বাইডেনের সঙ্গে শেখ হাসিনার আলাপে নির্বাচন প্রসঙ্গ ছিল না

চন্দ্রদ্বীপ ‍নিউজ ডেক্স:  জি-২০ সম্মেলনের ফাঁকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আলাপে নির্বাচন প্রসঙ্গ ছিল না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা জানান।

দিল্লিতে হাসিনা-বাইডেনের আলাচনার বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, খুব ভালো, ভালো কথা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমি বাবা-মা, ভাইদের হারিয়েছি, পরিবারের লোকদের হারিয়েছি। বাংলাদেশের জনগণই আমার পরিবার। তাদের মুখে দু’বেলা ভাত, জীবন মানের উন্নয়নের জন্য আমি কাজ করছি।

তিনি বলেন, আমার বিরাট পরিবার, ১৭০ মিলিয়নের পরিবার। এদের আমি সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করে দিতে চাই। আমাদের স্বপ্ন একটা সুন্দর বাংলাদেশ। আমার একটাই জীবনের কাম্য, আমার দেশবাসীর মঙ্গল করা।

সরকারপ্রধানের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট কী বলেছেন, জানতে চাইলে মোমেন বলেন, তিনি বলেছেন, আমি জানি।

নির্বাচন নিয়ে কোনো আলাপ হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ওগুলো নিয়ে আলাপ হয়নি।’

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে মোমেন বলেন, আমরা কখনও চাপের মুখে ছিলাম না। আমরা চাপের মধ্যে নাই। আমরা আগামী অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সুতরাং আমরা কোনো চাপের মধ্যে নেই। আপনারা (গণমাধ্যম) বরং চাপের মধ্যে আছেন। আপনারা (গণমাধ্যম) আমাদের চাপের মধ্যে ফেলতে চান।




যে ছয়টি অভ্যাস আপনাকে সুস্থ রাখবে

এখন অসুস্থতার মৌসুম যাচ্ছে। কম বেশি সবাই অসুস্থ হচ্ছে। কেউ কেউ বেশ ভুগছেন। তাহলে কি সবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেল? এটা হয়তো নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চিকিৎসকেরা বের করতে পারেন। তবে ছয়টি অভ্যাস তৈরি করতে পারলে আমরা নিজেরাই কিন্তু অসুস্থতাকে বিদায় জানাতে পারি। এ নিয়েই লিখেছেন মো. লতিফুর রহমান

০১. ঘুমাতে হবে সঠিক সময়ে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, সবচেয়ে ভালো সময় রাত ১০টার পর। ঠিক সময়ে ঘুমালে প্রচুর কিলার সেল তৈরি হয় যা ক্ষতিকর ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে।

০২. সূর্যের আলো গায়ে লাগাতে হবে। এতে ভিটামিন-ডি ও মেলাটনিন তৈরি হয়। যা রোগ প্রতিরোধে দারুণ ভূমিকা রাখে।

০৩. শরীর চর্চা করতে হবে। খেয়াল করতে হবে, শরীর চর্চার সময় যেন শ্বাস প্রশ্বাস ও হার্টবিট বাড়ে। রিল্যাক্সে হাঁটলে প্রকৃত উপকার পাওয়া যায় না। এছাড়া বেশি হাঁটার চেয়ে জায়গায় দাঁড়ায়ে ব্যায়াম বেশি কার্যকর হতে পারে।

০৪. পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। ফাস্ট ফুড, কোল্ড ড্রিংস ইত্যাদি চিরতরে বাদ দিতে হবে। চিনি বাদ দিতে হবে। আর যত ভালো খাবারই খাই না কেনো সেটা যেন বেশি না খাই।

০৫. মাঝে মাঝে রোজা রাখতে হবে। রোজার সময় শরীরে অটোফেজি হয়। অর্থাৎ অবাঞ্চিত উপাদন খেয়ে ফেলে শরীর নিজেকে পরিস্কার রাখে।

০৬. মানসিক অস্থিরতা রোগের কারণ। এক্ষেত্রে ইবাদত পালন আপনাকে শান্ত থাকতে সাহায্য করে। এছাড়া পেট ভোরে শ্বাস নিয়ে ধীরে ধীরে ছাড়লে শরীর ও মন দুটোই আরাম পায়।

অল্প করে হলেও এই ছয়টি অভ্যাসের সমন্বয় লাগবে। তবে এগুলো মানতে হলে সুস্থ থাকার গুরুত্ব বুঝতে হবে। না হলে ধৈর্য হারিয়ে ফেলবেন।

বাস্তবতা হচ্ছে, অসুস্থ হলে আমরা কিছুই করতে পারি না। অন্যরা তাদের কাজ ফেলে আমাদের নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। আমি-সহ কতগুলো মানুষের কাজের ক্ষতি ও ভোগান্তি তৈরি হয়।

ডাক্তার ও ওষুধের পেছনে ভালো অঙ্কের খরচ হয়। অথচ সে তুলনায় সুস্থতার জন্য কম খরচ করলেই হতো। তাই আসুন অবহেলা না করি।




মাল্টা চাষে সফল বাবুগঞ্জের তারিকুল

মো. আল-আমিন (বাবুগঞ্জ) বরিশাল:  জেলার বাবুগঞ্জে মাল্টা চাষ করে সফলতার স্বপ্ন দেখছেন সিঙ্গাপুর ফেরত যুবক তারিকুল ইসলাম মাসুম। তবে পরিচর্যায় ঘাটতি থাকায় গত বছরের তুলনায় ভালো ফলন হয়নি তার। তবুও চলতি মৌসুমে আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা আয়ের আশা করছেন তিনি।

মাল্টা চাষ শুরু করার পর সফল হওয়ায় বাণিজ্যিকভাবে মাল্টা চাষের পরিকল্পনা করলেও উঁচু জমির অভাবে পিছিয়ে রয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মকবুল হোসেন হাওলাদারের ছেলে এই উদ্যোক্তা। এজন্য তিনি সরকারি সহযোগিতা চাইছেন। পাশাপাশি সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে আমের মতোই মাল্টা সংগ্রহের দিনক্ষণ ঘোষণা এবং অন্যান্য চাষীদের আগাম ফল সংগ্রহ থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেন তিনি।

এদিকে তারিকুলের দেখাদেখি অনেকেই মাল্টা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। অপরদিকে কৃষি কর্মকর্তারা তারিকুলসহ অন্যান্য উদ্যোক্তাদেরও মাল্টা বাগানের নিয়মিত খোঁজখবর রাখার পাশাপাশি বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করছেন।

সরেজমিনে বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের দক্ষিণ রাকুদিয়া গ্রামে তারিকুলের মাল্টা বাগানে গিয়ে দেখা যায়, ১৪ শতাংশ জমির উপর (বারি-১) মাল্টা গাছের সাথে ঝুলছে অসংখ্য ফল। পাশাপাশি ভিয়েতনামী (১২ মাস) মাল্টা, চাইনিজ কমলা ও থাই জাম্বুরাও রয়েছে। তবে তিনি অসুস্থ থাকায় সময়মতো পর্যাপ্ত পরিচর্যা করতে না পারায় এবার ফলন অনেক কম হয়েছে।

তারিকুল বলেন, দেশের বাজারে প্রায় সব ধরণের দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পেলেও তিনি গত বছরের মতো এবারও প্রতি কেজি মাল্টা বিক্রি করছেন ১০০ টাকা দরে। তার বাগানে উৎপাদিত মাল্টা রসালো এবং সুস্বাদু হওয়ায় স্থানীয়রাই তার ক্রেতা। তবে অধিকাংশ মাল্টা কিনে নেন স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তারা। আগামীতে বাণিজ্যিকভাবে মাল্টা চাষ ও বিক্রি করার পরিকল্পনা রয়েছে তার।

তারিকুল ইসলাম মাসুম জানান, ২০১০ সালের শুরুতে কাজের সন্ধানে সিঙ্গাপুরে পাড়ি জমান। সেখানে দীর্ঘ ৮ বছর থেকে ২০১৮ সালে দেশে ফিরে আসেন। তবে দেশে ফিরে তিনি বসে থাকেননি, ইউটিউবে মাল্টা চাষ ও ফলন সম্পর্কে ধারণা পেয়ে নিজেই উদ্বুদ্ধ হয়ে শুরু করেন শখের মাল্টা চাষ। পরিকল্পনা অনুযায়ী নিজস্ব ১৪ শতক জমিতে মাটি ভরাট করে স্বরূপকাঠী থেকে (বারি-১) মাল্টা চারা সংগ্রহ করেন। ২০১৯ সালের প্রথম দিকে প্রস্তুতকৃত জমিতে সংগৃহীত বারি-১ জাতের মাল্টা চারা রোপণ করেন। শখের বশে করা মাল্টা বাগান থেকে গত ৩ বছর ধরে ৩০-৪০ মণ মাল্টা বিক্রি করে আসছেন। প্রতিবছর এই বাগান থেকে প্রতি কেজি ১০০ টাকা দরে দেড় থেকে ২ লাখ টাকা মাল্টা বিক্রি করে থাকেন। চলতি বছর তিনি কেজিপ্রতি ১০০ টাকা দরে ৭ মণেরও বেশি মাল্টা বিক্রি করেছেন। ৩২টি মাল্টা গাছ থেকে আরো ২০-২৫ মণ মাল্টা সংগ্রহ করতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদী।

এ ব্যাপারে তারিকুল ইসলাম মাসুম বলেন সার, কীটনাশক ও পরিচর্যাসহ প্রতি বছর তার মোট ২৫ হাজার টাকা খরচ হয়। চলতি বছর যদি তিনি ৩০ মণ মাল্টা বিক্রি করতে পারেন তবে সব মিটিয়ে ১ লাখ টাকার বেশি লাভ করতে পারবেন। তার বাগান ও ফলন দেখে এলাকার অনেকেই মাল্টা চাষে উদ্বুদ্ধ হয়েছেন এবং পরামর্শ নিচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, প্রায় প্রতিদিনই বাগানটি দেখতে মানুষ আসছেন। অনেকেই বাগান করার আগ্রহ প্রকাশ করছেন। আমিও তাদের উৎসাহিত করছি। ভালোভাবে বাগান করতে পারলে ব্যাপক লাভবান হওয়া যাবে বলে মনে করেন তিনি।

শখের বশে বাগান করতে গিয়ে তারিকুল এখন বাণিজ্যিকভাবে চিন্তা করছেন। তিনি মাল্টা বাগান সম্প্রসারণের জন্য পার্শ্ববর্তী আরো ৩৫ শতক জমি মাটি ভরাট করে মাল্টা চাষের আওতায় আনার জন্য পরিকল্পনা করলেও প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে তা আর করা হয়নি। তবে তিনি এখনো হাল ছাড়েননি। অবশ্য এক্ষেত্রে তিনি সরকারি সহযোগিতা কামনা করেছেন।

এ ব্যাপারে কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার শাহ মোঃ আরিফুল ইসলাম বলেন, নীচু জমি ভরাট করার জন্য কৃষি অফিসের কোন প্রকল্প নেই। তবে মাল্টা গাছের পরিচর্যাসহ অন্যান্য বিষয়ে মাল্টা চাষীদের সহযোগিতা করা হচ্ছে। বাবুগঞ্জসহ বরিশালের মাটি বারি-১ মাল্টা চাষের জন্য খুবই উপযোগী। তারিকুলের দেখাদেখি এ এলাকায় অন্তত আরো ১০ থেকে ১২ জন উদ্যোক্তা স্বল্প পরিসরে মাল্টা চাষ শুরু করেছেন।

কৃষি কর্মকর্তা আরও জানান, তারিকুলের মাল্টা বাগানটির ফল অনেক সুস্বাদু। আমরা ওখান থেকে পরিবারের জন্য মাল্টা সংগ্রহ করে থাকি। তারিকুলের আগ্রহ ও প্রচেষ্টা এবং আমাদের তথ্যপ্রযুক্তি এ সবকিছুর সমন্বয়ে তিনি শতভাগ সফলতা অর্জন করেছেন। তাছাড়া আমাদের দপ্তর থেকে সকল উদ্যোক্তাদের মাল্টা বাগানের খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে।




দুমকিতে বিদ্যালয়ের পাশে ময়লার ভাগাড়

 মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর দুমকীর পীরতলা বাজার এলাকায় সৃজনী বিদ্যানিকেতনের ফটকের সামনে ফেলা হচ্ছে ময়লা-আবর্জনা।

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) পরিচালিত সৃজনী বিদ্যানিকেতনের পাশে বর্জ্য জমে ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ পথচারীরা। তা ছাড়া বিদ্যালয়ের পূর্ব পাশে রয়েছে পবিপ্রবির একাধিক ছাত্রাবাস। ফলে ভাগাড় নিয়ে বিড়ম্বনায় রয়েছেন তাঁরাও।

পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পীরতলা বাজারের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে পাতাবুনিয়া-গাবতলী খাল। একসময় এই খাল দিয়ে চলাচল করত নৌকা ও ছোট-বড় ট্রলার। কালের বিবর্তনে আজ সেই খাল ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। খালটির পশ্চিম পাশে অবস্থিত পীরতলা বাজার, পবিপ্রবি এবং পূর্ব পাশে অবস্থিত সৃজনী বিদ্যানিকেতনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি ছাত্রাবাস।

পীরতলা বাজারের ব্যবসায়ীরা প্রতিদিনই তাঁদের পরিত্যক্ত সামগ্রী ও আবর্জনা ফেলায় খালটি ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ে প্রায় ৮০০ শিক্ষার্থী রয়েছে। দুর্গন্ধে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়ছে। বৃষ্টিতে খালে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে দুর্গন্ধযুক্ত পানি প্রায়ই বিদ্যালয়ে ঢুকছে।
এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের খুবই সমস্যা হচ্ছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল কুদ্দুস বলেন, ‘বিদ্যালয়ের পাশে ময়লার স্তূপ থাকার কারণে প্রচণ্ড দুর্গন্ধ ছড়ায়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি হচ্ছে। তাই দ্রুত বিদ্যালয়ের পাশ থেকে এই ময়লা অপসারণের দাবি জানাচ্ছি।’

এ ব্যাপারে পীরতলা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘এ ব্যাপারে বাজার কমিটির সবাইকে নিয়ে আলোচনা করে একটি কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পবিপ্রবি হেলথ কেয়ার সেন্টারের চিফ মেডিক্যাল অফিসার এ টি এম নাসির উদ্দীন বলেন, ‘বিদ্যালয়ের পাশে ময়লার স্তূপ থাকায় স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে। এর ফলে পানি দূষিত হয়ে ডায়রিয়া, আমাশয়সহ বিভিন্ন রকম পেটের পীড়া হতে পারে।

দুমকী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল ইমরান বলেন, ‘খালটি সংস্কার করা দরকার। আমরা এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। অচিরেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।’




দ্বিতীয়বারের মত সন্তানের বাবা হলেন মুশফিক 


চন্দ্রদ্বীপ স্পোর্টস ডেক্স: এশিয়া কাপের সুপার ফোরের ম্যাচ এখনো শেষ হয়নি। ভারতের সঙ্গে ম্যাচ বাকি এখনো। তবে এর আগেই দেশে ফিরে এসেছেন দলের বড় ভরসা মুশফিকুর রহিম। সন্তানসম্ভবা স্ত্রীর পাশে থাকতে লঙ্কা থেকে দেশে এসেছিলেন তিনি। মুশফিকের আসা বৃথা যায়নি। যে প্রত্যাশা নিয়ে বাংলাদেশ এসেছেন তা পূর্ণতা পেয়েছে। সোমবার সকালেই দ্বিতীয়বারের মত পিতৃত্বের স্বাদ পেলেন জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক।

সোমবার সকাল থেকেই বিভিন্ন গণমাধ্যম মুশফিকুর রহিমের বাবা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে। এক পুত্রের পিতা মুশফিক এবার দেখলেন কন্যা সন্তানের মুখ। এর আগে ২০১৮ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি প্রথম সন্তানের বাবা হয়েছিলেন মুশফিক।




৪৩৭ বছর পর পৃথিবীর কাছাকাছি নিশিমুরা ধূমকেতু, দেখা যাবে খালি চোখে

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ  ডেক্স:  ‘নিশিমুরা ধূমকেতু’, যা ৪৩৭ বছরে একবার পৃথিবীর কাছাকাছি আসে। আর যখনই এটি পৃথিবীর কাছে আসে, তখন একে খালি চোখে দেখা যায়। এর জন্য প্রয়োজন হবে না কোনো টেলিস্কোপের। এমন উজ্জ্বল ধূমকেতুকে বলা হয় বৃহৎ ধূমকেতু। যা সচরাচর দেখা যায় না। তাই যারা আকাশের খবর রাখেন, তারা আগামীকাল অর্থাৎ ১২ সেপ্টেম্বর আকাশের দিকে চোখ রাখতেই পারেন।

মূলত, ধূমকেতুটি জ্যোতির্বিদ হিডিও ‘নিশিমুরা’র নামে নামকরণ করা হয়। আগস্ট মাসে এ ধূমকেতুর আবিষ্কার করেছিলেন এ জ্যোতির্বিদ।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, একটি ধূমকেতু আগামী ১২ সেপ্টেম্বর খালি চোখে আকাশে দেখা যাবে। এর নাম ‘নিশিমুরা’। চলতি বছরের ১১ আগস্ট, প্রথমবারের মতো এ ধূমকেতুর সন্ধান পান জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।

এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বর্তমানে দূরবীনের সাহায্যে দেখা যাচ্ছে ধূমকেতুটি। যদিও পৃথিবী থেকে এখনো অনেকটা দূরে আছে এটি। তবে যখন কাছে আসবে, তখন কোনো টেলিস্কোপের প্রয়োজন হবে না।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, ‘নিশিমুরা ধূমকেতু’ শিগগিরই সূর্যকে প্রদক্ষিণ করবে এবং এসময়ে এটি পৃথিবীর কাছাকাছিও আসবে। পরে তা চলে যাবে দূর মহাকাশে। এ ধূমকেতুর বৈজ্ঞানিক নাম সি/২০২৩-পি১। যা আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর সূর্যের সবচেয়ে কাছে আসবে। এর আগে, এটি ১৩ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি আসা’সহ ১২ সেপ্টেম্বর থেকে দেখা যাবে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, ‘নিশিমুরা ধূমকেতু’র কক্ষপথের সময়কাল ৪৩৭ বছর। আগামীকালের পর, এ ধূমকেতুটি আবার ৪৩৭ বছর পর পৃথিবীর কাছাকাছি আসবে। যা দেখা যাবে সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত। রাত যত গভীর ও অন্ধকার হবে, ‘নিশিমুরা ধূমকেতু’ দেখার সম্ভাবনা তত বেড়ে যাবে।




পটুয়াখালীতে মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ দেখে বাবার মৃত্যু

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী : পটুয়াখালীতে মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ দেখে বাবার মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পৌর শহরের পুরাতন বাজার বনিক পট্টি এলাকার এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- স্বর্না দেবনাথ (২৬) পটুয়াখালী সরকারি কলেজ থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন ও তার বাবা শ্যামল দেবনাথ (৬৫) একজন কাপড় ব্যাবসায়ী। তারা পুরাতন বাজার বনিক পট্টি এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মেয়ে স্বর্নাকে নিজ ঘরে এসে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় ঝুলতে দেখে তার বাবা শ্যামল সেখানেই অজ্ঞান হয়ে পড়ে। পরে তাকে উদ্ধার করে স্বজনরা পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক স্ট্রোকজনিত কারণে মারা গেছেন বলে নিশ্চিত করেন।

তবে স্বর্নার গলায় ফাঁস দেয়ার বিষয়টি তার পরিবারের সবাই অস্বীকার করে। তা ছাড়া এ বিষয়ে তার পরিবারের কেউ কথা বলতে রাজি হননি।

পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসিম জানান, স্বর্না গলায় ফাঁস দেয়ার কারণে মারা গেছেন বলে তাদের প্রাথমিক ধারণা। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এরপরে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তবে এটি আত্মহত্যা নাকি অন্যকিছু সেটি তদন্ত শেষে জানা যাবে।




পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী : পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় হাত-পা বেঁধে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের মধ্য টিয়াখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবকের নাম সাইদুল সরদার (৩৫)। তিনি ওই এলাকার মৃত তৈয়বালী সরদারের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা যানান, রাতে সাইদুল ও তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী খাদিজা বাড়িতে ছিলেন। এ সময় মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা তাঁদের বাড়িতে প্রবেশ করে সাইদুলের হাত-পা বেঁধে মাথায় ও পেটে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে স্ত্রী খাদিজা বেগমও আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাইদুলকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী আহম্মদ জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।




পটুয়াখালীর ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও পাঠাগারে বই উপহার

 

মো: আল-আমিন, পটুয়াখালী : প্রথম আলো ট্রাস্ট ও বিকাশের উদ্যোগে পটুয়াখালীতে ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও পাঠাগারে বই উপহার দেওয়া হয়েছে। প্রেসক্লাবের ড. আতহার উদ্দিন মিলনায়তনে।

পটুয়াখালী জেলার ১০টি সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও পাঠাগারে প্রথম আলো ট্রাস্ট ও বিকাশের উদ্যোগে ৪ হাজার ৪০০ বই উপহার দেওয়া হয়েছে।

রোববার পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের ড. আতহার উদ্দিন মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সকাল সাড়ে ১০টায় বই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন পটুয়াখালী এ কে এম কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) আ ন ম সাইফুদ্দিন। সাইফুদ্দিন বলেন, ‘বইয়ের চেয়ে ভালো বন্ধু আর হয় না। অথচ বর্তমানে তরুণ প্রজন্ম বই পড়ে না। তাদের বইমুখী করতে হবে। সেরা লেখকদের এসব বই এলাকার তরুণ প্রজন্ম ও পাঠকদের পাঠাভ্যাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিকাশ ও প্রথম আলো ট্রাস্টের এ উদ্যোগ প্রশংসনীয়।’বই পাওয়া পাঠাগারগুলো হলো রাঙ্গাবালীর চর মোন্তাজ ইউনিয়নের ভাসমান জেলে সম্প্রদায়ের শিশুদের জন্য গড়ে তোলা চর মোন্তাজ শিশু বাগান বোর্ড স্কুল পাঠাগার, পটুয়াখালী বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী স্কুল পাঠাগার, আউলিয়াপুর মোল্লাস্টান্ড নুরানী হাফেজি মাদ্রাসা পাঠাগার, মির্জাগঞ্জ উপজেলার মনোহরখালী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় পাঠাগার, বন্ধু গ্রন্থাগার, কলাপাড়া উপজেলায় নুর মোহাম্মদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চাকামইয়া বেতমোর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দুমকি উপজেলার তরুণ সংসদ, গলাচিপা উপজেলার উত্তর চরখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও প্রথম আলো পাঠাগার।

বই বিতরণের আগে এক আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন পটুয়াখালী এ কে এম কলেজের সাবেক সহকারী অধ্যাপক অশোক কুমার দাস, দুমকির মুরাদিয়া মহিলা ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক সোহরাব হোসেন, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া হৃদয় ও বন্ধুসভার উপদেষ্টা মিজানুর রহমান।




কলাপাড়ায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী : পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় শোয়ার ঘর থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার পর থেকে তাঁর স্বামী পলাতক রয়েছেন।

নিহতের পরিবারের দাবি, গৃহবধূর স্বামী তাঁকে হত্যা করে ফাঁসিতে ঝুলিয় রেখেছেন।

আজ রোববার সকালে উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের লেমুপাড়া গ্রামে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ওই গৃহবধূর মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা পুলিশ ও স্থানীয়দের।

গৃহবধূর নাম নারগিস বেগম (২৩)। তিনি ওই এলাকার রাজিবের (৩০) স্ত্রী ও ধুলাস্বর ইউনিয়নের নয়াকাটা এলাকার আনোয়ার হোসেনের মেয়ে।

গৃহবধূ নারগিসের বাবা আনোয়ার হোসেনের অভিযোগ, রাজিব নেশাগ্রস্ত ছিলেন। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের জন্য নারগিসকে চাপ প্রয়োগ করে আসছিলেন। পরে তিনি রাজিবকে ২ লাখ টাকা যৌতুক দেন। এর পরও রাজিব ক্ষান্ত না হয়ে নারগিসকে হত্যা করে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় নিজ বাড়িতে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী আহম্মদ জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।