যৌন নিপীড়নের শিকার পুরুষদের জন্য জাপানে হটলাইন

চন্দ্রদীপ নিউজ ডেস্ক : যৌন নিপীড়নের শিকার পুরুষদের জন্য হটলাইন চালু করছে জাপান সরকার। দেশটির এক মন্ত্রী গত মঙ্গলবার এ ঘোষণা দিয়েছেন। সম্প্রতি পুরুষদের ব্যান্ড দলের বৃহত্তম এজেন্সির যৌন কেলেঙ্কারির ঘটনা স্বীকার করে নেওয়ার পর এমন উদ্যোগ নিল সরকার।

মন্ত্রিপরিষদের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আজ শুক্রবার দেশটিতে যৌন নিপীড়নের শিকার পুরুষদের জন্য এ হটলাইন চালু হওয়ার কথা। আগামী তিন মাস এটি চালু থাকবে। নিপীড়নের শিকার কিশোর ও পুরুষেরা ফোন করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে পারবেন।

জাপানের শিশুনীতি প্রণয়নের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী আয়ুকো কাতো বলেন, ‘আমরা আশা করছি, নিপীড়নের শিকার পুরুষেরা এতে নিরাপদ বোধ করবেন এবং তাঁরা কোনো দ্বিধা ছাড়াই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে পারবেন।’

জাপানের বিখ্যাত বয়ব্যান্ড এজেন্সি জনি অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস। চলতি মাসে প্রথমবারের মতো তারা স্বীকার করেছে, জনি অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের প্রতিষ্ঠাতা জনি কিতাগাওয়া কয়েক দশক ধরে তরুণ কর্মীদের যৌন নিপীড়ন করেন। এরপর দেশটির সরকার এমন পদক্ষেপ নিল।

২০১৯ সালে ৮৭ বছর বয়সে কিতাগাওয়ার মৃত্যু হয়। তাঁর মাধ্যমেই এসএমএপি, টোকিও ও আরাশির মতো জনপ্রিয় মেগাগ্রুপ জে-পপ ব্যান্ডগুলো তৈরি হয়েছে। পুরো এশিয়াজুড়েই এসব ব্যান্ড দলের ভক্ত আছে।




এশিয়ান গেমসের নারী ক্রিকেট : সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

চন্দ্রদীপ ডেস্ক: হাংজুর জিজিয়াং প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ক্রিকেট মাঠে হওয়ার কথা ছিল ম্যাচটি। এশিয়ান গেমসে মেয়েদের ক্রিকেটের কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল হংকং। কিন্তু বৃষ্টির কারণে হয়নি একটি বলও।

বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও পিছিয়ে যায় সেটি। দুই ঘণ্টা অপেক্ষার পরও আবহাওয়ার উন্নতি না হওয়ায় পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয় ম্যাচটি। গেমসের নিয়ম অনুযায়ী, বাছাইয়ে এগিয়ে থাকায় হংকংকে টপকে বাংলাদেশ উঠে গেছে সেমিফাইনালে।

গতকাল ভারতও এভাবে সেমিফাইনালে উঠে গেছে মালয়েশিয়ার সঙ্গে ম্যাচটি পরিত্যক্ত হওয়াতে। আগামী রোববার ভারত–বাংলাদেশের মধ্যে হবে সেমিফাইনাল। দুই দলের মধ্যকার সর্বশেষ সিরিজটি ছিল বেশ আলোচিত।




পড়া-লেখা অনিশ্চয়তায় মেধাবী ইভা ও রুপক

 

মো: আল-আমিন, পটুয়াখালী: অসুস্থ মা শয্যাশায়ী। তাই ইভার স্বপ্ন চিকিৎসক হয়ে গরিব, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো। কিন্তু অভাবের সংসারে তার উচ্চমাধ্যমিকের গণ্ডি পার হওয়া নিয়েই শঙ্কা দেখা দিয়েছে। কোথায় পড়বে, কীভাবে পড়বে—নানা শঙ্কা আর সিদ্ধান্তহীনতায় প্রথম ধাপে পছন্দের কলেজে আবেদন করা হয়নি তার। একই রকম অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে পটুয়াখালী সদরের রুপক কুমার, সেলিনা আক্তার ও খাদিজা আক্তারের। নুন আনতে পান্তা ফুরায় তাদের পরিবারে।

পড়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় ইভা আক্তার এবার পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার ঝাটিবুনিয়া মোজাফ্ফর ইসহাক মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। তাদের বাড়ি উপজেলার উত্তর ঝাটিবুনিয়া গ্রামে। তার বাবা মহিষকাটা বাজারে ছোট্ট একটি দোকানে কাপড় সেলাইয়ের কাজ করেন। এ অবস্থায় ইভা এবং তার কলেজ পড়ুয়া বড় ভাইয়ের পড়ালেখার খরচ জোগানো তাঁর পক্ষে সম্ভব না ।

ইভা বলে, তার মা শয্যাশায়ী। টাকার অভাবে ঠিকঠাক চিকিৎসা হচ্ছে না। নিয়মিত ওষুধ খাওয়াতে হয়। মা অসুস্থ থাকায় সংসারের যাবতীয় কাজও সামলাতে হয় তাকে। তবু ইচ্ছাশক্তির জোরে সে এসএসসিতে ভালো ফলাফল করেছে।

ইভা আরও বলে, ‘ইচ্ছা ছিল চিকিৎসক হওয়ার। কিন্তু চিকিৎসক হওয়া তো দূরের কথা, উচ্চমাধ্যমিকে পড়া হবে কি না, বুঝতে পারছি না। বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সহযোগিতায় পড়াশোনা করেছি। কিন্তু এবার কলেজে ভর্তি, বই-খাতা কেনা, প্রাইভেট, কোচিং করার সামর্থ্য আমার বাবার নেই।’

ঝাটিবুনিয়া মোজাফ্ফর ইসহাক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবদুস ছাত্তার বলেন, ইভা অত্যন্ত মেধাবী ছাত্রী। পড়াশোনার পাশাপাশি নিয়মিত অংশগ্রহণ করত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায়। একটু সহযোগিতা পেলে হয়তো মেয়েটি জীবনে অনেক উন্নতি করবে।

দুশ্চিন্তায় রুপকের মা–বাবা
পটুয়াখালী সরকারি জুবিলী উচ্চবিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে রুপক কুমার। ছেলের ভালো ফলাফল মা-বাবার দুশ্চিন্তা বাড়িয়েছে। রুপকের বাবা জগদীশ চন্দ্র শীল শহরের একটি ওষুধের দোকানে কাজ করেন। দুই ভাইবোনের মধ্যে রুপক ছোট। রুপকের মা রীনা রানী সেলাইয়ের কাজ করেন। শহরের চরপাড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় তাঁদের সংসার।
পাড়া-প্রতিবেশী ও শিক্ষকদের সহযোগিতায় রুপক এত দিন লেখাপড়া চালিয়ে আসছিল।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রুহুল আমিন জানান, রুপক মেধাবী ছেলে। এত দিন তাঁরা লেখাপড়ায় সহায়তা করেছেন।

রুপকের বাবা জগদীশ চন্দ্র বলেন, ‘আমি আর পারছি না ছেলেরে লেহাপড়া করাইতে। অনেক দেনা রয়েছে। রুপকের লেহাপড়ার ভার দেশের দশজনের ওপর ছেড়ে দিলাম।




বিদ্যুতে আলোকিত হবে সাগর দ্বীপ হাতিয়া, নিঝুম ও কুতুবদিয়া

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী: উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালীর বিচ্ছিন্ন উপজেলা রাঙ্গাবালী। তেঁতুলিয়া নদীর মোহনায় অবস্থিত এই দ্বীপ একসময় ছিল অন্ধকারে। ভরসা শুধু সৌরবিদ্যুৎ, মোমবাতি কিংবা হারিকেনের আলো। জেলা সদর থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরের এই জনপদে নদীর তলদেশ দিয়ে সাবমেরিন কেবলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছে সরকার। আর এতে পাল্টে গেছে রাঙ্গাবালীর অর্থনীতি। কলকারখানা স্থাপনের পাশাপাশি নতুন বিভিন্ন ব্যবসার দ্বার খুলেছে সেখানে। এ রকম অমিত সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে উপকূলীয় দ্বীপ হাতিয়া, নিঝুমদ্বীপ এবং কুতুবদিয়ায়।

বিচ্ছিন্ন এই তিন জনপদে নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্যমে নাগরিক সেবার মান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন করা সম্ভব হবে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিদ্যুৎ বিভাগের উদ্যোগে এ সংক্রান্ত একটি প্রকল্প গত ১২ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি-একনেকে অনুমোদন হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন– ‘কেউ অন্ধকারে থাকবে না, সবার ঘরে আলো জ্বলবে’। তারই প্রতিফলন দুর্গম এলাকায় শতভাগ বিদ্যুতায়নের উদ্যোগ।
সূর্য ডোবার পর রাঙ্গাবালীর বেশির ভাগ মানুষের ভরসা ছিল কুপি কিংবা হারিকেন। রাতের অন্ধকারে এই জনপদের মানুষ ঘর থেকে খুব একটা বের হতেন না। সৌরবিদ্যুতের দেখা মিলতো মধ্যম আয়ের মানুষের ঘরে, তা-ও সবার ঘরে না। গরমে বৈদ্যুতিক পাখা ব্যবহার করার উপায় ছিল না, হাতপাখাই ছিল ভরসা। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ছিল রাঙ্গাবালীর মানুষের কাছে স্বপ্নের মতো। কলকারখানা না থাকায় জীবিকার সন্ধানে তারা ছুটতেন শহরের দিকে। তবে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে সেখানে পৌঁছে গেছে স্বপ্নের বিদ্যুৎ; ঘরে ঘরে জ্বলছে বাতি, ঘুরছে বৈদ্যুতিক পাখা।
নিঝুমদ্বীপ, বঙ্গোপসাগরের ছোট্ট একটি দ্বীপ। প্রায় ১৪ হাজার ৫০ একর আয়তনের এই দ্বীপটি শীতকালে পর্যটকদের জন্য অন্যতম গন্তব্য। পরিযায়ী পাখির কলকাকলিতে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা দ্বীপ। হরিণ দেখার জন্যও সারাবছর পর্যটকের আনাগোনা থাকে এই দ্বীপে। অসংখ্য পর্যটক করেন রাত্রিযাপন। বিদ্যুৎ না থাকায় এতদিন তেমন কোনো সুযোগ-সুবিধা পাননি সেখানে যাওয়া পর্যটকরা। সন্ধ্যায় বাজারে সৌরবিদ্যুতের আলোতে মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করেন মোবাইলে চার্জ করার জন্য। এই দ্বীপের বাসিন্দাদের জীবনমানের পরিবর্তন কিংবা বিদ্যুতের সুবিধা ভোগ করার কথা কেউ কল্পনাও করেনি। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হলে পর্যটকদের জন্য সুযোগ-সুবিধা বাড়বে, যা এখন খুবই সামান্য। আর পর্যটকের আনাগোনা বাড়লে দ্বীপবাসীর অর্থনৈতিক ভাগ্য ঘুরে দাঁড়াবে।
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার আয়তন ২১০০ বর্গকিলোমিটার। সাড়ে চার লাখের বেশি মানুষের বসবাস এই দ্বীপে। সেখানে যেতে হলে পাড়ি দিতে হয় বিশাল জলরাশি। হাতিয়ার একটি বড় অংশে বিদ্যুৎ না থাকায় বিশেষ কোনো সুবিধা পাননি পর্যটকরা। ছিল না রাত্রিযাপনেরও তেমন কোনো ব্যবস্থা। দুর্গম সে সব এলাকায়ও বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
এতো গেল মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর মোহনার দুর্গম নিঝুমদ্বীপ, হাতিয়া এবং রাঙ্গাবালীর গল্প। এবার বলব বঙ্গোপসাগরের আরেক দ্বীপ কুতুবদিয়ার কথা। ২১৬ বর্গকিলোমিটার এই দ্বীপে রয়েছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বায়ুবিদ্যুৎকেন্দ্র, সমুদ্র সৈকত, লবণ চাষ, বাতিঘর এবং কুতুব আউলিয়ার মাজার। এখানেও বিভিন্ন সময়ে পর্যটকরা যাতায়াত করেন। তবে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা এবং সুযোগ-সুবিধা কম থাকায় সেখানে দিনে গিয়ে দিনেই চলে আসেন বেশির ভাগ পর্যটক।
‘হাতিয়া দ্বীপ, নিঝুমদ্বীপ ও কুতুবদিয়া দ্বীপ শতভাগ বিদ্যুতায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। প্রকল্পটি গত জুনে শতভাগ বাস্তবায়নের কথা থাকলেও সম্ভব হয়নি। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে শতভাগ বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। হাতিয়া দ্বীপ শতভাগ বিদ্যুতায়ন করা, সাবমেরিন ক্যাবল দিয়ে কুতুবদিয়া দ্বীপ শতভাগ বিদ্যুতায়ন করা এবং হাতিয়া দ্বীপ, নিঝুম দ্বীপ ও কুতুবদিয়া দ্বীপের শতভাগ গ্রাহককে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনতেই বাস্তবায়ন করা হচ্ছে এই প্রকল্প।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানিয়েছে, এই প্রকল্পের আওতায় নতুন চারটি ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্র নির্মাণ (হাতিয়ায় তিনটি ও কুতুবদিয়ায় একটি), মুকতারিয়া-নিঝুমদ্বীপ খালে দেড় কিলোমিটার ১১ কেভি সাবমেরিন ক্যাবল বসানো হবে। কুতুবদিয়া চ্যানেলে ৫ কিলোমিটার ডাবল সার্কিট ৩৩ কেভি সাবমেরিন ক্যাবল দিয়ে নতুন করে ১ হাজার ৪৮৬ কিলোমিটার বিতরণ লাইন নির্মাণ করা হবে। বিদ্যমান ৩৫ কিলোমিটার বিতরণ লাইনও সংস্কার করা হবে। মোট ৩ হাজার ২৫০টি পোল মাউন্টেড বিতরণ ট্রান্সফরমার বসানো এবং অফিস ভবন কাম রেস্ট হাউজ, ডরমিটরি, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হবে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে উপকূলীয় এলাকার হাতিয়া, নিঝুম দ্বীপ ও কুতুবদিয়ায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্যমে নাগরিক সেবার গুণ গত মান উন্নয়ন করা সম্ভব হবে।




রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই বরিশালে মুক্তিযোদ্ধাকে দাফন

 

বরিশাল অফিস: একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হয়েও শুধুমাত্র গেজেটে নাম না থাকায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই দাফন করা হয়েছে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত উপ-পুলিশ পরিদর্শক মোঃ কেরামত আলী খানকে (৭০)। এ ঘটনায় স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও মৃতের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চাঁপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। ঘটনাটি জেলার বানারীপাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের। সুপ্রিম কোর্টের সহকারি অ্যাটর্নি জেনারেল আনিচুর রহমান জানিয়েছেন, তার শশুড় অবসরপ্রাপ্ত উপ-পুলিশ পরিদর্শক মোঃ কেরামত আলী খান দীর্ঘদিন থেকে ক্যান্সারে ভূগছিলেন।

বুধবার ভোরে ঢাকার বনশ্রী এলাকার আল-রাজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন রেখে গেছেন। ওইদিন বাদ আসর বানারীপাড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাঁহ মাঠে মরহুমের জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।

কেরামত আলী খানের বড় মেয়ে বানারীপাড়া উপজেলার পূর্ব সলিয়াবাকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক কামরুন্নাহার রুবি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমার বাবা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সারাদিয়ে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পরেছিলেন। তিনি নিজের জীবনবাঁজি রেখে নয় মাস যুদ্ধ করেছেন।

কামরুন্নাহার রুবি আরও বলেন, দেশ স্বাধীনের পর কর্মের সুবাধে দেশের বিভিন্ন এলাকায় থাকায় বাবা গেজেটভূক্ত হতে পারেননি। চাকরি থেকে অবসরগ্রহনের পর বাবা মুক্তিযোদ্ধার তালিকাভূক্ত হতে যথাযথ নিয়মে আবেদন করেছেন। তাতেও আমাদের কোন ক্ষোভ নেই। কিন্তু বাবার মৃত্যুর পর পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়ার জন্য দাবি জানানো হলেও শুধুমাত্র গেজেটে বাবার নাম অন্তর্ভূক্তি প্রক্রিয়াধীন থাকায় বাবাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়া হয়নি।

ক্ষোভ প্রকাশ করে কামরুন্নাহার রুবি বলেন, হয়তো খুব শীঘ্রই বাবার নাম মুক্তিযোদ্ধার গেজেটে অন্তর্ভূক্তি হবে কিন্তু বাবাতো আর রাষ্ট্রীয় মর্যাদা পেলোনা।

এ ব্যাপারে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতিমা আজরিন তন্বী বলেন, যাদের কারণে দেশ স্বাধীন হওয়ায় আজ আমরা সরকারি কর্মকর্তা হয়েছি, সেই বীর সৈনিকদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দিতে না পারা আমার জন্য বড় কস্টের। কিন্তু আইনের বিরুদ্ধে আমি তো কোন কাজ করতে পারছিনা। মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম গেজেটে অন্তর্ভূক্তি প্রক্রিয়াধীন থাকায় তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়া যায়নি।




দূর্গাপূজা পূজার প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত শিল্পীরা

 

এস এল টি তুহিন,বরিশাল : দূর্গাপূজা পূজা যতই ঘনিয়ে আসছে ব্যস্ততা ততটাই বাড়ছে বরিশাল জেলার বিভিন্ন উপজেলায় প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমা শিল্পীরা।

কেউ কেউ খড়, কাঠ, সুতা দিয়ে প্রতিমার কাঠামো তৈরি করছেন কেউবা নিপুণ হাতে ফুটিয়ে তুলছেন দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী প্রতিমা। প্রতিমার কাঠামো তৈরি শেষে এখন চলছে মাটি দিয়ে প্রতিমা তৈরির মূল কাজ। এরপর প্রতিমা শুকানোর পর কেউ কেউ শুরু করেছে প্রতিমায় রঙের কাজ।

প্রতিমা তৈরির কারিগর বিপক পাল বলেন, সবকিছুর দাম বাড়লেও প্রতিমা তৈরির কারিকরদের মজুরি খুব একটা বাড়েনি। আগের মতো মানুষ মাটির তৈরি জিনিসপত্র ব্যাবহার না করায় আমাদের প্রায় সারা বছরই অলস সময় কাটাতে হয়। তবে দুর্গাপূজা চলাকালীন প্রতিমা তৈরি করে যে টাকা আয় হয় তা দিয়ে কোনো মতে সারা বছর সংসার চালাই।

জানা গেছে,গত বছর বরিশাল জেলা ও মহানগরী এলাকায় ৬৪৬ টি পুজা মন্ডপে দুর্গাপুজা অনুষ্ঠিত হয়। যার মধ্যে মহানগরীতে ছিলো ৪৪টি। এবছর মহানগরীতে ১টি এবং বাকেরগঞ্জ ও মেহেন্দিগঞ্জে দুটি পুজা মন্ডপ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদ বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতি মানিক মুখার্জী কুডু বলেন, আগামী ২০ অক্টোবর ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে এবারের দুর্গাপূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। ২৪ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মধ্যে দিয়ে শেষ হবে পাঁচদিন ব্যাপী এবাবের দুর্গোৎসব। চলতি বছর দেবীর আগমন ও গমন ঘোটকে (ঘোড়ায়) যার ফল ছত্রভঙ্গ অর্থাৎ পৃথিবী এবার অনেকটা অস্থির ও বিশৃঙ্খল থাকবে। তবে দেবীর আগমনে বিশ্ব হবে শান্তিময়, অশুভ শক্তিকে বিনাশ করে উদয় হবে শুভ শক্তির এমনটাই প্রত্যাশা আমাদের ।




পটুয়াখালীর মুক্তিযোদ্ধা  তালিকার যাচাই-বাছাই -আজ দ্বিতীয় দিন অতিবাহিত

 

বরিশাল অফিস: পটুয়াখালীর বাউফলে ২ দিনব্যাপী মুক্তিযোদ্ধা তালিকা যাচাই-বাছাই কাজ শুরু করেছে জাতীয় মুক্তিযুদ্ধ কাউন্সিল (জামুকা) উচ্চ পর্যায় যাচাই-বাছাই কমিটি। কমিটির সদস্যরা হলেন, জামুকা সদস্য ও সাবেক নৌ পরিবহন মন্ত্রী আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শাজাহান খান, সাবেক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মুস্তাফিজুর রহমান ফিজার ও মেজর (অবঃ) ওয়াকার হাসান বীর প্রতীক। ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১০ টায় বাউফল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

জানাগেছে, ইতঃপূর্বে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটি বাউফল থেকে ১৯৫ জনের তালিকাভক্তি করে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় প্রেরণ করেন। যাচাই বাছাই এর বিরুদ্ধে অভিযোগ এবং হাইকোর্টে মামলা জটিলতার কারণে এ তালিকাভুক্তির কার্যক্রম স্থাপিত করা হয়। পরবর্তীতে হাইকোর্টের রায় এবং জামুকারর সিদ্ধান্ত মোতাবেক তালিকাভুক্ত এই ১৯৫ জনের পুনঃতদন্তের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চলছে, চলবে আগামীকাল সোমবার পর্যন্ত। যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে সহযোগিতা করছেন বাউফল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বশির গাজী, জেলা ও স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা নেতৃবৃন্ধ।




বরিশালে যৌতুকের বলি নববধূ

 

বরিশাল অফিস: প্রেমের সম্পর্কে দুই মাস পূর্বে প্রেমিক নয়ন সরদারের হাত ধরে পালিয়ে বিয়ে করেছিলো ১৮ বছরের মুমু আক্তার। পরবর্তীতে উভয় পরিবার তাদের বিয়ে মেনেও নিয়েছিলেন। কিন্তু দিন দিন বেপরোয়া হয়ে ওঠে নয়ন সরদার।

যৌতুকের দাবিতে নববধূ মুমু আক্তারকে চাঁপ প্রয়োগ করে আসছিলো নয়ন। বিভিন্ন সময় মুমু আক্তার তার দিনমজুর বাবার কাছ থেকে বেশ কিছু টাকা এনে দিয়েছিলেন স্বামী নয়নের হাতে। সর্বশেষ নয়নের দাবিকৃত যৌতুকের এক লাখ টাকা বাবার বাড়ি থেকে আনতে অপারগতা প্রকাশ করায় মুমু আক্তারকে শারিরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে মুমু আক্তারকে হত্যা করে বাথরুমের আড়ার সাথে লাশ ঝুলিয়ে রেখে এলাকায় আত্মহত্যার অপপ্রচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন নিহত মুমু আক্তারের বাবা ও তার স্বজনরা। ঘটনাটি ঘটেছে জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার রতনপুর গ্রামে।

সোমবার দুপুরে নিহত মুমু আক্তারের লাশের ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানিয়েছেন মুমু আক্তারের দিনমজুর বাবা তাহের শেখ।

তিনি বলেন, তার মেয়ে মুমু আক্তার প্রেমের সম্পর্কে গত দুই মাস পূর্বে একই গ্রামের মৃত খোকন খানের ছেলে নয়ন সরদারের হাত ধরে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় ইউপি সদস্যর মধ্যস্থতায় তারা এ বিয়ের সম্পর্ক মেনে নিয়েছিলেন। কিন্তু বিয়ের পর বিভিন্ন সময় নয়ন তার কাছ থেকে বেশ কিছু টাকা নিয়েছে। সর্বশেষ এক লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে। ওই টাকার জন্য প্রায়ই তার মেয়েকে শারিরিকভাবে নির্যাতন করা হতো। তাহের শেখ অভিযোগ করেন, গত ১৭ সেপ্টেম্বর সকালে তার মেয়ে মুমু আক্তারকে হত্যা করে নয়ন ও তার পরিবারের সদস্যরা লাশ বাথরুমের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যার কথা রটিয়ে দেয়।

অভিযোগ অস্বীকার করে নয়ন সরদারের স্বজনরা জানিয়েছেন, দাম্পত্য কলহের কারণে অভিমান করে মুমু বাথরুমের আড়ার সাথে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। আগৈলঝাড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ মাজহারুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় প্রাথমিকভাবে থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই মামলায় নিহতের স্বামী নয়ন সরদারকে গ্রেপ্তার করে সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। ওসি (তদন্ত) আরও বলেন, ময়নাতদন্তের রির্পোট হাতে পাওয়ার পর বিষয়টি হত্যা না আত্মহত্যা তার আসল রহস্য জানা যাবে।




পটুয়াখালীর সাগর তীরে অপচনশীল বর্জ্য

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী : বেসরকারি সংস্থা ইকোফিশের গবেষণায় দেখা গেছে, এসব বর্জ্যের মধ্যে আছে প্লাস্টিকব্যাগ, বোতল, পলিথিন, বিস্কুটের প্যাকেট ও সমুদ্রে মাছ ধরার ট্রলারে ব্যবহৃত খাবার বহনের প্যাকেট।

পরিবেশ, মৎস্যজীবী ও উপকূল নিয়ে কাজ করা এই সংস্থাটির কর্মকর্তারা জানান, চলতি বছরের থেকে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন আলীপুর ও মহিপুর নামের দুটি ফিশ ল্যান্ডিং স্টেশনের জেলেদের ওপর এই গবেষণা চালানো হয়।

একেকটি ট্রলার সারাবছর ১৫টি ট্রিপে প্রায় সাড়ে ৩৭ কেজি বর্জ্য সাগরে ফেলে।

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া জন্য ও মাছের সুষ্ঠু প্রজনন নিশ্চিত করতে বছরের ৭ মাস সাগরে মাছ ধরা বন্ধ থাকে। বাকি ৫ মাস জেলেরা মাছ ধরতে পারেন।

ইকোফিশের গবেষণা প্রতিবেদন বলছে, এই পাঁচ মাসে পর্যায়ক্রমে প্রায় ৪০০ ট্রলার মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে যায়। প্রতিটি ট্রলারে ১২ থেকে ২০ জেলে থাকেন এবং প্রতি ট্রিপে একেকটি ট্রলারকে তিন দিন থেকে প্রায় এক সপ্তাহ সমুদ্রে থাকতে হয়।

এই মেয়াদে একেকটি ট্রলার গড়ে ১৫টি ট্রিপ দিতে পারে। প্রতি ট্রিপে জেলেরা তাদের সঙ্গে প্লাস্টিকের ব্যাগ, বোতল, পলিথিন, বিস্কুট ও খাবারের প্যাকেটসহ আড়াই কেজি ওজনের প্লাস্টিক নিয়ে যান। ব্যবহারের পর এর প্রায় পুরোটা তারা সাগরে ফেলে দেন।
এই হিসাব অনুসারে এটা অনুমান করা যায় যে, একেকটি ট্রলার সারাবছর ১৫টি ট্রিপে প্রায় সাড়ে ৩৭ কেজি বর্জ্য সাগরে ফেলে।

ইকোফিশের গবেষণা সহযোগী সাগরিকা স্মৃতি বলেন, ‘আমাদের বেঁচে থাকার জন্য সমুদ্রকে দূষণমুক্ত রাখার বিষয়টি অত্যন্ত জরুরি। সমুদ্রের পরিবেশ দূষণমুক্ত না রাখতে পারলে মাছসহ বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক প্রাণীর জীবন বিপন্ন হয়ে পড়বে।’

ইকোফিশের গত এক বছরের গবেষণায় দেখা গেছে, পর্যটক ও স্থানীয়রা কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে প্রতিদিন ২২ কেজির বেশি অপচনশীল বর্জ্য ফেলেন।

সাগরিকার ভাষ্য, সমুদ্র ও সমুদ্র সৈকতকে দূষণমুক্ত রাখতে ইকোফিশ সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে কিছু জেলের মাঝে পাটের বস্তা বিতরণ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে এবং সচেতনতামূলক প্রচারণা অব্যাহত রাখতে তারা ২০ জন নারীসহ প্রায় ১০০ জন স্বেচ্ছাসেবককে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন।

কলাপাড়া উপজেলা ট্রলার মাঝি সমিতির সভাপতি নুরু মাঝি বলেন, ‘সমুদ্রে প্লাস্টিকের ব্যাগ, বোতল ও পলিথিন ফেলার বিরূপ প্রভাব আমরা বুঝতে পারছি। এখন আমরা আমাদের এলাকার সব জেলেকে এই অভ্যাস থেকে বিরত থাকতে বলছি।’

পটুয়াখালী পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক কাজী সাইফুদ্দিন বলেন, ‘সমুদ্রদূষণ না করার বিষয়ে মৎস্যজীবীদের সচেতন করতে আমরা উদ্যোগ নেব।




পাথরঘাটায় নিখোঁজ মাদরাসা ছাত্র

 

বরিশাল অফিস: বরগুনার পাথরঘাটায় গত পাঁচ দিন ধরে মো: ইব্রাহিম খলিল উল্লাহ যায়েদ (১৪) নামে এক মাদরাসা ছাত্র নিখোঁজ রয়েছেন।

এ ঘটনায় গত শুক্রবার ইব্রাহিমের মা মোসা: রাজিয়া বেগম পাথরঘাটা থানায় একটি জিডি করেছেন।

ইব্রাহিম খলিল পাথরঘাটা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মো: জয়নাল খানের ছেলে। তিনি ঢাকা আব্দুল্লাহপুরের এমদাদুল উলুম মাদরাসার হিফজ বিভাগের ছাত্র।

নিখোঁজ মাদরাসা ছাত্রের মা রাজিয়া বেগম জানান, বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে বাসা থেকে ঢাকার মাদরাসার উদ্দেশে পাথরঘাটা থেকে ছেড়ে যাওয়া ‘ইসলাম পরিবহন’ নামে একটি বাসে রওয়ানা দেন ইব্রাহিম। কিন্তু পর দিন ওই মাদরাসার প্রধান শিক্ষক মো: আবু হানিফার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান যে ইব্রাহিম মাদরাসায় পৌঁছাননি। পরে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখোঁজি করে তার কোনো সন্ধান পায়নি তার পরিবারের সদস্যরা।

পাথরঘাটা থানা পুলিশ পরিদর্শক (ওসি, তদন্ত) সাইফুজ্জামান জানান, নিখোঁজ ইব্রাহিমকে খুঁজে বের করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।