সরকার নির্ধারিত মূল্য বাস্তবায়নে কাজ করবে বরিশালের জেলা প্রশাসন
written by Chandradip News | September 18, 2023
বরিশাল অফিস: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত মূল্যে আলু, পেঁয়াজ ও ডিম বিক্রি করা হবে বলে জানিয়েছেন বরিশাল জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলাম। সরকার নির্ধারিত মূল্য বাস্তবায়নে কাজ করবে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত। জেলা উন্ননয় সমন্বয় কমিটির সভায় এমন সিদ্ধান্ত জানান জেলা প্রশাসক। জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে গতকাল সকালে তার সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
সিভিল সার্জন ডাঃ মারিয়া হাসান জানান, বরিশালে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। পুরনো টায়ার, লন্ড্রি ট্যাংক, ঢাকনাবিহীন চৌবাচ্চা, ড্রাম বা ব্যারেল, অন্যান্য জলাধার, পোষা প্রাণির পাত্র, নির্মাণাধীন ভবনের ব্লক, ফেলে রাখা বোতল ও টিনের ক্যান, গাছের ফোকর ও বাঁশ, দেয়ালে ঝুলে থাকা বোতল, পুরনো জুতা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত খেলনা, ছাদে, অঙ্কুরোদগম উদ্ভিদ, বাগান পরিচর্যার জিনিসপত্র, ইটের গর্ত ও অপরিচ্ছন্ন সুইমিং পুলে এডিস মশা জন্ম নেয়। ডেঙ্গু প্রতিরোধে এসব পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর জানান, ডিএনএস সেলাইনের কৃত্রিম সংকট তৈরি না হয় সে জন্য ঔষধ প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের বাজার মনিটরিং অব্যাহত থাকবে।
সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ সোহেল মারুফ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্যুরিস্ট) আবুল কালাম আজাদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ সরদারসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
বরিশাল অফিস: ঐতিহ্যবাহী বরিশাল পাবলিক লাইব্রেরী পুনরায় চালুর দাবীতে উন্মুক্ত বই পাঠের আসর’ কর্মসুচী পালন করা হয়েছে। বরিশাল সচেতন নাগরিকর ব্যানারে রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) নগরীর বিবির পুকুর পারে এ কর্মসুচীতে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ অংশগ্রহন করেন।
বক্তারা আগামী ২১ ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে নিজস্ব ভবনে লাইব্রেরীটি পাঠকের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়ার দাবী জানান। পরে বরিশাল পাবলিক লাইব্রেরী এডহক কমিটির সদস্যরা জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত স্মারকলিপি প্রদান করেন।
‘উন্মুক্ত বই পাঠের আসর’ কর্মসুচীতে উপস্থিত সমাজসেবক নজরুল ইসলাম বলেন, তিনি এই পাবলিক লাইব্রেরীতে নিয়মিত আসতেন। লেখক, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, শিক্ষার্থীদের ভীরে গমগম করতো লাইব্রেরীটি। এটি স্থানান্তর করা গনবিরোধী কাজ। সবুজ আন্দোলনের সংগঠক কাজী মিজানুর রহমান ফিরোজ বলেন, লাইব্রেরীর সাধারন সদস্য হিসেবে বই পড়ার জায়গা না থাকায় প্রতিবাদ জানিয়ে তারা লাইব্রেরীর পিছনে বিবির পুকুরের পাড়ে উন্মুক্ত স্থানে বই পড়েছেন। স্বাধীনতার পুর্বে যাদের জন্ম তারা এখানে বই পড়তেন। তাদের দাবী বিবির পুকুর পাড়ের পাবলিক লাইব্রেরী আগামী ২১ ফেব্রয়ারীর মধ্যে উন্মুক্ত করে দেয়া হোক।
বরিশাল পাবলিক লাইব্রেরী এডহক কমিটির সম্পত্তি রক্ষনাবেক্ষন উপ কমিটির সদস্য কাজী এনায়েত হেসেন শিবলু বলেন, ১৮৫৪ সালে নিজস্ব সম্পত্তিতে এই পাবলিক লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮৫ সালে একটি গোষ্ঠী দুরভিসন্ধিমুলকভাবে লাইব্রেরীটি বান্দরোডে স্থানাস্তর করে। কিন্তু সেখানে কেউ বই পড়তে যান না। লাইব্রেরীর প্রায় ৩০ হাজার বই সংরক্ষনের অভাবে নস্ট হয়ে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির ১৪.৬৮ শতাংশ নিজস্ব সম্পত্তি লাইব্রেরীর সভাপতি জেলা প্রশাসক র্দীঘদিন ধরে ভাড়া দিয়ে আসছেন।
তাদের দাবী পাবলিক লাইব্রেরীর মুল ঠিকানায় এটিকে আবার চালু করতে হবে। পরে পাবলিক লাইব্রেরীর সদস্যরা বরিশাল জেলা প্রশাসক ও পাবলিক লাইব্রেরীর সভাপতি শহীদুল ইসলামের কাছে লিখিত স্মারকলিপি প্রদান করে লাইব্রেরীটি অনতিবিলম্বে চালুর দাবী জানান।
এসময় সাবেক এমপি মনিরুল ইসলাম মনি, সমাজসেবক আমিনুল ইসলাম খান বুলবুল, অধ্যক্ষ মোতালেব হাওলাদার, দেওয়ান ফখরুল আলম, নজরুল ইসলাম, এ কে আজাদ, অঞ্জলী রানী, মোস্তাফিজুর রহমান, কাজী এনায়েত হোসেন শিবলু উপস্থিত ছিলেন।
১৩ হাজারে বিক্রি হলো এক ইলিশ
written by Chandradip News | September 18, 2023
পটুয়াখালী অফিস: রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ইদ্রিস নামের এক জেলের জালে ইলিশটি ধরা পড়ে। পরে দুপুরে কুয়াকাটা মেয়র বাজারে নিয়ে এলে নিলামে ১২ হাজার ৩৯ টাকায় কিনে নেন বশির গাজী নামের এক মৎস্য ব্যবসায়ী। পরে তিনি মাছটি পটুয়াখালীর এক ক্রেতার কাছে বিক্রি করেন।
গাজী ফিশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বশির গাজী জানান, এতো বড় ইলিশ মাছ এই বাজারে খুব কম দেখা মেলে। তাই আমি নিলামে মাছটি কিনে নিই। পরে ১৩ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিয়েছি।
কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, বড় ইলিশ মূলত জেলেদের জন্য সুখবর বয়ে আনে। গভীর সমুদ্রের জেলেদের পাশাপাশি উপকূলের জেলেরাও এখন বড় ইলিশ পাচ্ছেন। এটিকে বছরে সরকারের দুইবার নিষেধাজ্ঞার সুফল বলতে পারি আমরা।
আবারও একসঙ্গে শরিফুল রাজ এবং পরীমণি ! নতুন ছবিতে সই করলেন দম্পতি?
written by Chandradip News | September 18, 2023
চন্দ্রদ্বীপ বিনোদন ডেস্ক: পরীমণি এবং শরিফুল রাজ— বাংলাদেশের দুই চর্চিত নাম। ব্যক্তিগত কারণেই বার বার বিতর্কে জড়িয়েছে তাঁদের নাম। ‘গুণিন’ সিনেমায় একসঙ্গে তাঁদের দেখেছেন দর্শক। সেই ছবিতে অভিনয় করতে গিয়েই সম্পর্কে জড়ান পরী এবং রাজ। তার পর প্রেম পর্ব কাটিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন নায়ক নায়িকা। তাঁদের একটি ছেলে আছে। নাম রাজ্য। ছেলের জন্মের বেশ কিছু দিন পর থেকেই সমস্যা তৈরি হয় রাজ্য এবং পরীর মধ্যে। তাঁদের দাম্পত্যকলহ রীতিমতো প্রকাশ্যেও এসেছে বার বার। তবে এত কিছুর পরেও বড় পর্দায় তাঁদের দেখার অপেক্ষায় দর্শক। অনেকেই ভেবেছিলেন আর একসঙ্গে অভিনয় করবেন না হয়তো তাঁরা। কিন্তু তেমনটা হচ্ছে না। সংবাদমাধ্যম এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সব ঝামেলা মিটিয়ে আবারও নাকি একসঙ্গে সিনেমা করছেন তাঁরা। সন্তান হওয়ার জন্য বেশ অনেক দিন নতুন সিনেমা করেননি নায়িকা।
ডলারের দাম আর বাড়বে না, ‘কমবে’
written by Chandradip News | September 18, 2023
চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেস্ক: মার্কিন ডলার সংকটে চাপের মুখে বাংলাদেশের অর্থনীতি। ধারাবাহিকভাবে ডলারের দাম বাড়ায় উৎপাদন খরচ বেড়েছে। ফলে বিনিয়োগ ও ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। সৃষ্টি হয়েছে উচ্চ মূল্যস্ফীতি। নিত্যপণ্যের বাড়তি ব্যয় মেটাতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে ডলারের দাম না বাড়িয়ে কমানোর পক্ষে মত দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) ও বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) নিয়মিত বৈঠকে এমন বার্তা দিয়েছে ব্যাংক খাতের এ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা। গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাফেদা’র চেয়ারম্যান ও সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও সিইও মো. আফজাল করিম, এবিবি’র চেয়ারম্যান ও ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সেলিম আর এফ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশে ডলার সংকট চলছে। এর সঙ্গে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে মূল্যস্ফীতি। এটি নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। তাই যেকোনো উপায়ে মূল্যস্ফীতির চাপ কমানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। এজন্য প্রয়োজনে ডলারের দাম (রেট) না বাড়িয়ে কমানোর ওপর জোর দেন বাংলাদেশ ব্যাংক-সংশ্লিষ্টরা।
দেশে ডলার সংকট চলছে। এর সঙ্গে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে মূল্যস্ফীতি। এটি নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। তাই যেকোনো উপায়ে মূল্যস্ফীতির চাপ কমানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। এজন্য প্রয়োজনে ডলারের দাম (রেট) না বাড়িয়ে কমানোর ওপর জোর দেন বাংলাদেশ ব্যাংক-সংশ্লিষ্টরা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) দেশে মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে। এতে দেখা যায়, খাদ্যের মূল্যস্ফীতি সাড়ে ১২ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। বিবিএস’র হিসাব বলছে, গত আগস্ট মাসে খাদ্যের মূল্যস্ফীতি ছিল ১২ দশমিক ৫৪ শতাংশ, যা গত ১১ বছর সাত মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে ২০১২ সালের জানুয়ারি মাসে খাদ্যের মূল্যস্ফীতি উঠেছিল ১২ দশমিক ৭৩ শতাংশে। এক দশকের মধ্যে গত আগস্ট মাসে খাদ্যের মূল্যস্ফীতি প্রথমবারের মতো উঠেছে দুই অঙ্কের ঘরে।
একদিকে ডলারের সংকট, অন্যদিকে উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপ। এমন অবস্থায় ডলারের দাম বাড়ানো হবে, নাকি কমানো হবে— জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. মেজবাউল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘বর্তমানে মূল্যস্ফীতির হার অনেক বেশি। এটি নিয়ন্ত্রণ করাই আমাদের মূল্য লক্ষ্য। এমন অবস্থায় ডলারের দাম বাড়ানোর কোনো সম্ভাবনা নেই। কীভাবে দাম কমানো যায়, সেই চেষ্টা চলছে। এজন্য রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বাড়ানোর ওপর বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে।’
বাফেদা’র চেয়ারম্যান এবং সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও সিইও মো. আফজাল করিমও ডলারের দাম কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এখন ডলারের বাজারের যে পরিস্থিতি তাতে সামনে দাম কমবে, বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।’
তবে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, দেশের অর্থনীতির মূল সমস্যা হলো বৈদেশিক মুদ্রার সংকট। নীতিনির্ধারকরা মনে করেছিলেন, ডলারের সংকটের ফলে এর দাম বেড়ে যাওয়া, এটি সাময়িক। শিগগিরই এ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। কিন্তু দীর্ঘদিন পার হলেও সমাধান হয়নি। উল্টো ডলার সংকটের কারণে আমদানি ব্যয় বেড়েছে। এ কারণে উৎপাদন খরচও বেড়েছে। ফলে উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে পড়েছে দেশ।
ডলারের দাম ও রিজার্ভ পরিস্থিতি
খাত-সংশ্লিষ্টরা জানান, মহামারি করোনার আগের বছরগুলোতে বিশ্ববাজারে ঋণের সুদহার অনেক কম ছিল। ওই সময়ে বাংলাদেশে বেসরকারি খাতে বিদেশি ঋণের প্রবাহও বেশ ভালো ছিল। একই সময় রেমিট্যান্স ও রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি ছিল। এসব কারণে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ২০২১ সালের আগস্টে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পৌঁছে। এসব নিয়ে বড় ধরনের আত্মতুষ্টিতে ভোগে সরকার। রিজার্ভ থেকে শ্রীলঙ্কাকে দেওয়া হয় ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ। মালদ্বীপকেও ঋণে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়। এ ছাড়া রিজার্ভ থেকে সরকারি প্রতিষ্ঠানকে ঋণ এবং উন্নয়ন প্রকল্পে বিনিয়োগ করা হয়।
২০২১ সালের শেষদিকে সার্বিক অর্থনীতিতে করোনার প্রভাব এবং পরবর্তীতে ডলারের বাড়তি চাহিদা তৈরি হয়। তখন আমদানির চাহিদাও বাড়ে। অন্যদিকে, রেমিট্যান্স কমে যায়। এর প্রভাব পড়ে রিজার্ভে। এর মধ্যে শুরু হয় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। ফলে অর্থনীতিতে নতুন সংকট তৈরি হয়। সংকট কাটাতে কঠিন শর্তে আইএমএফ থেকে ঋণ নিতে বাধ্য হয় সরকার।
এদিকে, দীর্ঘদিন ডলারের দর কৃত্রিমভাবে ৮৪ থেকে ৮৬ টাকার মধ্যে ধরে রাখে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বর্তমানে এটি বেড়ে ১১০ টাকায় ঠেকেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, গত এক বছরের ব্যবধানে বাংলাদেশ ব্যাংক মার্কিন ডলারের দাম বাড়িয়েছে ১৫ টাকা। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসের শুরুতে প্রতি ডলারের দাম যেখানে ৯৫ টাকা ছিল, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১০ টাকায়। তবে, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে প্রতি ডলার বিক্রি হচ্ছে ১১২ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ১১৩ টাকায়। খোলাবাজারে বিক্রি হচ্ছে ১১৭ থেকে ১১৮ টাকায়।
কৃত্রিমভাবে ডলারের দাম নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘বর্তমানে দেশের অর্থনীতিতে যে সংকট, এর মূলে রয়েছে মার্কিন ডলার। এক সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলারের দাম ধরে রেখেছিল। পরে আর নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেনি। বেশি হারে দাম বেড়েছে। এটিই প্রমাণ করে যে, কৃত্রিমভাবে ধরে রেখে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা কোনো সমাধান নয়। এর ফলে বাজারে বিরূপ প্রভাব পড়েছে।’
‘বাজারের সঙ্গে এখনও ডলারের রেটের ব্যবধান রয়েছে। যখন ডলারের দাম বৈধ চ্যানেলে কম থাকবে তখন হুন্ডি উৎসাহিত হবে। রেমিট্যান্স কমে যাবে। বিদেশি বিনিয়োগ কমে যাবে। রিজার্ভের ওপর চাপ সৃষ্টি হবে। আইএমএফের ঋণের যে শর্ত আছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো ডলারের দাম বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়া। এখন যদি কোনোভাবে আমরা ডলারের রেট ধরে রাখতে চাই, এটি ঠিক হবে না। আগেও ডলারের রেট ধরে রাখা হয়েছিল। কিন্তু ফল ভালো হয়নি। আগামীতেও ভালো হবে না। ডলারের দাম বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়াই ভালো হবে’— বলেন এ অর্থনীতিবিদ।
এদিকে, ডলার সংকট কাটাতে নানা উপায়ে আমদানি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত বছরের জুলাই থেকে বিভিন্ন পণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক বাড়িয়েছে সরকার। একই সঙ্গে তুলনামূলক কম প্রয়োজন বা বিলাসী পণ্যের এলসি খোলার ওপর ৭৫ থেকে শতভাগ পর্যন্ত নগদ মার্জিনের শর্ত দেওয়া আছে। এ মার্জিনের টাকা দিয়ে কোনো ব্যাংক থেকে ঋণও নেওয়া যাবে না। এ ছাড়া বড় এলসি খোলার ২৪ ঘণ্টা আগে তথ্য নিয়ে তার সঠিকতা যাচাই করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মধ্যে ডলার সংস্থান ছাড়া ব্যাংকগুলোকে এলসি না খুলতে বলা হয়েছে। এর প্রভাবে গত অর্থবছরে আমদানির পরিমাণ ১৪ দশমিক ৯২ শতাংশ কমেছে, অন্যদিকে রপ্তানি বেড়েছে ১৫ দশমিক ৬১ শতাংশ।
রেমিট্যান্স-রপ্তানি ডলারের এক রেট
রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ে ডলারের মূল্য এখন থেকে এক রেটে ধরা হয়েছে। গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে রপ্তানিকারকরা প্রতি ডলার ১০৯ টাকা ৫০ পয়সায় পাচ্ছেন। আগে যা ছিল ১০৮ টাকা ৫০ পয়সা। রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ে ডলারের মূল্য ৫০ পয়সা বাড়িয়ে ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা করা হয়েছে। এ ছাড়া আমদানিতে ডলারের দর হবে ১১০ টাকা। আগে যা ছিল ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আন্তঃব্যাংক ব্যবস্থায় ডলার লেনদেন হচ্ছে ১১০ টাকায়।
৩ দিনের ডাটা ৭ দিনে ব্যবহার করতে পারবেন গ্রাহক
written by Chandradip News | September 18, 2023
চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেস্ক: ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, তিন দিনের মেয়াদ নিয়ে সম্প্রতি আমার কাছে অনেক প্রশ্ন এসেছে। আমার কাছে মনে হয়েছে, মহাভারত বোধহয় অশুদ্ধ হয়ে গেছে। আমরা ইন্টারনেটের মেয়াদ সংখ্যা কমিয়েছি। তার কারণ হলো- মেয়াদের সংখ্যা বেশি থাকলে গ্রাহক কনফিউজড হয়। আমরা ৭ দিনের ডাটা সর্বনিম্ন করেছি, এতে করে গ্রাহকরা পুরো ডাটা ব্যবহার করতে পারবেন। ৩ দিনে গ্রাহক যে ডাটা ব্যবহার করতে পারতেন না, তা ৭ দিনে ব্যবহার করতে পারবেন।
রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিটিআরসি ভবনে আয়োজিত ‘মোবাইল ফোন অপারেটরসমূহের ডাটা এবং ডাটা সংশ্লিষ্ট প্যাকেজ সম্পর্কিত নতুন নির্দেশিকা-২০২৩ বাস্তবায়ন বিষয়ক উপস্থাপনা’ শীর্ষক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মোস্তাফা জব্বার বলেন, বর্তমানে মোবাইল ডাটার দাম ও গুনগত মান গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। একসময় তা বিলাসী পণ্য ছিল, এখন তা প্রান্তিক পর্যায়ে চলে গেছে।
মন্ত্রী বলেন, আমরা ভয়েস কলের জন্য সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন রেট ফিক্স করে দিয়েছিলাম। যার ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া গেছে। অপারেটররা তো ব্যবসা করতেই এসেছে। তবে তার একটা সীমা আছে। ব্যবসা করতে গিয়ে প্রতারণা করলে সেটা টেকসই হয় না। ফলে ক্ষুদ্র মেয়াদ ও অসংখ্য প্যাকেজ দেওয়ার ফলে গ্রাহকরা বিভ্রান্ত হয়েছেন। প্যাকেজের মাত্রা বর্তমানে অনেকটাই কমিয়ে আনা হয়েছে।
তিনি বলেন, নতুন প্যাকেজের নীতিমালাটি আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে। আর এটা এমন নয় যে পরিবর্তন করা যাবে না। গ্রাহকের কল্যাণে যদি পরিবর্তন করতে হয়, তাহলে তা করা হবে। শুধু ব্যবসায়ী মোটিভে বিটিআরসি কাজ করে না। বিটিআরসি জনগণের স্বার্থ রক্ষার্থেই কাজ করে।
বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর শিকদারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামান, গ্রামীনফোনের সিইও ইয়াসির আজমান প্রমুখ।
বাউফলে মুক্তিযোদ্ধা নামের তালিকা যাচাই-বাছাই
written by Chandradip News | September 18, 2023
মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী: বাউফলে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের একটি প্রতিনিধি দল ১৯৫ জনের মুক্তিযোদ্ধা নামের তালিকা অধিকতর যাচাই-বাচাই কাজ পরিচালনা করা হয় ।
রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে বাউফল উপজেলা পরিষদ হল রুমে এ যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শুরু হয়। যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চলবে সোমবার পর্যস্ত।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. বশির গাজীর সভাপতিত্বে মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভূক্ত থেকে যাচাই-বাছাই সময় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান খান এমপি, সাবেক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী অ্যাড. মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার এমপি, জামুকার সদস্য মেজর (অব.) ওয়াকার হাসান বীর প্রতীক।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আ.লীগের সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মোতালেব হাওলাদার, আ.লীগের সহ সভাপতি ও ভাইস চেয়ারম্যান মোশারেফ হোসেন, সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলর কমান্ডার শামসুল আলম মিয়া, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন কমান্ডার আ. বারেক, সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলর আবুল কালাম খান, উপজেলা আ.লীগের সিনিয়র যুগ্ন সাধারন সম্পাদক আনিচুর রহমান প্রমুখ।
যাচাই-বাচাই সময় সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির সভাপতি ও সাবেক চীফ হুইপ আ.স.ম ফিরোজ এমপি উপস্থিত থাকার কথা ছিল হঠাৎ তার বড় ভাইয়ের মেয়ের মৃত্যু জনিত কারনে তিনি উপস্থিত থাকতে পারেনি।
বাউফল উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষিকা রাবেয়া খাতুন কচি
written by Chandradip News | September 18, 2023
মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী: বাউফল উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষিকা নির্বাচিত হয়েছেন রাবেয়া খাতুন কচি। শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে বাউফল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. বশির গাজী কৃষিবিদ রাবেয়া খাতুন কচিকে উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষিকা ঘোষনা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আতিকুল ইসলাম, উপজেলা রিসোর্স সেন্টার কর্মকর্তা (ইউআরসি) মো. মুমিন হোসেন, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দেবাশিষ ঘোষ, সুজন হালদার, মো. অলিউল ইসলাম ও রিয়াজুল ইসলাম নাসির।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাউফল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. কামারুজ্জামান খান ফিরোজ, বাউফল দাশপাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আফরোজা ইয়াসমিন লিপিসহ উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ।
কৃষিবিদ রাবেয়া খাতুন কচি উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষিকা নির্বাচিত হওয়ায় তার বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকবৃন্দ ও পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
ডেঙ্গু আক্রান্ত কোনো রোগীকে ঢাকায় স্থানান্তর না করার নির্দেশ
written by Chandradip News | September 18, 2023
চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেস্ক: দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ডেঙ্গুরোগে আক্রান্ত হওয়া কোনো রোগীকে ঢাকায় স্থানান্তর না করতে নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর বলেছেন, ডেঙ্গু বিষয়ে যে গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে তা প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছেছে। ঢাকার বাইরে ডেঙ্গু আক্রান্ত কোনো রোগীকে যেন ঢাকায় পাঠানো না হয়।
এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ঢাকার তুলনায় ঢাকার বাইরে ডেঙ্গু সংক্রমণ বেড়েছে। আমরা ঢাকার বাইরে সব জায়গায় ডেঙ্গুরোগীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি। সারাদেশের স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি।
রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ডেঙ্গুরোগীদের জন্য আইভি ফ্লুইড সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন উল্লেখ করে ডা. আহমেদুল কবীর বলেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এসময়ে সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করেন। আমরা সিভিল সার্জনদের নির্দেশনা দিয়েছি, কোথাও স্যালাইনের দাম বেশি রাখা হলে তাদের বিরুদ্ধে যেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
তিনি বলেন, কিছু ক্লিনিক এবং হাসপাতাল রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করছে। রোগীদের হাসপাতালে রাখছে এবং আইসিইউতে নিচ্ছে। এসব হাসপাতাল ও ক্লিনিকের বিরুদ্ধে এবং যেসব হাসপাতাল ও ক্লিনিকের নিবন্ধন নেই বা মেয়াদোত্তীর্ণ সেসব হাসপাতালের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান পরিচালিত হবে।
ডা. আহমেদুল আরও বলেন, আমরা আমাদের রোগীদের জিম্মি করে কোনো অসাধু চক্রকে লাভবান হতে দেবো না। যারা এ ধরনের কাজ করছে তারা দেশপ্রেমিক না।
তিনি বলেন, আমাদের স্যালাইনের সংকট হয়নি। বাংলাদেশে পেঁয়াজের মজুত থাকলেও সংকট দেখা দেয়। কেউ আর্টিফিশিয়াল কোনো সংকট যেন তৈরি করতে না পারে সে বিষয়ে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমরা বিদেশ থেকে তিন লাখ স্যালাইন আমদানি করছি।
তিউনিশিয়ায় অভিযানে শত শত অভিবাসী আটক
written by Chandradip News | September 18, 2023
চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেস্ক: তিউনিশিয়ার স্ফ্যাক্স উপকূলীয় অঞ্চলে পাচারকারীদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের ধরপাকড় অভিযান পরিচালনা করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। শনিবার এই অভিযান থেকে শত শত অভিবাসীকে আটক এবং বেশ কিছু নৌকা জব্দ করা হয়েছে।
উন্নত জীবনের আশায় ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যাওয়ার জন্য অভিবাসীদের মূল প্রস্থান পয়েন্ট হয়ে উঠেছে তিউনিশিয়ার স্ফ্যাক্স উপকূল। শনিবার দেশটির আইনশৃঙ্খলাবাহিনী সন্ত্রাসবিরোধী শাখার সদস্য ও বিমান ব্যবহার করে ওই উপকূলে মানবপাচারকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে।
তিউনিশিয়ার প্রেসিডেন্ট কাইস সাইদের নির্দেশে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে বলে দেশটির সরকার জানিয়েছে। সম্প্রতি উত্তর আফ্রিকা থেকে আসা অভিবাসীদের বহনকারী রেকর্ডসংখ্যক নৌকা ইতালির ল্যাম্পেদুসা দ্বীপে পৌঁছানোর পর তিউনিশিয়া কর্তৃপক্ষ ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে।
দেশটির সরকারি কর্মকর্তা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন, তিউনিসিয়ার ন্যাশনাল গার্ডের একাধিক ইউনিট স্ফ্যাক্সের কিছু বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে; যেখানে শত শত অভিবাসী আশ্রয় নিয়েছিলেন। অভিযানে উপকূলগামী অভিবাসীদের বহনকারী কিছু ট্রাক ও চোরাকারবারীদের ব্যবহৃত জাহাজ জব্দ করা হয়েছে।
এ সময় নিরাপত্তা বাহিনী বিমান, উচ্চ প্রশিক্ষিত কুকুর, সামরিক ট্রাক ব্যবহার করে জেবিনিয়ানা, কেরকেন্নাহ, মাসাট্রিয়া এবং স্ফ্যাক্সের কয়েকটি এলাকায় তল্লাশি চালায়। স্ফ্যাক্স শহরের কেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন মানবপাচারকারীদের আটক করা হয়।
তিউনিশিয়ার ন্যাশনাল গার্ডের কর্মকর্তা কর্নেল হোসেম জেবেবলি সাংবাদিকদের বলেছেন, এই বিমান অভিযানের উদ্দেশ্য হল চোরাকারবারিদের টার্গেট করা; যারা হতাশাগ্রস্ত মানুষের কষ্টকে পুঁজি করে ব্যবসা করছেন।
স্ফ্যাক্স থেকে অভিবাসীদের ইউরোপমুখী ঢলের কারণে ইতালি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রবল চাপের মুখে রয়েছে তিউনিসিয়া। অভিবাসীদের ঢল ঠেকানো ও তিউনিসিয়ার বিপর্যস্ত অর্থনীতিকে সাহায্য করার জন্য দেশটিকে ১০০ কোটি ইউরোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ইইউ।
গত কয়েকদিনে উত্তর আফ্রিকা থেকে নৌকায় করে প্রায় ৭ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী ইতালির ছোট দ্বীপ ল্যাম্পেদুসায় পাড়ি জমিয়েছেন। ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় এক লাখ ২৬ হাজার অভিবাসী নৌকায় করে ইতালিতে পৌঁছেছেন। যা গত বছরের একই সময়ের রেকর্ড করা ৬৪ হাজার ৫২৯ জনের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।
ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি শুক্রবার ইউরোপীয় ইউনিয়নকে উত্তর আফ্রিকা থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়া অভিবাসীর আগমণ ঠেকাতে ‘প্রয়োজনে যৌথ নৌ অভিযান’ পরিচালনার আহ্বান জানান।