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে দেশীয় ভোক্তাদের জন্য জ্বালানি তেলের দাম নিয়মিত সমন্বয় করা হচ্ছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




স্বর্ণের দাম আবার বাড়ল, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৯ টাকা

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবার বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। মাত্র ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দাম ভরিতে এক লাফে ৪ হাজার ৮২ টাকা বাড়ানো হয়েছে। নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ পড়বে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৯ টাকা

বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকে কার্যকর হবে।

নতুন দাম অনুযায়ী অন্যান্য ক্যারেটের স্বর্ণের দামও বাড়ানো হয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি এখন পড়বে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯১৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১২ হাজার ৫১৮ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৩ হাজার ৯১০ টাকা

এর আগে একই দিনে সকালে বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। তখন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ১৫ হাজার ৭৪৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। অন্য ক্যারেটের দামও কমানো হয়েছিল— ২১ ক্যারেট ২ লাখ ৪৪ হাজার ১১ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ৯ হাজার ১৩৬ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতি ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৬৯ টাকা

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক স্বর্ণের মূল্যবৃদ্ধি এবং দেশের বাজারে চাহিদা বৃদ্ধির কারণে এই দ্রুত পরিবর্তন ঘটেছে। বিনিয়োগকারীদের জন্য স্বর্ণ এখন আবার আকর্ষণীয় হতে পারে, তবে দাম ওঠানামার ফলে সাবধানতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ফাস ফাইন্যান্স শেয়ার সপ্তাহের সর্বোচ্চ পতনের শীর্ষে

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এ বিদায়ী সপ্তাহে (২৫-২৯ জানুয়ারি, ২০২৬) লেনদেনে অংশ নেওয়া কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে আর্থিক খাতের ফাস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড-এর শেয়ারের দাম সবচেয়ে বেশি কমেছে। বিনিয়োগকারীদের কম আগ্রহের কারণে কোম্পানিটির শেয়ার ডিএসইর সাপ্তাহিক দাম কমার তালিকার শীর্ষে উঠেছে।

ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনা সূত্রে জানা গেছে, বিদায়ী সপ্তাহে ফাস ফাইন্যান্সের শেয়ার দর ২৮.৭৪ শতাংশ কমেছে। আগের সপ্তাহের সমাপনী মূল্য ছিল ০.৮৭ টাকা, যা কমে দাঁড়িয়েছে ০.৬২ টাকায়। এই পতনের কারণে কোম্পানিটি সাপ্তাহিক তালিকার শীর্ষে অবস্থান করেছে।

এছাড়া, ডিএসইতে সাপ্তাহিক দাম কমার শীর্ষ তালিকায় অন্যান্য কোম্পানিগুলোর অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ। উল্লেখযোগ্যভাবে, পিপলস লিজিং শেয়ার দর ২৮.৭৪ শতাংশ, ফারইস্ট ফাইন্যান্স ১৭.২৮ শতাংশ, জেনারেশন নেক্সট ১১.৫৪ শতাংশ, রানারঅটোর ১০.৯৯ শতাংশ, এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন ৯.৯৪ শতাংশ, ভিএফএস থ্রেড ডাইং ৯.৮৪ শতাংশ, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং ৯.২৩ শতাংশ, প্রিমিয়ার লিজিং ৮.০৬ শতাংশ এবং জিকিউ বলপেন ৬.৬২ শতাংশ পতিত হয়েছে।

সপ্তাহের এই পতন বিনিয়োগকারীদের জন্য সতর্কবার্তা স্বরূপ। বিশেষ করে আর্থিক খাতের শেয়ারে দর কমার ফলে বাজারে সতর্কতা বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিনিয়োগকারীদের ধৈর্য ও বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা জরুরি, কারণ দীর্ঘমেয়াদে বাজারে ওঠানামা স্বাভাবিক।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




রিমার্কের আধুনিক প্যাকেজিং ইন্টারন্যাশনাল প্লাস্টিক ফেয়ারে আলোচিত

রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক প্লাস্টিক ফেয়ার-২০২৬ এ নজর কেড়েছে রিমার্ক এলএলসি ইউএসএ-এর অ্যাফিলিয়েটেড প্রতিষ্ঠান ‘রিমার্ক সুপার প্যাক’। ফেয়ারে তারা বিশ্বমানের অত্যাধুনিক প্রযুক্তির প্যাকেজিং প্রদর্শন করেছে, যা দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তা ও দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও প্রশংসা কুড়িয়েছে।

দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এসব প্যাকেজিং ও মোল্ড প্রদর্শন করে অংশগ্রহণকারীরা মুগ্ধ হয়েছেন। মেলায় বিপুল পরিমাণ অর্ডারের পাশাপাশি বিভিন্ন কোম্পানির উল্লেখযোগ্য মোল্ড অর্ডার নিশ্চিত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। অংশগ্রহণকারীরা জানিয়েছেন, এত উন্নত প্রযুক্তির প্যাকেজিং দেশে তৈরি করা সম্ভব বলে তারা অবাক।

রিমার্ক সুপার প্যাকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক সোহেল রানা বলেন, “সবশেষ প্রযুক্তির প্যাকেজিং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরাই আমাদের উদ্দেশ্য। দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীদের আগ্রহ দেখে আমরা অত্যন্ত আশাবাদী।”

প্যাকেজিং বিভাগের এডিশনাল এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর প্রকৌশলী সুমন সরকার জানান, “আমরা বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে আধুনিক ডিজাইন ও আকর্ষণীয় প্যাকেজিং উপস্থাপন করেছি। দেশীয় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান পর্যন্ত সবাই আমাদের পণ্য দেখে অভিভূত হয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েক শত অর্ডার কনফার্ম হয়েছে এবং আগ্রহ দেখিয়েছে হাজারের বেশি কোম্পানি।”

মোল্ড অ্যান্ড ডাই বিভাগের এডিশনাল এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. আলি রেজা বলেন, “আমাদের প্রদর্শিত প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী পণ্য অংশগ্রহণকারীর প্রত্যাশার বাইরে ছিল। দেশেই নিজের পছন্দমতো মোল্ড তৈরির সুবিধা আমরা সম্ভব করেছি। ইতিমধ্যে বিভিন্ন কোম্পানির অর্ডার কনফার্ম হয়েছে এবং আমরা আশা করি এই খাতে সর্বোচ্চ মানের সেবা প্রদান করতে পারব।”

রিমার্কের স্টলে আসা ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এরফানুল কবীর জানান, “আমি রীতিমতো অভিভূত হয়েছি। বিশেষ করে রিমার্কের নিওর, সিওডিল ও অন্যান্য পণ্যের প্যাকেজিং দেখে আমি ভেবেছিলাম এগুলো আমদানি করা হয়েছে। কিন্তু দেশেই এই মানের উৎপাদন সম্ভব, এটি সত্যিই আমাদের উৎসাহিত করেছে। এ ধরনের প্যাকেজিং ব্যবহার করলে আমাদের পণ্য রপ্তানিমুখী হওয়া সহজ হবে।”

বিপিজিএমইএ-এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট কে এম ইকবাল হোসেন বলেন, “রিমার্কের প্রদর্শিত প্যাকেজিং আন্তর্জাতিক মানের। কসমেটিকসসহ অন্যান্য খাতের প্যাকেজিং এই খাতকে আরও এগিয়ে নেবে।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




সুপার বোর্ড পার্টনার্স ফেস্টিভ্যাল থাইল্যান্ডে সফলভাবে অনুষ্ঠিত

সুপার বোর্ড-এর উদ্যোগে প্রথমবারের মতো থাইল্যান্ডে আয়োজিত হলো সুপার বোর্ড পার্টনার্স ফেস্টিভ্যাল-২০২৬। ১৫ থেকে ১৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত এই বিশেষ পার্টনার্স মিটে প্রায় ২০০ জন ব্যবসায়িক অংশীদার (ডিলার) অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সুপার বোর্ড-এর শীর্ষ ব্যবস্থাপনা সদস্যরা। আয়োজনের সময় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও বিনোদনমূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ পান অংশগ্রহণকারীরা। এর মধ্যে রয়েছে কোরাল আইল্যান্ড ভ্রমণ, প্যারাসেইলিং, স্কুবা ডাইভিং, পাতায়া বিচ ভ্রমণ, আন্তর্জাতিক রিভার ব্রিজ ও সাফারি, মেরিন ওয়ার্ল্ড ট্যুর।

ব্যবসায়িক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও সমন্বয় সাধনের জন্য ব্যাংককের অ্যাম্বাসেডর হোটেল কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ বিজনেস সেশন। ফেস্টিভ্যালের সমাপনী দিনে গত বছরের সেলস প্রোমোশনাল প্রোগ্রামের রিওয়ার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অংশীদারদের অবদানকে সম্মান জানানো হয়।

সুপার বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই পার্টনার্স ফেস্টিভ্যাল ব্যবসায়িক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় ও গতিশীল করবে। অংশীদারদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক সুযোগ তৈরি করতে এই আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম