বরিশালে যুব সদস্যদের জলবায়ু সড়ক অবরোধ

বরিশাল অফিস: বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশের ক্ষতিগ্রস্ততার মাত্রা বিবেচনায় উপযুক্ত ক্ষতিপুরণের দাবীতে পৃথিবীর প্রায় ১৫০টি দেশের সাথে সংহতি জানিয়ে নগরীর প্রাণ কেন্দ্র সদররোড সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করে ক্লাইমেট ষ্ট্রাইক আয়োজন কমিটি।

আজ শুক্রবার (১৫) সেপ্টেম্বর সকাল ১টায় এলায়েন্স ফর ইয়ূত এন্ড ডেভেলপমেন্ট এওয়াইডির আয়োজনে ও উন্নয়ন সংস্থা আভাষের সহযোগীতা একর্মসূচি পালিত হয়।

জাতীয় যুব কাউন্সিল বরিশাল বিভাগীয় প্রতিনিধি এওয়াইডি কর্তৃক ক্লাইমেট স্ট্রাইক আয়োজন কমিটির আহবায়ক কিশোর চন্দ্র বালার সভাপতিত্বে অবরোধ কর্মসূচিতে অংশ গ্রহন করে বক্তব্য রাখেন বীর প্রতীক কে এস এ মহিউদ্দিন মানিক, উন্নয়ন সংগঠক আনোয়ার জাহিদ,উন্নয়ন সংস্থা আভাষের নির্বাহী পরিচালক রহিমা সুলতানা কাজল,যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক প্রিন্স বাহাউদ্দিন তালুকদার,বরিশাল বিভাগীয় (বাপা) সমন্বয়ক রফিকুল আলম ও বরিশাল ট্রেড ইউনিয়ন নেতা এ্যাড. একে আজাদ প্রমুখ।

এ সময় বিভিন্ন বক্তরা বলেন, উন্নত দেশসমূহের বিলাসী জীবনের দায় আমাদের নিতে হচ্ছে কারণ পৃথিবী একটাই আমরা সবাই মানুষ একি আলো বাতাসে লালিত হই তাই এ বায়ুকে যারা দূষিত করে তাদেরকেই দায় নিতে হবে। জল ও বায়ুর প্রতিনিয়ত ত’ষণের ফলে কতটা ভয়াবহ রুপধারন করেছে তা ইতিমধ্যে দৃশ্যমান।

অদূর ভবিষ্যতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে সচেতন পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে পৃথিবী হতে পারে জীবনের অস্তিত্ব শুন্য। এর পর্বে বরিশালের ৪১টি সংগঠনের দুই শতাধিক সদস্য কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গন থেকে বিভিন্ন প্লেকার্ড নিয়ে এক মিছিল সহকারে সদররোড এসে তারা সড়কে বসে অবরোধ কর্মসূচি পালন করে।




জ্বালানির ব্যবহার বন্ধ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারের দাবিতে ধর্মঘট

 

বরিশাল অফিস: ক্ষতিকর জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার বন্ধ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারের দাবিতে বৈশ্বিক জলবায়ু ধর্মঘট পালন করেছে বরিশালের তরুণ জলবায়ু কর্মীরা। বৃহস্পতিবার নগরী সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীর তীরের ত্রিশ গোডাউন এলাকায় এ কর্মসূচির আয়োজন করেন ইয়ুথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিসের কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে জলবায়ুকর্মীরা তাদের বক্তব্যে জীবাশ্ম জ্বালানিতে অর্থায়ন বন্ধ এবং জীবাশ্ম জ্বালানি বিশেষ করে এলএনজি আমদানির ওপর দেশের নির্ভরতা কমানোর দাবি করেন। পাশাপাশি জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে নবায়নযোগ্য বিদ্যুতে রূপান্তর প্রক্রিয়া ন্যায্যতা বজায় রাখার দাবি করা হয়।

ইয়ুথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিসের অ্যাডভোকেসি এবং ক্যাম্পেইন বিষয়ক সমন্বয়কারী আরিফুর রহমান শুভর সভাপতিতত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিভাগীয় সমন্বয়কারী আশিকুর রহমান নিরব, জেলা উপদেষ্টা আশিকুর রহমান সাকিব, জেলা সমন্বয়কারী সিয়াম সিকদার, সদস্য ময়ুরী আক্তার টুম্পা প্রমুখ।

তরুণ জলবায়ুকর্মীরা তাদের বক্তব্যে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিপর্যয়কর প্রভাবের কারণে বিশ্ব এখন একটি সংকটপূর্ণ সময় পার করছে। উন্নত দেশগুলোকে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি মেনে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রিতে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। পাশাপাশি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবসায় বিনিয়োগ না করে কার্বন নিঃসরণ হ্রাসে এখনই উদ্যোগী হতে হবে। সরকার এবং বিনিয়োগকারীদের অবশ্যই ক্ষতিকারক জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার করে জলবায়ু বিধ্বংসী কার্যকলাপের জন্য দায় নিতে হবে। পাশপাশি জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে এসে অবিলম্বে উল্লেখযোগ্যভাবে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে হবে। কারণ জীবাশ্ম জ্বালানির যুগ শেষ হয়ে গেছে।

উল্লেখ্য, সুইডেনের জলবায়ুকর্মী গ্রেটা থুনবার্গের গড়ে তোলা স্কুল শিক্ষার্থীদের পরিচালিত আন্দোলন ‘ফ্রাইডেস ফর ফিউচার’র আহবানে বিশ্বব্যাপী এই জলবায়ু ধর্মঘট পালিত হচ্ছে। এ কর্মসূচিতে নানাধরণের দাবি সম্বলিত প্লাকার্ড হাতে তরুণরা অংশগ্রহণ করেন।




সার্বজনীন পেনশনের বরিশালে ৭ কোটি টাকা জমা

 

এস এল টি তুহিন,বরিশাল : সারাদেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলতি বছরের ১৭ আগস্ট সার্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ।সরকারের সার্বজনীন পেনশন স্কিম সারাদেশের ন্যায় বরিশালেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এক মাসেরও কম সময়ে এই পেনশন ব্যবস্থার বরিশালে চারটি একাউন্টে প্রায় সাড়ে সাত কোটি টাকা জমা পড়েছে। যা সাধারণ মানুষের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করবে। দেশের ১৮ বছরের বেশি বয়সী সব নাগরিককে পেনশন সুবিধার আওতায় আনার লক্ষ্যে প্রকল্পটি চালু করা হয়। ১৮ বছরের বেশি বয়সী যে কোনো নাগরিক ৬০ বছর বয়সে না পৌঁছানো পর্যন্ত কিস্তি পরিশোধ করে অবসর জীবনের সময় পেনশন সুবিধা পেতে সার্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। ৫০ বছরেরও বেশি বয়সী একজন ব্যক্তি এই ব্যবস্থায় যোগ দিতে পারবেন। তবে ব্যক্তিকে একটানা ১০ বছর ধরে কিস্তি দিতে হবে।

বরিশাল সোনালী ব্যাংক সদর রোড শাখার ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সেলিম হায়দার বলেন, নগরীর অধিকাংশ কম্পিউটার ও বিকাশের দোকান, পোস্ট অফিসের ই সেন্টার থেকেও এই একাউন্ট ওপেন করা যাবে। সোনালী ব্যাংকে এজন্য একটি বুথও ওপেন করা হয়েছে । বরিশালে চারটি একাউন্টে এখন পর্যন্ত জমা হয়েছে, প্রবাসী নামের একাউন্টে ৮৯ লাখ ২০ হাজার ৩ টাকা, সাধারণ মানুষের জন্য প্রগতি স্কিমে ৩ কোটি ৭৮ লাখ ৭৪ হাজার টাকা, সুরক্ষা নামের একাউন্টে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ১০ টাকা এবং সমতা নামের একাউন্টে ২ কোটি ৩৮ লাখ ৩৯ হাজার ২০ টাকা জমা পড়েছে।

বরিশালের জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলাম বলেন, সার্বজনীন পেনশন স্কিম যেহেতু কেন্দ্রীয় একটি প্রকল্প তাই আমরা জনগণকে এটা সম্পর্কে জানাতে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের মানুষদের অবহিতকরণ সভা করছি। সাধারণ মানুষের মাঝে এটা নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে।




পটুয়াখালীতে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উদ্বোধন

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী: ‘ক্রীড়াই শক্তি, ক্রীড়াই বল’, এই স্লোগান নিয়ে পটুয়াখালীতে ৫০তম জাতীয় স্কুল, মাদরাসা ও কারিগরি ক্রীড়া শিক্ষা সমিতির জেলা পর্যায়ের গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় ডিসি স্কয়ার মাঠে জেলা স্কুল, মাদরাসা ও কারিগরি ক্রীড়া শিক্ষা সমিতির পটুয়াখালীর আয়োজনে দুই দিনব্যাপী গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা বেলুন ফেস্টুন ,জাতীয় পতাকা এবং শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে শুভ উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি সংসদীয় আসন- ৩২৯ এর সংসদ সদস্য অধ্যাপিকা কাজী কানিজ সুলতানা হেলেন।
জেলা প্রশাসক নূর কুতুবুল আলমের সভাপতিত্বে এবং সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আকমল হোসেন খানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন- পুলিশ সুপার সাইদুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা কাজী আলমগীর, সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা ভিপি আব্দুল মান্নান, জেলা শিক্ষা অফিসার মুজিবুর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুর রহমান।

৫০তম জাতীয় স্কুল, মাদরাসা ও কারিগরি ক্রীড়া শিক্ষা সমিতির জেলা পর্যায়ের গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ফুটবল ছাত্র ও ছাত্রী, কাবাডি, ছাত্র ও ছাত্রী, হ্যান্ডবল ছাত্র ও ছাত্রী এবং সাঁতার ও দাবা প্রতিযোগিতায় জেলার আটটি উপজেলার ছাত্র ও ছাত্রীরা অংশ গ্রহণ করেন।

খেলা পরিচালনা করেন বিভিন্ন স্কুল-মাদরাসা ও কারিগরি ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা শিক্ষক এবং শিক্ষিকাবৃন্দ।




এক যুগেও হয়নি কলাপাড়া-কুয়াকাটা মহাসড়কের ১১ কিলোমিটার এর সংস্কার কাজ

 মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী: মামলা জটিলতায় দীর্ঘ এক যুগেও হয়নি পটুয়াখালীর কলাপাড়া-কুয়াকাটা মহাসড়কের ১১ কিলোমিটার অংশের সংস্কারকাজ। খানা-খন্দে ভরা সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে। মহাসড়কের ওই ১১ কিলোমিটার অংশ যেন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সম্প্রতি হাইকোর্টে মামলাটি খারিজ হওয়ায় দ্রুত মহাসড়ক সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ।

পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটায় যাতায়াতের অন্যতম পথ এই মহাসড়ক। প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে চলাচল করেন হাজারো পর্যটকসহ এলাকাবাসী। প্রায় ১২ বছর আগে এই সড়কের পাখিমারা বাজার থেকে আলীপুর পর্যন্ত ১১ কিলোমিটার অংশ সংস্কারের কাজ পায় একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কাজ শুরুর পর বিল নিয়ে সওজের সঙ্গে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ঝামেলা হয়। শেষ পর্যন্ত তা মামলায় গড়ায়। দীর্ঘদিন মামলা চলমান থাকায় বন্ধ থাকে সংস্কারকাজ।
সংস্কার না করায় সড়কের বেশিরভাগ স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। অনেক স্থান দেবে গেছে। সামান্য বৃষ্টিতেই কাদা-পানিতে একাকার হয়ে যাচ্ছে সড়কটি। এই সড়ক দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে প্রায়ই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। বিকল হচ্ছে যানবাহন। দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন পর্যটকসহ স্থানীয় বাসিন্দারা।

পাখিমারা এলাকার অটোরিকশাচালক সালাম মিয়া বলেন, সড়কের করুণ অবস্থা। অনেক গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে। এই সড়ক দিয়ে দুই-তিন দিন গাড়ি চালালেই বিভিন্ন যন্ত্রাংশ পরিবর্তন করতে হয়।

ঢাকা থেকে কুয়াকাটায় আসা পর্যটক ইসমাইল হোসেন বলেন, স্বাচ্ছন্দ্যেই ঢাকা থেকে কুয়াকাটায় এসেছি। তবে, কলাপাড়ার পরে সড়কটি অনেক খারাপ। ৩০ মিনিটের পথ আসতে এক ঘণ্টারও বেশি সময় লেগেছে। সড়কটি সংস্কারের দাবি জানাচ্ছি।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের পটুয়াখালী কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী এ এম আতিক উল্লাহ বলেছেন, সম্প্রতি মামলাটি হাইকোর্ট থেকে খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। সড়ক সংস্কারের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো একটি প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। দ্রুত টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হবে। বর্তমানে আমরা সড়কের গর্তগুলোতে ইটের খোয়া ও বালু ফেলে যান চলাচলের উপযোগী করার চেষ্টা করছি।




১২ লাখ টাকার নিষিদ্ধ শাপলা পাতা মাছ জব্দ

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৫০০ কেজি শাপলাা পাতা মাছ জব্দ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় উপজেলার মহিপুরে ঢাকাগামী একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে মাছগুলো জব্দ করা হয়।

কোস্ট গার্ড জানায়, মৎস্য বন্দর মহিপুর থেকে এক ব্যবসায়ী সুগন্ধা নামের একটি বাসে ঢাকার উদ্দেশ্যে মাছগুলো নেওয়ার চেষ্টা করে। পরে অভিযান চালিয়ে মাছগুলো জব্দ করা হয়। তবে এ মাছ কোথা থেকে কেনা হয়েছে বা কারা পাচার করছিল তাদের কাউকে আটক করা যায়নি।

কোস্ট গার্ডের নিজামপুর কন্টিনজেন্ট কমান্ডার মো. সেলিম মন্ডল পিও বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি বাস থেকে ৫০০ কেজি নিষিদ্ধ শাপলা পাতা মাছ জব্দ করা হয়। যার বাজার মূল্য আনুমানিক ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। পরে মহিপুর বন বিভাগের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে জব্দ করা মাছ মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়।




বরিশালে পতিত জমিতে আদা চাষ

 

বরিশাল অফিস: পতিত জমিতে বস্তাতে  আদা চাষ করে সফলতার স্বপ্ন দেখছেন অনেকে। বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে বরিশাল জেলার অনেকেই  এ পদ্ধতিতে আদা চাষ করছেন । আগামী বছর বর্ষা মৌসুমে আরো বড় পরিসরে ও বাণিজ্যিকভাবে আদা চাষ চাষের স্বপ্ন দেখছেন তারা।

বরিশাল সদর উপজেলা উপজেলার লামচরী গ্রামের কৃষক হালিম মজুমদার বলেন, বস্তায় আদা চাষ খুবই সহজ। অল্প খরচে বেশি লাভ জনক একটি ফসল। বস্তা, আদা, সার এবং পরিচর্যা মিলিয়ে বস্তা প্রতি খরচ হয় প্রায় ৮০ টাকা। প্রতিটি বস্তায় প্রায় দেড় থেকে দুই কেজি পর্যন্ত আদা পাওয়া যায়।

জানা যায়, বিভিন্ন সাইজের ছোট বড় বস্তায় বিগত এপ্রিল মাসের শেষের দিকে লাগানো হয় আদার কন্ধ। চার মাসের মাথায় সে সব কন্ধ রূপ নিয়েছে ছোট ছোট ঝোপে। আর ঝোপের নিচ থেকে উঁকি দিচ্ছে আদার ফলন। মূলত ছায়া যুক্ত-শুকনো স্থানে ভালো জন্মায় আদা। তাই বসত বাড়ির আশপাশে বিভিন্ন গাছ-গাছালির নিচের জমিতে চলছে চাষাবাদ।

বরিশাল জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর অতিরিক্ত উপ-পরিচালক মোঃ রেজাউল হাসান বলেন, বস্তায় আদা লাগানোর পূর্বে প্রতি বস্তায় তৈরি মিশ্রন এমনভাবে ভরাতে হবে যাতে বস্তার উপরের দিকে ১-২ ইঞ্চি ফাঁকা থাকে। প্রতি বস্তায় ৪৫-৫০ গ্রামের একটি বীজ মাটির ভিতরে ২ থেকে ৩ ইঞ্চি গভীরে লাগাতে হবে। এপ্রিল-মে মাসে আদা লাগাতে হয়। তবে এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহ আদা লাগানোর উপযুক্ত সময়। বীজ লাগানোর পর মাটি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। এবং তা সঠিক পরিচর্যা পেলে কৃষক প্রচুর লাভবান হবে।




বরিশালে আ.লীগের কান্ডারি হাসানাত আব্দুল্লাহ

 

এস এল টি তুহিন,বরিশাল (ক্রাইম রিপোর্টার): ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে শ্রমিক রাজনীতি, যুব রাজনীতির পর এখন তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সিনিয়র সদস্য, দলীয় মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি।

মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে তিনি ছিলেন মুজিব বাহিনীর আঞ্চলিক কমান্ডার। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভয়াল কাল রাতে ঘাতকের নির্মম বুলেটের নিজের ছোট্ট শিশুপুত্র, বাবা, ভাই ও বোনসহ স্বজনদের হারিয়েছেন। সম্প্রতি সময়ে তিনি চিরদিনের জন্য হারিয়েছেন তার রাজনৈতিক প্রেরণার সবচেয়ে বড় উৎস শহীদ জননী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সহধর্মীনিকে।

এরপরেও নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে তিনি সর্বদা হাসি মুখে আওয়ামী লীগের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের পাশে রয়েছেন। দক্ষিণাঞ্চলের প্রতিটি উন্নয়নে রয়েছে তার অগ্রনী ভূমিকা। তিনি দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের একমাত্র আশ্রয়স্থল। তাইতো দলমত নির্বিশেষে সকলের কাছে এখনও সম্মানের আসনে রয়েছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্নে আলহাজ¦ আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৯৬৮ সালের আগে জগন্নাথ কলেজে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর হাতেখড়ি। পরে তিনি বরিশালের শ্রমিক রাজনীতিতে নেতৃত্ব দেন। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বৃহত্তর বরিশাল অঞ্চলে মুজিব বাহিনীর প্রধান ছিলেন আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ। ১৯৭৩ সালে মাত্র ২৬ বছর বয়সে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বরিশাল পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ। ১৯৭৪ সালে যুবলীগ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর তিনি বরিশাল জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভয়াল কাল রাতে ঢাকার মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে ঘাতকের নির্মম বুলেটে শহীদ হন আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর বাবা তৎকালীন কৃষিমন্ত্রী (বঙ্গবন্ধুর বোন জামাতা) আবদুর রব সেরনিয়াবাত, ভাই আরিফ সেরনিয়াবাত, বোন বেবী সেরনিয়াবাত, বড় পুত্র সুকান্ত বাবু সেরনিয়াবাত, চাচাতো ভাই সাংবাদিক শহীদ সেরনিয়াবাত। হামলার পূর্বে পরিবারের সবার অনুরোধে ঘাতকের চোখ ফাঁকি দিয়ে নিজের জীবন বাঁচিয়েছিলেন আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ।

সূত্রে আরও জানা গেছে, ১৫ আগস্টের হামলার পর আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করেছিলেন। সেখানে (ভারত) চারবছর অবস্থানের পর ১৯৭৯ সালে দেশে ফিরে বরিশাল আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন। ১৯৮৮ সালে সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি (হাসানাত) জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বরিশাল-১ আসন থেকে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। ’৯২ সালের সম্মেলনে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ’৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-১ আসন থেকে দ্বিতীয়বারের মতো এমপি নির্বাচিত হয়ে তিনি চীফ হুইপের দায়িত্ব পালন করেছেন। ওইসময় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে পার্বত্য শান্তি চুক্তি করেছেন। ’৯৮ সালে দলের সম্মেলনে তিনি দ্বিতীয়বারের মতো জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে তৃতীয়বারের মতো বরিশাল-১ আসন থেকে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি নির্বাচিত হওয়ার পূর্বেই সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। পরবর্তীতে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ বরিশাল-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে নিজ নির্বাচনী এলাকাসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে নিজেকে সর্বদা নিয়োজিত করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন গ্রাম হবে শহর। এ স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে ব্যাপক উন্নয়নের যে মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে-তা শতভাগ বাস্তবায়নে শক্ত স্তম্ভ হয়ে বরিশালসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চলে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরীবিক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক (মন্ত্রী পদমর্যাদা) আলহাজ¦ আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি। ফলশ্রুতিতে বরিশালসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চলের প্রতিটি প্রত্যন্ত জনপদের রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ-কালভার্ট, স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা, ধর্মীয় উপসানালয়সহ গ্রামীণ জনজীবনে উন্নয়নের জোয়ার বইছে। এ কারণেই আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে বলা হয় বরিশাল তথা দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নের একমাত্র রূপকার।

বঙ্গবন্ধুর ছোট বোন আমেনা বেগমের জেষ্ঠ পুত্র আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ। তার পুরো অবয়বে খুঁজে পাওয়া যায় স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিচ্ছবি। এমনকি মামার (বঙ্গবন্ধু) ন্যায় সকাল, দুপুর আর রাত নেই, যে যখন যেই কাজ নিয়ে তার (হাসানাত) কাছে আসুক না কেন, তিনি সর্বদা চেষ্টা করেন সকলের উপকারের জন্য। তাইতো আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে সাধারণ জনগন গরীবের বন্ধু বলে আখ্যায়িত করেছেন। তেমনি দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বলেন, তাদের একমাত্র অভিভাবক ও আশ্রয়স্থল হচ্ছে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ।

১১৯ বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য এবং পূর্ণমন্ত্রী পদমর্যাদায় থাকা আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ১৯৯৬ সালে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের চীফ হুইপ নির্বাচিত হয়ে বরিশালসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চলে উন্নয়নের রূপকার হিসেবে আর্বিভূত হন। বরিশাল সিটি করপোরেশন, বিভাগ, শিক্ষা বোর্ড, বিশ্ববিদ্যালয়, পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর প্রতিষ্ঠা, শেখ হাসিনা সেনানিবাস (ক্যান্টনমেন্ট), দোয়ারিকা, শিকারপুর, দপদপিয়া ও পয়সারহাট সেতু নির্মাণ, বিভাগীয় বেবী হোম, টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, নার্সিং কলেজসহ অসংখ্য উন্নয়নে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর অপরিসীম ভূমিকা রয়েছে। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের জন্য তিনি (আবুল হাসানাত) তার পিতার রেখে যাওয়া সম্পত্তি দান করেছেন।




কিমের আমন্ত্রণ গ্রহণ, উত্তর কোরিয়ায় যাবেন পুতিন

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেক্স:  উত্তর কোরিয়ায় সফরের জন্য রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন কিম জং উন। উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতার এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন পুতিন। তিনি জানিয়েছেন উত্তর কোরিয়ায় সফর করবেন। দুদেশের এই দুই শীর্ষ নেতার নজিরবিহীন বৈঠকেই পুতিনকে আমন্ত্রণ জানান কিম। খবর আল জাজিরার।

তবে তাদের এই বৈঠককে ভালো চোখে দেখছে না যুক্তরাষ্ট্র। নতুন করে এই দুই দেশের সম্পর্কের উন্নয়নের ফলে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক শক্তি আরও শক্তিশালী হতে পারে এবং উত্তর কোরিয়ার হাতে সংবেদনশীল ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির সরবরাহ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে ওয়াশিংটন।

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ জানিয়েছে, কিমের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন পুতিন। তবে ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো তথ্য নিশ্চিত করা হয়নি। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে আকস্মিক হামলা চালায় রাশিয়া। এরপর থেকে পুতিনকে খুব একটা অন্য কোনো দেশে সফর করতে দেখা যায়নি।

বৈঠকে পুতিন এবং কিম একজন অন্যজনকে কমরেড বলে সম্বোধন করেন। ৭০ বছর বয়সী রুশ প্রেসিডেন্ট রাশিয়ার সবচেয়ে আধুনিক মহাকাশ উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার আশেপাশ কিমকে ঘুরিয়ে দেখিয়েছেন। সে সময় তাদের হাতে ছিল রুশ ওয়াইন। তারা নিজেদের বন্ধুত্বের কথা উল্লেখ করেন এবং দুদেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে তাদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলাপ করতে দেখা যায়।

আলোচনার শেষ দিকেই কিম পুতিনকে তার দেশে সফরের আমন্ত্রণ জানান। পুতিন খুব আনন্দের সঙ্গেই সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে তিনি রাশিয়া এবং উত্তর কোরিয়ার বন্ধুত্বের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে অবিচ্ছিন্নভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা পুনর্ব্যক্ত করেন।

তবে যুক্তরাষ্ট্র এবং এর মিত্র দেশগুলোর জন্য কিম এবং পুতিনের বন্ধুত্ব বেশ উদ্বেগজনক। ইউক্রেন যুদ্ধের শুরু থেকেই রাশিয়াকে অস্ত্র সরবরাহের জন্য উত্তর কোরিয়াকে দোষারোপ করে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে আসলেও তাদের এই অভিযোগ সত্যি কি না তা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

যদিও রাশিয়া এবং উত্তর কোরিয়া উভয়ই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তবে তারা নিজেদের মধ্যকার প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর আগে গত জুলাই মাসে উত্তর কোরিয়ায় সফর করেন রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী সেরগেই শোইগু। সে সময় তাকে নিষিদ্ধ ব্যালেস্টিকি ক্ষেপণাস্ত্র দেখান কিম।




ডিমের দাম ১২ টাকা নির্ধারণ, আমদানির সিদ্ধান্ত

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ:  প্রতি পিস ডিমের দাম ১২ টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার। একই সঙ্গে ডিম আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথমে অল্প পরিমাণে আমদানি করা হবে। এরপরও যদি দাম না নিয়ন্ত্রণে থাকে তাহলে ব্যাপক আকারে আমদানি করা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় কৃষিপণ্যের উৎপাদন, চাহিদা ও মূল্য পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

এদিকে আলু ও পেঁয়াজের দামও বেঁধে দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, পেঁয়াজ, আলু ও ডিমের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। আলুর দাম হবে ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা ভোক্তা পর্যায়ে। আর পেঁয়াজের দাম ৬৪ থেকে ৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ভোক্তা অধিকার মাঠে থেকে এটি মনিটরিং করবেন।

সয়াবিন তেলের দাম পাঁচ টাকা কমে আসবে বলেও জানান মন্ত্রী।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, বাজারে কোনো কারণ ছাড়াই অনেক পণ্যের দাম বেড়েছে। এরমধ্যে আলু, পেঁয়াজ ও ডিমের মতো গুরুত্বপূর্ণ পণ্য রয়েছে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এখন ন্যায্যদাম কার্যকর করবো।

মন্ত্রী বলেন, নতুন করে টিসিবির কার্ড করা হচ্ছে। আমরা (বাণিজ্য মন্ত্রণালয়) ৫০ লাখ পরিবারের জন্য কার্ড করেছিলাম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক কোটি করার নির্দেশ দিয়েছেন। বাকিগুলো শিগগির মানুষ হাতে পেয়ে যাবে। কার্ডের কাজ চলছে।

দেশে সাড়ে তিন কোটি দরিদ্র মানুষ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা এরমধ্যে এক কোটি পরিবারকে সাশ্রয়ী দামে পণ্য দিচ্ছি। অর্থাৎ পাঁচ কোটি মানুষ এ সেবায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। একটি পরিবারে গড়ে পাঁচজন করে সদস্য থাকে। তারপরও যদি কোনো দরিদ্র মানুষ টিসিবির সেবা থেকে বাদ পড়েন, সে বিষয় আমরা দেখবো।