সহপাঠীকে বিয়ের দাবিতে বরিশালে কলেজ ছাত্রীর অনশন

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেক্স: বরিশাল সদর উপজেলার কুন্দিয়ালপাড়া এলাকায় বিয়ের দাবিতে সহপাঠী প্রেমিকের বাড়িতে অনশনে বসেছেন কলেজপড়ুয়া এক ছাত্রী। শুক্রবার (২৫ আগস্ট) সকাল থেকে প্রেমিক সাইদুল ইসলামের সদর দরজায় আমরণ অনশনে বসেন ওই ছাত্রী।

সাইদুল ইসলাম ওই এলাকার হাওলাদার বাড়ির আছমত আলী হাওলাদারের ছেলে এবং সাহেবের হাট ফাজিল মাদরাসার ছাত্র। তবে বিষয়টি সমাধানে ছেলের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান স্থানীয় ইউপি সদস্য।

জানা গেছে, অনশনরত ওই ছাত্রী সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের বিশারদ গ্রামের বাসিন্দা এবং প্রেমিক সাইদুলের সহপাঠী। ওই ছাত্রী জানান, দীর্ঘ চার বছর ধরে তাদের প্রেমের সম্পর্ক। বিয়ের প্রলোভন দিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছেন সাইদুল ইসলাম।

সর্বশেষ গত ১৮ আগস্ট পুনরায় শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়েন সাইদুল। এরপর থেকে সাইদুল আর কোনো যোগাযোগ করেননি তার সঙ্গে। সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন ওই ছাত্রী। পরে তার পরিবারের লোকজন বাধা দেন।
এ অবস্থায় শুক্রবার (২৫ আগস্ট) সকালে বিয়ের দাবিতে সাইদুলের বাড়িতে আসেন তিনি। এরপর সাইদুলের পরিবারের সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে চলে যান। সাইদুল বিয়ে না করলে এখানেই আত্মহত্যা করবে বলে হুমকি দিয়েছেন ওই ছাত্রী।

এ ব্যাপারে কুন্দিয়াল গ্রামের ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন কালাম বলেন, সকালে বিষয়টি শুনে ওই বাড়িতে যাই। কিন্তু আছমত আলী হাওলাদারের বাড়িতে কোনো লোকজন না থাকায় কথা বলতে পারিনি। পরে বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যান ও থানা পুলিশকে অবহিত করেছি।
তিনি আরও বলেন, অভিযুক্ত ছেলে কিছুদিন পূর্বে মেয়ে নিয়ে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়ার পর থেকেই পলাতক। মেয়ে ওই ঘরের দরজা খুলে বর্তমানে ছেলের বাড়িতেই অবস্থান করছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত ছেলের পরিবারের কাউকে পাওয়া যায়নি।

বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তদন্ত হরিদাস নাগ জানান, বিষয়টি আমরাও মৌখিকভাবে শুনেছি। তবে কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




বাউফলে শিক্ষকের বলাৎকারের শিকার ছাত্রের মৃত্যু

মো. আল-আমিন (পটুয়াখালী): জেলার বাউফল উপজেলার একটি মাদ্রাসার এক শিক্ষার্থী (১৩) বলাৎকারের শিকার হয়ে মারা গেছে। শুক্রবার রাত ১০টার দিকে রাজধানীর জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।

ওই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক শিশুটিকে দিনের পর দিন বলাৎকারের করায় সে অসুস্থ হয়ে পড়ে বলে অভিযোগ করেন শিশুটির বাবা। মৃত্যুর আগে শিশুটির বলে যাওয়া একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। শিশুটির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক পালিয়ে যান।

ভুক্তভোগী শিশুর স্বজন ও মাদ্রাসা সূত্রে জানা গেছে, শিশুটি ওই মাদ্রাসায় থেকেই পড়াশোনা করত।
শিশুটির বাবার অভিযোগ, মৃত্যুর আগে তাঁর ছেলে জানিয়েছে, প্রায় এক বছর ধরে প্রতি-নিয়ত ছেলেকে ভয় দেখিয়ে পাশবিক নির্যাতন করতেন ওই শিক্ষক। এতে শিশুটির পায়ুপথে ক্ষত সৃষ্টি হয়। কিন্তু ওই শিক্ষক তাঁদের কিছু না জানিয়ে নিজে নিজে বিভিন্ন ঔষধ কিনে দিতেন। সম্প্রতি বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে (শিশুটির বাবা) খবর দেন ওই শিক্ষক। তিনি ছেলেকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে মহাখালীতে জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউটে ভর্তি করান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ রাত আনুমানিক ১০ টার দিকে মারা যায়। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।

শিশুটির মৃত্যুর খবর পেয়ে পালিয়েছেন অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক। তাঁর মুঠোফোন বন্ধ থাকায় অভিযোগের বিষয়ে তাঁর কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ টি এম আরিজুল হক বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।




মহাকাশে কোন রোগে আক্রান্ত হয় কিনা মহাকাশচারী?

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেক্স: স্পেসফ্লাইট কিন্তু মানুষের জন্য একটি কঠোর অভিজ্ঞতা। প্রথমত, মহাজাগতিক বিকিরণ রয়েছে, যা শরীরের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে এবং তার উপরে মাইক্রোগ্র্যাভিটি যা শরীর মধ্যস্থ তরল এবং রক্তচাপের উপর হস্তক্ষেপ করে প্রতিনিয়ত। এ ছাড়াও হাওয়ায় ভেসে বেড়ানো এবং বন্ধুবান্ধব, পরিবার ও সমাজ থেকে দীর্ঘ দিনের বিচ্ছেদ মন দুর্বল করে দেয়। মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয় ব্যাপক ভাবে। মহাকাশচারীদের এই ধরনের পরিস্থিতির সঙ্গে বোঝাপড়া করার জন্য বছরের পর বছর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তবুও মহাকাশে গিয়ে তাঁদের নানা শারীরিক সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

স্পেস হেলথ রিসার্চ অনুযায়ী দীর্ঘ দিন মহাকাশযাত্রা শরীরের প্রায় প্রতিটি তন্ত্র, শরীরের কার্ডিয়োভাসকুলার এবং মেটাবলিক সিস্টেম থেকে শুরু করে ইমিউন সিস্টেমের উপরেও প্রভাব ফেলতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি মহাকাশ মিশনের সময় মহাকাশচারীরা সবচেয়ে বেশি যে সমস্যার মুখোমুখি হয়, তা হল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যাওয়া। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে মহাকাশচারীরা মহাকাশে অনেক ক্ষেত্রেই ভাইরাল সংক্রমণে কাবু হন।

অধিকাংশ সময়ই দেখা যায় যে, সেই ভাইরাসগুলি কিন্তু তাঁরা পৃথিবী থেকেই নিজের শরীরে বহন করে নিয়ে যান। অনেক ক্ষেত্রেই মহাকাশচারীদের ত্বকে বিভিন্ন রকম সংক্রমণ শুরু হয়।

মহাকাশে গেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এতটাই দুর্বল হয়ে পড়ে যে সেই ভাইরাসগুলির আবার সক্রিয় হতে খুব বেশি সময় লাগে না। তবে ভাল বিষয় হল, পৃথিবীতে ফিরে আসার পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে রোগ প্রতিরোধ শক্তি আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।




হেঁটে গিয়ে শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানালেন মোদি

চন্দ্রদীপ ডেস্ক: জোহানেসবার্গে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে এক নৈশভোজে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানাতে তার কাছে হেঁটে যান। এ সময় শেখ হাসিনার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন নরেন্দ্র মোদি। কিছুক্ষণ পরস্পরের খোঁজ খবর নেন দুই নেতা।

ব্রিকসের বর্তমান চেয়ার এবং দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা এ নৈশভোজের আয়োজন করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন প্রধানমন্ত্রীর কর্মব্যস্ততা সম্পর্কে বুধবার সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে কয়েক গজ দূরে থাকা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শেখ হাসিনার কাছে হেঁটে গিয়ে কুশল বিনিময় করেন এবং তারা কিছুক্ষণ পরস্পরের খোঁজ খবর নেন।

দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট বুধবার রাতে ১৫তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে জোহানেসবার্গে আসা রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সম্মানে এ নৈশভোজের আয়োজন করেন।

নৈশভোজে শেখ হাসিনা চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং এবং দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসাসহ অন্যান্য কয়েকটি দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানগণের সাথে কুশল বিনিময় করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বলেন, খুবই সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে কুশল বিনিময় হয়েছে।




মায়ের বিয়ে দিলেন ছেলে

বিনোদন ডেস্ক : সুখের কথা চিন্তা করে মায়ের দ্বিতীয়বার বিয়ে দিলেন মারাঠি অভিনেতা সিদ্ধার্থ চন্দ্রশেখর। বুধবার (২৩ আগস্ট) তার মা সীমা চন্দ্রশেখরের দ্বিতীয় বিয়ের ছবি পোস্ট করে খবরটি নিজেই জানান সিদ্ধার্থ। তারপর থেকে নেটিজেনদের প্রশংসায় ভাসছেন এই অভিনেতা।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিদ্ধার্থ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মায়ের বিয়ের ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখেন, ‘হ্যাপি সেকেন্ড ইনিংস মা। আমার কখনো মনে হয়নি, তোমারও কাউকে দরকার। তোমার যে সন্তানদের বাদ দিয়ে জীবন আছে, সে কথা টের পাইনি। তোমারও তো নিজের একটা জগত থাকা উচিত। আর কত দিন তুমি একা থাকবে? তুমি এতদিন সকলের জন্য ভেবেছো। এখন থেকে তুমি নিজের কথাও ভাববে; তোমার নতুন সঙ্গীর কথাও ভাববে। তোমার সন্তানরা সব সময় তোমার পাশে থাকবে।’

নিজের বিয়ের কথা স্মরণ করে সিদ্ধার্থ আরো লেখেন, ‘বিশাল আয়োজন করে তুমি আমার বিয়ে দিয়েছিলে। এবার আমার পালা তোমার জন্য একই কাজ করার। আমার জীবনের সবচেয়ে আনন্দদায়ক বিয়ের ঘটনা হলো, আমার মায়ের বিয়ে। আই লাভ ইউ মা। হ্যাপি ম্যারিড লাইফ।




পিরোজপুরে বাবার মৃত্যুর শোকে চলে গেলেন ছেলেও

জেলা প্রতিনিধি: পিরোজপুরের কাউখালীতে বাবার মৃত্যু সংবাদ শুনে ছেলে আরিফ হোসেন মারা গেছেন। মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরিফ হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতালে মারা যান। আরিফের শাশুড়ি নাসিরা রেখা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সোমবার (২১ আগস্ট) পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার বাসস্ট্যান্ড এলাকার বাসিন্দা নুরুল ইসলাম চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকায় ইন্তেকাল করেন। বাবার মৃত্যুর সংবাদ শোনার পর নুরুল ইসলামের ছোট ছেলে আরিফ হোসেন (৩২) স্ট্রোক করলে তাকে ঢাকার হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরিফ হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতালে মারা যান।

পরে দুুপরে কাউখালী বাসস্ট্যান্ড মসজিদের সামনে জানাজা শেষে ছোট বিড়ালজুরী গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে বাবা ও ছেলেকে দাফন করা হয়।

মৃত আরিফের ৫ বছর বয়সী একটি মেয়ে আছে। দুই দিনের মধ্যে বাবা ও ছেলের মৃত্যুতে তাদের পরিবারসহ এলাকায় শোকের ছায়া নেমেছে




গাড়ির গতিসীমা লঙ্ঘন করায় কানাডার অর্থমন্ত্রীকে জরিমানা

চন্দ্রদীপ নিউজ ডেস্ক : অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানোর দায়ে শাস্তির মুখে পড়েছেন কানাডার অর্থমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ঘণ্টায় ১৩২ কিলোমিটার বেগে গাড়ি চালিয়েছেন, যা সর্বোচ্চ গতিসীমার বেশি এবং এই অভিযোগে জরিমানার মুখে পড়েছেন তিনি।

আর ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড এই শাস্তির মুখে পড়েছেন তার নিজ প্রদেশেই। যদিও কানাডার এই অর্থমন্ত্রীর নিজের কোনও গাড়ি নেই। আজ বুধবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানোর দায়ে কানাডার অর্থমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ডকে তার নিজ প্রদেশ আলবার্টাতে ২৭৩ কানাডিয়ান ডলার (২০০ মার্কিন ডলার) জরিমানা করা হয়েছে বলে মঙ্গলবার তার একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় জরিমানার পরিমাণ প্রায় ২২ হাজার টাকা।

অর্থমন্ত্রীর মুখপাত্র ক্যাথরিন কাপলিনস্কাস বলেছেন, গ্র্যান্ডে প্রেইরি এবং পিস রিভার শহরের মধ্যে ঘণ্টায় ১৩২ কিমি (৮২ মাইল) গতিতে গাড়ি চালানো অবস্থায় অর্থমন্ত্রী ফ্রিল্যান্ডকে ধরা হয় এবং পরে তাকে ওই জরিমানা করা হয়। পরে জরিমানাকৃত সম্পূর্ণ অর্থ ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড পরিশোধ করেন বলেও জানান মুখপাত্র ক্যাথরিন।

অবশ্য ঘটনাটি কখন ঘটেছে এবং রাস্তার সর্বোচ্চ গতিসীমা কত ছিল তা বলেননি কাপলিনস্কাস। তবে কানাডার আলবার্টা প্রদেশের হাইওয়েতে সর্বোচ্চ গতিসীমা হচ্ছে ঘণ্টায় ১১০ কিমি।

রয়টার্স বলছে, অর্থমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড কানাডার বৃহত্তম শহর টরন্টোর একটি সংসদীয় আসনের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং প্রায়শই তাকে তার বাইকের সাথে তোলা ছবিতে দেখা যায়।

গত মাসে সাংবাদিকদের তিনি বলেছিলেন, ‘যে বিষয়টি এখনও আমার বাবাকে হতবাক করে, তা হচ্ছে- আমার আসলে একটিও গাড়ি নেই।’

তিনি আরও বলেছিলেন, ‘আমি হাঁটি, আমি সাবওয়েতে চলাচল করি। আমার বাচ্চারা (কোথাও যেতে হলে) হেঁটে যায় এবং তাদের বাইক চালায়। এটি আসলে আমাদের পরিবারের জন্য স্বাস্থ্যকর।’




যে রঙের পোশাক পরলে মশা বেশি কামড়ায়

চন্দ্রদীপ ডেস্ক: মশা কমবেশি সবাইকেই কামড়ে থাকে। তবে কারও কারও একটু বেশিই কামড়ায়! এর কারণ কী জানেন? আসলে মশা কাকে বেশি আক্রমণ করবে তার অনেকটাই নির্ভর করে আপনি কোন রঙের পোশাক পরেছেন তার ওপর।

অবাক করা বিষয় হলেও এমন তথ্য উঠে এসেছে সাম্প্রতিক এক গবেষণায়। বিজ্ঞান বিষয়ক পত্রিকা নেচার কমিউনিকেশনে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক এই তথ্য জানিয়েছে।

এডিস মশা প্রথমে আকৃষ্ট হয় মানুষের দেহ থেকে নিঃসৃত হওয়া কার্বন ডাই অক্সাইডে। এরপর যে উৎস থেকে ওই কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গত হচ্ছে ও তার রঙের ওপর ভিত্তি করে আক্রমণ করে মশা।

গবেষকরা জানান, লাল, কমলা, কালো ও সায়ান রঙের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয় মশা। পাশাপাশি সবুজ, বেগুনি, নীল ও সাদা রং দেখলে দূরে পালায় মশা। অর্থাৎ এসব রং একেবারেই পছন্দ করে না মশা।

এর আগে বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল, মূলত তিনটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে আক্রমণ করে মশা। নিশ্বাস থেকে নির্গত কার্বন ডাই অক্সাইড, ঘাম ও দেহের উষ্ণতা। তবে এই তালিকায় এবার চতুর্থ বিষয়টি যুক্ত হলো।

গবেষণায় আরও জানা যায়। গাঢ় লাল না হলেও ত্বকের লাল রঞ্জক পদার্থে আকৃষ্ট হয় মশা। তাই মশা যেসব রং পছন্দ করে না, সেসব রঙের কাপড় পরেও মশার কামড় এড়াতে পারেন।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া




টিকটক-টেলিগ্রাম-ওয়ানএক্সবেট নিষিদ্ধ করল সোমালিয়া

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : অশ্লীল কনটেন্ট আর মিথ্যার প্রচারণা ঠেকাতে জনপ্রিয় ভিডিও-শেয়ারিং অ্যাপ টিকটক, মেসেজিং অ্যাপ টেলিগ্রাম এবং অনলাইন-বেটিং ওয়েবসাইট ওয়ানএক্সবেটকে নিষিদ্ধ করেছে সোমালিয়া। রোববার দেশটির যোগাযোগ মন্ত্রী জামা হাসান খলিফ এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছেন বলে সোমবার খবর দিয়েছে রয়টার্স।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যোগাযোগ মন্ত্রী ইন্টারনেট কোম্পানিগুলোকে এসব অ্যাপ ও ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। দেশের সন্ত্রাসী এবং অনৈতিক গোষ্ঠীগুলো জনসাধারণের মাঝে ধারাবাহিকভাবে ভয়ানক ছবি ও ভুল তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য এসব অ্যাপ ব্যবহার করে।

দেশটির স্থানীয় জঙ্গিগোষ্ঠী আল-শাবাবের সদস্যরা প্রায়ই টিকটক ও টেলিগ্রামে তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে পোস্ট করে।

আগামী পাঁচ মাসের মধ্যে সামরিক অভিযান চালিয়ে আল-কায়েদার অনুসারী আল-শাবাব গোষ্ঠীকে নির্মূল করার হুঙ্কার দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট হাসান শেখ মোহামুদ। তার এই সামরিক অভিযানের ঘোষণা দেওয়ার কয়েকদিন পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন পূর্ব আফ্রিকার দেশটির যোগাযোগ মন্ত্রী।

সোমালিয়ার সরকারের নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের ব্যাপারে রয়টার্স জানতে চাইলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি টিকটক, টেলিগ্রাম এবং ওয়ানএক্সবেট।

নিষিদ্ধের আদেশ বাস্তবায়নের জন্য সোমালিয়ার ইন্টারনেট পরিষেবা সরবরাহকারী কোম্পানিগুলোকে আগামী ২৪ আগস্ট পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। অনলাইনে বাজি ধরার জন্য সোমালিয়া ওয়ানএক্সবেট তুমুল জনপ্রিয়। বিশেষ করে বিভিন্ন ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দেশটিতে এই ওয়েবসাইটে বিপুল পরিমাণ অর্থের বাজি হয়।

এদিকে, চীনের সরকারের সাথে কথিত সম্পর্কের অভিযোগে টিকটককে নিষিদ্ধ করার হুমকি দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির মন্টানা রাজ্য মে মাসে প্রথম এই অ্যাপটি নিষিদ্ধ করেছে।




ফাঁদে ফেলেছেন একাধিক পুরুষকে, গ্রেফতার মডেল

বিনোদন ডেস্ক: একে একে ৫০ জন পুরুষকে যৌনতার ফাঁদে ফেলেছেন মুম্বাইয়ের এক মডেল। তাদের কাছ থেকে আদায় করেছিলেন প্রায় ৩৫ লাখ টাকা। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। প্রতারিতদের একজনের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে নেহা নামের ওই মডেলকে।

নেহার বিরুদ্ধে অভিযোগ, মুম্বাইয়ে একাধিক পুরুষকে যৌনতার ফাঁদে ফেলেছেন তিনি। পুরুষদের প্রলোভন দেখিয়ে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসতেন। এরপর তাদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও গোপনে ক্যামেরাবন্দি করতেন। সেই ভিডিও ওই সকল ব্যক্তির ফেসবুক, হোয়াট্‌সঅ্যাপে পাঠিয়ে ব্ল্যাকমেল শুরু করতেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সম্মান হারানোর ভয়ে টাকা দিয়ে বিষয়টি মিমাংসা করতে চাইতেন ভুক্তভোগীরা।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত মডেল পুরুষদের প্রলুব্ধ করে বাড়িতে ডাকলেও এই অপরাধের সঙ্গে তিনি একা যুক্ত ছিলেন না। এটি একটি প্রতারণা চক্র। যেখানে নেহা ছাড়াও জড়িত ছিলেন অনেকে।

সম্প্রতি কর্নাটকের পুলিশ এই চক্রটির পর্দা ফাঁস করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ৫০ জনেরও বেশি পুরুষ এই প্রতারণা চক্রের শিকার হয়েছেন। প্রতারিতদের মধ্যে একজন পুলিশে অভিযোগ দায়ের করার পর পুরো বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

অভিযোগকারী যুবক পুলিশকে জানান, নেহা প্রথমে মেসেজিং অ্যাপ টেলিগ্রামের মাধ্যমে তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সেখানে থেকে ফোন নম্বর বিনিময়ের পর তাদের মধ্যে হোয়াট্‌সঅ্যাপে কথাবার্তা শুরু হয়। নেহা ওই ব্যক্তিকে জানান, তার স্বামী দুবাইয়ে কাজ করেন। এরপর নানাভাবে ওই যুবককে প্রলুব্ধ করেন তিনি।

অভিযোগকারীর দাবি, গত ৩ মার্চ বিকেল তিনি নেহার বাড়িতে যান। বাড়িতে প্রবেশের কিছুক্ষণের মধ্যে সেখানে হাজির হন তিন যুবক। একপর্যায়ে মারধর শুরু করেন তাকে। পরে তিন লাখ টাকা দাবি করেন তার কাছে।

যুবক জানান, প্রথমে তিনি একটি মোবাইল নম্বরে ২১ হাজার টাকা পাঠান। কিন্তু এরপরও তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়নি। বরং রাত পর্যন্ত বন্দি করে রাখা হয়। পরে ক্রেডিট কার্ড নিয়ে আসার কথা বলে সেখান থেকে পালিয়ে আসেন তিনি। এরপরই পুলিশের কাছে গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ পেয়েই তদন্তে নামে পুলিশ। একপর্যায়ে নেহার ফাঁদে পরা অনেক যুবকের সন্ধান পান তারা। যাদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় প্রায় ৩৫ লাখ টাকা আদায় করেছেন তিনি।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। যেখানে রয়েছে সেই মডেল নেহাও। চক্রের বাকিদেরও খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।