বরগুনায় কোরবানির হাটে পশু বেশি, দাম কম – চাঁদাবাজিতে বিপাকে ব্যবসায়ীরা

বরগুনার আমতলী উপজেলায় ঈদুল আজহা সামনে রেখে কোরবানির পশুর হাটগুলোতে গরু, মহিষ ও ছাগলের সরবরাহ বেড়েছে। তবে চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত পশু থাকলেও দাম পড়েছে কম, আর চাঁদাবাজির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, আমতলীতে কোরবানির জন্য ৮ হাজার ৮১৩টি পশুর চাহিদা থাকলেও প্রস্তুত রয়েছে ৯ হাজার ৭০টি পশু। অতিরিক্ত সরবরাহ থাকলেও পাইকারি ক্রেতাদের অনুপস্থিতি ও পরিবহন পথে চাঁদাবাজির কারণে বাজারে দাম নিম্নমুখী।

আমতলীর গাজীপুর বন্দরের খ্যাতনামা গরু ব্যবসায়ী আলহাজ মাহবুবুর রহমান হাওলাদার জানান, “এই বছর গরুর সরবরাহ অনেক বেশি। দাম গত বছরের তুলনায় ৫ থেকে ১৫ হাজার টাকা কম। আমি ৫২টি গরু বিক্রি করেছি, লাভ খুবই কম। চাঁদাবাজির কারণে অনেকে আসতেই চায় না।”

তিনি আরও বলেন, “ঢাকায় পাঠানোর পথে ১০ হাজার টাকার মতো চাঁদা দিতে হচ্ছে। এতে লাভের সম্ভাবনা কমে যাচ্ছে।”

নেত্রকোনা ও নওগাঁ থেকে আসা গরু ব্যবসায়ীরা জানান, তারা সড়কে বারবার চাঁদা দিতে বাধ্য হচ্ছেন, যা সরাসরি ক্রেতাদের ওপর মূল্যবৃদ্ধির চাপ ফেলে।

এদিকে, বাজার পরিস্থিতির কারণে অনেক খামারি সরাসরি খামার থেকেই পশু বিক্রির দিকে ঝুঁকছেন। জিমি অ্যাগ্রো ভেট-এর মালিক আবুল বাশার নয়ন মৃধা বলেন, “আমার খামারে ১৭টি গরু রয়েছে। বাজারে না গিয়ে খামার থেকেই বিক্রি করছি।” খামারি জাহাঙ্গির জানান, “৮টি গরু আগেই বিক্রি হয়ে গেছে। ঈদের আগে দাম বাড়তে পারে, তবে আমি সে ঝুঁকি নিইনি।”

গরুর হাটের ইজারাদার আলাউদ্দিন মৃধা জানান, “বাজারে সরবরাহ ভালো। একটি হাটেই ৫০০ গরু বিক্রি হয়েছে। ঈদের সময় যত ঘনাবে, বিক্রিও বাড়বে।”

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুনিশ্চিত করতে প্রশাসন সক্রিয় রয়েছে। আমতলী থানার ওসি মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, “সব হাটে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। জাল টাকা শনাক্তে নজরদারি এবং চাঁদাবাজি রোধে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।”

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সাদেকুর রহমান জানান, পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বিশেষ মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রোকনুজ্জামান খান বলেন, “সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর নজরদারিতে রয়েছে।”


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




১৫ দিন প্রেমের পর বিয়ে, স্বামীর ঘরে ঝুলছিল নুসরাতের মরদেহ

বরগুনার বেতাগী উপজেলার চান্দখালী এলাকা থেকে নুসরাত বেগম (১৯) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৩ মে) সকালে বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. আবদুল হালিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নুসরাতের মরদেহ বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

নুসরাত বেগম চান্দখালী এলাকার মো. বাবু খানের স্ত্রী। বাবু খান চান্দখালী এলাকার শামীম খানের ছেলে। নুসরাতের বাবার বাড়ি জামালপুর জেলায়।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (২২ মে) বিকেল তিনটার দিকে বরগুনার বেতাগী উপজেলার চান্দখালী এলাকার একটি ঘর থেকে নুসরাতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঢাকার একটি গার্মেন্টসে কর্মরত অবস্থায় নুসরাতের সঙ্গে গত বছরের ৩ আগস্ট পরিচয় হয় এসি মেকানিক মো. বাবু খানের। এরপর তারা ১৮ আগস্ট বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে নুসরাতের সঙ্গে তার বাবা মায়ের যোগাযোগ ছিল না। বৃহস্পতিবার বিকেল নুসরাত গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশ গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে চান্দখালী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, “খবর পেয়ে নুসরাতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নুসরাতের বাবার বাড়ির লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বরগুনার যুবকের মৃত্যু, বাড়িতে শোকের ছায়া

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার রুহিতা গ্রামের প্রবাসী মোহাম্মদ খোকন ওরফে সুলতান হাওলাদার (৪০)। স্থানীয় সময় ২১ মে বুধবার বিকেল ৩টার দিকে রিয়াদের আল খারিজ সড়কের আজিজিয়া এলাকার রাবেয়া হাসপাতালের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হাসপাতালের দিকে যাওয়ার সময় রাস্তা পার হওয়ার মুহূর্তে একটি মাইক্রোবাস খোকনকে চাপা দেয় এবং প্রায় ২০০ গজ টেনে নিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

নিহত খোকনের বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের রুহিতা গ্রামে। তিনি ১০ বছর ধরে সৌদিতে একটি মিশরীয় কেমিক্যাল কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। তিন মাস আগে ছুটি কাটাতে দেশে এসেছিলেন। খোকনের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা জানান, কিছুদিন আগে তার হার্নিয়ার অপারেশন হয়, ড্রেসিং করাতে হাসপাতালে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু রাতে সৌদি আরব থেকে ফোনে তার মৃত্যুর খবর জানানো হয়।

এই মর্মান্তিক খবরে নিহতের পরিবারে চলছে শোকের মাতম। একমাত্র ১৩ বছরের কন্যা সন্তানকে নিয়ে হতবিহ্বল হয়ে পড়েছেন তার স্ত্রী।

সৌদি প্রবাসী আব্দুর রহমান মোল্লা জানান, স্থানীয় পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে হিমঘরে পাঠিয়েছে। কর্মস্থলের সহায়তায় লাশ দ্রুত দেশে পাঠানোর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

নিহতের পরিবার সরকারের কাছে মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




ভোলার জেলেরা এখনো বঞ্চিত প্রণোদনার চাল থেকে

সাগরে মাছ ধরার ওপর ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে গত ১৫ এপ্রিল। ইতিমধ্যে এক মাসেরও বেশি সময় পার হলেও ভোলার সরকারি তালিকাভুক্ত ৬৫ হাজার জেলে এখনো পাননি সরকার ঘোষিত প্রণোদনার চাল। এতে করে মানবেতর জীবনযাপন করছেন এসব জেলে পরিবার।

এই নিষেধাজ্ঞায় ভোলার ৭ উপজেলার জেলেরা তাদের ট্রলার ও জাল নিয়ে তীরে ফিরে এসেছেন। জাল মেরামত আর নৌকা সারাইয়ে ব্যস্ত সময় পার করলেও পরিবার চালাতে গিয়ে পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। অনেকের অভিযোগ, চাল বরাদ্দ এলেও তা প্রকৃত জেলেদের না দিয়ে দেওয়া হয় অন্য পেশার লোকদের হাতে। আবার অনেক জেলের নামই নেই নিবন্ধিত তালিকায়।

দৌলতখান উপজেলার জেলে ফারুক মাঝি বলেন, “আমাদের বরাদ্দের চালও আমাদের কাছে পৌঁছায় না। যারা বিতরণ করে, তারা নিজেদের মতো করে তালিকা বানিয়ে চাল বিতরণ করে। ফলে আমরা প্রকৃত জেলেরা বঞ্চিত থাকি।”

আরেক জেলে কাঞ্চন মাঝি বলেন, “সরকারি নিষেধাজ্ঞা মানছি, কাজ করছি না, আয় বন্ধ। কিন্তু চাল তো পাইনি। এনজিওর কিস্তি দিতে পারছি না, লোকজন এসে বাড়িতে দাঁড়িয়ে থাকে। কিভাবে চলবো?”

শহিদ মাঝি নামে আরেক জেলে বলেন, “নদীতে মাছ নাই, সাগরে যাওয়া নিষেধ, কিস্তি-ঋণ বেড়েই চলেছে। কেউ কেউ বাধ্য হয়ে নিষেধাজ্ঞা ভেঙে সাগরে যাচ্ছে মাছ ধরতে। এমন চলতে থাকলে আমাদের সামনে হয় মরার, নয়তো চুরির পথই খোলা থাকবে।”

জেলেরা দাবি করেছেন, মৎস্য বিভাগের অবহেলার কারণেই অনেকে নিবন্ধিত হতে পারেননি। তাই দ্রুত প্রকৃত জেলেদের তালিকা তৈরি করে চাল বিতরণ এবং এই সময়ের জন্য ঋণের কিস্তি স্থগিত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব জানান, “এবারই প্রথম ৬৫ দিনের জায়গায় ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। চাল বরাদ্দ পেলেই দ্রুত বিতরণ শুরু করা হবে।”

জানা গেছে, চলমান নিষেধাজ্ঞা শেষ হবে আগামী ২১ জুন। এই সময় জেলেদের জন্য দুই ধাপে মোট ৮৬ কেজি চাল দেওয়ার কথা, প্রথম ধাপে ৫৬ কেজি এবং দ্বিতীয় ধাপে ৩০ কেজি।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




প্রতিদিন কেশর-এলাচ চা? মিলবে শরীর ও ত্বকের একাধিক উপকারিতা!

লাইফস্টাইল ডেস্ক, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম::
বিশ্বব্যাপী পানির পর সবচেয়ে জনপ্রিয় পানীয় হলো চা। আর স্বাদ ও উপকারিতা বাড়াতে অনেকেই চায়ে মেশান নানা প্রাকৃতিক উপাদান। এর মধ্যে সবচেয়ে কার্যকর দুটি হলো কেশর (জাফরান) ও এলাচ। প্রতিদিন কেশর-এলাচ মেশানো চা পান করলে শরীর ও ত্বকে মিলতে পারে বিস্ময়কর উপকার।

১. অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর—বয়সের ছাপ রোধে সহায়ক

কেশর ও এলাচে রয়েছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরকে মুক্ত র‌্যাডিকেল থেকে রক্ষা করে। নিয়মিত এই চা পান করলে কোষের ক্ষয় রোধ হয়, ব্যথা কমে এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। ফলে বয়সের ছাপ পড়ে ধীরগতিতে।

২. ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়

কেশর পরিচিত প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিকারক উপাদান হিসেবে। ত্বকের দাগ, রুক্ষতা ও ক্ষত মেরামতে এটি কার্যকর। এলাচ আবার শরীর ডিটক্সিফাই করে, ত্বক পরিষ্কার করে এবং পুনর্জীবিত করে। তাই কেশর-এলাচ চা হতে পারে আপনার রূপচর্চার আভ্যন্তরীণ সঙ্গী।

৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

এই দুই উপাদানে রয়েছে ভিটামিন সি, আয়রন ও ম্যাঙ্গানিজসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান। যা শরীরকে করে আরও বেশি রোগ প্রতিরোধী। নিয়মিত পান করলে ঠান্ডা, সর্দি বা মৌসুমি সংক্রমণ এড়ানো সম্ভব।

৪. ঘুম ও মানসিক প্রশান্তি

কেশরে থাকা ক্রোসিন ও সাফ্রানাল অনিদ্রা কমাতে সাহায্য করে। এলাচের সুগন্ধ মনকে করে শিথিল। রাতে ঘুমানোর আগে এই চা পান করলে ঘুম আসে সহজে, মানসিক চাপও কমে যায়।

সুস্বাদু, সুগন্ধি ও স্বাস্থ্যকর এই চা শুধু শরীর নয়, আপনার প্রতিদিনের জীবনের মান উন্নত করতেও ভূমিকা রাখবে। তবে বিশেষ স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে নিয়মিত গ্রহণের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




কানের লাল গালিচায় উর্বশীর ‘বিকিনি ব্যাগ’ কাণ্ডে চটেছেন হলিউড তারকারা!

কান চলচ্চিত্র উৎসবের লাল গালিচা বরাবরই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু এবার সেই আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী উর্বশী রাউতেলা—নানাভাবে ট্রলের শিকার হওয়া এই তারকা এবারও বিতর্ক পিছু ছাড়তে দিলেন না।

ফ্রেঞ্চ রিভেরাঁর রেড কার্পেটে প্রথম দিনেই ৪০ কোটি টাকার পোশাক পরে আলোচনায় আসেন তিনি। তবে বিতর্কের সূত্রপাত তার হাতে থাকা সোনা ও হীরায় খচিত ‘বিকিনি’ ডিজাইনের ক্লাচ ব্যাগ এবং অতিরিক্ত সময় ধরে পোজ দেওয়ার কারণে।

ঘটনার সূত্রে জানা গেছে, ‘কালার্স অফ টাইম (লা ভেন্যু দে ল্যা’ভেনির)’ চলচ্চিত্রের স্ক্রিনিংয়ের দিন উর্বশী একটি বেইজ রঙের ফিশকাট গাউনে রূপকথার মৎসকন্যার মতো সেজে হাজির হন। কিন্তু তার আচরণ ঘিরেই তৈরি হয় অস্বস্তিকর পরিস্থিতি।

দীর্ঘক্ষণ পোজ, সিঁড়িতে পথ আটকে ক্ষুব্ধ পাপারাজ্জি ও তারকারা

উর্বশীর ‘ব্যতিক্রমী’ ক্লাচ ব্যাগ হাতে পাপারাজ্জিদের উদ্দেশে একের পর এক পোজ ও উড়ন্ত চুমু ছুড়ে দেওয়ার দৃশ্য বেশিক্ষণ চলায় বিরক্তি প্রকাশ করেন পিছনে অপেক্ষমাণ হলিউড তারকারা। রেড কার্পেটে এমনভাবে সিঁড়ির সামনে দাঁড়িয়েছিলেন যে, অন্যদের চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।

‘ভারতের সম্মান নষ্ট করছেন’: সমালোচনায় ভারতীয় নেটিজেনরা

ঘটনার ভিডিও এবং ছবি ভাইরাল হওয়ার পর দেশ-বিদেশের সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় উঠেছে। অনেক ভারতীয় নেটিজেন দাবি করেছেন,“এই একটি মহিলার জন্য ভারতের সম্মান নষ্ট হচ্ছে বিদেশের মাটিতে।”

আবার কেউ কেউ উর্বশীকে কটাক্ষ করে বলছেন,“ভারতের ফার্স্ট লেডি হয়ে সম্মান হারালেন ফ্রেঞ্চ রিভেরাঁয়।”

তবে বিতর্ক যতই থাকুক, উর্বশীর ‘বিকিনি ব্যাগ’ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চর্চার যেন শেষ নেই। প্রায় সাড়ে পাঁচ লক্ষ টাকার ওই ব্যাগ নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে মেমের ঝড়।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




১৬ বলে হাফসেঞ্চুরি, ডি ভিলিয়ার্সের রেকর্ডে ভাগ বসালেন ম্যাথু ফোর্ড

ওয়ানডে ইতিহাসে এক নতুন নাম—ম্যাথু ফোর্ড। শুক্রবার আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ডাবলিনে অনুষ্ঠিত ম্যাচে মাত্র ১৬ বলে হাফসেঞ্চুরি হাঁকিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়লেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই তরুণ পেসার। তার এই কীর্তি ছুঁয়ে ফেলেছে দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি এবি ডি ভিলিয়ার্সের করা দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড।

২০১৫ সালে ডি ভিলিয়ার্স ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১৬ বলেই হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন। আজ, প্রায় এক দশক পর সেই রেকর্ডে ভাগ বসালেন ২৩ বছর বয়সী ম্যাথু ফোর্ড—যার পরিচিতি এতদিন ছিল কেবল বোলার হিসেবে।

অবাক করা বিষয় হলো, ক্যারিয়ারে ৯ ওয়ানডে খেলা ফোর্ডের ব্যাটিং গড় ছিল মাত্র ১৬.৬৬। কিন্তু আজ তিনি ৮ নম্বরে নেমে মাত্র ১৯ বলে ৫৮ রানের ধ্বংসাত্মক ইনিংস খেলেন। ইনিংসটি ছিল ৮টি ছক্কা ও ২টি চারে ভরপুর—৫৬ রানই এসেছে বাউন্ডারি থেকে!

এই ইনিংস দিয়ে ফোর্ড গড়েছেন আরও দুটি রেকর্ড:

  • ওয়ানডে ইতিহাসে ফিফটির ইনিংসে বাউন্ডারি থেকে সর্বোচ্চ রানের হার (৯৬.৫৫%), আগের রেকর্ড ছিল আন্দ্রে ফ্লেচারের (৯৬.১৫%)।
  • ৮ নম্বর বা তার নিচে ব্যাট করে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড (৮টি)—পেছনে ফেলেছেন আব্দুল রাজ্জাক ও তানভির আফজালকে (৭টি করে ছক্কা)।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ শেষ পর্যন্ত ইনিংস থামে ৩৫২ রানে। শতক হাঁকান কার্টি (১০২), আর ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া ঝড়ো ইনিংস খেলেন ফোর্ড।

ক্রিকেটবিশ্বে এমন কিছু মুহূর্ত থাকে যা ভোলার নয়—আজকের ইনিংস নিঃসন্দেহে তেমনই এক অধ্যায়, যেখানে পেসারের পরিচয় ছাপিয়ে ব্যাট হাতে জায়গা করে নিলেন ইতিহাসের পাতায়।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




শনিবারও খোলা থাকবে সব সরকারি অফিস

আগামীকাল শনিবার (২৪ মে) সব সরকারি অফিস খোলা থাকবে। ঈদুল আজহার দীর্ঘ ছুটির পূর্ব প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ৬ মে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, আসন্ন ঈদ উপলক্ষে ১১ ও ১২ জুন (বুধবার ও বৃহস্পতিবার) নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হবে। সেই ছুটির বদলে কর্মদিবস হিসেবেই অফিস খোলা রাখা হচ্ছে ১৭ ও ২৪ মে, যেগুলো সাধারণত সাপ্তাহিক ছুটি।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সরকারি চাকরিজীবীরা এবার ঈদুল আজহায় টানা ১০ দিনের ছুটি পাবেন—৫ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত। তবে ছুটির এই সুবিধা নিশ্চিত করতে ঈদের আগে দুইটি শনিবার (১৭ ও ২৪ মে) সরকারি অফিস খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এই কর্মসূচির ফলে নাগরিক সেবা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে কোনো ধরনের বিঘ্ন না ঘটেই দীর্ঘ ছুটি উপভোগ করতে পারবেন সরকারি কর্মচারীরা।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




ড. ইউনূসের পদত্যাগ সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত: সালাউদ্দিন আহমেদ

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পদত্যাগের বিষয়টি তার একান্ত ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ। বিএনপি তার পদত্যাগ দাবি করেনি বলেও স্পষ্ট জানান তিনি।

শুক্রবার (২৩ মে) এক বেসরকারি টেলিভিশনের আলোচনায় এসব মন্তব্য করেন তিনি।

সালাউদ্দিন বলেন,“ড. ইউনূস যদি পদত্যাগ করতে চান, সেটা তার নিজস্ব সিদ্ধান্ত হতে পারে। বিএনপি কখনও তার পদত্যাগ দাবি করেনি। আমরা কেবলমাত্র চাই, তিনি নিরপেক্ষভাবে তার দায়িত্ব পালন করুন এবং নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করুন।”

তিনি আরও বলেন,“নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণার সময় এখনই। যদি তিনি দায়িত্ব পালনে অপারগ হন, তাহলে রাষ্ট্র অবশ্যই বিকল্প খুঁজে নেবে। কারণ এই পৃথিবীতে কেউই অপরিহার্য নয়।”

সালাউদ্দিন আহমেদ আশা প্রকাশ করে বলেন,“তিনি একজন বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তি। আমরা বিশ্বাস করি, তিনি বিষয়টি অনুধাবন করবেন এবং জাতির প্রত্যাশা অনুযায়ী ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ জাতিকে উপহার দেবেন।”

উল্লেখ্য, সম্প্রতি রাজনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন উঠেছে যে অধ্যাপক ইউনূস দায়িত্ব ছাড়তে পারেন। এ প্রেক্ষিতে বিএনপির অবস্থান স্পষ্ট করলেন দলটির অন্যতম শীর্ষ নেতা সালাউদ্দিন আহমেদ।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




দেশে আবার ‘এক-এগারো’র ছক আঁকা হচ্ছে: নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম দাবি করেছেন, গণতান্ত্রিক রূপান্তর ব্যাহত করে দেশে আবার একটি ‘এক-এগারো’ পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা চলছে। তিনি এই পরিস্থিতিকে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র হিসেবে বর্ণনা করেন।

শুক্রবার (২৩ মে) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

নাহিদ লেখেন,“বাংলাদেশের রাজনীতিকে স্বাধীন ও সার্বভৌম পথে পরিচালনা করাই আমাদের লক্ষ্য। কিন্তু বাংলাদেশকে বারবার বিভাজনের চেষ্টা করা হয়েছে, জাতীয় ঐক্য ধ্বংস করা হয়েছে। এবার আবার এক-এগারোর বন্দোবস্তের পাঁয়তারা চলছে।”

তিনি অভিযোগ করে বলেন,“আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার পর থেকেই বিদেশী প্রভাব, বিশেষ করে দিল্লি থেকে ছক আঁকা হচ্ছে—যাতে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করা যায় এবং গণতান্ত্রিক রূপান্তর থেমে যায়।”

নাহিদ ইসলাম দেশপ্রেমিক, সংস্কারপন্থী ও ধর্মপ্রাণ জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন,“ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সেনাবাহিনী ও সাধারণ নাগরিকদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে হবে।”

অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস প্রসঙ্গে তিনি লেখেন,“অধ্যাপক ইউনূসকে সংস্কার ও ভোটাধিকারের প্রতিশ্রুতি রক্ষায় রাজনৈতিক দায়িত্ব নিতে হবে। আগামী নির্বাচনের আগে মৌলিক সংস্কারের ভিত্তিতে জুলাই সনদ রচিত হতে হবে এবং গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করতে হবে।”

তিনি আরও জানান, নির্বাচনের আগে নতুন সংবিধানের জন্য গণপরিষদ ও আইনসভার নির্বাচন একসাথে অনুষ্ঠিত হওয়া জরুরি। নির্ধারিত টাইমফ্রেমের মধ্যেই এসব কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /