ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় নির্বাচন: সিইসি

আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। শনিবার (৯ আগস্ট) রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য জানান।

সিইসি বলেন, তফসিল ঘোষণার প্রায় দুই মাস আগে ভোটের তারিখ জানিয়ে দেওয়া হবে এবং স্বল্প সময়ের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করার প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। তিনি আরও জানান, নির্বাচনে বিশৃঙ্খলা করা যাবেনা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এ বিষয়ে সজাগ থাকবে। কোনো ঘটনা ঘটলে তদন্ত সাপেক্ষে ভোট বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার জন্য নির্বাচন কমিশন সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এছাড়াও কমিশন নির্বাচনে কারা কাজে লাগানো যায় তা নিয়ে কাজ করছে এবং সময়ের সাথে বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলেও উল্লেখ করেন সিইসি।

শনিবার সকালে রংপুরে সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা বড় চ্যালেঞ্জ হলেও নির্বাচন ঘনিয়ে এলে পরিস্থিতি উন্নত হবে। তিনি বলেন, যখন রাষ্ট্র, সরকার ও দল এক হয়ে যায়, তখন সবকিছু ধসে পড়ে এবং মানুষের ভোটব্যবস্থায় আস্থা কমে যায়। এজন্য মানুষকে ভোটকেন্দ্রে আনা এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তি সৃষ্টির প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যা মোকাবিলায় কমিশন কাজ করছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




জুলাই যোদ্ধাদের মূল্যায়নে সরকার ব্যর্থ: আবু নাসের

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ অভিযোগ করেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গত এক বছরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহত ব্যক্তিসহ যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তাদের যথাযথ মূল্যায়নে ব্যর্থ হয়েছে। এছাড়া, হতাহতের সুষ্ঠু ও প্রকৃত তালিকা তৈরি করতেও সরকার অপারগতা প্রকাশ করেছে।

শনিবার (৯ আগস্ট) বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের বীর জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী এবং পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

আবু নাসের আরও জানান, অনেক আহত জুলাই যোদ্ধা অর্থের অভাবে বিনা চিকিৎসায় দিন কাটাচ্ছেন, যা দুঃখজনক ও নিন্দনীয় বিষয়। অভিজ্ঞতার অভাবে বর্তমান সরকার এই কাজ সম্পন্ন করতে পারেনি। পাশাপাশি বিভিন্ন গোষ্ঠীর কুপরামর্শ এবং অনৈতিক চাপে জুলাই যোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান প্রদর্শনে ব্যর্থ হয়েছে।

তিনি বলেন, যারা বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে জীবন উৎসর্গ করেছে, তাদের যথাযোগ্য সম্মান না দিলে ভবিষ্যতে কেউ গণতন্ত্র রক্ষায় জীবন বাজি রাখবেন না। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এ বিষয়ে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ রয়েছেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আহত জুলাই যোদ্ধা এস. এম রহমাতুল্লাহ সরদার (সভাপতি), বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জাহিদুর রহমান রিপন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন টিটু, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তারিক সুলাইমান, বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মামুন সর্দার গণি, জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আসিফ আল মামুন, নগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ওবায়দুল হক উজ্জ্বল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজিক দাঈয়ান ইশতি, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রেজা শরীফ এবং বিএম কলেজ ছাত্রদল নেতা আকবর মুবীন প্রমুখ।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




রোববার খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন

আগামী রোববার (১০ আগস্ট) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি) হালনাগাদ ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশ করবে। উপজেলা নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তারা এই তালিকা সংশ্লিষ্ট স্থানে টানিয়ে দেবেন। এবারের তালিকায় প্রায় ৪৪ লাখ নতুন ভোটার যুক্ত হচ্ছে।

শনিবার (৯ আগস্ট) ইসির জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এই খসড়া সম্পূরক তালিকা প্রকাশের পর ভোটাররা তাদের নাম অন্তর্ভুক্তি, মৃত্যুজনিত বা অযোগ্য ব্যক্তির নাম কর্তন, ভোটার স্থানান্তরসহ সংশোধন করার জন্য ২১ আগস্ট পর্যন্ত দরখাস্ত (ফরম-২, ফরম-১২, ফরম-১৩ ও ফরম-১৪) দাখিল করতে পারবেন।

দাখিলকৃত দরখাস্তসমূহ উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসার ও রেজিস্ট্রেশন অফিসার ২৪ আগস্টের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন। এরপর প্রয়োজনীয় অন্যান্য কার্যক্রম শেষে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ৩১ আগস্ট প্রকাশ করা হবে।

বর্তমানে দেশের মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৩৭ লাখ ৩২ হাজার ২৭৪ জন। এছাড়াও যেসব নাগরিক ৩১ অক্টোবর ২০২৫-এর মধ্যে ১৮ বছর পূর্ণ করবেন, তারাও এই জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবেন।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




ভোলায় শুল্ক ফাঁকি দেওয়া সিগারেটসহ তিনজন আটক

ভোলা থেকে বাংলাদেশের নৌবাহিনী ও পুলিশ যৌথভাবে এক সফল অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ শুল্ক ফাঁকি দেওয়া অবৈধ সিগারেট জব্দ করেছে। শনিবার (৯ আগস্ট) ভোলা সদরস্থ মহাজনপট্টি, সার্কুলার রোড এবং বোরহানউদ্দিন বাজার সংলগ্ন ব্রিজ এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুটি পৃথক অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে কল্যাণী ডিস্ট্রিবিউশন-এর মাধ্যমে বাজারজাতকৃত শামস এন্টারপ্রাইজ কোম্পানির জাল বা নকল ব্যান্ডরোলযুক্ত সিগারেটগুলো জব্দ করা হয়। জব্দকৃত সিগারেটের মধ্যে ছিলো ব্ল্যাক কিং ১১,৩২০ শলাকা, ওসাকা ৮,৮৮০ শলাকা, টি-২০ ৪,৪৬০ শলাকা এবং ৫০/৫০ ব্র্যান্ডের ১,৩৯,৬১০ শলাকা। এসব সিগারেটের আনুমানিক বাজার মূল্য সাত লাখ ত্রিশ হাজারের বেশি।

অপরাধের সঙ্গে জড়িত তিনজনকে অবৈধ সিগারেট মজুদ এবং বাজারজাতকরণের অভিযোগে আটক করা হয়েছে। বোরহানউদ্দিনে আটক ব্যক্তিদের জব্দকৃত মালামালসহ সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

স্থানীয়রা নৌবাহিনীর এই ধরনের অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, এটি জাতীয় রাজস্ব রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। নৌবাহিনী জানিয়েছে, সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সন্ত্রাস, মাদকসহ অন্যান্য অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বরিশাল-৬ আসনে নির্বাচনী হাওয়া, শীর্ষে বিএনপির আলোচনায় একাধিক প্রার্থী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ফেব্রুয়ারির রমজানের আগেই অনুষ্ঠিত হবে—প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এই ঘোষণার পর থেকেই বরিশাল-৬ আসন, অর্থাৎ বাকেরগঞ্জজুড়ে শুরু হয়েছে তুমুল নির্বাচনী প্রস্তুতি।

এ আসনে বৃহত্তর রাজনৈতিক দল বিএনপির মনোনয়ন দৌড়ে ইতোমধ্যে একাধিক প্রার্থীর নাম সামনে এসেছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীও তাদের প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে, আর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশও প্রার্থী ঘোষণার প্রস্তুতিতে রয়েছে। জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকেও প্রার্থিতা নিয়ে আলোচনা চলছে।

বর্তমানে ১২৪ নম্বর আসন হিসেবে পরিচিত বরিশাল-৬ আসনে ১৯৭৩ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত মোট ১২টি নির্বাচনে বিএনপি জয় পেয়েছে ৫ বার, জাতীয় পার্টি ৪ বার ও আওয়ামী লীগ ৩ বার। তবে ২০১৪ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত হওয়া তিনটি নির্বাচন নিয়ে নানা বিতর্ক রয়েছে।

প্রায় তিন লাখ ভোটারের এই আসনে সাবেক সাংসদ ও জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হোসেন খান আবারও ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করার জন্য মনোনয়ন চাইবেন। তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম রাজন, যিনি দীর্ঘদিন পরে দেশে ফিরে প্রথমবারের মতো মনোনয়ন প্রত্যাশী হয়েছেন।

মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে আরও রয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. শহীদ হাসান, কেন্দ্রীয় যুবদলের সদস্য কামরুজ্জামান নান্নু, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক হারুন অর রশিদ সিকদার এবং প্রবাসী নেতা সোলায়মান সেরনিয়াবাত।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এ আসনে অধ্যাপক মাওলানা মাহমুদুন্নবী তালুকদারকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশও কোনো জোটে না গেলে আলাদা প্রার্থী দেবে বলে জানা গেছে। জাতীয় পার্টির প্রার্থী হতে পারেন রুহুল আমিন হাওলাদার বা তার স্ত্রী নাসরিন জাহান রত্না।

স্থানীয় তরুণ ভোটাররা বলছেন, দীর্ঘদিন পর সুষ্ঠু নির্বাচনের সম্ভাবনা থাকায় এবারের ভোট হবে উৎসবমুখর। তবে বিজয়ের জন্য প্রার্থীদের এখন থেকেই ভোটারদের মন জয় করতে হবে।

আবুল হোসেন খান বলেন, “বিএনপি মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আন্দোলন করেছে। এখন জনগণ সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশায় আছে এবং বিএনপি গোটা দেশেই জয়লাভ করবে।” অন্যদিকে জামায়াতের প্রার্থী মাহমুদুন্নবী তালুকদারও শতভাগ আশাবাদী যে এবারের নির্বাচন ইতিহাসের সবচেয়ে সুন্দর ও নিরপেক্ষ হবে।

নির্বাচন বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিএনপির শক্ত প্রার্থী ছাড়া অন্য বড় দলগুলোও জননন্দিত প্রার্থী দিলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা জমে উঠবে। তবে বিদ্রোহী প্রার্থী থাকলে ভোটের হিসাব বদলে যেতে পারে।

ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, বরিশাল-৬ আসনে প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালে, যেখানে আওয়ামী লীগের মোকিম হোসাইন হাওলাদার বিজয়ী হন। এরপর বিভিন্ন সময়ে বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা পালাক্রমে জয় পেয়েছেন। সর্বশেষ ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগের মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ মল্লিক নির্বাচিত হন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




নির্বাচন বিলম্বে জামায়াতের ‘থিউরি’ নিয়ে উদ্বেগ, সতর্ক করলেন হাফিজ

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তার দাবি, জামায়াত আজব আজব ব্যাখ্যা দিয়ে নির্বাচন বিলম্বিত করার অপচেষ্টা করছে।

শুক্রবার (৮ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘দ্রুত বিচার সম্পন্ন, মৌলিক সংস্কার ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব মন্তব্য করেন তিনি। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে অগ্নিসেনা সোশ্যাল ফাউন্ডেশন।

হাফিজ বলেন, ‘‘কিছু রাজনৈতিক দল বুঝে গেছে, নির্বাচনে অংশ নিলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। তাই তারা নতুন নতুন থিউরি দিচ্ছে। জামায়াতের এসব কথার কোনো ভিত্তি নেই। গণতান্ত্রিক সমাজে মতপ্রকাশের অধিকার থাকলেও এর জবাব দেবে জনগণ।’’

তিনি বলেন, ‘‘একটি দল বলেছে একাত্তরে নাকি জাতি পথভ্রষ্ট ছিল। আমরা অবাক হয়েছি। একাত্তর কোনো দলের বিষয় ছিল না, পুরো জাতির ছিল।’’

বিএনপির জোট রাজনীতির প্রেক্ষাপট টেনে হাফিজ বলেন, ‘‘অনেকদিন আমাদের মিত্র ছিল এমন কিছু দল নির্বাচন সামনে রেখে অদ্ভুত কথা বলছে। সংগ্রাম শেষে কৃতিত্ব দাবি করার লোকের অভাব নেই।’’

আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার অধীনে ‘প্রহসনের নির্বাচন’ হয়েছে। গণতন্ত্রকে ছুড়ে ফেলে আওয়ামী লীগ একদলীয় শাসন কায়েম করেছে। তাই জনগণ অতিষ্ঠ হয়ে একদফা আন্দোলনে নেমেছিল।

সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে হাফিজ জানান, বিএনপি বেশিরভাগ প্রস্তাবেই একমত। দু-একটি বিষয়ে ভিন্নমত (নোট অব ডিসেন্ট) দেওয়া হয়েছে। ‘‘নির্বাচন এমন পদ্ধতিতে হওয়া উচিত, যা সহজবোধ্য ও গ্রহণযোগ্য।’’

পুলিশ প্রশাসন নিয়েও তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন। বলেন, ‘‘আমরা আশা করেছিলাম বর্তমান সরকার পুলিশ বাহিনীতে সংস্কার আনবে। কিন্তু হয়নি। এই বাহিনী নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনা করতে পারবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ আছে।’’




দখল-দূষণে অস্তিত্ব সংকটে মুরাদিয়া নদী

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার বাণিজ্য, কৃষি ও যোগাযোগের প্রাণ ছিল মুরাদিয়া নদী। এক সময় ২২ কিলোমিটার দীর্ঘ ও প্রায় ৫০ ফুট প্রশস্ত নদীটি দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করত। কিন্তু দখল, দূষণ ও পলির চাপে নদীটি আজ সংকুচিত হয়ে পড়েছে। দুই যুগে তা পরিণত হয়েছে মাত্র ৩০ ফুট চওড়া এক নালা সদৃশ খালে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর দুই তীর অবৈধভাবে দখল করে নিয়েছে প্রভাবশালী কিছু পরিবার। তারা পানি ব্যবহার করলেও কোনো খাজনা দেয় না। শুষ্ক মৌসুমে খালে পানি না থাকায় কৃষিকাজে ব্যাপক সমস্যা হয়। আবার বর্ষায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়, যা সাধারণ মানুষের জনজীবন দুর্বিষহ করে তোলে।

এক সময় এই নদীপথে পটুয়াখালী, গলাচিপা ও ঝালকাঠির বাকেরগঞ্জের সঙ্গে সক্রিয় বাণিজ্যিক সংযোগ ছিল। পণ্য পরিবহন থেকে শুরু করে যাত্রী চলাচলেও নির্ভরশীল ছিল এলাকাবাসী। বর্তমানে নদী সংকুচিত হওয়ায় পরিবেশ, কৃষি, পানির সংকট এবং জীববৈচিত্র্য চরম হুমকির মুখে পড়েছে।

স্থানীয়রা জানান, নদী দখল করে ঘর-বাড়ি, দোকানপাট তৈরি করা হয়েছে। অনেক পরিবার এই খালের ওপর নির্ভরশীল হলেও পানি না থাকায় তাদের জীবন কষ্টকর হয়ে উঠেছে।

প্রশাসন বলছে, অবৈধ দখলদারদের শনাক্ত করতে এবং খাল পুনরুদ্ধারে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

পটুয়াখালী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর ইজাজুল হক বলেন,

“মুরাদিয়া খালসহ উপজেলার যতগুলো খাল রয়েছে, তার তালিকা তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসব খাল দখলে আছে কি না এবং কারা দখল করে আছে, তা শনাক্ত করা হচ্ছে। এরপর আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।”

ইতিমধ্যেই স্থানীয় প্রশাসন রাজস্ব আদায় ও পরিবেশ রক্ষার দিকেও নজর দিয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এলাকাবাসী চান দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে নদীটি তার স্বাভাবিক রূপে ফিরিয়ে আনা হোক। কারণ, মুরাদিয়া শুধু একটি নদী নয়—এটি একসময় ছিল দক্ষিণাঞ্চলের প্রাণ।


প্রতিবেদক: মো. আল-আমিন
চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




সাংবাদিক নির্যাতন ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় উদ্বিগ্ন নোয়াব

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)। বৃহস্পতিবার, ৭ আগস্ট প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংগঠনটি এই উদ্বেগ জানায়। নোয়াবের সভাপতি এ কে আজাদ স্বাক্ষরিত ওই বিবৃতিতে সাম্প্রতিক সময়ের ঘটনাবলি তুলে ধরে বলা হয়েছে—দেশের গণমাধ্যম এখন চরম চাপ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) যে সর্বশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, সেখানে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে দেশে গণমাধ্যম ও তথ্য প্রকাশের স্বাধীনতা হুমকির মুখে পড়েছে। গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের যে আশা দেশবাসী পোষণ করেছিল, তার ভিত্তি ছিল মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের নিরপেক্ষতা। কিন্তু দুঃখজনকভাবে বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন—বলা হয়েছে বিবৃতিতে।

নোয়াবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিগত এক বছরে (অগাস্ট ২০২৪ থেকে জুলাই ২০২৫) মোট ৪৯৬ জন সাংবাদিক হয়রানির শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে ২৬৬ জনকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ সংক্রান্ত হত্যামামলায় আসামি করা হয়েছে। দায়িত্ব পালনের সময় নিহত হয়েছেন তিনজন সাংবাদিক। চাকরিচ্যুত হয়েছেন অন্তত ২৪ জন গণমাধ্যমকর্মী। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন সংবাদপত্র ও টেলিভিশন চ্যানেলের সম্পাদক ও বার্তাপ্রধানসহ অনেকেই পদ হারিয়েছেন। আটটি দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক এবং ১১টি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের বার্তাপ্রধানকে বরখাস্ত করা হয়েছে—যা গণমাধ্যমের প্রতি চরম অবজ্ঞা ও অনাস্থার বহিঃপ্রকাশ।

নোয়াব আরও বলেছে, সম্প্রতি একটি জাতীয় পত্রিকা—দৈনিক জনকণ্ঠের বিরুদ্ধে ‘মব’ তৈরি করে অফিস দখল ও মালিকপক্ষকে হুমকি দেওয়া হয়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কর্মীদের সঙ্গে কোনো বকেয়া বা দেনা-পাওনা থাকলে সেটি শ্রম আদালতের মাধ্যমে মীমাংসা করার কথা ছিল। আবার সংবাদ কিংবা কনটেন্ট সংক্রান্ত বিরোধ হলে, তা মীমাংসার নির্ধারিত জায়গা বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল। কিন্তু এসব প্রাতিষ্ঠানিক পদ্ধতি এড়িয়ে পত্রিকা কার্যালয়ে গিয়ে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে, যা গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থী।

গণতন্ত্রকে টেকসই করতে হলে মতপ্রকাশ ও সংবাদ প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা করা অপরিহার্য। একটি সভ্য সমাজে সংবাদমাধ্যম শুধু তথ্য প্রদানকারী নয়, বরং সমাজের আয়না হিসেবে কাজ করে। সাংবাদিকদের প্রতি সহিংসতা, চাকরিচ্যুতি, মিথ্যা মামলা, কিংবা ভয়ভীতি প্রদর্শন গণতন্ত্রের ভিত্তিকে দুর্বল করে দেয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সংবাদপত্র কিংবা অন্য কোনো গণমাধ্যমে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে মালিকপক্ষকে চাপে ফেলার সংস্কৃতি এখনই বন্ধ করতে হবে। এ ধরনের কার্যকলাপ গণমাধ্যমের মৌলিক চেতনাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। গণমাধ্যমের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা গেলে তা কেবল সাংবাদিকদের নয়, পুরো রাষ্ট্র ব্যবস্থারই কল্যাণ বয়ে আনবে।

নোয়াব সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে—গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ও সংবাদপত্রের স্বাধীন পরিবেশ বজায় রাখতে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হোক। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা কোনো বিলাসিতা নয়, বরং এটি একটি মৌলিক অধিকার। এই অধিকার রক্ষায় রাষ্ট্রের সজাগ থাকা সময়ের দাবি।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



জুমার নামাজ: জান্নাতের পথ খুলে দেয় যে সালাত

‘জুমা’ শব্দটি আরবি, যার অর্থ একত্র হওয়া, সমবেত হওয়া বা কাতারবদ্ধ হওয়া। ইসলাম ধর্মে শুক্রবার বিশেষ তাৎপর্যের দিন। এই দিনে মুসলিম সমাজ মসজিদে একত্রিত হয়ে যে দুটি রাকাত ফরজ নামাজ আদায় করে, তাকেই বলা হয় সালাতুল জুমা বা জুমার নামাজ। এটি কেবল একটি নামাজই নয়, বরং এটি মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও আত্মশুদ্ধির একটি অনন্য প্রতীক।

পবিত্র কোরআনে ‘জুমা’ নামে একটি পূর্ণাঙ্গ সুরা রয়েছে—সুরা আল-জুমা (৬২ নম্বর সুরা)। এই সুরার ৯ নম্বর আয়াতে জুমার নামাজের প্রতি আল্লাহর পক্ষ থেকে স্পষ্ট নির্দেশ পাওয়া যায়। আয়াতে বলা হয়েছে, “হে ঈমানদারগণ! জুমার দিনে যখন সালাতের আহ্বান করা হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে ধাবিত হও এবং ক্রয়-বিক্রয় পরিত্যাগ করো। এটা তোমাদের জন্য অধিক উত্তম, যদি তোমরা উপলব্ধি করতে পারো।” এই আয়াত থেকেই স্পষ্ট যে, জুমার নামাজ শুধু একটি ধর্মীয় দায়িত্বই নয়, বরং এটি একটি আল্লাহপ্রদত্ত সুযোগ—নিজেকে শুদ্ধ করার, গোনাহ থেকে মুক্তির এবং ঈমানকে জাগ্রত রাখার।

জুমার নামাজের আহ্বান (আযান) দেওয়ার পর সব ধরনের পার্থিব কাজ স্থগিত রেখে মুসলমানদের মসজিদে কাতারবন্দী হয়ে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আল্লাহ। একত্রিতভাবে নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে ইসলামে সামাজিক বন্ধন, সম্মিলিত ইবাদতের গুরুত্ব এবং আল্লাহর প্রতি সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ দৃশ্যমান হয়।

সুরা জুমার পরবর্তী আয়াত, আয়াত ১০-এ আল্লাহ বলেন, “আর যখন সালাত সম্পন্ন হয়, তখন তোমরা জমিনে ছড়িয়ে পড়ো এবং আল্লাহর অনুগ্রহ সন্ধান করো এবং আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ করো, যাতে তোমরা সফল হও।” এখানে বোঝা যায়, জুমার নামাজের মাধ্যমে আখিরাতের কল্যাণ অর্জনের পাশাপাশি দুনিয়ার জীবিকা অন্বেষণের পথও উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। ইসলামে ইবাদত ও রুজি উপার্জন—দুই ক্ষেত্রেই ভারসাম্য বজায় রাখতে বলা হয়েছে।

জুমার দিনকে ইসলামে “সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন” বলা হয়েছে। রাসূল (সা.) বলেছেন, “সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন হলো জুমা। এই দিনে আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে, এই দিনেই তিনি জান্নাতে প্রবেশ করেন এবং এই দিনেই তাকে জান্নাত থেকে বের করা হয়।” (সহিহ মুসলিম)

এই দিন বিশেষ কিছু আমল রয়েছে—গোসল করা, পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন পোশাক পরিধান করা, মিসওয়াক করা, আগেভাগে মসজিদে গিয়ে ইমামের খুতবা মনোযোগ দিয়ে শোনা ইত্যাদি। যারা এই নিয়মগুলো পালন করে জুমার নামাজ আদায় করে, তাদের জন্য মহান আল্লাহ অশেষ সওয়াবের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

জুমার দিন এমন একটি সময় রয়েছে, যখন কোনো বান্দা আল্লাহর কাছে যা চায়, তা কবুল হয়—এই সময়ের সন্ধানে রসূল (সা.) আমাদের উৎসাহিত করেছেন। তাই মুসলমানদের উচিত এই দিনটিকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া, নামাজসহ অন্যান্য ইবাদতে সময় ব্যয় করা এবং দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ কামনা করা।

আসুন, আমরা সবাই জুমার নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত সম্পর্কে আরও সচেতন হই এবং এই মহান ইবাদতের মাধ্যমে নিজেদের পরিশুদ্ধ করে তুলতে চেষ্টা করি।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




নির্বাচনের আগে লটারিতে এসপিদের বদলি, প্রতিটি কেন্দ্রে থাকবে বডি ক্যামেরা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ৬৪ জেলার পুলিশ সুপারদের (এসপি) লটারির মাধ্যমে বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ভোট কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা বাড়াতে প্রতিটি কেন্দ্রে থাকবে বডি ক্যামেরা।

বুধবার (৬ আগস্ট ২০২৫) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রস্তুতি-সংক্রান্ত এক সভা শেষে এসব তথ্য জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা জাতির উদ্দেশে ভাষণে নির্বাচন প্রস্তুতির নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা তার আলোকে নির্বাচনকে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু করতে লজিস্টিকসহ নিরাপত্তা পরিকল্পনা চূড়ান্ত করছি।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, সব প্রার্থীই চায় নিজের পরিচিত প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নির্বাচনী এলাকায় রাখতে। এমন অভিযোগ এড়াতে এসপিদের লটারির মাধ্যমে বদলি করা হবে। নির্বাচন কমিশনের তারিখ ঘোষণার আগেই এই বদলি সম্পন্ন হবে। একইভাবে থানার অফিসার ইনচার্জদের (ওসি) বদলিও ডিভিশনভিত্তিক করা হবে। তবে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) বদলির সিদ্ধান্ত নেবে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়।

নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রায় ৪৭ হাজার ভোট কেন্দ্রে প্রতিটিতে একটি করে বডি ক্যামেরা ব্যবহারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই ক্যামেরাগুলো পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে থাকবে।

এছাড়া প্রিজাইডিং অফিসারদের কেন্দ্রে নিরাপদে দায়িত্ব পালনে আনসার-পুলিশসহ নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হবে। নির্বাচন উপলক্ষে সব বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে এবং ট্রেনিং শেষে মহড়াও পরিচালিত হবে। নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ জানানো হয়েছে প্রিজাইডিং অফিসার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরও প্রশিক্ষণের আওতায় আনতে।

এই পরিকল্পনার মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫