শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ আগুন, ফায়ার সার্ভিসের ৩০ ইউনিট নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের ৩০টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় রাজধানীর বিভিন্ন ফায়ার স্টেশন থেকে আরও ৬টি ইউনিট ঘটনাস্থলে রওনা দিয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করছে নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সদস্যরাও।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা তাহলা বিন জসিম। তিনি জানান, “বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজের আগুন নিয়ন্ত্রণে আমাদের ৩০টি ইউনিট কাজ করছে, আরও ৬টি ইউনিট ঘটনাস্থলের পথে রয়েছে। এখন পর্যন্ত আগুন লাগার কারণ বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। হতাহতের খবরও পাওয়া যায়নি।”

এদিকে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর দুটি ফায়ার ইউনিট এবং নৌবাহিনীর সদস্যরাও কাজ করছে। এছাড়া সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষও আগুন নিয়ন্ত্রণে সম্পৃক্ত হয়েছে।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, আগুন মূলত কার্গো ভিলেজ এলাকায় সীমাবদ্ধ থাকলেও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বিমান চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে। যাত্রী টার্মিনালের কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয়, সেজন্য বিকল্প ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হচ্ছে।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কার্গো ভিলেজের একটি গুদাম থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ঘটনাস্থলে আগুনের ধোঁয়া চারপাশে ছড়িয়ে পড়ায় এলাকাজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




মরা বলেশ্বরে কচুরিপানার দখল, দূষিত পানি ব্যবহারে চরম দুর্ভোগে ৭ গ্রামের মানুষ

পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার মরা বলেশ্বর নদ এখন কচুরিপানার দখলে। নদীর পানি ঘন কচুরিপানায় পচে গিয়ে দূষিত হয়ে পড়েছে। ফলে আশপাশের অন্তত সাতটি গ্রামের মানুষ এখন তীব্র দুর্ভোগে ভুগছেন। গৃহস্থালি, কৃষিকাজ ও দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় কাজে কোনো বিকল্প না থাকায় বাধ্য হয়ে এই দূষিত পানি ব্যবহার করছেন স্থানীয়রা। এতে চর্মরোগসহ নানা পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২১-২২ অর্থবছরে মৎস্য অধিদফতরের আওতায় ‘ন্যাশনাল এগ্রিকালচার টেকনোলজি প্রোগ্রাম প্রজেক্ট–২’-এর অধীনে মরা বলেশ্বর নদে গোগে এলাকায় একটি মৎস্য অভয়াশ্রম গড়ে তোলা হয়। কিন্তু অভয়াশ্রম হওয়ার পর থেকে নদীতে কচুরিপানা স্থায়ীভাবে জমে থেকে পানি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে নদীর পানি পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে এবং মশার প্রজনন ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।

সরেজমিনে তারাবুনিয়া, বরইবুনিয়া, সামান্তগাতী, চর মাটিভাঙ্গা, চিলমারীর ডাকাতিয়া এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, পুরো নদীজুড়ে কচুরিপানার এমন ঘনত্ব যে কোথাও কোথাও পানি দেখা যায় না। নৌ-চলাচল একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে। নদীর পাড়ে দাঁড়ানোও কঠিন হয়ে পড়েছে দুর্গন্ধ ও মশার উৎপাতের কারণে।

স্থানীয় প্রবীণরা জানান, একসময় এই নদীতে স্রোতের তোড়ে চলত স্টিমার, লঞ্চ, ট্রলার ও কার্গো। মানুষ যাতায়াত করত, কৃষিপণ্য পরিবহন হতো সহজেই। কিন্তু এখন নদী মৃতপ্রায়—স্রোত নেই, পানি পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।

কৃষকদের অভিযোগ, নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় জোয়ার-ভাটা স্বাভাবিকভাবে ওঠা-নামা করছে না, ফলে সেচ সংকটে পড়েছে হাজারো কৃষক। একসময় ‘সোনার জমি’ হিসেবে পরিচিত ছিল বলেশ্বর তীরের কৃষিজমি—যেখানে ধান, গম, সূর্যমুখী, বাদামসহ নানা ফসল বছরে তিন-চারবার ফলত। কিন্তু এখন সেই জমিগুলোও চাষের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।

স্থানীয় জেলে নিয়াজ শেখ ও বাশার শেখ বলেন, “অভয়াশ্রমের কারণে নদীতে কেউ নামতে পারে না। ফলে কচুরিপানা জমে থেকে স্থায়ী হয়ে গেছে। অভয়াশ্রমের নামে সরকারি টাকা লুট হয়েছে, এখন কচুরিপানা ও দুর্গন্ধের শিকার আমরা।”

স্থানীয় ইউপি সদস্য ইনজামুল হক অনিক জানান, নদীর প্রায় ৪ কিলোমিটার এলাকা কচুরিপানায় ঢেকে গেছে। “এই পানি ব্যবহার করে চর্মরোগ ছড়াচ্ছে। গভীর নলকূপ কাজ করছে না, ফলে মানুষ বাধ্য হয়ে এই দূষিত পানি ব্যবহার করছে,” বলেন তিনি।

এ বিষয়ে নাজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজিয়া সাহনাজ তমা বলেন, “মরা বলেশ্বর নদে কচুরিপানার কারণে এলাকাবাসী যে সমস্যায় পড়েছে, তা আমরা অবগত আছি। জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনার পর দ্রুত কচুরিপানা অপসারণ ও নদী খননের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।”

স্থানীয়দের দাবি, নদীটি দ্রুত খনন ও কচুরিপানা অপসারণ না হলে শুধু পরিবেশ নয়, জনস্বাস্থ্যও মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়বে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বিষখালী নদীতে ভয়াবহ ভাঙন : বিলীন হচ্ছে মানকি, সুন্দর ও বাদুরতলা গ্রাম

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আবারও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে বিষখালী নদীর ভাঙন। হঠাৎ করে শুরু হওয়া এই ভাঙনে প্রতিদিন বিলীন হচ্ছে মানকি, সুন্দর ও বাদুরতলা গ্রামের ঘরবাড়ি, কৃষিজমি এবং স্মৃতিবিজড়িত ভিটেমাটি। নদীর গর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে মানুষের জীবনের সব চিহ্ন, অথচ এখনো কার্যকর কোনো প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঠবাড়ি ইউনিয়নের সুন্দর গ্রামটি এখন প্রায় পুরোপুরি নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে। একসময় ঘরবাড়ি, ফসলের জমি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দিয়ে সমৃদ্ধ এই গ্রামটি আজ কেবল একটি বাড়ি ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। নাপিতেরহাট ফকিরবাড়ি এলাকার বহু মানুষ ইতোমধ্যে গৃহহীন হয়ে আত্মীয়ের বাড়ি বা অস্থায়ী আশ্রয়ে দিন কাটাচ্ছেন।

নদীর প্রবল স্রোতে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন এলাকা ভাঙনের কবলে পড়ছে। গত কয়েকদিনে মানকি, সুন্দর ও বাদুরতলা গ্রামে ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। আতঙ্কে রাত কাটাচ্ছেন নদীপাড়ের মানুষ—যে কোনো মুহূর্তে বাড়িঘর নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়ার শঙ্কায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, প্রশাসনকে বারবার জানালেও এখনো জিও ব্যাগ ফেলা বা স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাদের দাবি, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এই অঞ্চলের পুরো গ্রামই মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের কেউ কেউ কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “নদীভাঙনে জমি-ঘর সব গেছে, এখন পরিবার নিয়ে কোথায় যাব জানি না। যদি সরকার দ্রুত কিছু না করে, তাহলে হয়তো আগামী বর্ষার আগেই পুরো মানকি গ্রাম নদীতে তলিয়ে যাবে।”

স্থানীয় সচেতন মহল এবং পরিবেশবিদরা বলছেন, এখনই জরুরি ভিত্তিতে নদী রক্ষা প্রকল্প হাতে না নিলে রাজাপুর উপজেলার এই জনবসতিগুলো চিরতরে বিষখালীর গর্ভে বিলীন হবে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




জলবায়ু ঋণ বাতিলের দাবিতে বরগুনার সমুদ্র সৈকতে পদযাত্রা

জলবায়ু ঋণ বাতিল ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে বরগুনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে পদযাত্রা। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে অংশ নেয় পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক নাগরিক সংগঠন *‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা’*সহ বিভিন্ন সামাজিক ও গণমাধ্যম সংগঠন।

সকাল ১০টায় বরগুনা শহরের মিজান টাওয়ার চত্বর থেকে পদযাত্রা শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পৌর মার্কেট চত্বরে শেষ হয়। বিকেলে তালতলী উপজেলার শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে আয়োজন করা হয় সৈকত পদযাত্রা।

এতে অংশ নেয় ধ্রুবতারা ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন, পিপিলিকা পাঠশালা, নিদ্রা পর্যটন উদ্যোক্তা কমিটিসহ বিভিন্ন স্থানীয় সংগঠনের প্রতিনিধি ও তরুণ সমাজকর্মীরা।

পদযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন ধরার সদস্য মোস্তাক আহমেদ ও মনোয়ার হোসেন, বরগুনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর সালেহ, সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক গোলাম হায়দার স্বপন, বিএমএসএফ বরগুনা শাখার সহ-সভাপতি বেলাল মিলন ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান তাপস, ধরার জেলা শাখার সদস্য সচিব মুশফিক আরিফ, ধ্রুবতারা ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি রাকিবুল ইসলাম রাজনসহ আরও অনেকে।

আয়োজকরা জানান, এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হলো—জলবায়ু ঋণ বাতিল, ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি তোলা এবং টেকসই ও ন্যায়ভিত্তিক জলবায়ু নীতি বাস্তবায়নে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর একটি বাংলাদেশ, অথচ বৈশ্বিকভাবে দায়ীদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ না পেয়ে উল্টো ঋণের বোঝা বইতে হচ্ছে। তাই জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও জনগণের অধিকার রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




পটুয়াখালীর এক কলেজে চার শিক্ষার্থী, পরীক্ষায় অংশ নিল দুজন কেউ পাস করেনি

বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর সাবিনা আক্তার হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে এইচএসসি পরীক্ষায় চরম দুরবস্থা দেখা দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে মোট শিক্ষার্থী ছিল চারজন, কিন্তু পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে মাত্র দুজন। আরও হতাশার বিষয়, এদের কেউই পাস করতে পারেননি।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) প্রকাশিত বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের ফলাফলে দেখা যায়, কলেজটির এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের কেউ সফলতা অর্জন করতে পারেনি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমন ফলাফল স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

প্রধান শিক্ষক এস. এম. আবু তালেব বলেন, “আমাদের কলেজ নতুন, শিক্ষক সংকট রয়েছে। উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে বর্তমানে একজন খণ্ডকালীন শিক্ষক আছেন। শিক্ষার্থীরা নিয়মিত পড়াশোনা না করায় এমন ফলাফল এসেছে। তবে স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগ পেলে আগামীতে পরিস্থিতি উন্নত হবে।”

এদিকে ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সার্বিক ফলাফলে দেখা গেছে, ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে গড় পাসের হার ৫৮.৮৩ শতাংশ, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ১৯ শতাংশ কম।

প্রকাশিত তথ্যে আরও জানা যায়, এ বছর সারা দেশে ২০২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একজনও শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি, যেখানে গত বছর এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৬৫টি।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




ভোলায় সাংবাদিককে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার হুমকি, থানায় জিডি

ভোলার চরফ্যাশনে মো. সাইফুল ইসলাম নামে এক সাংবাদিককে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার হুমকির অভিযোগ উঠেছে চরফ্যাশন পৌর শ্রমিকলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম সবুজের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সকালে চরফ্যাশন পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে সাংবাদিক সাইফুল ইসলামের বাড়ির সামনে প্রকাশ্যে এ ঘটনা ঘটে।

বুধবার (১৫ অক্টোবর) রাতে সাংবাদিক মো. সাইফুল ইসলাম চরফ্যাশন থানায় এ বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। তিনি চরফ্যাশন রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক এবং দৈনিক বাংলা পত্রিকার চরফ্যাশন উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত।

সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম জানান, শ্রমিকলীগ নেতা সবুজের স্ত্রী স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। গত জানুয়ারি মাসে শ্রেণীকক্ষে নিজের শিশুকন্যাকে কবিতা শেখানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করলে সেটি ভাইরাল হয় এবং বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। ওই সংবাদে তার ইন্ধন রয়েছে বলে শ্রমিকলীগ নেতা সবুজ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং একাধিকবার হুমকি দেন।

তিনি আরও বলেন, মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় জামে মসজিদের সামনে সবুজের সঙ্গে দেখা হলে পুরনো বিষয় নিয়ে তর্ক-বিতর্ক হয়। এক পর্যায়ে সবুজ প্রকাশ্যে আমাকে ও আমার বাবাকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার হুমকি দেন। পরে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে তিনি স্থান ত্যাগ করেন।

অভিযুক্ত শ্রমিকলীগ নেতা সবুজ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমার সঙ্গে তার কোনো বিরোধ নেই, তাকে হুমকি দেওয়ার প্রশ্নই আসে না।”

চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান হাওলাদার জানান, সাংবাদিক সাইফুল ইসলামের করা জিডি গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




চাচার লাঠির আঘাতে প্রাণ গেল ৬ বছরের তাননুর

বরগুনার তালতলীতে চাচার লাঠির আঘাতে তাননু নামের ছয় বছরের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত শিশুটি ইদুপাড়া এলাকার জেলে মো. দুলাল খানের মেয়ে ও লালুপাড়া আইডিয়াল স্কুলের কেজি শ্রেণির শিক্ষার্থী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর ২০২৫) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের ইদুপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। শিশু তাননু স্থানীয় ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন একটি মুদি দোকানে রুটি কিনতে গেলে তার চাচা মো. হাবিব ওরফে হাবিল খান (২৮) পিছন দিক থেকে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। এতে সে গুরুতর জখম হয়।

স্থানীয়রা দ্রুত শিশুটিকে উদ্ধার করে তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। তবে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে শিশুটি পথেই মারা যায়।

পরিবারের সদস্যরা মরদেহ তালতলী থানায় নিয়ে গেলে পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।

নিহত শিশুর বাবা দুলাল খান জানান, “আমার ছোট ভাই হাবিল ২০১৫ সালে আমার স্ত্রীকে হত্যা করেছিল। ১০ বছর কারাভোগ শেষে বেরিয়ে এসে এবার আমার ছোট মেয়েকে হত্যা করেছে। আমি ঘাতক হাবিলের ফাঁসি চাই।”

ঘটনার পর স্থানীয়রা হাবিলকে ধাওয়া দিলে সে পালিয়ে এক বাড়িতে আশ্রয় নেয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

তালতলী থানার ওসি মো. শাহজালাল বলেন, “ঘাতক হাবিল খানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিহত শিশুর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। শিশুটির বাবা বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।”

এই নির্মম ঘটনায় পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বরিশাল-ভাঙ্গা সড়কে জোড়াতালি সংস্কারে দুর্ভোগে যাত্রী

বরিশাল থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত সড়কের বেহাল অবস্থায় জনভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। জোড়াতালি দিয়ে চলা সংস্কারকাজে সেই দুর্ভোগ আরও বেড়েছে কয়েকগুণ। সড়কের পিচ-খোয়া উঠে গিয়ে জায়গায় জায়গায় তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত। চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ইট, বালু ও অল্প পিচ দিয়ে সাময়িকভাবে সংস্কার করলেও তা টেকে না বেশিদিন। কয়েকদিন পরেই আগের অবস্থায় ফিরে আসে সড়কটি।

দেশের দক্ষিণাঞ্চলের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান এই কুয়াকাটা-বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কটি এখন যানবাহন চালকদের জন্য দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। এক লেনের এই সড়কে খানাখন্দের কারণে যানবাহন চলাচলে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বাস চালকরা বলছেন, প্রতিদিনই দুর্ঘটনার শঙ্কা নিয়ে গাড়ি চালাতে হয়, আর যাত্রীরা আতঙ্কে থাকেন পুরো পথজুড়ে।

স্থানীয়রা জানান, প্রতিবছর পাঁচ থেকে সাতবার সংস্কারকাজ হলেও টেকসই কোনো সমাধান মিলছে না। এসব সাময়িক মেরামত কাজ মূলত অর্থের অপচয় ছাড়া কিছুই নয় বলে অভিযোগ যাত্রী ও চালকদের।

বরিশাল সড়ক ও জনপদ বিভাগের আওতায় রয়েছে বরিশাল থেকে গৌরনদীর ভুরঘাটা পর্যন্ত ৪৯ কিলোমিটার রাস্তা, বাকিটা ফরিদপুর সওজের অধীনে। এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত স্থায়ী সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করে এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটিকে টেকসই ও নিরাপদ করা হোক।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




৩৫ বছর পর চবি ক্যাম্পাসে ভোটের আমেজ, প্রস্তুত চাকসু নির্বাচন

৩৫ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন। আজ (বুধবার) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ। বহু বছর পর ছাত্র-ছাত্রীদের সরব উপস্থিতিতে ক্যাম্পাসজুড়ে এখন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

চাকসু নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিত করতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনকে ঘিরে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা, নজরদারি এবং পরিবহন সুবিধা।

ভোট অনুষ্ঠিত হবে সমাজ বিজ্ঞান, কলা ও মানববিদ্যা, ব্যবসায় প্রশাসন, আইটি ভবন ও বিজ্ঞান অনুষদের ১৫টি কেন্দ্রে। প্রতিটি কক্ষে থাকবে পাঁচটি ব্যালট বাক্স, যেখানে চারটি চাকসুর জন্য ও একটি হল সংসদের জন্য নির্ধারিত। প্রতিটি কক্ষে ভোট দেবেন ৫০০ জন শিক্ষার্থী, একজন ভোটার চাকসু ও হল মিলে মোট ৪০টি ভোট দিতে পারবেন।

চাকসু ও হল সংসদ মিলিয়ে মোট প্রার্থী ৯০৮ জন। এর মধ্যে চাকসুর ২৬টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪১৫ জন প্রার্থী। শুধু ভিপি পদেই লড়ছেন ২৩ জন, জিএস পদে ২২ জন এবং এজিএস পদে ২১ জন প্রার্থী। সবচেয়ে বেশি প্রার্থী রয়েছেন নির্বাহী সদস্য পদে, সংখ্যা ৮৫ জন।

ভোটার সংখ্যা ২৫ হাজার ৫২১ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১৬ হাজার ৮৪ জন এবং ছাত্রী ১১ হাজার ৩২৯ জন। মোট ভোটারের প্রায় ৭০ শতাংশই অনাবাসিক, যারা শহরে অবস্থান করছেন। তাদের যাতায়াত সহজ করতে অতিরিক্ত শাটল ট্রেন ও ১৫টি বিশেষ বাসের ব্যবস্থা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য চাকসু ভবনের দ্বিতীয় তলায় স্থাপন করা হয়েছে বিশেষ ভোটকেন্দ্র। তাদের ভোট প্রদানে সহায়তার জন্য থাকবেন দুইজন নির্বাচন কমিশনার।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১ হাজার ২০০ সদস্যের পুলিশ, র‌্যাব ও অন্যান্য বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া প্রক্টরিয়াল বডির ১২০ সদস্য ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতিটি অনুষদ ভবনে থাকবেন একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পাশাপাশি চারটি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করবে প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মনির উদ্দিন বলেন, “দীর্ঘ ৩৬ বছর পর চাকসু নির্বাচন হতে যাচ্ছে। আমরা চাই শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা পূরণে একটি নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর নির্বাচন উপহার দিতে।”

ভোট গণনা হবে আধুনিক ওএমআর পদ্ধতিতে, যা দুই ধাপে সম্পন্ন হবে। গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হবে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের মিলনায়তনে। কমিশন জানিয়েছে, সর্বোচ্চ ৮ ঘণ্টার মধ্যে ফলাফল ঘোষণা করা সম্ভব হবে।

এদিকে ক্যাম্পাসের ৭০ শতাংশ ভোটার শহরে অবস্থান করায় তাদের উপস্থিতি নিয়ে কিছুটা শঙ্কা প্রকাশ করেছেন প্রার্থীরা। তবে কমিশন আশাবাদী—চাকসু নির্বাচন হবে অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ ও ঐতিহাসিক।

চাকসুর ইতিহাসে এটি সপ্তম নির্বাচন। প্রথমটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৭০ সালে, আর সর্বশেষটি ১৯৯০ সালে। দীর্ঘ রাজনৈতিক স্থবিরতার পর এবার নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা অংশ নিচ্ছেন গণতান্ত্রিক চর্চার এই গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায়।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এই নির্বাচনকে ঘিরে ক্যাম্পাসে এখন শুধু একটাই স্লোগান—
“গণতন্ত্রের সূর্যোদয়, চবিতে আবার ভোটের হাওয়া বইছে।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




মাদাগাস্কারে সেনা অভ্যুত্থান, প্রেসিডেন্ট দেশত্যাগ

আবারও অস্থিরতায় কাঁপছে আফ্রিকার দ্বীপরাষ্ট্র মাদাগাস্কার। দেশটির সেনাবাহিনী বিদ্রোহের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের ঘোষণা দিয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিদ্রোহী সেনাদের পক্ষ থেকে জাতীয় রেডিওতে দেওয়া ঘোষণায় কর্নেল মাইকেল র‍্যান্দ্রিয়ানিরিনা বলেন, “আমরা দেশের দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। সেনাবাহিনী এখন থেকে রাষ্ট্র পরিচালনা করবে।” তিনি আরও জানান, সেনাবাহিনী দেশের সকল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বিলুপ্ত করেছে, তবে জাতীয় সংসদ (লোয়ার হাউস) কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।

এ ঘোষণার কিছুক্ষণ আগেই সংসদে প্রেসিডেন্ট আন্দ্রি রাজোয়েলিনার বিরুদ্ধে অভিশংসনের প্রস্তাব পাস হয়। জাতীয় পরিষদের বৈঠকে মোট ১৩০ জন সদস্য প্রেসিডেন্টের পদচ্যুতি সমর্থন করেন।

এর আগে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের মধ্যে রাজোয়েলিনা দেশত্যাগ করেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম। তিনি গত রবিবার একটি ফরাসি সামরিক বিমানে করে দেশ ত্যাগ করেন। জানা গেছে, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে আলোচনার পর এ যাত্রা সম্পন্ন হয়। ফরাসি সেনাবাহিনীর কাসা বিমানটি মাদাগাস্কারের সান্ত মেরি বিমানবন্দর থেকে রাজোয়েলিনাকে নিয়ে যায়।

প্রেসিডেন্ট রাজোয়েলিনা অভিশংসন ভোটের নিন্দা জানিয়ে এক বিবৃতিতে বলেন, “জাতীয় পরিষদ ভেঙে দেওয়ার পরও এই সভা আয়োজন করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক।”

মাদাগাস্কারে গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে বিক্ষোভ শুরু হয়। দুর্নীতি, প্রশাসনিক ব্যর্থতা, খাদ্যসংকট ও মৌলিক সেবার ঘাটতি নিয়ে ক্ষুব্ধ জনগণ রাজপথে নেমে আসে। পরে এই আন্দোলন ‘জেনারেশন জি’ বা জেন-জি আন্দোলন নামে পরিচিতি পায়। তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বে সংগঠিত এ আন্দোলন দ্রুত রাজোয়েলিনার সরকারের বিরুদ্ধে বৃহত্তর বিদ্রোহে রূপ নেয়।

রাজধানী আন্তানানারিভোসহ বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন হতাহতের খবর পাওয়া গেছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, সেনাবাহিনীর একাংশ সরকারবিরোধী অবস্থান নেওয়ার পরই পরিস্থিতি আরও অস্থির হয়ে ওঠে, যা শেষ পর্যন্ত সামরিক অভ্যুত্থানে রূপ নেয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, মাদাগাস্কারের সাম্প্রতিক এই সংকট আফ্রিকার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। দেশটিতে এর আগে ২০০৯ সালেও এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাজোয়েলিনা ক্ষমতায় এসেছিলেন।

বর্তমানে সেনাবাহিনী দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছে বলে ঘোষণা দিয়েছে, তবে আন্তর্জাতিক মহল এখনো ঘটনাটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে “অভ্যুত্থান” হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম