সিপিআর হতে পারে হার্ট অ্যাটাকের বিরুদ্বে মোক্ষম হাতিয়ার বাচতে পারে লাখো প্রাণ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ: দেশে কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে (হৃদ্‌যন্ত্র হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়া) মৃত্যুর হার ভয়াবহভাবে বাড়ছে। আক্রান্ত রোগীর জীবন বাঁচাতে প্রথম পাঁচ মিনিট সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়টায় আশপাশের সাধারণ মানুষ যদি সিপিআর (কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন) দিতে পারেন, তাহলে মৃত্যুর ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়। তাই সবাই যেন জরুরি মুহূর্তে ‘প্রথম পাঁচ মিনিটের ডাক্তার’ হয়ে উঠতে পারে। সামান্য একটি পদ্ধতি সিপিআর জানা থাকলে কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের লাখো প্রাণ রক্ষা করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। এজন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কর্মস্থল সবখানে সিপিআর পদ্ধতির প্রশিক্ষণ ছড়িয়ে দেওয়া দরকার বলেও মত তাদের।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে বিশ্ব হার্ট দিবস উপলক্ষে সিপিআর প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

সামরিক চিকিৎসা সার্ভিস মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএমএস) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল কাজী মো. রশিদ-উন-নবী বলেন, উন্নত দেশগুলোতে স্কুল লেভেলেই সিপিআর শেখানো হয়। কখন কার দরকার হবে, কেউ জানে না। সবাই সিপিআর জানলে অন্তত একজনকে বাঁচিয়ে ডাক্তারখানায় পাঠানোর সুযোগ পাওয়া যায়। তিনি বলেন, ডাক্তাররা ভুল করলে তা বলা অবশ্যই দরকার। কিন্তু তাদের কঠোর পরিশ্রম ও ভালো কাজগুলোও সংবাদে আসা উচিত। এতে স্বাস্থ্যকর্মীরা অনুপ্রাণিত হবেন, আর সমাজও সঠিক বার্তা পাবে। অনেক সময় আমরা ১০ মিনিটের সাক্ষাৎকার দিই, কিন্তু ৩০ সেকেন্ড কভার হয়, সেটাতেও শুধু নেতিবাচক অংশটাই তুলে ধরা হয়। সমাজে যখন ইতিবাচক সংবাদ থাকে, তখন মানুষ তেমন মনোযোগ দেয় না। অথচ ভালো খবর দিলে ডাক্তাররা স্বীকৃতি পাবেন, কাজে আরও উৎসাহী হবেন।

কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মহসীন আহমেদ বলেন, হার্ট অ্যাটাক হয় রক্তনালীতে ব্লক হলে। এতে ব্যথা হয়, কিন্তু রোগী হাসপাতালে যাওয়ার সময় পান। অন্যদিকে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হলো হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার মতো। তখন হার্ট থেমে যায়, পালস থাকে না, শ্বাস থাকে না। ৯–১০ মিনিটের মধ্যে মস্তিষ্কে স্থায়ী ক্ষতি হয়। পৃথিবীতে এমন কোনো রোগ নেই যা পাঁচ মিনিটের মধ্যে জীবন কেড়ে নেয়। তাই সঙ্গে সঙ্গে সিপিআর শুরু করা ছাড়া বিকল্প নেই। হার্ট অ্যাটাক ধীরে ধীরে সময় দেয়, কিন্তু কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট বিদ্যুতের মতো—এক মুহূর্তেই সব বন্ধ হয়ে যায়। তখন পাশে থাকা স্বামী, স্ত্রী, সন্তান বা সহকর্মীকেই ডাক্তার হয়ে উঠতে হয়। এই প্রেক্ষাপটে তিনি চেইন অব সারভাইভাল’এর চারটি ধাপ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। প্রথম ধাপ, রোগী শনাক্ত করে সাহায্য চাওয়া। দ্বিতীয় ধাপ, কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট নিশ্চিত হলে সিপিআর শুরু করা। তৃতীয় ধাপ, অন্তত ৩০ মিনিট ধরে সিপিআর চালিয়ে যাওয়া বা অ্যাম্বুলেন্সে রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া। চতুর্থ ধাপ, হাসপাতালে পৌঁছে উন্নত চিকিৎসা শুরু করা। তার ভাষায়, সিপিআর মানে আসলে হার্টের পাম্পিং কাজটা হাতে করা—চাপ দেওয়া ও ছাড়ার মাধ্যমে ব্লাড সার্কুলেশন চালিয়ে যাওয়া।

তার মতে, স্কুল পাঠ্যক্রমে বিষয়টি যুক্ত করা জরুরি। এজন্য তিনি নবম শ্রেণির বইয়ে দুই পৃষ্ঠা সংযোজনের চেষ্টা করেছিলেন। তার বিশ্বাস, এর ফলে বাংলাদেশে বিশাল পরিবর্তন আসবে। বিদেশে স্কুলে স্কুলে সিপিআর শেখানো হয়। আমাদের ছেলে-মেয়েরা ইউটিউব দেখে অনেক কিছু শিখছে। পাঠ্যবইয়ে সিপিআর ঢুকিয়ে দিলে পুরো প্রজন্মই স্মার্ট হয়ে উঠবে, আশা প্রকাশ করেন তিনি।

হেলদি হার্ট হ্যাপি লাইফ অর্গানাইজেশনের সহযোগিতায় আয়োজিত কর্মশালায় আরও বক্তব্য রাখেন সিএমএইচ হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের চিফ ফিজিশিয়ান জেনারেল ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অধ্যাপক ডা. সায়েদা আলেয়া সুলতানা, হেলদি হার্ট হ্যাপি লাইফ অর্গানাইজেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট আবু রেজা মো. কাইয়ুম খান ও বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি রাশেদ রাব্বি। সিপিআর প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মহসীন আহমেদ।

 




কাফির পুড়ানো বাড়ি পরিদর্শনে প্রশাসন, ক্ষতিপূরণের আশ্বাস

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার আলোচিত ও জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর নুরুজ্জামান কাফির অগ্নিদগ্ধ বাড়ি পরিদর্শন করেছে জেলা প্রশাসন। দীর্ঘ আট মাস পেরিয়ে গেলেও এখনও ক্ষতিপূরণ না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কাফি। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত ক্ষতিপূরণ প্রদানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কলাপাড়া উপজেলার রজপাড়া গ্রামে কাফির বাড়িটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন পটুয়াখালীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মহসিন উদ্দীন। এ সময় কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউছার হামিদ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদীক, উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ুন সিকদারসহ প্রশাসন ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি রাতে দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে কাফির বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। সে সময় বাড়িতে থাকা তার পিতা-মাতা ও স্বজনরা অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেও বসতঘর সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যায়। এ ঘটনায় পরবর্তীতে শাহাদাৎ হাওলাদার (২২) ও মাহফুজ মোল্লা (২১) নামে দুই যুবককে পুলিশ গ্রেপ্তার করে কারাগারে প্রেরণ করে।

ঘটনার প্রসঙ্গে কনটেন্ট ক্রিয়েটর কাফি অভিযোগ করে বলেন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন। সেই কারণেই তার ওপর রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে হামলা চালানো হয়েছে। পুলিশ অপরাধীদের গ্রেপ্তার করলেও দীর্ঘ আট মাসে ক্ষতিপূরণ না মেলায় তিনি হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

পরিদর্শন শেষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মহসিন উদ্দীন সাংবাদিকদের বলেন, “ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে দ্রুত ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য সরকারের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হবে। একই সঙ্গে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।”

এদিকে, স্থানীয়রা মনে করছেন প্রশাসনের এই আশ্বাস বাস্তবে রূপ নিলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার নতুন করে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গুতে আবারও প্রাণহানি, একদিনে ৩ মৃত্যু

বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব থামছেই না। মাত্র একদিনে এই রোগে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার হিসাবে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে চলতি বছরে বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৩ জনে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল।

নিহতরা হলেন বরগুনার বাসিন্দা অসীম সিকদার (৩৮), আবদুল হক (৬৮) এবং বাবুল (৩৩)। তাদের মধ্যে দুজন বরগুনা জেলা হাসপাতালে এবং একজন বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৩৮ জন ডেঙ্গু রোগী। এর মধ্যে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৬ জন। এছাড়া বরিশাল জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪ জন, বরগুনায় ৫৭ জন, পটুয়াখালীতে ৩৫ জন, পিরোজপুরে ১৪ জন, ভোলায় ৪ জন এবং ঝালকাঠিতে ৮ জন রোগী।

বর্তমানে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ৪১৬ জন। এর মধ্যে বরগুনায় সর্বাধিক ১৪৪ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। শুধুমাত্র ওই জেলাতেই এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১৪ জন। এ ছাড়া বরিশালের বিভিন্ন হাসপাতালে এখনও ভর্তি আছেন ১১৬ জন রোগী।

ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, মৌসুমের শেষ দিকে এসে ডেঙ্গু রোগী এবং মৃত্যুর হার বাড়ছে। তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




জিআই স্বীকৃতি পেল বরিশালের আমড়া, মৌসুমে জমজমাট বেচাকেনা

দেশের দক্ষিণাঞ্চলের গর্ব বরিশালের আমড়া এবার পেয়েছে বিশেষ পরিচিতি। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে এটি ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। মৌসুমে বরিশাল ও আশপাশের জেলায় আমড়ার চাষ, সংগ্রহ ও বেচাকেনা নিয়ে গ্রামীণ জনপদে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।

ঝালকাঠি, পিরোজপুর ও বরিশাল জেলার বিভিন্ন বাগানে গাছ থেকে আমড়া নামাতে চাষিরা ব্যবহার করেন ঐতিহ্যবাহী লগি। এরপর ঝুড়ি বা নৌকায় করে তা আনা হয় স্থানীয় বাজারে। আটঘর-নেছারাবাদ, হিমানন্দকাঠি বা কুড়িয়ানা খালের ঘাটে নিত্যদিন ভিড় করেন চাষি ও ক্রেতারা। এখান থেকেই পাইকাররা বড় আকারে আমড়া কিনে নিয়ে যান।

আড়তগুলোতে নারী-পুরুষ একত্রে বসে আমড়া বাছাই করেন। আকার ও মান অনুযায়ী আলাদা করে রাখা হয় কেরেট ও বস্তায়। এরপর ওজন মেপে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠানো হয়। মৌসুমে প্রতিদিনই শত শত মণ আমড়া পাইকারি বাজারে উঠছে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখছে।

বরিশালের এই আমড়া কেবল স্বাদে অনন্য নয়, বরং দেশের বাজারে একটি পরিচিত ব্র্যান্ড হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জিআই স্বীকৃতি পাওয়ার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারেও বরিশালের আমড়ার পরিচিতি আরও বাড়বে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




ইসলামী ব্যাংকে ব্যাপক রদবদল, হাজারো কর্মীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

বেসরকারি খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশে শুরু হয়েছে নজিরবিহীন শুদ্ধি অভিযান। চাকরিবিধি ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ২০০ কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে এবং আরও ৪ হাজার ৯৭১ জনকে করা হয়েছে ওএসডি (অন স্পেশাল ডিউটি)। ওএসডি হওয়া কর্মকর্তারা বেতন-ভাতা পাবেন বটে, তবে কোনো পদে দায়িত্ব পালন করবেন না। ফলে ব্যাংকের অভ্যন্তরে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।

ব্যাংক সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চট্টগ্রামের একটি প্রভাবশালী ব্যবসায়ী গ্রুপ ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর হাজারো কর্মীকে কোনো লিখিত পরীক্ষা ছাড়াই সরাসরি সিভির মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়। এদের বেশিরভাগই একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের বাসিন্দা। পরবর্তীতে তাদের নিয়োগ ও যোগ্যতা নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে।

গত শনিবার বাংলাদেশ ব্যাংক ও আদালতের নির্দেশনায় কর্মীদের একটি বিশেষ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। মোট ৫ হাজার ৩৮৫ কর্মীকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হলেও মাত্র ৪১৪ জন এতে অংশ নেন। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কর্মীরা স্বাভাবিক দায়িত্ব পালন করছেন। তবে যারা পরীক্ষা দেননি, তাদেরকে পরদিন থেকেই ওএসডি করা হয়। আর পরীক্ষার আয়োজন নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো ও প্রকাশ্যে বিরোধিতা করা ২০০ কর্মীকে সরাসরি চাকরিচ্যুত করা হয়।

তবে ওএসডি হওয়া কর্মকর্তাদের দাবি, হাইকোর্টের নির্দেশে নিয়মিত প্রমোশনাল পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও ব্যাংক সেই আদেশ অমান্য করে নতুন পরীক্ষা নিয়েছে। তারা এই সিদ্ধান্তকে বেআইনি দাবি করে পুনরায় আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, কর্মীদের মান যাচাইয়ের জন্য সরাসরি পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনা দেশে এই প্রথম। সাধারণত পদোন্নতির জন্য ভাইভা নেওয়া হয়। তবে যেহেতু ইসলামী ব্যাংক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, তাই আইন ও নীতিমালার মধ্যে থেকে কর্মী নিয়োগ বা যোগ্যতা যাচাই তাদের এখতিয়ারভুক্ত।

এদিকে, এস আলম গ্রুপের আমলে ব্যাংক থেকে হাজার কোটি টাকা উত্তোলনের অভিযোগ এবং আর্থিক সংকট থেকে বেরিয়ে আসতে বর্তমান কর্তৃপক্ষ যোগ্যতা যাচাই পরীক্ষার মাধ্যমে শুদ্ধি অভিযানে নেমেছে বলে জানা গেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই প্রক্রিয়া ব্যাংকটির ভেতরে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। একই সঙ্গে দেশের ব্যাংকিং খাতে এটি নতুন এক নজির হিসেবে দেখা দেবে, যেখানে কর্মীদের দক্ষতা যাচাইয়ের ওপর চাকরি টিকে থাকার বিষয়টি নির্ভর করছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




রোহিঙ্গা ও আশ্রয়দাতাদের সহায়তায় ৫৮ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে এডিবি

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে চুক্তি করে মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ও তাদের আশ্রয়দাতা কক্সবাজারের স্থানীয়দের জন্য ৫৮.৬ মিলিয়ন ডলারের অনুদান এবং ২৮.১ মিলিয়ন ডলারের স্বল্পসুদে ঋণ প্রদান করবে। এই অর্থ মৌলিক অবকাঠামো ও জরুরি সেবা সম্প্রসারণে ব্যবহার হবে।

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) কার্যালয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করেন ইআরডি সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর হোয়ে ইউন জিয়ং।

এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর বলেন, “মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত ও তাদের আশ্রয়দাতা স্থানীয়দের স্থিতিশীলতা ও জীবিকা নির্বাহের সুযোগ জোরদারে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে পেরে আমরা আনন্দিত। শরণার্থী শিবিরের বাসিন্দা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে সামাজিক সংহতি বৃদ্ধি করা হবে।”

প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজার ও ভাসানচর এলাকায় পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্য, সড়ক-সেতু, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, খাদ্য নিরাপত্তা, বিদ্যুৎ এবং দুর্যোগ সহনশীলতা উন্নত ও সম্প্রসারিত করা হবে।

বিশেষ উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে,

  • কক্সবাজারে সোলার-পাওয়ারড স্ট্রিটলাইট স্থাপন/প্রতিস্থাপন
  • ভাসানচরে পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা পুনঃস্থাপন
  • রান্নার জন্য বায়োগ্যাস উৎপাদন সম্প্রসারণ
  • ক্ষুদ্র পাইপযুক্ত পানি সরবরাহ ব্যবস্থা কক্সবাজার ও ৯টি উপজেলায় চালু
  • হাতিয়ায় বহুমুখী সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ
  • পালংখালী ও উখিয়ায় ভূ-পৃষ্ঠস্থ পানি শোধনাগার নির্মাণ

বর্তমানে কক্সবাজারের ৩৩টি শিবিরে ১০ লাখেরও বেশি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা বাস করছে, যাদের মধ্যে প্রায় ৭৫ শতাংশ নারী ও শিশু। ভাসানচর শিবিরে ৩৬ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা স্বেচ্ছায় স্থানান্তরিত হয়েছে।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে রোহিঙ্গা শিবির ও আশ্রয়দাতা স্থানীয়দের জন্য সামাজিক, স্বাস্থ্যসেবা ও জীবনধারণ সুবিধা বৃদ্ধি পাবে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




‘পিআর পদ্ধতির নির্বাচন চাইছে দেশের অধিকাংশ দল’

পিরোজপুরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পিরোজপুর জেলা শাখার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত গণ সমাবেশে দেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল প্রস্তাবিত সংখ্যানুপাতিক (পিআর) নির্বাচন পদ্ধতির পক্ষপাতী বলে মন্তব্য করেছেন সিনিয়র নায়েব আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম।

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় পিরোজপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে অনুষ্ঠিত সমাবেশে তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, জনগণের মতামত নিয়ে নির্বাচন পদ্ধতি নির্ধারণ করা হোক। সমীক্ষা অনুযায়ী, ৭১ শতাংশ মানুষ পিআর পদ্ধতির পক্ষে মত প্রদান করেছে।

ফয়জুল করীম বলেন, “পিআর পদ্ধতি চালু হলে একটি সুষম সংসদ গঠন হবে। বিশ্বের ৯১টি দেশে এটি কার্যকর, এবং নতুন করে আরও দেশ এই পদ্ধতির দিকে ঝুঁকছে। বর্তমানে প্রচলিত নির্বাচন পদ্ধতি কালো টাকার দৌরাত্ম্য, ভোট জালিয়াতি ও চাঁদাবাজির সুযোগ দেয়। তাই আমরা বাংলার মাটিতে আর এটি দেখতে চাই না।”

তিনি আরও বলেন, ছাত্র আন্দোলনের সময় অনেক শিক্ষার্থী জীবন হারিয়েছে বা অক্ষম হয়েছে। এ কারণে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্বাচন ব্যবস্থার মৌলিক পরিবর্তন, হত্যাকাণ্ডের দৃশ্যমান বিচার এবং সংখ্যানুপাতিক পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন অপরিহার্য।

গণ সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী যারা ক্ষমতায় ছিল, তারা জনগণকে হতাশ করেছে। নতুন বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থায় কোনো স্বৈরশাসক, দুর্নীতিবাজ বা সন্ত্রাসী শ্রেণি ক্ষমতার অপব্যবহার করতে পারবে না। এজন্য মৌলিক রাষ্ট্র সংস্কার দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে এবং আগামী নির্বাচনে সংখ্যানুপাতিক পিআর পদ্ধতিতে ভোটের সুষ্ঠু মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব নজরুল আহসান, ইসলামী যুবি আন্দোলন জেলা সভাপতি মুহাম্মাদ সাইদুল ইসলাম, জাতীয় ওলামা মাশায়েখ ও আইম্মা পরিষদ জেলা সভাপতি মাওলানা রফিকুল ইসলাম, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন জেলা সভাপতি মুহাম্মাদ তরিকুল ইসলাম, সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজ পিরোজপুর শাখার সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মাদ নাঈমুল ইসলাম সহ জেলা ও থানা নেতৃবৃন্দ।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




পিরোজপুরের ২ রেজিস্ট্রি অফিসে দুদকের অভিযান, জব্দ নগদ টাকা

অনিয়ম-দুর্নীতি, ঘুষ ও চেম্পারিংয়ের অভিযোগে পিরোজপুর জেলা রেজিস্ট্রি অফিস ও সদর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বেশ কিছু অভিযোগের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয় বলে জানিয়েছেন জেলা দুদক কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জাকির হোসেন।

দুদক সূত্র জানায়, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে কর্মকর্তাদের মতো সরাসরি অফিস কক্ষে বসে প্রায় ৫০ জন নকলনবিশ সেবা দিয়ে আসছিলেন, যা নিয়মবহির্ভূত। অভিযানে নকলনবিশ মর্জিনা খানমের কাছ থেকে নগদ ৫০ হাজার এবং শিল্পি রানীর কাছ থেকে ১৭ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। মোট ৬৭ হাজার টাকা সন্দেহজনকভাবে জব্দ করা হয়েছে।

অভিযুক্ত মর্জিনা খানম (৪৩) সদর উপজেলার বাঁশবাড়িয়া গ্রামের মানিক সিকদারের স্ত্রী এবং শিল্পি রানী (৪৮) নাজিরপুর উপজেলার শ্যামল বড়ালের স্ত্রী। তারা দুজনই নকলনবিশ হিসেবে কর্মরত।

সহকারী পরিচালক জাকির হোসেন বলেন, “অভিযানে বেশ কিছু অনিয়ম ধরা পড়েছে। নকলনবিশরা নিয়ম ভেঙে কর্মকর্তাদের মতো কাজ করছিলেন। এছাড়া নগদ অর্থ জব্দ করা হয়েছে। এ বিষয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




মনপুরার চরাঞ্চলে শিক্ষক সংকটে থমকে শিক্ষা

ভোলার মনপুরা উপজেলার চরাঞ্চলের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। শিক্ষক সংকটের কারণে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে, ফলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বড় ধরনের ক্ষতি হচ্ছে।

মনপুরার বিচ্ছিন্ন কলাতলি ইউনিয়নে রয়েছে ৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এসব বিদ্যালয়ে বর্তমানে প্রায় ৫৫০ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। কিন্তু পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকায় পাঠদান কার্যক্রম সঠিকভাবে চলছে না।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১ নম্বর কলাতলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০৬ জন শিক্ষার্থীর জন্য শিক্ষক রয়েছেন মাত্র দুইজন। ৪২ নম্বর চর কলাতলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৮২ জন শিক্ষার্থীকে পড়াচ্ছেন দুই শিক্ষক। ৩ নম্বর মনপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৫৫ জন শিক্ষার্থীর জন্য শিক্ষক আছেন তিনজন। আর ২২ নম্বর মাছুমাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১০৭ জন শিক্ষার্থীর জন্য চারজন শিক্ষক থাকলেও একজন মাতৃত্বকালীন ছুটিতে থাকায় কার্যত শিক্ষক সংকট বিদ্যমান।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলছে, নির্ধারিত সময়ে ক্লাস শুরু হয় না। অনেক সময় এক বা দুটি বিষয়ের বেশি পড়ানো সম্ভব হয় না। এতে পরীক্ষার প্রস্তুতিও ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা বৃত্তি পরীক্ষার আগে যথাযথ পাঠ না পেয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে।

অভিভাবকরা জানাচ্ছেন, কলাতলির অধিকাংশ মানুষ জেলে ও কৃষক। আর্থিক সংকট ও যোগাযোগ সমস্যার কারণে সন্তানদের উপজেলা সদরে পাঠানো তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই সরকারের কাছে দ্রুত শিক্ষক সংকট দূর করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

১ নম্বর কলাতলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মঈন উদ্দিন বলেন, “মাত্র দুই শিক্ষক দিয়ে ২০৬ শিক্ষার্থীকে পড়ানো সম্ভব নয়। অনেক সময় প্রশাসনিক কাজে উপজেলা সদরে যেতে হয়, আবার সহকর্মী অসুস্থ হলে একজনকেই পুরো স্কুল চালাতে হয়। এতে শিক্ষার্থীরা সঠিকভাবে শিক্ষা পাচ্ছে না।”

৪২ নম্বর চর কলাতলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শুকবল চন্দ্র দাস বলেন, “আমরা মাত্র দুইজন শিক্ষক। একজন না থাকলে পুরো স্কুল সামলানো সম্ভব হয় না। এতে প্রাথমিক শিক্ষার মান ব্যাহত হচ্ছে।”

মনপুরা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান জানান, “বদলির কারণে শিক্ষক সংকট তৈরি হয়েছে। আমরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। শিগগিরই নতুন নিয়োগ এবং ডেপুটেশনের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হবে।”

শিক্ষক সংকটের কারণে শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও নিয়মিত পাঠ পাচ্ছে না। শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অবিলম্বে শিক্ষক নিয়োগ না দিলে মনপুরার চরাঞ্চলের শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




ধর্মকে রাজনীতির হাতিয়ার বানানো দেশের জন্য হুমকি : রহমাতুল্লাহ

ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারকারীরা দেশের শত্রু বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ।

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বরিশাল সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন মন্দিরে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “কোনো দেশপ্রেমিক শক্তি ক্ষমতায় যাওয়ার হাতিয়ার হিসেবে ধর্মকে ব্যবহার করতে পারে না। প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় অধিকার সংবিধান দ্বারা স্বীকৃত। জনগণের সামনে যার যার রাজনৈতিক দর্শন তুলে ধরলে জনগণই ঠিক করবে কাকে তারা তাদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করবে।”

তিনি আরও বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিছু রাজনৈতিক দল ধর্মভিত্তিক জোট গঠন করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে, যা দেশের জন্য দুঃখজনক। বাংলাদেশের মানুষ ধর্মপ্রাণ হলেও ধর্মান্ধ নয়, তাই তারা ধর্মীয় বিভাজনের ফাঁদে পা দেবে না।

রহমাতুল্লাহ আরও উল্লেখ করেন, “বাংলাদেশে মুসলমান ও সনাতন ধর্মাবলম্বীরা একে অপরের উৎসবে আন্তরিকভাবে অংশগ্রহণ করেন। ধর্মীয় উৎসবকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা একেবারেই অনুচিত।”

এ সময় বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন মন্দির কমিটির সভাপতি-সম্পাদকসহ সনাতন ধর্মাবলম্বী প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫