বরগুনার আমতলীতে পল্লী বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিলে অতিষ্ঠ গ্রাহকরা

বরগুনা (অর্ণব শরীফ) : পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন বরগুনার আমতলী জোনাল অফিসের অধীনস্থ বিদ্যুৎ গ্রাহকরা ভুতুড়ে বিল নিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিদিনই পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আমতলী জোনাল অফিসে বাড়তি বিদ্যুৎ বিলের বিষয়ে অভিযোগ নিয়ে হাজির হচ্ছেন উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বিদ্যুৎ গ্রাহকরা। এতে করে এক দিকে যেমন বিতরণ বিভাগের কর্মকর্তারা বিপাকে পড়েছেন তেমনি গ্রাহকদের মাঝেও চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বিদ্যুৎ গ্রাহকরা অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে খারাপ আচরণের পাশাপাশি গ্রাহকরা বিদ্যুৎ অফিস থেকে প্রেরিত ভুতুড়ে বিল নিয়ে ভোগান্তি ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্তেরও অভিযোগ করেন।

পৌর শহরের মেহেদী হাসান রিপন, তারিকুল ইসলাম, জাকারিয়া, কবির শিকদার, বশির উদ্দিন, জাকির হোসেন, স্বপন কান্তি শীল, হোসনে আরা, রুমা আক্তারসহ অনেক বিদ্যুৎ গ্রাহক অভিযোগ করে বলেন, আমতলী পল্লীবিদ্যুৎ জোনাল অফিস থেকে জুলাই মাসের তৈরিকৃত বিদ্যুৎ বিল অফিসের নির্ধারিত তারিখের মধ্যেই তারা পরিশোধ করেছেন। বিল পরিশোধের পরেও আগষ্ট মাসের বিলের সাথে বকেয়া হিসাবে জুলাই মাসের বিল যুক্ত করে দেওয়ার পাশাপাশি বাড়তি বিল করা হয়েছে। ওই অবস্থায় গ্রাহকদের বাড়তি টাকা খরচ করে অফিসে গিয়ে বিল সংশোধন করে আনতে হয়েছে।

গ্রাহকরা অভিযোগ করে বলেন, বিদ্যুৎ অফিসের স্টাফদের আচার-আচরণও ভালো নয়। নিয়মিত মিটার রিডিং না দেখেই মনগড়া বিল তুলে দেওয়া হয়। ফলে কোনো মাসে বিদ্যুৎ বিল খুব কম আবার কোনো মাসে খুব বেশি বিল আসে। তারা আরো বলেন, ডিমান্ড চার্জ ও ভ্যাট ছাড়াও বিদ্যুৎ বিলের সাথে প্রতিমাসে দশ টাকা হারে মিটার ভাড়াও নেওয়া হচ্ছে। অথচ গ্রাহকরা টাকা দিয়ে মিটার কিনে নেওয়ার পরেও প্রতি মাসে তাদের কাছ থেকে মিটার ভাড়া হিসেবে ১০ টাকা নেয়া হচ্ছে। এসব বিষয়ে সঠিকভাবে তদারকি করার কেউ নেই।

বিদ্যুৎ গ্রাহক ঝন্টু তালুকদার বলেন, বিদ্যুৎ বিল নিয়ে পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধিন আমতলী জোনাল অফিসের অধীনস্থ গ্রাহকদের অভিযোগ এটাই প্রথম নয়। প্রায়ই বিদ্যুৎ বিল দেখে অনেক গ্রাহকের চোঁখ কপালে উঠে যায়। ব্যবহৃত ইউনিট না দেখেই অতিরিক্ত বিল করেন, বিল নিয়ে অফিসে অভিযোগ করতে গেলে অফিস স্টাফরা গ্রাহকদের সাথে আজেবাজে ব্যবহার করেন। এতে গ্রাহকরা চরম অতিষ্ঠ।

গ্রাহক প্রবাসী সাকুর আহম্মেদ এর অভিযোগ, মিটারের ইউনিট না দেখে বিদ্যুৎ কর্মীরা আন্দাজে মনগড়া ইউনিট বসিয়ে বিল তৈরী করে। আমি দেশের বাহিরে থাকি আমার পরিবারের সদস্যরা ঢাকায় বসবাস করে। আমার আমতলীর বাসা মাসের পর মাস তালাবদ্ধ থাকে অথচ প্রতিমাসে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা বিদ্যুৎ বিল আসে। মিটার না দেখে বিল করে এভাবে গ্রাহকদের গলা কেটে বিল না নেওয়া ও অহেতুক গ্রাহকদের হয়রানি না করার জন্য অনুরোধ করছি।

হলদিয়ার তক্তাবুনিয়া গ্রামের বিদ্যুৎ গ্রাহক শাহিন হাওলাদার বলেন, শহরে তো ভালোই বিদ্যুৎ থাকে আমাদের গ্রামে দিনে রাতে ঘন্টার পর ঘন্টা লোডশেডিং দেওয়া হয়। বিদ্যুৎ চলে গেলে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও কারণ জানতে চেয়ে বিদ্যুৎ অফিসের সংশ্লিষ্টদের মুঠোফোনে কল করলেও কেউ তা রিসিভ করেন না।

তারপর মিটার রিডিং না দেখেই মনগড়া বিল তৈরি করছে কিছু সংখ্যক পল্লী বিদ্যুৎ কর্মী। জুলাই মাসে আমার ৩৪৫ টাকা বিদ্যুৎ বিল আসলেও আগস্ট মাসে বিল আসছে ১২৭০ টাকা। তার প্রশ্ন ওই ভুতুড়ে বিল কোথা থেকে এলো।

আমতলী সদর ইউনিয়নের নাচনাপাড়া গ্রামের হিরন মৃধা বলেন, পল্লী বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিলে অতিষ্ঠ আমাদের এলাকার গ্রাহকরা। অফিসে ধরনা দিয়েও তারা কোনো কুল-কিনারা পাচ্ছেন না। বিল নিয়ে অফিসে গেলে তারা জানিয়ে দেয় বিলে কোন সমস্যা নেই, ঠিক আছে। একদিকে বিদ্যুতের লোডশেডিং অন্যদিকে বাড়তি বিদ্যুৎ বিল সবমিলিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে।

অভিযোগ প্রসঙ্গে পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন আমতলী জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সঞ্জয় রায় বলেন, যে সকল গ্রাহক বিদ্যুৎ বিলে উল্লেখিত তারিখে পূর্বের মাসের বিল পরিশোধ করেছেন তাদের বর্তমান মাসের বিদ্যুৎ বিলের সাথে পূর্বের মাসের বিল যুক্ত হওয়ার কথা না। তারপরেও আমাদের অনিচ্ছাকৃত ভুলের কারণে যুক্ত হওয়ার ঘটনা ঘটতে পারে। মিটার না দেখে মিটার রিডিং ম্যানরা বাড়তি বিদ্যুৎ বিল করার বিষয়ে আমরা অভিযোগ পাচ্ছি। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি গ্রাহকদের সাথে বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা- কর্মচারীদের খারাপ আচরণ বিষয়টি অস্বীকার করে আরো বলেন, আমরা যথাসাধ্য গ্রাহকদের নিয়মিত সেবা দেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি।।




গলাচিপা উপজেলায় নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর গলাচিপায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিভিন্ন মহলের কর্মকর্তা ও নেতৃবৃন্দের সাথে নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মো. নূর কুতুবুল আলম দেশের চলমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, নাশকতা প্রতিরোধে সকলকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি পুলিশ প্রশাসন এবং সরকারি-বেসরকারি সকল দপ্তরের কর্মকর্তাকে নিজ নিজ দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করার নির্দেশনা দেন। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে সকল ধরনের সহিংসতা বর্জনের আহ্বান জানান।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মহিউদ্দিন আল হেলালের সভাপতিত্বে ও উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মাহবুব হাসান শিবলীর সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন পৌর মেয়র আহসানুল হক তুহিন, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ওয়ানা মার্জিয়া নিতু, সহকারী পুলিশ সুপার (গলাচিপা সার্কেল) মোর্শেদ তোহা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা টিটো ও সহ-সভাপতি হাজী মু. মজিবর রহমান।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সাইফুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মেজবাহ উদ্দিন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরজু আক্তার, উপজেলা প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর আলম, গলাচিপা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফোরকান কবির, উপজেলা মা ও শিশু স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আতিকুর রহমান, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মীর রেজাউল ইসলাম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. মোখলেছুর রহমান, গলাচিপা বণিক সমিতির সভাপতি হাজী মু. শাহজাহান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নিজাম উদ্দিন তালুকদার, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি রিন্টু কুমার রক্ষিত, গলাচিপা প্রেস ক্লাব সভাপতি সমিত কুমার দত্ত মলয় প্রমুখ।

এছাাড়া সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, সুশীল সমাজ ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।




জাকার্তায় আসিয়ানের শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিলেন রাষ্ট্রপতি

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ:  ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় শুরু হয়েছে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ানের ৪৩তম শীর্ষ সম্মেলন। আসিয়ানের চেয়ার ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদোর বিশেষ আমন্ত্রণে এ সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে রাষ্ট্রপতি ও তার সহধর্মিণী অধ্যাপক ড. রেবেকা সুলতানা জাকার্তা কনভেনশন সেন্টারে পৌঁছালে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট তাদের স্বাগত জানান।

তিনদিনব্যাপী এবারের সম্মেলনে আসিয়ানের সদস্য দেশ এবং এর সহযোগী দেশগুলো ছাড়াও বেশ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানগণ অংশ নিচ্ছেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অটিজম ও নিউরো ডেভেলপমেন্ট ডিসঅর্ডার বিষয়ক জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারপারসন সায়মা ওয়াজেদ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে  ছিলেন। পরে, আসিয়ান নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ফটো সেশনে অংশ নেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ।

আগামীকাল বুধবার ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টের দেওয়া নৈশভোজে অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি।




এক রাত ঠিকমতো না ঘুমালে যে ক্ষতি হয়

কাউকে কম ঘুমাতে দিয়ে এবং কাউকে পর্যাপ্ত ঘুমাতে দিয়ে বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করেছেন। পেয়েছেন দারুণ শিহরণ জাগানিয়া তথ্য। নিউরোসাইন্টিস্ট ম্যাথু ওয়াকারের ভিডিও অবলম্বনে এই তথ্য নিয়ে লিখেছেন মো: লতিফুর রহমান।

১. যারা কম ঘুমায় তাদের স্মৃতি তৈরি হয় না। বিশেষ করে বাচ্চারা রাতে কম ঘুমালে পড়া ভুলে যায়। অনেকটা কম্পিউটারে কাজ করার পর ফাইল সেভ না করার মতো।

২. আমরা দৈনন্দিন অনেক কিছু ভুলে যায় কিন্তু পুরানো স্মৃতি মনে রাখতে পারি। এজন্য দরকার শর্ট টার্ম স্মৃতিকে লং টার্মে কনভার্ট করা। কিন্তু ঘুম কম হলে এখানেও সমস্যা হয়। ব্রেইনের হিপোকমপাস নামক মেমরি ইনবক্সে নতুন স্মৃতি প্রবেশ করে না।

৩. এক রাত কম ঘুমালে পর দিন ব্রেইনের কর্মক্ষমতা কমে যায় ৪০%।

৪. শরীরে রয়েছে ন্যাচারাল কিলার সেল। এরা ভাইরাস ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে গোয়েন্দা সংস্থার মতো ভুমিকা পালন করে। এক রাত ঠিক মতো না ঘুমালে এটার উৎপাদন কমে যায় ৭০%। ফলে ওই সময় রোগ-ব্যাধীতে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

৫. কোষের ডিএনএ-র মধ্যে থাকে জিন। এরা বিভিন্ন শারিরীক প্রতিক্রিয়া ঘটানোর জন্য দায়ী। ঘুম এলোমেলো হলে এদের কেউ সক্রিয় হয় এবং কেউ হয় নিস্ক্রিয়। যেমন- ঘুম কম হলে ন্যাচারাল কিলার সেলের জিন নিস্ক্রিয় হয়ে পড়ে। আর টিউমার ও ক্যানসারের জিন সক্রিয় হয়।

তাই বলা যায়, বংশগত রোগ বলে কিছু নেই। মূলত আছে বংশের অভ্যাস। বাবার অভ্যাস অনুসরণ করে ছেলেরও একই রোগ হয়েছে।

৬. কম ঘুমালে পুরুষের টেস্টকল ছোট হয়ে যায় এবং টেস্টটেরন কমে যায়। যৌন ক্ষমতা কমে যায় দশ গুন। অর্থাৎ অকালে পুরুষের বয়স বেড়ে যায় ১০ বছর।

৭. মেয়েদের বাচ্চা উৎপাদন ক্ষমতা মারাত্নক কমে যায়। হরমোন এলোমেলো হওয়ার প্রভাবে তাদের স্বভাব চরিত্র হয়ে পড়ে পুরুষের মতো মাসিকে সমস্যা দেখা দেয়।

৮. নারী পুরুষ উভয়ের হার্টঅ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। বলা নাই কওয়া নাই হুট করে কেউ কেউ মরে যায়।

৯. স্বপ্ন দেখা ভালো। তার মানে আপনি গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন। যেদিন কেউ স্বপ্ন দেখেছে তার ওপর পরীক্ষা চালিয়ে দেখা গেছে তার জ্ঞান বুদ্ধি আগের তুলনায় বেড়েছে।

১০. ঘুমের বড়ি খেয়ে ঘুমালে উপকার পাওয়া যায় না। এছাড়া কারো সহযোগিতা ছাড়া নিজ থেকে ঘুম থেকে ওঠা ভালো।

১১. ঘুমের উপকারী সময় হচ্ছে রাত ৯টা থেকে সুবহে সাদিক পর্যন্ত। অর্থাৎ ভোর ৫টা। দেরি করে ঘুমিয়ে দেরি করে উঠে ৮ ঘণ্টা ঘুমালে একই ফায়দা পাওয়া যায় না। কারণ কোয়ালিটি ঘুম হওয়া উচিত। অর্থাৎ যেই ঘুমের সময় শরীরে উপকারী হরমোন ও এনজাইম নিসৃত হয় সেটা লাগবে।

১২. প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমানো এবং একই সময়ে ঘুম থেকে উঠার অভ্যাস করা খুবই উপকারী।

১৩. কৃত্রিম আলো ও কৃত্রিম শব্দ নেই এমন স্থানে ঘুমাতে হবে। এমনকি চার্জারের মিটিমিটি আলো নিভায়ে ফেলতে হবে। ঘুমানোর আগে হালকা গরম পানিতে গোসল করা উত্তম। রাতের খাবার খেতে হবে সন্ধ্যার সময়। আর বিকালের পরে চা, কফি বা এজাতীয় উত্তেজক কিছু খাওয়া যাবে না।

১৪. ঘুমের কাজা আদায় হয় না। পরে বেশি ঘুমিয়ে কখনই আয়ু বাড়ানো যায় না। এজন্য বর্তমানে অকালে মৃত্যু বেড়ে গিয়েছে।




পটুয়াখালীর দশমিনায় ভেঙে পড়ার ৭ বছরেও নির্মিত হয়নি সেতু

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের সুতাবাড়িয়া নদীর ওপর নির্মিত সেতুটি সাত বছর আগে বালুবোঝাই কার্গোর ধাক্কায় মাঝখানের অংশ ভেঙে গেছে। কিন্তু এতদিনেও নতুন সেতু নির্মাণ কিংবা ভাঙা সেতু সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। এতে ১১টির বেশি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। ডিঙি নৌকায় ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হচ্ছেন শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।

জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর গলাচিপা উপজেলা থেকে দশমিনা যাওয়ার পথে বালুবোঝাই একটি কার্গোর ধাক্কায় সেতুর মাঝখানের অংশ ভেঙে গিয়ে চার শিশুসহ পাঁচজন নদীতে পড়ে যান। তাদের মধ্যে চারজন সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও এলাকার রেফাতুল আলমের মেয়ে নুরসাত জাহান (৫) নামের এক শিশু নিখোঁজ হয়। পাঁচদিন পর তার লাশ নদীতে ভেসে ওঠে। ওই সময় বালুবোঝাই কার্গোটিও ঘটনাস্থলে ডুবে যায়। প্রায় সাত বছর হলেও এখনো সেতুটি মেরামত কিংবা নতুন করে নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়নি। ওই এলাকার ১১টির বেশি গ্রামের বাসিন্দাদের সহজ যোগাযোগ ছিল জমির মৃধাবাজার এলাকার খারিজা বেতাগী মাধ্যমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন সেতুটি।

এ বিষয়ে এলজিইডির দশমিনা উপজেলা প্রকৌশলী মকবুল হোসেন বলেন, নতুন সেতু নির্মাণের জন্য দুই পাড়ের মাটি পরীক্ষা করে সেতু নির্মাণ উপযোগী না হওয়ায় সেতু নির্মাণ করা যাচ্ছে না।




দেশে কুকুরের ল্যাপারোস্কোপি

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : দেশে প্রথমবারের মতো একটি কুকুরের ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি করেছেন চিকিৎসকরা। সোমবার চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) ভেটেরিনারি ক্লিনিকসের আওতাধীন এসএ কাদেরী টিচিং ভেটেরিনারি হাসপাতালে এ অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। এতে নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ড. বিবেক চন্দ্র সূত্রধর। তিনি ও তাঁর দলের সদস্যরা পোষা প্রাণীটির শরীর থেকে প্রজনন ক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ (অণ্ডকোষ বা ডিম্বাশয়) অপসারণ করেছেন, যাকে স্পেয়িং বা প্রজনন ক্ষমতার অপারেশন বলে।

চিকিৎসকরা বলছেন, কুকুরের জন্মনিয়ন্ত্রণ করতে হলে কিংবা আহত হলে অস্ত্রোপচার প্রয়োজন। এতে কষ্ট পায় অবলা প্রাণীগুলো; সেরে উঠতেও দেরি হয়। বর্তমান বিশ্বের সমাদৃত ও আধুনিক অস্ত্রোপচার পদ্ধতিগুলোর অন্যতম ল্যাপারোস্কোপি। এ পদ্ধতিতে প্রাণীর অস্ত্রোপচার করা হলে এরা দ্রুত সেরে ওঠে। কষ্টও কম পায়।
অধ্যাপক ড. বিবেক চন্দ্র সূত্রধর বলেন, ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারিকে মিনিম্যালি ইনভেসিভ সার্জারি বা কিহোল সার্জারিও বলা হয়। এটি একজন সার্জনের মাধ্যমে জেনারেল অ্যানেসথেশিয়ার সাহায্যে করা হয়। এতে কম কাটা-ছেঁড়া করতে হয়।

ল্যাপারোস্কোপিক পদ্ধতিতে শরীরের ছোট একটি অংশ অবশ করতে হয়। এরপর ওই স্থানে কাছাকাছি তিনটি ছিদ্র করা হয়। এতেই সহজে সম্পন্ন করা যায় অস্ত্রোপচার। এ ছাড়া এই পদ্ধতিতে ব্যথা কম হয়, সংক্রমণের ঝুঁকিও থাকে না। সাত দিনের মধ্যে অপারেশনের ক্ষত শুকিয়ে যায়। সাধারণ অপারেশন করতে যেখানে এক থেকে দেড় ঘণ্টা লাগে, সেখানে এটি করতে সময় লাগে ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট।
অধ্যাপক বিবেক চন্দ্র আরও জানান, তিন মাস আগে ল্যাপারোস্কোপিক মেশিনটি বিশ্ববিদ্যালয় কেনে। এর সাহায্যে পরীক্ষামূলক কয়েকটি অস্ত্রোপচার করা হয়।  সোমবারই প্রথম পূর্ণাঙ্গ সফল অস্ত্রোপচার কর হয়।




নতুন ভিডিওতে চমকে দিলেন উরফি

সোশ্যাল মিডিয়ায় আবারও ব্যাপক আলোচনায় এসেছেন ভারতের নতুন প্রজন্মের অভিনেত্রী উরফি জাভেদ। নেটদুনিয়ায় তিনি বিচিত্র পোশাকে সেজে ভাইরাল হচ্ছেন। কখনো শরীরে পোশাক রাখছেন তো, কখনো আবার পোশাক খুলে ফেলছেন।

এভাবেই পোশাক নিয়ে রীতিমতো গবেষণা করে গণমাধ্যমের শিরোনামে আসছেন এ অভিনেত্রী। এবার তিনি খেলনা গাড়ি দিয়ে বুক ঢেকে নেটদুনিয়ায় আলোড়ন তুলেছেন।

উরফি জাভেদ সম্প্রতি নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন ভিডিও পোস্ট করে চমকে দিয়েছেন। এতে দেখা যাচ্ছে তার শরীরের উপরের দিকে পোশাক বলতে কিছুই নেই। বুকের উপর যেন গাড়ির লাইন পড়েছে। সারি সারি গাড়ি দিয়ে লজ্জা নিবারণ করেছেন। আকাশি রঙের ট্রাউজার সঙ্গে টপ করে বাঁধা চুল। বিচিত্র ফ্যাশন রুচির উরফিকে এভাবে দেখে সবাই আঁতকে উঠেছেন।গাড়ি দিয়ে অভিনব কায়দায় শরীর ঢেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় উত্তাপ ছড়িয়েছেন উরফি জাভেদ। ভিডিওর ক্যাপশনও বেশ নজরকাড়া। এতে তিনি লিখেছেন, ’আমার গাড়ির সঙ্গে। গাড়ি দুর্ঘটনার পর সবাই নিরাপদে ছিল’৷

ভিডিও ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হয়েছে। দিনকয়েক আগেও কোমরের মধ্যে গাড়ি ঝুলিয়ে ভাইরাল হয়েছিলেন উরফি। এবার বুকের উপর গাড়ি আটকে আলোড়ন তুলেছেন। উরফির এ ভিডিও নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

এর আগে উরফি জাভেদ ঘড়ি, সেফটিপিন, ফুল, ক্লিপ দিয়ে পোশাক বানিয়ে চমকে দেন। এবার সেই তালিকায় গাড়িও যুক্ত হয়েছে। উরফির এ লুক নেটিজেনদের অনেকেই পছন্দ করেননি।

একজন লিখেছেন, আমার বাচ্চার গাড়ি ফেরত দাও, ও কাঁদছে। এরকম একাধিক মন্তব্যে ভরে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায় মন্তব্যের। তবে উরফি কোনো মন্তব্যেরই জবাব দেননি।




উদ্বোধন ১০ অক্টোবর পদ্মা সেতু দিয়ে পরীক্ষামূলক ট্রেন চলবে ৭ সেপ্টেম্বর

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ:  আগামী ৭ সেপ্টেম্বর নতুন এ রেলপথ দিয়ে প্রথম ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন থেকে মাওয়া হয়ে ভাঙ্গা স্টেশনে যাবে ট্রেন। এরপরই আগামী ১০ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই রেলপথের উদ্বোধন করবেন। যদিও পুরো প্রকল্পে নির্মাণ হতে যাওয়া ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত রেলপথের দৈর্ঘ্য ১৭২ কিলোমিটার। ট্রেন চালানোর যাবতীয় ব্যবস্থা নিতে এক পত্রের মাধ্যমে রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক পূর্ব ও পশ্চিমকে অনুরোধ জানিয়েছে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের পরিচালক আফজাল হোসেন।

সেই মোতাবেক পত্রে বলা হয়েছে, টেস্ট রানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি নতুন একটি লোকমোটিভ (ইঞ্জিন), একটি পাওয়ার কার (ডব্লিউপিসি), শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ডাইনিং কার ও গার্ড ব্রেক (ডব্লিউজেডিআর), শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত স্লিপার কার (ডব্লিউজেসি), ২টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত চেয়ার কার (ডব্লিউজেসিসি) এবং একটি শোভন চেয়ার কোচ (ডব্লিউইসি) ক্যারেজের প্রয়োজন হবে। এই ৭টি ক্যারেজ দিয়ে রেক তৈরি করে একটি ট্রেন ৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছানো প্রয়োজন। লোকমোটিভসহ ক্যারেজগুলোতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ক্রু এবং গার্ড নিয়ে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছানোর জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

টেস্ট রানের ওই ট্রেনের যাত্রী হবেন রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন, রেলপথ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যরা এবং রেলেওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

গতকাল রোববার (৩ সেপ্টেম্বর) রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন জানিয়েছেন, পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প আগামী ১০ অক্টোবর উদ্বোধনের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারিখ দিয়েছেন। এর আগে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর পরীক্ষামূলকভাবে একটি ট্রেন চালানো হবে।

পদ্মা সেতু যখন সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয় তখন থেকে রেলওয়ে বাড়তি গুরুত্ব দেয় মাওয়া-ভাঙ্গা অংশের কাজে। এরপরও পুরো ঢাকা-যশোর অংশের কাজ সম্পূর্ণ করতে না পারায় সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে কর্তৃপক্ষ। পরে ঢাকা থেকে মাওয়া হয়ে পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে ভাঙ্গা পর্যন্ত ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

 

স্বল্পমেয়াদি ওই বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ২০৩০ সাল নাগাদ রেলপথটির ঢাকা-ভাঙ্গা অংশে প্রতিদিন ১৩ জোড়া ট্রেন চলবে। একইভাবে ভাঙ্গা-কাশিয়ানী অংশে প্রতিদিন ৭ জোড়া ও কাশিয়ানী-যশোর অংশে প্রতিদিন চলবে ৫ জোড়া ট্রেন। এ সময়ের মধ্যে ঢাকা-ভাঙ্গা অংশে বছরে ৪০ লাখ, ভাঙ্গা-কাশিয়ানী অংশে বছরে ১৭ লাখ ও কাশিয়ানী-যশোর অংশে বছরে সাড়ে ১৩ লাখ যাত্রী পরিবহন করা হবে। ‘ওয়ান ডিরেকশন’ বা একমুখী চলাচলের ওপর ভিত্তি করে এ প্রাক্কলনটি তৈরি করেছে চীনা প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ (সিআরইসি)।

একইসঙ্গে বাংলাদেশ রেলওয়ে ২০২৪ সালের জুন মাসের মধ্যে ঢাকা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত পুরো রেলপথটি চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে ১০০ আধুনিক যাত্রীবাহী বগিও কেনা হয়েছে। এগুলো দিয়ে রেক সাজিয়ে নতুন ট্রেন চালু করা হবে। বর্তমানে পুরো প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি ৮২ শতাংশ। ২০২৪ সালের জুন মাসের মধ্যে ঢাকা-যশোর রুটে ট্রেন চালানোর টার্গেট রয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের।

পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে তৈরি নতুন ব্রডগেজ রেলপথে ১২০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলতে পারবে। এ পথে থাকবে না কোনো রেলক্রসিং। কারণ, যেখানেই রেললাইন ও সড়ক মিলেছে, সেখানেই পাতালপথ তৈরি করা হচ্ছে। ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত মোট ২০টি স্টেশন থাকবে, যার মধ্যে ১৪টি নতুন এবং ৬টি আগে থেকেই রয়েছে। আগের স্টেশনগুলোরও আধুনিকায়ন করা হচ্ছে।

প্রকল্পটি যখন ২০১৬ সালে অনুমোদন করা হয়, তখন এর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ৩৪ হাজার ৯৮৯ কোটি টাকা। ২০১৮ সালের ২২ মে প্রকল্প প্রস্তাব সংশোধন করলে ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ৩৯ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা। এই রেলপথ জিটুজির (সরকারের সঙ্গে সরকারের) ভিত্তিতে চীনের অর্থায়নে নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রকল্পের ঠিকাদারি কাজ করছে সিআরইসি। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে চীনের এক্সিম ব্যাংক ঋণ দিচ্ছে ২৬৬ কোটি ৭৯ লাখ ডলার। বাকি অর্থ ব্যয় করছে বাংলাদেশ সরকার।




৫৫ কেজি সোনা চুরি তদন্তে প্রযুক্তির সহায়তা নিচ্ছে পুলিশ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ:  হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমস হাউসের গুদাম বা ভল্ট থেকে ৫৫ কেজি সোনা চুরির ঘটনায় সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণসহ প্রযুক্তি ব্যবহার করে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ বলছে, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর গুদামের সামনের ও আশপাশের একাধিক সিসি ক্যামেরা সংগ্রহ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুংঙ্খানুঙ্খভাবে তদন্ত চলছে।

সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ডিএমপির উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ মোর্শেদ আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, কাস্টমস হাউসের গুদাম থেকে ৫৫ কেজি সোনা চুরির ঘটনায় সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণসহ প্রযুক্তি ব্যবহার করে মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চলছে।

ঢাকা কাস্টমস হাউসের ডিসি সৈয়দ মোকাদ্দেস হোসেন জাগো নিউজকে জানান, ভল্ট থেকে সোনা চুরির ঘটনায় কাস্টমস হাউসের কেউ জড়িত থাকলেও ছাড় দেওয়া হবে না।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টম হাউজের নিজস্ব গুদাম থেকে সোনা চুরির ঘটনায় রোববার (৩ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিমানবন্দর থানায় মামলা হয়েছে। কাস্টম হাউজের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বাদী হয়ে এ মামলা করেন।

তিনি আরও বলেন, মামলার আসামি অজ্ঞাত। এজাহারে কোনো সংখ্যা উল্লেখ করা নেই। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্টদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। মামলাটির তদন্তের কাজ শুরু হয়েছে।




পটুয়াখালীতে তালগাছের মুগুর দিয়ে মাকে হত্যা

মো:আল-আমিন (পটুয়াখালী): পটুয়াখালীতে ছেলের হাতে মা খুন হয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের ১নং বদরপুর গ্রামের হাওলাদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রাবেয়া বেগম (৫২) মোয়াজ্জেম হাওলাদারের স্ত্রী এবং অভিযুক্ত সালাউদ্দিনের (২০) মা।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের স্বামী বাদি হয়ে ছেলেকে আসামি করে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে এবং অভিযুক্তকে আদালতে পাঠিয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে পুলিশ জানায়, রোববার রাবেয়া বেগম ও বোন মাহমুদা আক্তার মনিকা অভিযুক্ত সালাউদ্দিনকে ভাত খেতে ডাকেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিতণ্ডা হলে একপর্যায়ে অভিযুক্ত তালগাছের মুগুর দিয়ে মায়ের মাথায় আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই রাবেয়া বেগমের মৃত্যু হয়।
স্থানীয়রা অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়।

পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি -তদন্ত) আসাদুর রহমান জানান, নিহতের স্বামী ছেলেকে আসামি করে মামলা করেছেন। অভিযুক্তকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।