সরকার অচল করতে আমাকে সরাতে চায় রিপাবলিকানরা: বাইডেন

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেক্স: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের বিরুদ্ধে অভিশংসন তদন্ত শুরু করার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। বিরোধী রিপাবলিকানদের অভিযোগ, বাইডেনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি এবং দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।

যদিও বাইডেন বলেছেন, সরকার অচল করতে অভিশংসনের মাধ্যমে তাকে ক্ষমতা থেকে সরাতে চায় রিপাবলিকানরা। বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি কারিন জ্যঁ-পিয়েরে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের বিরুদ্ধে এই তদন্তকে একটি ‘রাজনৈতিক স্টান্ট’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেছেন, রিপাবলিকানরা হান্টার বাইডেনের বিরুদ্ধে ব্যবসায়িক লেনদেনের তদন্ত করেছে, তারপরও তারা প্রেসিডেন্ট বাইডেনের বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেনের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে যুক্তরাষ্ট্রে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০১৭ ও ২০১৮ সালে সাড়ে ১৩ লাখ মার্কিন ডলার আয়ের ওপর কর দেননি তিনি। এছাড়া অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগও রয়েছে হান্টারের বিরুদ্ধে।

এমনকি রিপাবলিকানরা বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেনের ব্যবসায়িক লেনদেনের বিষয়ে নজর দিয়েছেন। আর প্রেসিডেন্ট বাইডেন তার ছেলে হান্টার বাইডেনের ব্যবসায়িক লেনদেন থেকে উপকৃত হয়েছিলেন কিনা, সেটিকে ঘিরেই এই তদন্ত শুরু করেছে রিপাবলিকানরা।

বুধবার বাইডেন ভার্জিনিয়ার একটি তহবিল সংগ্রহের অনুষ্ঠানে বলেন, ‘আমি ঠিক জানি না কেন, তবে কেবল তারাই জানে কেন তারা আমাকে অভিশংসন করতে চায়। আমি সবচেয়ে ভালো যা বলতে পারি, তা হলো- তারা আমাকে অভিশংসন করতে চায় কারণ তারা সরকারকে অচল করতে চায়।’

বাইডেন বলেছেন, তিনি অভিশংসন তদন্তের বিষয়ে মনোনিবেশ করতে চান না। তার ভাষায়, ‘আমি প্রতিদিন উঠি এবং অভিশংসনের দিকে মনোনিবেশ করি না। আমার কাজ আছে, দায়িত্ব আছে।’

বাইডেন আরও বলেন, মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য মার্জোরি টেলর গ্রিন যখন প্রথমবার মার্কিন কংগ্রেসে নির্বাচিত হন, তখন তিনি বলেছিলেন- তিনি প্রথমে যা করতে চান তা হলো- তাকে (বাইডেনকে) অভিশংসন করা।

মার্জোরি টেলর গ্রিন মূলত অতি-কট্টর-ডানপন্থি রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কট্টর মিত্র হিসেবে পরিচিত।

অন্যদিকে ওয়াশিংটনের শীর্ষ রিপাবলিকান প্রতিনিধি এবং হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থিকে অভিশংসন তদন্তের আদেশ দিতে চাপ দেওয়ার জন্য টেলর গ্রিনকে দায়ী করেছে হোয়াইট হাউস।

এছাড়া হোয়াইট হাউস হান্টারের বিরুদ্ধে মামলায় কোনও ধরনের হস্তক্ষেপের কথা অস্বীকার করেছে। এমনকি হান্টারের ব্যবসায়িক কার্যক্রমের সঙ্গে বাইডেনের কোনও ধরনের যোগসূত্র নেই বলেও উল্লেখ করেছে হোয়াইট হাউস।




ক্যানসার শনাক্ত করবে এআই

চন্দ্রদ্বীপ ডেক্স:  এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সব জায়গায় বিকল্প হয়ে উঠছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এমন কোনো কাজ নেই যেটা করতে পারে না। এআই খবর পড়া থেকে শুরু করে রচনা লেখা, চাকরি বা ছুটির আবেদন, চুক্তিপত্র, কোনো ঘটনা সম্পর্কে ব্যাখ্যা, ছোটখাটো প্রতিবেদন তৈরি করে দিতে পারে।

এআই কম্পিউটার প্রোগ্রাম, গান বা কবিতাও লিখে দিতে পারে ব্যবহারকারীর জন্য। আবার আপনি চাইলে আপনার ভার্সিটির রিপোর্ট বা প্রেজেন্টেশন এই এআইয়ের মাধ্যমে লিখে নিতে পারবেন। এবার শোনা যাচ্ছে, এআই ক্যানসার শনাক্ত করতেও সক্ষম।

ডিজিটাল প্যাথলজি সংস্থা পাইজেনের সঙ্গে যৌথ ভাবে মাইক্রোসফট তৈরি করছে এক বিশেষ এআই মডেল। এটি হতে চলেছে ক্যানসার শনাক্তকরণের জন্য বিশ্বের বৃহত্তম ইমেজ-বেসড এআই মডেল। সংস্থা বলেছে, মডেলটিকে প্রশিক্ষণ দিতে প্রায় চার মিলিয়ন ডিজিটাইজড মাইক্রোস্কোপিক স্লাইড ব্যবহার করা হবে। সেখানে নানা ধরনের ক্যানসারের তথ্য পাওয়া যাবে, এই তথ্য ব্যবহার করা হবে পাইজেনের নিজস্ব সংগ্রহ থেকে।

পাইজেন এক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারবে মাইক্রোসফটের উন্নত সুপারকম্পিউটিং পরিকাঠামো। কৃত্রিম মেধাকে বিস্তারিত প্রশিক্ষণ দেওয়ার পর সেই মডেল ব্যবহার করা হবে সারা বিশ্বের হাসপাতাল ও গবেষণাগারগুলোতে। সেখানেও কাজে লাগানো হবে মাইক্রোসফট আজউরকে। ২০২৪ সালের মধ্যেই এর কাজ শেষ করা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। আর তা হলেই রোগ শনাক্তকরণ আরও সহজ হবে।

নতুন এআই মডেল চালু ইমেজ-বেসড এআই মডেলগুলোর মধ্য সবচেয়ে বড়। এই মডেল ক্যানসারের সূক্ষ্ম জটিলতাগুলো খুঁজে পেতে সহায়তা করবে। শুধু তাই নয়, পরবর্তী প্রজন্মের ক্লিনিকাল অ্যাপ্লিকেশন এবং কম্পিউটেশনাল বায়োমার্কারগুলোকে সাহায্য করবে। অঙ্কোলজি এবং প্যাথলজির পরিধি এতে অনেকখানি বিস্তৃত হবে বলে দাবি করছে সংস্থাটি।

পাইজেনের পক্ষ থেকে সংস্থার এসভিপি টেকনোলজি রাজিক ইউসুফি বলেন, ‘পাইজেন প্রথম থেকেই উদ্ভাবনী ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছে। কৃত্রিম মেধা, প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল প্যাথলজিতে এর গভীর দক্ষতার সঙ্গে মাইক্রোসফটের বিপুল কম্পিউট শক্তি মিলে গেলে ক্যানসার ইমেজিং-এর প্রভূত উন্নতি সম্ভব। বিশ্বের লাখ লাখ মানুষ উপকৃত হবেন এর মাধ্যমে।’

সূত্র: সিএনবিসি




শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তান অঘোষিত সেমিফাইনাল আজ

শ্রীলঙ্কা এবং পাকিস্তান দু’দলই এবার এশিয়া কাপের আয়োজক। দুই আয়োজকের নকআউট ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে আজ কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে। শুরু হবে বিকাল সাড়ে ৩টায়।

এশিয়া কাপের অনেকগুলো ম্যাচে এরই মধ্যে বৃষ্টি হানা দিয়েছে। পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা ম্যাচেও যদি বৃষ্টি হানা দেয় এবং শেষ পর্যন্ত বৃষ্টির কারণে ম্যাচটি বাতিল হয়ে গেলে, রান রেটে এগিয়ে থাকার কারণে ফাইনালে উঠে যাবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা’ই। লঙ্কানদের নেট রানরেট -০.২০০ ও পাকিস্তানের নেট রানরেট -১.৮৯২।

সুপার ফোরে দুই ম্যাচ দুই জয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে এরই মধ্যে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে ভারত। দুই খেলায় একটি করে জয় এবং হারে ২ করে পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের পরের দুটি স্থানে আছে যথাক্রমে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান। মূলত ভারতের কাছে ২২৮ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজয়ের কারণেই পাকিস্তানের রান রেট এতটা তলানীতে।

সুপার ফোরের দুই ম্যাচে জয়হীন বাংলাদেশ রয়েছে তালিকার একেবারে তলানিতে। শেষ ম্যাচে তারা মুখোমুখি হবে ভারতের। ভারতীয়রা ফাইনাল নিশ্চিত করায় এবং বাংলাদেশ আসর থেকে বিদায় নেওয়ায়, দুই দলের শেষ ম্যাচটি নিয়মরক্ষায় পরিণত হয়েছে।




‘স্বামী চাই’ রাস্তায় প্ল্যাকার্ড নিয়ে বর খুঁজছেন মার্কিন তরুণী

চন্দ্রদ্বীপ ডেক্স: ডেটিং অ্যাপে খুঁজতে খুঁজতে ত্যক্ত-বিরক্ত হয়ে গেছেন। কোনোভাবেই মনের মানুষ পাচ্ছেন না, যাকে স্বামী বানাতে পারেন। এ কারণে শেষমেষ প্ল্যাকার্ড নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়েছেন মার্কিন তরুণী। তাতে লেখা, ‘স্বামী খুঁজছি’। এমন অদ্ভুত উপায়ে তার জীবনসঙ্গী খোঁজার চেষ্টা সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

নাম ক্যারোলিনা গেইতস। বয়স ২৯। তিনিই নিউইয়র্কের রাস্তায় রাস্তায় প্ল্যাকার্ড নিয়ে স্বামী খুঁজে বেড়াচ্ছেন।

তিনি বলেন, আমি আমার স্বাচ্ছন্দ্যের জায়গা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য এটি করি। মানুষ সবসময় বলে, ‘যাও মেয়ে, তোমার স্বামী খুঁজে নাও’। মজার বিষয় হলো, আমি সত্যিই এটি করছি।

কিন্তু এই চেষ্টা কি সফল হবে? এভাবে স্বামী খুঁজে পাবেন ক্যারোলিনা?

একটি ভিডিওতে দেখা যায়, প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে থাকার সময় এক যুবক এসে ক্যারোলিনাকে কোলে তুলে নেন। পরে তরুণী জানান, শেষমেষ এক ব্যক্তি চিহ্ন দেখে আমাকে কোলে তুলে নেয়। তার সঙ্গে এখন আমার যোগাযোগ চলছে। দেখা যাক ভবিষ্যতে কী হয়। এই মুহূর্তে আমরা কেবল কথাই বলছি।




ইউক্রেন যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ১০ হাজার কোটি ডলারের বেশি নিরাপত্তা সহায়তা প্রদান

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেক্স:  ইউক্রেন যুদ্ধের পেছনে এ পর্যন্ত ১০ হাজার কোটি মার্কিন ডলারের বেশি খরচ করেছে বাইডেন প্রশাসন। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ফক্স নিউজ। এ সংক্রান্ত নথিপত্রও হাতে পাওয়ার দাবি করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যমটি।

গত জানুয়ারিতে হোয়াইট হাউসের কাছে ইউক্রেনকে দেওয়া নিরাপত্তা সহায়তার বিস্তারিত জানতে চেয়ে হোয়াইট হাউসের ব্যবস্থাপনা ও বাজেট অফিসে (ওএমবি) চিঠি দিয়েছিলেন ৩০ জনেরও বেশি রিপাবলিকান সিনেটর। এর জন্য ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন তারা।

কিন্তু চিঠি দেওয়ার সাত মাসেরও বেশি সময় পর গত ১১ সেপ্টেম্বর জবাব দিয়েছে ওএমবি। তাদের পাঠানো চিঠি ও হিসাবের নথি হাতে পেয়েছে ফক্স নিউজ।

এতে দেখা যায়, ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইউক্রেনকে দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা সহায়তার হিসাবসহ এগুলো দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন ওএমবি পরিচালক শালানদা ইয়াং।

তিনি বলেছেন, রাশিয়ার নৃশংস আক্রমণের পরে নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় লড়াই করছে ইউক্রেন। এ কারণে তাদের নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক এবং মানবিক সহায়তা প্রদান করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই সমর্থন যুদ্ধক্ষেত্রে ইউক্রেনের সাফল্য ও কঠোর পরিস্থিতিতে এর জনগণের টিকে থাকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

ইয়াং বলেছেন, রুশ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়তে ইউক্রেনীয়দের সহায়তার ব্যাপারে মার্কিন করদাতারা যেন আত্মবিশ্বাসী হতে পারেন, তার জন্য স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা জরুরি। এ বিষয়ে একমত বাইডেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

চিঠির সঙ্গে সহায়তার বিবরণের একটি চার্টও যুক্ত করেছেন ওএমবি পরিচালক। এতে দেখা যায়, ইউক্রেন যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র এ পর্যন্ত সর্বমোট ১০ হাজার ১১৯ কোটি ৮০ লাখ ডলার খরচ করেছে এবং এর বাইরে আরও ৯৮০ কোটি ডলারের সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।




এশিয়ার ওমেন লিডার’ নিলয় মোটরসের শামীমা আক্তার

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেক্স: নিলয় মোটরস লিমিটেডের সিএইচআরও শামীমা আক্তার খানম ‘এশিয়ার ওমেন লিডার’ খেতাবে ভূষিত হয়েছেন। প্যান প্যাসিফিক সিঙ্গাপুরে ১৭ আগস্ট অনুষ্ঠিত ‘ওয়ার্ল্ড উইমেন লিডারশিপ কংগ্রেস’-এ তাকে একটি ফ্রেমযুক্ত শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে।

এশিয়াটিক মাইন্ডশেয়ার লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আন্তন উইবোও এবং ট্রেন্ডলাইনস গ্রুপ লিমিটেডের ট্রেন্ডলাইনস এগ্রিফুড ইনোভেশন সেন্টারের সিইও ড. রোশান রাজাদুরাই সার্টিফিকেট উপস্থাপন করেন।

বিশ্ব নারী নেতৃত্ব কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা ড. আর এল ভাটিয়া অনুষ্ঠানটি তত্ত্বাবধান করেন। সিনিয়র নেতা, গবেষক এবং শিক্ষাবিদদের একটি বিশিষ্ট প্যানেল এশিয়া থেকে পুরস্কারপ্রাপ্তদের বাছাই করেছে।




রানি প্রথম এলিজাবেথ কি নারী ছিলেন!

রানি প্রথম এলিজাবেথ ছিলেন অত্যন্ত সুন্দরী। তবে কুমারী ছিলেন। জীবনে কখনো বিয়ে করেননি তিনি। রানি এলিজাবেথ স্বামী থাকার ধারণাটিকে ঘৃণা করতেন। এলিজাবেথের মা অ্যান বোলেনকে তার বাবা রাজা অষ্টম হেনরি শিরশ্ছেদ করে হত্যা করেছিলেন।এছাড়া তার সৎ বোন ম্যারির স্পেনের রাজা দ্বিতীয় ফিলিপসের বিবাহ বিপর্যয় দেখে বিয়ের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন রানি এলিজাবেথ।

রানি তার দেশ ও সাম্রাজ্যেকেই স্বামী ভাবতেন। কুমারী হওয়ার কারণে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এলিজাবেথের সঙ্গে মানুষজন যীশুখ্রীস্টের মাতা ভার্জিন ম্যারির তুলনা করতে থাকেন। অর্ধচন্দ্র এবং মুক্তার মতো প্রতীকগুলো- যা উভয়ই ভার্জিন ম্যারির সঙ্গে যুক্ত ছিল, যা প্রজারা ইংল্যান্ডের রানির সঙ্গে মিলিয়ে দেন। ওয়াল্টার রেলি, বিখ্যাত ইংরেজ অভিযাত্রী (তিনি স্প্যানিশ আর্মাদার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অংশ নিয়েছিলেন), তিনি আমেরিকায় একটি বিদেশি উপনিবেশ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ভার্জিন রানির সম্মানে এটিকে ভার্জিনিয়া নামে অভিহিত করেন। বর্তমানে এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি অঙ্গরাজ্য।

তবে রানির এই কুমারী থাকার ব্যাপারে অনেক মিথও তৈরি হয়েছিল। অনেকেই বলেন তিনি ছিলেন একজন পুরুষ। এমনটাই দাবি করেন মার্কিন লেখক স্টিভ বেরি তার ‘দ্য কিংস ডিসেপশন’ বইতে। এমনকি বিখ্যাত ড্রাকুলার লেখক ব্রাম স্টোকারও এমনটা দাবি করেছিলেন, টিউডর বংশের যে রানি প্রথম এলিজাবেথ গোটা ইংল্যান্ড শাসন করেছিলেন তিনি ছিলেন একজন পুরুষ।

আর তা যদি নাই বা হবেন তাহলে স্পেনের তৎকালীন শাসক তার বড় ছেলের সঙ্গে বিয়ের প্রস্তাব দিলে এলিজাবেথ তা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন কেন? যার কারণে স্পেনের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে হয়েছিল তাকে। মার্কিন লেখক স্টিভের প্রশ্ন, বিবাহ সম্পর্ক তৈরি করে যে যুদ্ধ অনায়াসেই এড়াতে পারতেন, তাতে কেন জড়িয়ে পড়লেন রানি? আসলে তিনি নিজের আসল পরিচয় ঢাকতেই বিয়ে করেননি।

মিথ অনুসারে, এলিজাবেথের বয়স ১০ বছর তখন ইংল্যান্ডে বুবোনিক প্লেগের মহামারি শুরু হয়েছিল। যার কারণে অনেক মানুষ মারা যায়। রাজা হেনরি তার মেয়েকে বাঁচাতে সৈন্য সামন্তসহ পাঠিয়ে দেন বিসলে নামে একটি গ্রামে। সেখানেই থাকতে শুরু করে ছোট্ট এলিজাবেথ। তবে তিনি কিছুদিনের মধ্যেই সেখানে মারা যান। যা রাজার কাছ থেকে লুকিয়ে রাখে তার সেবিকা।

প্লেগের প্রাদুর্ভাব কেটে যাওয়ার পর রাজা তার মেয়েকে আনতে যান। এ খবর শুনে আকাশ ভেঙে পরে সেই সেবিকার মাথায়। নিজেকে বাঁচাতে তিনি এক সিদ্ধান্ত নেন। রাজাকে তার মেয়ের মৃত্যুর কথা কিছুতেই জানাবেন না। এতে তার জীবনটাই হারাতে হবে। লাল চুলের কোনো মেয়েকে রাজকন্যা এলিজাবেথ সাজাবেন। কিন্তু এমন কোনো মেয়েকেই গ্রামে খুঁজে পাননি। শেষ পর্যন্ত একটি ছেলেকে রাজকন্যা এলিজাবেথের পোশাক ও পরচুলা পরিয়ে নিয়ে যান রাজার সামনে।




বিশ্বের যে ৫ স্থানে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ


চন্দ্রদ্বীপ ডেক্স:  আধুনিক এই সময়ে মোবাইল ফোন ছাড়া একদিনও কল্পনা করা যায় না যেন। বিশেষ করে বাইরে বের হলে বা বেড়াতে গেলে এই ফোনের প্রয়োজন পড়ে আরও বেশি। কিন্তু এমনকিছু জায়গা আছে যেখানে বেড়াতে গেলেও আপনি সঙ্গে ফোন রাখতে পারবেন না। এমনকী মোবাইল ফোন বহন করার কারণে আপনাকে গুণতে হতে পারে জরিমানাও। শুনতে অদ্ভুত মনে হলেও এটি সত্যি। জেনে নিন এমন ৫ স্থান সম্পর্কে-

সিস্টাইন চ্যাপেল, ইতালি

তামিলনাড়ুর মন্দির

অক্ষরধাম মন্দির, দিল্লি

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে দিল্লির এই মন্দির দর্শনের সেরা জায়গা বলে মনে করা হয়। কিন্তু নিরাপত্তার কারণে পর্যটকরা তাদের মোবাইল ফোন অক্ষরধাম মন্দির চত্বরে নিয়ে যেতে পারবেন না। সেখানে গেলে মোবাইল ফোন আপনাকে বাড়িতে রেখে যেতে হবে।

উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যার রাম জন্মভূমি কমপ্লেক্সের সম্পূর্ণ এলাকায় মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ। শুধু কি মোবাইল ফোন? সেইসঙ্গে ক্যামেরা, ঘড়ি, বেল্ট এবং যেকোনো ইলেকট্রনিক গ্যাজেটও এখানে নিষিদ্ধ।

ইয়ালা জাতীয় উদ্যান, শ্রীলঙ্কা

শ্রীলঙ্কার এই বিখ্যাত জাতীয় উদ্যান ইয়ালা। এই উদ্যানে বন্যপ্রাণীদের রক্ষা করার জন্য এর ভেতরে মোবাইল ফোন বহন বা ব্যবহার নিষিদ্ধ রয়েছে ২০১৫ সাল থেকে। কারণ এর আগে সেখানকার গাইডরা বন্য প্রাণীদের দেখার জন্য ইচ্ছামতো মোবাইল ফোন ব্যবহার করছিলেন। যা প্রাণীগুলোর জন্য বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছিল। এরপর থেকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এলিট আইল্যান্ড রিসর্ট, ক্যারিবিয়ান বিচ

ক্যারিবিয়ান বিচের এলিট আইল্যান্ড রিসর্টে মোবাইল নিষিদ্ধ নীতি চালু করা হয়েছিল ২০১২ সালে। এখানকার সমস্ত সৈকতে নিষেধাজ্ঞা লেখা সাইনবোর্ড লাগানো রয়েছে। সেখানে চেক-ইন করার সময় এই নীতিগুলো সম্পর্কে পর্যটকদের জানিয়ে দেওয়া হয়।




আমার স্বামীই এডিসি হারুন স্যারকে আগে মারধর করেন: সানজিদা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ:  পুলিশের সাময়িক বরখাস্ত অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) হারুন অর রশিদ, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় দুই নেতাকে নির্যাতন এবং রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) আজিজুল হক মামুনের মধ্যকার ঘটনার সূত্রপাত যাকে কেন্দ্র করে, সেই সানজিদা আফরিন অবশেষে মুখ খুলেছেন। তিনি বলেন, আমার স্বামীই এডিসি হারুন স্যারকে প্রথমে আঘাত করেছেন।

সানজিদা রাষ্ট্রপতির এপিএস আজিজুল হক মামুনের স্ত্রী। তিনি ৩৩তম বিসিএসের কর্মকর্তা। ডিএমপির ক্রাইম বিভাগে অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন সানজিদা।

সেদিনের ঘটনা নিয়ে সানজিদা আফরিন চ্যানেল আইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, আমি বেশ কয়েকদিন ধরে সিভিয়ার পেইনে (তীব্র ব্যথায়) ভুগছিলাম। সেদিন পেইনটা একটু বেশিই হচ্ছিল। তাই তখন আমার একজন ডাক্তার দরকার ছিল। যেহেতু ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতাল স্যারের (এডিসি হারুন) জুরিসডিকশনের (আওতা) মধ্যে পড়ে তাই ডাক্তারের সিরিয়াল পাওয়ার জন্য আমি স্যারের হেল্প চেয়েছিলাম।

‘স্যারকে জানালে তিনি আমাকে বলেছিলেন, ঠিক আছে আমি আশপাশে আছি। আমি এসে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে দিচ্ছি। এরপর স্যার (এডিসি হারুন) এলেন। আসার পর একটা ডাক্তার ম্যানেজ হলো। এরপর ডাক্তার কিছু টেস্ট দিলেন। আমি ব্লাড টেস্টের জন্য স্যাম্পল দিলাম। ইকো টেস্ট আর ইসিজি করানো হলো।’

সানজিদা আরও বলেন, যে রুমে ইটিটি করানো হয় ঘটনার সময় আমি সেই রুমে ছিলাম। ইটিটি করানোর ১৫-২০ মিনিট পর আমি বাইরে হট্টগোলের শব্দ শুনি। শুনতে পাই স্যার (এডিসি হারুন) চিৎকার করে বলছেন- ভাই আপনি আমার গায়ে হাত তুললেন কেন? আপনি তো আমার গায়ে হাত তুলতে পারেন না। আমার প্রথমে ধারণা হয়েছিল যে হয়তো অন্য কারও সঙ্গে ঝামেলা। কিন্তু এর কিছুক্ষণ পর আমি দেখতে পাই আমার হাজবেন্ড (আজিজুল হক মামুন), উনি আসলে ওখানে কী করছিলেন, কেন গিয়েছিলেন আমি জানি না। ওনাকে টোটালি আউট অব মাইন্ড লাগছিল (মানসিকভাবে স্থির ছিলেন না) এবং খুবই উত্তেজিত অবস্থায় ছিলেন। ওনার সঙ্গে আরও কয়েকজন ছেলে ছিল, আমি তাদের চিনি না। তারা স্যারকে (এডিসি হারুন) মারতে মারতে ইটিটি রুমে নিয়ে এলেন।

‘ওই সময় হারুন স্যার নিজের সেফটির (নিরাপত্তার) জন্য আমি যেখানে দাঁড়ানো ছিলাম সেই রুমের দিকে দৌড়ে এসে দাঁড়ালেন। ইটিটি রুমে এতলোক ঢোকাতে তখন সেখানে একটা অকওয়ার্ড সিচুয়েশন (বিব্রতকর পরিস্থিতি) তৈরি হয়। কারণ ইটিটি রুমে রেস্ট্রিকশন থাকে। তখন আমি শাউট (চিৎকার) করছিলাম। কারণ এই রুমে কোনো ছেলে ঢোকার কথা না।’

সানজিদা বলেন, এরপর আমার হাজবেন্ড তার সঙ্গে থাকা লোকজনকে বললেন, এই ভিডিও কর। এরপর সবাই ফোন বের করে ভিডিও করা শুরু করে। যখন তারা ভিডিও শুরু করে তখন আমি আমার হাজবেন্ড এবং তার সঙ্গে থাকা লোকজনের সঙ্গে চিল্লাচিল্লি শুরু করছিলাম। এরপর যারা ভিডিও করছে তাদের মোবাইল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে তাদের হাতের সঙ্গে লেগে আমার হাতেও সামান্য ব্যথা পাই। কারণ আমি চাচ্ছিলাম না সে অবস্থায় কেউ আমার ভিডিও করুক। আর আমার হাজবেন্ডের সঙ্গে যেসব ছেলে ছিল আমি তাদের কাউকে চিনতামও না।

‘সেই অবস্থায় আমার হাজবেন্ড (এপিএস আজিজুল হক) আমার গায়ে হাত তোলেন এবং স্যারকে বের করার চেষ্টা করছিলেন। তখন স্যারের কাছে বিষয়টি সেফ মনে হয়নি। এরপর স্যার কিছুক্ষণ অপেক্ষা করছিলেন। তখন হাসপাতালের সিকিউরিটির লোকজনও এলেন। এর ১০-১৫ মিনিট পর ফোর্স এলে তারা সেখান থেকে বের হয়ে যায়।’

এসব ঘটনার স্থান কোথায় এবং কয়টার দিকে হয়েছে জানতে চাইলে সানজিদা আফরিন বলেন, আমার ডাক্তার দেখানোর সিরিয়াল ছিল সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে। এরপর রাত ৭টার দিকে স্যার (হারুন) এসেছিলেন, পরে ডাক্তারও আসেন। এরপর আমি ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকি। ঘটনা ঘটেছে ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের চারতলার কার্ডিওলজি বিভাগে।

অসুস্থের বিষয়ে আপনার স্বামী (আজিজুল হক মামুন) জানতেন কি না জানতে চাইলে সানজিদা বলেন, আমি অসুস্থ এটা আমার হাজবেন্ড জানতেন। কিন্তু আমি যে সেদিন ডাক্তার দেখাতে যাবো তা তিনি জানতেন না। এর আগেও বিভিন্ন সময় ডাক্তার দেখানোর কথা ছিল। কিন্তু কোনো করণে তা তিনি মিস করেন। অথবা ব্যস্ত ছিলেন। যেহেতু ৬-৭ দিন ধরে আমার সিভিয়ার পেইন হচ্ছিল…। যাইহোক, সবসময় তো পরিস্থিতি সেরকম থাকে না যে আমি তার সঙ্গে শেয়ার করবো। যেহেতু আমার সিভিয়ার পেইন হচ্ছিল তাই আমি নিজেই ডাক্তারের কাছে আসি।

এর আগে ৯ সেপ্টেম্বর রাতে শাহবাগ থানায় ছাত্রলীগের তিন নেতাকে নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে এডিসি হারুনের বিরুদ্ধে।

আহত তিন নেতা হলেন- ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন নাঈম, বিজ্ঞানবিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের সাধারণ সম্পাদক শরীফ আহমেদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান।




গলাচিপায় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আশ্রায়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অফিস পরিদর্শন করেন

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): বরিশাল বিভাগীয় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোঃ পারভেজ হাসান, ১২ সেপ্টেম্বর রোজ মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করেন। পরে গোলখালী ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রীর উপহার আশ্রায়ন প্রকল্পের ঘর, উপজেলা নির্বাহী অফিস পরিদর্শন শেষে তিনি ডাকুয়া ইউনিয়নের আটখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপণ করেন ও শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন।

গলাচিপা ইউনিয়নের অক্ষায়রাম নির্মিত আশ্রায়ন প্রকল্পের ঘর ও সুবিধা ভোগী পরিবারদের সাথে নানা বিষয় নিয়ে মতামত জানতে চান। বিভাগীয় অতিরিক্ত কমিশনার মহোদয় তার উন্নয়নমূলক কাজসহ, শিক্ষা বিষয়ে খোঁজ খবর নেন। অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারকে, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মহিউদ্দিন আল হেলাল, সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) মোঃ সাইফুল ইসলাম, গলাচিপা থানা অফিসার ইনচার্জ শোনিত কুমার গায়েণ, গলাচিপা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি জননেতা জাহাঙ্গীর হোসেন টুটু, আমখোলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান মনির, গোলখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ নাসির উদ্দিন হাওলাদার, ডাকুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ রায়, প্রেস ক্লাব সভাপতি মু. খালিদ হোসেন মিল্টন সহ আটখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, স্থানীয় ইউপি সদস্য ও স্থানীয় জনগণ অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারকে ফুল দিয়ে বরণ করে। গলাচিপা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও সরকারি অফিস পরিদর্শন শেষে উপজেলা কমপ্লেক্স সবুজ পৃথিবী গড়ার লক্ষ্যে দীঘির পুকুর পাড়ে ঔষধি গাছের চারা রোপণ করেন। এ সময় তিনি গলাচিপার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন।